Category: রাজণীতি

  • জাতির মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    জাতির মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্বের অমূল্য দলিল হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে ইতিহাসকে কখনো মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করলেও তা মুছে ফেলা যায় না।

    মুছে ফেলতে পারে নাই কেউ। আজকে সেটাই প্রমাণিত হয়েছে। তিনি জাতির মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে সকলকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান।

    তিনি আজ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইউনেস্কো কতৃর্ক জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণকে ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি রেজিষ্টারে অন্তর্ভুক্ত করা উপলক্ষ্যে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।

    প্রায় ৪৬ বছর আগে এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দাঁড়িয়েই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সমগ্র বাঙালি জাতিকে বাঙালি জাতিস্বত্তার মূলমন্ত্রে আবদ্ধ করার এবং স্বাধীনতার আহ্বান হিসেবে স্বীকৃত তাঁর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি শুধু স্বীকৃতিই নয়, প্রতিশোধও বটে। ইতিহাসও প্রতিশোধ নেয়, ইতিহাসও সত্যকে তুলে ধরে। যতই তা মুছতে চেষ্টা করা হোক ইতিহাস তার সত্যিকারের অবস্থানটা অবশ্যই তুলে ধরবে। আজকে সেই স্বীকৃতিই বাংলাদেশ পেয়েছে।

    তিনি বলেন, এই স্বীকৃতির মধ্যদিয়ে শুধু এই ভাষণ নয়, সমগ্র বাংলাদেশ, বাঙালি জাতি, সকল শহীদ, সকল মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি সকলেই আজকে বিশ্বদরবারে সন্মানিত হয়েছে।

    সরকার প্রধান বলেন, আমার মাঝে মাঝে মনে হয় যারা একদিন এই ভাষণ বাজাতে বাধা প্রদান করেছে, যারা জাতির পিতার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে, আজকে যখন ইউনেস্কো এই ভাষণকে তাঁর ঐতিহাসিক দলিলে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাদের কি এখন লজ্জা হয় না। তাদের কি এখন এতটুকুও দ্বিধা হয় না।

    ‘ওয়াল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কোর এই সন্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে আয়োজিত নাগরিক সন্মাণনায় দেশ বরেন্য ব্যাক্তিবর্গসহ লাখো জনতার উপস্থিতিতে এদিনের অনুষ্ঠানস্থল ও তাঁর চারপাশ পূর্ণ হয়ে ওঠে।

    উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭মার্চের ভাষণকে তাদের ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি রেজিষ্টারে অন্তভ’ক্ত করে।

    এমিরেটাস অধ্যাপক আসিনুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, বিজ্ঞানী ও লেখক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ও প্রধান বিয়েট্রিস খলদুন।

    বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে জাসদ সভাপতি এবং তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম, এবং ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা, বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং নের্তৃস্থানীয় শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ নাগরিক সমাবেশে অংশ নেন।

    বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে সমাবেশের স্বতস্ফুর্ত জনসমুদ্রের দিকে ইঙ্গিত করে সূর্যালোকিত আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতদিন মেঘে ছেয়ে ছিল আজকে আবার সূর্য নতুনভাবে দেখা দিয়েছে, কাজে এই সূর্যই এগিয়ে নিয়ে যাবে বাংলাদেশকে।

  • ‘মানুষ দুই দলের উপর আস্থা হারিয়েছে’ – রুহুল আমিন

    ‘মানুষ দুই দলের উপর আস্থা হারিয়েছে’ – রুহুল আমিন

    জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, এরশাদের নেতৃত্বে নয় বছরের শাসনে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। মানুষ আজ সুখে নেই, দুই দলের (বিএনপি-আওয়ামী লীগ) উপর আস্থা হারিয়েছে।

