Category: শিক্ষাঙ্গন

  • বরিশালে ডি ডাব্লিউ এফ ম্যাট্‌সের  জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ ২০১৯ উদযাপিত

    বরিশালে ডি ডাব্লিউ এফ ম্যাট্‌সের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ ২০১৯ উদযাপিত

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    বরিশালে ডি ডাব্লিউ এফ ম্যাট্‌সে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ -২০১৯ উদযাপিত হয়েছে আজ ২০ এপ্রিল শনিবার। ডি ডাব্লিউ এফ ম্যাট্‌সের অধ্যক্ষ ড. এস এম সিরাজুল ইসলাম এ জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করেন।

    উদ্বোধনের পর জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালীর আয়োজন করা হয়।

    অধ্যক্ষ ড. এস এম সিরাজুল ইসলাম নেতৃত্বে র‍্যলীটি ডি ডাব্লিউ এফ ম্যাট্‌সের ক্যাম্পাসের সামনে দিয়ে বের হয়ে নতুল্লাবাদ বাসস্টান্ড হয়ে আবার ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    এসময় উপস্তিত ছিলেন, ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ আলেয়া পারভীন এবং উপদেষ্টা জাকিয়া ফাহিম।

    জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ অনুস্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডি ডাব্লিউ এফ ম্যাট্‌সের প্রভাষক নুসরাত স্বর্না, শাহিন মিয়া,সুরাইয়া আক্তার,শান্তা ইসলাম,কামরুন্নেসা সুখী সহ সকল কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সকল ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    অধ্যক্ষ ড. এস এম সিরাজুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। অনুস্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ আলেয়া পারভীন।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    আরো বক্তব্য রাখেন, ডি ডাব্লিউ এফ ম্যাট্‌সের প্রভাষক নুসরাত স্বর্না, শাহিন মিয়া,সুরাইয়া আক্তার,শান্তা ইসলাম ও কামরুন্নেসা সুখী।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এর আয়োজন করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার শুভ উদ্বোধন করেন ড. এস এম সিরাজুল ইসলাম। উদ্বোধনের পর ড. শাহ ইমরান খানের নেতৃত্বে ফ্রি চিকিৎসা দেয়া হয় এলাকার জনসাধারণকে।

  • বর্ণিল আয়োজনের  মধ্য দিয়ে ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজে পালন করল জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ ২০১৯

    বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজে পালন করল জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ ২০১৯

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    আজ ২০ এপ্রিল শনিবার বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরিশাল ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজে পালন করল জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ -২০১৯। ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ -২০১৯ উদ্বোধন করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ আলেয়া পারভীন।

    এ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জনাব আব্দুল্লাহ আল মওদুদ (পরিচালক প্রশাসন),প্রভাষক কৃষ্না রানী,সুরমা সুলতানা,শারমিন আক্তার,মুশফিকা আক্তার,স্মৃতি কনা মজুমদার এবং ড. শাহ ইমরান খান সহ সকল কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সকল ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে বর্নাঢ্য র‍্যালীর আয়োজন করা হয়। র‍্যলীটি ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজের ক্যাম্পাসের সামনে দিয়ে চৌমাথা হয়ে আবার ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।

    এ অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন, অধ্যক্ষ আলেয়া পারভীন এবং প্রধান অতিথি ছিলেন, ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম।

    অধ্যাপক জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগে তিনি অনেক আনন্দিত। এই উদ্যোগের কারনে দেশের সবাই স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কে সচেতন হবে।

    অধ্যক্ষ আলেয়া পারভীন বলেন, জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ প্রধানমন্ত্রীর একটা চমৎকার উদ্যোগ।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    এ অনুষ্ঠানের বক্তব্য রাখেন, জনাব আব্দুল্লাহ আল মওদুদ (পরিচালক প্রশাসন),প্রভাষক কৃষ্না রানী,সুরমা সুলতানা,শারমিন আক্তার,মুশফিকা আক্তার,স্মৃতি কনা মজুমদার ও ড. শাহ ইমরান খান।


    ছবি: শাওন অরন্য।

    জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এর আয়োজন করা হয়।প্রাথমিক চিকিৎসার শুভ উদ্বোধন করেন অধ্যাপক জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম।


