Category: রাজণীতি

  • ‘মুজিব বর্ষের‘ মধ্যেই বাংলাদেশ হবে ক্ষুদা ও দারিদ্র মুক্ত দেশ: প্রধানমন্ত্রী

    ‘মুজিব বর্ষের‘ মধ্যেই বাংলাদেশ হবে ক্ষুদা ও দারিদ্র মুক্ত দেশ: প্রধানমন্ত্রী

    ২০২০-২১ সাল ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেব ঘোষনা করা হয়েছে। এই মুজিব বর্ষের মধ্যেই বাংলাদেশ হবে ক্ষুদা ও দারিদ্র মুক্ত দেশ।

    আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালীর পায়রায় নির্মাণাধীন তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ নামে পুনর্বাসন পল্লী উদ্বোধনসহ বিভিন্ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর ও ফলক উম্মোচনকালে সুধী সমাবেশে এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মশত বাষির্কী ২০২০ সালের ১৭ মার্চ আর ২০২১ সারের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী তাই এই ২০২০ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্তকে আমার মুজিব বর্ষ ঘোষনা করেছি। তাই মুজিব বর্ষের মধ্যে আমাদের বাংলাদেশ হবে ক্ষুদা ও দরিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ। বাংলাদেশের কোন মানুষের কোন কষ্ট থাকবে না। উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হবে এদেশের সন্তানরা।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণাঞ্চল ছিলো সব সময়ই অবহেলিত। কিন্তু ৯৬’ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ শুরু করি। এরপর টানা দুই বার প্রায় ১০ বছর ক্ষমতায় থেকে এ অঞ্চলের ভাগ্য উন্নয়নের কাজ করি।

    বিশেষ করে যোগযোগ ব্যবস্থাকে উন্নতি করি। বরিশালের দোয়ারিকা-শিকারপুর থেকে শুরু করে গাফ খান হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত প্রতিটি নদীর উপর দিয়ে ব্রিজ নির্মাণকাজ একমাত্র আমরাই করেছি। নদী পথের ড্রেইজিং ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এ অঞ্চলের শুধু ঘরে ঘরেই নয়, ব্যবসা ও শিল্প কারখানায় বিদ্যুৎ পৌছে দিতে বর্তমান সরকার কাজ কারছে। তাই পায়রায় ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি এটিকে আরো ৩০ হাজার মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ উৎপদনে উন্নতি করার প্রক্রিয়া রয়েছে। সাথে দক্ষিণাঞ্চলের যে কোন একটি দ্বীপে পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ সরকার হাতে নিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, উন্নয়ন কিংবা শিল্প কারখানা স্থাপনের ফলে যাতে কারো ক্ষতি না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখছে সরকার। যারা এই সকল শিল্পকারখানা তৈরিতে জমি দিচ্ছেন তাদের কাছ থেকে জমি তিনগুন মূল্যে ক্রয় করা হচ্ছে। আবার তারা যেন গৃহহীন হয়ে না পরে তার জন্য ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ ন্যায় পূণর্বাসন পল্লী নির্মাণ করে দিয়েছি এবং দিচ্ছে বর্তমান সরকার।

    তিনি বলেন, পায়রায় বন্দর কিংবা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রই নয়, এখানে হবে নৌ ঘাটি। হয়েছে সেনা নিবাস আর পদ্মার এপারে হবে বিমান ঘাটি। আমাগীতে আমারা ক্ষমাতায় আসলে এমন উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।

    সুধী সমাবেশে সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ, শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, তালুকদার মোঃ ইউনুস, জেবুন্নেছা আফরোজসহ সহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা।

    সুধী সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রী ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ নামে পুনর্বাসন পল্লী উদ্বোধনসহ ২১ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর ও ফলক উম্মোচন করেন।

    এছাড়া বিকেলে তিনি বরগুনার তালতলী উপজেলায় আয়োজিত জনসভায় যোগদানসহ বরগুনায় আরো ২১টি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর ও ফলক উম্মোচন করবেন।

  • পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১৬টি প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১৬টি প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১৬টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া পাঁচটি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন তিনি।

    আজ (২৭ অক্টোবর) শনিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে কলাপাড়ার ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দাগ্রামে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি অবতরণ করে।

