Category: শিক্ষাঙ্গন

  • পিএসটিইউ বৈচি-১ নিবন্ধিত

    পিএসটিইউ বৈচি-১ নিবন্ধিত

    পবিপ্রবি প্রতিনিধি //মোহাম্মদ ইমরান হোসেনঃ

    পবিপ্রবিতে উদ্ভাবিত অনিয়ন্ত্রিত ফসলের জাত নিবন্ধিত একটি প্রত্যয়নপত্র প্রকাশিত হয়েছে। উদ্ভাবিত অনিয়ন্ত্রিত ফসলের নাম “বৈচি” যার ইংরেজি নাম Governor’s plum এবং বৈজ্ঞানিক নাম Flacourtia indica. ফসলটির নিবন্ধিত জানতে নাম হলো পিএসটিইউ বৈচি-১ (PSTU Boichi-1)। জাতটির উৎস হলো উদ্ভাবিত এবং এটি ইনব্রিড ধরনের জাত।এটি বাংলাদেশের সব অঞ্চলে চাষযোগ্য। এর শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য সমূহের মধ্যে রয়েছে- ১) ডাইওসিয়াম প্রকৃতির স্ত্রী গাছ, নিয়মিত ফলধারী। ২) একক ফলের ওজন ১.৪-২.০ গ্রাম। গড় মিষ্টতা ৯-১০%। ৩) ফলের শাঁস নরম এবং সাদাটে বর্ণের; গাছ জলাবদ্ধতা অসহনশীল। ৪) ফেব্রুয়ারি-মার্চে ফুল আসে এবং মে-জুন মাসে ফল‌ পরিপক্ব হয়। ৫) হেক্টর প্রতি সর্বোচ্চ ৩-৪ মে.টন উৎপাদন করা যায়। জাতীয় বীজ বোর্ড এর মহাপরিচালক,বীজ অনুবিভাগ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্বাক্ষরিত এই প্রত্যয়নপত্রে আবেদনকারী প্রতিষ্ঠান পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,দুমকী, পটুয়াখালী-৮৬০২ কে জাতটির গুণগত মান, বৈশিষ্ট্য বজার রাখার কথা বলা হয়েছে।

  • ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিএম কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের ঘোষনা দিলেন ছাত্রলীগ নেতা

    ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিএম কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের ঘোষনা দিলেন ছাত্রলীগ নেতা

    ইসরাত জাহান সুমাইয়া:

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের ঘোষনা দিয়েছেন এক ছাত্রলীগ নেতা।

    বৃহস্পতিবার বিএম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা খায়রুল হাসান সৈকত তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি থেকে এই স্ট্যাটাস দেন। তিনি ওই স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, ‘ছাত্ররাজনীতি শূন্য বিএম কলেজের পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য বাধ্য হয়ে সাধারন শিার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে বাকসু আন্দোলনের ডাক দিতে হলো….. শনিবার থেকে বিএম কলেজ ছাত্রসংসদ নির্বাচনের দাবিতে কলেজটি অনির্দিষ্টকালের জন্য শিা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা

    হলো….কলেজসমূহ সকল সংগঠনের আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য…..’ তবে এই অংশটুকুর পূর্বে তিনি কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতার কাছে ক্ষমা প্রার্থনার কথাও উল্লেখ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে ছাত্রলীগ নেতা খায়রুল হাসান সৈকতকে কল করা হলে তিনি জানান, ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবীতে জোড় আন্দোলন শনিবার থেকে শুরু হবে। সেই লক্ষে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করেছি আমরা। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করা হয় কলেজটির অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান সিকদারের সাথে। তিনি হাসির সুরে এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমারই তো এখতিয়ার নেই কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করার। ওই ছাত্রলীগ নেতা কিভাবে এই ঘোষনা দেয় সেটা বুঝতে পারছি না। এটা সম্পূর্ন কান্ডজ্ঞানহীণ কাজ।’

    বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক জানান, কোনো ছাত্রনেতারই ক্ষমতা বা অধিকার নেই শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করার। এই ঘোষনা যদি কেউ দিয়ে থাকে তাহলে সেটা অযৌক্তিক। সেটা যদি করতে হয় তাহলে এর জন্য কলেজ প্রশাসন আছে, সর্বপরি সরকারের সিদ্ধান্ত ছাড়া শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করা অসম্ভব। বিএম কলেজ ছাত্রলীগ এবং ছাত্র কর্মপরিষদের কয়েকজন নেতা জানান, ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবীতে যদি আন্দোলন করতে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনার প্রয়োজন হয় না। আর যদি তা দরকার হয় তাহলে আন্দোলনের মাধ্যমে একটি প্লাটফর্ম তৈরী করতে হবে।

