Category: রাজণীতি

  • ভেতরে সংলাপ, বাইরে দাবি আদায়ের স্লোগান

    ভেতরে সংলাপ, বাইরে দাবি আদায়ের স্লোগান

    আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের গণভবনে সংলাপ হচ্ছে। আর গণভবনের বাইরে ঐক্যফ্রন্ট কর্মী-সমর্থকেরা দাবি আদায়ের জন্য স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর গণভবন এলাকায় কারও কারও হাতে মোমবাতি ও ব্যানার দেখা যায়।

    ‘সংবিধান ওহি নয়, জনগণের জন্যই সংবিধান’, ‘জনগণ ভোট দিতে চায়, ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ফলপ্রসূ সংলাপ চাই’, ‘সংবিধান জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাধা নয়’ ইত্যাদি স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যায়।

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোটের ২৩ নেতার সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২১ নেতা। ১৪ দলীয় নেতৃত্বে আছেন শেখ হাসিনা আর ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড. কামাল হোসেন। তাঁর সঙ্গে আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সন্ধ্যা ৭টায় এই সংলাপ শুরু হয়।

    এর আগে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসা থেকে ঐক্যফ্রন্টের ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দল গণভবনের উদ্দেশে রওনা করেন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চলমান বিরোধের কারণে এই সংলাপের দিকেই আজ তাকিয়ে রয়েছে দেশের মানুষ। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে যে অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থাহীনতা তা সংলাপের মাধ্যমে নিরসন হবে।

    ঐক্যফ্রন্ট প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে বসার আগ্রহের কথা জানিয়ে চিঠি দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তাদের নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানান। সেই আমন্ত্রণে ঐক্যফ্রন্ট গণভবনে সংলাপে গেলেও নৈশভোজে অংশ নেবে না বলে জানিয়েছে।

    গণফোরাম, বিএনপি, জাসদ (জেএসডি) ও নাগরিক ঐক্য নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়। গঠনের পরই ৭ দফা দাবি মানতে আন্দোলনে নামে তারা। তবে সংলাপের কারণে সেই আন্দোলনে কিছুটা ভাটা পড়েছে। ইতিমধ্যে ঐক্যফ্রন্ট সিলেট ও চট্টগ্রামে সমাবেশ করেছে। কাল তাদের ঢাকায় সমাবেশ করার কথা আছে। এ ছাড়া ৬ নভেম্বর রাজশাহীতে সমাবেশ করার কথা রয়েছে।

  • আ.লীগকে আমরা চিনি, তারা সংলাপে সব কিছু দিয়ে দেবে না

    আ.লীগকে আমরা চিনি, তারা সংলাপে সব কিছু দিয়ে দেবে না

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন,  ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না। যারা আজ সংলাপে বসবেন তাদের আমরা চিনি। আমাদের ধোঁকা দেবেন তা হবে না।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে মহানগর নাট্যমঞ্চে বিএনপি আয়োজিত গণঅনশন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    সংলাপ পরবর্তী আন্দোলনের জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. মোশাররফ বলেন, আওয়ামী লীগকে আমরা চিনি। তারা সংলাপে সব কিছু দিয়ে দেবে না।

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে গণঅনশনে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

    সকাল ১০টায় শুরু হয়ে এ কর্মসূচি চলে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত।

    সভাপতির বক্তব্য শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ মির্জা ফখরুলসহ নেতাদের পানি পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান।

  • সংলাপ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে: এরশাদ নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

    সংলাপ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে: এরশাদ নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি বলেন, ‘সংবিধান মতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দাবিগুলো মানা সম্ভব নয়। এতগুলো লোক নিয়ে কখনোই সংলাপ সফল হয় না। এই সংলাপ ফলপ্রসূ হবে না, তারা শেখ হাসিনার পদত্যাগ চান, সংসদ ভেঙে দিতে চান এসব কোন দাবি মেনে নেয়া সম্ভব নয়। ফলে সংলাপ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে বলে জানান তিনি।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর পর্যটন মোটেলে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে এইচ এম এরশাদ এসব কথা বলেন।

    নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘নেতৃত্বহীন বিএনপির অবস্থা এখন খুবই খারাপ। সাত দফা আদায় না হলে শেষ পর্যন্ত বিএনপির নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সম্ভাবনাই বেশি।’

    জাতীয় পার্টি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আছে উল্লেখ করে এরশাদ বলেন, ‘আমরা নির্বাচন করব। প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে। প্রস্তুতিও আছে।’

    এ সময় তিনি জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিরোধিতা করে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে ছিলাম না। এটার ব্যবহার সম্পর্কে সাধারণ মানুষ এখনো তেমনভাবে কিছুই জানেন না।এটা ব্যবহারের মাধ্যমে ভোট কারচুপির আশংকা থাকে। তাই ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে আমরা নেই।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির সুন্দরগঞ্জের এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আখতার, পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এসএম ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, রংপুর জেলা জাপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাফিউল ইসলাম শাফি, মহানগর জাপার সাধারণ সম্পাদক সাধারন সম্পাদক ইয়াসির আহাম্মেদ প্রমুখ।

