Category: শিক্ষাঙ্গন

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রোন উড্ডয়ন সিএসই বিভাগের উদ্যোগে

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রোন উড্ডয়ন সিএসই বিভাগের উদ্যোগে

    অনলাইন ডেস্ক:

    ববির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ সোহেল মাহামুদ, আহম্মদ সাবির, জুবায়ের আবদুল্লাহ জয়, আবু সাঈদ মোঃ আফ্রিদি ও মীর সামিউর রহিম সাদ এর সফল প্রচেষ্টায় প্রথম বারের মত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আকাশে নিজেদের তৈরি ড্রোন উড়ল।

    সোমবার (৪ই ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গনে এর সফল উড্ডয়নের শুভ উদ্বোধন করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হক।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট রাহাত হোসাইন ফয়সাল, সিএসই বিভাগের প্রভাষক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, কোস্টাল স্টাডিজ এন্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাফিজ আশরাফুল হক সহ সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

    উপাচার্য শিক্ষার্থীদের এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।ড্রোনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।

    উদ্বোধনের পর ড্রোনটি উড়িয়ে দেখান কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়ের আবদুল্লাহ জয়।

    এসময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা করতালির মাধ্যমে নির্মাতাদের উৎসাহ প্রদান করেন। এর মাধ্যমে “অটোমেটেড ক্রপস কোয়ালিটি মনিটোরিং ইউজিং ড্রোন সার্ভেলেন্স এন্ড ইমেজ প্রসেসিং” প্রজেক্টের প্রথম পর্বের সফল উড্ডয়ন সম্পন্ন হল।

  • ভোলায় ‘’টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট’’ নির্মিত হচ্ছে

    ভোলায় ‘’টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট’’ নির্মিত হচ্ছে

    অনলাইন ডেস্ক:

    ভোলা উপজেলা সদরের ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ব্যাংকের হাট এলাকায় নির্মিত হচ্ছে ‘ভোলা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট’। ৫ একর জমির উপর ৬৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ইনস্টিটিউট নির্মাণ কাজ ২০১৬ সালের জুলাই মাসে শুরু করা হয়েছে। কারিগরী শিক্ষার প্রসারে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় গণপূর্ত বিভাগ। ২০২০ সালের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্প’র কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

    ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৪৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে দ্বীপ জেলায় কারিগরী শিক্ষার মান বৃদ্ধিসহ সার্বিক অবস্থার পরিবর্তন সাধিত হবে। বর্তমানে এখানে ৮টি ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। এছাড়া আরো ৫টি স্থাপনা নির্মাণ কাজ অচিরেই শুরু করা হবে।

    স্থানীয় গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সরোয়ার হোসেন জানান, এখানে মূলত টেক্সটাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপরে লেখা পড়া করার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। চলমান ৮টি ভবন নির্মাণের মধ্যে ৪তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের কাজ ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। ৬ তলার ছেলেদের হোস্টেল নির্মাণ কাজ হয়েছে ৮০ ভাগ। ৬ তলা ফিমেল হোস্টেল হয়েছে ৭০ ভাগ। ৬ তলা বিশিষ্ট ডরমেটরিসহ রেষ্ট হাউজ ভবনের কাজ হয়েছে ৬৫ ভাগ।

    প্রকৌশলী সরোয়ার আরো জানান, এখানে অফিসার্স কোয়ার্টার হচ্ছে ৬ তলা। এটার কাজ শেষ হয়েছে ৩০ ভাগ। ৪ তলা স্টাফ কোয়ার্টার ৪০ ভাগ। কর্টন স্পিনিং শেড হচ্ছে ৪ তলা বিশিষ্ট। এটা হয়েছে ৬৫ ভাগ এবং উইমিং এন্ড ডাইয়িং শেড এর কাজ হয়েছে ৪৫ ভাগ।

    এ ব্যাপারে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর রুহুল আমীন জাহাঙ্গির মনে করেন, বর্তমানে দেশের বস্ত্র্রখাত একটি সম্ভাবনময় খাত। এ খাতে প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ার সম্ভানা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন দক্ষ ও যোগ্য জনশক্তি। তাই এ ইনস্টিটিউটটি চালু হলে মাইলফলক হয়ে থাকবে। এ অঞ্চলের ছেলে-মেয়েরা কারিগরী শিক্ষায় তাদের মেধার অবদান রাখতে পারবে।