    সেখানে শিক্ষার্থীরা যোগ দিয়ে কাস পরীক্ষা বর্জণ করতে পারে। কিন্তু শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা বড় বিষয়। এই ধরণের ঘোষনার কোনো যৌক্তিক কারণ দেখছেন না সাবেক ছাত্রলীগ নেতা। এই বিষয়ে বরিশালের প্রবীণ সাংবাদিক ও গবেষক আনিসুর রহমান খান স্বপন বলেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবীতে আন্দোলন করা যেতে পারে। সেখানে বিভিন্ন পয়েন্ট থাকতে পারে।

    কিন্তু শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করার কোনো প্রশ্নই এখানে নেই। এটা শুধু গভমেন্ট পারবে। এই ধরণের ঘোষনা ভিত্তিহীণ।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মের তোয়াক্কা করে না কেউ!

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মের তোয়াক্কা করে না কেউ!

     ববি প্রতিনিধি ::

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) দক্ষিণবঙ্গের  সর্বোচ্চ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ ছয় (৬) মাস ধরে  অভিভাবক শূন্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজে প্রায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। উপাচার্য , প্রো-উপাচার্য, রেজিস্টার, ট্রেজারার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, লাইব্রেরীয়ান সহ প্রধান প্রশাসনিক পদগুলো নেই দায়িক্তপ্রাপ্ত কেউ। উপাচার্য না থাকায় সিন্ডিকেট মিটিং, একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং, অর্থ কমিটির মিটিং সহ গুরুত্বপূর্ণ মিটিংগুলো বন্ধ আছে বিগত ছয় (৬) মাস ধরে । কার্যত বর্তমানে অচলাবস্থা বিরাজ করছে দক্ষিণবঙ্গের এই সর্বোচ্চ বিদ‍্যাপিঠটিতে।

    সাইন অথোরিটি না থাকায় আর্থিক ভাবে অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষক,কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বেতন-ভাতাও আটকে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদের মধ্যে একটি ছাড়া বাকিগুলোর ডিনের দায়িত্ব পালন করেন উপাচার্য। ফলে ওইসব বিভাগের পরীক্ষা, ফলাফল প্রকাশসহ সব কার্যক্রম স্থবির রয়েছে। অর্থ ছাড়ের অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

    কার্যত বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন  বিভাগীয় চেয়ারম্যানরা।

    ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ‍্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক আবু জাফর  মিয়া বলেন,  উপাচার্য  না থাকায় একাডেমিক, অর্থ ও সিন্ডিকেট সভা  হচ্ছে না ছয় মাস ধরে। খণ্ডকালীন  শিক্ষকও  নিয়োগ  হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের  শৃঙ্খলা ভেঙে  পড়েছে। উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া খুবই জরুরি। আমরা বিভাগীয় চেয়ারম্যানরা আমাদের সাধ‍্যমতো চেষ্টা করছি একাডেমিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া। কিন্তু সিলেবাস প্রনয়ন, ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়া এবং ফলাফল প্রকাশ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো আমরা নিতে পারছি না ।

    ইতিহাস ও সভ‍্যতা বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন চৌধুরী বলেন, উচ্চপদস্থ সকল পদই শূন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য না থাকলে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে  স্হবিরতা দেখা দেয়। পরীক্ষার রুটিন করা সম্ভব হয় না, ফলে পরীক্ষা নিতে বিলম্ব হয়। যার ফলশ্রুতিতে সেশনজট চরম পর্যায়ে পৌছায়। পরীক্ষা ফলাফল প্রকাশ করা যায় না। সর্বপরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রকার উন্নয়নমূলক কাজে স্হবিরতা দেখা দেয়।  উপাচার্য না থাকায় শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের চলতি মাসের বেতন-ভাতা আটকে আছে বলে জানান তিনি। তিনি আশা করেন সরকার দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অচলাবস্থা নিরসন করবেন।

    নিয়মিত উপাচার্য না থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে গা-ছাড়া ভাব বিরাজ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ , একে আন‍্যের দিকে কাঁদা ছোড়াছুড়ি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে উপাচার্য না থাকার সুযোগে আনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কোন নিয়মের তোয়াক্কা করছেন না। যা ইচ্ছা তাই করছেন। এ বিষয়ে তাদের তদারকি করার মতো কেউ নেই বলে জানান তিনি।

