Category: রাজণীতি

  • প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনায় অনেক প্রস্তুতি হেফাজতের

    প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনায় অনেক প্রস্তুতি হেফাজতের

    রাকিব সিকদার নয়ন:

    কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়ায় আগামী ৪ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা জানাতে হবে শুকরানা মাহফিল।

    মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর পীরজঙ্গী মাজার মাদ্রাসায় এ শুকরানা মাহফিলের প্রস্তুতি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে এ সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুকরানা মাহফিল সফলের ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    এ মাহফিলে কাদিয়ানিদের সরকারিভাবে অমুসলিম ঘোষণা, ইসলামবিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করা এবং আলেম, ইমাম ও ছাত্র-শিক্ষকদের বিরুদ্ধে হয়রানির মামলা প্রত্যাহারের দাবি তোলা হবে। শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে শুকরানা মাহফিলে যোগ দেবেন সারাদেশের হেফাজত ইসলামপন্থী কওমি আলেম ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবারের শুকরানা মাহফিল প্রস্তুতি কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন আল-হাইআতুল উলয়ার কো-চেয়ারম্যান আশরাফ আলী। এতে উপস্থিত ছিলেন মুফতি মুহাম্মাদ ওয়াক্কাস, বেফাক মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল কুদ্দুছ, মাওলানা মুহাম্মাদ নূরুল ইসলাম, মুফতি রুহুল আমীন, মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল বছীর, মাওলানা মুহাম্মাদ আরশাদ রহমানী, মাওলানা মুফতি মুহাম্মাদ আলী, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতি মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহ, মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু, মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি নূরুল আমীন, মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া এবং মাওলানা মুহাম্মাদ সফিউল্লাহ।

    এছাড়া ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন মাদ্রাসার প্রায় দেড় হাজার মুহতামিম ও আলেম উপস্থিত ছিলেন। সভায় স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, মঞ্চ ও প্যান্ডেল তৈরির দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। মাহফিলে বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক ও উচ্চ শ্রেণির ছাত্রদের উপস্থিতির দায়িত্ব দেওয়া হয় বেফাকসহ ছয়টি কওমি শিক্ষাবোর্ডের ওপর।

  • সংলাপে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে থাকবেন যারা

    সংলাপে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে থাকবেন যারা

    আগামীকাল ১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য সংলাপে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলের ২০ নেতা অংশ নেবেন।

    বুধবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সংলাপে উপস্থিত থাকবেন ওবায়দুল কাদের, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফরউল্লাহ, দিলীপ বড়ুয়া , রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, মাঈনুদ্দিন খান বাদল, অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, রমেশ চন্দ্র সেন, মাহবুবউল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, আব্দুর রহমান, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, হাছান মাহমুদ, অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম।

    এর আগে মঙ্গলবার মতিঝিলে প্রবীণ আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্টের এক বৈঠকে সংলাপে ১৬ সদস্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।

    জানা গেছে, সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের দলনেতা হিসেবে থাকবেন ড. কামাল হোসেন।

    বিএনপি থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার রয়েছেন।

    নাগরিক ঐক্য থেকে রয়েছেন মাহমুদুর রহমান মান্না ও এসএম আকরাম।

    গণফোরাম থেকে রয়েছেন মোস্তফা মহসিন মন্টু ও সুব্রত চৌধুরী। জেএসডি থেকে আছেন আ স ম আব্দুর রব, আব্দুল মালেক রতন ও তানিয়া রব।

    ঐক্য প্রক্রিয়া থেকে আছেন সুলতান মুহাম্মদ মনসুর ও আ ব ম মোস্তফা আমিন। আর স্বতন্ত্র হিসেবে রয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

  • সংলাপ আন্দোলন নির্বাচন একসঙ্গে চলবে : মওদুদ

    সংলাপ আন্দোলন নির্বাচন একসঙ্গে চলবে : মওদুদ

    সংলাপ, আন্দোলন ও নির্বাচন একসঙ্গে চলবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। তিনি বলেছেন, এতদিন যাবত যে কৌশল নিয়ে আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছি সেটি ফলপসূ হয়েছে। সরকার সংলাপ করতে সম্মত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রীরা সংলাপে নাখোশ থাকলেও এখন তারা দেশের মানুষের মনের কথা উপলদ্ধি করায় তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

    বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ।

    সংলাপে ৭ দফার আলোকেই আলোচনা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সংলাপ, আন্দোলন ও নির্বাচন একসঙ্গে চলবে। যতদিন পর্যন্ত দাবি আদায় না হবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস-চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, মো. শাজাহান, রুহুল আলম চৌধুরী, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, আবুল খায়ের ভূইয়া, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালসহ সকল বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করবো : প্রধানমন্ত্রী

    বরিশালসহ সকল বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করবো : প্রধানমন্ত্রী

    দেশের চিকিৎসক সমাজের প্রতি অাহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- মনে রাখবেন, অাপনারা ডাক্তার। দেশের জনগণ যেন স্বাস্থ্যসেবা বঞ্চিত না হয়। মানুষের সেবা দেয়াটা অাপনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। জনগণের স্বাস্থ্য সেবার জন্য গত ১০ বছরে যেসব প্রতিষ্ঠান করেছি সেগুলো যেন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়।

    বুধবার দুপুরে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল ভবন এবং এস্টাবলিস্টমেন্ট অব ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার এ্যাট শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-এর উদ্বোধনসহ অন্যান্য আরও ৮টি অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে অায়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

    মহাখালীর বক্ষব্যাধি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অায়োজন এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যাক্তিগত চিকিৎসক ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম শিশির।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে হাসপাতালের একটি ভিডিও চিত্র উপস্থাপন করা হয়।

    শেখ হাসিনা বলেন- চিকিৎসা বাংলাদেশের মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। বঙ্গবন্ধু সংবিধানে এ কথাটি বলে গেছেন। সে কারণেই স্বাস্থ্য খাতের দিকে বেশি নজর দিয়েছি। তাছাড়া দেশের মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বজায় রাখা সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য। দেশের মানুষ যেন সুস্বাস্ব্যের অধিকারী হয় সে লক্ষ্য নিয়ে অামরা কাজ করছি।

    শেখ হাসিনা বলেন- অামাদের দেশের মানুষ পেটের রোগে সবচেয়ে বেশি ভোগে। অামাদের দেশের জলবায়ু, পরিবেশগত কারণে, চলাফেরা, বন্যা, খরাসহ নানা কারণে মানুষ পেটের পীড়ায় ভোগে। এজন্য একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন ছিল। সে কারণেই শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল ভবন স্থাপন করলাম। এমন একটি প্রতিষ্ঠান করতে পেরে অামি অানন্দিত।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন- ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেট তিনটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি। সামনে নির্বাচন অাবার যদি ক্ষমতায় অাসতে পারি তাহলে বরিশালসহ প্রত্যেক বিভাগে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করবো।

    তিনি বলেন- মানুষ যেন স্বাস্থ্য সেবা পায় সেজন্য বেসরকারি খাতে হাসপাতাল নির্মাণের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। তারা যেন ট্যাক্স কম দিয়ে হাসপাতালের সকল ইকুইপমেন্ট ও মোশিনারিজ অামদানি করতে পারে তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন- সরকারের ধারাবাহিকতা থাকায় অামরা যেমন দেশের উন্নয়ন করেছি, তেমনি বিশ্বে বাংলাদেশের মান মর্যাদাও বৃদ্ধি করেছি। অাগে বিদেশিরা কোনো বাঙালিকে দেখলে বলতো খুনি। এখন অার তা বলে না। বাংলাদেশের হারানো গৌরব অামরা ফিরিয়ে অানতে পেরেছি। এজন্য অামি গর্বিত।

    শেখ হাসিনা বলেন- বিদেশি অনেক রাষ্ট্রপ্রধান আমাকে প্রশ্ন করেন- কীভাবে বাংলাদেশের এত উন্নয়ন করছেন? ম্যাজিকটা কী? উত্তরে অামার একটাই কথা, তা হলো- অামার তো চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। দিনরাত কাজ করি শুধু জনগণের জন্য। বঙ্গবন্ধু যে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছি। জনগণ যদি অাবার ক্ষমতায় অানে তাহলে যেসব কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করলাম সেগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করে উদ্বোধনের ব্যবস্থা করবো।

