Category: রাজণীতি

  • ময়মনসিংহে জাপা-যুবলীগ সংঘর্ষ, গুলি, আহত ২

    ময়মনসিংহে জাপা-যুবলীগ সংঘর্ষ, গুলি, আহত ২

    ময়মনসিংহে জাতীয় পার্টি ও মহানগর যুবলীগের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষনের ঘটনা ঘটে।

    আর এই সংঘর্ষে কমপক্ষে চার জন আহত হয়েছেন। আহতরা হচ্ছেন জাহেদ আলী (২০), পারভেজ (২১), সোহেল (২৮) ও লিমন (২০)।

    সোমবার রাত আটটার দিকে নগরীর চামড়াগুদাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় ঘন্টাখানেক ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    এদের মধ্যে জাহেদ ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    তবে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কোনো গোলাগুলি হয়নি। বর্তমানে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে মহানগর যুবলীগের সদস্য আরাফাত রহমান শাওনের সমর্থক সোহেল, পারভেজ ও লিমনকে মারধর করে আহত করেন একই এলাকার জাপা সমর্থন আশিক নামে এক যুবক। আশিক স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আব্বাস আলী তালুকদারের কর্মী বলে জানা গেছে।

    এরই পাল্টা জবাবে রাত আটটার দিকে আব্বাসের লোকজনের ওপর হামলা চালায় মহানগর যুবলীগ সদস্য শাওনের কর্মীরা। এসময় গুলি বর্ষণ, দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাংচুর ও টায়ারে আগুন ধরিয়ে ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন আনে।

    জানতে চাইলে আব্বাস আলী তালুকদার বলেন, নগরীর চামরাগুদাম এলাকায় মাদক বিক্রি, সেবন ও জড়িতদের বিরুদ্ধে একটি কমিটি গঠনের জন্য পূরবী সিনেমা হলের সামনে একটি সভার আয়োজন করা হয়। কিন্তু ওই সভায় লোকজনের ওপর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় শাওনের লোকজন।

    অপরদিকে আরাফাত রহমান শাওনের দাবী, আমার এলাকার যুবলীগ কর্মীদেরকে আব্বাস তার জাতীয় পার্টিতে ভিড়াতে না পেরে তার ভাই আশিককে দিয়ে মারধর করান আমার কর্মীদের। ওই মারধরে আমার তিন যুবলীগকর্মী আহত হয়েছে।

  • ঢাকায় জনসভা শেখ হাসিনার অধীনে ভোট নয় : খালেদা

    ঢাকায় জনসভা শেখ হাসিনার অধীনে ভোট নয় : খালেদা

    নির্বাচনে ইভিএম চলবে না, সেনা মোতায়েন করতে হবে

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনে নয়, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘দলীয় সরকার তো নয়ই, শেখ হাসিনার অধীনেও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না, হবেই না।