    গণর্পর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকেীশলী আবু সাইম খান বলেন, নির্মাণাধীন ভবনগুলো ছাড়াও আরো ৫টি ভবন ও স্থাপনার কাজ অচিরেই আরম্ভ করা হবে। এগুলো হলো, ২ তলা বিশিষ্ট প্রিন্সিপাল কোয়ার্টার, ২ তলার ওয়র্কশপ কাম লাইব্রেরি, ২ তলা বিশিষ্ট মিটিং শেড, জুট শেড ও একটি শহীদ মিনার। এছাড়া ইনস্টিটিউটের জন্য আরো কিছু স্থপনা নির্মিত হবে।

    তিনি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে ইনস্টিটিউটের জন্য ভবন নির্মাণ কেন্দ্রীক কাজগুলো গণপূর্তের মাধ্যমে করা হচ্ছে। পরবর্তিতে টেকনিক্যাল সার্পোট সংক্রান্ত কাজ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানানতিনি। -বাসস

  • ভোলায় এসএসসি শিক্ষার্থীর ইউএনও’র আক্রোশের শিকার পরীক্ষা বর্জন!

    ভোলায় এসএসসি শিক্ষার্থীর ইউএনও’র আক্রোশের শিকার পরীক্ষা বর্জন!

    অনলাইন ডেস্ক:

    ১০ বছর নয়, মাত্র ১০ মাসেই এসএসসি পরীক্ষার্থী রুবায়েত ওয়াদুদ গল্প’ হয়ে গেলেন গল্পের গল্প। পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন রোববার বাংলা দ্বিতীয় পত্রে পরীক্ষা বর্জন করল ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুতুবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র রুবাইয়াত ওয়াদুদ গল্প।

    গত বছর ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও শিশু দিবসে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত চিত্রাঙ্কনসহ সাহিত্য বিষয়ক প্রতিযোগিতায় সঠিক বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে শনিবার এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন ওই উপজেলার ইউএনও আব্দুস কুদ্দূসের নির্দেশে কক্ষ পরির্দশক শিক্ষার্থী গল্পের উত্তরপত্র নিয়ে আটকে রাখে, এমন অভিযোগ তুলেই পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেয়া হয়।

    রোববার (০৩ ফেব্রুয়ারি) ভোলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেয়ার পাশপাশি অভিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দূসের বিচার দাবি করেন গল্প ও তার পরিবার। একইভাবে জেলা প্রশাসক বরাবরও লিখিত অভিযোগ দেন পরীক্ষার্থী গল্প ও তার পিতা শেখ ফরিদ,মা হুমায়ারা সুরভী।

    এদিকে সংবাদ সম্মেলনে প্রমাণ হিসেবে ইউএনও বোরহানউদ্দিনের ফেসবুক স্ট্যাটাসের কয়েকটি ফটোকপি তুলে ধরা হয়। তাতে গল্পের স্ট্যাটাসের পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনও লেখেন গল্প যে কার আত্মীয় এবং কেন যে সে এই স্ট্যাটাস দিয়েছে তার কারণ কিছুক্ষণ আগে মাত্র অবগত হলাম। অসুবিধা নেই, এগিয়ে যাও, পারবে। শেষে লিখেন আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে আজ থেকে ১০ বছর পরে একটা গল্প লিখব। গল্পের নাম হবে ’গল্পের গল্প’।

    আরেক স্ট্যাটাসে দেখা গেছে- ইউএনও উপজেলা প্রশাসনের স্কুলের শিক্ষার্থীরা মেধাবী ও সেরা বলে উল্লেখ করে তাদের পুরস্কার পাওয়া সঠিক বলে দাবি করেন।

    তবে রোববার ইউএনও আব্দুস কুদদূস সাংবাদিকদের জানান, তিনি পরীক্ষার্থী গল্পকে চিনতেন না। ওই উপজেলায় ৪টি কেন্দ্রে ৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। কেউ দেখাদেখি করলে কক্ষ পরিদর্শককে খাতা কিছু সময়ের জন্য আটকে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে আগ থেকেই। এ নির্দেশ সবার জন্য প্রযোজ্য।

    তবে তিনি স্বীকার করেন- গত বছর বঙ্গবন্ধুর জন্ম উৎসবের প্রতিযোগিতার বিচার নিয়ে ওই ছেলে ফেসবুকে বাজে মন্তব্য করেছিল। ওই সময় তিনি ওই ছেলে ও তার অভিভাবকদের এসে দেখা করার জন্য লিখেছিলেন। তারা দেখা করেননি। পরে ওই ছেলের পরিচয় পেয়ে ইউএনও গল্পের গল্প লেখার বিষয় উল্লেখ করে স্ট্যাটাস দেয়ার বিষয়ও স্বীকার করেন। তবে তিনি দাবি করেন ওই স্ট্যাটাসের সঙ্গে পরীক্ষার হলের কোনো সম্পর্ক নেই। ওই ছেলে কেন পরীক্ষা বর্জন করেছে তাও তিনি বুঝতে পারছেন না।

