Category: রাজণীতি

  • প্রধানমন্ত্রীর পিএসের গাড়িও আটকে দিলেন পরিবহন শ্রমিকরা

    প্রধানমন্ত্রীর পিএসের গাড়িও আটকে দিলেন পরিবহন শ্রমিকরা

    ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে রোববার সকাল থেকে অবস্থান নেন পরিবহন শ্রমিকরা। লাঠি হাতে চালাতে থাকেন পিকেটিং। পিকেটিং চলাকালে তারা কোনো প্রকার যানবাহন চলাচল করতে দেননি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পিএস সাজ্জাদুল হাসানের গাড়িও আটকে দেন পরিবহন শ্রমিকরা। প্রায় আধা ঘণ্টা পর নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের টিআই (প্রশাসন) মোল্লা তাসলিম হোসেন শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে গাড়িটি উদ্ধারে সক্ষম হন।

    জানা গেছে, পিকেটিংয়ের সময় অ্যাম্বুলেন্সও চেক করে রোগীর স্বজনবাহী অ্যাম্বুলেন্স আটকে দেন তারা। সকাল থেকেই পরিবহন শ্রমিকরা এ মহাসড়কে কোনো প্রকার বাস, মিনিবাস, এমনকি মোটরসাইকেল, রিকশা, ভ্যানও চলাচল করতে দেয়নি।

    এ মহাসড়ক দিয়ে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস গন্তব্যে যেতে চাইলে পরিবহন শ্রমিকরা সেসকল পরিবহনে কালো রং লাগিয়ে দেন। এমনকি অনেক চালকের শরীরেও পরিবহন শ্রমিকরা কালো রং লাগিয়ে দেন। এতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন প্রাইভেট পরিবহনগুলোর মালিক ও চালকরা।

    পরিবহন শ্রমিকদের পিকেটিংয়ের সময় এ মহাসড়কে কর্তব্যরত পুলিশকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

  • যা করি,পরিকল্পনা করেই করি: প্রধানমন্ত্রী

    যা করি,পরিকল্পনা করেই করি: প্রধানমন্ত্রী

    আমরা সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা করেছি। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী করব। ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে আমরা দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলব। আমরা যা করি পরিকল্পনা করেই করি। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডিসিসিআই আয়োজিত বাণিজ্য বিষয়ক সম্মেলন ‘ডেসটিনেশন বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী রোববার (২৮ অক্টোবর) এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের পর আমরা ইপিজেড তৈরি করি। উত্তরা ইপিজেডসহ এগুলো সমগ্র বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ কৃষি নির্ভরশীল দেশ। কেবল কৃষি নয়, শিল্পায়ন যাতে হয় সেদিকেও আমরা মনোযোগ দিয়েছি। শুধু শহর নয়, গ্রামীণ অর্থনীতির দিকেও আমরা নজর দিচ্ছি।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমার ডেল্টা প্লান করেছি। ২১০০ সালে বাংলাদেশ কেমন হবে সেই রূপরেখাও আমরা করেছি। এছাড়া ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত দেশগুলোর একটি। ২০৪১ সালে আমরা ৪০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবো।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন যাতে হয় সেইদিকেও আমরা মনোযোগী। ব্যবসা-বাণিজ্য গ্রাম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগুচ্ছি। গ্রামের তৃণমূল মানুষটা যেন আর্থিকভাবে সক্ষম হয়। শুধু নিজের দেশ না আঞ্চলিক-উপ আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়টিও মাথায় রেখেছি আমরা।

    তিনি বলেন, যখন সরকার গঠন করি তখন ছিল বিশ্বব্যাপী মন্দা। আমরা সেই মন্দা কাটিয়ে ৭.৬ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। আগামীতে ৮.২৫ ভাগ প্রবৃদ্ধি হবে। সমগ্র বাংলাদেশব্যাপী আমরা বিশেষ ১০০ টা অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি। এটা বেসরকারিখাতের জন্য। যে জায়গা চাইবেন সে জায়গা দেওয়া হবে। এতে আমার লাভ কী? আমার লাভ হলো দেশের মানুষের কর্মসংস্থান হবে, চাকরির সুযোগ হবে।

  • খালেদা জিয়া খালাস পাবেন: রিজভী

    খালেদা জিয়া খালাস পাবেন: রিজভী

    দেশে নূনতম আইনের শাসন থাকলে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়া বেকসুর খালাস পাবেন। বললেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    রোববার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    রুহুল কবির রিজভী বলেন, চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় দুর্নীতির কাল্পনিক যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অবাস্তব। এখানে কোনও দুর্নীতি হয়নি। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এতে জড়ানো হয়েছে।

    খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা হয়েছে। তাঁকে সঠিক চিকিৎসাও দেওয়া হচ্ছে না। সরকারকে বলতো অতিসত্বর খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করুন।

    তিনি বলেন, ২০০৬ সালে ২৮ অাগষ্ট লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার বিচার হবে, অার বেশি দিন বাকী নেই। নৌকার পক্ষে ডিজিটাল ভোট জালিয়াতির জন্য আরপিও সংশোধনের মাধ্যমে ব্যপকভাবে ইভিএম ব্যবহারের তোরজোর শুরু করেছে সরকার।

    দেশের গনতন্ত্রকামী মানুষ সরকারের অশুভ ইচ্ছা বাস্তবায়ন হতে দেবেনা না বলেও হুশিয়ারী দেন তিনি।

    নির্বাচন কমিশন প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা পুরণে নিরন্তন কাজ করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন রিজভী।

    তিনি বলেন, সীমিত অাকারে নয়, ইভিএম কেনার আয়োজন দেখে মনে হচ্ছে ব্যাপক ভাবে সেটি ব্যবহার হবে।

  • খালেদার ১১ মামলার হাজিরা ২৫ নভেম্বর

    খালেদার ১১ মামলার হাজিরা ২৫ নভেম্বর

    রাষ্ট্রদ্রোহের একটি ও নাশকতার ১০টিসহ মোট ১১ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হাজির হওয়ার জন্য আগামী ২৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    আজ (রোববার) রাজধানীর বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে অবস্থিত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশ আসামিপক্ষের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে এ দিন ধার্য করেন।

    খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা এসব মামলার অধিকাংশই উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত রয়েছে- উল্লেখ করে আদালতের কাছে সময়ের আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করেন।

    খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়াউদ্দিন জিয়া বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

    খালেদার বিরুদ্ধে ১১টি মামলা হলো- দারুস সালাম থানার নাশতার আট মামলা, রাষ্ট্রদ্রোহের একটি ও যাত্রাবাড়ী থানার দু’টি মামলা।

    আজ এই ১১ মামলার মধ্যে ১০ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি এবং যাত্রাবাড়ী থানার অপর একটি মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ধার্য ছিল।

  • লিখিত স্বীকারোক্তি দিয়ে সাংবিধানিক ক্যু করার কথা জানালেন সিনহা

    লিখিত স্বীকারোক্তি দিয়ে সাংবিধানিক ক্যু করার কথা জানালেন সিনহা

    একের পর এক প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সরকারকে বিব্রত করার জন্য দেশের সাবেক বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার চেষ্টার কমতি ছিল না। এবার তার একটি ভুলের কথা মার্কিন সরকারের কাছে জানিয়ে ফেঁসে গেছেন তিনি। জানা গেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য দেশটির ‘অ্যানেক্সি’ ফরমে বাংলাদেশে সাংবিধানিক ক্যু-এ জড়িত থাকার লিখিত স্বীকারোক্তি দিয়েছেন পদত্যাগী সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।

    সম্প্রতি এস কে সিনহা ‘এ ব্রোকেন ড্রিম: রুল অব ল’, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ এর মোড়ক উন্মোচন করেন। সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি। প্রতিটি রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করে। প্রাথমিক অনুসন্ধানের বাতিল হয়ে গেলে সেখানেই শেষ রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন।

    তবে প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার বিষয়ে অধিকতর অনুসন্ধানের জন্য আরও তথ্য চায়।এই তথ্য চাওয়া হয় ‘অ্যানেক্সি’ ফরমে। সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকেও এই অ্যানেক্সি ফর্ম পূরণ করতে বলা হয়। ফরমে ৭- ৮ টি প্রশ্ন ছিল। প্রশ্নগুলোর মধ্যে ছিল, কেন সরকার তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত, তাঁর কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা ইত্যাদি। এ সময় সুরেন্দ্র কুমারের পক্ষ থেকে ষোড়শ সংশোধনী রায় দেওয়ার পরের পরিস্থিতি কথা উল্লেখ করা হয়। এ পর্যায়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে জানতে চাওয়া হয়, এই রায়তো তিনি একা দেননি, অন্য কয়েকজন বিচারক এতে যুক্ত ছিলেন। তাঁদের কোনো সমস্যা না হয়ে শুধু তাঁর একাই কেন সমস্যা হচ্ছে।

    এরপরই সুরেন্দ্র কুমার সিনহা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে জানান, ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তিনি সংবিধানের আলোকে গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছিলেন। এস কে সিনহা বলেন, ষোড়শ সংশোধনীর আলোকে বর্তমান সংসদকে অবৈধ এবং নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনার জন্য তিনি, ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে কাজ করেছেন।