    নতুন নির্বাচন কমিশনকে বলব, দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার দায়িত্ব আপনাদের। আপনারা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা বলুন। গতকাল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। জনসভায় বেগম খালেদা জিয়া বলেন, নির্বাচনে ইভিএম চলবে না। সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। শুধু মোতায়েনই নয়, তাদেরকে বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে। তিনি আবারও জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘গণতন্ত্রে মত ও পার্থক্য থাকবে। দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ’ গতকাল বেলা পৌনে ২টায় কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে জনসভার কার্যক্রম শুরু হয়। বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে বক্তব্য শুরু করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বেলা পৌনে ২টায় জনসভা শুরুর আগেই জনসভাস্থল কানায় কানায় ভরে যায়। জনসভা অনেকটা নির্বাচনী সভায় রূপ নেয়। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে শোডাউন করেন। বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে হলে কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। হাসিনার অধীনে তো নির্বাচন হবেই না। আমরা বিশ্বাস করি মানুষ আমাদের শক্তি, জনগণ আমাদের শক্তি। জয় আমাদের হবেই হবে। জনসভায় নেতা-কর্মীদের আসতে বাধা দেওয়ায় সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই কাজ করে সরকার ছোট মনের পরিচয় দিয়েছে। এত ছোট মন দিয়ে রাজনীতি ও জনগণের সেবা করা যায় না। আমি আপনাদের চ্যালেঞ্জ করছি, আপনারা বাধা না দিয়ে দুটি জায়গায় জনসভা দিতেন, একটা আপনাদের, আরেকটা আমাদের। দেখতেন কার জনসভায় মানুষ আসে। কারণ মানুষ আমাদের ভয় নাই, তারা আমাদের ভালোবাসা, তারাই আমাদের শক্তি। দীর্ঘ ১৯ মাস পর বেগম খালেদা জিয়ার এই জনসভায় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক-উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যায়। সকাল থেকেই বাদ্য-বাজনা নিয়ে মিছিলে মিছিলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করে নেতা-কর্মীরা। এ সময় তাদের হাতে ছিল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছবি সংবলিত ফেস্টুন ও ব্যানার। ‘খালেদা জিয়ার মূলমন্ত্র, উদ্ধার করো গণতন্ত্র’ এই মুহূর্তে দরকার, খালেদা জিয়ার সরকার-এই ধরনের স্লোগান সংবলিত ব্যানার জনসভায় আগতদের নজর কাড়ে। দুপুরের মধ্যেই মূল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়াও পূর্বে মত্স্যভবন ও এর আশপাশে উত্তরে রূপসী বাংলা হোটেল, পশ্চিমে শাহবাগ মোড় এবং দক্ষিণে টিএসসি চত্বর লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। ঢাকা মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকেও নেতা-কর্মীরা সমাবেশে যোগ দেয়। বেলা পৌনে ২টায় জনসভা শুরু হলেও খালেদা জিয়া মত্স্য ভবনের সড়ক দিয়ে প্রবেশ করেন বিকাল ৩টায়। জনসভার ভিড় ঠেলে মূল মঞ্চে পৌঁছতে আধাঘণ্টা সময় লেগে যায় তার। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জনসভা পরিচালনা করেন প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম। এতে আরও বক্তব্য দেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, বরকতউল্লাহ বুলু, মো. শাজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, আহমেদ আজম খান, জয়নুল আবেদিন, শওকত মাহমুদ, আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুনুর রশিদ, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাইফুল আলম নীরব প্রমুখ। দীর্ঘ এক ঘণ্টার বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন ও ঐক্যের রাজনীতি করতে চাই। আলাপ আলোচনা ছাড়া কোনোভাবেই এ পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। সংসদে থাকুক আর বাইরে থাকুক সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ ঘরে ঘরে কান্নার আহাজারি। এই সরকারের হাত থেকে মানুষ মুক্তি চায়, পরিবর্তন চায়। এই পরিবর্তন হতে হবে ভোটের মাধ্যমে। সে জন্য মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। তাই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হবে। এ সময় তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা কী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যেতে পারবেন, ভোট দিতে পারবেন। তখন উপস্থিতি নেতা-কর্মীরা হাত তুলে সমস্বরে বলেন, ‘না’। নতুন ইসির উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আপনি সরকারের অন্যায় আবদার মানতে পারেন না। অবাধ নির্বাচন করার দায়িত্ব আপনাদের। ইভিএম বন্ধ করতে হবে। সেনা মোতায়েন করতে হবে। নির্দলীয় সরকারের ব্যবস্থা করতে হবে। পুলিশ বাহিনীও থাকবে, এতে আমার কোনো আপত্তি নেই। