Category: রাজণীতি

  • উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য ভোট চাইলেন বঙ্গবন্ধুর ভাতুষ্পুত্র

    উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য ভোট চাইলেন বঙ্গবন্ধুর ভাতুষ্পুত্র

    এ.আই অহিদ (খুলনা জেলা):

    বাগেরহটের চিতলমারির বড়বািড়িয়ার নির্বাচনী জনসভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষ্পুত্র বাগেরহাট ০১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, সরকারের উন্নয়নের চিত্র সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের এই সমৃদ্ধি ও উন্নয়নকে ধরে রাখতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থাকলে দেশ এগিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তিনি বলেন,বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের উজ্জল দৃষ্টান্ত। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে আগামী নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে। এ জন্য এখন থেকে পরীক্ষিত আওয়ামীবান্ধব কর্মীদের বাছাই করে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে হবে।

    গতকাল শুক্রবার বিকাল সাড়ে ০৪ টায় চিতলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বড়বাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এক বিরাট জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের পেয়ারী পাকিস্তানিরা থেমে নেই। তারা প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। সামনে নির্বাচন, ষড়যন্ত্রকারিদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার জন্য সজাগ থাকতে হবে। শেখ হেলাল বলেন, সব ধরনের যড়যন্ত্র মোকাবেলা করে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। এলাকাকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে। প্রয়োজনে আমি নিজে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা করাবো, তবুও চিতলমারীকে মাদক মুক্ত করে ছাড়ব ইনশা আল্লাহ ।

    বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য এস.এম কামাল বলেন ‘ বিএনপি মানে জঙ্গিবাদ, দূর্নীতি, পাকিস্তানের দোসর’ এদের দ্ধারা কখনও উন্নয়ন সম্ভব নয়, বিএনপি -জামাত পরিহার করুন। উন্নয়ন সমৃদ্ধির জন্য নৈাকা মার্কায় ভোট দিন। চিতলমারি উপজেলা চেয়ারম্যান মোল্লা মুজিবর রহমান শামীম বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন ‘ শেখ হেলাল চিতলমারি তথা বাগেরহাট ০১ আসনের মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করেন। তাই আসুন সকল প্রতিকূলতাকে ভুলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মানে উন্নয়নের প্রতিক নৈাকা মার্কায় ভোট দিয়ে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখি।

    চিতলমারী উপজেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো: বাবুল হোসেন খানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক পিযুষ কান্তি রায়ের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আ’লীগ সভাপতি ডা: মোজাম্মেল হোসেন এমপি, জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ কামরুজ্জামান টুকু, আ’লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এসএম কামাল হোসেন, বঙ্গবন্ধু পরিবারের তরুণ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়, এ্যাডঃ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, জেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি অশোক কুমার বড়াল, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ রাশেদ পুকুল, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুন্সি শাহিদুজ্জামান, জেলা পরিসদ সদস্য মোহন আলী বিশ্বাস, আ’লীগ নেতা এমএ খসরু আহম্মেদ উকিল, আ’লীগ সাবেক উপ দপ্তর সম্পাদক অহিদুর রহমান খান, শ্রমিক লীগ সভাপতি শেখ আতিয়ার রহমান, যুবলীগ আহবায়ক নজরুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মাহাতুজ্জামান, বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, কলাতলা ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি বাদশা শেখ, আ’লীগ নেতা এ্যাডঃ জহিরুল জহিরুল ইসলাম পলাশ, ছাত্র লীগ সভাপতি আনন্দ লাল দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম রিয়াদ মুন্সি। টুঙ্গী পাড়া পৌর মেয়র শেখ আহম্মেদ হোসেন মির্জা, বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব সাইদুর রহমান, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোলাইমান বিশ্বাস, বড়বাড়িয়া ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ সরদার, সাবেক চেয়ারম্যান অহিদুজ্জামান পানু এছাড়াও উপস্তিত ছিলেন সন্তোষপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিউটি আক্তার।

  • হাসানাত আবদুল্লাহকে শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র ও কাউন্সিলর বৃন্দ

    হাসানাত আবদুল্লাহকে শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র ও কাউন্সিলর বৃন্দ

    শেখ সুমন :

    সাবেক চীফহুইপ, স্থানীয় সরকার সমবায় মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান,পার্বত্যশান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক(মন্ত্রী) আলহাজ্জ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (এমপি)কে আজ ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের  মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সহ সকল কাউন্সিলর বৃন্দ।

    এসময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের  উন্নয়নের জন্য আলহাজ্জ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (এমপি)র কাছে পরামর্শ ও উপদেশ চান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

  • দুই জনকে সালাম করে আপনাদের কাছে এসেছি : সেলিম ওসমান

    দুই জনকে সালাম করে আপনাদের কাছে এসেছি : সেলিম ওসমান

    নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বরেছেন, ওসমান পরিবার অভিভাবক মেনে চলে। মান্যতা ভদ্রতা আমাদের বংশীয় শিক্ষা। আপনাদের সমাবেশে আসার আগে দুই জন মানুষকে সালাম করে জানতে চেয়েছি আমি কি যাবো? আমি কি নির্বাচনে নামবো?

