Category: অন্যান্য

  • ৬০০০ বছরের প্রেম দেখে বিস্মিত বিশ্ব !

    ৬০০০ বছরের প্রেম দেখে বিস্মিত বিশ্ব !

    প্রায় ৬০০০ বছর ধরে মাটির তলায় ঘুমিয়ে রয়েছেন দুজনে। নিশ্চিন্তে নির্লিপ্তে। বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত ঘটে চলা সমস্ত ঘটনাকে এক প্রকার নস্যাৎ করে দিয়েই মাটির সঙ্গে মিশে রয়েছেন তারা। এতদিনেও একটু বদলায়নি তাদের অবস্থান। রোমিও – জুলিয়েট, হীর- রঞ্জার প্রেমের উপাখ্যানের সঙ্গে এঁরাও তৈরি করে নিয়েছে তাঁদের নিজের পরিচিতি।

    এরা কেউ জীবিত নন। রক্ত – মাংস মিশে গিয়েছে মাটির সঙ্গে। পড়ে রয়েছে হাড়। কালের নিয়মে তাও জরাজীর্ণ।’লাভার্স অফ ভালদারো’। এই নামেই লোকে চেনেন তাদের। এদের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ৬০০০ বছরের ইতিহাস। উওর ইতালির মাঁতুয়া গ্রামে খননকার্য চালানোর সময় মাটির তলা থেকে এই দুটি কঙ্কালকে উদ্ধার করেন প্রত্নতাত্ত্বিকেরা।

    সমস্তকিছু পরীক্ষা- নিরীক্ষা করার পর প্রত্নতাত্ত্বিকেরা জানিয়েছেন, ওই কঙ্কালদু’টি ৫০০০-৪০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের। তারা জানিয়েছেন, এইভাবেই হয়ত তাদের দু’জনকে কবর দেয়া হয়েছিল। কিংবা তারা এভাবেই মাটির তলায় চাপা পড়ে মারা গিয়েছিলেন।

    প্রত্নতাত্ত্বিকদের তরফে জানানো হয়েছে, মৃত্যুর সময় ওই যুবক – যুবতীর বয়স ছিলো ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। উচ্চতা ছিল ৫ফুট ২ইঞ্চির কাছাকাছি। মৃত্যুর পরেও এদের দু’জনকে কউ আলাদা করতে পারেনি।

    লোকে বলে সত্যিকারের ভালবাসার কোন দিনেও মৃত্যু হয় না। আর ছ’হাজার বছরের সেই ভালবাসা আরো একবার সেই কথাই প্রমাণ করল। বর্তমানে তাদের নতুন ঠিকানা ইতালির মাঁতুয়ার ন্যাশনাল আর্কিওলজিকাল মিউজিয়ামে।

  • লাইফ সাপোর্টে নাসিম

    আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ‘লাইফ সাপোর্টে’ আছেন বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া।
    আজ সোমবার সন্ধায় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, উনার অবস্থার কোনো উন্নতি নেই। আগের অবস্থাতেই আছেন। ক্রিটিক্যাল অবস্থায় যাওয়ার পর থেকেই লাইফ সাপোর্টে আছেন।

    গত শনিবার মোহাম্মদ নাসিমের চিকিৎসায় কনক কান্তি বড়ুয়াকে প্রধান করে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। পরে বৈঠক করে মোহাম্মদ নাসিমকে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত দেয় পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড।
    রক্তচাপজনিত সমস্যা নিয়ে ১ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মোহাম্মদ নাসিম। ওই দিনই তাঁর করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ৪ জুন তাঁর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও ৫ জুন ভোরে তিনি স্ট্রোক করেন। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যার কারণে দ্রুত অস্ত্রোপচার করে তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়।

    ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতার একজন এম মনসুর আলীর ছেলে মোহাম্মদ নাসিম কয়েক দশক ধরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা। তিনি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলেরও মুখপাত্র।
    ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় মোহাম্মদ নাসিম কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে সময় তিনি স্বরাষ্ট্র, ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া বিগত সরকারের তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে টানা পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন।

