Category: শিক্ষাঙ্গন

  • বরিশালে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে জখম, আটক ৪

    বরিশালে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে জখম, আটক ৪

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশাল সদর উপজেলার নরকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলাকালীন বঘাটের ছুরিকাঘাতে জেহাদ হাওলাদার নামে এক স্কুলছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে কুপিয়ে আহত করে বখাটেরা।

    এ ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা বখাটে ইমরান, জাহিদুল, রানা ও আলামিনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ সময় রাহাদ ও ইরাক নামে আরও ২ বখাটে পালিয়ে যায়। আহত জেহাদ উপজেলার সিংহেরকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং সিংহেরকাঠী গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী শিপন হাওলাদারের ছেলে। গুরুতর অবস্থায় তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নরকাঠী স্কুলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলাকালীন সিংহেরকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ললিপপ সাধে রাহাদ। এ সময় রাহাদের সাথে থাকা অন্যান্য বখাটেরা মেয়েটিকে নিয়ে কটুক্তি করতে থাকে।

    মেয়েটি বিষয়টি তার স্কুলের বড় ভাই জেহাদকে জানায়। জেহাদ বখাটেদের চলে যেতে বলে। এ নিয়ে বাক-বিতান্ডার এক পর্যায়ে ইমরান তার সাথে থাকা চুরি দিয়ে জেহাদকে এলোপাথারি কুপিয়ে আহত করে। এ সময় স্থানীয়রা ৪ বখাটেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটনের বন্দর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা হায়দার বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ৪ বখাটেকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আহতের বাবা মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় আটক ৪ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করার কথা বলেন ওসি।

  • ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা

    ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) অংশ নিচ্ছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে স্বতন্ত্র প্রার্থী দিচ্ছেন তারা।

    গণমাধ্যমকে সংগঠনটির একাধিক নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন।

    এর আগে সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন জানান, ‘বিভিন্ন বিষয়ে আন্দোলন করে আমরা সফল হয়েছি। এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় করার জন্য এবং তাদের পাশে থাকার জন্য আমরা কেন্দ্রীয় ও হল সংসদের নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডাকসু নির্বাচনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা অংশ নিলে রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবে ভিন্ন মতও রয়েছে, তা হলো কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থনে জোর ছিল। আর ডাকসু নির্বাচন একটি ভিন্ন বিষয়। এখানে রাজনৈতিক বিষয় কাজ করে। এখন সামনে বোঝা যাবে তারা কতটা সফল হয়।

    উল্লেখ্য, সাধারণ ছাত্রদের অধিকার রক্ষায় ছাত্র সংগঠনগুলোর তেমন বড় ধরনের সফলতা না থাকলেও কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা দাবি আদায়ে সক্ষম হয়েছিল।

    এদিকে ১৮ জানুয়ারি ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে রাজধানীর পল্টনে একত্র হয়েছিলেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। তখন ঢাবির কেন্দ্রীয় ও হল সংসদের নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন নেতারা।

  • যুক্তরাষ্ট্রে ৯বছর বয়সে কলেজে ভর্তি হয়ে বাংলাদেশী বালকের বিস্মময়কর চমক !

    যুক্তরাষ্ট্রে ৯বছর বয়সে কলেজে ভর্তি হয়ে বাংলাদেশী বালকের বিস্মময়কর চমক !

    নাম তার কায়রান। বয়স মাত্র নয় বছর। কায়রানকে বিস্ময়কর বালক বলাটা বাড়াবাড়ি হবে না মোটেই। যুক্তরাষ্ট্রের কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির গড় বয়স যেখানে ১৭ থেকে ১৯, খুব মেধাবী হলেও ১৫ বা ১৪ বছরের নিচে ভর্তির রেকর্ডও যৎসামান্য। সেখানে বাংলাদেশের কায়রান কলেজে ভর্তি হয়েছে মাত্র ৯ বছর বয়সে! তাও যেনতেন কোনো বিষয় নয়, রীতিমতো গণিত ও রসায়ন নিয়ে পড়ছে সে।

