Category: শিক্ষাঙ্গন

  • ইডেনে হলের সিট নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ

    ইডেনে হলের সিট নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ

    রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের সিট নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

    শনিবার ভোরে এই সংঘর্ষ হয়। পরে কলেজ প্রশাসন ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেন।

    সূত্র জানায়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলে ২১৯ নং কক্ষে নাবিলা নামের এক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে টাকার বিনিময়ে রাখতেন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রূপা। তাকে হলে রাখাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে রূপা তার দলবল নিয়ে অন্য নেত্রী-কর্মীদের ওপর হামলা চালান।

    ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাবিকুন্নাহার তামান্না নামের এক ছাত্রীকে কুপিয়ে যখম করেন রূপা। পরে আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    জানতে ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জরুরি মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

    এ বিষয়ে লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমরা শুনেছি হলে মেয়েদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। কী নিয়ে হয়েছে, কয়জন আহত, সেটা কিছুই বলতে পারছি না। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা প্রিন্সিপালের সঙ্গে জরুরি মিটিংয়ে বসেছেন।

  • ইডেন কলেজে এক নেত্রীকে কোপালেন আরেক নেত্রী

    ইডেন কলেজে এক নেত্রীকে কোপালেন আরেক নেত্রী

    রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজে এক নেত্রীকে কুপিয়ে আহত করলেন আরেক নেত্রী।

    হলে বহিরাগত ছাত্রী রাখা নিয়ে শনিবার ভোরে ছাত্রলীগের দুই নেত্রীর মধ্যে সংঘর্ষের সময় এই কোপানোর ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন। ঘটনার পর কলেজ ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবা নাসরিন রূপা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের ২১৯ নং কক্ষে নাবিলা নামের একজন বহিরাগত শিক্ষার্থীকে (প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের) টাকার বিনিময়ে রাখতেন। তাকে রাখাকে কেন্দ্র করে হলে অন্য নেত্রীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রূপা তার অনুসারীদের নিয়ে অন্য নেত্রীদের ওপর হামলা করেন। এ সময় রূপা সাবিকুন্নাহার তামান্নার হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেন।

    মাহবুবা নাসরিন রূপা ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তার বাড়ি ঝিনাইদহ জেলায়। সাবিকুন্নাহার তামান্না ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, তার বাড়ি বরগুনা জেলায়।

    ঘটনার পরপরই ইডেন কলেজে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে ইডেন কালেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রূপা বলেন, আমরা এমন কোনো সমর্থক তৈরি করিনি, যারা শিক্ষার্থীদের মারধর করবে। ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আঞ্জুমান আরা অনুর সর্মথকরা বঙ্গমাতা হলে গিয়ে আমার কর্মীদের ওপর হামলা করেছে। পরে হলের ২০৮ নম্বর কক্ষে গিয়ে আমার আইফোন এবং সাত হাজার পাঁচশত টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়।

    তিনি আরও বলেন, প্রথম আমি খবর পেয়েছিলাম তারা নাবিলা নামে একটি মেয়েকে মারধর করেছে। পরে আমি সেখানে গেলে তারা আমার ওপরও হামলা চালায়।

    এ বিষয়ে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আঞ্জুমান আরা অনু বলেন, ‘আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম না। ঘটনার পরে এসেছি। সিসিটিভির ফুটেজ আছে। আপনি ইডেন কলেজের অধ্যক্ষের কাছে এ বিষয়ে জানতে পারেন।’

    লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমরা শুনেছি হলে মেয়েদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। কয়েকজন আহত হয়েছেন।

  • বুলবুলের কারণে সোমবারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও পেছাল

    বুলবুলের কারণে সোমবারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও পেছাল

    ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে আগামী সোমবার ১১ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ওইদিন জেএসসির বিজ্ঞান ও জেডিসির ইংরেজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

    স্থগিত হওয়া জেএসসি পরীক্ষাটি আগামী ১৩ নভেম্বর ও জেডিসি পরীক্ষা ১৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে গতকাল মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তক্রমে আজকের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা স্থগিত করে।

    স্থগিত হওয়া শনিবারের জেএসসি পরীক্ষাটি আগামী ১২ নভেম্বর ও জেডিসি পরীক্ষা ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

