Category: অন্যান্য

  • সিদ্ধান্ত- পরিশ্রমের চেয়ে সিদ্ধান্তের ওপর ক্যারিয়ার অনেকটা নির্ভর করে

    সিদ্ধান্ত- পরিশ্রমের চেয়ে সিদ্ধান্তের ওপর ক্যারিয়ার অনেকটা নির্ভর করে

    ই এম রাহাত ইসলামঃ পরিশ্রমের চেয়ে সিদ্ধান্তের ওপর ক্যারিয়ার অনেকটা নির্ভর করে । পরিশ্রমের চেয়ে কৌশলগত দক্ষ হওয়া বেশি জরুরী । ক্যারিয়ার নিয়ে জীবনে খুব বেশি সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগাটা ঠিক নয়, খুব বেশি সিদ্ধান্তহীনতা বা সঠিক সময়ে সঠিক ডিসিশন নিতে না পারা ব্যর্থ হবার অন্যতম প্রধান কারণ । জীবনে মানুষ শুধু পরিশ্রম দিয়ে বড় পজিশনে যায়না, ভালো কিছু করে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বা নিতে পেরে । নিজেকে নিজে judge করতে না পারলে এবং কোন sector এ গেলে সে ভালো কিছু করতে পারবে এটা বুঝতে না পারলে একটু সমস্যাই বটে । সিদ্ধান্তহীনতা তখনই আসে যখন আপনার সিদ্ধান্ত আরও অনেকের সিদ্ধান্ত দ্বারা পরিচালিত হয় । আপনার যেটা যুক্তিসঙ্গত মনে হয় এবং যেকাজ করতে আপনার ভালো লাগে সেদিকে dedicated হবার চেষ্টা করাটা better , এক্ষেত্রে কে কি বললো , কে কি না বললো এসব গৌণ । ক্যারিয়ার আপনার , কাজ করবেন আপনি, পেশায় শ্রম দিবেন আপনি, ভাললাগা খারাপ লাগা সবই আপনার, তাই নিজের যেটা ভালো লাগে , নিজে যেটা ভালো পারেন সেদিকে মনোযোগ দিন , দেখবেন উন্নতি এমনিই আপনার দ্বারে এসে দাঁড়িয়েছে । চাকুরীই করতে হবে বা ব্যবসাই করতে হবে এমন করতেই হবে শব্দটাকে একটু ধাক্কা দিয়ে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করুন, অন্যের দেখানো পথে হাঁটার চেয়ে নিজের পথ নিজে তৈরি করতে পারাটা অনেক কাজের আর শান্তিরও । ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন, নিজের পারিপার্শ্বিকতার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে, সেদিকে প্লিজ একটু খেয়াল রাখতে পারলে ভালো । সবাই কি একইভাবে সফল হয় নাকি, সবার চারপাশের পরিস্থিতি,পারিবারিক পরিস্থিতি কি এক থাকে নাকি ? সবার পছন্দ কি এক নাকি ? নিজের ওপর শ্রদ্ধা ও আত্মবিশ্বাস রাখুন । তবে যেদিকেই মনোনিবেশ করবেন নিজের শতভাগ দেয়ার চেষ্টা করবেন, একবার না হলে বারবার চেষ্টা করবেন, যেন শেষ দেখেই ছাড়বেন । দেখবেন সফল আপনিই হয়েছেন । সফলতার কোন সংজ্ঞাও নেই, সফলতার শেষও নেই, আপনি যদি নিজের কাজ নিয়ে সন্তুষ্ট ও সুখী থাকতে পারেন তারমানেই আপনি সফল, সেটা যাই করুন না কেন । ego আর compare এই শব্দ দুটো একটু কেমন যেন তাইনা ? মানসিকতা এমন রাখা উচিত যেন ১০০ লক্ষ্য করে ছুটবেন, চেষ্টার কোন কমতি থাকবে না , কিন্তু ৫০ পেলে যেন আফসোস না থাকে । একটু ভালো থাকার জন্যই সবকিছু তাইনা ? এই সবকিছুর পেছনে ছুটতে গিয়ে যেন আবার জীবনের স্বাদটাই না আবার খুইয়ে বসি । পেশা নির্বাচনের ক্ষেত্রে দেখবেন অনেক মাতব্বর এসে আপনাকে পরামর্শ,বুদ্ধি,যুক্তি দিয়ে লাপাত্তা হয়ে যাবে, যখন তার পছন্দের সেই পেশায় এসে অসন্তুষ্ট হয়ে আপনি তার চৌদ্দ গুষ্ঠি উদ্ধার করছেন তখন দেখবেন সে এক কথায় বলে দিবে ” আসলে তোমার ডিসিশনই ঠিক ছিল, আমি রিয়ালি সরি ” । আর সেই সরির বোঝা আপনি বয়ে বেড়াবেন সারাজীবন । পেশা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই নিজের ভালোলাগা আর passion কে গুরুত্ব দিন , দেখবেন সময়মত আপনার নিজের অনেক creativity বের হয়ে আসছে । ভালো থাকবেন সবাই ,