    ছবি: শাওন অরন্য।

    উদ্বোধনের পর ড. শাহ ইমরান খানের নেতৃত্বে ফ্রি চিকিৎসা দেয়া হয় এলাকার জনসাধারণকে।

  • রাজধানী ম্যাট্‌সের ক্যাম্পাসে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ ২০১৯ উদযাপিত

    রাজধানী ম্যাট্‌সের ক্যাম্পাসে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ ২০১৯ উদযাপিত

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ -২০১৯ উদযাপিত হয়েছে আজ ২০ এপ্রিল বরিশাল রাজধানী ম্যাট্‌সের ক্যাম্পাসে। রাজধানী ম্যাট্‌সের অধ্যক্ষ ড. স্বপন কুমার মিত্র এ জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর আয়োজন করা হয়।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    অধ্যক্ষ ড. স্বপন কুমার মিত্রের উপস্থিতিতে র‍্যলীটি রাজধানী ম্যাট্‌সের ক্যাম্পাসের সামনে দিয়ে পুলিশ লাইন হয়ে হয়ে আবার ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, রাজধানী ম্যাট্‌সের একাডেমিক পরিচালক জনাব সুদীপ কুমার নাথ,কোর্স কো-অর্ডিনেটর মানস কুমার নাথ,ড. শুভংকর বাৈড়, ড.মাজহারুল ইসলাম,ড. আমানুল্লাহ সহ সকল কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সকল ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    অধ্যক্ষ ড. স্বপন কুমার মিত্র প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য সেবা সবার নিশ্চিত করা উচিৎ।

    রাজধানী ম্যাট্‌সের একাডেমিক পরিচালক জনাব সুদীপ কুমার নাথ,কোর্স কো-অর্ডিনেটর মানস কুমার নাথ,ড. শুভংকর বাৈড়, ড.মাজহারুল ইসলাম,ড. আমানুল্লাহ বক্তব্য রাখেন এই জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ অনুষ্ঠানে।

    ছবি: শাওন অরন্য।

  • প্রশ্নপত্রে পর্নোতারকার নাম দেয়া সেই শিক্ষক বরখাস্ত

    প্রশ্নপত্রে পর্নোতারকার নাম দেয়া সেই শিক্ষক বরখাস্ত

    ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির পরীক্ষায় দুটি প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তরে দুই পর্নোতারকার নাম ছাপার দায়ে শিক্ষক শংকর চক্রবর্তীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয় বলে বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

    বুধবার (১৭ এপ্রিল) রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় বহু নির্বাচনী অংশের দুটি প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তরে চারটি অপশনের একটিতে পর্নো তারকা সানি লিওন ও মিয়া খলিফার নাম ব্যবহার করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্রে এমন অসংলগ্নতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

    একটি প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম কী? এই প্রশ্নের সম্ভাব্য যে চারটি উত্তর দেয়া হয়েছে, তার মধ্যে পর্নোতারকা মিয়া খলিফার নাম দেয়া হয়। তবে তার নাম লেখা হয়েছে ‘মিয়া কালিফা’।

    আরেকটি প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়, ‘আম-আটির-ভেঁপু’ কার রচিত? এই প্রশ্নের সম্ভাব্য চারটি উত্তরের একটি নাম সানি লিয়ন। শুধু তাই নয়, ওই প্রশ্নপত্রে রয়েছে এমন আরও অদ্ভূত বিষয়। চতুর্থ প্রশ্নটিতে প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস কোথায়- এমন প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তরে রাখা হয়েছে রাজধানীর বলধা গার্ডেন। তবে নামটি লেখা হয়েছে ‘বলদা গার্ডেন’।

    শিক্ষককে বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয় প্রকাশ সরকার বলেন, এটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। যে ভুল হয়েছে তা খুবই লজ্জাজনক। স্কুল বন্ধ থাকায় প্রশ্ন প্রণেতা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে একটু দেরি হয়েছে।

    তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। লজ্জাজনক প্রশ্নপত্র তৈরির কারণ জানতে চেয়ে তাকে শোকজও করা হয়েছে। আগামী ২৪ এপ্রিলের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    এদিকে গতকাল শুক্রবার রাজধানীর তিতুমীর কলেজ কেন্দ্রে শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার দুটি প্রশ্নে পর্নো তারকার নাম আসার বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