  • ‘বুলবুল’র তাণ্ডব: শনিবারের জেএসসি পরীক্ষা স্থগিত

    ‘বুলবুল’র তাণ্ডব: শনিবারের জেএসসি পরীক্ষা স্থগিত

    ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর জন্য দেশের ৯ জেলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া চট্টগ্রামসহ উপকূলীয় পাঁচ জেলায় ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেওয়া হয়েছে। তবে কক্সবাজার থাকবে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেতের আওতায়। এসব অঞ্চলের লোকজনকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।

    শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আব্দুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এমতাবস্থায় শনিবারের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে এ পরীক্ষাটি ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    এছাড়া ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ছোবল থেকে রক্ষা পেতে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার খাতা, প্রশ্নসহ যাবতীয় সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিক্ষাবোর্ডগুলোকে। সব সরঞ্জাম নিকটস্থ ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে বা বড় ভবনে সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে।

  • ‘বুলবুল’র কারণে স্থগিত হওয়া জেএসসি পরীক্ষাটি ১২ নভেম্বর

    ‘বুলবুল’র কারণে স্থগিত হওয়া জেএসসি পরীক্ষাটি ১২ নভেম্বর

    অনলাইন ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর কারণে কারণে সারা দেশে শনিবার অনুষ্ঠেয় জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক আজ শুক্রবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, স্থগিত হওয়া জেএসসি পরীক্ষাটি ১২ নভেম্বর ও জেডিসি পরীক্ষা ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

  • জাবি উপাচার্যের দুর্নীতির নথি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা

    জাবি উপাচার্যের দুর্নীতির নথি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসালামের অপসারণ দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে উপাচার্যের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিতে শিক্ষদেরকে আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    সেই আহ্বানের প্রেক্ষিতে ছয় পাতার অভিযোগপত্র ও ৭০ পাতার নথি শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিবের কাছে ই-মেইলযোগে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া স্বশরীরে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অভিযোগ ও নথিপত্র দেওয়া জন্য প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে বলেও জানান আন্দোলনকারীরা।

    শুক্রবার (৮ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় আন্দোলনকারী দুই শিক্ষক অভিযোগ ও নথিপত্র শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিবের কাছে জমা দেওয়ার জন্য ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।

    বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক খবির উদ্দিন বলেন, ছয় পাতার অভিযোগপত্র এবং সঙ্গে প্রায় ৭০ পাতার নথি সংযুক্ত করা হয়েছে। সেগুলো নিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষক অধ্যাপক তারেক রেজা ও খন্দকার হাসান মাহমুদ শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব ড. আলিম খানের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন। তার কাছেই এগুলো জমা দেওয়া হবে।

  • মাদরাসার অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে শিক্ষকদের বেতন স্কেল বন্ধ  করে রেখে হয়রানির অভিযোগ

    মাদরাসার অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে শিক্ষকদের বেতন স্কেল বন্ধ করে রেখে হয়রানির অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজুয়ানুর রহমান সফেন:

    ঝালকাঠীর রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের নারিকেলবাড়ীয়া গ্রামের। নারিকেলবাড়ীয়া জাফরাবাদ সিনিয়র আলিম মাদরাসা স্থাপিতঃ ১৯৫৯ খ্রিঃ অত্র পতিষ্ঠান এর অধ্যক্ষ আঃ হাই এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন একই পতিষ্ঠান এর শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা। ৮ বছর ধরে বেতন স্কেল বন্ধ করে রেখে নানা রকম হয়রানি করেন অর্দক্ষ আঃ হাই এমন অভিযোগ তুলেছেন একই প্রতিষ্ঠান এর শিক্ষক মোঃ তসলিম উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম সহো আরো ১০ সহকারী শিক্ষক। এমন অনিয়ম এর প্রতিবাদ করতে গেলে হুমকি দেয়া হচ্ছে অধ্যক্ষ আঃ হাইর নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা এবং ফেইসবুক এর ফেইক আইডি খুলে মিথ্যা অপ্রচার চালায় আঃ হাইর লোকজন। রাজাপুর উপজেলা প্রশাসন এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার জনসাধারণ।