    ক্যালিফোর্নিয়ার লাস পজিটাস কলেজে ভর্তি হওয়া কায়রানের এমন অভাবিত প্রতিভাকে প্রথমে সবার সামনে তুলে ধরে হাফিংটন পোস্ট। জানা যায়, কায়রানের মা জু‌লিয়‌া চৌধুরী কাজী ও বাবা মোস্তা‌হিদ কাজী। তাদের পূর্বপুরুষ সিলেটের বাসিন্দা।

    হাফিংটন পোস্টে খবর প্রকাশের পরই আমেরিকায় কায়রানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় আমেরিকার জনপ্রিয় টিভি শো গুড মর্নিং আমেরিকাতেও। পরে ডেইলি মেইল,আইরিশ টাইমস ও অন্যান্য পশ্চিমা গণমাধ্যমও কায়রানকে নিয়ে ইতিমধ্যে কয়েকটি সংবাদ ছেপেছে।

    হাফিংটন পোস্টে নিজের সম্পর্কে কায়রান বলেছে, তৃতীয় গ্রেডে থাকা অবস্থায় ডাক্তাররা পরীক্ষা করে জানায়,আমার আইকিউ ৯৯.৯ শতাংশ। আমার ইকিউ বা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সও অনেক বেশি। অভিভাবকরাও আমার যত্ন নিতেন। ধরে নেওয়া হয়, আমার কাছে প্রকৃতি প্রদত্ত কিছু রয়েছে। আমি ভর্তি হলাম মিনেসা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে। অধিক বুদ্ধিসম্পন্ন শিশুদের সাহায্য করার ব্যাপারে আমার মা-বাবাও শিখছিলেন। আমি ডেভিডসন ইনস্টিটিউটের ইয়ং স্কলার নির্বাচিত হই। আমাকে ভর্তি করা হয় বিশেষায়িত স্কুলে। এখন আমি চতুর্থ গ্রেড ও কলেজ— দু’টোতেই পড়ছি।

    প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখা বিষয়ে কায়রানের বক্তব্য, কলেজে শিক্ষাজীবন শুরুর আগে আমার যেসব বিষয় ভালো লাগত, আমি সেসব বিষয়ে আগ্রহ দেখাতাম ও চেষ্টা করতাম। কলেজের প্রথম কোর্স হিসেবে তারা আমাকে অ্যালজেবরা-১ কোর্সটি নিতে বলে, যেন আমি কলেজের পড়ালেখায় অভ্যস্ত হই। কিন্তু আমি বিরক্ত হতাম ও ক্লাসে ভিডিও গেমস খেলতাম। তবে আমিই মা-বাবাকে পীড়াপীড়ি করি, যেন আমাকে আরও কঠিন কোর্স দেওয়া হয়। যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষায় দেখা গেল, আমি ক্যালকুলাস নিতে সক্ষম, যা আমার বর্তমান ধাপেরও চার ধাপ পরের কোর্স। তখন তারা বিশ্বাস করতে শুরু করল, আমি আসলে জানি আমার কী করা প্রয়োজন।

    কায়রান আরও বলে, কলেজে শিক্ষকরা আমাকে আর দশটা শিক্ষার্থীর মতোই দেখেন। আমি অন্যদের মতো একই নিয়ম মেনে চলি। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ক্ষেত্রেও আমার জন্য বিশেষ কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় না। এটাও বাকি সবার মতো করেই করা হয়।

    কায়রান জানায়, খুব মিশুক হওয়ায় কলেজে তার অনেক বন্ধু। এমনকি তারা কামরানের কাছে শিখতে চায়। যদিও ক্যাম্পাসে প্রথম প্রথম অন্যরা তার দিকে অদ্ভুতভাবে তাকাত ও আড়ালে ছবি তুলত।