    জাতীয় পার্টিকে মানুষ ক্ষমতায় দেখতে চায়, দু’দলকে আর চায় না।  আগামী নির্বাচন সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হলে জাতীয় পার্টি আশি ভাগ (৮০%) ভোট পাবে।  আজ নোয়াখালীর মাইজদী ধানসিঁড়িতে জেলা জাতীয় পাটির মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে হট্টগোল ও দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি স্লোগান আর উত্তেজনার মধ্য দিয়েই জেলা জাতীয় পাটির এ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।   এ ব্যাপারে সুধারাম থানার এস আই ইকবাল হোসেন জানান, দলীয় গ্রুপিং-এর কারণে উত্তেজনা ও বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

    এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার আরো বলেন, আপনারা দলাদলি করবেন না। নোয়াখালীতে আমরা জাতীয় পার্টিকে দলের সবার সাথে বসে সুসংগঠিত করব।   জাতীয় পার্টির নোয়াখালী জেলা কমিটির আহব্বায়ক ও কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান দিদারুল আলম দিদার, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক হোসেন আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা রিন্টু আনোয়ার, ইয়াহিয়া চৌধুরী এমপি, আমির হোসেন এমপি, পীর মেজবাহ এমপি, হাসান মঞ্জুর, ইফতেখার হাসান, জেলার বোরহান উদ্দিন মিঠু, ও জেলা যুগ্ম আহবায়ক অহিদ উদ্দিন মুকুল ও জাতীয় আইনজীবি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

  • ‘তরুণরাই বিশ্ব জয় করবে’-পলক

    ‘তরুণরাই বিশ্ব জয় করবে’-পলক

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত এদেশের তরুণরাই বিশ্ব জয় করবে। এই লক্ষ্যে তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলার  জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ ও প্রশিক্ষণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

    নাটোরের সিংড়াসহ দেশের ২৮টি জেলায় আইসিটি পার্ক নির্মাণ করছে সরকার।   আজ সিংড়া গোল-ই-আফরোজ সরকারি কলেজে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব উদ্বোধনকালে প্রতিমন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। আইসিটি বিভাগ এবং এলআইসিটি প্রকল্পের উদ্যোগে এই ল্যাব তৈরি করা হয়।

    http://bangla.earthtimes24.com

    প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশ বিশ্বের মডেল হতে যাচ্ছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তথ্য প্রযুক্তির রুপকার সজীব ওয়াজেদ জয়ের অনন্য অবদানের কারণেই এই অর্জন সম্ভব হচ্ছে। এই  লক্ষ্যে পৌঁছতে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন করে তার বাস্তবায়ন কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। পলক বলেন, উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক বাংলাদেশ অনেক আগেই জাতি উপহার পেত যদি ৭৫ এর ১৫ আগষ্টে ঘাতকের জন্ম না হতো। বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা আজ বাস্তবায়নের পথে। সকল বাধা বিপত্তি,জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে  সরকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।

    জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধ পরিকর। তিনি সবাইকে সরকারের প্রতি আস্থা রেখে আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দেয়ার জন্য আহবান জানান।

    প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ৩৭ বছরের পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে শেথ হাসিনার যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বে। সেদিন বেশি দূরে নয় বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের কাতারে পৌঁছে যাবে।
    সিংড়া গোল-ই-আফরোজ সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আতিকুর রহমান কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। পরে প্রতিমন্ত্রী কলেজ চত্বরে চলনবিল এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পাঁচ হাজার কৃষকের মাঝে বীজ বিতরণ করেন।

  • ‘শনিবারের নাগরিক সমাবেশ রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি সমাবেশ নয়’

    ‘শনিবারের নাগরিক সমাবেশ রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি সমাবেশ নয়’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামীকালের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের নাগরিক সমাবেশ কোন পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক সমাবেশ নয়। এ সমাবেশ সবার বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা স্বাধীনতার অস্তিত্বে বিশ্বাস করে, বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে, তারাই এ সমাবেশে উপস্থিত হবেন।
    আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক কমিটির সমাবেশস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।
    ওবায়দুল কাদের বলেন, নাগরিক সমাবেশ বিএনপির সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধরনের কোন সমাবেশ নয়। আর আওয়ামী লীগ বিএনপির সঙ্গে পাল্টাপাল্টি কোন ধরনের কর্মসূচি পালন করে না। বিএনপির ১২ নভেম্বরের সমাবেশের অনেক আগেই এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপিই আওয়ামী লীগের নাগরিক সমাবেশকে ফলো করে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করেছে।
    বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে শনিবার বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ দেওয়ার স্মৃতি বিজড়িত স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুপুর আড়াইটায় এক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
    নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার

    ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার

    বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টুকে গ্রেফতার করেছে পল্টন থানা পুলিশ। আজ শুক্রবার বেলা ১২টার দিবে প্রেসক্লাব এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএনপির নির্বাহী কমিটির এক সদস্য বলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দিয়ে বের হয়ে আসলে আকরামুল হাসানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হক বলেন, মতিঝিল থানার একটি মামলায় তার নামে আদালত থেকে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট বের হয়। সে কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে মতিঝিল থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হবে।

  • গণভবনে বিমান নিয়ে হামলার ছক ছিল

    গণভবনে বিমান নিয়ে হামলার ছক ছিল

    ‘প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে কোনোভাবে বিমান ক্র্যাশ করানো যায় কিনা, সে বিষয়ে আব্দুল্লাহর সঙ্গে পরিকল্পনা হয়েছিল। এই পরিকল্পনার বিষয়টি বিমানের ফার্স্ট অফিসার শাহরান আলী, ক্যাপ্টেন (অব.) আতাউল কাইয়ুম ও ক্যাপ্টেন নওশাদের সঙ্গে কথাও হয়েছিল।’ এমনই ভয়ঙ্কর জবানবন্দি দিয়েছেন র্যাবের হাতে গ্রেফতার বিমানের ফার্স্ট অফিসার পাইলট সাব্বির এমাম।

    তিনি জবানবন্দিতে বলেন, বিমান দিয়ে কোনো স্থাপনায় আঘাত হানতে হলে তা অবতরণের সময় সম্ভব।  কোনোক্রমে টেক অফের সময় সম্ভব নয়। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে টেক অফ করে তাত্ক্ষণিকভাবে ঢাকার কোনো স্থাপনায় আক্রমণ করা সম্ভব নয়। চট্টগ্রাম, সিলেট বা রাজশাহী থেকে বিমান এনে ঢাকার কোনো স্থাপনায় অবতরণকালে আঘাত হানা সম্ভব। স্থাপনা উচ্চতা উপপাদ্য অনুযায়ী হিসাব করে স্থাপনায় আঘাত করা সম্ভব।

    গত ২৬ অক্টোবর মিরপুরের বর্ধনবাড়ির কমলপ্রভা বাড়ি থেকে পাইলট সাব্বির এমামকে র্যাব গ্রেফতার করে। এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর কমলপ্রভা বাড়িতে জঙ্গি বিরোধী অভিযানে আত্মঘাতি হামলায় জঙ্গি আব্দুল্লাহ, তার দুই স্ত্রী ফাতেমা ও নাসরিন, দুই সন্তান ওমর ও ওসামা এবং দুই সহযোগী নিহত হয়।

    গত ৮ নভেম্বর ঢাকার মহানগর হাকিম মো: সারাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে পাইলট সাব্বির এমাম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে পারিবারিক অশান্তির কারণে তিনি মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন বলে উল্লেখ করা হয়। সেখান থেকে পরিত্রাণ পেতে জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) আব্দুল্লাহর মাধ্যমে নব্য জেএমবি’র বায়াত গ্রহণ করেন।