  • ‘কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে কথা নাই বার্তা নাই ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন’

    ‘কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে কথা নাই বার্তা নাই ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন’

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি হঠাৎ দেখছি কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয়ে কথা নাই বার্তা নাই ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন। ভিসিকে দুর্নীতিবাজ বলছে।আমার স্পষ্ট কথা যারা দুর্নীতির অভিযোগ আনছে তাদেরকে কিন্তু এই অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে এবং তাদেরকে তথ্য দিতে হবে। তারা যদি তথ্য দিতে পারে নিশ্চয়ই আমরা ব্যবস্থা নেব।

    বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ে অসুস্থ, অস্বচ্ছল ও বিভিন্ন দু্র্ঘটনায় হতাহত সাংবাদিকদের পরিবারকে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, যদি দুর্নীতি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে দুর্নীতি করলে যে শাস্তি, যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে তার যে শাস্তি হত, যে অভিযোগকারী সে যদি ব্যর্থ হয় প্রমাণ করতে, তাকে কিন্তু সেই সাজা পেতে হবে। এটা কিন্তু আইনে আছে। মিথ্যা অভিযোগ করলে তার বিরুদ্ধে কিন্তু আইন ব্যবস্থা নেবে। সেই ব্যবস্থা কিন্তু আমরা নেব। আপনাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিলাম।

    অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে উপাচার্য ফারজানা ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হলেও সেখানে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একটি অংশ।

    উপাচার্যের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তাদের প্রমাণ করতে হবে। যদি কেউ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়..প্রত্যেকে যারা অভিযোগ নিয়ে আসছে, যারা বক্তৃতা দিচ্ছে..আমি বলেছি সমস্ত ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রমাণ করতে হবে ওই টাকা নিয়ে কোথায় রাখল, না কি করলে, খুঁজে বের করতে হবে। মুখে বললে তো হবে না। সুনির্দিষ্টভাবে সে জানে বলেই তো অভিযোগ করেছে। সুনির্দিষ্টভাবে যখন জানে তখন সে অভিযোগটা বলবে না কেন বা প্রমাণ দেবে না কেন? আর প্রমাণ যদি না দিতে পারে তাহলে যে মিথ্যা অভিযোগ করবে তার শাস্তি হবে। সেটা আপনাদের জানিয়ে দিয়ে যাচ্ছি। আমরা কিন্তু এটা করব। দিনের পর দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা বরদাশত করা হবে না বলেও জানান তিনি।

    আন্দোলনে থাকা শিক্ষকদের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, এভাবে ছেলে মেয়েদের জীবন নষ্ট করার কি অধিকার আছে? শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলছে..যদি অভিযোগ থাকে বলুক আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব। কিন্তু যেখানে আমরা একজনকে ভিসি বানালাম তার বিরুদ্ধে আন্দোলন। আর এর মধ্যে শিক্ষকও জড়িত। শিক্ষকরা ছাত্রদের ব্যবহার করে। এটা কোন ধরনের কথা?

    ‌‌‘এখানে কি কোনো ডিসিপ্নিন থাকবে না? কোনো আইন থাকবে না? আইন প্রয়োগ হবে না? আর আমাদের কিছু কিছু আছে..এটাকে আরও উস্কানি দেয়। এই বিষয়গুলো মনে হয় একটু দেখা দরকার আপনাদের।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন,

    বুয়েট বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বুয়েটের সমস্যাটা কি সেটা তো বুঝতে পারছি না। আমরা তো সবই করলাম। তারপরও এই আন্দোলন কিসের জন্য? বুয়েটে যে আবরার হত্যা ঘটল, আমরা সাথে সাথে তার ব্যবস্থা নিয়েছি। সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ছাত্ররা আন্দোলনের আগেই যখনই খবর এসেছে তখনই কিন্তু আমরা অ্যাকশন নিয়েছি। এখন তাহলে আন্দোলন কিসের জন্য, আমার সেটাই প্রশ্ন।’

    ‘দিনের পর দিন ক্লাস করতে দেবে না, নিজেরা ক্লাস করবে না। তাহলে তারা ইউনিভার্সিটিতে থাকবে কেন? এই ধরনের কাজ যারা করবে সাথে সাথে তাদের এক্সপেল করে দেওয়া উচিত। তারা কিসের জন্য এভাবে করবে?’