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার গুণ্ডা বাহিনীর হাতে অবৈধ অস্ত্র। তারা মানুষ খুন করছে। সেনা না দিলে তারা কেন্দ্র দখল করে অত্যাচার চালাবে। এ দেশের মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে পরিবর্তনের জন্য ধানের শীষে ভোট দিয়ে দেখিয়ে দেবে যে জিয়াকে  ভোলেনি। তিনি আছেন মানুষের মনে। তিনি বলেন, ‘আমি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি। কিন্তু জনগণ সেটা মানতে রাজি নয়। কারণ, এরা কত অবিচার করেছে তা তারা জানে। তারপরও দেশের স্বার্থে আমি তাদের ক্ষমা করব। কারণ আমরা রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে চাই। জাতীয় ঐক্যের রাজনীতি করতে চাই। আলাপ-আলোচনা ছাড়া তা সম্ভব নয়। আমরা জবাবদিহিতামূলক সংসদ দেখতে চাই। সরকারি দল ও বিরোধী দল আলোচনা করে কোনো সমস্যা হলে তা সমাধান করবে। ’ বিএনপি-প্রধান বলেন, আজকে দেশে বিচার বলে কিছু নেই। বিচার বিভাগ বলতে কিছু নেই। প্রধান বিচারপতিকে পর্যন্ত জোর করে অসুস্থ বানিয়ে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিদেশে এজেন্সির লোক পাঠিয়ে তাকে চাপ দিয়ে পদত্যাগপত্র নিয়ে আসা হয়। তিনি চেয়েছিলেন দেশে ফিরে আসতে। কিন্তু তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি কিছু সত্য কথা বলেছেন-এটাই তার অপরাধ। নিম্ন আদালতকে তারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এখন উচ্চ আদালতকে নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়। আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘দেশের এত ক্ষতি করেছেন। সম্পদ লুট করেছেন। পিঠ বাঁচানোর জন্য ক্ষমতায় থাকতে হবে বলে যা ভাবছেন তা হবে না। আমরা সহিংসতার রাজনীতি করি না। আমরা আপনাদের শুদ্ধ করব। যে খারাপ কাজ করেন তা বাদ দিয়ে আপনাদের সত্যিকার অর্থে মানুষ বানাব। বিএনপি-প্রধান আরও বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেন সরকার আমাকে সপরিবারে দেশত্যাগ করতে বলেছিল, তাদের কথায় আমি সাড়া না দিয়ে বলেছি, আমি দেশত্যাগ করব না। আমি কখনো এ দেশ ছেড়ে যাব না। কারণ এ দেশের মাটিই আমার একমাত্র ঠিকানা। অন্য কোথাও আমার ঠিকানা নেই। এরপর সে সরকার আমার দুই ছেলেকে ধরে নিয়ে যায়। এক ছেলেকে পঙ্গু করে দিয়েছে। তাদের অত্যাচারের কারণে আরেক ছেলেকে চিরদিনের মতো আমি দুনিয়া থেকে হারিয়ে ফেলেছি। ’ এ কথা বলেই সমাবেশ মঞ্চে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। বিদ্যুৎ, গ্যাস, চাল-ডালসহ সবকিছুর দাম বৃদ্ধির সমালোচনা করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এ সরকার এ দেশটাকে শেষ করে দিয়েছে। ধ্বংস করে দিয়েছে। এ সরকার ২০০৮ সালে কথা দিয়েছিল ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে। আজ ৭০ টাকা কেজি চাল খাচ্ছে কেন মানুষ। ’ তিনি বলেন, ‘পিয়াজসহ তরিতরকারি, সবজির দাম ৭০-৮০ টাকার নিচে নয়। প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। কৃষকের সার ও কীটনাশকের দাম ৫ গুণ বেড়েছে। ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তারা আজ ঘরে ঘরে বেকার তৈরি করেছে। ’ এ সময় তিনি বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আগামীতে দেশের সব শিক্ষিত বেকার ছেলেমেয়েকে চাকরির ব্যবস্থাসহ এক বছরের বেশি সময় যারা বেকার থাকবে- তাদের জন্য বেকার ভাতা চালু করারও প্রতিশ্রুতি দেন। শেয়ারবাজার ধসের প্রসঙ্গ তুলে বেগম জিয়া বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এলেই শেয়ারবাজার লুট হয়। এর আগে কখনো শুনিনি সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের মানুষের টাকা আছে। আওয়ামী লীগ আসার পর ওই ব্যাংকে টাকা পাঠিয়েছে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিরা। মানুষের রক্ত চুষে টাকা চুরি করে বিদেশে পাঠিয়েছে। ২০১৫ সালে  পাঁচ হাজার কোটি ও গত ১০ বছরে সুইস ব্যাংকে সাড়ে চার লাখ কোটি টাকার বেশি বিদেশে পাচার হয়েছে। আওয়ামী লীগ প্রতি পদে পদে দুর্নীতি করছে। দুদক কোনো মামলা বা কোনো তদন্ত করেনি। অথচ দুদক পড়ে আছে আমাদের পেছনে। তিনি আরও বলেন, ‘গত সাত বছরে ব্যাংক থেকে চুরি হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকা কারসাজি করে পাচার করা হয়েছে। কিন্তু এগুলো নিয়ে কোনো তদন্ত হয় না। কাউকে ধরা হয়নি। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা শুধু ভোটারবিহীন সরকারের সমস্যা নয়, এটা আন্তর্জাতিক সমস্যা। তাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে আমেরিকা, ব্রিটেন, ইন্ডিয়া, চীনসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। এজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ’ সভাপতির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দেশে খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন হবে না। ’ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘২০১৮ সাল আওয়ামী লীগের বিদায়ের বছর। ’ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সরকার নিজের হাতে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে দেশের মানুষ খালেদা জিয়াকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইবে। ’ খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ আখ্যা দিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘নেত্রী (খালেদা জিয়া) আপনি গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনো আপস করবেন না। খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না।