    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে লিখিত দেওয়ার মধ্যে দিয়ে সুরেন্দ্র কুমার সিনহা নিজেই স্বীকার করলেন যে, সাংবিধানিক ক্যু-এর সঙ্গে তিনি এবং ড. কামাল জড়িত ছিলেন। একই সঙ্গে এর মাধ্যমে আরও প্রমাণ হলো, ষোড়শ সংশোধনী রায় মূল ব্যাপার ছিল না। এই রায়ের মাধ্যমে বর্তমান সংসদকে অবৈধ ঘোষণা করা এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনার চক্রান্ত হয়েছিল। এই চক্রান্তের কথা জানার পর এবং সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে তদন্তের অভিযোগগুলোর বিষয়ে হাতেনাতে প্রমাণ পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁকে সরে যেতে হয়েছে।

  • ডিভিশন চান মইনুল

    ডিভিশন চান মইনুল

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের জন্য কারাগারে ডিভিশন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে।

    রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করা হয়েছে বলে তার মামা ও সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

    বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্টে বেঞ্চে আজ (রোববার) দুপুর ২টার পর আবেদনটির উপর শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।

    এর আগে গত ২৩ অক্টোবর ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালত ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কারাগারে তাকে সাধারণ বন্দী হিসেবে রাখা হয়েছে।

    গত ২২ অক্টোবর রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি নেতা আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে ব্যারিস্টার মইনুলকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল। আটকের পরপরই তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    ডিবি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম জানান, ব্যারিস্টার মইনুলকে রংপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর একাত্তর টেলিভিশনের একটি আলোচনায় অংশ নেন দৈনিক আমাদের অর্থনীতির নির্বাহী সম্পাদক মাসুদা ভাট্টি ও বিএনপি নেতা সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত।

    এ সময় উপস্থাপক মিথিলা ফারজানা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে যুক্ত করার পর মাসুদা ভাট্টি তাকে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে আপনাকে শিবিরের একটি জনসভায় অংশ নিতে দেখা গেছে। সে কারণে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন আপনি কি জামায়াতের প্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে উপস্থিত থাকছেন কিনা?
    তখন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন মাসুদা ভাট্টিকে বলেন, ‘আপনার সাহসের প্রশংসা করতে হয়। তবে আমি আপনাকে একজন চরিত্রহীন বলতে চাই’।

    এ ঘটনায় রংপুরে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন মানবাধিকারকর্মী মিলি মায়া। তিনি রংপুর নগরীর মুলাটোল মহল্লার বাসিন্দা।

    তার পক্ষে রংপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দাখিল করেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আইনুল হোসেন। বিচারক আরিফা ইয়াসমিন মুক্তা মামলাটি গ্রহণ করেন। এই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। একই ঘটনায় বিভিন্ন জেলায় আরও অনেক মামলা দায়ের করা হয়েছে মইনুলের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দুটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে তিনি জামিন নিয়েছেন।

  • শুধু ১০ দিন অপেক্ষা করেন,দেখেন কী হয় : ডা. জাফরুল্লাহ

    শুধু ১০ দিন অপেক্ষা করেন,দেখেন কী হয় : ডা. জাফরুল্লাহ

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ১০ দিনের মধ্যে দেশের পরিস্থিতি পরিবর্তন হবে। ১০ দিনের মধ্যে দেশের সব বুদ্ধিজীবী ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেবেন। বামপন্থী, আওয়ামীপন্থী সব বুদ্ধিজীবী আসবেন। আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত হবে। শুধু ১০ দিন অপেক্ষা করেন, দেখেন কী হয়।

    শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর নাসিমন ভবনে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী নিজের ছায়া দেখেও ভয় পাচ্ছেন মন্তব্য করে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী, ভয় পাবেন না। ড. কামাল হোসেন আছেন, তিনি আপনাকে রক্ষা করবেন। কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার মইনুল আপনাকে আইনি সহায়তা দেবেন।

    তিনি বলেন, এ দেশকে অনাচার থেকে রক্ষা করতে হবে। তারা (সরকার) ঘোষণা দিয়েছিল চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী। তা যদি হয় তবে এনবিআরে (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) কেন দেশের ৭০ শতাংশ রাজস্ব যায় চট্টগ্রাম থেকে। তাহলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ঢাকায় কেন? সরকার এখন নিজের ছায়া দেখলে ভয় পায়।

    এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কথা ও কাজে মিল নেই অভিযোগ করে ভবিষ্যতে ক্ষমতায় এলে বিএনপি নেতাদের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ নেতা।