  • বাউফলে ছয় জনের করোনা জয়

    বাউফলে ছয় জনের করোনা জয়

    একই পরিবারের পাঁচজনের পর বুধবার দুপুরে পটুয়াখালীর বাউফলে করোনায় আক্রান্ত আরও ছয় ব্যক্তি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও তথ্য অনুযায়ী বুধবার পর্যন্ত বাউফলে করোনায় আক্রান্ত আর কোনো রোগী নেই।

    করোনাজয়ী ব্যক্তিরা হলেন মোসা. শিল্পী বেগম (২০), মো. জাকির হোসেন (৪০) ও তাঁর মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোসা. মুনিরা বেগমের (১৫) এবং মো. আবদুস ছালাম ব্যাপারীর (৪০),মো. মিলন গাজী (২৮) ও মো. রিপন (১৮)।

    শিল্পীর বাড়ি বগা ইউনিয়নের চন্দবাড়িয়া গ্রামে।তাঁর স্বামীর নাম মো. আরিফ হোসেন (২২)। তাঁদের দেড় বছরের একমাত্র মেয়ের নাম মোসা. আলিফা।

    আবদুস ছালামের বাড়ি উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের নওমালা গ্রামে।মিলনের বাড়ি সদর উপজেলার বিলবিলাস গ্রামে। রিপন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বাসিন্দা।

    জাকির হোসেন ও তাঁর মেয়ে মুনিরার বাড়ি পাশের গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া গ্রামে।

    শিল্পী, জাকির, মুনিরা, ছালাম পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা ডাঃ ইয়াকুব শরীফ ডিগ্রী কলেজে স্থাপিত আইসোলেশন ওয়ার্ডে থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন।

    মিলন বাউফল সরকারি কলেজে স্থাপিত আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে সুস্থ হওয়ার ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। রিপন নিজ ঘরে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন।

    করোনাজয়ীদের বিদায়ী শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউল হক জুয়েল, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সাহা,স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মো. মাহমুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিছুর রহমান বালী, বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বগা ডাঃ ইয়াকুব শরীফ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. হুমায়ন কবির, বাউফল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী বুধবার পর্যন্ত মোট ১৭৫ জনের করোনা শনাক্তকরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন। ১১ জনের মধ্যে একই পরিবারের ছিলেন পাঁচজন। যাঁরা ৭ মে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। গতকাল বাকি ছয়জন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন।গতকাল পর্যন্ত এ উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত কোনো রোগী চিকিৎসাধীন নেই।

    তবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কালিশুরী এলাকার মো. হালিম বক্স (৫৫) নামে এক ব্যক্তি ৩০ এপ্রিল বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

  • মাইক্রোসফট এক্সেল-এর যাবতীয় সূত্রগুলি শিখে ফেলুন

    মাইক্রোসফট এক্সেল-এর যাবতীয় সূত্রগুলি শিখে ফেলুন

    আমরা আগেই জেনেছি যে Microsoft Excel এ বিভিন্ন Formula ব্যবহার করে সকল প্রকার গাণিতিক হিসাব তৈরি করা যায়। আর এই গাণিতিক সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করতে হয় বিভিন্ন Function, যার মাধ্যমে আমরা গাণিতিক হিসাব গুলো করে থাকি। আমাদের আজকে আমরা জানবো কিভাবে Microsoft Excel এ Formula বা সূত্র গঠন করা যায়, Formula কি, এর উপাদান গুলো কি কি এবং এর বিভিন্ন উপাদান গুলো কিভাবে কাজ করে।
    চলুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে জেনে নিই বিষয়গুলো সম্পর্কে
    পরিসংখ্যান সূত্র সমূহঃ
    ওয়ার্কশীটের বিভিন্ন সেল এ লিখিত সংখ্যা সমূহের যোগফল, গড়, মোট সংখ্যার সংখ্যা, সর্ববৃহৎ ও সর্বনিম্ন সংখ্যা নির্ণয় ছাড়াও পরিমিত ব্যবধান এবং ভেদাংক ইত্যাদি পরিসংখ্যানের কাজ করার জন্য কয়েকটি = ফাংশন রয়েছে। নিম্নে এ ফাংশনগুলো আলোচনা করা হলো। যেমন-
    = SUM (List) অংকের এ সূত্রটি দ্বারা কোন নির্দিষ্ট রেঞ্জের সংখ্যা সমূহের যোগফল নির্ণয় করা হয়। = SUM (List) এখানে List হচ্ছে ভেল্যু যা আমরা যোগ করতে চাই। এই List যদি একাধিক হয় তাহলে আর্গুমেন্ট পৃথককারী চিহ্ন কমা (,) ব্যবহার করতে হয়।
    উদাহরণঃ উদাহরণঃ সেল পয়েন্টার C8 এ রাখি।
    =SUM (C2:C7) লিখে Enter দিই।
    C8 ঘরে মোট যোগফল 3115 আসবে।
    =MAX (List) পরিসংখ্যানের এই সূত্রটি দ্বারা নির্দিষ্ট রেঞ্জের সংখ্যাসমূহ হতে Maximum অর্থাৎ সর্ববৃহৎ সংখ্যাটি নির্ণয় করা হয়।
    উদাহরণঃ সেল পয়েন্টার কোন ফাকা সেল- এ রাখি। =MAX (B2:B5) লিখে Enter দিই।
    রেঞ্জের সর্ববৃহৎ সংখ্যা 89423 আসবে।

