Category: রাজণীতি

  • হামলার সময় হেলমেট পরার নির্দেশ দিয়েছিলেন নেতারা

    হামলার সময় হেলমেট পরার নির্দেশ দিয়েছিলেন নেতারা

    রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের উপর হামলার সময় পরিচয় এড়াতে হামলাকারীদের হেলমেট পরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন নেতারা। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সেখানে লাঠি মজুদ ছিল এবং সেসব লাঠি দেখিয়ে কর্মীদের স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিলেন কয়েকজন নেতা।

    হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল পুলিশকে উসকানি দেওয়া। তারা ভেবেছিল এ ঘটনায় পুলিশ অ্যাকশনে যাবে এবং নির্বিচারে লাঠিচার্জ করবে। আর সেসব ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে দলটি রাজনৈতিক ফায়দা লুটবে।

    মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

    সোমবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ১১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী এইচ কে হোসেন আলী, শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ ভূঁইয়া, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্বাস আলী, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রবিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেন উজ্জ্বল ও তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মাহাবুবুল আলম।

    তিনি বলেন, এইচ কে হোসেন আলী হেলমেট পড়ে গাড়ি ভাংচুর ও গাড়িতে উঠে লাফিয়েছিলেন, সোহাগ লাঠি হাতে গাড়ি ভাংচুর করে ও শার্ট খুলে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেছিলেন, আব্বাস খালি গায়ে উন্মত্বতা প্রকাশ করে গাড়ি ভাংচুর করেন, আশরাফুল পুলিশের পিকআপে প্রথম আঘাত করেন, জাকির ও মাহবুবুল উপস্থিত থেকে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের নির্দেশনা দেন।

    এর আগে আরও সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এরা সবাই এজাহারনামীয় আসামি। যারা অজ্ঞাত ছিল তাদেরও মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজের সহায়তায় শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদেরকেই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

    তিনি জানান, ইতোপূর্বে গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, সেদিন যখন হামলা করা হয় তখন কোনো কোনো নেতারা তাদেরক হেলমেট পরে যেতে বলেছেন, যাতে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া না যায়। লাঠিও ওখানে আগে থেকেই জড়ো করা হয়েছিল, কেউ কেউ লাঠি নিয়ে যেতে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এ ঘটনায় আরও যারা জড়িত আছে তাদের কাউকে কাউকে শনাক্ত করা হয়েছে আবার কাউকে শনাক্ত করার কাজ চলছে।

    এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, সেদিন যে ঘটনা সংগঠিত হয়েছিল সেটি ফৌজদারী অপরাধ। ফৌজদারী অপরাধ বিবেচনায় নিয়েই তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, এখানে কারও রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়।

    যে যুবক গাড়িতে আগুন দিয়েছে তার পরিচয় নিশ্চিত হতে পারলেও এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি, তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। এর বাইরেও অনেককে শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    ঘটনার দিন পুলিশ কোনো অ্যাকশনে যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে পুলিশ ইসির নির্দেশে কাজ করতে বাধ্য। সেদিন পল্টনে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। ৫-৭ মিনিটে হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে ডিএমপির ক্যাপাসিটি রয়েছে। সেদিন পুলিশ অ্যাকশনে যাওয়ার ইচ্ছে থাকলে ৫-১০ মিনিটে সবাইকে সরিয়ে দিতে পারতো। কিন্তু নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ যথেষ্ট ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছে।

    তিনি বলেন, অনেক পুলিশকে সেদিন আক্রমণ করা হয়েছিল, আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের লাইফ রেসকিউ করাই সেদিন বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, আমরা সেটি করতে পেরেছিলাম।

    হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য, তদন্ত ও গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, তাদের উদ্দেশ্য ছিল পুলিশকে উসকানি দেওয়া। তারা মনে করেছে এর ফলে পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করবে এবং এসব অ্যাকশনের ছবি দেখিয়ে বিভিন্ন মহলে রাজনৈতিক ফায়দা লুটবে।