    শুক্রবার জেলা শহরের বন্দর উপজেলার  ময়মনসিংহ পট্টিতে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এসব  কথা বলেন ।

    সেলিম ওসমান বলেন, সেই দুই জনের একজনকে আমি মা বলে ডাকি। আমি তাকে সালাম করে বললাম, আমি কী নির্বাচনে যাবো? তিনি আমাকে বুকের কাছে টেনে নিয়ে কপালে চুমু খেয়ে বললেন, তোমাকে আরও আগে কেন পেলাম না? তুমি অবশ্যই যাবে। আরও অনেক দূর তোমাকে যেতে হবে।

    সেলিম ওসমান বলেন, আমি আমার পার্টির চেয়ারম্যানকে সালাম করে জানতে চেয়েছি, আমি কী নির্বাচনে যাবো? তিনি আমাকে বললেন, তোমাকে নির্বাচন করতে হবে। নারায়ণগঞ্জ মানেই  ওসমান পার্টি, ওসমান লীগ।

    ওই সময় সমাবেশে উপস্থিত নেতা কর্মী ও সাধারন মানুষ সেলিম ওসমাকে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে স্লোগান তোলেন। এর আগে পর পর দুটি সভায় সেলিম ওসমানেক নারায়ণগঞ্জ শহর ও বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ, মেম্বারগণ ও  সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরগণসহ জাতীয় পার্টি ও আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য জোর সমর্থন করেন।

  • ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে চাই’

    ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে চাই’

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে চাই, যাতে জনগণ তাদের নেতৃত্ব খুঁজে নিতে পারে। জনগণ কিভাবে সেই নেতৃত্ব খুঁজে নিতে পারে সেটাই আমাদের লক্ষ্য। গণতান্ত্রিক ধারা বজায় থাকলে দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে, আমরা সেই সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় যুক্তফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আজ সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের সংলাপ শুরু হয়।

    বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে আছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান, প্রেসিডিয়াম সদস্য শমসের মবিন চৌধুরী, গোলাম সারোয়ার মিলন, আবদুর রউফ মান্নান, ইঞ্জিনিয়ার মুহম্মদ ইউসুফ, সহ-সভাপতি মাহমুদা চৌধুরী, মাহবুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, নির্বাহী সদস্য সাবেক এমপি মাজহারুল হক শাহ চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পাটির (বিএলডিপি) সভাপতি নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ন্যাপের সভাপতি জেবেল রহমান গানি, মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, জাতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শেখ আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ জনদলের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান জয় চৌধুরী, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ইউনাইটেড মাইনরিটি ফ্রন্টের চেয়ারম্যান দীলিপ কুমার দাস, লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হামদুল্লাহ আল মেহেদী, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান (এনডিপি) খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তুজা ও এনডিপির মহাসচিব মনজুর হোসেইন ঈসা।

  • যে কারণে সংলাপে নেই মাহী বি. চৌধুরী

    যে কারণে সংলাপে নেই মাহী বি. চৌধুরী

    বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলে মাহী বি. চৌধুরী সংলাপে অংশ নেননি।

    সংলাপে অংশ নিতে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জোট নেতা ও বিকল্পধারার চেয়ারম্যান ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টের ২১ সদস্যের প্রতিনিধিদল গণভবনে প্রবেশ করেন। তখন মাহী বি. চৌধুরীকে দেখা যায়নি।

    এ বিষয়ে বিকল্পধারার চেয়ারম্যান ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর প্রেসসচিব জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে জানান, ‘মাহী বি. চৌধুরী ব্যক্তিগত কাজে আমেরিকায় রয়েছেন। এ জন্য তিনি সংলাপে উপস্থিত থাকতে পারেননি।’

    বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে আছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান, প্রেসিডিয়াম সদস্য শমসের মবিন চৌধুরী, গোলাম সারোয়ার মিলন, আবদুর রউফ মান্নান, ইঞ্জিনিয়ার মুহম্মদ ইউসুফ, সহ-সভাপতি মাহমুদা চৌধুরী, মাহবুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, নির্বাহী সদস্য সাবেক এমপি মাজহারুল হক শাহ চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পাটির (বিএলডিপি) সভাপতি নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ন্যাপের সভাপতি জেবেল রহমান গানি, মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, জাতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শেখ আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ জনদলের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান জয় চৌধুরী, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ইউনাইটেড মাইনরিটি ফ্রন্টের চেয়ারম্যান দীলিপ কুমার দাস, লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হামদুল্লাহ আল মেহেদী, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান (এনডিপি) খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তুজা ও এনডিপির মহাসচিব মনজুর হোসেইন ঈসা।

  • সংলাপে যে ৭ দাবি তুলে ধরেছে যুক্তফ্রন্ট

    সংলাপে যে ৭ দাবি তুলে ধরেছে যুক্তফ্রন্ট

    আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে বসেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে পৌঁছার পর সংলাপ শুরু হয়।

    সংলাপের শুরুতেই যুক্তফ্রন্টের ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

    যুক্তফ্রন্টের দাবিগুলো হচ্ছে-
    ১. নির্বাচনে প্রার্থীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অর্থাৎ সবার জন্য সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। সংসদ ভেঙে দিতে হবে, সম্ভব না হলে নিষ্ক্রিয় করতে হবে। এজন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

    ২. নির্বাচনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কর্মচারীদের নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন্যস্ত করতে হবে। নির্বাচন কমিশন শতভাগ রাষ্ট্রপতির অধীনস্থ করতে হবে। তফসিল ঘোষণার পর এমপিরা সংশ্লিষ্ট এলাকায় কোনও প্রকল্প উদ্বোধন বা প্রতিশ্রুতি যাতে না দিতে পারেন সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনীয় আইন করে মন্ত্রী ও এমপিদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাহার করতে হবে। সরকারি দলের প্রার্থীদের বিল বোর্ড, ব্যানার, পোস্টার অপসারণ করতে হবে।

    ৩. নির্বাচনকালীন সরকার চাই। জাতীয় সরকার গঠন, প্রয়োজনে এক দিনের জন্য সংসদ ডেকে জাতীয় সরকার গঠন করা যেতে পারে। অথবা মন্ত্রিপরিষদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বা জোট থেকে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েও একটি সন্তোষজনক নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা যেতে পারে। নির্বাচনে সকল প্রকার নিরপেক্ষতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার অথবা বর্তমান সরকারের নির্বাচন বিষয়ে সম্পূর্ণ ক্ষমতা সীমিত করতে হবে।

    ৪. আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী আমাদের জন্য গর্বের। তারা বিভিন্ন দেশে নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধ ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ সুনামের সঙ্গে করে আসছে। সুতরাং নির্বাচনের আগে ও পরে যাতে শান্তি-শৃঙ্খলার বিঘ্ন না ঘটে-সেহেতু আমাদের প্রস্তাব-

    ক) সেনাবাহিনীকে নির্বাচনের দুই সপ্তাহ আগে এবং নির্বাচনের দুই সপ্তাহ পর পর্যন্ত মোতায়েন করতে হবে। খ) নির্বাচনের দিন সেনাবাহিনীকে সীমিত ক্ষমতা দিতে হবে যেমন, আটক রাখার ক্ষমতা ও তাদের ভোট কেন্দ্রে থাকতে দিতে হবে। যাতে করে ভোটের দিন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না হয় এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন।

    ৫. ইভিএম: আধুনিক এবং বিজ্ঞানমনস্ক নির্বাচনে আমাদের অনেক আগ্রহ আছে, কিন্তু ইভিএম সম্পর্কিত যেসব প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা অর্জন প্রয়োজন তা আমাদের নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যথেষ্ট নেই। সেজন্য এই নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার সঠিক হবে না বলে আমরা মনে করি।

    ৬. নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক কারণে আটক বন্দিদের মুক্তি দিতে হবে।

    ৭. নির্বাচন সম্পর্কিত মামলা নির্বাচনের পর এক মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন অতি সত্বর প্রণয়ন করতে হবে।

  • সচিব ও সমপর্যায়ের সাত পদে পরিবর্তন

    সচিব ও সমপর্যায়ের সাত পদে পরিবর্তন

    সচিব ও সমপর্যায়ের সাত পদে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। রদবদলের মাধ্যমে এই পরিবর্তন আনা হলো। এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    এর মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব জাফর আহমেদ খানকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব করা হয়েছে। আর স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব করা হয়েছে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এস এম গোলাম ফারুককে। গোলাম ফারুকের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক কামাল উদ্দিন তালুকদার।

    বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক আসাদুল ইসলামকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব এবং পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব করা হয়েছে।

    এ ছাড়া গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কাশেমকে জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত সচিব পদমর্যাদা) এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সত্যব্রত সাহাকে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত সচিব পদমর্যাদা) করা হয়েছে।

    এর আগে গত মঙ্গলবার সচিব ও সমপর্যায়ে জনপ্রশাসনের চার পদে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছিল।

  • সংলাপে যোগ দেননি গয়েশ্বর

    সংলাপে যোগ দেননি গয়েশ্বর

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপে অংশ নেননি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। সংলাপের জন্য ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় যে পাঁচজনের নামের তালিকা দেওয়া হয়, তাতে গয়েশ্বরের নাম ছিল। সব মিলিয়ে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে ২১ নেতা সংলাপে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।

    গয়েশ্বর চন্দ্র কেন সংলাপে যোগ দেননি, তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব হয়নি। সন্ধ্যা সাতটায় গণভবনে শুরু হওয়া সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের ২০ জন নেতা অংশ নেন। এই সংলাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোটের ২৩ নেতা অংশ নিচ্ছেন।

    এদিকে সন্ধ্যা সাতটায় সংলাপস্থলে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর প্রবেশের পরপরই ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ শুরু হয়।

    গত মঙ্গলবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে সংলাপে অংশ নিতে প্রথম ১৬ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। পরে সংলাপের দিন আজ বৃহস্পতিবার নতুন করে ৫ সদস্যের নাম প্রকাশ করে ঐক্যফ্রন্ট। নতুন তালিকায় গয়েশ্বর ছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান, গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার আফ্রিক ও গণফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ও ম শফিক উল্লাহের নাম ছিল। সংলাপে অন্য চারজন অংশ নিয়েছেন।

  • সংবিধানের মধ্যে থেকেই সংবিধান সংশোধন সম্ভব

    সংবিধানের মধ্যে থেকেই সংবিধান সংশোধন সম্ভব

    সরকারি দলের সঙ্গে বিরোধী দলগুলোর সংলাপে অসাংবিধানিক বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই। বরং সংবিধানের মধ্যে থেকে সংবিধান সংশোধন করে নির্বাচনের উপযোগী সরকার গঠন করা সম্ভব বলে মনে করে গণসংহতি আন্দোলন।

    আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর হাতিরপুলের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে এ দাবি করা হয়েছে। এতে জানানো হয়, সরকারি দলের পক্ষ থেকে গণসংহতিকে সংলাপে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিষয়টি তারা সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে গণসংহতির প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, সংলাপের আলোচনার বিষয়বস্তু সংবিধানের মধ্যেই থাকতে হবে। তাদের এই বক্তব্যের অর্থ আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। আমরা চাই অর্থবহ ও কার্যকর সংলাপ এবং সেটা সংবিধানের মধ্যে থেকে করা সম্ভব। সংবিধানের মধ্যে থেকে সংবিধান সংশোধন করা সম্ভব এবং নির্বাচনের আগে সেই সুযোগ আছে।

    জোনায়েদ সাকি বলেন, বর্তমানে যে ক্ষমতাকাঠামো, তা স্বৈরতান্ত্রিক। এই কাঠামোতে নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব নয়। গণসংহতি চায়, নির্বাচন নিরপেক্ষ রাজনৈতিক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। আর সেটা করতে হলে নির্বাচনব্যবস্থায় সংস্কার আনতে হবে। সংসদ ও মন্ত্রিসভা ভেঙে দিতে হবে।

    অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য পড়েন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ। এতে বলা হয়েছে, সব দলের দাবি উপেক্ষা করে সরকার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার ব্যাপারে অনড়। কিন্তু মানুষ মনে করে, ইভিএম প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভোট ডাকাতি হবে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন, সংসদ ও মন্ত্রিসভা টিকিয়ে রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব নয়। সরকার এই নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। ভবিষ্যতে যাতে কেউ এভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে না পারে, এ জন্য সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতার একচ্ছত্র অধিকারী হবেন না।

    সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান, পরিষদের সদস্য তাসলিমা আখতার, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া প্রমুখ।

