Category: শিক্ষাঙ্গন

  • প্রথম‌দি‌নে নকলের দায়ে ২০ পরীক্ষার্থী ব‌হিষ্কার

    প্রথম‌দি‌নে নকলের দায়ে ২০ পরীক্ষার্থী ব‌হিষ্কার

    অনলাইন ডেস্ক:

    মাধ্য‌মিক স্কুল সা‌র্টি‌ফি‌কেট (এসএস‌সি) ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম‌দি‌নে রাজবাড়ীর পাংশায় অসদুপায় অবলম্ব‌নের দা‌য়ে ২০ জন দা‌খিল পরীক্ষার্থী‌‌কে ব‌হিষ্কার করা হ‌য়ে‌ছে।

    নির্বাহী ম্যা‌জি‌স্ট্রেট কা‌ফি বিন ক‌বির এ ব‌হিষ্কার আদেন।

    সেই সা‌থে ওই পরীক্ষা কে‌ন্দ্রের কেন্দ্রস‌চিব আবু মুছা আশারি ও পরীক্ষা ক‌ক্ষে কর্তব্যরত শিক্ষক‌দের অব্যাহ‌তি দেয়া হ‌য়ে‌ছে।

    পাংশা উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা র‌ফিকুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নি‌শ্চিত ক‌রেছেন।

    জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা‌গে‌ছে, এ বছর রাজবাড়ী‌তে ১৬ হাজার ৮০৬ জন পরীক্ষায় অংশ নি‌চ্ছে। ৯টি কে‌ন্দ্রে ১৩ হাজার ৪১৮ জন এসএস‌সি, ৬টি কে‌ন্দ্রে ২ হাজার ১৬৮ জন দা‌খিল, ৪ টি কে‌ন্দ্রে ১ হাজার ১৭৩ জন এসএস‌সি ভো‌কেশনাল ও ১টি কে‌ন্দ্রে ৪৭ জন দা‌খিল ভো‌কেশনাল পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দি‌চ্ছে।

  • সকালে কেন্দ্রে ঢুকে সন্ধ্যায় পরীক্ষা দেবেন এসএসসি পরীক্ষার্থী রিকি

    সকালে কেন্দ্রে ঢুকে সন্ধ্যায় পরীক্ষা দেবেন এসএসসি পরীক্ষার্থী রিকি

    অনলাইন ডেস্ক:

    সবাই যখন দিনের বেলায় পরীক্ষা দেবেন তিনি তখন অপেক্ষা করবেন কেন্দ্রে। তার পরীক্ষা শুরু হবে সন্ধ্যার পরে।

    এবার এসএসসিতে এমনই একজন পরীক্ষার্থী রিকি। যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে কুষ্টিয়ার একটি স্কুলের শিক্ষার্থী।

    খ্রিষ্ট ধর্মের সেভেন্থ ডে অ্যাডভান্টিস্ট সম্প্রদায়ের অনুসারীদের শনিবার দিনের বেলায় লেখালিখি নিষিদ্ধ।

    রিকি হালদার। কুষ্টিয়ার কুমারখালী সদরের “পারফেক্ট ইংলিশ ভার্সন স্কুলের” বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী।

    তবে খ্রিষ্ট ধর্মের সেভেন্থ ডে অ্যাডভান্টিস্ট সম্প্রদায়ের অনুসারী রিকি দিনে নয় পরীক্ষা দেবেন রাতে। কারণ তার ধর্মের রীতি অনুযায়ী, শনিবার দিনের বেলায় লেখালিখি নিষিদ্ধ।

    রিকির আবেদন ও ধর্মীয় রীতি আমলে নিয়ে তাকে রাতে পরীক্ষা দেয়ার অনুমতি দিয়েছে যশোর শিক্ষাবোর্ড। তিনি পরীক্ষা দেবেন শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত।

    তবে সহপাঠীদের সাথে সকালেই কেন্দ্রে ঢুকতে হবে তাকে। আর বের হতে হবে রাতে পরীক্ষা শেষ করে।

