Category: রাজণীতি

  • নৌকার বিরুদ্ধে গেলে আজীবন বহিষ্কার

    নৌকার বিরুদ্ধে গেলে আজীবন বহিষ্কার

    আগামী জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে কে বড় নেতা; কে ছোট নেতা এই বিষয়টি গুরুত্ব পাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জরিপে যারা এগিয়ে তাদের হাতেই উঠবে নৌকা প্রতীক।

    কিছু আসনে অস্বাভাবিক সংখ্যায় মনোনয়ন ফরম বিক্রির বিষয়টিতেও নাখোশ হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এটি ওই এলাকায় দলের সাংগঠনিক দুর্বলতার প্রমাণ। আগামীতে ক্ষমতায় এলে এগুলোরও সমাধান করা হবে।

    বুধবার গণভবনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় দেয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন দলের প্রধান। বেলা সাড়ে ১২ টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত প্রায় একঘণ্টা বক্তব্য দেন তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা এগিয়ে থাকবে তাদেরকে মনোনয়ন দেয়া হবে। সেখানে ছোট নেতা, বড় নেতা দেখা হবে না। যাকে মনোনয়ন দেব তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নইলে বিপদ হবে। ক্ষমতায় আসছি এমন মনোভাব পরিহার করতে হবে।’

    তিনি বলেন, গত দুই নির্বাচনে এনেছি, এবারো আমিই ক্ষমতায় আনব; এটা মনে করে কোনো লাভ নেই। প্রার্থীর নিজ নিজ যোগ্যতা, দক্ষতা, রাজনৈতিক ত্যাগ-তিতীক্ষা থাকতে হবে। জনসম্পৃক্ত হতে হবে।

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে জরিপ চালিয়েছি। এর ভিত্তিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে। কোনো প্রার্থীর প্রতি ভোটারের সমর্থন আছে, সেটা বিবেচনায় নেওয়া হবে।’

    মনোনয়ন যাকেই দেয়া হোক, তার পক্ষেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশও দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি বলেন, ‘প্রার্থীর বিরোধিতা করা হলে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হবে। একটা সিটেও হারব-কারো এমন মনোভাব পোষণ করা যাবে না।

    এবার মনোনয়ন প্রত্যাশীদের একটি বড় অংশই উপজেলা চেয়ারম্যান বা পৌরসভার মেয়র। আছেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরাও। তাদের উদ্যেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, চেয়ারম্যান বানিয়েছি; মেয়র বানিয়েছি। আবার আপনাদের এমপিও বানাতে হবে। দলে আর লোক নেয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জয়ীরা সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পাবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন শেখ হাসিনা।

    বিভিন্ন আসনে অস্বাভাবিক হারে মনোনয়ন ফরম বিক্রির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে নেতৃত্ব শূন্যতা রয়েছে, সেখানে যত বড় নেতাই হোক না কেন, তারা পার্টিকে অর্গানাইজ করতে পারে নাই। এটা তাদের নেতৃত্বশূন্যতার প্রমাণ। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ক্ষমতায় আসলে অনেক পদ ক্রিয়েট করা হবে সেখানে সবাইকে একমোডেট করা হবে।’

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক পরিস্থিতিও তুলে ধরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সমর্থন আছে, কর্মী আছে, ভোট আছে কিন্তু ইদানীং দৃশ্যমান কর্মী নেই। ১৯৮১ সালে নেতৃত্বে এসে দলকে সংগঠিত করেছি। তিলে তিলে এই দলকে গড়ে তুলেছি। আমি, রেহানা, জয়, পুতুলসহ আমার পরিবারের সদস্যরা অনেক অসহায় সময় পার করেছি।’

    ‘আওয়ামী লীগকে ঠেকানোর অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু কেউ আওয়ামী লীগকে দমাতে পারেনি। এখনো নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে।

  • চিত্রনায়ক-নায়িকারা আওয়ামী লীগের জন্য ভোট চেয়েছেন

    চিত্রনায়ক-নায়িকারা আওয়ামী লীগের জন্য ভোট চেয়েছেন

    আগামী সপ্তাহ থেকে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের নায়ক-নায়িকারা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারে নামবেন। মঙ্গলবার বিকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে নির্বাচনী প্রচার উপ-কমিটির এক সভায় সাংবাদিকদের এ কথা জানান আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের জন্য ভোট চেয়েছেন চিত্র নায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিল খান, অভিনেত্রী অরুনা বিশ্বাস, অভিনয় শিল্পী জাহিদ হাছান, সাদিয়া ইসলাম মৌ ও শমী কায়সারসহ অনেকে। তারা আগামি সপ্তাহ থেকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় নামবেন। এটা আজ আমাদের বৈঠকের স্বিদ্ধান্ত।