    তিনি বলেন, ২০১২ সালে বিয়ে করার পর বাবা-মায়ের সাথে পারিবারিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ২০১৩ সালে বর্ধনবাড়ির কমলপ্রভা বাড়ি ছেড়ে বাবার কেনা কল্যাণপুরস্থ কেয়ারী বুরুজ অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে ওঠেন। বাবার সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি ওই ফ্ল্যাট ছেড়ে মোহাম্মদীয়া হাউজিংয়ের ফ্ল্যাট ভাড়া করেন। মানসিক হতাশাগ্রস্তের কারণে সেখানকার মসজিদে যাতায়াত করেন। পরে তাবলীগ নামাজে যুক্ত হন। ২০১৪ সালে কোরবানি ঈদের কয়েকদিন আগে বাবার কমলপ্রভা বাড়িতে যান। ওই বাড়ির তিন তলায় আব্দুল্লাহ সপরিবারে থাকতেন। বাড়ির নিচতলায় আব্দুল্লাহর মালিকানাধীন আইপিএস ও স্ট্যাবিলাইজার তৈরির কারখানা। দোতলায় কবুতর ফার্ম। আব্দুল্লাহ তার বাবা-মা ও তাকে জিহাদ সম্পর্কে হাদিসের বয়ান দিতেন। দেশের শাসন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা ও সংবিধান নিয়েও কথা বলতেন।

    জবানবন্দিতে সাব্বির বলেন, আব্দুল্লাহ দেশের সংবিধান আল্লাহর আইন ও শরীয়ত পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেন। এ জন্য এদেশের বিচার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিতে হবে। যারা ইসলাম বিরোধী কথা বলে, তাদের কোনো বিচার হয় না। রণবী, আব্দুল গাফফার চৌধুরী, মুহাম্মদ জাফর ইকবালসহ অনেকেই ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তি করেন। এদের কোনো বিচার হয় না বলে, ২/৩ জন বড় বিচারককে মেরে ফেলতে হবে। তাহলে বিচার করার সাহসিকতা বিচারকরা হারিয়ে ফেলবেন।

    পাইলট সাব্বির ইন্টারনেট থেকে ১০ খণ্ড বোখারী শরীফ ডাউনলোড করেন। ফাজায়েল আমল, হাদিস সংকলন ও লন্ডন থেকে বাংলায় অনূদিত কোরআন শরীফ তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে কেনেন। এসব পড়াশুনা করে তিনি বুঝতে পারেন, যেখানে ইসলাম অবনমিত হবে সেখানে ইসলামের পতাকা উত্তোলনের জন্য জিহাদ করতে হবে।

    জবানবন্দিতে বলা হয়, আব্দুল্লাহ তাকে বারবার সিরিয়ায় যাওয়ার কথা বলেছিলেন। তাতে সাব্বির রাজি না হলে, দেশে কিছু করা যায় কিনা সে ব্যাপারে পরিকল্পনা নিতে বলেন। তখন আব্দুল্লাহ বলে, আমি যে বিমানটি চালাই, সেটা নিয়েই সিরিয়া যেতে পারি। সাব্বির তাকে বলে, আমি যে বিমানটি চালাই, সেটি দুজনে মিলে চালাতে হয়, তাই একা কিছু করা সম্ভব নয়। তবে জরুরি হলে জীবনে একবার সম্ভব। আমি তাকে সিরিয়ার রুট প্ল্যান দিয়ে বলেছিলাম, তুরস্ক হয়ে সিরিয়া যাওয়া সম্ভব, সরাসরি সম্ভব নয়। আব্দুল্লাহ আমাকে বুদ্ধি দিয়েছিল যে, তাদের ২/৪ জন ছেলেকে ফ্লাইং শিখিয়ে বিচারলয়সহ সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ছোট ছোট বিমান দিয়ে আত্মঘাতি হামলা চালানো যায় কিনা।

  • আওয়ামী লীগের সভাস্থলে ময়লার স্তূপ, মোটরসাইকেলে আগুন

    আওয়ামী লীগের সভাস্থলে ময়লার স্তূপ, মোটরসাইকেলে আগুন

    পুরান ঢাকায় আওয়ামী লীগের দুই নেতার বিরোধের কারণে দলের একটি বর্ধিত সভাস্থলের রাস্তা ময়লা ফেলে আটকে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় লালবাগ থানার আজিমপুর পার্ল হারবার কমিউনিটি সেন্টারে ওই বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়।

    এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সেখানে কামরাঙ্গীর চর, লালবাগ ও কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচির আয়োজন করেন দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।