    এমন ঘটনা যশোর শিক্ষা বোর্ডের এসএসসির ইতিহাসে এটিই প্রথম। কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতায় খুশি রিকি ও তার পরিবার।

  • বরিশালে এসএসসিতে বসছে ১ লাখ ৭ হাজার শিক্ষার্থী

    বরিশালে এসএসসিতে বসছে ১ লাখ ৭ হাজার শিক্ষার্থী

    অনলাইন ডেস্ক:

    মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৫ জন। বিভাগের ছয় জেলায় মোট ১৭৬ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের মতো আগামী শনিবার থেকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য বোর্ড কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

    বোর্ড সূত্রে জানা যায়,এ বছর পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৫৩ হাজার ৪১ এবং ছাত্রী ৫৪ হাজার ৫৩৪। তার মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থী ৮৬ হাজার ৮১৯। বিভাগের ছয় জেলায় মোট ১৭৬ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    জেলাভিত্তিক পরীক্ষার্থী ও কেন্দ্র সংখ্যা হলো- বরিশালে পরীক্ষার্থী ৩৬ হাজার ২১০ জন ও কেন্দ্র ৬২টি, ঝালকাঠিতে পরীক্ষার্থী ১০ হাজার ৯৩৬ জন এবং কেন্দ্র ১৭টি, পিরোজপুরে পরীক্ষার্থী ১৩ হাজার ২০৫ জন ও কেন্দ্র ২৩টি, পটুয়াখালীতে পরীক্ষার্থী ২০ হাজার ১৭১ জন ও কেন্দ্র ৩০টি, বরগুনায় পরীক্ষার্থী ১১ হাজার ২৭৩ জন ও কেন্দ্র ২১টি, ভোলায় পরীক্ষার্থী ১৫ হাজার ৭৮০ জন ও কেন্দ্র ২৩টি।

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম বলেন, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ ১৬টি ও জেলা প্রশাসন ২৩টি ভিজিল্যান্স টিম গঠন করেছে।

  • বরিশালে জেলা প্রশাসক ইয়ং টাইগার্স অনূর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেট টিমের দায়িত্ব নিলেন

    বরিশালে জেলা প্রশাসক ইয়ং টাইগার্স অনূর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেট টিমের দায়িত্ব নিলেন

    অনলাইন ডেস্ক:

    গতকাল ৩১ জানুয়ারি বিকাল ৪ টায় জেলা প্রশাসক বরিশাল এর অফিস কক্ষে ইয়ং টাইগার্স অনুধর্ব-১৪ জাতীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা ২০১৮-২০১৯ (বিভাগীয় পর্যায়) এর চ্যাম্পিয়ান হওয়ায় জেলা প্রশাসক বরিশাল এর পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    এসময় বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম.অজিয়র রহমান বলেন আজ অনুধর্ব-১৪ বিজয়ী হয়েছো একদিন জাতীয় দলে খেলবে তবে খেলার পাশাপাশি নিজেদের শিক্ষিত করে তুলতে হবে তার জন্য খেলার পাশাপাশি লেখাপড়ার এগিয়ে যেতে হবে। তোমাদের প্রতি আমার শুভকামনা রইলো, ভবিষ্যতে তোমাদের পাশে আমি আছি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ ইকবাল আখতার  (শিক্ষা ও আইসিটি), সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়দেব চক্রবতী , দলের খেলোয়ার, কোচ, ম্যানেজার।

    বিভাগীয় পর্যায়ের ফাইনাল খেলায় বরিশাল জেলা চ্যম্পিয়ান হয়। পরে জেলা প্রশাসক খেলোয়াড়দের মাঝে জার্সি বিতরণ করেন।

  • প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১

    প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১

    অনলাইন ডেস্ক:

    বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন সুকৌশলে ফাঁস করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গাজীপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১ এর সদস্যরা।