    দ্যা ইকোনোমিস্টের একটি রিপোর্টে লেখা হয়েছে- সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জামায়াত নাশকতা করবে এবং তাদের ব্যাকআপ দেবে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির ঊর্ধ্বতন এ কর্মকর্তা বলেন, আমাদের বিশ্বাস ও প্রত্যাশা সব রাজনৈতিক দলের শুভবুদ্ধি হবে। সবাই গণতান্ত্রিক পন্থায় তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করবেন। কিন্তু কেউ যদি নাশকতা করার চেষ্টা করে, সে যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। পল্টনের ঘটনায় আসামিরা ফেসবুকের অ্যাকাউন্টও ডিঅ্যাকটিভেটেড করেছিল, তবুও তারা পালাতে পারেনি। অপরাধ করে কেউ পালাতে পারবে না।

    জনগণের জান-মাল ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে যে কোনো ফৌজদারি অপরাধ নস্যাৎ করার সক্ষমতা পুলিশের রয়েছে বলে জানান তিনি।

    পল্টনের ঘটনায় পুলিশের উপর হেলমেট পরিহিত হামলাকারীদের দ্রুতই গ্রেফতার করা হলো, সেই সক্ষমতা পুলিশের রয়েছে। কিন্তু গত ৫ আগস্ট সাংবাদিকদের উপর হেলমেটধারী হামলাকারীদের কেন এখনও শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়নি, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফৌজদারী অপরাধ হলে সেটিকে আমরা অপরাধ হিসেবেই দেখি, কার উপর হামলা হয়েছে বিষয়টি মুখ্য নয়। এই মামলাটির তদন্ত চলছে, দায়ীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে, তাদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হবে।

  • জন্মদিনের প্রথম প্রহরে পিতা হাসানাত আবদুল্লাহর আশির্বাদ নিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    জন্মদিনের প্রথম প্রহরে পিতা হাসানাত আবদুল্লাহর আশির্বাদ নিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এর জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাবাকে, পার্বত্য শান্তি চুক্তি চট্রগ্রাম বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ কে পায়ে হাত ধরে সালাম করেন।

    এবার বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ঢাকায় অবস্থান করায়, বরিশালের নেতা কর্মি ও তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাস ও ওয়ার্ডে জন্মদিনের কেকে কাটেন।

    সদর রোড আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয়ে দোয়া মিলাদ ও জন্মদিনের কেক কাটা কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।

  • আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

    আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

    বরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে এই গুণী নির্মাতার দুই ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল ও সোহেল আরমানকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেকে পাঠান তিনি। সেখানে তাঁদের কাছে আমজাদ হোসেনের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে জানতে চান। এরপর প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব আশরাফুল আলম জানান, চলচ্চিত্রের এই গুণী নির্মাতার চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সোহেল আরমান বলেন, ‘আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রোটোকল কর্মকর্তা এস এম খুরশিদ-উল-আলম ফোনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আমার বাবার অসুস্থতার খবর জানতে পেরেছেন। তিনি আমজাদ হোসেনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে চান। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর কার্যালয়ে যাই। এ সময় জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আজমও ছিলেন সেখানে।

    সোহেল আরমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের বলেছেন, দেশে কিংবা দেশের বাইরে যেখানেই হোক, আমজাদ হোসেনের চিকিৎসা নিয়ে ভাবতে হবে না। তিনি আব্বুর চিকিৎসার পুরো দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি আমাদের এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আমজাদ হোসেনের দুই ছেলে সোহেল আরমান ও সাজ্জাদ হোসেন দোদুল। সঙ্গে ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এস এ হক অলীক। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সৌজন্যেপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আমজাদ হোসেনের দুই ছেলে সোহেল আরমান ও সাজ্জাদ হোসেন দোদুল। সঙ্গে ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এস এ হক অলীক। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের।

    সৌজন্যেপ্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আশ্বাস পেয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন দুই ছেলে। সোহেল আরমান বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আজ প্রথম দেখা হলো। সত্যিই তিনি মমতাময়ী। আমাদের তিনি ৩০ মিনিটের বেশি সময় দিয়েছেন। এত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি আমাদের কথা ধৈর্য নিয়ে শুনেছেন, এই কৃতজ্ঞতা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।

    বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের গুণী পরিচালক ও অভিনয়শিল্পী আমজাদ হোসেন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ায় তাঁকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    গত রোববার সকালে বাসায় আমজাদ হোসেনের স্ট্রোক হয়। এরপর তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে আমজাদ হোসেন চিকিৎসক শহীদুল্লাহ সবুজের তত্ত্বাবধানে আছেন। গতকাল সোমবার চিকিৎসক প্রতিনিধিদল থেকে জানানো হয়, আমজাদ হোসেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।

    ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’, ‘ভাত দে’, কসাই, ‘নয়নমণি’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’ ছবিগুলোর নাম নিলেই কাহিনিকার, চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক আমজাদ হোসেনের ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয়েও তিনি প্রশংসিত হয়েছেন।

    ১৯৪২ সালের ১৪ আগস্ট জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন আমজাদ হোসেন। শৈশব থেকেই তাঁর সাহিত্যচর্চা শুরু। পঞ্চাশের দশকে ঢাকায় এসে সাহিত্য ও নাট্যচর্চার সঙ্গে জড়িত হন। প্রথমেই তিনি অভিনয়ে করেন মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘তোমার আমার’ সিনেমায়। এরপর তিনি অভিনয় করেন মোস্তাফিজ পরিচালিত ‘হারানো দিন’ সিনেমায়। আমজাদ হোসেন একসময় চিত্র পরিচালক জহির রায়হানের সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন।

    ১৯৬৭ সালে তিনি নিজেই চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। আমজাদ হোসেনের পরিচালনায় নির্মিত জনপ্রিয় ছবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘বাল্যবন্ধু’, ‘পিতা পুত্র’, ‘এই নিয়ে পৃথিবী’, ‘বাংলার মুখ’, ‘নয়নমণি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘সখিনার যুদ্ধ’, ‘ভাত দে’, ‘হীরামতি’, ‘প্রাণের মানুষ’, ‘কাল সকালে’, ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’ ‘গোলাপী এখন বিলেতে’ ইত্যাদি। গুণী এই পরিচালক ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

  • সম্পদের হিসাব দেননি বিএনপির রফিকুল, ৩ বছরের দণ্ড

    সম্পদের হিসাব দেননি বিএনপির রফিকুল, ৩ বছরের দণ্ড

    সম্পদের হিসাব জমা না দেওয়ার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়ার তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত–৬–এর বিচারক শেখ গোলাম মাহবুব আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় রফিকুল ইসলাম আদালতে হাজির ছিলেন না। আদালত রফিকুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

    মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, ২০০১ সালের ১০ জুন তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো রফিকুল ইসলামকে সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার নোটিশ দেয়। কিন্তু তিনি সম্পদের বিবরণ জমা দেননি। এই অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা লিয়াকত হোসেন বাদী হয়ে ২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি রফিকুলের বিরুদ্ধে উত্তরা থানায় মামলা করেন।

    তদন্ত শেষে একই কর্মকর্তা ওই বছরের ৩০ নভেম্বর আদালতে রফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। আদালত ওই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত বছরের ১৪ নভেম্বর রফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ছয়জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। আদালত আজ রায় ঘোষণা করলেন।

  • এখন মাত্র দুটি দল আওয়ামী লীগ আর জাতীয় পার্টি: এরশাদ

    এখন মাত্র দুটি দল আওয়ামী লীগ আর জাতীয় পার্টি: এরশাদ

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, দেশে এখন মাত্র দুটি দল। একটি আওয়ামী লীগ আর অপরটি জাতীয় পার্টি। দলের সাংগঠনিক রূপ ধরে রাখার জন্য নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন এরশাদ। রাজধানীর গুলশানের একটি কনভেনশন সেন্টারে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে জাতীয় পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়। সকাল থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা মিছিল নিয়ে হাজির হন সেখানে।

    বেলা ১১টায় সাক্ষাৎকার শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে ৪৫ মিনিট পর দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সেখানে হাজির হন পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ ও জিএম কাদের, মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারসহ অন্য নেতারা। বক্তব্য শেষে বেলা সোয়া একটার দিকে বের হয়ে যান তাঁরা।