    তারা আমাকে কিউট ও স্মার্ট বলে। আমি তাদের সঙ্গে পরিচিত হই ও বন্ধু হতে চাই,’— মন্তব্য কায়রানের।

    কায়রান বলে, সবাই জানতে চায় আমি অসাধারণ মেধাবী কি না। আমার মা-বাবা বিষয়টিকে দেখেন, মানুষের ওপর প্রভাব ফেলে— এমন বড় বড় সমস্যার সমাধান আমি করতে পারছি কি না, সেই হিসাবে। আমি ৯ বছর বয়সে বেশকিছু বিষয়ের ওপর ভালো দক্ষতা অর্জন করেছি। এদিকে আমার মা বলেন, তিনিই একমাত্র জিনিয়াস, কারণ ঘরের সবকিছু তিনিই সামলে রাখেন। মা আরও বলেন, আইকিউ বা বুদ্ধি সন্তানরা পায় মায়ের এক্স ক্রোমোজোম থেকে। বাবা তখন চোখ পাকায়। মা-বাবার এই খুনসুটিতে পরিবারের আমার সময়টা কাটে বেশ আনন্দেই।

    কম্পিউটার বিজ্ঞানে পারদর্শী কায়রান পাইথন ল্যাঙ্গুয়েজ ও মেশিন লার্নিংয়ে দক্ষতা অর্জন করে মাত্র সাত বছর বয়সে। রাজনীতি নিয়েও প্রবল আগ্রহ রয়েছে তার। কায়রান জানায়, মাত্র তিন বছর বয়স থেকে সে নিয়মিত টেলিভিশনে রাজনৈতিক বিতর্ক দেখত।

  • শিক্ষককে ট্রাফিক পুলিশের মারধর, থানা ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের ভাঙচুর

    শিক্ষককে ট্রাফিক পুলিশের মারধর, থানা ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের ভাঙচুর

    ময়মনসিংহ শহরের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের শিক্ষক শেখ শরিফুল আলমকে লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করে হামলা ও ভাংচুর করেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।এ সময় পরিস্থিতি সামাল দিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পুলিশ। এতে ৫ পুলিশসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন।

    বুধবার সকালে শহরের জেলা স্কুল মোড়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটে।
    বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম প্রাইভেটকারে কলেজ যাওয়ার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন। জেলা স্কুল মোড়ে পৌঁছালে একটি অটোরিকশা তার প্রাইভেটকারে ধাক্কা দেয়। এ সময় অটোচালকের সঙ্গে শিক্ষকের প্রাইভেটকার চালকের বাকবিতণ্ডা হয়।

    এ সময় ওই সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ট্রাফিক পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে গেলে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলমের। এ সময় ট্রাফিক পুলিশ তাকে কলার ধরে লাঞ্ছিত করে এবং পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলমকে ছেড়ে দেয়া হয়।

    এরই প্রতিবাদে বুধবার সকালে জেলা স্কুল মোড়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় গিয়ে বিক্ষোভ করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ গুলিও করেছে। এতে ৫ পুলিশসহ ১৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মনসুর আহমেদ জানান, জেলা স্কুল ও টাউন হল মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করে হামলা ও ভাংচুর করেছেন। এ সময় পরিস্থিতি সামাল দিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পুলিশ। শিক্ষার্থীদের হামলায় ৫ পুলিশ আহত হয়েছে।

  • সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কাছে জরুরি ভিত্তিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোর তথ্য চাওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ তথ্য জানান।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে সারাদেশে যত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে সেগুলোর অবকাঠামোর বর্তমান অবস্থা, কোথায় অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে তার তথ্য চাওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, গত ১০ বছরে শিক্ষাখাতে অনেক উন্নয়ন হয়েছে, পরিবর্তন হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষাখাত নিয়ে আন্তরিক। গত ১০ বছরে শিক্ষাখাতে যে পরিমাণ বরাদ্দ হয়েছে তা অতীতে আর কখনও হয়নি।