    পিএসসি,জেএসসি এবং এসএসসিসহ সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে নিয়োগ এবং স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা অনেক দিন ধরে এই চক্রের শিকার হয়ে আসছিলেন।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার যোগীরসীট গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম ও শুকুর আলীর ছেলে মো. আকরাম হোসেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাজে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন বিশ্লেষণ করে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ব্যাপারে বিভিন্ন সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন যোগীরসীট এলাকা থেকে দুই প্রশ্নপত্র ফাঁসকারীকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান, র‌্যাব-১ এর কোম্পানির কমান্ডার লে. কমান্ডার আবদুল্লাহ আল মামুন।

    র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রফিকুল জানায়, সে গাজীপুরের ভাওয়াল বদলে আলম সরকারি কলেজের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র পাশাপাশি তার নিজস্ব কোচিং সেন্টার পরিচালনা করে এবং সেখানে শিক্ষকতা করত। কোচিং সেন্টারের শিক্ষকতা করার নামে ২০১৭ সালে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি খুলে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করে। সে ফেসবুকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে বিভিন্ন পোস্ট দিলে ছাত্রছাত্রীরা মেসেজ দিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করত। ২০১৭ সালের পিএসসি, জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের ৮-১০ টি পরীক্ষার প্রশ্ন বিতরণ করে মোটা অঙ্কের টাকা আয় করে। সে বিভিন্ন লিংক থেকে প্রশ্নপত্র ডাউনলোড করে ফেসবুকে পোস্ট দিত এবং ছাত্রছাত্রীদের নিকট থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা নিয়ে তাদের প্রশ্ন বিতরণ করার পরে ফাঁসকৃত প্রশ্নগুলো ফেসবুক থেকে ডিলিট করে দিত।

    অপর আসামি মো. আকরাম হোসেন  জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে ২০১৮ সালে এসএসসি পাশ করে। ২০১৮ সালে মো. রফিকুল ইসলাম এর ফেসবুক আইডি থেকে অনলাইনে প্রশ্নফাঁসের কাজে যুক্ত করে। ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সে ১০ টি পরীক্ষার প্রশ্নের পোস্ট দেয় এবং ছাত্রছাত্রীদের কাছে উক্ত প্রশ্ন অনলাইনে বিতরণ করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আয় করে।

  • কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি গ্রেপ্তার, চাঁদাবাজির মামলায়

    কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি গ্রেপ্তার, চাঁদাবাজির মামলায়

    অনলাইন ডেস্ক:

    চাঁদাবাজির মামলায় শুক্রবার দুপুরে মুন্সিগঞ্জ শহরের সরকারি হরগঙ্গা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নিবির আহমেদকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের কোর্টগাঁও এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিকেল ৩টার দিকে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

    সদর থানার তদন্ত ইন্সপেক্টর গাজী সালাহউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ভবন নির্মাণকাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী প্রীতম বাদী হয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

    মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল মীরধা ও সরকারি হরগঙ্গা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নিবির আহমেদের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো চার-পাঁচ জনকে আসামি করা হয়েছে।

  • এমন জায়গা থেকে তদবির আসে উপেক্ষা করতে কষ্ট হয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    এমন জায়গা থেকে তদবির আসে উপেক্ষা করতে কষ্ট হয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    চিকিৎসকদের বদলি, পদায়ন, পদোন্নতির জন্য কখনো এমন জায়গা থেকে তদবির আসে তা উপেক্ষা করতে কষ্ট হয় বলে স্বীকার করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গঠিত প্রতিষ্ঠানিক টিমের স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত ও তা প্রতিরোধে ২৫ দফা সুপারিশ সংবলিত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর হাতে প্রতিবেদনটি তুলে দেন দুদকের কমিশনার মোজাম্মেল হক খান।

    কমিশনার দুর্নীতি প্রতিরোধে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরে বক্তব্য দেন। এরপর স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে রয়েছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। দুর্নীতি থাকলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। আমরা চাই, সুশাসন সবক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হোক। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আমরা সারাদেশে যে সেবা দিয়ে থাকি, সেখানেও যাতে কোনো দুর্নীতির আছর না থাকে।’