    বক্তৃতায় জাতীয় পার্টির নেতারা বলেছেন, পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ৩০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন। সবাই যেন সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে দলের পক্ষে কাজ করেন।

    বক্তৃতায় এরশাদ বলেন, ‘আল্লাহ সুযোগ দিয়েছেন আমাদের। আমাদের তো বিলীন হয়ে যাওয়ার কথা। এখন দুটি দল মাত্র, আওয়ামী লীগ আর জাতীয় পার্টি। আর কোনো দল নাই। অনেক দুঃসময় পেরিয়ে জাতীয় পার্টি আবার জেগে উঠেছে। পার্টি সাংগঠনিক রূপ নিয়েছে, যা ধরে রাখতে হবে।

    প্রাথমিকভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে এরশাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাঁর দুঃখকষ্টের কথা স্মরণ করে তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তা গ্রহণ করবেন দলের নেতা-কর্মীরা। তাঁর ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি ছেড়ে দিতে বলেন।

    এরশাদ বলেন, ‘আমার ওপর ছেড়ে দাও। রাজনৈতিক কারণে অন্য জোটে যেতে হলে এর সিদ্ধান্ত আমি নেব। দেশ, পার্টি ও নেতা-কর্মীদের স্বার্থ বিবেচনা করে ভোট ও জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নেব। এর আগে প্রেসিডিয়াম সভায় আমাকে এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

    দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এরশাদ আরও বলেন, আজ এত লোক তাঁর সঙ্গে। জাতীয় পার্টির দুঃখ ঘুচেছে। জাতীয় পার্টি বিলীন হয়নি, তার প্রমাণ দলের নেতা-কর্মীরা। তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে কঠিন দায়িত্ব পালন করতে হবে। সবাইকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিতে পারবেন না। যাঁকে যোগ্য মনে করবেন, তাঁকেই মনোনয়ন দেবেন। এটা সবাইকে মেনে নিতে হবে।

    এরশাদ বলেন, জাতীয় পার্টি বিলীন হয়ে যায়নি। এ জন্য ৩০০ আসনে প্রার্থী আছে কি না, তা দেখতে চেয়েছিলেন। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সংখ্যা দেখে বুঝতে পেরেছেন তাঁরা সফল হয়েছেন।

    ১১ নভেম্বর থেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। চলে পাঁচ দিন। মনোনয়নপ্রত্যাশী ২ হাজার ৮৬৫ জনের ফরম যাচাই-বাছাই করে ৭৮০ জনকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হয়।

    এরশাদ বলেন, ‘এই পার্টির জন্য আমার চেয়ে কেউ এত দুঃখ কষ্ট সহ্য করে নাই। একটা দিনের জন্যও মুক্ত ছিলাম না আমি। এখনো নই। একটা দিনের জন্যও শান্তিতে ছিলাম না। এখনো মামলা চলছে আমার। মামলার নিষ্পত্তি হয় নাই। এই মামলার ভার মাথায় নিয়ে আমি তোমাদের নেতৃত্ব দিয়েছি।

    এদিকে স্বাগত বক্তব্যে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারণে যে ধরনের সিদ্ধান্ত নেবেন, তা পার্টির সবাই মেনে নেবেন। দলের চেয়ারম্যানের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেকোনো সিদ্ধান্তে পার্টির কেউ এরশাদকে ছেড়ে যাবেন না। কারণ এরশাদকে সবাই বিশ্বাস করেন। বৃহত্তর স্বার্থে মহাজোট কিংবা অন্য কোনো জোটে এরশাদ যাবেন কি না, সেটা একান্ত তাঁর (এরশাদ) সিদ্ধান্ত। মহাসচিবের মতে, এরশাদ নির্ভুল পথে হাঁটছেন।

  • শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে লড়াই করব: মির্জা ফখরুল

    শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে লড়াই করব: মির্জা ফখরুল

    নির্বাচনে সব অস্ত্র নিয়ে মাঠে নামার আহ্বান জানিয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সেই অস্ত্র হলো ভোটের অস্ত্র। প্রতিরোধের দেয়াল তৈরির বিকল্প নেই। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে আসতে হবে। জনগণের শক্তি দিয়ে অবাধ নির্বাচন দিতে বাধ্য করতে হবে। প্রতিরোধ তৈরি করতে হবে। এটা বাঁচা-মরার সংগ্রাম। আপনারা পালিয়ে না বেরিয়ে গ্রামে যান। নির্বাচনে যাওয়া আন্দোলনের অংশ।

    মঙ্গলবার বিকেলে সুপ্রিমকোর্ট অডিটোরিয়ামে তারেক রহমানের ৫৪তম জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    সরকার প্রচণ্ড ভয় পেয়ে ইন্টারনেট, স্কাইপ বন্ধ করেছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব প্রশ্ন রেখে বলেন,কতটুকু দেউলিয়া হলে তারা আমাদের প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে রিট করে।

    বিএনপি মহাসচিব আরো বলেন, তারেক রহমান নেতা-কর্মীদের বলেছেন, নির্বাচনের দিনকে বিপ্লবের দিনে পরিণত করতে। নেতাকর্মীরাও ওয়াদা দিয়েছেন, সর্বশক্তি দিয়ে আমরা লড়াই করব। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে হবে। আমরা খুব কঠিন সময়ে আছি। ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তিন বছরের দণ্ড দিয়েছে। আমরা দশ বছর ধরে চেষ্টা করছি। শেষ চেষ্টা ৩০ ডিসেম্বর।

  • আমার এমপি হওয়ার দরকার নাই,দরকার আপনাদের: শামীম ওসমান

    আমার এমপি হওয়ার দরকার নাই,দরকার আপনাদের: শামীম ওসমান

    নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, এই দেশকে আরও উন্নত দেখতে চাইলে শেখ হাসিনাকেই নির্বাচিত করতে হবে।

    একজন ভালো রাষ্ট্রনায়ক পারেন একটি দেশের উন্নয়ন করতে। তেমনিভাবে শেখ হাসিনাও পেরেছেন এই দেশকে উন্নতির দিকে ধাবিত করতে। তার সরকারের আমলে বাংলাদেশে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে।

    মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) সিদ্ধিরগঞ্জের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    শামীম ওসমান বলেন, আমি আপনাদের কাছে ভোট চাইবো না। ভোট চাইতেও আসিনি। আমার এমপি হওয়ার দরকার নেই। এমপি দরকার আপনাদের। আর তাকেই দরকার, যে আপনাদের জন্য কাজ করেছে, করবে এবং করতে চায়। বিগত সময়গুলোতে কত কাজ করেছি তা আপনারা ভালো করেই জানেন। জনপ্রতিনিধি ভালো না হলে উন্নয়ন হয় না। একজন ভালো জনপ্রতিনিধিই পারে এলাকার উন্নয়ন করতে।

    তিনি আরও বলেন, গত ৫ বছরে বাংলাদেশের এমপিদের মধ্যে আমি সবচেয়ে বেশি কাজ করেছি। এর আগে ১৯৯৬ সালেও আমি সর্ব্বোচ্চ কাজ করেছি। এবার যদি আবার নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে বাকি যেসব কাজ আছে সেগুলোও দুই বছরের মধ্যে শেষ করে ফেলবো ইনশাআল্লাহ। এর আগে আপনারা নির্বাচনের অনুমতি দিয়েছিলেন। তাই আমি নির্বাচনে নেমেছি। আপনারা কথা দিয়েছেন। কথা দিয়ে কথা না রাখা মুনাফিকের লক্ষণ। মুনাফিকদের আল্লাহ পছন্দ করেন না। তাই আশা করবো, আপনারা কথা রাখবেন।

    শামীম ওসমান বলেন, যারা ক্ষমতায় আসার জন্য আগুন সন্ত্রাস করে তাদের আর ক্ষমতায় আসতে দেয়া যাবে না। যারা ক্ষমতায় আসার জন্য বিপক্ষ দলের উপর গ্রেনেড হামলা চালায়,তাদের আবার ক্ষমতায় আসতে দেয়া যাবে না।

    jagonews

    তিনি বলেন, যার হাত ধরে আজকে দেশ দরিদ্র রাষ্ট্র থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, যার হাত ধরে দেশের জিডিবির হার বেড়েছে। তাকেই এই দেশে আবার নির্বাচিত করতে হবে।