  • বরিশালে বিএনপি’র মিছিলে পুলিশী বাধায় পণ্ড : গ্রেপ্তার-৫

    বরিশালে বিএনপি’র মিছিলে পুলিশী বাধায় পণ্ড : গ্রেপ্তার-৫

    শামীম ইসলাম:

    বরিশালে আইন শৃঙখলা বাহিনীর তৎপরতা বিএনপি দলীয় অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের গ্রেফতার সহ একাধিক পুলিশের বাধার মুখে পড়ে দলীয় কার্যলয়ে প্রবেশ করতে না পারার কারনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচি ভন্ডূল হয়ে গেছে।

    পুলিশ এসময় জেলা ছাত্রদল সভাপতি সহ ৫জনকে আটক করেছে।
    আজ বুধবার বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা সাজানো মামলায় সরকারের ফরমায়েসি রায়ে সাজা প্রদান করার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অংশ হিসাবে এক মানববন্ধনের কর্মসূচি পালনের ডাক দেয়া হয়।

    সকাল থেকে সদররোডস্থ অশ্বিনী কুমার টাউন হল সংলগ্ন জেলা ও মহানগর বিএনপি দলীয় কার্যলয়ে আসার পর্বে টাউন হল গেটে আসার আগে দলীয় নেতাদের তাড়িয়ে দেয়। এমনকি সড়কের দু’প্রান্তে বিএনপি সমর্থক ও দলীয় কর্মীদের দাড়াতে দেয়নি পুলিশ।

    সকাল ১০টার পরথেকে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিতে আশা বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. বিলকিস জাহান শিরিন সহ তার দুই মহিলা নেত্রীকে নিয়ে পুলিশের বাধার সম্মুখিন হন। এক পর্যায়ে শিরিনকে দলীয় কার্যলয়ে যাবার অনুমতি দেওয়া হলে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি দুই মহিলা নেত্রীকে।

    এর বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপি সহ-সভাপতি মেহেন্দিগঞ্জ পৌর সাবেক মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম লাবু বিএনপি কার্যলয়ে যেতে চাইলে তাকেও বাধা দিয়ে ফিরিয়ে দেয়া হয়। এর পরপরই বরিশাল আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও মহানগর আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে আসা একদল বিএনপি পন্থি আইনজীবী টাউন হল গেটে পুলিশের বাধার মুখে পরে তাদেরকে ফেরত যেতে হয়।

    পরবর্তীতে মহিলাদলের নেত্রীরা সদররোডে পা রাখতেই তাদেরকে সড়িয়ে দেয়া হয়। এছাড়া আইন শৃঙখলা বাহিনী সিটি কলেজ মুখ, ফকিরবাড়ি, মহিলা কলেজ গলি সহ বিভিন্নস্থানে মোতায়েন করে রেখে কড়া নজরদারীতে রাখা হয়।

    এর পূর্বেই হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ ও নিবাহী কমিটির সদস্য মেজবা উদ্দিন ফরহাদ,বরিশাল দক্ষিন জেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব এবায়েদুল হক চাঁন, দক্ষিন জেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন, বরিশাল মহানগর বিএনপি সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার ও মহিলাদল নেত্রী পাপিয়া জেসমিন দলীয় কার্যলয়ে প্রবেশের অনুমতি পেয়ে অবস্থান নেয়।

    বেলা ১১টারদিকে কেন্দীয় বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর বিএনপি সভাপতি এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারের কালো রঙের গাড়ি হলের গেটের কাছাকাছি এসে থামে এসময় মজিবর রহমান সরোয়ার সহ জেলা ছাত্রদল সভাপতি মাহফুজুর রহমান মিঠু গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথে একদল বেপরোয়া পুলিশ সরোয়ারের সামনে থেকে চোখের পলকে ছো মেরে সাটের কলার আর দু’হাত ধরে টেনে হিছড়ে ধরে দ্রুত পুলিশ পিকাপে উঠিয়ে দেয়।