    তিনি বলেন, ‘ভালো লোক থাকলে আমরা স্বচ্ছতা আনাতে পারব। ভালো যন্ত্রপাতি, ওষুধপত্র পাব। অর্থের অপচয় হবে না। এ বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি, কিছু লোককে আমরা সরিয়ে দিয়েছি।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা স্বীকার করি চিকিৎসকদের উপস্থিতিটা কোনো কোনো ক্ষেত্রে, বিশেষ করে উপজেলা লেভেলে খুবই কম। উপস্থিতির ক্ষেত্রে দুটি বিষয়- একটা হলো ডাক্তারের স্বল্পতা আছে। এটা একটা কারণ। আরকেটা কারণ হলো- ওনারা (ডাক্তার) থাকেন না, এটা অন্যায়।

    জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমরা একটি মনিটরিং সেল করছি। সচিব মহোদয় সেটা নিয়ে কাজ করছেন। সেটা মন্ত্রণালয়, অধিদফতরগুলো, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে থাকবে, এটা একটা নেটওয়ার্কিং। সবকিছু মনিটর করব, অর্থাৎ ডাক্তার, নার্স অন্যান্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতি, যন্ত্রপাতি সচল আছে কি না, ওষুধপত্র আছে কি না, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আছে কি না, পানি আছে কি না, টয়লেটগুলো ফাংশনাল কি না- এই বিষয়গুলো নিশ্চিত করবে সেল। আমরা অলরেডি পদক্ষেপ নিয়েছি।

    বদলি পদোন্নতির ক্ষেত্রে মাফিয়া চক্র থাকার কথা বলেছেন দুদকের কমিশনার। এ বিষয়টিও আমরা দেখব। পদোন্নতি তো তারই হওয়ার উচিত যে যোগ্য। সেই ভিত্তিতেই আমরা এখন থেকে পদোন্নতি দেয়ার চেষ্টা করব।

    তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে যাকে পোস্টিং দেয়া দরকার, ট্রান্সফার করা দরকার, যার যেখানে প্রয়োজন সেখানে সে যাবে। তয়-তদবিরে পোস্টিং হবে না।

    কিন্তু আপানারা জানেন আমরা এমন একটা সমাজে বাস করি, বাংলাদেশ তো ছোট, অনেক লোক। সেখানে তদবির করার লোক আবার অনেক। এমন সব জায়গা থেকে তদবির আসে সেটা উপেক্ষা করতে কষ্ট হয়। এরপরও আমরা চাইব তয়-তদবির যাতে না আসে এবং আমরা সঠিকভাবে যাতে কাজটা করতে পারি।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি স্বাস্থ্য শিক্ষার ক্ষেত্রে একটু বেহাল অবস্থা আছে। শিক্ষকের অভাব আছে, অবকাঠামোর অভাব আছে। সেই বিষয়গুলো আমরা দেখছি। যাতে মানসম্মত ডাক্তার তৈরি হয় আমরা সেই বিষয়টি নিশ্চিত করব আগামী দিনগুলোতে।

  • প্রশ্নপত্র ফাঁসে শিক্ষক বা কর্মকর্তা জড়িত হলে চাকরিচ্যুত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    প্রশ্নপত্র ফাঁসে শিক্ষক বা কর্মকর্তা জড়িত হলে চাকরিচ্যুত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব কিংবা এই কাজে তৎপর চক্রগুলোকে ধরতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নজরদারি বাড়িয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা জড়িত হলে চাকরিচ্যুত করা হবে।