    ডা. দীপু মনি বলেন, কোথাও কোনো ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে যেন শিক্ষা দেওয়া না হয়। সেটি হলে এর দায় আমাদেরই নিতে হবে। প্রত্যেকটি জীবন মূল্যবান। আমাদের কারো অবহেলায় যাতে কারো কোনো ক্ষতি না হয়।

    তিনি বলেন, তথ্য পেলে আমরা বুঝতে পারবো কোথায় ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বেশি, কোথায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ করতে হবে, সেভাবে আমরা কাজ করবো। যে প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছে আগে এসে পৌঁছাতে পারবে তার আবেদন নিয়ে তারা আগে পেয়ে যাবে সেটি তো ফেয়ার হবে না। আমরা ফেয়ারনেস দেখতে চাই।

    আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দীপু মনি বলেন, আমরা যেন অনৈতিক কোনো কিছুকে প্রশ্রয় না দিই। আমাদের কাছে ভর্তির ব্যাপারে তদবির আসে। সেক্ষেত্রে আমরা যেন সতর্ক থাকি। যে মেধায় আসছে না, যে চান্স পাবার কথা না তাকে যদি আমাদের অবস্থান কাজে লাগিয়ে ভর্তি করিয়ে দিই এবং যে চান্স পাবার কথা সে যদি বঞ্চিত হয় তাহলে সেখানে কত বড় অন্যায় হয় ভেবে দেখুন।

    শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা ও পরামর্শ চান মন্ত্রী।

  • এসএসসিতে এমসিকিউ বাতিলের ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর

    এসএসসিতে এমসিকিউ বাতিলের ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর

    মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) পদ্ধতি বাতিলের কথা ভাবছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    রোববার সচিবালয়ে জাতীয় মনিটরিং ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে (এমসিকিউ বন্ধ) যথা সময়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এটি নতুন কোনো পদ্ধতিতে আয়োজন করা যায় কি-না সেটি আলাপ-আলোচনা করে একটি নতুন রূপ দেয়া হতে পারে।

    সূত্র জানায়, এমসিকিউ তুলে দেয়ার ব্যাপারে বৈঠকে আলোচনা হয়। বিশেষ করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রীকে অবহিত করা হয় যে, প্রশ্নফাঁসের যে ঘটনা ঘটে সেটা এমসিকিউ প্রশ্ন কেন্দ্রিক। সৃজনশীল প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটে না বললেই চলে। আলোচনার একপর্যায়ে সারাংশ করা হয় যে, হুট করেই এমসিকিউ প্রশ্ন বন্ধ করা যাবে না। কমপক্ষে দু’বছর সময় নিয়ে ঘোষণা দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণিতে যারা লেখাপড়া করে, তাদের এসএসসি পরীক্ষার সাল ধরে এমসিকিউ বন্ধের বছরটি নির্ধারণ করা যেতে পারে।

    এ বিষয়ে সভায় উপস্থিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক বলেন, এসএসসি পরীক্ষার আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সভায় এমসিকিউ পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি একটি আন্তর্জাতিক পদ্ধতি হলেও আমাদের ব্যবস্থাপনায় ক্রটি থাকায় আমরা বিপদে পড়ে যাচ্ছি। বিগত সময়ে এমসিকিউ প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    পুরনো এ পদ্ধতি রাখা বা পরিবর্তন করার বিষয়ে এখন নতুন করে ভাবার সময় এসেছে মন্তব্য করে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এমসিকিউ পদ্ধতিতে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজন করা হচ্ছে। ৫০ নম্বর থেকে বর্তমানে ৩০ নম্বর করা হয়েছে। তাই আরো নম্বর কমানো যায় কি-না? বা বর্তমান পদ্ধতি বাতিল করে নতুন পদ্ধতিতে এ পরীক্ষা আয়োজন করা যায় কি-না তার জন্য দীর্ঘ আলোচনার প্রয়োজন।