    প্রধানমন্ত্রী যে প্রকল্পগুলো উদ্বোধন করেছেন তার মধ্যে রয়েছে- পটুয়াখালী সরকারি কলেজে নবনির্মিত ১৩২ আসন বিশিষ্ট ৫-তলা ছাত্রীনিবাস নির্মাণ, পটুয়াখালী সরকারি কলেজে নবনির্মিত একাডেমিক কাম-এক্সামিনেশন হল নির্মাণ, হাজী আক্কেল আলী হাওলাদার কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ইসহাক মডেল ডিগ্রী কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, কুয়াকাটা খানাবাদ কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, আলহাজ্ব জালাল উদ্দিন কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, সুবিদখালী ডিগ্রি কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, দুমকি জনতা ডিগ্রি কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, দুমকি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন, মির্জাগঞ্জ ৩৩/১১ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, পায়রা সমুদ্র বন্দরের শেখ হাসিনা সড়ক, পায়রা সমুদ্র বন্দরের সার্ভিস জেটি, পায়রা সমুদ্র বন্দরের মসজিদ, পায়রা সমুদ্র বন্দরের অফিসার্স গেস্ট হাউস, পায়রা সমুদ্র বন্দরের স্টাফ ডরমিটরি।

    পাঁচটি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্থরও স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রকল্পগুলো হলো- পটুয়াখালী সরকারি কলেজে ৫ তলা বিজ্ঞান ভবন, পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলাধীন কাঁঠালতলী জিসি-পটুয়াখালী বেতাগী আর এইচডি (থানা ব্রীজ) সড়কের শ্রীমন্ত নদীর উপর ৯৬.০০ মিঃ ব্রীজ, উপজেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (৩য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, উপজেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ (৩য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলায় কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, পায়রা সমুদ্র বন্দরের ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন এলাকা।

    এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁও এয়ার মুভমেন্ট ফ্লাইটের নবনির্মিত ‘ভিভিআইপি কমপ্লেক্স’ উদ্বোধন করেন।

  • বরগুনায় প্রধানমন্ত্রীর ২১ প্রকল্প উদ্বোধন

    বরগুনায় প্রধানমন্ত্রীর ২১ প্রকল্প উদ্বোধন

    শনিবার (২৭ অক্টোবর) বরগুনার তালতলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দিয়ে জেলার মোট ২১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

    বরগুনার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- বরগুনা সদর হাসপাতালকে ৫০ শয্যা হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, বামনা ও বেতাগী উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন, জেলা গণগ্রন্থাগার, জেলা পুলিশ লাইনে মহিলা ব্যারাক নির্মাণ, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য হোস্টেল নির্মাণ এবং সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বরগুনা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য পূর্বে নির্মিত একতলা হোস্টেলের উপর দ্বিতীয় তলা নির্মাণসহ প্রথম তলার নবায়ন, আমতলী থানা ভবন, বরগুনা সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ডৌয়াতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিস (উপকূলীয়), হোসনাবাদ ইউনিয়ন ভূমি অফিস (উপকূলীয়), ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় বাঁধ পুনর্বাসন, এম বালিয়াতলী ডি. এন কলেজের ৪ তলা একাডেমিক ভবন কাম ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, বরগুনা সদর সৈয়দ ফজলুল হক ডিগ্রি কলেজের ৪ তলা একাডেমিক ভবন কাম ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, পাথরঘাটা ইউনুস আলী খান ডিগ্রি কলেজের ৪ তলা একাডেমিক ভবন কাম ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, আমতলী উপজেলা প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র, তালতলী-বাকেরগঞ্জ-পাদ্রীশিবপুর-কাঠালতলী-সুবিদখালী-বরগুনা সড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতিকরণ, চুড়িরচর ইউনিয়ন পরিষদ – হাজারবিঘা- কামড়াবাদ -পুরাকাটা ফেরিঘাট সড়কের ৫৩২০ মি. চেইনেজে ৫৪ মি. আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, গৌরিচন্না ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, বেতাগী উপজেলাধীন বদনীখালী খালের উপর ২০ মি. চেইনেজে ১২০ মি. আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, তালতলী উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, বামনা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন সম্প্রসারণ, একটি বাড়ি একটি খামার ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ভবন, বামনা, একটি বাড়ি একটি খামার ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ভবন।