  • হারানো বিজ্ঞপ্তি

    হারানো বিজ্ঞপ্তি

    গত ১০ই মার্চ,রোজ মঙ্গল বার একটি মানসিক রোগী হারানো গিয়েছে । লোকটির নাম কাজী মোঃ ইউসুফ । বয়সঃ ৪৫ বছর,উচ্চতা ৫” ৬’ইঞ্চি,গাঁয়ের রং শ্যামলা,।লোকটি কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে চলে যায়। যদি কোন সহৃদয়বান ব্যাক্তি লোকটির সন্ধান পেয়ে থাকেন তাহলে। উক্ত নম্বরে যোগাযোগ করবেন। অথবা নিকটস্ত থানায় যোগাযোগ করবেন। মোবাইলঃ০১৮১৩৩-৬০৫১৪ মাতাঃসালেহা বেগম, পিতাঃআব্দুল বাতেন, ঠিকানাঃ গ্রাম কাছিয়া পাড় ৩ নং ওয়ার্ড সামদের বাড়ী, সন্দীপ চট্টগ্রাম।

  • লন্ডন, কাতার রুটে শিগগির ফ্লাইট শুরু হচ্ছে

    একমাত্র চীন ছাড়া আন্তর্জাতিক সব রুটে আড়াই মাস ধরে যাত্রীবাহী ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে গত ১ জুন থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ তিনটি রুটে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চালু করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নিজেদের কিছুটা সফল মনে করায় বাংলাদেশ থেকে এবার লন্ডন ও কাতার রুটে সরাসরি ফ্লাইট চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে যাচ্ছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

    আজ শনিবার বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, যুক্তরাজ্যে যাত্রীবাহী ফ্লাইট চলাচলের ব্যাপারে কোনো বিধি–নিষেধ নেই। তাই সেখানে ফ্লাইট চলাচলে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটি তুলে নেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি রুট কাতারেও ফ্লাইট চালু হতে পারে।

    বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাজ্য ও কাতারে ফ্লাইট চলাচলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এর আগে দেশ দুটির অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। কাতার এয়ারওয়েজ দোহা থেকে ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনা করতে চাচ্ছে। তবে কাতারে কোনো বাংলাদেশি যাত্রী যেতে পারবেন না। করোনা ভাইরাসের ঝুঁকির মধ্যে থাকায় সেখানে বাংলাদেশির ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সে জন্য ট্রানজিট যাত্রীরা কাতার হয়ে অন্য দেশে যেতে পারবেন। যুক্তরাজ্যে ফ্লাইট চলাচলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঢাকা থেকে লন্ডন ও ম্যানচেস্টার রুটে সরাসরি ফ্লাইট চলতে পারবে। এ ছাড়া অন্য কয়েকটি রুটেও সরাসরি ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে উদ্যােগ নিয়েছিল বেবিচক। কিন্তু দেশের করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সেই উদ্যােগ থামকে গেছে।

    করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২১ মার্চ থেকে সরাসরি ফ্লাইট চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয় বেবিচক। একমাত্র চীনে ফ্লাইট চালু রেখে বেশ কয়েক বার এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। সব শেষ ঘোষণা অনুযায়ী ১৫ জুন পর্যন্ত বেবিচকের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। অবশ্য গেল আড়াই মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অসংখ্য চার্টার্ড ও বিশেষ ফ্লাইট ঢাকায় চলাচল করেছে। একই সঙ্গে কার্গো পণ্য ও ত্রাণসামগ্রী বহনকারী ফ্লাইটগুলোও নিয়মিত বাংলাদেশে চলাচল করছে।

  • ২১ জুন সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকেও

    ২১ জুন সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকেও

    এ মাসে আবারও দেখা যাবে সূর্যগ্রহণ বা রিং অব ফায়ার। সূর্যগ্রহণটি আগামী ২১ জুন আফ্রিকা ও এশিয়ায় দেখা যাবে। বাংলাদেশ থেকেও আংশিকভাবে দেখা যাবে এ সূর্যগ্রহণের।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের জলবায়ু মহাশাখা বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

    বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে , এ মাসের ২১ জুন সূর্যগ্রহণ বা রিং অব ফায়ার দেখা যাবে।সকাল ৯টা ৪৬ মিনিট ৬ সেকেন্ডে সূর্যগ্রহণ শুরু হবে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ইম্পফোন্ডো শহরে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ শুরু হবে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বোমা শহরে বেলা ১০টা ৪৮ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে। সর্বোচ্চ গ্রহণ ঘটবে ভারতের যোশীমঠ শহরে ১২টা ৪০ মিনিট ৬ সেকেন্ডে। সর্বোচ্চ গ্রহণের সময় এর সর্বোচ্চ মাত্রা .৯৯৩৬ থাকবে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ শেষ হবে দুপুর ২টা ৩১ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে ফিলিপাইনের সামার শহরে। সূর্যগ্রহণ শেষ হবে বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে ফিলিপাইনের ‍মিন্দানাও শহরের আকাশে।

    আকাশ পরিষ্কার থাকলে ওইদিন বাংলাদেশে থেকও আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। ঢাকার আকাশে ১১টা ২৩ মিনিট ৩ সেকেন্ডে সূর্যগ্রহণ শুরু হবে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ ঘটবে দুপুর ১টা ১২ মিনিট ২৯ সেকেন্ডে এবং গ্রহণ শেষ হবে দুপুর ২টা ৫২ মিনিট ৩ সেকেন্ডে। চট্টগ্রামে ১১টা ২৮ মিনিট ১২ সেকেন্ডে সূর্যগ্রহণ শুরু হবে, কেন্দ্রীয় গ্রহণ ঘটবে দুপুর ১টা ১৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে এবং গ্রহণ শেষ হবে দুপুর ২টা ৫৫ মিনিট ১৩ সেকেন্ডে। খুলনায় ১১টা ২০ মিনিট ১৯ সেকেন্ডে সূর্যগ্রহণ শুরু হবে, কেন্দ্রীয় গ্রহণ ঘটবে দুপুর ১টা ৯ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডে এবং গ্রহণ শেষ হবে দুপুর ২টা ৫০ মিনিট ৯ সেকেন্ডে। সিলেটে ১১টা ২৭ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে সূর্যগ্রহণ শুরু হবে, কেন্দ্রীয় গ্রহণ ঘটবে দুপুর ১টা ১৬ মিনিট ৫০ সেকেন্ডে এবং গ্রহণ শেষ হবে দুপুর ২টা ৫৪ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে। রাজশাহীতে ১১টা ১৭ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে সূর্যগ্রহণ শুরু হবে, কেন্দ্রীয় গ্রহণ ঘটবে দুপুর ১টা ৬ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে এবং গ্রহণ শেষ হবে দুপুর ২টা ৪৭ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডে। রংপুরে ১১টা ১৭ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডে সূর্যগ্রহণ শুরু হবে, কেন্দ্রীয় গ্রহণ ঘটবে দুপুর ১টা ৭ মিনিট ২০ সেকেন্ডে এবং গ্রহণ শেষ হবে দুপুর ২টা ৪৮ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে।

    এর আগে গত বছর ডিসেম্বরের ২৬ তারিখ বাংলাদেশ থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যায়।

  • চলতি মাসে চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণ, প্রথমবার পৃথিবীতে এমন বিরল ঘটনা

    চলতি মাসে চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণ, প্রথমবার পৃথিবীতে এমন বিরল ঘটনা

    চলতি বছরই পৃথিবীবাসী বিরল ঘটনাটির সাক্ষী হয়ে থাকবে। ৫ জুন চন্দ্রগ্রহণ এবং ২১ জুন সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। নেচার ও ইন্ডিয়ান টাইমস

