Category: রাজণীতি

  • প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি : বিশেষজ্ঞ নিয়ে সীমিত পরিসরে আলোচনা চান ড. কামাল

    প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি : বিশেষজ্ঞ নিয়ে সীমিত পরিসরে আলোচনা চান ড. কামাল

    আবার সংলাপে বসার আগ্রহের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

    আজ রোববার বেলা ১২টার দিকে গণফোরামের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিকসহ তিনজন নেতা ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে চিঠিটি পৌঁছে দেন।

    চিঠিতে শেখ হাসিনার উদ্দেশে ড. কামাল লেখেন, ‘গত পয়লা নভেম্বর গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ জন্য ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী) ধন্যবাদ জানাই। দীর্ঘ সময় আলোচনার পরও আমাদের আলোচনাটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। সেই দিন আপনি বলেছিলেন আমাদের আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তারই ভিত্তিতে ঐক্যফ্রন্ট জরুরি ভিত্তিতে আবারও আলোচনায় বসতে আগ্রহী। ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফার সাংবিধানিক ও আইনগত দিক বিশ্লেষণের জন্য উভয় পক্ষের বিশেষজ্ঞসহ সীমিত পরিসরে আলোচনা করা প্রয়োজন।’

    চিঠিতে ড. কামাল প্রধানমন্ত্রীকে জানান, সংলাপ শেষ হওয়ার আগে তফসিল ঘোষণা না করার জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।

  • নৌকায় ভোট চাইতে দেশে ফিরছেন শাবানা

    নৌকায় ভোট চাইতে দেশে ফিরছেন শাবানা

    চলচ্চিত্রে এক সময়ের পর্দা কাঁপানো অভিনেত্রী শাবানা। ১৮ বছর ধরে তিনি রয়েছেন বাংলা সিনেমা থেকে দূরে। শুধু মাত্র সিনেমাই নয়, তিনি বাংলাদেশ থেকেই দূরে রয়েছেন। অনেকদিন ছিলেন লোকচক্ষুর আড়ালে তবে হঠাৎ করে বাংলাদেশে এসে চমকে দিয়ে গেছেন সবাইকে।

    বর্তমানে স্বামী-সন্তান নিয়ে স্বপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তবে এবার শাবানা আবারও ফিরছেন আমাদের মাঝে। তবে সেটা অভিনয়ে নয়, নির্বাচনের মাঠে। আগামী মাসেই তিনি দেশে আসছেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নিবার্চনের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে। সেজন্য কয়েক মাস বাংলাদেশে থাকবেন।
    এর আগে শাবানা স্বামীকে নিয়ে কেশবপুরের সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সর্বশেষ গত ১৮ জুলাই যশোর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ও স্বামীর জন্মভিটা বড়েঙ্গা গ্রামে এ মতবিনিময় করেন।

    শাবানার স্বামী চলচ্চিত্র প্রযোজক ওয়াহিদ সাদিক যশোর-৬ (কেশবপুর) সংসদীয় আসন থেকে এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন। স্বামীর হয়ে প্রচারণা চালাতেই দেশে আসবেন শাবানা।

    শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি শাবানাকে নির্বাচন করতে বলেন। তবে তিনি নিজে এ মুহূর্তে নির্বাচনে না আসতে চাইলেও স্বামী ওয়াহিদ সাদিক যশোর-৬ (কেশবপুর) সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও রয়েছে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

  • সংলাপের ছবি ফেসবুকে গেল কী করে: মান্না

    সংলাপের ছবি ফেসবুকে গেল কী করে: মান্না

    নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, গণভবনে সংলাপ হয়েছে, সেখানে কোনো সাংবাদিক নেই। ফেসবুকে ছবি গেল কী করে? তিনি বলেন, ‘সরকারের মতলবই খারাপ। এটা একটা মতলবি সরকার।’

    জাতীয় প্রেসক্লাবে শনিবার মাটির ডাক নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে ‘নির্বাচন ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মাহমুদুর রহমান মান্না এ মন্তব্য করেন।