  • জনগণের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা-বিশ্বাস আছে : প্রধানমন্ত্রী

    জনগণের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা-বিশ্বাস আছে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণ আমাদের সাথে আছে। জনগণের শক্তি নিয়েই আমরা ক্ষমতায় এসেছি। জনগণের ভোটেই আমরা ক্ষমতায় এসেছি। জনগণের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা-বিশ্বাস আছে।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংসদীয় দল (পার্লামেন্টারি পার্টি) এর যৌথসভায় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    শেখ হাসিনা বলেন, ইনশাল্লাহ আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীও আমরা উদযাপন করতে পারবো। স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থাকবে। আমরা না থাকলে কেউ ভালোভাবে পালন করবে না।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য, আগামী ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী আমরা পালন করবো। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আমরা পালন করবো।

    তিনি বলেন, আমাদের সৌভাগ্য আমরা যখন স্বাধীনতার ২৫ বছর পালন করি তখনও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিলো।

  • নেতায়-নেতায় যে ঐক্য, সে ঐক্যে জনতার কী?

    নেতায়-নেতায় যে ঐক্য, সে ঐক্যে জনতার কী?

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জনগণের মধ্যে কোনো সাড়া জাগাতে পারেনি। সিলেটে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে এত বড় বড় নেতারা গেলেন, জনগণ কোনো সাড়া দেয়নি। নেতায়-নেতায় যে ঐক্য, সে ঐক্যে জনতার কী?

    ওবায়দুল কাদের আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন।

    গাজীপুরের টঙ্গী ও ঢাকার সাভারে আওয়ামী লীগের গণসংযোগ কর্মসূচিতে পথসভার কথা উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, টঙ্গী ও সাভারের সমাবেশে লক্ষাধিক লোকের সমাবেশ হয়েছে। সিলেটে তাদের সমাবেশে তো এত লোক দেখলাম না।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলনে যারা বিজয়ী হতে পারে না, নির্বাচনেও তারা জয়ী হতে পারে না। এটাই দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাস। নেতায়-নেতায় ঐক্য হলে জনগণের মধ্যে তা কখনো সাড়া ফেলে না। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফার এক দফাও মানা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের সাত দফার এক দফাও মানব না। কারণ তাদের দাবি অযৌক্তিক।

    ‘সরকারের মাথা খারাপ হয়েছে’ বলে ড. কামাল হোসেনের মন্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, ‘ওনার মাথা ঠিক আছে? তা জানতে চাই।

    সংস্কারপন্থী নেতাদের বিএনপিতে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, বিএনপি যে রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে সংস্কারপন্থীদের দলে ফিরিয়ে আনার মধ্য দিয়েই বোঝা যায়। কারণ এত দিন বিএনপি তাদের কোণঠাসা করে রেখেছিল। তারা আন্দোলনের শক্তি জোগাবে, এটা হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়।

    কাদের বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই সংস্কারপন্থী ছিলেন। আর তিনি সংস্কারপন্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকবেন সেটাই স্বাভাবিক।

    ‘নির্বাচনের আগে সরকারের পদত্যাগের জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দাবির’ জবাবে সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য দরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন। কারণ নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করে। নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষ সরকারের প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনের সময় সরকার যেভাবে দায়িত্ব পালন করে, আমাদের দেশেও সেভাবেই দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সরকার কোনো মেজর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না, শুধু রুটিন কাজ পরিচালনা করবে।

    কাদের বলেন, নির্বাচন কমিশন সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কোনো নির্বাচন কমিশনার কোনো সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করতেই পারেন। রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে বিএনপির পছন্দেরও একজন কমিশনার রয়েছেন। তিনি নিজের মতামত তুলে ধরতেই পারেন। আর এটাই গণতন্ত্রের অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য।