    এ সময় চিত্রনায়ক ফেরদৌস বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে আমরা প্রচণ্ড ভালোবাসি। তিনি আমাদের যে উন্নয়নের ধারা দেখিয়ে দিয়েছেন সেই ধারায় আমরা হাঁটছি। আমার মনে হয় উনি যদি আগামীতে প্রধানমন্ত্রী না হন, তবে বাংলাদেশ এভাবে এগিয়ে যেতে পারবে না।

    চিত্রনায়ক রিয়াজ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষকে বিনোদন দিয়ে আসছি। আমি মনে করি আগামীতে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে দেখতে চায়। আপনারা যারা নতুন ভোটার আছেন তারা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে ভোট দিন। কারণ এই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার।

    নাট্য অভিনেতা জাহিদ হাসান বলেন, আমরা অনেক কনফিডেন্টলি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি এই নৌকা মার্কার কারণে। আমরা যখন দেশের বাইরে যায় তখন গর্বের সঙ্গে বলি আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশটাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। একটা মহাসড়কে আমরা যাত্রা করছি, এর গন্তব্য যেন আরও ভালো জায়গায় চলে যায়। আমরা নৌকার সঙ্গে আছি এবং ইনশাল্লাহ থাকবো।

    এ ছাড়াও চিত্রনায়ক শাকিল খান, শমী কাইসার, সাদিয়া ইসলাম মৌসহ প্রত্যেকে আওয়ামী লীগের জন্য নৌকায় ভোট চেয়েছেন।

    নির্বাচনী প্রচার উপ কমিটির আহবায়ক ড. হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে উক্ত সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কন্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম এমপিসহ নির্বাচনী প্রচার উপ-কমিটির অনেকে।

  • সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের গাড়িতে দেশলাই দিয়ে আগুন দেওয়া যুবক শনাক্ত

    সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের গাড়িতে দেশলাই দিয়ে আগুন দেওয়া যুবক শনাক্ত

    রাজধানীর নয়াপল্টনে গতকাল বুধবার বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের গাড়িতে দেশলাই দিয়ে যে যুবককে আগুন দিতে দেখা যায়, তাঁকে শনাক্ত করা হয়েছে। পুলিশের মতিঝিল বিভাগের সহকারী কমিশনার মিশু বিশ্বাস আজ বৃহস্পতিবার সকালে এই দাবি করেন।

    মিশু বিশ্বাসের ভাষ্য, পুলিশের গাড়িতে যে যুবক আগুন দিয়েছেন, তাঁর নাম শাহজালাল খন্দকার। তিনি পল্টন থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। একই ঘটনার সময় পুলিশের গাড়ির ওপর যে যুবককে লাফাতে দেখা গেছে, তাঁকেও শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের মতিঝিল বিভাগের এই সহকারী কমিশনারের।

    তাঁর ভাষ্য, এই যুবকও ছাত্রদলের। পুলিশ কর্মকর্তা মিশু বিশ্বাসের এই বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারেনি। মিশু বিশ্বাস বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় গতকাল রাত পর্যন্ত ৩০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া অভিযান চালিয়ে ৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পুলিশের গাড়িতে আগুন জ্বালাতে দেখা যুবক ও গাড়ির ওপর লাফাতে থাকা যুবক নেই বলে জানান মিশু বিশ্বাস।

    সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে আসামি করে পুলিশ তিনটি মামলা করেছে। গতকাল বুধবার পল্টন থানায় এই মামলাগুলো করা হয়। পল্টন থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, রাস্তা অবরোধ, পুলিশকে মারধর ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে এসব মামলা করা হয়েছে। বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, গতকাল দুপুরে হাজারখানেক নেতা-কর্মীর মিছিল পুরো রাস্তা আটকে দেয়। মিছিলটিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে একটি লেন চালু করার চেষ্টায় পুলিশ লাঠিপেটা করলে সংঘাতের সূত্রপাত হয়।