    সংলাপের ছবি ছড়ানোর বিষয়ে মান্না বলেন, ঐক্যফ্রন্টকে দাওয়াত করা হয়েছিল নৈশভোজের। জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ভোজসভার জন্য তো সেখানে যাওয়া হচ্ছে না, সেখানে সংলাপ করতে যাওয়া হচ্ছে, এটা কোনো উৎসব নয়। অতএব নৈশভোজ নয়। তারা (সরকার) মেনেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বলিনি যে, জল পানও করব না। পানি খাওয়াবে, চা খাওয়াবে, চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাওয়াবে, স্ন্যাক্স দেবে, কে মানা করেছে? কিন্তু তারা স্ন্যাক্সের সঙ্গে স্যুপের ছবি দিয়ে ছড়াবে, কী বোঝাতে চাইছে? এই নেতারা জীবনে খাননি, খেতে গিয়েছিলেন সেখানে?’

    মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, সংলাপটা কি সংয়ের সঙ্গে আলাপ? প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, দিনের মধ্যে চারবার কথা হয়, তাঁর সঙ্গে সংলাপ কী? বিরোধী দলের নেতা, সংসদে দেখা হয়, সংসদের বাইরে কথা হয়। তাঁর সঙ্গে সংলাপ কী? সরকারের মন্ত্রী, তাঁর একটি দল আছে, তাঁর সঙ্গে আলাদাভাবে সংলাপ কী?

    মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ঐক্যফ্রন্টের চাওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীকে সংলাপ করতে হয়েছে। এই সংলাপকে যতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, ছোট করা যায়, ফালতু বানিয়ে দেওয়া যায়—তার জন্য একটার পর একটা কাকে কাকে ডেকে কথা বলছেন। আর তাকে সংলাপ বলা হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ঐক্যফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না আরও বলেন, ‘আমরা এবার ঘরে ঢোকার লোক না। আমরা আন্দোলনই করব।’ এ সময় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আবারও সংলাপে বসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৬ নভেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এবং ৯ নভেম্বর রাজশাহীতে জনসভা করবে বলেও জানান মান্না।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ফজলুর রহমান, সহপ্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

  • না ফেরার দেশে বিএনপি নেতা তরিকুল

    না ফেরার দেশে বিএনপি নেতা তরিকুল

    প্রবীণ রাজনীতিক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    রোববার বিকেল ৫টায় রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তার মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

    সাবেক এই মন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে তথ্য মন্ত্রণালয়সহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন তরিকুল ইসলাম।

    যশোর-৩ আসন থেকে চারবার নির্বাচনে জিতে সংসদে যাওয়া তরিকুল ইসলাম চারদলীয় জোট সরকারের তথ্যমন্ত্রী এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

    বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে আসার আগে তিনি সহ-সভাপতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন।

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তরিকুল ইসলাম ছাত্র জীবনে বাম রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি জিয়াউর রহমানের সময়ে বিএনপিতে যোগ দেন।

    অসুস্থতার কারণে কয়েক বছর ধরে দলীয় কার্যক্রমে অনেকটাই অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলেন তরিকুল। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে শেষবার তিনি অংশ নেন গত ফেব্রুয়ারিতে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে।

  • ড. কামালকে হতাশ করলেন কাদের সিদ্দিকী, সিদ্ধান্ত জানাবেন পরশু দিন

    ড. কামালকে হতাশ করলেন কাদের সিদ্দিকী, সিদ্ধান্ত জানাবেন পরশু দিন

    বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর আজ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত জানানোর কথা থাকলেও তিনি ফের সময় চেয়েছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের কাছে। এর আগে গত ৩১ অক্টোবর কাদের সিদ্দিকী বলেছিলেন, ‘আমি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে থাকবো কি-না, সেটা ৩ নভেম্বর জানাবো।’

    আজ ড. কামাল হোসেনের উদ্দেশ্যে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘স্যার আমি একদিন সময় চেয়ে নিচ্ছি। আগামী ৫ নভেম্বর আমি আমার অভিমত আপনাদের জোটের নেতাদের সামনে জানিয়ে দেবো।’

    তিনি বলেন, ‘সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর আমাকে যোগ দিতে বলেছেন। আমি যদি যোগ দেই, তাহলে মনপ্রাণ দিয়ে কাজ করবো। আর যদি আপনাদের সঙ্গে নাও থাকতে পারি, তাও জানিয়ে দেবো। তবে, যেদিন প্রধানমন্ত্রী আপনাদের সঙ্গে সংলাপ করেছেন, আপনাদের বিজয় সেদিন হয়ে গেছে। আমি যেখানেই থাকি না কেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

    শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী।

    আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে কাদের সিদ্দিকী বলেন, গত পরশুদিন আমি ড. কামাল হোসেনের বাসায় গিয়েছিলাম। গত ৩ দিন ধরে আমার দলের নেতারা বারবার বলেছেন ঐক্যফ্রন্টের যোগদানের কথা আমি চিন্তা করছিলাম, প্রেসকেও বলেছিলাম। ড. কামাল হোসেনকে আমি পিতার মতো সম্মান করি।

    ড. কামালকে রাজাকার বলে কটাক্ষ করা নিয়ে তিনি বলেন, ওরা আপনাকে অনেক অপমান করেছে। আপনাকে রাজাকার বলেছে। বলেছে, খুনিদের সঙ্গে আপনি এক হয়েছেন। আপনি এসব মাথায় নেবেন না। হাতী রাস্তায় হেঁটে যাওয়ার সময় অনেক প্রাণী ঘেউ ঘেউ করে। আপনারা ঐক্য করেছেন মানুষের জন্য। আপনাদের বিজয় হয়ে গেছে।

    কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ড. কামাল হোসেনকে আজকে এখানে পেয়ে ধন্য হয়েছি। তিনি শুধু কামাল হোসেন নন। তিনি ঐক্যফ্রন্টের প্রধান। তিনি সমগ্র জাতির প্রধান। কামাল হোসেন এমন অবস্থানে এখন তিনি যেখানে নির্বাচনে দাঁড়াবেন, সেখানে বিজয়ী হবেন। এমনকি টুঙ্গি পাড়ায় শেখ হাসিনার আসনেও তিনি বিজয়ী হবেন। মানুষের পরিবর্তন হতে সময় লাগে না।

    তিনি বলেন, সারা জীবন আমি স্রোতের উজানে চলেছি। আজকেও চলেছি। আজকের আওয়ামী লীগ আমার পেছনে গুন্ডা লেলিয়ে দিয়েছিল। আমার কর্মীরা আহত হয়েছিল। পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। অন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

    কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বলেন, আমার ভাই আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশ বলতে শেখ হাসিনা। স্বাধীনতা বলতে শেখ হাসিনা। কিন্তু তা আমি মানি না। আমি বলি, বাংলাদেশ বলতে বঙ্গবন্ধু। স্বাধীনতা বলতে বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা যদি হেরে যান, কি হবে? এখন তো তিনি হেরে যাচ্ছেন। এতোদিন দেখতাম আওয়ামী লীগ ২০ সিট পাবে। এখন তো দেখি ১৯ সিটও পাবে না।

    ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপ বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো সংলাপ নয়, বিএনপির শরিকের সঙ্গে সংলাপ নয়, কই সেদিন তো একই টেবিলে বসেছেন। জামাই আদরে খাওয়ালেন। এর জন্য তাদের ৭ দফা মানার প্রয়োজন নেই। যেদিন আলোচনায় বসেছেন সেদিন কিন্তু গোলাপ ফুলের সুবাতাস পাননি। ড. কামালের নেতৃত্বে আপনি বসেছেন। আপনার বাবার প্রতিনিধি হয়ে ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন ড. কামাল হোসেন। ইতিহাস তো আপনাকে সাক্ষ্য দেয় না। আপনার চাপার জোর থাকবে না। সকালে পত্র পেলেন বিকেলে সংলাপে রাজি হলেন। এভাবে রাজি হতে হতে আপনার আমও যাবে, ছালাও যাবে।

    এর আগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, আজকে আমার দুঃখ লাগে, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও আমাদের লক্ষ্য অর্জন হয়নি। আমি বিশ্বাস করি, তিন বছর পরে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি হবে। জনগণের ভোট ও গণতন্ত্রের ধারা রেখে যেতে চাই পরবর্তী প্রজন্মের জন্য। উনি (বঙ্গবীর) এটা করে যাবেন। উনার কথার মধ্য দিয়ে সেই সাহসটা আমরা পাবো। উনি (কাদের সিদ্দিকী) আমাদের কথা দিয়ে আশ্বস্ত করবেন।