    শামীম ওসমানের সঙ্গে জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টার, সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্রশাসক আব্দুল মতিন প্রধান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াছিন মিয়া, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক তাজিম বাবু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও নাসিক ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফুল হক হাসান, নাসিক ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওমর ফারুক, নাসিক ১০নং কাউন্সিলর ইফতেখার আলম খোকন, জেলা যুবলীগের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক হাজি সুমন কাজী, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব হোসেন, আদমজী আঞ্চলিক শ্রমিক লীগের সভাপতি সামাদ ব্যাপারী, থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক ভূইয়া রাজু উপস্থিত ছিলেন।

  • বিদ্যুতে দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

    বিদ্যুতে দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে এবং দেশে একটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরীয় রাষ্ট্রদূত হু ক্যাং-ইল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোরীয় রাষ্ট্রদূতকে জানান, তাঁর সরকার দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। এ ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতার হাত প্রসারিত করলে কাজটি আরও সহজ হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়াকে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

    বাংলাদেশের ক্রমবর্ধিষ্ণু অর্থনীতির ভূয়সী প্রশংসা করে দক্ষিণ কোরীয় রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘এটা খুবই প্রশংসার দাবি রাখে যে বাংলাদেশ বিগত কয়েক বছর ৬ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এটি একটি বিরাট অর্জন।

    হু ক্যাং-ইল বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে কোরিয়া। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে একটি উজ্জ্বল ও ইতিবাচক ভবিষ্যৎ থাকায় আরও কোরীয় বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আসবেন।

    রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাষ্ট্রদূত বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ গৃহীত প্রস্তাবে সমর্থন ব্যক্ত করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে সফল প্রত্যাবাসন প্রত্যাশা করি। রাষ্ট্রদূত এ প্রসঙ্গে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য ৫০ লাখ মার্কিন ডলার সহযোগিতা দিয়েছে।

    এ সময় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

  • টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের পরীক্ষার সুযোগও দুর্নীতি: দুদক চেয়ারম্যান

    টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের পরীক্ষার সুযোগও দুর্নীতি: দুদক চেয়ারম্যান

    টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াও এক ধরনের জঘন্য দুর্নীতি বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

    মঙ্গলবার অফিস থেকে বের হওয়ার সময় দুদক চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের এক অনির্ধারিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

    দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, যেসব স্কুল এই অতিরিক্ত টাকা নিয়েছে, তারা একটি মামলাযোগ্য অপরাধ সংগঠিত করেছে। এর বিরুদ্ধে দুদক ব্যবস্থা নেবে। এরই মধ্যে এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে কঠোর।

    এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দুদককে একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানিয়েছে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, এই ঘটনায় আমি ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত মর্মাহত। এ বছরের শুরুতেই এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষাবোর্ড ও মন্ত্রিপরিষদকে এ বিষয়ে সুপারিশ দিয়েছিলাম। অথচ এখন প্রতিদিনই আমাদের কাছে হাজার হাজার অভিযোগ আসছে। আমরা এরইমধ্যে অ্যাকশনে গিয়েছি। জেলা অফিসগুলোকে অ্যাক্টিভ করেছি। জেলা প্রশাসকদের লিখিত ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

  • স্কয়ার থেকে গ্রীন লাইফের আইসিইউতে ছাত্রলীগ সম্পাদক

    স্কয়ার থেকে গ্রীন লাইফের আইসিইউতে ছাত্রলীগ সম্পাদক

    ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল থেকে গ্রীন লাইফ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে তাকে গ্রীন লাইফে স্থানান্তর করা হয়।

    ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির এক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    গ্রীন লাইফের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহর তত্ত্বাবধানে তাকে ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

    এর আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর ডাক্তারদের পরামর্শে গ্রীন লাইফে অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়।

    উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই গোলাম রাব্বানী ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তার সঙ্গে সভাপতি হন কুড়িগ্রামের রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।