    নতুন শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়ে খুবই পজিটিভ। তাই দ্রুত এ বিষয়ে আমরা সভা করব। সেখানে এ বিষয়ের সব দিক তুলে ধরে এমসিকিউ পদ্ধতিতে কী ধরনের পরিবর্তন আনা যায় সেসব বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান।

  • এসএসসি উপলক্ষে ২৭ জানুয়ারি থেকে কোচিং সেন্টার বন্ধ

    এসএসসি উপলক্ষে ২৭ জানুয়ারি থেকে কোচিং সেন্টার বন্ধ

    অনলাইন ডেস্ক:

    মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক মাস সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি।

    রবিবার বিকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মনিটরিং ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে মন্ত্রী এসব কথা জানান। আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী (নওফেল) উপস্থিত ছিলেন।

    আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে এবারের এসএসসিতে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি। তত্ত্বীয় পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ। এবারও শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে।

  • পটুয়াখালীতে স্কুলে যেতে ১৫০ কোমলমতির জীবনবাজি

    পটুয়াখালীতে স্কুলে যেতে ১৫০ কোমলমতির জীবনবাজি

    অনলাইন ডেস্ক:

    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা সদর থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূর দিয়ে বয়ে গেছে ‘মাদারবুনিয়া’ খাল।

    এই খালের এপারে রসুলবাড়িয়া, ওপারে মাদারবুনিয়া গ্রাম। মাদারবুনিয়ায় নেই কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

    সে কারণে এই খাল পেরিয়ে প্রতিদিন রসুলবাড়িয়ার এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয় কোমলমতিদের।অথচ সেই খাল পারাপারে নেই কোনো সেতু। একমাত্র ভরসা ছোট্ট ডিঙি নৌকা। সেই নৌকায়ও নেই কোনো মাঝি যে শিশুদের ওপারে পৌঁছে দেবে বা ফিরিয়ে আনবে।এতে শিশুদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই রশি টেনে পারাপার হতে হয় প্রতিদিন কমপক্ষে দুইবার। রশি টানতে গিয়ে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা।

    কখনো রশি পেঁচিয়ে বই-পুস্তক নিয়ে খালে পড়ে যায় শিক্ষার্থীরা, কখনও শিক্ষার্থীসহ নৌকাই ডুবে যায়।এভাবে ওই খালে ডুবে তিন শিশু মারা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।এমন পরিস্থিতিতে ওই খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন মাদারবুনিয়া গ্রামের প্রায় দেড় শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী নৌকার ওপর নির্ভর করে স্কুলে আসা-যাওয়া করে।এরমধ্যে শিশু শিক্ষার্থীদের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু নৌকায় রশি টেনে পারাপারে ঝুঁকি থাকায় অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয় আসা-যাওয়া কমিয়ে দিয়েছে।অভিভাবকরা আতঙ্কের কারণে ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।

    প্রতিদিনই খুব কষ্ট ও আতঙ্ক নিয়ে স্কুলে আসা-যাওয়া করতে হয় জানিয়ে রসুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী মানছুরা আক্তার বলে, ‘রশি টানতে যাইয়া খালে পইরা গেছি কয়েকবার। বই-পুস্তক ভিজ্যা যায়। সরকার আমাগোরে একটা পোল দিলে ভাল ওয়।স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানায়, শুধু শিক্ষার্থী নয়, এ দুর্ভোগ পুরো এলাকাবাসীর।

    তারা আক্ষেপ করে বলেন, নির্বাচন এলেই প্রার্থী ও নেতারা এই খালে সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু নির্বাচনের পর আর তাদের মনে থাকে না।

    রসুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু জাফর বলেন, ‘মাদারবুনিয়ার প্রায় দেড় শ’ ছাত্রছাত্রী আমাদের স্কুলে ভর্তি আছে। নৌকায় পারাপারে ঝুঁকি থাকায় অনেকে নিয়মিত স্কুলে আসে না।’