    বিএনপির নেতা-কর্মীরাও খুব দ্রুত মারমুখী হয়ে ওঠেন। তাঁদের লক্ষ্য করে পুলিশ প্রচুর কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ছররা গুলি ছোড়ে। গুলি-টিয়ার গ্যাসের শেলের দ্রুম দ্রুম শব্দ, গ্যাসের ধোঁয়া, নেতা-কর্মীদের হইচই, ধর ধর চিৎকার, মানুষের ছোটাছুটি, হুড়মুড় করে দোকানের ঝাঁপ নামানোর শব্দ—সব মিলিয়ে কিছুক্ষণের জন্য পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। কিছু যানবাহন ভাঙচুর ও পুলিশের দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

    দেড় ঘণ্টার সংঘর্ষে ২৩ পুলিশ সদস্য এবং অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি উভয় পক্ষের। পুলিশ এ ঘটনার জন্য বিএনপিকে দায়ী করছে। পুলিশ বলছে, সংঘর্ষের জন্য মির্জা আব্বাস, তাঁর স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, বিএনপির নেতা আখতারুজ্জামান ও নবীউল্লাহ দায়ী। মির্জা আব্বাসের ভাষ্য, ‘এটা সরকার বা আওয়ামী লীগের সাবোটাজ হতে পারে।

  • নয়া-পল্টনে হেলমেট পরিধানকারী ‘ছাত্রদল ক্যাডার শাওন’

    নয়া-পল্টনে হেলমেট পরিধানকারী ‘ছাত্রদল ক্যাডার শাওন’

    য়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের সাথে জড়িত হেলমেট পরিধানকারীর পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গনমাধ্যমের সুত্র ধরে, তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।

    পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের পর গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে থাকা হেলমেট পরিধানকারী ব্যক্তিটি মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক জাহিদুজ্জামান শাওন। মোহাম্মদপুর থানা সুত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    হেলমেট পরিধানকারী যুবক শাওনের পরিচয় প্রকাশ হওয়া সাথে সাথে সাম্প্রতিক সময়ে ‘হেলমেট বাহিনী কারা’ রহস্যের জটও খুলেছে।

    এছাড়া, এর আগে পুলিশের উপর হামলাকারী মির্জা আব্বাসের একনিষ্ঠ কর্মী শাহজাহানপুর যুবদল ক্যাডার সোহাগ ভুঁইয়ার পরিচয় চিহ্নিত করেছে বিভিন্ন গনমাধ্যম।

    উল্লেখ্য, গতকাল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনের এক অনুষ্ঠানে উস্কানিমুলক বক্তৃতার পর, আজ নয়াপল্টনে পুলিশের উপর অতর্কিত হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায় বিএনপি নেতাকর্মীরা।

  • শহিদুল আলম জামিন পেলেন, মুক্তিতে বাধা নেই

    শহিদুল আলম জামিন পেলেন, মুক্তিতে বাধা নেই

    তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলম জামিন পেয়েছেন। তাঁর জামিন প্রশ্নে রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ বৃহস্পতিবার রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট এ রায় দেন। এতে তাঁর কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর অন্যতম আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

    রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।

    শুনানি নিয়ে গত ১ নভেম্বর হাইকোর্টের অপর একটি দ্বৈত বেঞ্চ জামিনের আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। এরপর শহিদুল আলমের আইনজীবীরা আবেদনটি ওই বেঞ্চে উপস্থাপন করেন, যা গতকাল বেলা দুইটায় শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ছিল। পরে শহিদুল আলম অসুস্থ থাকায় এক দিন সময় চাওয়া হয়। আদালত আজ বেলা দুইটায় শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেন।

    ওই মামলায় শহিদুল আলমের জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ অক্টোবর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল দেন। কেন তাঁকে জামিন দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়।

    শহিদুল আলম বর্তমানে কারাগারে আছেন।

  • ঐক্যফ্রন্টে প্রধানমন্ত্রী হবেন কে?

    ঐক্যফ্রন্টে প্রধানমন্ত্রী হবেন কে?

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মতো নেতা কে আছেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি জানতে চাই, দেশবাসীও জানতে চায়; বলুন-প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? ড. কামাল হোসেন না তারেক রহমান?-কে হবেন? হু ইজ দেয়ার পিএম ফেইস?