    এদিকে ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, তিনি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। ঘটনা তদন্ত করে দেখছেন বলে জানান।

    অপরদিকে সংবাদ সম্মেলনে গল্প জানায়- সে কুতুবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী। তার রোল ১২২৩১১। দশম শ্রেণিতে তার ক্লাস রোল ছিল এক। সে বরাবর স্কুলে পরীক্ষা ভালো করার পাশপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে আসছিল।

    এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন গল্প বোরহানউদ্দিন আব্দুর জব্বার কলেজ কেন্দ্রে পুরাতন ভবনের ১নং কক্ষে পরীক্ষা দিচ্ছিল। ৩০ মিনেটের এমসিকিউ পরীক্ষার ১০ মিনিট যেতেই ইউএনও ওই কক্ষে প্রবেশ করেন। এর পরেই কক্ষ পরিদর্শক তার খাতাটি নিয়ে যান। পরীক্ষা শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট আগে ফেরত দেন।

    এ অবস্থায় বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় তার জিপিএ-৫ পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এমনকি ইউএনওর আক্রোশে তার পরবর্তী পরীক্ষাও ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হবে। এসব কথা বিবেচনা করেই শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা দেয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয় গল্প।

    গল্পের পিতা শেখ ফরিদ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ইউএনওর কারণে তার ছেলের ভবিষ্যত নষ্ট হলো। তিনি বিচার দাবি করেন।

    মা হুমায়ারা সুরভী ছেলের পরীক্ষা বর্জনের বিষয় তুলে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার স্বপ্নের কথা তুলে ধরে জানান, তাদের কত আশা ছিল। সব ভেস্তে গেছে। পরীক্ষার প্রথম দিন খাতা আটকে রাখার জন্য ছেলে ভীষণ ভয় পায়। গল্প আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এদিকে এমন ঘটনা জেলায় চাঞ্চল্যের সৃস্টি করেছে। রোববার দিনভর জেলাব্যাপী আলোচনার বিষয় ওয়ে ওঠে।

    এদিকে ইউএরওর এমন ঘটনায় বোরহানউদ্দিনের টবগী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করে। এ সময় তারা ইউএনওর বিচার দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ আলোড়ন তৈরি হয়েছে।

  • ভুল প্রশ্নপত্রের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

    ভুল প্রশ্নপত্রের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:

    এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে গতকাল বেশ কয়েকটি কেন্ন্দ্র ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণ ও পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি সরকার খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

    আজ রোববার রাজধানীর বকশীবাজারে সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ায় দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত এটি বহাল থাকবে। এ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেও গভীর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

    মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, কোনো পরীক্ষার্থীকে হলের বাইরে যেতে হলে তাকে প্রশ্নপত্র পরীক্ষা হলে রেখে যেতে হবে। ফলে, প্রশ্নপত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়তে পারবে না।

    সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং ভুল-ত্রুটি এড়িয়ে আরও সুন্দরভাবে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

    বাসসের খবরে বলা হয়,মন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমদ ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে এম ছায়েফ উল্যাহ উপস্থিত ছিলেন।

    গতকাল চট্টগ্রাম, জামালপুর, নওগাঁ, শেরপুর, সাতক্ষীরা, মুন্সিগঞ্জ, গাইবান্ধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাগেরহাট ও মাদারীপুরে মোট ১৮টি কেন্দ্রে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ভুল প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। কাল ছিল বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা। এসব প্রশ্নপত্র ছিল পুরোনো পাঠ্যক্রমের ভিত্তিতে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য। এ ঘটনায় কোথাও কোথাও প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে পরীক্ষা নেওয়া হলেও কোথাও কোথাও ভুল প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে কোথাও কোথাও বিক্ষোভ করেছে ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা।