    সরোয়ার মিঠুকে ধরে নেবার সময় পুলিশ পিকাপ পর্যন্ত দৌড়ে আসলেও মিঠুর জন্য তিনি কিছুই করতে পারেনি। এরপরই পুলিশ বাহিনী তৎপরতা দেখিয়ে সদররোডের বিভিন্নস্থানে দাড়িয়ে থাকা বিএনপি অংগ সংগঠন জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য নাইমুল ইসলাম প্রিন্স,বিএইচ রিমন,জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মোর্সেদ,বিএম কলেজ ছাত্রদল নেতা ওবায়দুল ইসলাম শাওনকে গ্রেপতার করে থানায় নিয়ে যায়।

    পরবর্তীতে টাউনহল চত্বরে বিএনপি কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড.মজিবর রহমান সরোয়ার,কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক সংসদ এ্যাড.বিলকিস জাহান শিরিন,সাবেক সংসদ ও বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপি সভাপতি মেজবা উদ্দিন ফরহাদ,বরিশাল দক্ষিন জেলা বিএনপি সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁন,সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন,মহানগর বিএনপি সম্পাদক জিয়া উদ্দিন জিয়া,বিএনপি নেতা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সদস্য এ্যাড. আলি হায়দার বাবুল সহ কয়েকজনকে সাথে নিয়ে ব্যানার ছাড়া অসহায়ের মত কয়েক মিনিট দাড়িয়ে থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

    এর পূর্বে দলীয় কার্যলয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদেরকে প্রবেশে বাধা দিয়ে আটকে রাখা প্রসঙ্গে বরিশাল দক্ষিন জেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব এবায়েদুল হক চাঁন বলেন সরকার আজ দেশে পুলিশী রাষ্ট্রে পরিনত করেছে।

    সরকার সংলাপের আহবান জানিয়ে আমাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করছে। সেই সাথে আমাদের দলীয় কর্মীদের কার্যলয়ে আসার পথে পথে বাধা প্রদান করে আটকে দিয়ে আমাদের কেন্দ্রীয় শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালনে তারা বাধা প্রদান করছে।

    এমনকি রাস্তায় শুধু বিএনপি নয় সাধারন মানুষও রাস্তায় দাড়াতে পারছে না।
    পুলিশের এমন আচরনে সাধারন পথচারী মানুষ ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে পড়েছে।

    এ ব্যাপারে কোতয়ালী মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম (পিপিএম)বলেন, আমরা কারো হয়রানী করতে আসিনি শহরের ভিতর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন ও অপ্রিতকর ঘটনা এড়াতেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • এক সপ্তাহের মধ্যে সংসদ নির্বাচনের তফসিল

    এক সপ্তাহের মধ্যে সংসদ নির্বাচনের তফসিল

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল অাগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন অাহমদ। বুধবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি তুলে ধরে বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার শুরুতে তিনি এ তথ্য জানান।

    ইসি সচিবের সভাপতিত্বে বুধবার বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে ২৩টি মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের প্রতিনিধিসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

    নির্বাচনের প্রস্তুতির ৮০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে সচিব বলেন, এই নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক বেশি। নির্বাচনী মালামাল জেলায় জেলায় পৌঁছানো ও ব্যালট পেপার ছাপানো ছাড়া প্রায় সব কাজ শেষ হয়েছে। তাছাড়া ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনাও অামাদের অাছে। তফসিল ঘোষণার পর সকল নির্বাহী বিভাগ নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করতে বাধ্য।

    চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। মনোনয়ন দাখিল, বাছাই, প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং প্রতীক বরাদ্দ শেষে প্রচারের পর্যাপ্ত সময় দিয়ে তফসিল ঘোষণা থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত ৪০-৪৫ দিন ব্যবধান রাখা হয়ে থাকে। ইসি সূত্রে জানা যায়, নবম সংসদ নির্বাচনে ৪৭ ও দশম সংসদ নির্বাচনে ৪২ দিন সময় নিয়ে তফসিল ঘোষণা করেছিল ইসি।

