Category: রাজণীতি

  • কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

    ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার দিল্লিতে একটি প্রতিবাদ বিক্ষোভ থেকে তাকেসহ বিরোধী অনেক প্রবীণ নেতাকে আটক করে পুলিশ।

    এনডিটিভি খবর দিয়েছে, দিল্লিতে ক্রাইম ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা সিবিআই-এর প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিশাল এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বিরোধী দলগুলো।

    মোদি প্রশাসন প্রতিষ্ঠানটিকে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে বাধা দিচ্ছে বলে দাবি করেন বিরোধী নেতারা।

    সিবিআই প্রধান অলোক বর্মার অপসারণের প্রতিবাদে সকালে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস মিছিল বের করে। মিছিলটিকে সিবিআই সদর দফতরের ৫০০ মিটার দূরেই আটকে দেয় পুলিশ।

    পরে লোধি রোড পুলিশ থানায় গিয়ে প্রতীকী গ্রেফতার বরণ করেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস সভাপতির মতোই প্রতীকী গ্রেফতার বরণ করেন অশোক গেহলট, প্রমোদ তিওয়ারি, আহমেদ প্যাটেলের মতো প্রবীণ নেতারা।

    এদিন টুইট করে কংগ্রেস সভাপতির আটকের খবর দেন দলীয় নেতা রণদীপ সুর্যওয়াল। তিনি লেখেন, সিবিআই সদর দফতরের বাইরে রাহুল গান্ধীসহ যেসব কংগ্রেস নেতারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তাদের আটক করা হয়েছে।

    শুক্রবার গোটা দেশেই কংগ্রেস কর্মীরা সিবিআই দফতরের বাইরে বিক্ষোভ দেখান। কিন্তু, দিল্লিতে কংগ্রেসের বিক্ষোভে রাহুল গান্ধীর যোগদান তাতে অন্যমাত্রা এনে দেয়। কংগ্রেস কর্মীরা আরও উজ্জীবিত হয়ে যায়।

    আন্দোলনের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন রাহুল। সিবিআই কর্মকর্তার অপসারণ নিয়ে মোদিকে খোঁচা মেরে তিনি বলেন, ‘চৌকিদার, চোর হ্যায়।

    এদিন কংগ্রেস কর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সিবিআই সদর দফতরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাতে বাধা দেয় পুলিশ৷ পুলিশের ব্যারিকেডের ওপর রাহুলকেও উঠে পড়তে দেখা যায়।

    পরে রাহুল সেখানেই বসে পড়েন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি দেশের সব সংস্থাকে ধ্বংস করার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

  • প্রধানমন্ত্রী১৩০কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়ে পুরস্কৃত করলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ কে

    প্রধানমন্ত্রী১৩০কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়ে পুরস্কৃত করলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ কে

    প্রেস রিলিজ:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা,পুরস্কার হিসেবে মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে ১৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন।

    অদ্য ২৩ শে অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী একনেক সভায় “জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজিত নগর উন্নয়ন” প্রকল্পেটি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে পুরস্কার স্বরুপ অনুমোদন দেন।

    এছাড়াও ওই খাতে অতিরিক্ত পুরস্কার হিসেবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ব্যয় নিজস্ব খাতে প্রায় ১৪ কোটি টাকাও মওকুফ করে সেই টাকা সরকারী (জিওবি) খাত থেকে দেয়ার জন্য অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এতে করে বিসিসির নিজস্ব তহবিল থেকে কোন টাকা ওই প্রকল্পে ব্যয় করতে হবেনা।

    প্রকল্পের মোট টাকার ৯৭ কোটি টাকা জার্মান ডেভোলপমেন্ট ব্যাংক অনুদান হিসেবে প্রদান করবেন এবং বাকি টাকা সরকারী (জিওবি) তহবিল থেকে দেয়ার ঘোষনা দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুমোদিত প্রকল্পটির মধ্যে দিয়ে নগরীর জলাবদ্ধতা অনেকটা নিরসন সম্ভব হবে।