  • বরিশাল শিক্ষাবোর্ড: অনুপস্থিত ৩৯৫, বহিষ্কার ৫

    বরিশাল শিক্ষাবোর্ড: অনুপস্থিত ৩৯৫, বহিষ্কার ৫

    স্টাফ রিপোর্টার/

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার বাংলা দ্বিতীয়পত্রে ৩৯৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অপরাধে ৫ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    এর মধ্যে ভোলা জেলায় তিনজন,ঝালকাঠি জেলায় একজন ও পটুয়াখালী জেলায় একজন পরীক্ষার্থী। আর অনুপস্থিতির মধ্যে ভোলা জেলায় ৬৯ জন, বরগুনায় ৪৮ জন, পটুয়াখালীতে ৭০ জন, পিরোজপুরে ৩৮ জন, ঝালকাঠিতে ৪৪ জন ও বরিশালে ১২৬ জন রয়েছেন।

    এর ফলে বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় মোট ৮৭ হাজার ৬২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৭ হাজার ২২৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

    ব‌রিশাল শিক্ষা বো‌র্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস জানিয়েছেন, প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও প্রশ্নফাঁ‌সের কোনো গুজব বা অভি‌যোগ পাওয়া যায়‌নি। আর এ ধর‌ণের ‌গুজ‌বে কান না দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবক‌দের প্রতি অনু‌রোধ জা‌নি‌য়ে‌ছেন তিনি।

  • বরিশালের আগৈলঝাড়ায়, পানির বোতল নিয়ে অভিভাবকদের কাছে ওসি

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায়, পানির বোতল নিয়ে অভিভাবকদের কাছে ওসি

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষারত অভিভাবকদের পানি পান করালেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন।

    শনিবার মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রথম দিন উপজেলার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে ঘুরে অপেক্ষারত অভিভাবকদের মাঝে তিনি পানির বোতল বিতরণ করেন। তার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

    স্থানীয়রা জানান. ওসি মো. আফজাল হোসেন নিজ খরচে এক হাজার পানির বোতল কিনে তা উপজেলা সদরের গৌলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্র, ভেগাই হালদার একাডেমি কেন্দ্রসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে অভিভাবকদের মাঝে বিতরণ করেন।

    অভিভাবকরা তার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ওসি মো. আফজাল হোসেনের উদ্যোগটি জনগণ ও পুলিশের মাঝে দূরত্ব কমাবে। তেমনি পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠা বাড়াবে।

    আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. আফজাল হোসেন জানান, পুলিশ জনগণের সেবক। যে কোনো সমস্যায় মানুষের পাশে বিশ্বস্ত বন্ধুর মতো দাঁড়ানোই পুলিশের কাজ। পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকরা কেউ রোদে দাঁড়িয়ে কেউবা বসে অপেক্ষা করছিলেন। অনেককেই আশপাশের দোকান থেকে পানি পান করতে হচ্ছে। এসব দেখে অভিভাবকদের মাঝে বিশুদ্ধ পানির বোতল দেয়া হয়েছে। পুলিশ সপ্তাহে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে মানুষ উপকৃত হবে এবং আমাদের কাছে টেনে নেবে।

  • বরিশালে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর জাল করে পরীক্ষা

    বরিশালে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর জাল করে পরীক্ষা

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা প্রবেশপত্রের মাধ্যমে আগৈলঝাড়া উপজেলায় এক শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপুল চন্দ্র দাস অভিযুক্ত পরীক্ষার্থী ও তার অভিভাবককে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে এ বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা বোডের্র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও জেলা প্রশাসককে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

    বরিশাল বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আনোয়ারুল আজিম বলেছেন, নির্বাহী কর্মকর্তার রিপোর্ট পেলেই অসাধু ওই চক্রটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    জানা গেছে, উপজেলার বাকাল নিরঞ্জন বৈরাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুব্রত দাস টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় ফরম পূরণ করতে পারেনি।

    কিন্তু সুব্রত ফরম পূরণ না করলেও বোর্ডের একটি চক্রের মাধ্যমে ওই বিদ্যালয়ের প্যাড, প্রধান শিক্ষক পুলিন বিহারী জয়ধরের স্বাক্ষর ও সিল জালিয়াতি করে ফরম পূরণের অনুমতি প্রদানের কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট স্কুলে গিয়ে প্রদর্শন করে।

    প্রধান শিক্ষকের জাল কাগজপত্র দেখে সন্দেহ হলে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষা বোর্ডকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস পৃথকভাবে শিক্ষা বোর্ড ও থানাকে লিখিতভাবে জালিয়াতির বিষয়টি জানান। পরে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আনোয়ারুল আজিম শিক্ষার্থী সুব্রত দাসের প্রবেশপত্র বাতিল করার নির্দেশ দিলেও অসাধু চক্রের হাত ধরে সুব্রতর নামে কর্মকর্তাদের নামের সিল ও স্বাক্ষর জাল করে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের নিয়মিত ছাত্র হিসেবে প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয়।