     

    গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

    আরও ভিডিও

    বিজ্ঞাপন
    আবার =MAX (SAL) লিখে Enter দিলে একই ফল দেখাবে।
    =AVERAGE (List) পরিসংখ্যানের এই সূত্রটি দ্বারা নির্দিষ্ট রেঞ্জের সংখ্যাসমূহের গড় নির্ণয় করা হয়।উদাহরণঃ সেল পয়েন্টার কোন ফাকা সেল- এ রাখি।
    =AVERAGE (B2:B5) লিখে Enter দিই।
    রেঞ্জের সংখ্যা সমূহের গড় বেরিয়ে আসবে।
    =MIN (List) পরিসংখ্যানের এই সূত্রটি দ্বারা নির্দিষ্ট রেঞ্জের সংখ্যাসমূহ হতে সর্বনিম্ন সংখ্যা নির্ণয় করা হয়।
    উদাহরণঃ সেল পয়েন্টার কোন ফাকা সেল-এ রাখি।
    =MIN (B2:B5) অথবা, =MIN (SAL) লিখে Enter দিই।
    রেঞ্জের সংখ্যা সমূহের সর্বনিম্ন সংখ্যাটি বেরিয়ে আসবে।
    =COUNT (List) পরিসংখ্যানের এই সূত্রটি দ্বারা নির্দিষ্ট রেঞ্জের মোট সংখ্যা কত তা নির্ণয় করা হয়।
    উদাহরণঃ সেল পয়েন্টার কোন ফাকা সেল- এ রাখি।
    =COUNT (C2:C7) অথবা, =COUNT (SAL) লিখে Enter দিই।
    রেঞ্জের মধ্যে মোট সংখ্যা (৬) আছে তা বেরিয়ে আসবে।
    =VAR(List) পরিসংখ্যানের এই সূত্রটি দ্বারা কোন সংখ্যা সমষ্ঠির ভেদাংক নির্ণয় করা হয়।
    উদাহরণঃ টেষ্ট স্কোর 500, 510, 550, 515, 505, 535 ইত্যাদি E কলামের E1:E8 রেঞ্জে সংখ্যা সমূহের ভেদাংক নির্ণয় করতে সেল পয়েন্টার E10 অথবা কোন ফাকা সেল- এ রাখি।
    =VAR (E1:E8) লিখে Enter দিই। ভেদাংক 311.8055 বেরিয়ে আসবে।
    =PV (present Value) পরিসংখ্যানের এ সূত্রটির সাহায্যে কোন বিণিয়োগের বর্তমান মূল্য বের করা যায়।
    উদাহরণঃ ধরা যাক কোন স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান থেকে অবসর গ্রহনের পর প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা ৫০০০০। ইচ্ছা করলে টাকাগুলো ব্যাংকে রাখা যায়। সে ক্ষেত্রে ব্যাংক ১২% সুদ দেবে। এ টাকা এককালীণ গ্রহন না করলে ব্যাংক প্রতি বছর ১০,০০০টাকা করে ১০ বছর ধরে দেবে।
    এখন নির্বাচন করতে হবে কোন পন্থাটি বেশী লাভজনক। দ্বিতীয় পন্থাটি লাভজনক হবে কিনা তা আমরা এই সূত্রের সাহায্যে পরীক্ষা করবো।
    সেল পয়েন্টার C4 সেলে রাখি।
    =PV (.12,10,10000) লিখে Enter দিই।
    C4 সেল এ 56502.23 টাকা আসবে।
    তাহলে দেখা যাচ্ছে 50,000 টাকা মূলধন দ্বিতীয়শর্তের ভিত্তিতে খাটালে বেশী লাভজনক।
    =SLN (Cost, Salvage, Life) সরল রৈখিক হারে বার্ষিক Depreciation/অবচয় বের করার সূত্র।
    এখানে Cost= সম্পত্তির মূল্য, Salvage= ব্যবহার কাল শেষে অবশিষ্ট মূল্য, Life= ব্যবহার কাল। সেল পয়েন্টার C5 সেলে রাখি।
    =SLN (C1, C2, C3) লিখে Enter দিই।
    C5 সেল এ SLN Depreciation 14000 দেখাবে।
    অর্থনৈতিক সূত্রঃ
    =DB (Cost, Salvage, Life, Period, Month)
    সূত্রের ব্যাখ্যাঃ
    Cost = বস্তুটির ক্রয় মূল্য।
    Salvage = নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে বস্তুটির মূল্য (অবশেষ মূল্য) ।
    Life = মেয়াদ কাল।