    বিজ্ঞানীদের মতে, চন্দ্রগ্রহণটি হতে যাচ্ছে উপচ্ছায়া গ্রহণ; অর্থাৎ এদিন পৃথিবীর হাল্কা ছায়া পড়বে চাঁদের ওপর। রাত ১১টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে চন্দ্রগ্রহণ। চলবে ৩ ঘণ্টা ১৮ মিনিট অর্থাৎ রাত ২টা ৩৪ মিনিট পর্যন্ত। বাংলাদেশ থেকেও এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। চলতি বছর আরও দুটি চন্দ্রগ্রহণ ঘটবে জুলাই ও নভেম্বর মাসে।

    ২১ জুনের সূর্যগ্রহণ হবে পূর্ণগ্রাস। শুরু হবে সকাল ৯টা ১৫ মিনিট থেকে। দেখা যাবে ১০টা ১৭ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ২ মিনিট পর্যন্ত। গ্রহণ শেষ হবে দুপুর ৩টা ৪ মিনিটে।

  • প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেবেন মায়েরা

    প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেবেন মায়েরা

    করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এবার বাসায় বসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। আর পরীক্ষা নেবেন মায়েরা।

    শিক্ষকরা প্রশ্ন তৈরি করে শিক্ষার্থীদের বাসায় পাঠাবেন। সেসব খাতা শিক্ষকরা মূল্যায়ন করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে ফলাফল পৌঁছে দেওয়া হবে। আর এ পরীক্ষা নেবেন শিক্ষার্থীর মায়েরা। এজন্য উপজেলাভিত্তিক বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেওয়া হবে। যারা বাসায় প্রশ্ন পৌঁছে দেবেন।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, করোনা সংকটের কারণে প্রথম সাময়িক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা আগামী ৯ আগস্ট থেকে শুরু করার কথা থাকলেও তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ কারণে শিক্ষার্থীরা যাতে বাসায় বসে পরীক্ষা দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষার্থীদের মায়েরাই বাসায় বসে পরীক্ষা নেবেন।

    ‘শ্রেণি ক্লাসের টেলিভিশনে যেসব বিষয়ে পাঠদান হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্ন প্রণয়ন করবে। সেসব প্রশ্ন নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠানো হবে। স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে উত্তরপত্রগুলো শিক্ষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। পরীক্ষার তদারকি করবেন মায়েরা।’

    পাস-ফেলের চেয়ে শিক্ষার্থীদেরকে পড়াশোনার মধ্যে রাখাই এ পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য বলে জানান সচিব।

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার রুটিনে দেখা গেছে, প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম সাময়িক পরীক্ষা ১৫ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে, দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা ৯ আগস্ট থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ১৯ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

  • আরেক ভয়ংকর ভাইরাসে ৫০০ ঘোড়ার মৃত্যু, মানবদেহে ছড়ানোর শঙ্কা

    আরেক ভয়ংকর ভাইরাসে ৫০০ ঘোড়ার মৃত্যু, মানবদেহে ছড়ানোর শঙ্কা

    করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর মধ্যে অজানা এক ভাইরাসে থাইল্যান্ডে ৫০০ ঘোড়ার মৃত্যু হয়েছে। ভাইরাসটি বাদুড় থেকে ছড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    থাইল্যান্ডের একটি ঘোড়ার খামারে কয়েক দিনের মধ্যে একে একে ১৮টি ঘোড়ার মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করা হয়েছিল, ঘোড়াগুলো করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে। কিন্তু ঘোড়ার রোগ নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষার পর দেখা গেছে করোনা নয়, অন্য এক অজানা ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে।
    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস শনিবার (২৩ মে) এ খবর দিয়েছে।
    খবরে বলা হয়েছে, অজানা ভাইরাসটি মানুষের মধ্যেও সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।
    থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে ১০০ মাইল দূরের ওই খামারটিতে ৯ দিনে ১৮টি ঘোড়া মারা যায়।
    খামারটির মালিক নোপাদল সারোপালা জানান, কীভাবে ঘোড়াগুলো মারা যাচ্ছিল কোনো কারণই ধরতে পারেননি তারা।
    এদিকে ফেব্রুয়ারি থেকে সংক্রমিত হতে থাকা ভাইরাসটিতে যুক্তরাজ্যে ৫০০ এরও বেশি ঘোড়া মারা গেছে।
    সেগুলোর রক্ত পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আফ্রিকার ঘোড়ার অসুখের সঙ্গে মিল আছে তাদের উপসর্গের।