  • রাজধানী নার্সিং কলেজে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ ২০১৯ পালিত

    রাজধানী নার্সিং কলেজে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ ২০১৯ পালিত

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    আজ ২০ এপ্রিল শনিবার বরিশাল রাজধানী নার্সিং কলেজে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ -২০১৯ পালিত হয়েছে।

    রাজধানী নার্সিং কলেজের উপাধ্যক্ষ পিংকী রানি শীল এর নেতৃত্বে এ স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ পালিত হয়।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    এ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, রাজধানী নার্সিং কলেজের উপদেস্টা বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব সাইফুর রহমান মিরন, প্রভাষক কুলসুম জাহান, ফারজানা আক্তার,খুশি আক্তার, সকল কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সকল ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে বর্নাঢ্য র‍্যালীর আয়োজন করা হয়। র‍্যলীটি রাজধানী নার্সিং কলেজের ক্যাম্পাসের সামনে দিয়ে বটতলা হয়ে আবার ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    উপাধ্যক্ষ পিংকী রানি শীল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগে তিনি অনেক আনন্দিত। এই উদ্যোগের কারনে দেশের সবাই স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কে সচেতন হবে।

    এছারা এই অনুষ্ঠানে উপদেস্টা বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব সাইফুর রহমান মিরন, প্রভাষক কুলসুম জাহান, ফারজানা আক্তার ও খুশি আক্তার বক্তব্য রাখেন।

    ছবি: শাওন অরন্য।

  • নুসরাত হত্যা: স্বীকারোক্তিতে যা বললেন সেই শম্পা ওরফে পপি

    নুসরাত হত্যা: স্বীকারোক্তিতে যা বললেন সেই শম্পা ওরফে পপি

    সম্প্রতি সবচেয়ে আলোচিত নাম ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি। তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে করে বোরকা পরিহিত দুর্বৃত্তরা।

    ওই ঘটনায় আরও একটি নাম আলোচনায় আসে, সেটি হচ্ছে শম্পা। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার আগে নুসরাত এই শম্পার নাম বলে যায়। যদিও এটি তার প্রকৃত নাম নয়। কিলিং মিশনে অংশ নেওয়ার সময় ছদ্মবেশি এই নামটি ধারণ করেছিলেন তিনি। তার আসল নাম উম্মে সুলতানা পপি। তিনি ঘটনার প্রকৃত অভিযুক্ত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার ভাগনি।

    আলোচিত ওই হত্যাকাণ্ডে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন পপি ওরফে শম্পা।

    জবানবন্দিতে পপি জানান, ঘটনার সঙ্গে তিনি প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। ঘটনার দিন নুসরাতকে ছাদে ডেকে নেন পপি এবং কিলিং মিশনে অংশ নেন।

    পপি আরও জানান, নুসরাত হত্যাকাণ্ডের তিনটি সভার মধ্যে প্রথমটিতে তিনি ও মনি উপস্থিত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের সময় পপি ও মনি হাত বাঁধে জাবেদ ও যোবায়ের কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়। পরে তারা পরীক্ষার হলে অবস্থান করে। এ কাজে অংশ নিতে নূর উদ্দিন ও হাফেজ আবদুল কাদের তাদের নানাভাবে উৎসাহ দিয়েছে।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন জোরদার হচ্ছে, সেশন জটের আশঙ্কা

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন জোরদার হচ্ছে, সেশন জটের আশঙ্কা

    ভিসির পদত্যাগের দাবিতে ববি’র শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন দমাতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একইসাথে উপাচার্য ড. এসএম ইমামুল হক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন। এতে করে আন্দোলন আরও জোরদার হচ্ছে।