    প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে সাগরদী খালের ৭ কিলোমিটারের বেশি অংশ পূনঃখনন ও তার দুই পাশে আড়াই কিলোমিটার ওয়াক ওয়ে ও বাই সাইকেল লেনস নির্মান। নগরীর পলাশপুর, ভাটিখানা, পোর্টরোড ও বিআইপি কলোনীতে পরিকল্পিত রাস্তা নির্মান সহ প্রায় ৩.৫০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মান ও নগরীর ২২ কিঃমিঃ ড্রেন নির্মান সম্পন্ন হবে।

    এছাড়াও নগরীর বর্জ্য ব্যাবস্থাপনার জন্য অর্থের বরাদ্দ রয়েছে এ প্রকল্পটিতে।

  • জাতীয় ঐক্য ছাড়া স্বৈরাচারী সরকারকে অপসারণ সম্ভব নয়

    জাতীয় ঐক্য ছাড়া স্বৈরাচারী সরকারকে অপসারণ সম্ভব নয়

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, জাতীয় ঐক্য ছাড়া একটি স্বৈরাচারী সরকারকে অপসারণ করা সম্ভবপর নয়। এ ঐক্যের মাধ্যমেই বর্তমান সরকারের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হবে।
    শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
    মওদুদ বলেন, যদি আমাদের দাবি না মেনে তফসিল ঘোষণা করেন, তা হলে বাংলাদেশে প্রতিবাদের ঝড় উঠবে। সেই ঝড়েই ইনশাল্লাহ আমরা আবার একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করার ব্যবস্থা করতে সক্ষম হব।
    আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান বাচ্চুর সভাপতিত্বে সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বক্তব্য রাখেন।

  • একতরফা নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে সরকার

    একতরফা নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে সরকার

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিরোধীদের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে সরকার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো এবারও একতরফা নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে। অন্যান্য দল যাতে নির্বাচনে না আসে, সেই ব্যবস্থা করছে আওয়ামী লীগ।

    শুক্রবার জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঢাকার শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দেওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গত কয়েক বছরে আওয়ামী লীগের লক্ষ্যটা হচ্ছে যে, বিরোধী দলগুলোকে বাইরে রেখে তারা নির্বাচনে যেতে চায়। এ জন্য বাংলাদেশের গণতন্ত্রে যার অবদান সবচেয়ে বেশি, তাকে জেলে নিয়েছে এবং বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারারুদ্ধ করছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান ক্ষমতাসীনরা দেশে পুরোপুরিভাবে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাদের লক্ষ্যই হচ্ছে- একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা। সে লক্ষ্যেই তারা চলছে।

    বিএনপিতে ১/১১-এর সংস্কারপন্থী নেতাদের ফেরানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, যারা দলের বাইরে ও নিষ্ক্রিয় ছিল, তাদের ভূমিকা পালন করার জন্যই সক্রিয় করা হচ্ছে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।

    এ সময় ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন বিএন‌পির যুগ্ম মহাস‌চিব সৈয়দ মোয়া‌জ্জেম হোসেন আলাল, যুবদ‌লের সি‌নিয়র সহসভাপ‌তি মোরজাতুল ক‌রিম বাদরু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন প্রমুখ।

  • ব্যাতিক্রমি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ : যেন নতুন চমকের দূত।

    ব্যাতিক্রমি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ : যেন নতুন চমকের দূত।

    শেখ সুমন :

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নতুন নগর পিতা হিসেবে আজ দুদিন হলো দ্বায়িত্ব নিয়েছেন যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।সিটি নির্বাচনের আগে অনেকেই বলেছিল যে চমক দেখাবে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। হ্যা , যারা বলেছিলেন তারা ঠিক বলেছিলেন। দু দিনেই নতুন নতুন চমক দেখাচ্ছেন নগর পিতা সাদিক আব্দুল্লাহ।