    Period = যে বছরের জন্য অবচয় নির্ণয় করা হবে।
    Month = মাস। এখানে মাস হচ্ছে ১ম বছরের মাস সংখ্যা। যদি মাস বাদ দেয়া হয় তাহলে সূত্র ১২ মাস ধরে নেবে।
    উদাহরণঃ
    ধরা যাক কোন ফ্যাক্টরী একটি নতুন মেশিন ক্রয় করলো। মেশিনটির দাম ১০ লক্ষ টাকা এবং এর মেয়াদকাল বা লাইফ টাইম ৬ বছর। ৬ বছর পর মেশিনটির বিক্রয় মূল্য বা অবশেষ মূল্য এক লক্ষ টাকা। প্রতি বছর ব্যবহার জনিত অপচয় বা Depreciation জানা দরকার।
    আমরা হয়তো সহজ গানিতিক পদ্ধতিতে মেশিনের দাম ১০লক্ষ মেয়াদ শেষে মূল্য ১ লক্ষ। অতএব মোট অপচয় ১০-১ = ৯ লক্ষ মোট অপচয়। অতএব বছরে অপচয় ৯ ভাগ ৬ = ১.৫ ল টাকা হিসেব করবো কিন্তু এক্ষেত্রে তা হবে না। প্রথম বছর অপচয় মূল্য বেশী হবে। ১০ লক্ষ টাকার মেশিন ১ বছর পর মূল্য হবে ৭ লক্ষ টাকা। তাহলে ১ম বছরের অপচয় ৩ লক্ষ টাকা। ২য় বছরে ৩লক্ষ টাকা না হয়ে আরও কম হবে। এভাবে বছর যত বাড়বে অপচয় তত কমতে থাকবে। তাই কোন একটা মেয়াদ শেষে Depreciation কত হবে তা বের করা খুবই জটিল, কিন্তু এই সূত্রটি ব্যবহার করে তা সহজেই করা যায়।
    =DB (C1, C2, C3, D2) লিখে Enter দিই। সেল পয়েন্টার E2 সেলে রাখি।
    E2 সেল এ প্রথম বছরের অপচয় মূল্য আসবে।
    E3 তে সেল পয়েন্টার এনে =DB (C1, C2, C3, D3) লিখে Enter দিলে বছরের Depreciation বের হবে। এভাবে E4, E5, E6 সেলে ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম বছরের Depreciation বের করা যায়।
    যুক্তিগত সূত্র সমূহ (Logical Function)
    =IF (Condition)
    সূত্রের কতিপয় Condition লেখার ক্ষেত্রে যে সকল গাণিতিক অপারেটর বা চলক ব্যবহৃত হয় তা হলো-
    = সমান অর্থ প্রকাশ করে।
    > অপেক্ষাকৃত বড়।
    > অপেক্ষাকৃত ছোট। অপেক্ষাকৃত বড় বা সমান।
    > অপেক্ষাকৃত ছোট বা সমান। অসমান।
    এছাড়াও বিভিন্ন নির্দেশনায় AND, OR, NONE ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন-
    যদি কোন কথার ভিতর নির্ধারিত অংশ/ সংখ্যা দেওয়া থাকে সে ক্ষেত্রে AND বসবে(1-1000)
    যদি কথার ভিতর নির্ধারিত অংশ/সংখ্যা না থাকে সেক্ষেত্রে OR(1000 বেশী/ কম)
    একটি বাক্যে কিছু কথা শেষ করার পর যদি আরও কথা থাকে সেক্ষেত্রে , (কমা) বসে।
    সূত্র লেখা শেষ হলে সূত্রের মধ্যে যতবার IF লেখা ব্যবহার করা হবে ততবার বা ততটি বন্ধনী হবে।
    সূত্রের সাহায্যে স্কুলের রেজাল্ট শীট তৈরিঃ
    মনে করি, একটি স্কুলের নির্বাচনী পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন বিষয়ে মোট নম্বরের উপর ভিত্তি করে রেজাল্টশীট তৈরী করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ৮০০ অথবা এর অধিক নম্বর পেলে A+, ৭০০ বা এর উপরে পেলে A, ৬০০ বা এর উপরে পেলে A-, ৫০০ বা এর উপরে পেলে B, ৪০০ বা এর উপরে পেলে C, ৩৩০ বা এর উপরে পেলে D, ৩৩০ এর নীচে পেলে Fail বা F ধরা হয়েছে। =IF ফরমূলা ব্যবহার করে রেজাল্ট শীট তৈরী করতে হবে। সেল পয়েন্টার D2 সেলে রাখি।