  • পবিপ্রবিতে সাংবাদিক সমিতির যাত্রা শুরু

    পবিপ্রবিতে সাংবাদিক সমিতির যাত্রা শুরু

    পবিপ্রবি প্রতিনিধি //মোঃইমরান হোসেনঃ

    দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা এবং তীব্র উদ্যোগের পর পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হলো রিপোর্টার্স ইউনিটি। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন জার্নাল,ওয়েব পোর্টাল, দেশীয় জাতীয় পত্রিকার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদকর্মী থাকলেও ছিল না কোন সংগঠন।এই নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক ও চেষ্টা চালানো হলেও প্রতিষ্ঠা করা যায় নি কোন সংগঠন। এতে করে ক্যাম্পাস সংবাদকর্মীদের সংবাদ সংগ্রহ ও তা প্রচারে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হত। এই সংগঠন হবার ফলে এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। গতকাল (২২অক্টোবর) রাত ৯:৩০ ঘটিকায় এক সাধারণ সভায় “পবিপ্রবি রিপোর্টার্স ইউনিটি”র যাত্রা শুরু হয় এবং আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ গঠনতন্ত্র এবং কমিটি গঠনপূর্বক এই সংগঠনটিকে পূর্ণতা দানের জন্য বলা হয়েছে।আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ ইমরান হোসেন,যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মোঃ মারুফ বিল্লাহ,সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন মোঃ কামরুজ্জামান আকিমুল,যুগ্ম-সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন মোঃ হাবিবুল্ল্যাহ শেখ এবং সদস্য হিসেবে রয়েছেন মেহেদী হাসান এবং সাজ্জাদ হোসাইন।

  • ২৭৩০ প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    ২৭৩০ প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    সারাদেশের ২ হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (২৩ অক্টোবর) গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল।

    এর আগে মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকার সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘এখন ঘোষণা হলেও এমপিওভুক্তি গত জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে ধরা হবে।’

    গত জুন মাসে এমপিওভুক্তি ঘোষণার কথা থাকলেও পরিপূর্ণ ও নির্ভুল তালিকা তৈরির জন্য বিলম্ব হয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা বাজেট বরাদ্দ পেয়েছি। এই জুলাই মাস থেকেই এমপিও কার্যকর হবে। এদিকে এমপিওভুক্তির দাবিতে আমরণ অনশনে থাকা শিক্ষকদের অনশন ভাঙিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে নন এমপিও শিক্ষক ফেডারেশনের নেতারা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় মন্ত্রী তাদের শরবত খাইয়ে অনশন ভাঙান। সাক্ষাৎকালে এক শিক্ষক নেতা শিক্ষামন্ত্রীকে কদমবুসি করতে গেলে মন্ত্রী বলেন, না না, আপনি শিক্ষক মানুষ, আপনি কেন আমাকে সালাম করবেন।

    এ সময় শিক্ষক নেতারা তাদের দাবি মেনে নিতে মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। জবাবে মন্ত্রী জানান, তিনি সাধ্যমতো এ ব্যাপারে চেষ্টা করবেন। সোমবার সকাল থেকে আমরণ অনশন শুরু করেন ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারী নেতারা। সব প্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্তি চান তারা। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, আন্দোলন করে এমপিও পাওয়া যাবে না। যোগ্যতার বিচারে এমপিও দেয়া হবে।

    উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০১০ সালে প্রায় দেড় হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এবার ২০১৮ সালের নীতিমালার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে অনলাইনে আবেদন চাওয়া হয়। সেখান থেকে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বাছাই করে প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

  • বরিশালে জেএসসি পরীক্ষা ঘিরে ২২ দিন কোচিং বন্ধের নির্দেশ

    বরিশালে জেএসসি পরীক্ষা ঘিরে ২২ দিন কোচিং বন্ধের নির্দেশ

    আগামী ২ নভেম্বর থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি), সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও দাখিল (ভোকেশনাল) নবম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা। এসব পরীক্ষা ঘিরে বেশ কিছুদিনের জন্য বরিশাল জেলার সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার (২১ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এ ব্যাপারে অবহিত করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেএসসি, জেডিসি, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) নবম শ্রেণির পরীক্ষা কেন্দ্র করে আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন জেলার সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে হবে।