    আজ বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় নগর ভবনে আসার কথা ছিল তার। কিন্তু সকাল গড়িয়ে দুপুর,কোন দেখা নাই নব নির্বাচিত মেয়রের। নগর ভবনের সকলেই মনে করেছিল যে আজ আর আসবেন না তিনি। কিন্তু হঠাত করে ঠিক দুপুর দুটার সময় নগর ভবনের সামনের গেটে মটর সাইকেল নিয়ে হেলমেট মাথায় একটি টি শার্ট আর জিন্স প্যান্ট পরে হাজির একজন। সরাসরি মটর সাইকেল নিয়ে ঢুকতে যান নগর ভবনে। কিন্তু বাধাঁ দেন গেটে দ্বায়িত্বরত কর্মীরা। মটর সাইকেল নিয়ে প্রবেশ করা যাবেনা। কিন্তু যখন হেলমেট খুললেন,অবাক হয়ে তাকালেন কর্মীরা। মুখ দিয়ে কথা বের না করে হাত জাগিয়ে সালাম দিলেন। এক জনে বলেই ফেললেন , এ যে নগর পিতা, নতুন চমকে।

    সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর এই চমকে চমকে গেছে নগর ভবন। সবাই মনে করছে যে,ঠিক মতো কাজ করতে হবে। তা না হলে হঠাত করেই ধরে ফেলবে নগর পিতা।

    দায়িত্ব নিয়ে আসলেই চমকে দিচ্ছেন তিনি। প্রথম দিনেই সকল কাউন্সিলর দের সাথে মিটিং করেছেন তিনি। যেখানে বলেই দিয়েছেন যে , সকল ওয়ার্ডের সমস্যা চিন্হিত করে সমস্যা সমাধানের উপায় বের করে কাজ করতে হবে। তারপর তিনি নগর থেকে সকল ব্যানার ফেস্টুন উঠিয়ে নেওয়ার আল্টিমেটাম দেন। তার মধ্যে হঠাত করে মটর সাইকেল চালিয়ে নগর ভবনে আসলেন। তাও হেলমেট পরে সচেতন উপায়ে।ট্রাফিক আইন মেনে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ।

    এবার নগরবাসী অপেক্ষায় ,নগর পিতার উন্নয়নের চমক দেখতে।

  • সম্মানী ভাতা নেবেন না মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    সম্মানী ভাতা নেবেন না মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    শামীম ইসলাম:

    সিটি কর্পোরেশনের দেনা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত নিজের সম্মানী ভাতা না নেয়ার কথা জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। মঙ্গলবার বিকেলে দায়িত্বভার গ্রহনের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ জানান, সিটি কর্পোরেশনের দেনার পরিমাণ কয়েকশ কোটি টাকা। তাই এগুলো পরিশোধের ব্যাপারে তিনি উদ্যোগ নেবেন। এছাড়া অতীতে সিটি কর্পোরেশনে কোনো দুর্নীতি হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    তিনি আরও জানান, তিনি কোনো পয়সা (পার্সেন্টেজ) নেবেন না, তাই কারও দুর্নীতি সহ্য করবেন না। আইন অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত হবে। সিটি কর্পোরেশনের কোনো কাউন্সিলরকেও ঠিকাদারী কাজ করতে দেয়া হবে না।

    নগরীর ভঙ্গুর রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামো পুনরায় নির্মাণ ও মেরামত, বর্ধিত এলাকার উন্নয়ন এবং নগরীকে মাদকমুক্ত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার কথা বলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    অনুষ্ঠানে বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য তালুকদার মো ইউনুস, বিভাগীয় কমিশনার রামচন্দ্র দাস, ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, পুলিশ কমিশনার মোশারফ হোসেন, জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    পরে নগর ভবন চত্বরে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের জন্য অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

  • ৪০ জন কাউন্সিলর সহ দ্বায়িত্ব নিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    ৪০ জন কাউন্সিলর সহ দ্বায়িত্ব নিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    শেখ সুমন:

    আজ বিকেল ৪ ঘটিকার সময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নগর পিতা হিসেবে ৪০ জন কাউন্সিলর সহ নগর বভনের দ্বায়িত্ব নিলেন নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক অাবদুল্লাহ।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনকে আধুনিক সিটি কর্পোরেশন হিসেবে গড়ে তুলতে এবং বরিশালের বর্ধীত এলাকা গুলোকে আধুনিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নগর পিতা হিসাবে দ্বায়িত্ব নিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    ৪০ জন কাউন্সিলর কে নিজের সাথে রেখে উন্নয়নের মডেল হিসেবে বরিশাল কে সাজাতে চান সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    নিজ দ্বায়িত্ব গ্রহনের সময় উপস্থিত ছিলেন, নব নির্বাচিত ৪০ জন কাউন্সিলর, সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ এবং ধর্মীয় নেতাগন।

  • বরিশাল সিটির উন্নয়নে কোন দুর্নীতি সহ্য করব না,পয়সা নেব না: মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটির উন্নয়নে কোন দুর্নীতি সহ্য করব না,পয়সা নেব না: মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) নবনির্বাচিত মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, নগর ভবনের ৩শ’ কোটি টাকার দেনা কোন বিষয় নয়। প্রধানমন্ত্রী জেনে শুনে আমাকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সু-দৃষ্টি থাকলে ৩শ’ কোটি টাকার দেনা মাথায় নিয়ে দায়িত্বগ্রহণ কোন চ্যালেঞ্জ মনে করছি না। নগর ভবনের দেনা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বেতন-ভাতাও (সম্মানী) নিব না।

    মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে বরিশাল সিটি মেয়রের দায়িত্বগ্রহন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সাদিক আবদুল্লাহ আরও বলেন, কোন পয়সা (পার্সেন্টেজ) নেব না, তাই কারও দুর্নীতি সহ্য করব না। আইন অনুযায়ী সিটি করপোরেশন পরিচালিত হবে। সিটি করপোরেশনের কোন কাউন্সিলরকেও ঠিকাদারী কাজ করতে দেওয়া হবে না।

    নগরীর ভঙ্গুর রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামো পুননির্মান ও মেরামত, বর্ধিত এলাকার উন্নয়ন এবং নগরীকে মাদক মুক্ত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    এছাড়া নগর ভবনের অতীত দুর্নীতি তদন্ত করে সবার জন্য সতর্ক বার্তা দিতে চান তিনি। বরিশালবাসীর প্রত্যাশা পূরণে শেষদিন পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন দেশের সর্বকনিষ্ট এই সিটি মেয়র সাদিক।

    এর আগে বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে নগর ভবনের ফটকে প্রবেশ করেন বরিশাল সিটির ৪র্থ পরিষদের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ও তার নেতৃত্বাধীন পরিষদ। নগর ভবন চত্ত্বরে প্রবেশের পরপরই সাদিক আবদুল্লাহকে ফুল দিয়ে বরণ এবং লাল গালিচা সংবর্ধনা দেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরে তিনি নগর ভবনে মেয়রের কক্ষে বসে উর্ধ্বতন সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতাদের উপস্থিতিতে একটি অফিস ফাইলে সাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বগ্রহণ করেন। এ সময় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    পরে নগর ভবনের সামনে সিটি মেয়র ও কাউন্সিলরদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। বিভাগীয় কমিশনার রাম চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে অভিষেক অনুষ্ঠানে মেয়র সাদিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং তার সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার সঙ্গে নগরভবনের সকল কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলেন।

    ‘বৃক্ষ তোমার নাম কি, ফলে পরিচয়’- এ প্রবাদ বাক্য উচ্চারন করে মেয়র সাদিক বলেন, কর্মের মাধ্যমেই তিনি তার যোগ্যতার প্রমান দেবেন। বরিশাল নগরীর উন্নয়নে মঙ্গলবার একনেকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন জানিয়ে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল নগরীকে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নগরীতে পরিনত করতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ সরকার প্রধানের কাছ থেকে আদায় করে আনার প্রতিশ্রুতি দেন।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস এমপি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হক, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল,সাধারন সম্পাদক একে এম জাহাঙ্গীর,বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রিয় সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন আহম্মেদ বীর বিক্রম, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোশারফ হোসেন, ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক এসএম আজিয়র রহমান, বিশিস্ট আইনজীবী ও সাংবাদিক মানবেন্দ্র বটব্যাল,বাংলাদেশ কৃষকলীগ  কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সেরনিয়াবাত মইন আবদুল্লাহ, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রিয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বাদল, মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সিটি কাউন্সিলর মুরতজা আবেদীন, করপোরেশণের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হোসেন।