    এ ব্যাপারে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্বে) মো: আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, ‘এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী মাদারবুনিয়া খালের ওপর একটি সেতুর নির্মাণের জন্য এমপি মহোদয় আমাদেরকে বলেছেন। সেই অনুযায়ী একটি প্রকল্প করে আমরা দিয়ে দিব। ইতোমধ্যে দু’পারে সংযোগ সড়কের জন্য একটি প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে।’

    মাদারবুনিয়াবাসী এখন চেয়ে আছে সেই প্রকল্প বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।

  • এবার সারা দেশে শিক্ষক নিয়োগ হবে শতভাগ স্বচ্ছ : শিক্ষামন্ত্রী

    এবার সারা দেশে শিক্ষক নিয়োগ হবে শতভাগ স্বচ্ছ : শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে সারা দেশে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সব কাজ হয়। কাজেই এবার শিক্ষক নিয়োগ হবে শতভাগ স্বচ্ছ। শুক্রবার চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার হাইমচর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    গত ১০ বছরে শিক্ষাখাতে অসামান্য অর্জনের কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এত বড় দেশ, এত মানুষ এবং এত শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এখনও কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে। শিক্ষাক্ষেত্রে যেসব সমস্যা রয়েছে আমি সেসব সমস্যা সমাধানে কাজ করতে চাই।

    তিনি বলেন, আগামী যাতে দেশের কোথাও কোনো শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক স্বল্পতা না থাকে সে বিষয়ে আমরা কাজ করব। শিক্ষক স্বল্পতার বিষয়টি নিরসন করা হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- হাইমচর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, হাইমচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটোয়ারী, বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র সুনিল কৃষ্ণ মাঝি, চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মঈনুল হোসেন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান প্রমুখ।

  • শিক্ষকদের তথ্য চেয়ে দেড় হাজার মাদরাসায় চিঠি

    শিক্ষকদের তথ্য চেয়ে দেড় হাজার মাদরাসায় চিঠি

    অনলাইন ডেস্ক:

    দেড় হাজারেরও বেশি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার (অনুদানপ্রাপ্ত) শিক্ষকদের তথ্য চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর। মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    অধিদফতর জানায়, দেশে এক হাজার ৫১৯টি অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো বন্ধ রয়েছে। কিছু দাখিল পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। অনুদানভুক্ত অনেক শিক্ষক বর্তমানে কর্মরত নেই। আবার অনেক শিক্ষক দীর্ঘদিন কর্মরত থেকেও অনুদান পাচ্ছেন না। এসব সমস্যা নিরসন এবং অনুদান সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করতেই শিক্ষকদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ জন্য অনুদানভুক্ত ও অনুদানবিহীন এসব মাদরাসার শিক্ষকদের তথ্য পাঠাতে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের চিঠি দেয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করে কর্মরত শিক্ষকের নাম, পদবি, ইনডেক্স নম্বর, জন্ম তারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, নিয়োগ, যোগদান ও অনুদানভুক্তির তারিখ, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং এসব শিক্ষকদের সম্পর্কে মন্তব্য মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরে পাঠাতে বলা হয়েছে। ৩০ জানুয়ারির মধ্যে এসব তথ্য পাঠাতে হবে।

    মাদরাসা অধিদফতর সূত্র আরও জানায়, অনুদানবিহীন যেসব শিক্ষক অধিদফতরে ইতিমধ্যে অনুদানপ্রাপ্তির আবেদন করেছেন তাদেরও অনুদান প্রাপ্তিতে নতুন করে আবেদন করতে হবে। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার নীতিমালার অনুচ্ছেদ ১৭ অনুযায়ী উপজেলা বা থানা ইবতেদায়ি শিক্ষা কমিটির সভাপতির প্রতিস্বাক্ষরসহ আবেদন করতে হবে। এছাড়া আবেদনের সময় এমপিও প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযোজন করতে হবে।