    =IF (C2>=800,’A+’, IF(C2>=700,’A’,IF(C2>=600,’A-‘,IF(C2>=500,’B’, IF (C2>=400,’C’,IF(C2>=330,’D’,’F’)))))) লিখে Enter দিই।
    সূত্রের সাহায্যে SSC পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ রেজাল্ট শীট তৈরীঃ
    মনেকরি একটি পরীক্ষা কেন্দ্রের একটি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বরের উপর ভিত্তি করে একটি রেজাল্টশীট তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে পরীক্ষায় পাশ মার্ক থাকতে হবে এবং প্রতি বিষয়ে 80 এর অধিক নম্বর পেলে রেজাল্ট হবে A+ , 70-79 নম্বর পেলে A, 60-69 নম্বর পেলে A-, 50-59 নম্বর পেলে B, 40-49 নম্বর পেলে C, 33-39 নম্বর পেলে D, আর ৩৩ নম্বরের নিচে পেলে ফেল বা F হবে। চতুর্থ বিষয়ের নম্বর 40 এর বেশি হলে বেশি অংশ আনুপাতিক হারে প্রত্যেক বিষয় এর সাথে যোগ হবে। ফরমূলা ব্যবহার করে গ্রেড ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ রেজাল্টশীট তৈরি করতে হবে।
    প্রথমে ১১টি বিষয় সস্বলিত নিম্নরূপ শীট তৈরি করতে হবে।সেল পয়েন্টার N2 তে রাখি
    =IF (M2>40, M2-40,0) Enter.
    সেল পয়েন্টার O2 তে রাখি
    =AVERAGE (C2:L2) +N2/10 Enter.
    সেল পয়েন্টার P2 তে রাখি
    =IF (OR (C2 <33, D2<33, E2<33, F2<33, G2<33, H2<33, I2<33, J2<33, K2<33, L2<33),”Fail”, “Pass”) সেল পয়েন্টার Q2 তে রাখি=IF(AND(O2>= 80, P2=“Pass’’),’A+’, IF(AND(O2>=70,P2=`Pass’),’A’, IF(AND (O2>=60, P2=`Pass’),’A-‘, IF (AND(O2>=50,P2=`Pass’),’B’, IF (AND (O2>=40, P2=`Pass’),’C’, IF(AND (O2>=33,P2=`Pass’),’D’,’F’)))))) Enter.
    সূত্রের সাহায্যে ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্ট শীট তৈরীঃ
    মনে করি, একটি ডিগ্রী কলেজের BSC পরীক্ষর ফলাফল গ্রেড পদ্ধতিতে তৈরী করতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলা, ইংরেজী, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত প্রতিটি বিষয়ে আলাদা আলাদা ভাবে পাশ করতে হবে। অর্থাৎ কোন বিষয়ে ৩৩ এর নিচে নম্বর পেলে তাকে অকৃতকার্য ধরতে হবে।
    আবার প্রত্যেক পরীক্ষার্থী মোট নম্বর ১৬৫ এর কম পেলে তাকে অকৃতকার্য বা F ধরতে হবে। ১৬৫ অথবা এর বেশী কিন্তু ২০০ এর কম হলে D, ২০০ অথবা এর বেশী কিন্তু ২৫০ এর কম পেলে C, ২৫০ অথবা এর বেশী কিন্তু ৩০০ এর কম পেলে B, ৩০০ অথবা এর বেশী কিন্তু ৩৫০ এর কম পেলে A-, ৩৫০ অথবা এর বেশী কিন্তু ৪০০ এর কম পেলে A, ৪০০ অথবা এর বেশী পেলে A+ হবে।
    বর্ণিত ডিগ্রী কলেজটির ছাত্রদের বিষয়ভিত্তিক প্রাপ্ত নম্বর এর ওয়ার্কশীট তৈরী করি।
    সেল পয়েন্টার I2 সেলে রাখি। =IF(OR(C2<33,D2<33,E2<33,F2<33,G2<33),`F’,IF(AND(H2>0,H2<165),`F’, IF(AND(H2>=165, H2<200),`D’,IF(AND(H2>=200,H2<250),`C’, IF(AND(H2>=250,H2<300),`B’, IF(AND(H2>=300,H2<350),`A-‘ IF(AND(H2>=350,H2<400),`A’,`A+’))))))) সূত্রটি লিখে Enter দিই।