    নিরাপত্তার স্বার্থে পরীক্ষাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এ ২২ দিনের মধ্যে কোনো কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম চলছে, এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এ বছর বরিশাল জেলার ৬৩টি কেন্দ্রে জেএসসি, ১৮টি কেন্দ্রে জেডিসি, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) নবম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

  • ভোলায় সংঘর্ষের প্রতিবাদে বরিশাল বিএম কলেজ শিক্ষাার্থীদের বিক্ষোভ

    ভোলায় সংঘর্ষের প্রতিবাদে বরিশাল বিএম কলেজ শিক্ষাার্থীদের বিক্ষোভ

    ইসরাত জাহান সুমাইয়া:

    ভোলার বোরহানউদ্দিনের পুলিশের সাথে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে ৪ জন নিহতের ঘটনার প্রতিবাদে ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত পুলিশের বিচারের দাবী জানিয়ে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

    বরিশাল ব্রজ মোহন (বিএম) কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আজ সোমবার (২১ অক্টেবর) বেলা ১১টায় ব্রজমোহন কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ।

    সাধারন ছাত্রনেতারা বিএম কলেজ সম্মুখ সড়কের সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ সভা করেন এসময় বক্তব্য রাখেন রনি তালুকদার,রেজাউল করীম,মোঃ তামিম, আব্দুল­াহ-আল মামুন, আঃ রহিম, মাহফুজুর রহমান, মোঃ তাওহিদ, ফয়সাল আহমেদ, আকবর মলি­ক ও ঐশি প্রমুখ।

    ছাত্র নেতারা এসময় বলেন, ফেইসবুকে মহানবীকে নিয়ে কটুক্তি করার ঘটনায় তৌহিদী জনতার ব্যানারে রোববার ভোলার বেরহানউদ্দিন ঈদগাহ মাঠে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাঁধা দেয় এবং গুলি চালালে ৪ জন নিহত হয়। তারা মহানবীকে কটুক্তির নেপথ্যে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং হত্যার নির্দেশদাতাদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানায়।

  • অসুস্থ মায়ের পাশে থাকতেই ছাড়পত্র নিয়েছে আবরারের ভাই

    অসুস্থ মায়ের পাশে থাকতেই ছাড়পত্র নিয়েছে আবরারের ভাই

     অনলাইন ডেস্ক:

    বড় ভাইয়ের অকাল মৃত্যুর শোকে অসুস্থ হওয়া মায়ের পাশে থাকার জন্য

    কলেজ থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নিহত শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ।

    মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকা কলেজ থেকে ছাড়পত্র নেয়ার আগে করা আবেদনপত্রে কারণ হিসেবে এটি উল্লেখ করেন তিনি।

    ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর লেখা ছাড়পত্রের আবেদনে তিনি লেখেন, ‘যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক জানাচ্ছি যে, আমার ভাইয়ের অকাল মৃত্যুর শোকে অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় আম্মুর পাশে থাকার জন্য আমার কলেজ থেকে ছাড়পত্রের প্রয়োজন। অতএব জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ আমাকে ছাড়পত্র প্রদান করে বাধিত করবেন।’

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য গঠিত নিবিড় পর্যবেক্ষণ কমিটির (নিপক) প্রধান সমন্বয়কারী ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর পুরঞ্জয় বিশ্বাস জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা সব ধরনের সহায়তার আশ্বাসের পরও শুধু পারিবারিক সিদ্ধান্তের কারণে সে ছাড়পত্র নিয়েছে।’

    ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নেহাল আহমেদ বলেন, ‘ঢাকা কলেজ প্রশাসন আবরার ফাইয়াজের ব্যাপারে অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। আমরা তার নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত ছিলাম। সে বাইরে থেকে ক্যাম্পাসে ক্লাসে আসতো। আমি তাকে হলে সিটের ব্যবস্থা করে দিতে চেয়েছিলাম। সেখান থেকে সে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পড়ালেখা চালাতে পারতো। একপর্যায়ে সে ঢাকা কলেজেই পড়বে বলে কিছুটা মন স্থির করলেও পরে তার মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলে ছাড়পত্র নেয়ার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।’

    যেকোনো ছাত্রের জন্য ঢাকা কলেজের পরিবেশ সম্পূর্ণ নিরাপদ উল্লেখ করে অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘সে কুষ্টিয়ায় পড়ালেখা করলেও যে কোনো ব্যাপারে সহযোগিতার জন্য তাকে আশ্বস্ত করেছি।’

    উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে গত ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    এ ঘটনার পর মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে ঢাকা কলেজে আসেন আবরার ফাইয়াজ। সে সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বড় ভাইয়ের এমন মৃত্যুতে পুরো পরিবার মুষড়ে পড়েছে। বাবা-মা চান না আমি তাদের ছেড়ে থাকি। তাই ঢাকা কলেজ ছাড়লাম। আবরার ফাইয়াজ ঢাকা কলেজের একাদশ শ্রেণিতে পড়তেন।

  • এবার দ্রুত সময়ের মধ্যে ভিসি নিয়োগের দাবী ববি শিক্ষার্থীদের

    এবার দ্রুত সময়ের মধ্যে ভিসি নিয়োগের দাবী ববি শিক্ষার্থীদের

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    বরিশাল বিশ্বিবিদ্যালয়ের ভিসির অপসারণের দাবীতে চলতি বছরের ২৬ মার্চ থেকে দীর্ঘ টানা ৩৫ দিনের আন্দোলন করেছে শিক্ষার্থীরা।  এরপর ভিসি বিহীন সাড়ে ৫ টি মাস অতিবাহিত হয়ে গেছে। মধ্যখানে কিছুসময় ট্রেজারারকে ভিসির রুটিন দায়িত্ব দেয়া হলেও গত ৭ অক্টোবর তার মেয়াদকালও শেষ হয়ে গেছে। সবমিলিয়ে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা এবং ফল প্রকাশ আটকে গেছে। স্থবির হয়ে পড়েছে প্রশাসনিক এবং উন্নয়নমূলক কাজ। বাতিল করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা।

    আর এসবকিছুর পর ভিসির অপসারনের দাবীতে আন্দোলন শেষ হওয়ার সাড়ে ৫ মাসের মাথায় দ্রুত সময়ের মধ্যে ভিসি নিয়োগের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন করে আন্দোলনে নেমেছে।

    বৃহষ্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ভিসি, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সহ গুরুত্বপূর্ন পদগুলোতে দ্রুত সময়ের মধ্যে যোগ্য কর্মকর্তা নিয়োগের দাবী জানানো হয়েছে।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলীম সালেহী, মহিউদ্দিন আহমেদ শিফাত, লোকমান হোসেন, ইকবাল মাহমুদ এবং রাজু গাজী সহ অন্যান্যরা।

    বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগ সৎ ও যোগ্য ভিসি নিয়োগের জন্য রাস্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবী জানান।

    ভিসি তাড়িয়ে আবার কেন ভিসি নিয়োগের আন্দোলন জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা জানায়, তৎকালীন ভিসি ছিলো স্বৈরাচার। তার অনিয়ম-দুর্নীতি শিক্ষার্থীরা মুখ বুজে সহ্য করতে না পেরে অপসারনের দাবীতে আন্দোলন করা হয়েছিলো।  কিন্তু দির্ঘ ৫ মাসেও নতুন ভিসি নিয়োগ না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একামেডিক, প্রশাসনিক এবং উন্নয়ন কার্যক্রম একেবারে স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে একজন সৎ এবং যোগ্য ব্যক্তিকে ভিসি নিয়োগের দাবী জানান তারা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার বাহাউদ্দিন গোলাপ জানান, দির্ঘদিন ধরে ভিসি না থাকায় অনেক গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত আটকে আছে। সিন্ডিকেট কমিটি এবং একাডেমিক কাউন্সিলের সভা হয় না দির্ঘদিন ধরে।  এমনকি ১৭ ও ১৮ অক্টোবরের স্নাতক ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগের ফল প্রকাশ করা যাচ্ছে না। প্রশাসনিক কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় দ্রুত ভিসি নিয়োগ না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে দির্ঘ মেয়াদে অচলাবস্থার সৃস্টি হবে বলে আশংকা তার।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসেব শাখার সহকারী পরিচালক মো. আতিকুর রহমান জানান, ভিসি না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলতি মাসের বেতন প্রদান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া সকল আর্থিক কার্যক্রম থমকে গেছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মুরশিদ আবেদীন বলেন, ভিসি না থাকার কারনে সকল উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদারদের কোটি কোটি টাকার বিল আটকে গেছে। নতুন ভিসি নিয়োগ ছাড়া এই সংকট উত্তরনের কোন পথ নেই।

    বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক আবু জাফর মিয়া বলেন, ভিসি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক। তিনি না থানায় সকল কর্মকান্ডে স্থবিরতা নেমে এসেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে একজন ভিসি নিয়োগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম সচল রাখার জন্য রাস্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবী জানান শিক্ষক নেতা আবু জাফর মিয়া।

    এর আগে গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ১ মাসেরও বেশী সময় ধরে শিক্ষার্থী আন্দোলনের মুখে মেয়াদ শেষের আগেই দেড় মাসের ছুটিতে যেতে বাধ্য হন তৎকালীন ভিসি প্রফেস ড. এসএম ইমামুল হক। ছুটি কাটিয়ে গত ২৭ মে শেষ কার্যদিবস অতিবাহিত করেন তিনি। এরপর ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মাহবুব হাসান ভিসির রুটিন দায়িত্বে থাকলেও গত ৭ অক্টোবর তার ৪ বছরের মেয়াদ শেষ হয়। এর আগে থেকেই রেজিস্ট্রার এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের পদ শূন্য রয়েছে। ২০১২ সালে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর পর আজ পর্যন্ত উপ-উপাচার্য নিয়োগ হয়নি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

  • অভিভাবক শূন্য ববি : উপাচার্যসহ শীর্ষ ৫ প্রশাসনিক পদে নেয় কেউ

    অভিভাবক শূন্য ববি : উপাচার্যসহ শীর্ষ ৫ প্রশাসনিক পদে নেয় কেউ

    ববি প্রতিনিধি:

    অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েছে বরিশাল  বিশ্ববিদ্যালয় (ববি)। গত ২৭ মে ৪ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে উপাচার্য শূন্য হয়ে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। আর বিশ্ববিদ্যালয়  শুরু  থেকেই  কোনো  উপ-উপাচার্য  না  থাকায়  এখন  পুরোপুরি  অভিভাবক  শূন্য বিশ্ববিদ্যালয়টি। রেজিস্ট্রার পদ শূন্য রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। এতদিন ট্রেজারার ভিসির রুটিন দায়িত্ব পালন করলেও তার মেয়াদও শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন এ পদটিও ফাঁকা রয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমেও চলছে  অচলাবস্থা। আটকে আছে বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা,  ফলাফল। এতে সেশন জট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি  শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাও আটকে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদের মধ্যে একটি ছাড়া বাকিগুলোর ডিনের দায়িত্ব পালন করেন উপাচার্য। ফলে ওইসব বিভাগের পরীক্ষা, ফলাফল  প্রকাশসহ সব কার্যক্রম স্থবির রয়েছে।

    এদিকে ভিসি না থাকায় শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবার মধ্যেই গাছাড়া ভাব লক্ষ্য করা  গেছে। স্থবির  হয়ে পড়েছে  বিশ্ববিদ্যালয়ের  প্রশাসনিক  এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। স্থগিত হয়ে আছে শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলার।

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পাঁচ মাস আগে সরে যেতে হয় তৎকালীন ভিসি এসএম ইমামুল হককে। পরে ওই পদে রুটিন দায়িত্ব দেয়া হয় ট্রেজারার একেএম মাহাবুবকে। ২০১৫ সালে যোগ  দেয়া  ট্রেজারারের মেয়াদও শেষ হয় গত ৭ অক্টোবর। ওইদিন তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একইদিন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ফজলুল হকের মেয়াদ শেষ হলে ট্রেজারারের সঙ্গে তিনিও বিশ্ববিদ্যালয়  থেকে বিদায় নেন। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের  জন্মলগ্ন  থেকেই প্রোভিসি পদ খালি রয়েছে।

    শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর  মিয়া বলেন, উপাচার্য না থাকায় একাডেমিক, অর্থ ও সিন্ডিকেট সভা হচ্ছে না ছয় মাস ধরে। এ কারণে সিলেবাস  ও ফলাফল কার্যক্রম  অনুমোদন  দেওয়া যাচ্ছে না। খণ্ডকালীন  শিক্ষকও নিয়োগ হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের  শৃঙ্খলা ভেঙে  পড়েছে। উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া খুবই জরুরি ।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী রেজিষ্টার মো. মিলন বলেন, উপাচার্য না থাকায়  একাডেমিক, অর্থ ও সিন্ডিকেট সভা হচ্ছে না ফলে একাডেমি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থমকে যাবার মতো । খুব শীঘ্রই উপাচার্য  নিয়োগ না হলে  বিশ্ববিদ্যালয়  অপূরণীয়  ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে জানান তিনি।