  • সমাধান খুঁজতে বসেছেন দুই জোটের ৪৪ নেতা

    সমাধান খুঁজতে বসেছেন দুই জোটের ৪৪ নেতা

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোটের ২৩ নেতার সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২১ নেতা। সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড. কামাল হোসেন। তাঁর সঙ্গে আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সন্ধ্যা ৭টায় এই সংলাপ শুরু হয়।

    এর আগে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসা থেকে ঐক্যফ্রন্টের ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দল গণভবনের উদ্দেশে রওনা করেন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চলমান বিরোধের কারণে এই সংলাপের দিকেই আজ তাকিয়ে রয়েছে দেশের মানুষ। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে যে অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থাহীনতা তা সংলাপের মাধ্যমে নিরসন হবে।

    ঐক্যফ্রন্ট প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে বসার আগ্রহের কথা জানিয়ে চিঠি দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তাদের নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানান। সেই আমন্ত্রণে ঐক্যফ্রন্ট গণভবনে সংলাপে গেলেও নৈশভোজে অংশ নেবে না বলে জানিয়েছে।

    গণফোরাম, বিএনপি, জাসদ (জেএসডি) ও নাগরিক ঐক্য নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়। গঠনের পরই ৭ দফা দাবি মানতে আন্দোলনে নামে তারা। তবে সংলাপের কারণে সেই আন্দোলনে কিছুটা ভাটা পড়েছে। ইতিমধ্যে ঐক্যফ্রন্ট সিলেট ও চট্টগ্রামে সমাবেশ করেছে। কাল তাদের ঢাকায় সমাবেশ করার কথা আছে। এ ছাড়া ৬ নভেম্বর রাজশাহীতে সমাবেশ করার কথা রয়েছে।গণভবনে ঢুকছেন ১৪ দলের সমন্বয়ক মো. নাসিম। দীপু মালাকারঐক্যফ্রন্টের নেতারা বলছেন ৭ দফার ভিত্তিতে সংলাপ হবে। ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি হলো:

    ১. অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারের পদত্যাগ, জাতীয় সংসদ বাতিল, আলোচনা করে নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দীর মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।
    ২. নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন ও নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার নিশ্চয়তা দেওয়া।
    ৩. বাক্, ব্যক্তি, সংবাদপত্র, টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
    ৪. কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন, সামাজিক গণমাধ্যমে মতপ্রকাশের অভিযোগে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি দিতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা।
    ৫. নির্বাচনের ১০ দিন আগে থেকে নির্বাচনের পর সরকার গঠন পর্যন্ত বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া।
    ৬. নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা নিশ্চিত এবং সম্পূর্ণ নির্বাচনপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে তাঁদের ওপর কোনো ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ না করা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ না করা।
    ৭. তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত চলমান সব রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রাখা এবং নতুন কোনো মামলা না দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া।বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দীপু মালাকারসংলাপে যাঁরা থাকছেন:

    ঐক্যফ্রন্ট গণভবনে যাওয়ার জন্য ১৬ জন নেতার নাম জানান। পরে আজ এই জোট নতুন করে পাঁচ সদস্যের নামের তালিকা আওয়ামী লীগের কাছে পাঠায়। গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মহসীন মন্টু স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সংলাপের জন্য সর্বমোট ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দলের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    নতুন অন্তর্ভুক্ত হওয়া সদস্যরা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার আফ্রিক ও গণফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ও ম শফিক উল্লাহ। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপের সময় নির্ধারিত রয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিনিধি দলের নতুন এই পাঁচ সদস্যের তালিকার বিষয়টি মোস্তাফা মোহসীন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপকে জানিয়েছেন।

    এর আগে সংলাপে অংশ নিতে গত মঙ্গলবার ১৬ জনের প্রতিনিধি দলের নাম ঘোষণা করেছিল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ওই ১৬ জন হলেন, গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মহসীন মন্টু, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, সহসভাপতি তানিয়া রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, এস এম আকরাম, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আ ব ম মোস্তফা আমিন, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

    অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই সংলাপে ১৪ দলীয় জোট থেকে ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল যোগ দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া অন্যরা হলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, মো. আবদুর রাজ্জাক, কাজী জাফর উল্যাহ, আবদুল মতিন খসরু, রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি, আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও জাসদের একাংশের সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল।গণভবনে ঢুকছেন আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু। ছবি: দীপু মালাকারএ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিকল্পধারা ও জাতীয় পার্টির নেতারা ২ ও ৫ নভেম্বর গণভবনে সংলাপে বসবেন। সব দলের সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাম দলগুলোকে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও বাম দলগুলো তাদের সিদ্ধান্ত পরে জানাবে বলে জানায়।