    আর মেয়র সাঈদ খোকনের সমর্থক হিসেবে পরিচিত ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার আবু আহমেদ মান্নাফিকে ‘লাঞ্ছিত’ করার প্রতিবাদে তার সমর্থকরা পার্ল হারবারের সামনের সড়কে একই সময়ে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি দেয়।

    এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠেই তারা সেখানে ময়লার স্তূপ দেখতে পান। তাদের ধারণা রাতে অন্ধকারে সেখানে এই ময়লাগুলো ফেলা হয়েছে।

    এ বিষয়ে শাহে আলম মুরাদ অভিযোগ করেন, তাদের কর্মসূচি কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করার জন্য সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি দিয়ে ময়লা ফেলে কমিউনিটি সেন্টারের প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    কমিশনার আবু আহমেদ মান্নাফি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “ময়লার মালিক তো আর আমি না।

    অনেক সময় গাড়ির সঙ্কট থাকে… অনেক জায়গায় ময়লা জমে থাকে। হয়ত সরিয়ে নিয়ে যাবে। ”

  • শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর জন্মদিন আজ

    শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর জন্মদিন আজ

    মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ৭৭তম জন্মদিন আজ। ১৯৪১ সালের আজকের এই দিনে ঝালকাঠির এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার জন্ম।

    বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ দেশের বাইরে থাকায় জন্মদিনে কোনো আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও রাজধানীর ইস্কাটনের বাসভবনে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাবেন তার অসংখ্য ভক্ত-অনুসারী ও দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। প্রিয় নেতাকে শুভেছা জানাবেন জন্মদিনের কেক কেটে। তার সুস্বাস্থ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে আমু পরিবার। জন্মদিনের এই শুভক্ষণে নাইজেরিয়ায় অবস্থান করছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

  • নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসি

    নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসি

    আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা।

    নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের সোমবার সেনা মোতায়েন বিষয়ে বক্তব্য প্রসঙ্গে মঙ্গলবার বাসসকে একথা বলেন সিইসি।

    নুরুল হুদা বলেন, ‘বক্তব্যটি তার ব্যক্তিগত। এ ব্যাপারে কমিশন এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে সেনাবাহিনী নির্বাচনে থাকতে পারে কি না এ ব্যাপারে কথা বার্তা হচ্ছে। ’

    এ প্রসঙ্গে ইসি সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পরিস্থিতি বিবেচনায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। নির্বাচনের এখনও এক বছর বাকি। কমিশন এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। ’

    সেনাবাহিনীকে আইন-শৃংখলাবাহিনীর সংজ্ঞায় অন্তর্ভূক্ত করা প্রসঙ্গে সচিব বলেন, ‘সেনাবাহিনীকে আইন-শৃংখলা বাহিনীর সংজ্ঞায় অন্তর্ভূক্ত করতে হলে- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), সংবিধান ও সিআরপিসি সংশোধন করতে হবে। সেনাবাহিনী হচ্ছে দেশ রক্ষা বাহিনী, এরা আইন-শৃংখলা বাহিনী না। ’

    তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পরিস্থিতি বিবেচনায় কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা মোতায়েন হবে না অন্য কোন পদ্ধতিতে হবে।

     

    নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েন বিষয়ে বিএনপি’র দাবি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইতোপূর্বে দেশে যতগুলো সাধারণ নির্বাচন হয়েছে, প্রত্যেকটিতে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত কোনো নির্বাচনেই বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েন হয়নি। ’

    ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) আগামী নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে কি না এ বিষয়েও এখনো কমিশন কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে একটি ওয়ার্ডে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। জাতীয় নির্বাচনে কি হবে এটা পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

    প্রসঙ্গত, সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হবে। কিন্তু কীভাবে হবে, নির্বাচন প্রক্রিয়াতে সেনাবাহিনী কীভাবে যুক্ত হবে, তা এখনো বলার সময় হয়নি। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে কমিশনের একটা সিদ্ধান্ত হতে হবে। আমি কখনই বলব না, যে সেনা মোতায়েন হবে না। তিনি বলেন, সময় বলে দেবে সেনা মোতায়েন কীভাবে হবে। এছাড়া আগামী নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের চিন্তা নেই বলেও জানান তিনি।