    সভার আলোচ্য সূচির মধ্যে রয়েছে- ভোট কেন্দ্রের স্থাপনা মেরামত ও ভৌত অবকাঠামো সংস্কার, পার্বত্য দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টারে নির্বাচনী মালামাল পরিবহন এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের আনা-নেয়ার পদক্ষেপ, নির্বাচনী প্রচার, পর্যবেক্ষক নিয়োগ, পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে সহায়তা, নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পরিকল্পনা, ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে নির্বাহী হাকিম নিয়োগ, বার্ষিক ও পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি পর্যালোচনা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, আগাম প্রচারণা সামগ্রী অপসারণ ও বিবিধ।

    ভোট কেন্দ্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার, পার্বত্য-দুর্গম এলাকায় ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের আনা-নেয়া ও মালামাল পরিবহন, নির্বাচনী প্রচার পরীক্ষার সময়সূচি পর্যালোচনা, ঋণখেলাপির তথ্য, আগাম প্রচার সামগ্রী অপসারণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সার্বিক বিষয় তুলে ধরা হবে বলেও জানা গেছে।

  • আবদুল আউয়াল মিন্টুকে নোটিশ দিয়েছে (দুদক)

    আবদুল আউয়াল মিন্টুকে নোটিশ দিয়েছে (দুদক)

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টুকে আবারও নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার দুদকের উপপরিচালক সামছুল আলমের পাঠানো ওই নোটিশে তাঁকে ৫ নভেম্বর সকালে দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।

    দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    চিঠিতে বলা হয়, প্রকৃত তথ্য গোপন করে একাধিক ভুয়া অডিট রিপোর্ট তৈরি করে ব্যাংকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে জমা দিয়ে ঋণ গ্রহণ, রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আত্মসাৎ, বিভিন্ন ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় সন্দেহজনক লেনদেন ও বিদেশে অর্থ পাচার এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে আবদুল আউয়াল মিন্টুর বিরুদ্ধে।

    এই অভিযোগ অনুসন্ধানে উপপরিচালক সামছুল আলম ও সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিনের সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে।

    দুদকের সাম্প্রতিক অনুসন্ধানের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলে বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামে দুদক। তাঁদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে বলে অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়। যেসব নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়, তাঁরা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির চার সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও মির্জা আব্বাস; দুই ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ও এম মোর্শেদ খান; যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল। এ ছাড়া এম মোর্শেদ খানের ছেলে খান ফয়সাল মোর্শেদ খানের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয়।

    এর মধ্যে তাবিথ আউয়ালকে সম্প্রতি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। এম মোর্শেদ খান, তাঁর স্ত্রী নাসরিন খান ও ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খানকে অন্য মামলায় দুদকে তলব করা হলেও তাঁরা সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।

    বিএনপি নেতা, সাবেক ভূমি উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং লালমনিরহাটের সাবেক সাংসদ আসাদুল হাবিব দুলুর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে গত ৮ মার্চ থেকে।

    বিএনপির সাবেক সাংসদ মোসাদ্দেক আলী ফালুর বিরুদ্ধে আগস্টে একটি অনুসন্ধান শুরু হয়। সেপ্টেম্বরে শুরু হয় আরেকটি অভিযোগের অনুসন্ধান। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গত আগস্টে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দফা তলব করা হলেও তিনি দুদকে হাজির হননি। দুদকের তলবকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদনও করেন। সেই আবেদনটি খারিজ হওয়ার এক দিন পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বনানীতে আমীর খসরুর মালিকানাধীন হোটেল সারিনায় অভিযান চালায় দুদক।