    কামাল হোসেন বলেন, জাতীয় ৪ নেতার স্বপ্নকে সামনে রেখে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর চিন্তাতেও ছিল জাতীয় ঐক্য। এখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সবাইকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলবো আমরা।

    তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার অনেকে চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেউ পারেনি। স্বৈরাচারও চেষ্টা করেছে। আগামীতেও কেউ ধ্বংস করতে পারবে না। বাঙালিকে কেউ পরাজিত করতে পারেনি। জাতির পিতা সেটা প্রমাণ করেছেন।

    এতে আরও বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, নাসরিন সিদ্দিকী প্রমুখ।

  • শুধু মানুষের কথা চিন্তা করে সংলাপে বসেছি : প্রধানমন্ত্রী

    শুধু মানুষের কথা চিন্তা করে সংলাপে বসেছি : প্রধানমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষ শান্তিতে ভোট দিতে পারুক, তাদের মনমতো সরকার বেছে নিক- এসব বিষয় চিন্তা করে আমরা সংলাপে বসেছি। অথচ তারা সংলাপের পাশাপাশি আন্দোলনেও যেতে চায়। তাদের এই পলিসি আমাদের কাছে বোধগম্য না। জানি না, দেশবাসী জাতি এটা কীভাবে নেবে?

    শনিবার বিকেলে ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, সিমিন হোসেন রিমি ও এ কে এম রহমতুল্লাহ। অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু হোক, আমরা সেটাই চাই। নির্বাচন সামনে রেখে যখন ঐক্যফ্রন্ট চিঠি দিল আমাদের সাথে দেখা করতে, তখন আমি সাথে সাথে স্বাগত জানালাম। অনেক ব্যস্ততার মাঝেও যারাই দেখা করতে চাচ্ছে, আমরা করছি। ঐক্যফ্রন্ট ও যুক্তফ্রন্ট- দুটো গ্রুপের সাথে আমাদের মিটিং হয়ে গেছে। এরপর আরও সকলের সাথে আমরা করব। যারা আলাপ করতে চেয়েছে, সংলাপ করতে চেয়েছে, আমরা করেছি। একটা সুন্দর পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। তারা যে সমস্ত দাবি-দাওয়া দিয়েছে, যে সব দাবি-দাওয়া আমাদের পক্ষে করা সম্ভব, আমরা বলেছি সেটা করব।

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা রাজবন্দিদের মুক্তি চেয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা বলেছি, রাজবন্দিদের তালিকা দেন। তাদের প্রতি যদি কোনো খুনের মামলা না থাকে, কোনো ক্রিমিনাল অফেন্স তারা করে না থাকে, তাহলে অবশ্যই আর আমরা কাউকে রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতার করি নাই। তাই যদি করতাম, তাহলে খালেদা জিয়া যখন ২০১৫ সালে মানুষ পুড়িয়ে মানুষ মারল, তখনই তাকে গ্রেফতার করতে পারতাম। সেটাও তো আমরা করিনি। কাজেই আমরা তো রাজনৈতিক কারণে কাউকে গ্রেফতার করিনি।

    খালেদা জিয়া ও তারেকের দুর্নীতি ‘আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণিত’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারেক জিয়ার জন্য তো আমেরিকা থেকে এফবিআই এসে সাক্ষী দিয়ে গেছে, আর খালেদা জিয়ার জন্য কয়েকটি কেইসে তারা সাক্ষী দিতে প্রস্তুত হয়ে আছে। আন্তর্জাতিকভাবেও প্রমাণিত যে এরা দুর্নীতিতে জড়িত।

    দেশে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত পাঁচ বছরে প্রায় ছয় হাজারের মতো নির্বাচন হয়েছে। ইউপি নির্বাচন, পৌর নির্বাচন, উপনির্বাচন হয়েছে; কেউ কোনো কথা বলতে পারেনি।

    নির্বাচন কমিশন নিয়ে প্রশ্ন তোলার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। গঠন করার আগে সার্চ কমিটি হয়েছে। সার্চ কমিটিতে প্রত্যেকটা দলের পক্ষ থেকে নাম গেছে। আমরা যেমন নাম দিয়েছি, বিএনপিও দিয়েছে। সবার মতামতের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন গঠন হয়েছে। এই কমিশন নিয়ে তো প্রশ্ন থাকতে পারে না।