    টানা ২৪দিন ধরে শিক্ষার্থীদের এবং পরবর্তীকালে শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক কর্মকান্ড স্থবির হয়ে পরায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন চরম ক্ষতির মুখে পরেছে। আর এতে করে সেশন জটের আশঙ্কা করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। একাধিক শিক্ষার্থীরা বলেন, ভিসির পদত্যাগের দাবিতে গত ২৪ দিনের আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে অচলাবস্থা চলছে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থী বিশেষ করে দরিদ্র, মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখোমুখি হতে হবে। এসব নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবির বিষয়টি এখন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একমাত্র দাবিতে পরিনত হয়েছে। উপাচার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন সেটা মোটেও অভিভাবকসুলভ নয়। উপাচার্যের মেয়াদ রয়েছে আগামী ২৭ মে পর্যন্ত। এরপরে তিনি আর ওইপদে নিয়ম অনুযায়ী থাকতে পারবেন না। এই অল্পদিনের জন্য গত ২৪ দিন এবং সামনে আরও দেড় মাস যদি এভাবে পাঠদান ও ক্লাস বন্ধ থাকে তাহলে হাজার হাজার সাধারণ শিক্ষার্থীকে সেশনজটে পরতে হবে। এছাড়া আন্দোলনের কারণে রুটিন অনুযায়ী যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিলো সেগুলোও নেয়া সম্ভব হয়নি। আন্দোলন শেষ হলে নতুন করে আবার রুটিন তৈরি করবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস, তাতে অনেক সময় চলে যাবে। যেজন্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেক সমস্যায় পরতে হবে। এতে নেতিবাচক প্রভাব পরার আশঙ্কা রয়েছে।

    শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টির সমাধান করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার হাত থেকে রক্ষা করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এর আগে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামিম, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৈঠক করেও বিষয়টির কোন সুরাহা করতে পারেননি।

    সূত্রমতে, শিক্ষার্থীদের না জানিয়ে গত ২৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আয়োজন করার প্রতিবাদ করায় ওইদিনের আরেকটি অনুষ্ঠানে উপাচার্য শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে মন্তব্য করেন। এর প্রতিবাদে গত ২৭ মার্চ থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে শিক্ষার্থীরা ভিসির বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি করে আন্দোলন শুরু করে। ২৮ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। ২৯ মার্চ উপাচার্য তার মন্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলেও তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি শিক্ষার্থীরা। তারা ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখে।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এসএম ইমামুল হকের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ২৪দিনের আন্দোলনে তিনবার মহাসড়ক অবরোধ, অবস্থান কর্মসূচি, মানববন্ধন, প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মশাল মিছিল, রক্ত দিয়ে দেয়াল লিখন, ভিসির কুশপুতুল দাহ, প্রতীকী অনশন, কালো কাপড় মুখে বেঁধে, কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন, জেলা প্রশাসনের কার্যালয় ঘেরাওসহ ভিসির পদত্যাগের দাবি করে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

    শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মুখে উপাচার্য ইমামুল হক ১৫ দিনের ছুটির জন্য আবেদন করেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, উপাচার্যর ক্যাম্পাসে ফিরে আসার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই। তাকে ঘটনার পর থেকেই বরিশালে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। তাকে ১৫ দিনের ছুটিতে নয়, হয় তার কর্ম মেয়াদকাল (আগামী ২৮ মে) পর্যন্ত ছুটি নতুবা পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরবেন না বলেও শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন।

    শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও কর্মচারীরা আট দফা দাবিতে গত পাঁচদিন ধরে (দুইঘন্টা করে) অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ১৫দিনের ছুটিতে থাকা উপাচার্য ড. এসএম ইমামুল হকের স্বাক্ষরিত গত ১৬ এপ্রিলের এক নোটিশে ব্যাংকের দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কোনো ধরনের অর্থ না দেয়ার জন্য ব্যাংকের ব্যবস্থাপককে নির্দেশ দেয়া হয়। এমনকি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিতেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজের অর্থ বরাদ্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী ব্যাংক শাখা থেকে দেয়া হতো। উপাচার্যের এমন নির্দেশের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বেতন-ভাতা তুলতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ব্যাংকের কর্মকর্তারা। এ নির্দেশের পর শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও শিক্ষার্থীদের সাথে একত্মতা প্রকাশ করে একমাত্র ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন। এতে করে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবির আন্দোলন আরও বেগবান হয়েছে। ইতোমধ্যে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে একত্রিত হয়ে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মিয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা এখন এক দাবিতে ঐক্যবদ্ধ। তা হলো উপাচার্যের পদত্যাগ। ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে। পদত্যাগ না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে শিক্ষক-কর্মচারীরা