    এদিকে, বিকেল সাড়ে ৪টায় সদরের চন্দনপাট ইউনিয়নের লাহিড়ীরহাটে এক পথসভায় বক্তব্য দেবেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। রাতে জাতীয় পার্টি রংপুর কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন তিনি।

  • ৪ নভেম্বর নেওয়া হবে তফসিলের সিদ্ধান্ত : সিইসি

    ৪ নভেম্বর নেওয়া হবে তফসিলের সিদ্ধান্ত : সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা জানিয়েছেন, ৪ নভেম্বর নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    এর আগে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি অবহিত করেন সিইসি।

    এসময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

  • দেশটা আমাদের সকলের,সকলে মিলে দেশটাকে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    দেশটা আমাদের সকলের,সকলে মিলে দেশটাকে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন ১৪-দলীয় জোটের সঙ্গে পূর্ব নির্ধারিত গণভবনে সংলাপে বসেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ সংলাপ শুরু হয়। সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশটা আমাদের সকলের, সকলে মিলে দেশটাকে গড়ে তুলতে হবে।

    এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৬টা ২০ মিনিটের দিকে গণভবনে এসে পৌঁছেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।

    পরে পৌনে ৭টার দিকে গণভবনে আসেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডির আ স ম আব্দুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ ঐক্যফ্রন্টের অন্য সব নেতারা।

  • ৭ দফা দাবি নিয়ে গণভবন যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট

    ৭ দফা দাবি নিয়ে গণভবন যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট

    সাত দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আজ সংলাপে বসছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট্রের নেতারা। এজন্য বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে রাজধানীর মতিঝিলে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের চেম্বার থেকে গণভবনের উদ্দেশে রওনা দেবেন তারা।

    সংলাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন ১৪-দলীয় জোটের ২২ জন অংশ নেবেন। অন্যদিকে, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের ১৬ সদস্য অংশ নেবেন। ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সন্ধ্যা ৭টার আগেই গণভবনে পৌঁছবেন বলে জানা গেছে।

    দেশবাসীর দৃষ্টি আজ গণভবনে। নানা অনিশ্চয়তার মধ্যেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ সন্ধ্যায় সংলাপে বসছেন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। কী কথা হবে তাদের মধ্যে? সংলাপ ফলপ্রসূ হবে কি? ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবি কি মেনে নেবে আওয়ামী লীগ? নাকি অংশগ্রহণ নির্বাচনের স্বার্থে ছাড় দেবে ঐক্যফ্রন্ট? সংলাপের মাধ্যমে রাজনৈতিক উত্তাপের বরফ গলবে তো— এমন হাজারো প্রশ্ন এখন দেশবাসীর।

  • আমার ভোট আমি দেব , আপনার ভোট ও আমি দেব :  সরোয়ার

    আমার ভোট আমি দেব , আপনার ভোট ও আমি দেব : সরোয়ার

    শেখ সুমন :

    দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা বাতিল ও তার মুক্তির দাবিতে বরিশালে আয়োজিত বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলীয় নেতকর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নগরীর সদর রোডের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ গণঅনশন কর্মসূচির আয়োজন করে মহানগর এবং উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

    বিএনপি নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ মূল ফটকে বেরিগেট দেওয়ায় অনশনস্থলে যেতে পারেননি নেতাকর্মীরা। তবে পুলিশের ব্যারিগেট ডিঙ্গিয়ে কয়েক ধাপে মহানগর এবং জেলা বিএনপি’র ১৭জন নেতা দলীয় কার্যালয়ের সামনে যাওয়ার সুযোগ পান। তারা সেখানে অনশন কর্মসূচিতে বসে পড়েন।

    প্রায় আধা ঘণ্টার অনশনে বক্তব্য রাখেন- মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ও কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার।এসময় তিনি বলেন, একটা সময়ে কথা ছিল আমার ভোট আমি দেব যাবে খুশি তাকে দেব । এখন  সরকার দেশে তৈরী করেছে আমার ভোট আমি দেব , আপনার ভোট ও আমি দেব।যা বরিশাল সিটি নির্বাচনে উদাহারন সৃষ্টি করেছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রিয় কমিটির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি বিলকিস জাহান শিরিন, উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি সাবেক এমপি মেজবাউদ্দিন ফরহাদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন এবং মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া প্রমুখ।

  • মহানগর নাট্যমঞ্চে অনশনে বসেছে বিএনপি

    মহানগর নাট্যমঞ্চে অনশনে বসেছে বিএনপি

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজার প্রতিবাদ ও তার মুক্তির দাবিতে সারা দেশে বিএনপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি দেয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে আজ (বৃহস্পতিবার) মহানগর নাট্যমঞ্চে চলছে গণঅনশন কর্মসূচি।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় অনশন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আর এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজধানীর আশেপাশের এলাকা থেকে জড়ো হয়েছেন নেতাকর্মীরা।

    অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজধানীর ও এর আশেপাশের এলাকা বিএনপির অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে অনশনস্থলে জড়ো হচ্ছেন ।

  • রাজনীতি করতে হলে মুচির সাথেও আলোচনায় বসতে হয়: কাদের সিদ্দিকী

    রাজনীতি করতে হলে মুচির সাথেও আলোচনায় বসতে হয়: কাদের সিদ্দিকী

    রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই উল্লেখ করে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, রাজনীতি করতে হলে চাড়াল-মুচি তাদের সাথেও আলোচনায় বসতে হয়। যাদের কাছ থেকে আজকে পোড়াগন্ধ আসছে তার সাথেও আলোচনা করতে হয় এবং শেখ হাসিনা সেই কাজটিই করে মহত্বের পরিচয় দিয়েছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া সংলাপের উদ্যোগকে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংলাপের মতো ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত ও সাহসী পদক্ষেপ বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বলেই নিতে পেরেছেন।

    রাজধানীর মতিঝিলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বুধবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় সংলাপ ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার বিষয়ে তার দলের রাজনৈতিক অবস্থান জানাতে চাইলে তিনি সবাইকে আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, আগামী ৩ নভেম্বর জাতীয় জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংবিধান প্রণেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। সে আলোচনা সভায় তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি বি চৌধুরীকেও (একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী) আমন্ত্রণ জানাবেন বলে জানান। সেই আলোচনা সভায়ই তিনি তার রাজনৈতিক অবস্থা জানাবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    সংলাপ প্রসঙ্গে বঙ্গবীর আরও বলেন, দেশে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশে একটি সার্বিক ঐক্য প্রয়োজন। প্রতি মুহুর্তে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হচ্ছে। সংলাপ ডাকার আগে দেশে অস্থিরতা ছিল। এখন তা অনেকটাই কেটে গেছে। এই উদ্যোগ এবং পদক্ষেপ মাইলফলক হিসেবে বাংলাদেশের ইতিহাসে লেখা থাকবে। তিনি বলেন, এই সংলাপের জন্য ফুটপাতে তাকে ৬৪ দিন কাটাতে হয়েছে। ৩০৮ দিন আমি ঘরের বাইরে থাকতে হয়েছে। তিনি বলেন, ফুটপাতে যখন ছিলাম তখন এই সরকারেরই সন্ত্রাসীরা টয়লেটে ব্যবহার করার জন্য আমার বদনাটাও চুরি করে নিয়েছিল।

    কাদের সিদ্দিকী আরো বলেন, দেশে একটি সম্মানজনক রাজনৈতিক সমাজ চাই, আজকে শ্রমিকের মুখে কালি মাখা হলো। তবে এই কালি শ্রমিকের মুখে মাখেনি এটা আসলে দেশ ও জাতির মুখে মেখেছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো জানান, আজ বুধবার রাতে মোহাম্মদপুরের নিজ বাসভবনে ড. কামাল হোসেনকে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এ সময় বিষয়টি রাজনৈতিক কি না জানতে চাইলে, সব বিষয়গুলিই রাজনৈতিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীর প্রতীক, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, সহ সভাপতি আমিনুল ইসলাম তারেক।

  • এসব কিসের আলামত, প্রশ্ন মান্নার

    এসব কিসের আলামত, প্রশ্ন মান্নার

    নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আমরা ৭ দফা দাবি পেশ করেছি। আগামীকাল আলোচনা হবে এই দাবির ভিত্তিতে। সংলাপের আমন্ত্রণ জানানোর পর গত তিন দিনের রাজনৈতিক ঘটনাবলী তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, গত তিনদিনে বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে একটি মামলায় ৭ বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। আরেকটি মামলার আপিলে তার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়েছে। আজকে আরেকটি রায়ে বলা হয়েছে যে, বিএনপি যে তার গঠনতন্ত্র সংশোধন করেছিল, সেই সংশোধনী গ্রহণযোগ্য নয়। এসব কিসের আলামত, প্রশ্ন রাখেন মান্না।

    জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা মান্না আরও বলেন, আমাদের ৭ দফার মধ্যে একটি দাবিতে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দিয়েছে এই সরকার। ওরা এটা কেয়ার করে না। গতকাল থেকে আজকে পর্যন্ত যত আলোচনা চলছে বিভিন্ন টেলিভিশনে, বিভিন্ন কাগজে সব জায়গায় তারা (সরকার) বলছেন, সংবিধান সম্মত আলোচনার জন্য তারা আমাদের ডেকেছেন। সকলের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, অবশ্যই আন্তরিকভাবে এই সংলাপের মাধ্যমে আমরা সংকটের একটা পরিসমাপ্তি ও নিষ্পত্তি চাই। তবে যদি আগেই কেউ দেওয়াল তুলে দেন, আগেই যদি সংবিধানের নামে বেড়াজাল সৃষ্টি করা হয় সংলাপ সফল হবে না। আগেই যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি করেন যে কথা বলা যাবে না, তাহলে সংলাপ সফল হবে না।