  • স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাতে রেমডিসিভির

    স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাতে রেমডিসিভির

    করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় বিশ্বের প্রথম অনুমোদিত জেনেরিক রেমডিসিভিরের প্রথম নমুনা হাতে পেয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ২১ মে, বৃহস্পতিবার সকালে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের হাতে স্যাম্পল ওষুধ তুলে দেন বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন।

    এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রেমডিসিভির আমেরিকাতে কেবল ইমারজেন্সি রোগীদের জন্যই ব্যবহার করা হচ্ছে। বেক্সিমকো ওষুধটি আমাদের অঞ্চলে তৈরি করতে পেরেছে। ওষুধটি দেয়া হবে মুমূর্ষু ও ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের। তবে এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন এক্সপার্ট ও ডাক্তাররা। আশা করি মানুষ উপকার পাবে, হয়ত জীবন রক্ষা পাবে।’

    জেনেরিক রেমডিসিভির ‍ওষুধটির ব্র্যান্ড নাম বেক্সিমকো রেখেছে ‘বেমসিভির’। ১০০ মিলিগ্রাম রেমসিডিভির আইভি ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হবে।

    এ সময় বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন দাবি করে বলেন, ‘রেমডিসিভির জেনেরিক সংস্করণ বাজারজাতকরণে বেক্সিমকো ফার্মাই বিশ্বের প্রথম প্রতিষ্ঠান।’

  • দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের বাবা হলেন দুদা প্যাদা

    দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের বাবা হলেন দুদা প্যাদা

    ই এম রাহাত ইসলামঃ পরিবারের নতুন অতিথির মুখ দেখতে ঢাকা থেকে বেশ আগেই নিজ বাড়িতে পাড়ি দিয়েছিলেন। এরমধ্যে তিনি অবশ্য ১৪ দিন করোনার জন্য ছিলেন পরিবার থেকে আলাদা। ছেলের ঘরে নতুন অতিথির আসার খবরে দারুণ খুশি দুদা প্যাদার মা। এ ব্যাপারে তিনি জানিয়েছেন, ‘আজ সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে নিজ বাসায় দ্বিতীয় কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। মা ও সন্তান দুজনই ভালো আছে। ওদের জন্য দোয়া করবেন, তারা যেন সুস্থ থাকে, ভালো থাকে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের এই দুঃসময়ে পরিবারের নতুন অতিথিকে পেয়ে দারুণ খুশি দুদা প্যাদা। কন্যা সন্তানের মাধ্যমে আল্লাহ পরিবারে সুখ ও বরকত দান করেন। হাদিসে এমন কথা উল্লেখ হয়েছে। কিন্তু আমাদের সমাজে এখনো অনেক পরিবারে কন্যা সন্তান জন্ম নিলে ইতিবাচক চোখে দেখা হয় না। অনেকে আবার মেয়ে সন্তানের মায়ের ওপর নাখোশও হন। বিভিন্ন কায়দায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কন্যা সন্তান হলে অপছন্দ করা, তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা এবং তাদের লালন-পালনের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন না করা, ইসলামপূর্ব বর্বর জাহেলি যুগের কুপ্রথা। এমন কাজে আল্লাহ তাআলা ভীষণ অসন্তুষ্ট হন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখ অন্ধকার হয়ে যায় এবং অসহ্য মনস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে। তাকে শোনানো সুসংবাদের দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে। সে ভাবে, অপমান সহ্য করে তাকে থাকতে দেবে নাকি তাকে মাটির নিচে পুতে ফেলবে। শুনে রাখো, তাদের ফয়সালা খুবই নিকৃষ্ট।’ (সুরা আন-নাহল, আয়াত : ৫৮-৫৯)