    সিটি কাউন্সিলর ও নগর আওয়ামী লীগের যগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী নইমুল ইসলাম লিটুর সঞ্চালানায় অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু সহ বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রগন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র দায়িত্বগ্রহণ এবং অভিষেক অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে নগর ভবনসহ আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মো. নুরুল ইসলাম।

  • খালেদার সাজা বাড়িয়ে যাবজ্জীবন চায় দুদক

    খালেদার সাজা বাড়িয়ে যাবজ্জীবন চায় দুদক

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে যাবজ্জীবন চেয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী। সাজা বাড়ানোর বিষয়ে করা আবেদনের যুক্তিতে এই দাবি তোলেন দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

    তবে বিচারিক আদালতের দেয়া ৫ বছরের সাজা বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। পরে আসামিপক্ষের করা সময় আবেদনের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামীকাল বুধবার দিন ঠিক করেন আদালত।

    মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

    দুদক ও রাষ্ট্র উভয়পক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। তবে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী সময় চেয়ে আবেদন করলে আদালত সময় মঞ্জুর না করলে তারা আদালত থেকে বের হয়ে যান।

    পরে আদালত দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে যুক্তি উপস্থাপন করতে বললে তারা যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। এর আগে মামলার আপিল শুনানির যুক্তিতর্কের জন্য সময় প্রার্থনা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। সে বিষয়ে আদেশের জন্য আগামীকাল বুধবার দিন ঠিক করেন আদালত।

    শুনানি শেষ করার পর দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তিতর্কে দুদকের পক্ষ থেকে আমরা সাজা যাবজ্জীবন চেয়েছি। আইন অনুযায়ী বিচারিক আদালতের ৫ বছর সাজা দেয়া ঠিক হয়নি।

    তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার করা আপিলসহ চারটি আবেদনের ওপর আজকেসহ ২৮ দিনের মতো শুনানি হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ কার্যদিবসে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা অতিরিক্ত সাক্ষ্য দেয়ার জন্য একটা দরখাস্ত নিয়ে এসেছিল।

    দরখাস্ত শুনে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্কের পরে আদেশ দেবেন বলে আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করে রাখেন। আজকে সকালে তাদের আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন আদালতে এসে বললেন, তাদের সেই দরখাস্তের বিষয়ে আদেশ দেয়ার জন্য। কেননা তারা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাবেন। তখন আদালত বললেন, সেটা আপনাদের ব্যাপার। এ সময় তারা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য সময় চান। আদালত সময় আবেদনের বিষয়ে নামঞ্জুর করলে তারা আদালত থেকে বের হয়ে যান।

    অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় নিম্ন আদালত যে সাজা দিয়েছেন তা সঠিকভাবেই দিয়েছেন। ওই সাজা যাতে বহাল থাকে আমি সেই মর্মে আদালতের কাছে প্রার্থনা করেছি। যেহেতু এই রায়ের বিরুদ্ধে সাজা বৃদ্ধি চেয়ে আবেদন করেছে দুদক। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সাজা বৃদ্ধি চেয়ে আবেদন করিনি। সেজন্য সাজা বৃদ্ধির ব্যাপারে কোনো বক্তব্য রাখার সুযোগ আমার ছিল না।