    সুব্রত জানায়, টেস্ট পরীক্ষায় সে ফেল করেছিল। জালিয়াতির বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। প্রবেশপত্রসহ কাগজপত্র সম্পর্কে তার মা সবিতা দাস জানেন। তাৎক্ষণিকভাবে সবিতাকে সেখানে হাজির করলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের নাম বলে দেন।

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আনোয়ারুল আজিম বলেন, নির্বাহী কর্মকর্তার রিপোর্ট পাওয়ার পরে অসাধু চক্রটি ধরতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এরকম ঝালকাঠিতে ১০টি ও পাথরঘাটায় ২৮টি প্রবেশপত্র বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিলেও অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরে তাদের ফলাফল স্থগিত বা বাতিল করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • বরিশাল বোর্ডে বাংলা প্রথম পত্রে অনুপস্থিত ৩৯০ জন

    বরিশাল বোর্ডে বাংলা প্রথম পত্রে অনুপস্থিত ৩৯০ জন

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রে ৩৯০ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছে। পাশাপাশি ভোলা জেলায় ২ ও পটুয়াখালী জেলায় ১ জনসহ ৪ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে।

    অনুপস্থিতির মধ্যে ভোলা জেলায় ৬৯, বরগুনায় ৪৬, পটুয়াখালীতে ৬৯, পিরোজপুরে ৩৮, ঝালকাঠিতে ৪২ ও বরিশালে ১২৬ জন রয়েছে। এরফলে আজ বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় মোট ৮৭ হাজার ৬২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৭ হাজার ২৩০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করেন।

    এদিকে ব‌রিশা‌লে সুষ্ঠু ও শা‌ন্তিপূর্ণভা‌বে অনুষ্ঠিত হয়েছে এসএস‌সির প্রথম‌দি‌নের পরীক্ষা। যথারীতি সকাল ১০ টায় পরীক্ষা শুরু হয় এবং ক‌ঠোর নিরাপত্তার মধ্য দি‌য়ে অনু‌ষ্ঠিত হয়েছে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা। ব‌রিশাল শিক্ষা বো‌র্ডে এবার মোট পরীক্ষার্থির সংখ্য ১ লাখ ৭ হাজার ৫ শ ৭৫ জন। এর ম‌ধ্যে ছাত্র ৫৩ হাজার ৪১ জন এবং ছাত্রী ৫৪ হাজার ৫ শ ৩৪ জন। কেন্দ্র ১শ ৭৬ টি। এছাড়া ২৩ টি ভি‌জি‌লেন্স টিমের ম‌ধ্যে শিক্ষা বো‌র্ডের ভি‌জি‌লেন্স টিম ১৬টি। এর বাই‌রেও জেলা প্রশাস‌নের একা‌ধিক টিম দায়িত্ব পালন করেছে।

    প্রশ্নফাঁ‌সের কোন গুজব বা অভি‌যোগ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়‌নি। এধর‌নের ‌গুজ‌বে কান না দেয়ার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবক‌দের প্রতি অনু‌রোধ জা‌নি‌য়ে‌ছেন ব‌রিশাল শিক্ষা বো‌র্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: ইউনুস।

  • পরীক্ষা দেওয়া হলো না রুনার, মায়ের নাম ভুল থাকায়

    পরীক্ষা দেওয়া হলো না রুনার, মায়ের নাম ভুল থাকায়

    অনলাইন ডেস্ক:

    প্রবেশপত্রসহ সব কাগজপত্রে মায়ের নাম ভুল হওয়ার কারণে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি রুনা আক্তার নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থী। এতে রাগ, ক্ষোভ ও অভিমানে সে বাড়িতে আত্মহননেরও চেষ্টা চালায়।

    শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের বহরিয়া গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। রুনা মোল্লা বাড়ির নুরু মোল্লার মেয়ে। তার মায়ের নাম পারভীন বেগম।

    সে ওই ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর মোহাম্মদীয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষার্থী ছিলো।

    রুনার বাবা নুরু মোল্লা বলেন, মাদ্রাসার অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র এলেও রুনার প্রবেশপত্র পরীক্ষার আগে না আসায় ক্ষোভ ও অভিমানে সে পরিবারের লোকজনের অগোচরে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মাদ্রাসা সুপার পলাতক।