    ১৯ সেপ্টেম্বর বিএনপির সাবেক সাংসদ ও পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম এ হাসেমকে তলব করে চিঠি দেয় দুদক। একই দিন বিএনপি ঘরানার ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত লা-মেরিডিয়ান হোটেলের স্বত্বাধিকারী আমিন আহমেদ ভূঁইয়াকেও তলব করা হয়। চলতি মাসেই এম এ হাসেম ও আমিন আহমেদকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    সম্প্রতি অন্তত ৭ জন সরকারদলীয় সাংসদের বিরুদ্ধে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। একই সঙ্গে সরকারের জোট সঙ্গী জাতীয় পার্টির (জাপা) ৫ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়।
    চলতি বছরের ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদের হুইপ ও শেরপুর ১ আসনের সাংসদ আতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে তাঁকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। এরপরই তাঁকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয় দুদক। গত বছরের ডিসেম্বরে নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নজরুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হলেও তাঁকে দায়মুক্তি দিয়েছে দুদক। শরীয়তপুর-১ আসনের সরকারদলীয় সাংসদ এ বি এম মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হলেও এর অগ্রগতি সম্পর্কে দুদকের কেউ তথ্য দিতে পারেননি। খুলনা–২ আসনের সাংসদ মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে গত এপ্রিলে তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    স্বতন্ত্র সাংসদ (নির্বাচিত হওয়ার পর আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন) কামরুল আশরাফ খানের বিরুদ্ধেও এপ্রিলে অনুসন্ধান শুরু হয়। তাঁকেও দুদক জিজ্ঞাসাবাদ করে। সরকারের শরিক দল জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে গত মাসে অনুসন্ধান শুরু করে তাঁকে তলব করে দুদক।

    দুদকের তলবে উপস্থিত না হয়ে তিনি চিঠি দিয়ে তাঁকে হাজিরা ও অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনের সাংসদ সালাহ উদ্দিন আহম্মেদ মুক্তির বিরুদ্ধে এ বছরের মে মাস থেকে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।

    জাতীয় পার্টির আরেক সাংসদ মেহজাবিন মোর্শেদের বিরুদ্ধে বেসিক ব্যাংক জালিয়াতির ঘটনায় অবশ্য মামলা হয়েছে। কুড়িগ্রাম-৪ আসনের জাতীয় পার্টির সাংসদ রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে গত ২০ মে থেকে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। আরেক জাপা নেতা নীলফামারী-৪ আসনের সাংসদ মো. শওকত চৌধুরীর বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান চলছে।

    ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে আজাদকে ২২ মে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

  • শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল উদ্বোধন

    শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল উদ্বোধন

    শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল ভবনসহ ৯টি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    উদ্বোধনের পর প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে হাসপাতালের প্রতিটি ফ্লোর ঘুরে দেখেন তিনি। এর পর বক্ষব্যাধি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এক আলোচনাসভায় অংশ নেন। আলোচনায়সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

    বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও পরিপাকতন্ত্র, লিভার ও প্যানক্রিয়াসজনিত গ্যাস্ট্রো ইন্টেসটাইনাল রোগের প্রকোপ রয়েছে। জলবায়ু ও পরিবেশগত বিভিন্ন কারণে বর্তমানে গ্যাস্ট্রো ইন্টেসটাইনালজনিত রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি।

    তাই পরিপাকতন্ত্র, লিভার ও প্যানক্রিয়াসজনিত গ্যাস্ট্রো ইন্টেসটাইনাল রোগে আক্রান্ত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রাজধানীর মহাখালীতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডাইজেস্টিভ ডিজিজেস রিসার্চ অ্যান্ড হাসপাতালের যাত্রা শুরু হল। এ হাসপাতালের কার্যক্রম চালু হলে এ সংক্রান্ত রোগীরা ন্যূনতম ব্যয়ে বিশ্বমানের সেবা পাবেন।

  • শুক্রবার বি চৌধুরীর সঙ্গে সংলাপে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

    শুক্রবার বি চৌধুরীর সঙ্গে সংলাপে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

    বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের সংলাপের আহ্বানেও সাড়া দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আগামী ২ নভেম্বর গণভবনে যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সংলাপে বসবেন বলে আওয়ামী লীগ সূত্র নিশ্চিত করেছে।

    এরই মধ্যে সংলাপের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণপত্র নিয়ে বি চৌধুরীর বাসায় গেছেন আওয়ামী লীগ নেতা হাছান মাহমুদ ও অসীম কুমার উকিল।

    এর আগে বিকল্পধারার পক্ষ থেকে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেন বি চৌধুরী।

    চিঠি দেয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন বিকল্পধারার সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার উমর ফারুক।

    সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দলের প্রেসিডিয়াম বৈঠকে গৃহীত এক প্রস্তাবে সংলাপে বসার আগ্রহ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেয় বিকল্পধারা। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে প্রধানমন্ত্রীকে বি চৌধুরী চিঠি লেখেন।

  • সংলাপে বিদেশিদের কোনো চাপ ছিল না: আইনমন্ত্রী

    সংলাপে বিদেশিদের কোনো চাপ ছিল না: আইনমন্ত্রী

    আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, ঐক্যফ্রন্টের সাথে সংলাপের প্রস্তাবের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর ইতিবাচক সিদ্ধান্তে বিদেশি কোন চাপ ছিল না। ঐক্যফ্রন্টের আহবায়ক ড. কামাল হোসেন সংলাপের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করলে প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রের কথা বিবেচনা করে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। বিদেশের কোনো চাপে নত হওয়ার মত মানুষ তিনি নন। তারপরও আমি বলবো বিদেশি কোন চাপ ছিল না।

    মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের কায়েমপুরে জেলা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের নবনির্মিত ৪তলা ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, কিছুদিন আগে ঐক্যফ্রন্ট বলে একটা জোট হয়েছে ভালো কথা। গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক অধিকার সকলের কাছে, রাজনীতি করার অধিকার সকলের আছে। তাদের অতীত ইতিহাস সকলের জানা। তারা দিনের বেলায় এক কথা বলে, রাতের বেলায় আরেক কথা বলে। তারা প্রধানমন্ত্রীকে পত্র দিয়েছেন যে সংলাপ চান। প্রধানমন্ত্রী সেই সংলাপের প্রত্যাশার উত্তর দিয়েছেন, ‘অনেক রক্তের বিনিময়ে, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সংবিধান সংবিধান রেখে আলোচনার দরজা আমার সব সময় উন্মুক্ত।

    জিয়া অরফানেজ মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার ১০ বছরের সাজার পর তিনি নির্বাচন করতে পারবেন কিনা সে ব্যাপারে আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন বলে জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংবিধানে বলা আছে নৈতিকস্খলনের জন্য কোন ব্যক্তিকে যদি আদালত দুই বছরের অধিক সাজা দেন তাহলে তিনি সাজা খাটার পর পাঁচ বছর পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দুটি রায় আছে। একটি রায়ে বলা আছে, যদি তিনি উচ্চ আদালতে আপিলের আবেদনের প্রেক্ষিতে সাজা স্থগিত করেন তাহলে নির্বাচন করতে পারবেন। আরো একটি বিভক্ত রায়ে একজন বিচারক বলেছেন, নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। অপর একজন বিচারক বলেছেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। সুতরাং বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচন করার ব্যাপারে আদালতই সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন।

    মন্ত্রী বলেন, রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট বাংলাদেশের রাজস্ব খাতে ১১ হাজার কোটি টাকা থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব দেয়। এই খাতকে অন্যান্য সরকার শুধু অবহেলাই করেনি তাদের মর্যাদা পর্যন্ত দিতে কার্পণ্য করেছে। অবহেলাকে পেছনে ফেলে বিগত ৫ বছর প্রতিষ্ঠানটি অনেক দূর এগিয়ে গেছে। কারণ বিগত ৫ বছরে এই প্রতিষ্ঠানটিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা অতীতে কোন সরকারের আমলে হয়নি। দলিল লেখকদের বয়সসীমা ৬৫ রোহিতকরণ, বিদেশে ট্রেনিং, আইনসহ অনেক উন্নয়ন এই ডিপার্টমেন্টে হয়েছে।

    এর আগে, আইনমন্ত্রী বৃক্ষ রোপনের মধ্য দিয়ে ৫০ শতাংশ জমির উপর ৫ কোটি ৫৮ লাখ ৫১ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের ফলক উন্মোচন করেন।

    বাংলাদেশ নিবন্ধন এর মহাপরিদর্শক ড. খান মো: আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা বাবলি, জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম, জেলা সাব রেজিস্টার সাবিকুন নাহার, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসান ফেরদৌস জুয়েল, মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ভূইয়া সাজনু প্রমুখ।