    মেট্রোরেল প্রকল্প নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের প্রকল্প ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেগা প্রকল্প মেট্রোরেল প্রকল্প এখন দৃশ্যমান বাস্তবতা। এ প্রকল্পের কাজ দুটি ধাপে শেষ হবে। তিনি বলেন, উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত প্রথম ধাপের কাজ ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে এবং দ্বিতীয় ধাপে আগারগাঁও থেকে মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত ২০২০ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। তিনি বলেন, মেট্রোরেলে প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দিনে ৫ লাখ লোক যাতায়াত করবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর যানজট বহুলাংশে কমে যাবে। রাজধানীকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট মহানগর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

    এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতমণ্ডলীর সদস্য সাহারা খাতুনসহ স্থানীয় দলীয় নেতা-কর্মী ও মেট্রোরেল প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচনী মিছিলে শিশুদের ব্যবহার নয়

    নির্বাচনী মিছিলে শিশুদের ব্যবহার নয়

    সামনে জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচনে পোস্টার লাগানো ও মিছিলে শিশুদের ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছে শিশুদের প্রতীকী সংসদের সদস্যরা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে শিশুদের নিয়ে প্রতীকী এই সংসদ অধিবেশন বসে।

    শিশুদের প্রতীকী সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্যরা বলে, দেশে শিশুদের অবস্থা ভালো নয়। বাল্যবিবাহের নির্মম শিকার হচ্ছে শিশুরা। গত এক বছরে দেশে ৩১৪টি শিশু হত্যার শিকার হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ৪৯৪টি। ৪০ শতাংশ শিশু বিদ্যালয়ে শারীরিক ও মানসিক শাস্তির মুখোমুখি হয়েছে। এসব বন্ধ করতে আগামী নির্বাচনের আগে শিশুরা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে অঙ্গীকার চেয়েছে।

    সেভ দ্য চিলড্রেন, প্ল্যান ও বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমি যৌথভাবে শিশুদের নিয়ে প্রতীকী সংসদ অধিবেশনের আয়োজন করে। প্রতীকী এ অধিবেশনে চাইল্ড পার্লামেন্টের স্পিকার ছিল মিফতাহা নুর নাহার ও ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্বে ছিল মাহমুদা সিদ্দিকি।

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, বাল্যবিবাহ রোধে সরকার কাজ করছে। বাল্যবিবাহ বন্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি শিশুরাও সচেতনামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে।

    শিশুদের নিয়ে প্রতীকী সংসদ অধিবেশন বক্তব্য দিচ্ছে এক শিশু। ছবি: প্রথম আলোআলোবড় হয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে শিশুদের রাজনীতি করার আহ্বান জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। ১৮ বছরের আগে বিয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান রেখে আইন পাস করার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।

    আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন বলেন, বড়লোকের শিশু ও গরিবের শিশুর সমান অধিকার রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য এস এম কামাল হোসেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

  • বিকল্পধারায় যোগ দিলেন শমসের মবিন

    বিকল্পধারায় যোগ দিলেন শমসের মবিন

    বিকল্পধারায় যোগ দিয়েছেন বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বাড্ডায় এক অনুষ্ঠানে বি.চৌধুরীর হাতে ফুল দিয়ে দলে যোগ দেন তিনি। এ ছাড়া ছাত্রদলের প্রথম নির্বাচিত সভাপতি গোলাম সারোয়ার, সাবেক মন্ত্রী (এরশাদ সরকার) নাজিম উদ্দিন অাল অাজাদও যোগ দিয়েছেন বিকল্পধারায়।

    এদিন এর আগে বিকল্পধারার অঙ্গ সংগঠন বিকল্প যুবধারার বিশেষ কাউন্সিলে যোগ দেন তারা। পরে বিকল্পধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরী তাদের অামন্ত্রণ জানিয়ে মঞ্চে নিয়ে আসেন।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- সদ্য ২০ দলীয় জোট ত্যাগ করা বাংলাদেশ নাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি ও মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তুজা এবং শুক্রবার ২০ দল ছেড়ে অাসা লেবার পার্টির একাংশের মহাসচিব হামদুল্লাহ মেহেদী।

     

    samser-mobin-02

    অনুষ্ঠানে হামদুল্লাহ মেহেদীর বিএনপি জোট ছেড়ে অাসার বিষয়টি উল্লেখ করে মাহী বি. চৌধুরী বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধীদের ২০ দলীয় জোট ছেড়ে এসেছেন লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ মেহেদী।