    জেলহত্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জেলহত্যার বিচার যেদিন করতে পারলাম, সেদিন মনে হলো বাংলাদেশ যেন অভিশাপমুক্ত হলো। যেদিন এই মামলার রায় হলো, সেদিন বিএনপি হরতাল ডেকেছিল। ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর এই ঘটনা ঘটে।

    তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতায় এলো, তাদের আসল রূপ বের হলো। খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দেয়া হয়েছিল। আমরা সরকার গঠন করে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দিয়েছিলাম। অথচ খালেদা জিয়া ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে আবার তাদের চাকরি দেন এবং প্রমোশনও দেন। একজন বিদেশে মৃত্যুবরণ করেন, খালেদা জিয়া তাকেও প্রমোশন দিয়ে পেনশনের সব সুবিধা দেন। এমন নজির পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। ভোটারবিহীন নির্বাচন করে খালেদা জিয়া খুনি রশীদ ও হুদাকে সংসদে বসায়। যে চেয়ারে সংসদের বিরোধী দলের নেতা বসেন, সেই চেয়ারে খুনিকে বসিয়েছিলেন তিনি। আমরা ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করি, জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার করি। এই বিচারগুলির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অভিশাপমুক্ত হয়েছে।

    কিছু মানুষ দেশের ভালো চায় না জানিয়ে এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখনও কিছু মানুষ আছে, বাংলাদেশের মানুষকে খুশি দেখছে তাদের ভালো লাগে না।

    খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা আরও বলেন, ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রামের জুবিলি মাঠে আমাদের ওপর যে পুলিশ গুলি করলো, সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে খালেদা জিয়া পরে প্রমোশন দিল। এ রকম আরও অনেক ঘটনা। তারপরও ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় বাংলাদেশের মানুষের বৃহত্তর স্বার্থে আমি নিজে তাকে ফোন করেছি। আমার এডিসিকে দিয়ে ফোন করিয়েছি। তিনি ফোন ধরেননি। তিনি ফোনও করেননি। এক পর্যায়ে আমিই ফোন দেই আবারও। তারপর যে ঝাড়ি খেলাম, তা আপনারা জানেন।

  • শেখ হাসিনার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি দেখেছি: বি. চৌধুরী

    শেখ হাসিনার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি দেখেছি: বি. চৌধুরী

    আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল এবং যুক্তফ্রন্টের মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল শুক্রবার।

    গণভবনে অনুষ্ঠিত এ সংলাপ শেষে যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারার সভাপতি অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী আনুষ্ঠানিক প্রেস কনফারেন্স করেন। প্রেস কনফারেন্সে তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনার তিনটি পরিচয়। প্রথমত, তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। দ্বিতীয়ত, তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি। তৃতীয়ত, তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা।

    সংবাদ সম্মেলনের পর বি. চৌধুরী সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রাজ্ঞতা, বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতায় মুগ্ধ হয়েছি। তাঁর মধ্যে আমি বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি দেখেছি।’ ৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন, আমি সংসদীয় উপনেতা ছিলাম। ’৯৬ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন আর আমি বিরোধী দলীয় উপনেতা ছিলাম। এরপর ২০০১ সালে আমি রাষ্ট্রপতি ছিলাম। এখন আমি একজন পরিণত শেখ হাসিনাকে দেখলাম এবং তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনা, মানুষকে শ্রদ্ধা করার মানসিকতা ও অন্যের মত শোনার মানসিকতা আমি আবার নতুন করে উপলব্ধি করলাম।’

    অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর অদ্ভুত গুণ ছিল মানুষকে আপন করে নেওয়ার, অন্যের কথা শোনার এবং মানুষের প্রতি সম্মান দেখানোর। সেই গুণটি প্রচণ্ডভাবে ধারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

    ‘সব দাবিই যৌক্তিক, উপস্থাপনও সুন্দর’

    আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিকল্পধারার চেয়ারম্যান ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। শুক্রবার রাত পৌণে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সংলাপ শেষে বের হয়ে যাবার সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এসময় ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী আরো বলেছেন, দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ধৈর্যসহকারে তাদের বক্তব্য শুনেছেন।