  • ‘বিএনপির পাপ ধৌত করলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হবে’

    ‘বিএনপির পাপ ধৌত করলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হবে’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি যদি তাদের পাপ ধৌত করতে যায় তাহলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হয়ে যাবে।’ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেসকো কর্তৃক আন্তর্জাতিক স্মৃতি ঐতিহ্য ঘোষণা উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

    কাদের বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া সব নিয়ে বলি। লুটপাট, খুন, আগুন, সন্ত্রাসে আপনাদের পাপে পাপে, অনেক পাপ জমে গেছে। এটা ধৌত করবে এমন শক্তি কারো নাই।’

    ভারতীয় একটি সিনেমার নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পাপীর পাপ ধৌত করতে করতে রামের গঙ্গা ময়লা হয়ে গেছে। আমাদের বুড়িগঙ্গাও ময়লা হয়ে গেছে। বিএনপি যদি নিজেদের পাপ ধৌত করতে যায় তাহলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হয়ে যাবে। আপনি আচারে ধর্ম পরকে শেখান। আগে নিজেরা শুদ্ধ হোন তারপর অন্যকে বলুন শুদ্ধ হওয়ার জন্য। আপনাদের চেয়ে অনেক ভালো আমরা। আমাদের ভুলত্রুটি আছে, আমরা শতভাগ শুদ্ধ একথা বলবো না। কিন্তু আপনারা তো শতভাগের কাছাকাছি অশুদ্ধ।’

    দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় গণতন্ত্রের সমস্যা সম্পর্কে বিএনপির কাছে জানতে চেয়েছেন ওবায়দুল কাদের। বিএনপি নেতাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ করুন এখানে আইনের কি সমস্যা, গণতন্ত্রের কি সমস্যা নির্বাচনের কি সমস্যা? আপনি নির্বাচনে এলেন না, অপ্রতিদ্বন্দ্বী করলেন অনেককেই। এর দোষ কি জনগণকে নিতে হবে? আপনি এলেন না, দোষ আপনার, এতে নির্বাচনেরও কোনো দোষ নেই, বৈধতারও কোনো সংকট নেই।’

    সদ্য সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ছুটি থেকে ফিরে ওই ১৫৪ জনের বৈধতার প্রশ্নে করা একটি রিটের শুনানি নিয়ে তাদের অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন এই আশঙ্কায় তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এর জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মোশাররফ সাহেব কী বলেছেন ১৫৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে? ১৫৪ জন নয়, ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। এটাও জানেন না তিনি। তিনি যে এ কথাটা কতবার বলেছেন তিনি নিজেও জানেন না। আসেন চ্যালেঞ্জ করুন।’

    তিনি বলেন, ‘আদালত কী তাদের (বিএনপি) মত ঘোড়ার ঘাস খায় নাকি? যে সেই ব্যাপারে রায় দিয়ে দেবে। এখন তো মনে হয় আদালতের স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি রায় যে নির্বাচন কমিশনকে একটি ম্যান্ডেট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচনে জেতাতে হবে, তা না হলে হয়তো দেশে আবার আগুন সন্ত্রাস শুরু হবে। এটা দিলেই বিএনপি খুশি হবে।’

    প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ ‘অশনি সংকেত’ এ কথার জবাবে তিনি বলেন, যেভাবে নেতিবাচক রাজনীতি আঁকড়ে ধরেছে এটা বিএনপির জন্য অশনি সংকেত। নির্বাচনে না এলে তাদের ভবিষ্যত অশনি সংকেত।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ইতিহাসের মহানায়কের পাশে ইতিহাসের ফুট নোটকে (জিয়াউর রহমান) তুলনা করা হয়েছে। জিয়াউর রহমানকে যখন স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়, তখন মনে হয় তিনি কবরে শুয়ে ছটফট করেন। কারণ তিনি নিজেই বলে গেছেন বঙ্গবন্ধুর সাত মার্চের ঘোষণা স্বাধীনতার গ্রিন সিগন্যাল।

    জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।