    প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে ও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষার জন্য এমন নানা পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে আগামী শনিবার শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এ বছর গতবারের চেয়ে পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৪৩৪ জন। এবার ১০ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন। মোট ৩ হাজার ৪৯৭টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পরীক্ষাসংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। কেন্দ্রসচিব ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রশ্নপত্র আনার কাজে কালো গ্লাসযুক্ত যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য নিয়োগ করা ম্যাজিস্ট্রেট বা কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) ট্রেজারি বা থানা থেকে কেন্দ্রসচিবসহ সব সেট প্রশ্নপত্র গ্রহণ করে পুলিশি পাহারায় কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। পরীক্ষা শুরুর মাত্র ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নের সেটকোড (নির্ধারিত সেট) ঘোষণা করা হবে। সে অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কেন্দ্রসচিব ও পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষরে প্রশ্নপত্রের মোড়ক খুলতে হবে। প

    রীক্ষা নিয়ে বেআইনি কাজ করলে পরীক্ষাকেন্দ্র বাতিল, দোষী শিক্ষক বা কর্মকর্তা সরকারি হলে সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হলে এমপিও (বেতন বাবদ মাসিক অনুদান) স্থগিত করে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে। পরিচালনা পর্ষদ ব্যবস্থা না নিলে প্রয়োজনে পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করা হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক প্রমুখ।

  • ২ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, ওয়েবসাইটে পরীক্ষার সূচিও

    ২ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, ওয়েবসাইটে পরীক্ষার সূচিও

    মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড দেওয়ার দিন ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। সেই সঙ্গেই ঘোষণা করা হল ২০১৯ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার সূচিও।

    বুধবার পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি স্কুলগুলিকে মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে বোর্ডের অফিস থেকে। ছাত্রছাত্রীরা যে যার স্কুল থেকেই নির্দিষ্ট সময়ে এই অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।

    বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল পরীক্ষার দিনক্ষণের সূচিও। এই সূচি অনুযায়ী ২০১৯-এর মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। চলবে ২২ তারিখ পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে এবং চলবে দুপুর ৩টে অবধি। যদিও ছাত্রছাত্রীরা উত্তরপত্রে লেখা শুরু করতে পারবেন বেলা ১২টা থেকে। ছাত্রছাত্রীদের প্রশ্নপত্র দেখতে সময় দেওয়ার জন্যই এই বাড়তি ১৫ মিনিট দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

  • বরিশালে কোচিং সেন্টারের ৬ শিক্ষক আটক, র‌্যাব-৮এর অভিযানে

    বরিশালে কোচিং সেন্টারের ৬ শিক্ষক আটক, র‌্যাব-৮এর অভিযানে

    অনলাইন ডেস্ক:

    মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোচিং সেন্টার পরিচালনার অপরাধে ৬ জন শিক্ষককে আটক করেছে বরিশাল র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব)। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি)সকালে জেলা প্রশাসন ও র‌্যাব-৮ এর যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

    আটকরা শিক্ষকরা হলেন-অন্তর ইংলিশ টিচিং সেন্টার’ এবং ‘প্রত্যয় কোচিং সেন্টার’ নামক প্রতিষ্ঠানের নৃপেন বসু (৩৩),অসীম মন্ডল (৩৮) পলাশ মন্ডল (৪৬), অখীল কুমার পাল (৪৬), আরিফুজ্জামান (৩০), ও রাকিব হাসান (৩০)।

    র‌্যাব-৮ সূত্রে জানা গেছে, জেলার রাজৈর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সরকারি আদেশ অমান্য করে কোচিং সেন্টার পরিচালনা করা হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৮ ও জেলা প্রশাসন অভিযান চালায়।

    এসময় টেকেরহাট এলাকার দু’টি কোচিং সেণ্টারের পরিচালকদের আটক করা হয়েছে। অবৈধভাবে কোচিং সেন্টার পরিচালনার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনোয়ার হোসেন আটক প্রথম চারজনকে এক হাজার করে চার হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন এবং অপর দু’জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন।

    র‌্যাব-৮এর মাদারীপুর ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘সকালে টেকেরহাটে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব। এসময় দুই কোচিং সেন্টারে কোচিং চলমান থাকায় তাদের আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের সাজা দেওয়া হয়।

    আসন্ন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক মাসের জন্য সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।