    বৈঠক শেষে বের হয়ে যাবার সময় যুক্তফ্রন্ট নেতা বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সভাপতি জেবেল রহমান গাণি বলেছেন, আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে আলোচনা করেছেন। তিনি আমাদের কথা ধৈর্যসহকারে শুনেছেন। আমরা আশা করছি নির্বাচনে যাব।

    বিকল্পধারার সহ-সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা বলেন, দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। আমরা তার কথায় সন্তুষ্ঠু। আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

    তিনি বলেন, আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচন কালীন সময়ে তফসিল ঘোষণার পর কেউ মন্ত্রী হিসেবে পতাকা ব্যবহার করবেন না। তারা শুধুমাত্র নিয়মতান্ত্রিক দাফতরির দায়িত্ব পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন।

    এরপর আজ শুক্রবার (২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টায় বারিধারায় নিজ বাসভবন ‘মায়াবি’তে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বি. চৌধুরী। গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত যুক্তফ্রন্টের সংলাপের বিষয়বস্তু তুলে ধরতে মধ্যরাতে এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

    সংলাপ আশাবাদের দিকে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (বি. চৌধুরী)। পাশাপাশি সংলাপে যুক্তফ্রন্টের দাবিগুলোকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত যৌক্তিক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বলেও জানান তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে বি. চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আপনাদের সব দাবিই যৌক্তিক। এবং আপনাদের উপস্থাপনও সুন্দর। অন্য মন্ত্রীরাও একই কথা বলেছেন।’

  • ফের ক্ষমতায় আসুক শেখ হাসিনা : সাদিক আবদুল্লাহ

    ফের ক্ষমতায় আসুক শেখ হাসিনা : সাদিক আবদুল্লাহ

    জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বরিশাল আওয়ামী লীগের নেতারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় ৪ নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে বরিশালে জেল হত্যা দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার নগরীর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় ৪ নেতার প্রতিকৃতিকে প্রথমে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসময় সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী চক্র জামায়াত এই দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে বারবার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। সব বাধা বিপত্তি উপক্ষো করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে জনগণ আবারও শেখ হাসিনারে নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে সমর্থন দেবে বলে আশা করি।’

    এরপর জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান সংগঠনে সাধারণ সম্পাদক তালুকদার ইউনুস এবং মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষে সংগঠনের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ও সদর আসনের সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন পর্যায়ক্রমে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

  • বরিশালে জেলহত্যা দিবস এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    বরিশালে জেলহত্যা দিবস এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    শেখ সুমন:

    জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় ৪ নেতার প্রতিকৃতিতে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে বরিশালে জেলহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে শনিবার সকাল ৯টায় নগরীর সদর রোডের আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ের সামনে রক্ষিত বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় ৪ নেতার প্রতিকৃতিকে প্রথমে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।
    এরপর জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস এমপি এবং মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষে সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর ও সদর আসনের এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতার প্রতিকৃতিতে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
    পরে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন পর্যায়ক্রমে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন।
    এ সময় মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর এবং ২১ আগস্ট একই সুতায় গাথা। স্বাধীনতা বিরোধী মৌলবাদী চক্র জামায়াত এই দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যহত করতে বার বার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। সব বাধা বিপত্তি উপক্ষো করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে জনগন আবারও শেখ হাসিনারে নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পুনসমর্থন দেবে বলে আশা করেন তিনি।
    ৩ নভেম্বরের কর্মসূচী শান্তিপূর্ণ এবং নির্বিঘ্ন করতে আওয়ামী লীগ কার্যালয় সহ আশপাশের এলাকায় মোতায়েন ছিলো বিপুল সংখ্যক পুলিশ।
    এদিকে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ।
  • কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চলছে বিএনপির যৌথ সভা

    কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চলছে বিএনপির যৌথ সভা

    রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শুরু হয়েছে যৌথ সভা।

    শনিবার বেলা ১১টায় এ সভা শুরু হয় বলে জানেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেসউইং সদস্য শাইরুল কবির খান।

    যৌথ সভায় দলের ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা পরিষদ, যুগ্ম মহাসচিব, সম্পাদকমণ্ডলী, সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকার সাবেক এমপিরা উপস্থিত রয়েছেন।