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে শিক্ষক-কর্মচারীরা

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হকের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এবার আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন শিক্ষক ও কর্মচারীরা। শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতাসহ ৮ দফা দাবিতে গত চারদিন (২ ঘণ্টা করে) অবস্থান কর্মসূচিপালন করে আসছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

    বৃহস্পতিবার থেকে তারা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরাও।

    বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা। মানববন্ধন থেকে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করা হয়।

    এ সময় বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ কর্মচারীরা এখন এক দাবিতে ঐক্যবদ্ধ। আর তা হলো উপাচার্যের পদত্যাগ। তিনি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। পদত্যাগ না করলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

    গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানোর প্রতিবাদ করায় শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলেন উপাচার্য। তার ওই বক্তব্যের পর ২৮ মার্চ থেকে ১০ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। একই দিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্লাস-পরীক্ষা এবং আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করে। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করে ওইদিনই তার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। উপাচার্য ২৯ মার্চ তার বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিলেও তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেনি শিক্ষার্থীরা। তারা তার পদত্যাগের দাবিতে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মশাল মিছিল, রক্ত দিয়ে দেয়াল লিখন, প্রতীকী অনশন, কালো কাপড়ে মুখে বেঁধে বিক্ষোভ এমনকি মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন। শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মুখে উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হক গত বৃহস্পতিবার ১৫ দিনের ছুটির জন্য আবেদন করেছেন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এই উপাচার্য ক্যাম্পাসে ফিরে আসার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই। তাকে ঘটনার পর থেকেই অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। তাকে ১৫ দিনের ছুটিতে নয়, হয় তার কর্ম মেয়াদকাল ২৮ মে পর্যন্ত ছুটি নতুবা পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

    এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ২৩ দিনের মাথায় তাদের সঙ্গে যোগ দিল শিক্ষক-কর্মচারীরারা।

    যোগাযোগ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হক জানান, ব্যক্তিগত কারণে তিনি ১৫ দিনের ছুটির আবেদন করেছেন। এরপর নতুন করে কোনো ছুটির আবেদন করেননি। সময় বাড়িয়ে নতুন আবেদন করার প্রয়োজনীয়তাও অনুভব করছেন না।

    তিনি বলেন, একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে। তাদের ইন্ধনেই শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছে। শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছে কুচক্রী ওই মহলটি।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বন্ধের নির্দেশ দিলেন উপাচার্য

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বন্ধের নির্দেশ দিলেন উপাচার্য

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন দমাতে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন উপাচার্য ড. এসএম ইমামুল হক। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজের অর্থ বরাদ্দ, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী ব্যাংক শাখা থেকে দেয়া হয়। উপাচার্যের এমন নির্দেশের কারণে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা তুলতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

    ১৬ এপ্রিল উপাচার্য ড. এসএম ইমামুল হক স্বাক্ষরিত এক নোটিশে ব্যাংকের দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো ধরনের অর্থ না দেয়ার জন্য ব্যাংকের ব্যবস্থাপককে নির্দেশ দেয়া হয়।

    নোটিশে বলা হয়, আপনাকে (ব্যবস্থাপক) জানাচ্ছি যে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব নম্বর (০৩৩৮১১০০০০০০১) ও (০৩৩৮১১০০০০০০২) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত যাবতীয় অর্থ প্রদান (ইতোপূর্বে প্রদত্ত সব চেকসমূহ) স্থগিত রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করছি।

    এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মিয়া বলেন, উপাচার্যের সিদ্ধান্তটি অমানবিক। শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলন দমাতে উপাচার্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে করে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবির আন্দোলন আরও বেগবান হবে।

    এ বিষয়ে জানতে ঢাকায় অবস্থানরত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এসএম ইমামুল হকের মুঠোফানে কল দেয়া হলে রিসিভ করেননি তিনি।

    কিছুক্ষণ পর একই ফোন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াজোঁ অফিসের কর্মচারী পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি বলেন, ভিসি স্যারের কাছে কোনো কিছু জানার থাকলে আমাকে বলতে বলেন। তার কাছে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিতের বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে বলেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

    সোনালী ব্যাংক বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ব্যবস্থাপক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ১৬ এপ্রিল উপাচার্য ড. এসএম ইমামুল হক একটি ই-মেইল পাঠান। সেখানে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দুটি স্থগিত রাখার জন্য নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত যাবতীয় অর্থ প্রদান স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। ভিসির নির্দেশনা মতে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছে।

    এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এসএম ইমামুল হকের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেন শিক্ষক ও কর্মচারীরা। শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতাসহ ৮ দফা দাবিতে গত চারদিন (২ ঘণ্টা করে) অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

    বৃহস্পতিবার থেকে তারা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা। মানববন্ধন থেকে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করা হয়।

    মানববন্ধনে শিক্ষকরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ কর্মচারীরা এখন এক দাবিতে ঐক্যবদ্ধ। তা হলো উপাচার্যের পদত্যাগ। তিনি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে। পদত্যাগ না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।

    গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানোর প্রতিবাদ করায় শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলেন উপাচার্য। তার ওই বক্তব্যের পর ২৮ মার্চ থেকে ১০ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। একই দিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্লাস-পরীক্ষা এবং আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করে।

    শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করে ওইদিনই তার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। উপাচার্য ২৯ মার্চ তার বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিলেও তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি শিক্ষার্থীরা। তারা তার পদত্যাগের দাবিতে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মশাল মিছিল, রক্ত দিয়ে দেয়াল লিখন, প্রতীকী অনশন, কালো কাপড়ে মুখে বেঁধে বিক্ষোভ এমনকি মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের চলমান আন্দোলনের মুখে উপাচার্য ইমামুল হক গত বৃহস্পতিবার ১৫ দিনের ছুটির জন্য আবেদন করেছেন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এই উপাচার্য ক্যাম্পাসে ফিরে আসার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই। তাকে ঘটনার পর থেকেই অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। তাকে ১৫ দিনের ছুটিতে নয়, হয় তার কর্ম মেয়াদকাল ২৮ মে পর্যন্ত ছুটি নতুবা পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

  • বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ বরিশালের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেল

    বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ বরিশালের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেল

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ বরিশালের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেল। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ২৫০০ এর বেশি ছাত্র ছাত্রী রয়েছে।শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা ৪০জন।এছাড়াও কর্মচারি আছে ২২জন। বর্তমানে এ কলেজে অধ্যক্ষ হিসাবে আছেন মেজর সাহিদুর রহমান মজুমদার। ১১ সদস্যবিশিষ্ট গভর্নিং বডি আছে এই প্রতিষ্ঠানটিতে।

    ফাইল ছবি।

    বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার আছেন সভাপতি হিসাবে এবং কলেজ অধ্যক্ষ মেজর সাহিদুর রহমান মজুমদার আছেন সদস্য সচিব হিসাবে।

    ১ একর ৮ শতাংশ জমির ওপর গড়ে উঠেছে এই প্রতিস্ঠানটি। এখানে আছে ৫ তলা একটি ভবন,আরো আছে অধ্যক্ষের বাসভবন,সাইকেল ও গাড়ি গ্যারেজ। অভিভাবকদের জন্য আছে একটি অপেক্ষাগার। এখানে আছে ৭৫ টি কক্ষ,১টি গ্রন্থাগার এবং ৭টি ল্যাব। আছে ছেলেদের জন্য ২টি ও মেয়েদের জন্য ২টি কমন রুম।মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের সাহায্যে ক্লাস নেয়া হয় এখানে। এই প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ৪৮টি সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে।

    ফাইল ছবি।

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে বরিশালে রাজাবাহাদুর সড়কের পাশে বরিশাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রথম অধ্যক্ষ হিসেবে প্রফেসর নুরুল আমিন ১৫ এপ্রিল ২০০৭ সালে যোগদান করেন। পর্যায়ক্রমে শিক্ষক ও কর্মচারীদের নিয়োগ দেয়া হয় এবং ২০০৭–২০০৮ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেনীর ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ভর্তির ঘোষণা করা হয়।

    এর পরের বছর ২০০৮ সালে মাধ্যমিক ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ষষ্ঠ শ্রেনী থেকে দশম শ্রেনীর কার্যক্রম শুরু করা হয়। বর্তমানে তৃতীয় শ্রেনী থেকে দ্বাদশ শ্রেনী পর্যন্ত এখানে ছাত্র ছাত্রী রয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের ১২টি কলেজের মধ্যে বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজটিকে সরকারিকরন করা হয়েছে।