    বিএনপিসহ কয়েকটি নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দল নিয়ে গত ১৩ অক্টোবর গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সাত দফা দাবিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়।

    এসব দাবি নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দুই দফা সংলাপে বসেছিলেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সেখানে কোনো সমঝোতা না হলেও তারা ‘আন্দোলনের অংশ হিসেবে’ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

    কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য ইতিমধ্যে তিনটি আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন দলটির নেতারা।

    কিন্তু দুর্নীতির দুই মামলায় তার ১৭ বছরের কারাদণ্ড হওয়ায় আদৌ তিনি ভোট করতে পারবেন কিনা, সে বিষয়ে সংশয় এখনও কাটেনি।

    আর খালেদার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত এক দশক ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন লন্ডনে।

    দুর্নীতির দুই মামলায় তার ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড মামলায় হয়েছে যাবজ্জীবন সাজার রায়।

    এদিকে ঐক্যফ্রন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে কামাল হোসেনকে তাদের ‘প্রধান নেতা’ হিসেবে বর্ণনা করে। ঐক্যফ্রন্টের বিভিন্ন জনসভায় তাকে দেখা গেছে ‘প্রধান অতিথি’ হিসেবে, আর মির্জা ফখরুল ছিলেন ‘প্রধান বক্তা’।

  • দীর্ঘ ১২ বছর পর অভিমান ভেঙে আজ বিএনপিতে ফিরলেন এই নেতা

    দীর্ঘ ১২ বছর পর অভিমান ভেঙে আজ বিএনপিতে ফিরলেন এই নেতা

    দীর্ঘ ১২ বছর পর অভিমান ভেঙে আজ বিএনপিতে ফিরলেন এই নেতা  দীর্ঘ এক যুগ পর অভিমান ভেঙে বিএনপির রাজনীতিতে ফিরে এসেছেন দলটির বরিশাল বিভাগীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির দুই ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান ও শামসুজ্জামান দুদুর হাতে ফুল দিয়ে বিএনপির রাজনীতে ফিরে আসেন তিনি।

    এ সময় তিনি বলেন, ‘নানা কারণে আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় থাকলেও আমি দল ছেড়ে যায়নি। আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে আমি আবার দলে ফিরে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করতে চাই।

    তিনি বলেন, ‘দেশ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। দেশ শাসন করছে এক স্বৈরাচার সরকার। আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে এই সরকারকে মোকাবেলা করতে হবে।

    উল্লেখ্য, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপির রাজনীতে নিষ্ক্রিয় হয়ে যান দলটির সাবেক এই সংসদ সদস্য।

  • বিএনপির সবাইকে জেলে ভরে রাখা উচিত: সজীব ওয়াজেদ জয়

    বিএনপির সবাইকে জেলে ভরে রাখা উচিত: সজীব ওয়াজেদ জয়

    নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোর পর চালানো তাণ্ডবের ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের জেলে ভরে রাখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি–বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

    বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের ওই ঘটনার একটি সংবাদ শেয়ার করে নিজের ভেরিফাইড পেজে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    জয় লিখেছেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হতে না হতেই বিএনপির সহিংসতাও শুরু হয়ে গেছে। ঠিক যেভাবে তারা ২০১৩ ও ২০১৫ সালে অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষদের জীবন্ত পুড়িয়েছিল।

    তিনি বলেন, বিএনপিকে কোনোদিক থেকেই আর রাজনৈতিক দল বলা যায় না, তারা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। কানাডিয়ান ফেডারেল আদালতও একই কথা বলেছে একাধিকবার। তাদের সবাইকে জেলে ভরে রাখা উচিত।

    সবাইকে জেলে ভরে রাখা উচিত।

    নির্বাচনী আমেজের মধ্যে হঠাৎ করেই বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। দুপুর ১টা থেকে শুরু হওয়া ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে নয়াপল্টন এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

    এতে আহত হয়েছেন পুলিশ, সাংবাদিক, বিএনপি নেতাকর্মীসহ অর্ধশতাধিক। এ সময় পুলিশের দুটি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ভাংচুর করা হয় আরও কয়েকটি যানবাহন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে।

  • হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার

    হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার

    বহুল আলোচিত ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ ডকুফিল্মটি মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপরে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। কিন্তু চলচ্চিত্রে প্রধানমন্ত্রী নয় একজন মমতাময়ী মা, আদর্শ স্ত্রী এবং যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তানের নিরাভরণ জীবনযাপনের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সে চলেবে ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ ডকুফিল্মের উদ্বোধনী প্রদর্শনী। শুক্রবার থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সের পাশাপাশি ঢাকার মধুমিতা সিনেমা হল ও ব্লকবাস্টার সিনেমাস এবং চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিনে একযোগে মুক্তি পাবে ছবিটি।