    আশা করি প্রেজেন্টেশন সম্পর্কে আপনাদের কোন প্রশ্ন আর থাকলো না। আপনি যদি উপরিক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী একটি প্রেজেন্টেশন তৈরি করে উপস্থাপনা করেন তাহলে আপনি অবশ্যই ভালো অবস্থানে পৌঁছাতে পারবেন।
    আর্টিকেলটি পড়ার জন্য সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে আগামী দিনে ভালো কিছু নিয়ে লেখার আশা ব্যক্ত করে আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আসসালামু আলাইকুম।
    Tax নির্ণয়ঃ শর্তঃ যদি বেতন ৫০০০ থেকে ১০০০০ এর মধ্যে হয় তাহলে ২% ট্যাক্স, ১০০০০ এর উপরে হলে ৫% ট্যাক্স ধার্য হবে।
    নিচে ওয়ার্কশীট তৈরী করার নিয়মঃ সেল পয়েন্টার C2 সেলে রাখি। =IF(AND(B2>5000, B2<10000), B2*.02, IF(B2>10000, B2*.05,” NONE”)) লিখে Enter দিলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল চলে আসবে। তারপর স্ক্রল করে প্রত্যেক ফিল্ডে ফলাফল আনতে হবে।
    কমিশন নির্ণয়ঃ ধরা যাক কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তাদের তৈরী পণ্য বিক্রয় করার জন্য কয়েকজন বিক্রয় প্রতিনিধি নিয়োগ করলো। প্রতিনিধিদের মাসিক বেতন এভাবে ধার্য করা হলো যে, মোট বিক্রয়ের পরিমান যদি খরচ বাদে ৮০,০০০ টাকা হয় তাহলে বিক্রয়ের শতকরা ১০ভাগ বেতন পাবে, আবার বিক্রয় যদি খরচ বাদে ১,০০,০০০ টাকার কম হয় তাহলে বিক্রয়ের শতকরা ১১ ভাগ বেতন পাবে।
    এরূপ সমস্যা সমাধানের জন্য নিম্নরূপ একটি ওয়ার্কশীট তৈরী করি এবং =IF সূত্র ব্যবহার করে সমাধান করি। উদাহরণঃ সেল পয়েন্টার D2 সেলে রাখি।
    =IF (OR (B2-C2<80000, B2<100000), B2*.10, B2*.11) Enter দিলে কাঙ্ক্ষিত হিসাবটি পাওয়া যাবে।
    মজুরী নির্ণয়ঃ মনে করি, ই-লার্ন বাংলাদেশ তার কর্মচারীদের প্রতি ঘন্টা হিসেবে মজুরী প্রদান করে। প্রতিদিন ৮ ঘন্টা বা তার চেয়ে কম সময়ের জন্য প্রতি ঘন্টা মজুরী ১৫ টাকা। আর্থাৎ কোন শ্রমিক কর্মচারী ৮ ঘন্টা কাজ করলে সে পাবে ১৫´৮=১২০ টাকা। আবার ৮ ঘন্টার কম অর্থাৎ ৬ ঘন্টা কাজ করলে পাবে ১৫´৬ = ৯০টাকা। পক্ষান্তরে ৮ ঘন্টার বেশী কাজ করলে অতিরিক্ত প্রতি ঘন্টার জন্য মজুরী পাবে ২০টাকা। অর্থাৎ কেহ ১২ ঘন্টা কাজ করলে মজুরী পাবে ১৫´৮=১২০, ২০´৪=৮০, ১২ ঘন্টার মজুরী হবে ১২০+৮০=২০০টাকা। প্রতিষ্ঠানের একটি Wage Sheet তৈরী করতে হবে। যেখানে শুধুমাত্র কর্মঘন্টা দেয়া মাত্র ওভার টাইম ও মোট মজুরী বের হবে।
    উদাহরণঃ নিম্নরূপ ওয়ার্কশীট তৈরী করি। সেল পয়েন্টার D5 সেলে এনে =IF(C5>8,C5-8,0) Enter ।
    সেল পয়েন্টার E5 সেলে এনে =IF(D5>0,D5*20+8*15,C5*15) Enter
    D5:E10 সিলেক্ট করে সেল পয়েন্টার D2 তে রেখে Shift চেপে ধরে E2 তে আসি। Fill Handel এ ক্লিক করে ড্রাগ করে নিচের দিকে E10 এ এনে Enter দিতে হবে।
    C5 সেলে 8 টাইপ করি। এভাবে C6 সেলে 11 টাইপ করি। C7 সেলে 7 টাইপ করি। C8 সেলে 13 টাইপ করি। C9 সেলে 9 টাইপ করি। C10 সেলে 15 টাইপ করি। ফলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে ওভার টাইমসহ মজুরী নির্ণয় হয়ে যাবে।