    তিনি বলেন, আমি আমার বক্তব্যে বলেছি, বিদেশ থেকে যে অর্থ এসেছে। সে অর্থটা ইয়াতিমদের জন্য এসেছে। সেখানে লেখা ছিল প্রাইমিনিস্টার অরফানেজ ট্রাস্ট। সেই অর্থটা পরবর্তী সময়ে দুইটা এতিমখানায় দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে একটা হলো বাগেরহাটে জিয়া ম্যামোরিয়াল ট্রাস্ট ও বগুড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে। কাজেই টাকা যে সরকারি টাকা এবং রাষ্ট্রের অর্থ, জনগণের অর্থ এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। তারা নিজেরাই তদন্ত কর্মকর্তাকে সাজেশন দিয়েছে বগুড়ার কার্যক্রম ঠিকমতোই চলছে। কাজেই একই সোর্স থেকে যে টাকা এসেছে। সে টাকা দুই জায়গায় দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারা একটা জায়গার কথা স্বীকার করে অন্য জায়গায় দেয়ার কথা অস্বীকার করতে পারেন না।

    ‘আর এই ধরনের মামলায় যদি প্রসিকিউশন আসামিদের হেফাজতের বিষয়টি প্রমাণ করতে পারেন তাহলে আসামিদের দায়ীত্ব এটা প্রমাণ করা যে তারা আত্মসাৎ করেনি। যেহেতু টাকাটা প্রধানমন্ত্রীর অরফানেজ ফান্ড থেকে তোলা হয়েছে। এবং পরে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টকে দেয়া হয়েছে। সেখান থেকে টাকা উধাও হয়েছে। সুতরাং, এই আত্মসাতের সঙ্গে যারা যারা জড়িত, তাদের প্রত্যেকেই অপরাধী। নিম্ন আদালত সঠিকভাবেই সাজা দিয়েছে। এই কারণে এ সাজা বহাল থাকে সেটি আমি প্রার্থনা করেছি’,- বলেন মাহবুবে আলম।

    গত ৮ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

    রায় ঘোষণার ১১ দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি তারা এ আবেদন করেন। আগামী ৩১ অক্টোবর আপিল নিষ্পত্তির জন্য সময় নির্ধারিত রয়েছে।

    ওই রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

  • সৌদি কনস্যুলেট ভবনেই হত্যা করা হয় খাশোগিকে : এরদোগান

    সৌদি কনস্যুলেট ভবনেই হত্যা করা হয় খাশোগিকে : এরদোগান

    তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগান বলেছেন, সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে পূর্ব পরিকল্পিত ও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিজ দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টির সংসদ সদস্যদের সামনে মঙ্গলবার এ কথা বলেন তিনি।

    এরদোগান বলেন, তুরস্কের কাছে জোরালো প্রমাণ রয়েছে যে, গত ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুল শহরের সৌদি কনস্যুলেট ভবনে অত্যন্ত নির্মাভাবে খাশোগিতে হত্যা করা হয়েছে এবং হত্যার কয়েকদিন আগেই এ নিয়ে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, সন্দেহভাজনদের ১৮ ব্যক্তিকে সৌদি আরবে আটক করা হয়েছে এবং তাদের সবার বিচার তুরস্কের মাটিতে হতে হবে। খাশোগির লাশ কোথায় রাখা হয়েছে এবং কে তাকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন- সৌদি আরবের কাছে তার জবাব দাবি করেন এরদোগান।

    তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে সৌদি আরব থেকে ১৫ জন নাগরিক আলাদা বিমানে করে তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে তুরস্কে এসেছে। হত্যাকাণ্ডের আগে এসব গ্রুপের কয়েকজন সদস্য কনস্যুলেট ভবনের পাশে ‘বেলগ্রেড জঙ্গল’ পরিদর্শন করে। এছাড়া, কনস্যুলেট ভবনের সিসি ক্যামেরা বন্ধ করা হয়েছিল।

    শুধু তাই নয়- খাশোগির চেহারার মতো এক ব্যক্তিকে খাশোগি সাজিয়ে কনস্যুলেট ভবন ত্যাগের দৃশ্য রেকর্ড করেছেন সৌদি কর্মকর্তারা। পরবর্তীতে সৌদি কর্মকর্তারা ওই ব্যক্তিকে খাশোগি বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন।

    এরদোগান বলেন, সৌদি আরব থেকে আসা ১৫ ব্যক্তি ও সৌদি কনস্যুলেটের তিন কর্মকর্তাকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনি সন্দেহভাজন মনে করেন।