    ৭০ মিনিটের ডকুফিল্ম পরিচালনা করেছেন অ্যাপল বক্স ফিল্মসের পিপলু খান। সেন্টার ফর রিচার্স অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) পক্ষে ডকুফিল্মটি প্রযোজনা করেছেন রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও নসরুল হামিদ বিপু।গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের কনভেশন হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রযোজনা সংস্থা সিআরআইর নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস, পরিচালক পিপলু খান, ছবিটির পরিবেশক গাউসুল আজম শাওন ও শিবু কুমার শীল।

    পরিচালক পিপলু খান বলেন, ডকুফিল্মে প্রধানমন্ত্রী বা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে উপস্থাপন করা হয়নি। তুলে ধরা হয়েছে একজন সাধারণ শেখ হাসিনাকে- খুব সহজেই একাত্ম হওয়া যায় যার সঙ্গে, অনুভব করা যায় তার মানবিকতা ও মমত্ব।ডকুফিল্মটিতে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার আবেগঘন কণ্ঠ আর দৃশ্যায়নে ফুটে উঠেছে বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালে নৃশংস হত্যাপরবর্তী বিষাদপূর্ণ সময়ে দুই বোনের নির্বাসিত জীবনসংগ্রামের চিত্র।

    আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিআরআই ও অ্যাপেলবপ ফিল্মসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’। চলচ্চিত্রটির চিত্রগ্রহণ করেছেন সাদিক আহমেদ। সম্পাদনা করেছেন নবনীতা সেন এবং সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন দেবজ্যোতি মিশ্র।

  • সিকিউরিটির মানে কি আমাকে ঘিরে রাখা : খালেদা

    সিকিউরিটির মানে কি আমাকে ঘিরে রাখা : খালেদা

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, পুলিশ সিকিউরিটির মানে কি আমাকে ঘিরে রাখা। এভাবে ঘিরে থাকলে আমি আইনজীবীদের দেখতে পাই না। তাদের সঙ্গে কথা বলতেও পারি না। পুলিশ তো আদালতের বাইরে থাকবে।

    নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য বুধবার (১৪ নভেম্বর) বেলা ১১টা ৫৮ মিনিটে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯নং বিশেষ জজ মাহমুদুল কবিরের আদালতে খালেদা জিয়াকে হাজির করা হয়। হুইল চেয়ারে বসে তিনি আদালতে আসেন। এ কারাগারেই দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে বন্দী রয়েছেন খালেদা জিয়া। আদালতে হাজির করার পর তিনি এসব কথা বলেন।

    খালেদা জিয়া আদালতের পরিবেশের কথা প্রশ্ন তুলে বিচারককে বলেন, এই ছোট্ট পরিসরের আদালতে কীভাবে আপনি (বিচারক) এ মামলার বিচার করবেন। আগের আদালতে বিচার করুন।

    এ সময় বিচারক বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে আমি কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারব না। তবে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে প্রসিকিউটরকে বলছি।

    খালেদা জিয়া শুনানি চলাকালে আরও বলেন, ‘মামলা দিয়ে কোর্টের মাধ্যমে আমাদের আটকে রাখা হচ্ছে। তাহলে বলে দেয়া হোক যে, আমাদের নির্বাচনে যাওয়ার দরকার নেই।’

    তিনি বলেন, ‘একদিকে মামলা চলবে, অন্যদিকে তারা (ক্ষমতাসীন দল) নির্বাচন করবে- এটা তো হতে পারে না।’
    শুনানিতে অংশ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন প্রশ্ন রাখেন, ‘আমার মামলাগুলো কেন এত দ্রুত বিচার করা হচ্ছে? কয়টা মামলা দ্রুত বিচারে নিষ্পত্তি করা হয়েছে? সেভেন মার্ডার (নারায়ণগঞ্জের সাত খুন) কি দ্রুত বিচার আইনে হয়েছে?’

    ‘বর্তমান রাজনীতির সঙ্গে সবকিছু চলছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    খালেদা জিয়া নির্বাচনের পর অভিযোগ গঠনের পরবর্তী শুনানির জন্য অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আমার নেতাকর্মীরা ব্যস্ত থাকবেন। কেউ আসতে পারবেন না। এ কারণে নির্বাচনের পর শুনানির দিন ধার্য করা হোক।’

    খালেদা জিয়ার বক্তব্য শেষে আদালত ৩ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন। দুপুর সোয়া ১টায় বিচারক এজলাস ত্যাগ করেন।