  • মহিউদ্দিন চৌধুরীকে দেশের বাইরে নেওয়া হবে

    মহিউদ্দিন চৌধুরীকে দেশের বাইরে নেওয়া হবে

    উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র  এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া নেওয়া হবে।

    সোমবার সকালে দেশের শীর্ষ স্থানীয় একটি অনলাইন পোর্টালকে একথা জানিয়েছেন তার ছেলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

    তিনি বলেন, রবিবার রাতে প্রথম দফায় ডায়ালাইসিস সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বাবার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

    ডাক্তারের বরাত দিয়ে মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, তিনি এখন আশঙ্কামুক্ত। প্রাথমিকভাবে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে হৃদরোগজনিত সমস্যায় তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা।

    তিনি আরও বলেন, বিদেশ নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে। সবার সঙ্গে আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, উন্নত চিকিৎসার জন্য এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে রবিবার বিকালে চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম থেকে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় নেওয়া হয়। বর্তমানে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এই নেতা।

  • সাভারে সমাবেশের গাড়িবহর আটকে দেয়ার অভিযোগ, আটক ১৮

    বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে রাজধানীর প্রবেশ পথসহ সাভারের বিভিন্ন মাহসড়কে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এসময় তল্লাশীর কথা বলে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীদের বহনকারী গাড়িগুলো আটকে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

    এছাড়াও বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে যানবাহন ভাড়া না দেওয়ার জন্য বিভিন্ন পরিবহন মালিকদেরকে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন একাধিক বিএনপির নেতাকর্মীরা।

    এদিকে সমাবেশে আসার পথে সাভার-আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের ১৮ জন বিএনপির নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে অধিকাংশই নাশকতা মামলার আসামি। বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন আশঙ্কায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের সমাবেশকে পণ্ড করতে পুলিশি বাধার বিষয়ে অভিযোগ করলেও পুলিশের দাবি বাঁধা দেওয়ার জন্য নয় নিরাপত্তার জন্যই সাভারের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোষ্ট বসিয়ে তল্লাশী চালানো হচ্ছে।

    এদিকে নিরাপত্তার জন্য রাজধানীর প্রবেশদ্বার আমিনবাজার এলাকায় তল্লাশী চালানোর কারণে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ঢাকামুখী যানবাহনের দীর্ঘ জানজট দেখা দিয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে অনেককেই আবার পায়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যেতে দেখা গেছে।

    ঢাকা জেলা বিএপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বদির বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সমাবেশে যাওয়ার জন্য তিনি তার নেতাকর্মীদের নিয়ে সকাল দশটার দিকে সাভার থেকে রওনা দেন। পরে সাড়ে দশটার দিকে আমিনবাজার এলাকায় এসে পৌঁছালে সেখানে থাকা পুলিশের একটি চেকপোষ্ট তাদের ১৩টি গাড়ী বহর আটকে দেয়।

     

    পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, যুবদল নেতা রকিব দেওয়ান ও আলমগীরসহ বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির সমাবেশে নেতাকর্মীরা যেন উপিস্থত না হতে পারে সেজন্য সকাল থেকে রাজধানীর প্রবেশ পথ ও সাভারের বিভিন্ন মহাসড়কে চেক পোষ্ট বসিয়ে তল্লাশীর নামে বিএনপির গাড়ী বহর আটকে দিচ্ছে পুলিশ। সমাবেশে লোক সমাগম বাধাগ্রস্থ করতে তাদের নেতাকর্মীদের আটক করছে পুলিশ। এ কারণে বাধ্য হয়ে কৌশল অবলম্বন করে সাধারণ বাসে যাত্রীবেশেই তাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হয়েছে।