    তিনি বলেন, ‘অাসুন বাংলাদেশকে দুঃশাসনের হাত থেকে রক্ষা করি। বি.চৌধুরীর নেতৃত্বে নানন্দিক ধারার রাজনীতি শুরু করি।

    ২০১৫ সালের অক্টোবরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ান শমসের মবিন চৌধুরী। তখন তিনি বলেছিলেন, শুধু ভাইস চেয়ারম্যানের পদ নয়, রাজনীতি থেকেই অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে বিএনপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ রক্ষা করতেন তিনি।

     

    samser-mobin-03

    ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বে সরকার ক্ষমতাসীন হবার পর শমসের মবিন চৌধুরী পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে যোগ দেবার পরে তিনি দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। কিন্তু ২০১৫ সালে রাজনীতি থেকে তার আকস্মিক অবসর দলের অনেককেই খানিকটা বিস্মিত করে।

    শমসের মবিন চৌধুরী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করে।

  • সন্তানদের বলেছি, শিক্ষাই তোমাদের সম্পদ: প্রধানমন্ত্রী

    সন্তানদের বলেছি, শিক্ষাই তোমাদের সম্পদ: প্রধানমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘১০ বছর পরিশ্রম করছি। এ পরিশ্রম আমি আমার নিজের ভাগ্য গড়ার জন্য করিনি। সন্তানদের বলেছি, শিক্ষাটাই তোমাদের বড় সম্পদ। কোনো সম্পদ আমি তোমাদের জন্য রেখে যেতে পারব না। বিদ্যা শিক্ষা দিয়েছি নিজেদের ভাগ্য গড়বে। আমি দেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে কাজ করব। দেশের মানুষের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছি।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৬ ও ৯৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য আয়োজিত ছবি আঁকা ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশ চালাবে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই দেশ এগিয়ে যাক। এ শিশুদের মধ্যে থেকেই কেউ না কেউ আমার মতো প্রধানমন্ত্রী হবে, মন্ত্রী হবে, বড় ব্যবসায়ী হবে, বড় বড় চাকরি করবে, দেশ চালাবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই শিশু-কিশোরদের উৎসাহিত করতে। আমি মনে করি, খেলাধুলা, চিত্রাঙ্কন, সাংস্কৃতিক চর্চা; এগুলো আমাদের ছেলেমেয়েদের সুন্দর জীবন গড়ার সুযোগ করে দেবে। জীবনকে সুন্দরভাবে দেখার সুযোগ করে দেবে।

    শিক্ষা ক্ষেত্রকে সুবিস্তৃত করতে সমগ্র বাংলাদেশে যেখানে স্কুল নাই সেখানে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে সরকারি কলেজ ও স্কুল নাই সেখানে সরকারি কলেজ ও স্কুল করে দিচ্ছি। তিনশ’র কাছাকাছি কলেজ ও ২৬ হাজার প্রাইমারি স্কুল আমরা সরকারিকরণ করেছি। নতুন প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। আজকের শিশুরা ভবিষ্যতে যাতে সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে পারে এবং বাংলাদেশের পরিচয় দিতে গর্ববোধ করে সে জন্যই আমরা ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ গ্রহণ করেছি। আজকের শিশুরাই পাবে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

    তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন সুন্দর ও সমৃদ্ধ করতে সরকার পরিকল্পিতভাবে দেশ গড়ার কাজ করে যাচ্ছে। আমরা যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি তাতে আজকের শিশুরা বড় হয়ে এ দেশের জন্য গর্ববোধ করবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো পরিবারের শিশুরা যেন লেখাপড়া করতে পারে সে জন্য সরকার সব প্রকার সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে। বিমামূল্যে বই। গরিব ও মেধাবীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা । শিক্ষার্থীদের মায়ের নামে অ্যাকাউন্ট করে তাদের বৃত্তির টাকা প্রেরণ। দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো। শিক্ষা ক্ষেত্রে বেশি বরাদ্দ রাখা সবই করছে আমাদের সরকার।