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট চট্টগ্রামের অন্যতম সমন্বয়ক নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাৎ হেসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামী আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আবদুল্লাহ আল নোমানসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

    এর আগে দুপুরে সমাবেশ শুরু হলেও সকাল থেকেই সমাবেশস্থল নুর আহমেদ সড়কে আসতে থাকেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

    এদিকে সমাবেশকে ঘিরে নগরীতে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়। ভোর থেকে পুলিশের একাধিক টিম নুর আহমেদ সড়ক, কাজীর দেউড়ি এলাকায় অবস্থান করছে। সমাবেশের চারপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো মহসীন জানান, সমাবেশ থেকে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও নাশকতা করতে না পারে সে জন্যই পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায়ে নবগঠিত জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের চট্টগ্রামে এটি দ্বিতীয় সমাবেশ। এর আগে ২৪ অক্টোবর এই জোট সিলেটে সমাবেশ করে।

  • একবার হলেও জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখে মরতে চাই: এরশাদ

    একবার হলেও জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখে মরতে চাই: এরশাদ

    জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘যদি আবার ক্ষমতায় আসতে পারি, তাহলে শান্তি ফিরে আসবে, সমস্ত ব্যথা-বেদনা দূর হবে। একবার হলেও জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখে মরতে চাই আমি।

    আজ রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে জাতীয় পার্টির সভায় নিজের এই ইচ্ছের কথা জানান এরশাদ। সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে হয় এই সভা।

    সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বলেন, ‘নির্বাচন ছাড়া দেশে সরকার পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাই আমরা আগামী নির্বাচনে অংশ নেব। আর কে নির্বাচনে এল কে এল না, আমরা তা পরোয়া করি না। জাতীয় পার্টি নির্বাচনমুখী দল।’

    এ সময় এরশাদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ শান্তি চায়, জীবনের নিরাপত্তা চায়। মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে চায়। তাই মানুষ পরিবর্তন চায়। আর জাতীয় পার্টি ছাড়া এই পরিবর্তন সম্ভব নয়।

    আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে এরশাদ বলেন, ‘ভোট কারচুপির নির্বাচন আমরা চাই না। আমরা সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই।

    হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘ক্ষমতা ছাড়ার পর আমি একটা দিনও শান্তিতে থাকতে পারিনি। এখনো শান্তিতে নেই। আমি অনেক অত্যাচার ও লাঞ্ছনা সহ্য করেছি। আমাদের ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাকে অনেকবার জেলে যেতে। তবে আবার নতুন সূর্য উঠবে—এই অপেক্ষায় আছি।

    নিজের শাসনামলের শান্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাস্তায় মানুষ লাশ হয়ে পড়ে থাকে। মানুষ বিচার পায় না। ক্ষমতায় গেলে দেশে খুন-হত্যা বন্ধ হবে। ব্যাংক লুট হবে না, গায়েবি মামলা হবে না। আমরা মানুষকে সুখ-শান্তি দেব।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের জাপা থেকে মহাজোটের মনোনয়ন প্রত্যাশী নবীনগর উপজেলা জাতীয় পার্টি আহ্বায়ক কাজী মো. মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টি কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের, জাতীয় পার্টি মহাসচিব এ বি এম রহুল আমিন হাওলাদার, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রেস সেক্রেটারি ও প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফয়সাল চিশতী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয় পার্টি আহ্বায়ক জিয়াউল হক মৃধা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া। নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জাপার জনসভায় উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা যোগ দেন।

    প্রধান বক্তার বক্তব্যে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, জাতীয় পার্টি ধ্বংসে নয়, উন্নয়ন ও কল্যাণে বিশ্বাস করে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় থাকার সময় দেশে গুম-খুন ছিল না। জাতীয় পার্টি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। জনগণের ভোটে জাতীয় পার্টি আবার ক্ষমতায় আসবে।

    জনসভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে জাতীয় পার্টি থেকে উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক কাজী মামুনুর রশিদকে জাপার প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে তাঁর জন্য ভোট চান পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

  • এমন শত্রুতা জীবনে দেখিনি: কাদের সিদ্দিকী

    এমন শত্রুতা জীবনে দেখিনি: কাদের সিদ্দিকী

    কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ সংগ্রামীদের মিলন মেলার দিন শত্রুতা করে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘১৯৭৫ এ বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ সংগ্রামীদের’ মিলনমেলার আয়োজনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা ইয়াহিয়ার জন্য রাস্তাঘাট বন্ধ করেছিলাম। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার থাকতে ১৯৭৫ এর বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ সংগ্রামীদের মিলন মেলার দিন রাস্তাঘাট বন্ধ করা হয়,পরিবহন বন্ধ করা হয়। এমন শত্রুতা আমি আমার জীবনে দেখি নাই।