  • জাবি ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগ

    জাবি ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগ

    জাহাঙ্গীরগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চল পদত্যাগ করেছেন। গত মঙ্গলবার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিলেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এটি জানাজানি হয়।

    দপ্তর সম্পাদক আহসান হাবিব পদত্যাগপত্র পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে পদত্যাগের কারণ জানাননি।
    আহসান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, ”গত মঙ্গলবার পদত্যাগপত্র পেয়েছি। আমি পড়ে দেখিনি। সভাপতি-সেক্রেটারির কাছে হস্তান্তর করেছি। ধারণা করছি, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে হতে পারে। পদত্যাগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হলে প্রেস রিলিজ দিয়ে জানিয়ে দেয়া হবে।”

    মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি চঞ্চলের সাথে। শাখা সভাপতি জুয়েল রানার দাবি, তিনি এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। জুয়েল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না, কেন্দ্রও আমাকে কিছু জানায়নি।’

    আগস্টের ২৮ তারিখ থেকেই ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করছিলেন চঞ্চল। এরপর শাখা ছাত্রলীগের কোন কর্মসূচিতে তাকে দেখা যায়নি। এর আগে, ২৩ আগস্ট গণমাধ্যমে খবর বের হয় ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম শাখা ছাত্রলীগকে ১ কোটি টাকা বণ্টন করে দিয়েছেন, যেখান থেকে চঞ্চল ২৫ লাখ টাকা ভাগে পেয়েছেন। গণমাধ্যমের কাছে তখন চঞ্চল এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে ছাত্রলীগে চঞ্চলের বিরোধী গ্রুপ গণমাধ্যমে দাবি করেন, টাকা পেয়ে কাউকে যেন ভাগ দিতে না হয় সেজন্য লাপাত্তা হয়ে গেছেন চঞ্চল।

    ২০১৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর জুয়েল রানাকে সভাপতি ও আবু সুফিয়ান চঞ্চলকে সাধারণ সম্পাদক করে এক বছরের জন্য শাখা কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রায় দুই বছর ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিতে চলছে জাবি ছাত্রলীগ। নেতৃত্ব পাওয়ার ৩ বছরেও হল কমিটি ঘোষণা করতে পারেনি শাখা সভাপতি-সেক্রেটারি।

  • হটাৎ আবাসিক হল ও ক্যাফেটোরিয়ায় নবনিযুক্ত ববি উপাচার্য

    হটাৎ আবাসিক হল ও ক্যাফেটোরিয়ায় নবনিযুক্ত ববি উপাচার্য

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) নবনিযুক্ত মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন (আরেফিন মাতিন) তাৎক্ষণিক ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হল, শেরে বাংলা হল, শেখ হাসিনা হল ও কেন্দ্রীয় ক্যাফেটোরিয়া পরিদর্শন করেন। উপাচার্য মহোদয় ৩টি হলের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা উপাচার্য মহোদয়ের কাছে তুলে ধরলে তিনি তা সমাধানের আশ্বাস দেন। উপাচার্য মহোদয় হল গুলোর রিডিং রুম, কমনরুম, মসজিদ, ডাইনিং এর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

    তাৎক্ষণিকভাবে পরিদর্শনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, আজকে আমি পরিদর্শন করে গেলাম। এ সকল বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট প্রভোস্ট ও পরিচালকদের সাথে মিটিং করে সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করার ব‍্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবো। প্রথমেত বিশুদ্ধ পানির ব‍্যবস্থা করব। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুসারে সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে।
    এসময় উপাচার্যের সাথে বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, আবাসিক শিক্ষক, সহকারী আবাসিক শিক্ষক, প্রক্টর, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকমন্ডলী, পরিচালক, দপ্তরপ্রধান, সংশ্লিষ্ট হল সমূহের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা , কর্মচারী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর উপাচার্য মহোদয় সকলকে সাথে নিয়ে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটোরিয়া পরিদর্শন করেন এবং সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সাথেও কথা বলেন।