    এদিকে নাশকতা করতে পারে এমন আশঙ্কায় ধামরাই থেকে দুই জন, আশুলিয়া থেকে সাতজন ও সাভার থেকে নয়জন বিএনপির নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
    এব্যাপারে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান সাফিউর রহমান বিএনপির এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মহাসড়কে নিরাপত্তার জন্য ২ ঘণ্টা পুলিশ চেক পোষ্ট বসিয়ে তল্লাশী চালানো হচ্ছে। এছাড়াও বিএনপির গাড়ি বহর আটকে দেওয়ার কথাও তিনি অস্বীকার করেন। তিনি আরো বলেন আমাদের টারগেট হলো রেজিষ্টশন বিহীন মটরসাইকেল। এছাড়া নাশকতা এড়াতে বেশি নিরাপত্তার জোরদার করা হয়েছে ।

     

  • বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত

    বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত

    বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুর রহমানকে লাঞ্চিত করেছে তার (সরোয়ার) সহকর্মীরা। গতকাল শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে উপস্থিত ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুন এবং পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তবে নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি বলেছেন, করমর্দন করা না করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে মাত্র।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছেন। সেখানে পৌঁছে উপস্থিত সবার সাথে করমর্দন করতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবর রহমানের দিকে করমর্দনের উদ্দেশ্যে হাত বাড়িয়ে দেন সরোয়ার। এ সময় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুল রহমান করমর্দন থেকে বিরত থাকলে সরোয়ার তাৎক্ষনিক অপ্রস্তুত হন এবং ওই লাউঞ্জে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন, সরকারী কর্মকর্তা সহ অন্যান্যদের সাথে পর্যায়ক্রমে করমর্দন করেন। পরে সরোয়ার ফের মজিবুল রহমানের পাশের সোফায় গিয়ে বসেন এবং করমর্দন না করার কারন জানতে চান। এ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হলে সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে লাঞ্চিত করেন। পরে সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন সহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এরপর যথারীতি সরোয়ার এবং মজিবুল রহমান সহ পূর্ব নির্ধারিত যাত্রীরা দুপুর দেড়টার ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।
    বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভিআইপি লাউঞ্জে বসে অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়েছেন দাবী করে এ ব্যপারে খন্দকার মজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৯ সালের ২৭ জুন বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে সরোয়ারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা হয়। সরোয়ার ওই সময় তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালান। এ কারনে তিনি সরোয়ারের সঙ্গে হাত মেলাতে চাননি। তিনি প্রতিবাদ করলে সরোয়ারের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে ঢুকে পড়ে। খন্দকার মজিবুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, সরোয়ার তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বরিশাল মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদার জিয়া বলেন, চেনা-অচেনা নিয়ে বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃস্টি হয়েছিলো। কিন্তু পরক্ষনে সমস্যা মিটে যায়। এটা তেমন কিছুনা। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে বিএনপি’র কোন নেতাকর্মী লাঞ্ছিত করেনি বলে দাবী করেন জিয়া। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে রিং দেয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুনের ব্যক্তিগত সহকারী মজিবুল হক কামাল বলেন, সালাম বিনিময় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে একটু তর্ক হয়েছিলো। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সময় তিনি বা পুলিশের সিনিয়র কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। খবর পেয়ে তারা সেখানে যাওয়ার আগেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাদ দিয়ে ওসি আনোয়ার বলেন, করমর্দন করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে। তবে এর বেশী তিনি কিছু জানেন না।

  • বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত!

    বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত!

    বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুর রহমানকে লাঞ্চিত করেছে তার (সরোয়ার) সহকর্মীরা। গতকাল শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে উপস্থিত ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুন এবং পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তবে নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি বলেছেন, করমর্দন করা না করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে মাত্র।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছেন। সেখানে পৌঁছে উপস্থিত সবার সাথে করমর্দন করতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবর রহমানের দিকে করমর্দনের উদ্দেশ্যে হাত বাড়িয়ে দেন সরোয়ার। এ সময় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুল রহমান করমর্দন থেকে বিরত থাকলে সরোয়ার তাৎক্ষনিক অপ্রস্তুত হন এবং ওই লাউঞ্জে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন, সরকারী কর্মকর্তা সহ অন্যান্যদের সাথে পর্যায়ক্রমে করমর্দন করেন। পরে সরোয়ার ফের মজিবুল রহমানের পাশের সোফায় গিয়ে বসেন এবং করমর্দন না করার কারন জানতে চান। এ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হলে সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে লাঞ্চিত করেন। পরে সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন সহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এরপর যথারীতি সরোয়ার এবং মজিবুল রহমান সহ পূর্ব নির্ধারিত যাত্রীরা দুপুর দেড়টার ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।
    বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভিআইপি লাউঞ্জে বসে অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়েছেন দাবী করে এ ব্যপারে খন্দকার মজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৯ সালের ২৭ জুন বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে সরোয়ারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা হয়। সরোয়ার ওই সময় তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালান। এ কারনে তিনি সরোয়ারের সঙ্গে হাত মেলাতে চাননি। তিনি প্রতিবাদ করলে সরোয়ারের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে ঢুকে পড়ে। খন্দকার মজিবুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, সরোয়ার তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বরিশাল মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদার জিয়া বলেন, চেনা-অচেনা নিয়ে বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃস্টি হয়েছিলো। কিন্তু পরক্ষনে সমস্যা মিটে যায়। এটা তেমন কিছুনা। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে বিএনপি’র কোন নেতাকর্মী লাঞ্ছিত করেনি বলে দাবী করেন জিয়া। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে রিং দেয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুনের ব্যক্তিগত সহকারী মজিবুল হক কামাল বলেন, সালাম বিনিময় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে একটু তর্ক হয়েছিলো। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সময় তিনি বা পুলিশের সিনিয়র কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। খবর পেয়ে তারা সেখানে যাওয়ার আগেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাদ দিয়ে ওসি আনোয়ার বলেন, করমর্দন করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে। তবে এর বেশী তিনি কিছু জানেন না।

    Share this:

  • বরিশালে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুভ উদ্ভোধন করলেন সাদিক আব্দুল্লাহ

    বরিশালে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুভ উদ্ভোধন করলেন সাদিক আব্দুল্লাহ

    তানজীল শুভ
    আজ এগারোই নভেম্বর, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পঁয়তাল্লিশ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ।সমগ্র দেশের সাথে বরিশালেও জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদযাপন করা হয় দিনটি।বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উদযাপন করা হয় দিনটি।সকাল দশটার সময় বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভা ও আনন্দর্যালীর আয়োজন করা হয়। আনন্দ র্যালীর শুভ উদ্ভোধন করেন বরিশাল বাসীর প্রাণের মানুষ ,যুব সমাজের অহংকার, যুবরত্ন জনাব সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো: ইউনুস, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল,মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম জাহাঙ্গীর ,মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু সহ জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য বৃন্দ।সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক এ.এম.মেজবাহ্ উদ্দিন জুয়েল।আলোচনা সভায় সকল বক্তারা শেখ ফজলুল হক মনীশকে স্মরণ করেন ।কারন বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি যুবলীগের প্রতিষ্ঠা করেন। সভা শেষে নগরীজুরে একটি আনন্দর্যালী বেড় করা হয়। এবং র্যালিতে আসা সকল মানুষ দাবী করেন যেন সাদিক আবদুল্লাকে আগামী সিটি নির্বাচনে যেন সিটি মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দেয়া হয় ।

  • হামলায় আহত এমপি কেয়া চৌধুরী ওসমানীর আইসিউতে ভর্তি

    হামলায় আহত এমপি কেয়া চৌধুরী ওসমানীর আইসিউতে ভর্তি

    হবিগঞ্জের বাহুবলে নারী সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আমাতুন কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী উপর হামলা চালিয়েছে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক তারার মিয়া ও তার লোকজন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় মীরপুরে বেদে সম্প্রদায়ের মধ্যে চেক বিতরনীয় অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগেরর সাধারণ সম্পাদক তারা মিয়ার নেতৃত্বে তার লোকজন এমপি কেয়া চৌধুরী উপর অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়।

    আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী ইমন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, এই হামলার পরে পুলিশসহ স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসা জন্য তাকে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকলে কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। এখন এমপি কেয়া চৌধুরীকে ওসমানীর আইসিউতে রাখা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

    নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান বলেন, হবিগঞ্জের মিরপুরে বেদে পল্লীতে সংসদ সদস্যের বেদে সম্প্রদায়ের মধ্যে চেক বিতরণে অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করাকে কেন্দ্র করে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী ও উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগেরর সাধারণ সম্পাদক তারা মিয়ার লোকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