    তিনি বলেন, ‘আমরা ব্যাপক উন্নয়নের কাজে হাত দিয়েছি। দেশের উন্নয়ন যখন হবে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়তে পারব। জাতির পিতা যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন সেই স্বপ্ন আমরা পূরণ করতে পারব।

    চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতি শিল্পী হাশেম খান। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন-বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান, ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশুরা হোসেন প্রমুখ।

  • জোড়া মাথার রাবেয়া-রোকাইয়াকে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

    জোড়া মাথার রাবেয়া-রোকাইয়াকে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

    বুধবার (২৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ‘শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট’র উদ্বোধন করতে এসে বহির্বিভাগে জোড়া মাথার শিশু দু’টিকে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।

    শুরু থেকে কনজয়েন্ড বা মাথা জোড়া লাগানো অবস্থায় জন্ম নেওয়া রাবেয়া ও রোকাইয়ার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার তাদের দেখার সময় প্রধানমন্ত্রী শিশু দু’টির হাত ধরে আদর করেন এবং স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন। একইসঙ্গে শিশু দু’টির চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

    জোড়া মাথার প্লাস্টিক মডেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা শিশু দু’টির চিকিৎসার পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। এ সময় শিশু দু’টির বাবা-মা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গেও কথা বলেন। তাদের সান্ত্বনা ও সাহস দেন তিনি।

    ২০১৬ সালের ১৬ জুলাই পাবনা শহরের একটি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে স্কুল শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ও তাসলিমা খাতুন দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় জোড়া মাথার জমজ রাবেয়া-রোকাইয়া।

    চিকিৎসকরা জানান, শিশু দু’টিকে ধাপে ধাপে আলাদা করতে হবে। আলাদা করার অগ্রগতি হিসেবে ১৮ মাস বয়সে রাবেয়া ও রোকাইয়ার মাথায় যুক্ত রক্তনালী অপারেশন করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যাতে দু’জনের জন্য আলাদা রক্তনালী চালু হয়।

    এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তার নামে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল সংলগ্ন চাঁনখারপুল এলাকায় ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ‘শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট’-এ বিশ্বের সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতিসহ উন্নততর চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকবে।

  • বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষটিকে চিকিৎসার জন্য ৫ লাখ টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর

    বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষটিকে চিকিৎসার জন্য ৫ লাখ টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করতে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষটি আজ জাতীয় সংসদে গিয়েছিলেন। তার উচ্চতা ৮ ফুট ৫ ইঞ্চি। কক্সবাজারের রামু উপজেলার এই অধিবাসীর নাম জিন্নাত আলী। সংসদের নিজ কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তার স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন। এসময় তার চিকিৎসার জন্য ৫ লাখ টাকা দেন প্রধানমন্ত্রী।

    জিন্নাত আলীর এলাকার এমপি সায়মুম সরোয়ার কমল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার এই সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বেরিয়ে জিন্নাত আলীকে নিয়ে সংসদের ক্যান্টিনে গেলে সংসদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এমপি-মন্ত্রীদের সহকারী ও একান্ত সহকারীরা তাকে ঘিরে ধরেন। এসব ছবি তোলা ও সেলফি তোলার জন্য হুড়োহুড়ি লেগে যায়। সাধারণ লোকদের সাথে ছবি তোলার সময় তিনি টাকা দাবি করলেও মন্ত্রী-এমপিদের সাথে বিনাবাক্য ব্যয়ে ছবি তোলেন। বর্তমানে তিনি অসুস্থ্য। চিকিৎসা নিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    গিনেস রেকর্ড অনুযায়ী বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে দীর্ঘ ব্যক্তি হলেন মিশরের সুলতান কাসেম। তার উচ্চতা ৮ ফুট ৩ ইঞ্চি। আর ২২ বছর বয়সী জিন্নাত আলীর উচ্চতা ৮ ফুট ৫ ইঞ্চি। ১২ বছর বয়সের পর থেকেই অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকেন তিনি। ফলে স্বাভাবিক কাজকর্ম থেকেও সরে আসতে হয় তাকে। লম্বা দেহটা নিয়ে খুব একটা স্বস্তিও বোধ করেন না তিনি।