    বিদ্যুৎ বিল তৈরীঃ
    বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ বিল ধার্য করার জন্য সাধারণত: তাদের নির্ধারিত রীতি প্রয়োগ করে থাকে। উদাহরণ হিসেবে তাদের প্রবর্তিত রীতি হলো বিদ্যুৎ খরচ যদি ১ থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ১.৭৫ টাকা, ২০১ থেকে ৪০০ ইউনিট পর্যন্ত ২.৫০ টাকা, ৪০১ থেকে ৫০০ ইউনিট পর্যন্ত ৩.৭৫ টাকা এবং তার উপরে হলে প্রতি ইউনিট ৪.৫০ টাকা করে ধার্য করে বিদ্যুৎ বিল নির্ধারিত করে।
    এ ধরণের সমস্যা সমাধানের জন্য নিম্নরূপ ওয়ার্কশীট তৈরী করে =IF ফাংশন ব্যবহার করলে সমাধান মিলবে।
    উদাহরণঃ নিম্নরূপ ওয়ার্কশীট তৈরী করি। সেল পয়েন্টার D2 সেলে রাখি।
    =IF (C2<=200, C2*1.75, IF (C2<=400, C2*2.50, IF (C2<=500, C2*3.75, C2*4.50))) Enter । D2 এর Fill Handel ড্রাগ করে অন্যান্য ব্যবহারকারীদের হিসাব পওয়া যাবে।
    Salary Sheet তৈরিঃ
    মনেকরি মেসার্স জামান এন্ড কোং এর কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন শীট নিম্ন বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করে তৈরী করতে হবে এবং মোট বেতন নির্ণয় করতে হবে।
    House Rent Basic এর ৫০%, Medical Allowance, Basic এর ১০%, Provident Fund Basic এর ১০%, Income Tax Basic ২০০০ এর নীচে হলে ০, ২০০০-৫০০০ পর্যন্ত ৫% এবং ৫০০০ টাকার উর্ধে ১০% ।
    উদাহরণঃ নিম্নরূপ ওয়ার্কশীট তৈরী করি।D2 সেলে=C2*50%, E2 সেলে=C2*10%, F2 সেলে=C2*10% টাইপ করতে হবে।
    G2 সেলে কার্সর এনে নিম্নের সূত্রটি টাইপ করতে হবে।
    =IF (C2<2000,0, IF(AND(C2>2000, C2<=5000), C2*5%, IF(C2>5000, C2*10%))) Enter
    H2 সেলে =C2+D2+E2-(F2+G2) টাইপ করতে হবে।
    D2:H2 সিলেক্ট করে H10 পর্যন্ত Fill Handel ড্রাগ করে অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীদের হিসাব পওয়া যাবে।
    Data কি?
    ডেটা বা উপাত্ত বলতে সাধারণত: কোন তথ্য বা Information কে বুঝায়। এই তথ্য বা ইনফরমেশন বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেমন, আমাদের ব্যক্তিগত টেলিফোন গাইড বা ডায়েরীতে আমরা বিভিন্ন ব্যক্তির নাম ঠিকানা ও ফোন নম্বর লিখে থাকি। এই তথ্য বা ইনফরমেশনগুলোই হলো ডেটা।
    Data base কি?
    পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্যের সমাহারকে তথ্য ঘাঁটি বা ডাটাবেজ বলা হয়। বেজ শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘাঁটি বা ধারক বা ভিত্তি। Flower base অর্থ ফুলদানী। অনেক ফুলকে সুসজ্জিত ভাবে যেমন ফুলদানীতে রাখা হয় তেমনি ডেটাকে সুসংগঠিত করে রাখার ব্যবস্থাপনা বা ঘাঁটিকে Data base বা উপাত্ত ঘাঁটি বলা হয়।
    Data Table তৈরিঃ
    ধরা যাক, কোন ব্যাংক থেকে ৫% সুদে ১০০০০ টাকা ঋণ গ্রহন করা হলো।
    ১০০০০ টাকার ৫ বছরে ৫% সুদে সুদাসল কত হবে ?
    সুদের হার পরিবর্তন হয়ে ১০%, ১২%, ১৫%, ১৭%, ২০% হলে সুদাসল কত হবে ?