    তিনি আরও বলেন, একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে তিনি অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে অসুস্থ হয়ে পড়লে থাকে সিলেট ওসমানি মেডিকেলে চিকিৎসা জন্য প্রেরণ করা হয়।

    এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক হামদুল করিম বলেন, মিরপুরে বেদে পল্লীর লোকজনকে নিয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে একটি অনুষ্ঠান চলছিল। সংসদ সদস্য কেয়া চৌধুরী ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নুসরাত আরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। তবে কি কারণে ঘটেছে তিনি কিছু জানতে পারেননি।

    এদিকে এমপি কেয়া চৌধুরীর ওপর হামলার অভিযোগ এনে তার শুভাকাক্ষীরা প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। এ ব্যাপারে ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া বলেন, অনুষ্ঠান চলাকালে একটি ছেলে মোবাইলে ছবি ধারণ করছিল। এ সময় সংসদ সদস্যের লোকজন তার মোবাইল ফোন নিয়ে নেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ উত্তেজিত হয়ে গেলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

  • বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে মন্ত্রী করার দাবী বরিশালবাসীর

    বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে মন্ত্রী করার দাবী বরিশালবাসীর

    মন্ত্রী পরিষদে রদবদলের গুঞ্জন শুরু হওয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে স্থাণীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও বরিশাল জেলা আ’লীগের সভাপতি সিংহ পুরুষ খ্যাত জাতীয় নেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপিকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় আ’লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ী সহ গোটা বরিশাল বাসী। দুঃসময়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা পার্বত্য শান্তি চুক্তির প্রণেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাাহ তার মেধা.মনন,শৈলী, প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে আ’লীগকে বরিশাল সহ গোটা দক্ষিনাঞ্চলে শক্তিশালী ও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে এক অপ্রতিদ্বন্ধী রাজনৈতিক দলে রূপান্তর করেছেন। তার নেতৃত্বে আ’লীগ নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক তৎপরতায় এ অঞ্চলে বিএনপি-জামায়াত’র নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট অনেকটা অস্তিত্বহীণ হয়ে পড়েছে। বরিশালে উপজেলা, ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থীদের বিজয়ী করতে পলিসি মেকারের ভূমিকায় অবর্তীণ হন বঙ্গবন্ধুর অবিনাশী আদর্শের এ নেতা। রাত-দিন একাকার করে তিনি আ’লীগকে সুসংগঠিতও দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে শহর থেকে গ্রাম আর গ্রাম থেকে গ্রামান্তর ছুঁটে বেড়ান। তার দূরদর্শিতায় বরিশালের সব জনপ্রতিনিধি এখন আ’লীগের। শুধু বরিশালেই নয় জাতীয় রাজনীতিতে তার সরব উপস্থিতিও রয়েছে। ১৯৯৭ সালে অশান্ত পার্বত্য অঞ্চলে শান্তির সুবাতাস বইয়ে দিতে ‘শান্তি চুক্তি’ সম্পাদনের মাধ্যমে তৎকালীণ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা পালণ করে বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি ইতিহাসের পাতায় তারও নাম লিখিয়েছেন। ১৯৭১ সালে মামা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে সেই সময়ের সাহসী টগবগে যুবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনতে বরিশাল অঞ্চলে মুজিব বাহিনী প্রধান হিসেবে মৃত্যুকে পায়ের ভৃত্য মনে করে সন্মূখ সমরে জীবন পণ লড়াই করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ বির্নিমানে অগ্রণী ভূমিকা পালণ করেন।স্বাধীনতার পর তিনি বরিশাল পৌরসভার সফল ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান হিসেবে উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন।পরবর্তীতে বরিশাল-১(আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গোটা বরিশাল অঞ্চলে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে আর্বিভূত হন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশেন,বিভাগ,শিক্ষা বোর্ড,বিশ্ববিদ্যালয়,পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর প্রতিষ্ঠা,দোয়ারিকা-শিকারপুর ও দপদপিয়া ব্রিজ নির্মাণ সহ বরিশালের সার্বিক উন্নয়নে তার অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে রক্তঝড়া অচিন্তনীয় বিয়োগান্তুক অধ্যায়ের শোকগাথাঁয় মামা জাতির জন্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে বাবা তৎকালীণ কৃষিমন্ত্রী ও কৃষক কুলের নয়নের মনি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ও নিজের শিশু পুত্র সুকান্ত আব্দুলাহ সহ পরিবারের অনেক স্বজনকে হারান তিনি। সেদিন রাতে মৃত্যুর দুয়ার থেকে আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের অপার কৃপায় অলৌকিকভাবে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ,বুলেটবিদ্ধ স্ত্রী শাহানারা আব্দুল্লাহ ও তার কোলে থাকা দেড় বছরের শিশু পুত্র সাদিক আব্দুল্লাহ বেঁচে যান। শরীরে ৫টি বুলেট বহন করে অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে শাহানারা আব্দুল্লাহ স্বামী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর মতো আ’লীগের সুখ-দুঃখের অংশীদার। ৭৫’র পর সেনাশাসক জিয়াউর রহমান, স্বৈরশাসক এরশাদ ও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে (৯১-৯৬ ও ২০০১-২০০৬) মিথ্যা মামলা সহ নানা ভাবে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে হয়রানির শিকার হতে হয়। ১/১১’র সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলেও ষড়যন্ত্রের শিকার হন তিনি। অভিজ্ঞ মহলের ধারণা চেহারার অবয়বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছ্বায়া আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে গুরুত্বপূর্ণ কোন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী করা হলে তিনি তার সততা,মেধা,বিশ্বস্ততা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ ও ২০৪১ সালের ভিশন বাস্তবায়ন করে ক্ষুধা,দারিদ্র,সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ-দুর্নীতিমুক্ত, শোষন ও বৈষম্যহীণ স্বপ্নের অসা¤্রদায়িক সোনারবাংলা বির্নিমাণে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন। বরিশালের আ’লীগ নেতা-কর্মী ও সর্তীথজনদের বিশ্বাস জননেত্রী দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার বিচক্ষন্নতা দিয়ে দুঃসময়ের ত্যাগি ও পরীক্ষিত নেতা বাংলাদেশ আ’লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ১ নং সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে তার ত্যাগ ও যোগ্যতার যথার্থ মূল্যায়ন করবেন।