    গত আগস্ট মাসে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে কাদের সিদ্দিকী এই মিলনমেলার আয়োজনের কথা বলেছিলেন। আজকের অনুষ্ঠানে সকাল থেকেই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতা কর্মীরা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আসতে থাকে। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ সংগ্রামীদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

    আজকের অনুষ্ঠানে অনেকেই কষ্ট করে এসেছেন উল্লেখ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আজকে সবকিছু বন্ধ। বাংলাদেশে এমন হয়, আমার জানা ছিল না। শাজাহান খান একদিকে শ্রমিক নেতা। আরেকদিকে সরকারের মন্ত্রী। আমি কারও সঙ্গে বিরোধ করতে যাইনি। কিন্তু ন্যায়ের প্রসঙ্গে অন্যায়ের সঙ্গে আপস করতে যাইনি। আমি এটা কিছুতেই মানতে পারি না। কোনো ইন্ধন না থাকলে ঠিক বেছে বেছে ২৮ অক্টোবর সারা দেশে পরিবহন ধর্মঘট ডেকেছে।

    প্রতিরোধ সংগ্রামীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বাধীন সরকার। এই সরকারকে বলতে হবে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করা ন্যায় না অন্যায়। তাঁদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে। আর যদি না দিতে পারে তাহলে এই সরকারকে বলতে হবে, বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ করে তাঁরা অন্যায় করেছে। তাঁদের বিচার করতে হবে। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে যাঁরা শহীদ হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য জাতীয় সংসদে তিনবার শোকপ্রস্তাব দিলেও তা গ্রহণ করা হয়নি।

    এই মিলন মেলার জন্য কাদের সিদ্দিকী প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি দেওয়ার কথাও জানান। কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া পাননি। তিনি বলেন, ‘যদি এই প্রতিরোধ সংগ্রামীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না দেওয়া হয়, তাহলে এত দিন মুখ বুজে থাকলেও আর মুখ বুজে থাকব না।

    মিলন মেলা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, নাসরিন সিদ্দিকী ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

  • বরিশালে যুবদলের ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    বরিশালে যুবদলের ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    বরিশালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যুবদলের ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্বে ফরমায়েসী রায়ের প্রতিবাদ সহ খালেদা জিয়ার কারা মুক্তি এবং তার সুস্থতা কামনা করে আলোচনা সভা দোয়া-মোনাজাত অনািষ্ঠত হয়েছে।

    আজ শনিবার বরিশাল জেলা যুবদল,মহানগর যুবদল ও বরিশাল উত্তর জেলা যুবদল ভিন্ন তিনটি ভ্যনুতে এসব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    সকাল ১১টায় শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেস ক্লাবে বরিশাল জেলা যুবদলের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা যুবদল সভাপতি এ্যাড. পারভেজ আকন বিপ্লবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন দক্ষিন জেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব এবায়েদুল হক চাঁন,বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন, জেলা যুবদল সাধারন সম্পাদক এ্যাড. তছলিম উদ্দিন,সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. হাফিজ আহমেদ বাবলু,সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুন রেজা খান,যুগ্ম সম্পাদক মাওলা রাব্বি শামীম প্রমুখ।

    অপরদিকে জেলা ও মহানগর বিএনপি দলীয় কার্যলয়ে বরিশাল মহানগর যুবদলের আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহানগর যুবদলের সভাপতি এ্যাড. আখতারুজ্জামান শামীমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপি সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার,মহানগর যুবদল সাধারন সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন,সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুল হাসান রতন,যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান পলাশ ও মাকসুদুর রহমান মাকসুদ।

    এছাড়া নগরীর কালিবাড়ী রোডস্থ উত্তর জেলা বিএনপি সভাপতি ও সাবেক সংসদ মেজব উদ্দিন ফরহাদের বাড়ির আঙ্গিনায় বরিশাল উত্তর জেলা যুবদল প্রতিষ্ঠা বাষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বরিশাল উত্তর জেলা যুবদলের আহবায়ক সালাউদ্দিন পিপলুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান মুক্তা।

    এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি এ্যাড.দেওয়ান মনির হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম হাওলাদার,মুলাদী যুবদল নেতা আরিফুর রহমান টিটু,গৌরনদী যুবদল নেতা গফুর সরদার,হিজলা যুবদল যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দিন রিমন। নুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন জহির রায়হান।