    মাদ্রাসার অফিস সহকারী আব্দুল খালেক হাওলাদার বলেন, বাবার নাম ঠিক থাকলেও রুনার মায়ের নাম প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ভুল দেওয়ার কারণে তার প্রবেশপত্র দিনাজপুর জেলায় চলে যায়। কিন্তু পরীক্ষার আগ পর্যন্ত এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়নি।

    ওই মাদ্রাসার সুপার (প্রধান) আহসান উল্যার কাছে প্রবেশপত্র না আসার কারণ জানার জন্য মাদ্রাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

    শিক্ষার্থীর মামা ওমর ফারুক বলেন, প্রতিষ্ঠানের সুপার আহসান উল্যাহর দায়িত্বে অবহেলার কারণে আমার ভাগনি পরীক্ষা দিতে পারেনি। একটি বছর পিছিয়ে পড়লো। পরীক্ষার আগে তার সব বকেয়া বাবদ পাঁচ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা নুরু মোল্লা চাঁদপুর মডেল থানা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

    চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কানিজ ফাতেমা বলেন, ওই ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারার কারণ তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বাংলা প্রশ্ন! পরীক্ষা শুরুর ৩৮ মিনিটে ফেসবুকে

    বাংলা প্রশ্ন! পরীক্ষা শুরুর ৩৮ মিনিটে ফেসবুকে

    অনলাইন ডেস্ক:

    কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে আজ শনিবার সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এ পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষা শুরুর আগে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ না পাওয়া গেলেও পরীক্ষা চলাকালেই পরীক্ষাটির বহুনির্বাচনী প্রশ্ন এবং সৃজনশীল প্রশ্ন ফেসবুকে পাওয়া গেছে। পরীক্ষা শেষে আসল প্রশ্নের সঙ্গে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের মিল না পাওয়া গেলেও সৃজনশীল প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

    ফেসবুকের ‘Ssc all board question out 2019-√100%’ নামের একটি পেজে আজ সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে বহুনির্বাচনী প্রশ্ন পোস্ট করা হয়। এ পোস্টের প্রশ্নগুলো একটু ঝাপসা থাকায় ইনবক্সে পরিষ্কার ছবি এবং বহুনির্বচনীর সমাধান চেয়ে কমেন্ট করছেন পরীক্ষার্থীর অভিভাবকেরা। অন্যদিকে বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে পরীক্ষাটির সৃজনশীল প্রশ্নের ৩ নং সেটের প্রশ্ন পোস্ট করা হয়। বহুনির্বাচনী প্রশ্নের সঙ্গে অসল প্রশ্নের মিল পাওয়া না গেলেও সৃজনশীল প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অর্থাৎ সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এছাড়া কেন্দ্র সচিব এবং পরীক্ষায় ডিউটির দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা পরীক্ষার কেন্দ্রেই অবস্থান করবেন। জরুরি যোগাযোগের জন্য শুধু কেন্দ্র সচিব একটি মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন, তাও মোবাইলটিতে ক্যামেরা থাকা যাবে না। এছাড়া শিক্ষার্থী ও ডিউটি শিক্ষকরা কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবের না।

    এমন সব কড়া নির্দেশনার পরও পরীক্ষা চলাকালে কীভাবে প্রশ্নপত্র ফেসবুকে আসল তা জানতে চাইলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয় সাব কমিটি ও চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস অথবা কোনো ধরনের প্রশ্ন ফেসবুকে পাওয়া যাচ্ছে এমন খবর আমাদের কাছে নেই।

    jagonews

    ফেসবুকে প্রশ্ন পাওয়া গেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এবার এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে কোনোভাবেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া সম্ভব নয়। যদি পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্ন ফেসবুকে আসে তবুও সেটা আসল নাকি নকল তা দেখতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘নিয়ম আছে, কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়ার ১ ঘণ্টা পরেই সে চাইলে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যেতে পারবে। হয়তো এমনটিই হয়েছে। কোনো পরীক্ষার্থী ১ ঘণ্টা কেন্দ্রে ছিল, পরীক্ষা দিয়েছে, বের হয়ে এসে সেই প্রশ্নের ছবি তুলে ফেসবুকে দিয়েছে। কত রকম দুষ্টু চক্র যে আছে সবাইকে তো ধরতে পারব না।

    জিয়াউল হক বলেন, ‘তবে আজই হয়তো আমরা একটা নির্দেশনা দেব, কেউ ১ ঘণ্টা পরীক্ষায় এটেন্ড করে যদি বের হয়ে যেতে চায় তাহলে তাকে প্রশ্ন কেন্দ্রে জমা রেখে আসতে হবে।