  • নাজমুল হুদার চার বছরের কারাদণ্ড

    নাজমুল হুদার চার বছরের কারাদণ্ড

    ঘুষ গ্রহণের এক মামলায় বিএনপি সরকারের সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদার সাত বছরের সাজা কমিয়ে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার দুপুরে বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    খবর-বিডিনিউজ’র।

    এর আগে হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ নাজমুল ও তার স্ত্রী সিগমাকে খালাস দিলেও আপিল বিভাগ ওই রায় বাতিল করে হাইকোর্টে পুনঃশুনানিতে পাঠায়।

    এই রায়ের অনুলিপি যেদিন বিচারিক আদালতে পৌঁছাবে সেদিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে নাজমুল হুদাকে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    জজ আদালত এ মামলায় নাজমুল হুদাকে আড়াই কোটি টাকা জরিমানা করেছিল। হাইকোর্টের রায়ে সে বিষয়ে কিছু বলা না থাকায় সেই জরিমানা বহাল থাকছে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

    বর্তমানে নতুন দল বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট অ্যালায়েন্সের (বিএনএ) সভাপতি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা হাইকোর্টে নিজেই শুনানি করেছিলেন। তবে বুধবার রায়ের সময় তিনি আদালতে ছিলেন না।

    সিগমা হুদার পক্ষে এদিন আদালতে ছিলেন তার আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউ সি। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশির আহমেদ।

    ২০০৭ সালের ২১ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

    মামলায় অভিযোগে বলা হয়, নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদার মালিকানাধীন সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘খবরের অন্তরালে’র জন্য জনৈক মীর জাহের হোসেনের কাছ থেকে দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন তারা।

    ২০০৭ সালের ২৭ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ আদালত মামলাটিতে নাজমুল হুদাকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করেন। তার স্ত্রী সিগমা হুদাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের ২০ মার্চ নাজমুল হুদা ও সিগমা হুদা আপিল করলে তাদের খালাস দেন হাইকোর্ট।

    পরে দুদক আপিল করলে ২০১৪ সালের ০১ ডিসেম্বর খালাসের রায় বাতিল করে হাইকোর্টে পুনঃশুনানির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। গত বছরের ১৩ এপ্রিল আদেশ পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনও খারিজ করে দেন সর্বোচ্চ আদালত। এরপর হাইকোর্টে এ মামলার পুনঃশুনানি শুরু হয়।