    সুদের হার এবং আসল যদি (৫০০০০ টাকা বা ৮০০০০টাকা) পরিবর্তন হয় তাহলে সুদাসল কত হবে ? এ সব সমস্যার সমাধানগুলো ডেটা টেবিলের মাধ্যমে করতে হবে
    উদাহরণঃ পদ্ধতি-১ ওয়ার্কশীট তৈরীঃ A3 সেলে লেখাটি ধরানোর জন্য Format>Column>Width. নির্দেশ দিয়ে 12 লিখে Enter দিয়ে A কলামের প্রশস্ততা বৃদ্ধি করে নিতে হবে।
    সেল পয়েন্টার B4 সেলে রেখে =+B1*B2*B3+B1 লিখে Enter দিতে হবে।
    এরপর A4 থেকে B9 সিলেক্ট করে Data >Table ক্লিক করতে হবে। ফলে পর্দায় একটি ডায়ালগ বক্স আসবে।
    ডায়ালগ বক্সের Column input Cell এ ক্লিক করে B2 সেলে ক্লিক করতে হবে। এরপর ডায়ালগ বক্স থেকে ওকে বার্টন ক্লিক করলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল চলে আসবে।
    উদাহরণঃ পদ্ধতি–২ ওয়ার্কশীট তৈরীঃ সেল পয়েন্টার A4 সেলে রেখে =+B1*B2*B3+B1 লিখে Enter দিতে হবে।
    B4 সেলে 10000, C4 সেলে 50000, D4 সেলে 80000 টাইপ করি।
    এরপর A4 থেকে D9 সিলেক্ট করে Data >Table ক্লিক করতে হবে। ফলে পর্দায় একটি ডায়ালগ বক্স আসবে।
    ডায়ালগ বক্সের Row input Cell এ কিক করে E1 সেলে কিক করতে হবে।
    ডায়ালগ বক্সের Column input Cell এ ক্লিক করে B2 সেলে কিক করতে হবে। এরপর ডায়ালগ বক্স থেকে ওকে বার্টন কিক করলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল চলে আসবে। নিম্নরূপ-Goal Seek:
    ধরা যাক বাড়ি ক্রয়ের জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহন করতে হবে। ব্যাংক ১টি শর্তে ঋণ দিতে চায় বছরে ৯টাকা হার সুদে ৩০ বছরে মাসিক কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করতে হবে। এ পদ্ধতিতে নিজের পারগতার উপর অর্থাৎ মাসে কত টাকা জমা দিতে পারবো সেই অনুপাতে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহন করলে ঋণ সময় মতো পরিশোধ করা যাবে। তাই যদি মাসে ৯০০০ টাকা হারে জমা দেওয়ার পারগতা থাকে তাহলে ব্যাংক থেকে কত টাকা ঋণ পাওয়া যাবে তা গোলচেকের মাধ্যমে আমরা পরীক্ষা করে নিতে পারি।
    তাহলে সুদের হার ৯%, সময়কাল ৩০ বছর, মাসিক কিস্তি ৯০০০ টাকা, ঋণের পরিমান ?
    ধরা যাক ঋণের পরিমান আনুমানিক ৯,০০,০০০ টাকা।
    করণীয়ঃ
    সেল পয়েন্টার সেলে রেখে =PMT (B2/12,B3*12,B1) লিখে Enter দিই। ফলে এখানে রেজাল্ট আসবে ৭২৪১.৬০ টাকা। কিন্তু আমরা দিতে পারি ৯,০০০ টাকা। তাহলে কত টাকা ঋণ পাওয়া যাবে জানতে আমাদের কিছু কাজ করতে হবে। যেমন- সেল পয়েন্টার B5 সেলে ফলাফল সিলেক্ট করে টুলস মেনু থেকে কমান্ড দিয়ে ডায়ালগ বক্সের প্রথম সেলে পয়েন্টার রেখে B1 সেলে ক্লিক করতে হবে। পুণরায় ডায়ালগ বক্সের মাঝের সেলে পয়েন্টার নিয়ে কত পরিশোধ করতে পারি তা লিখতে হবে। তাহলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে।
    Data Auto Filter = উদাহরণঃ ডেটা বেজের যে কোন সেলে পয়েন্টার রাখি। এরপর Data মেনুতে কিক করে অথবা কীবোড Alt+D চাপি।
    এরপর Filter এ ক্লিক করে Auto Filter এ ক্লিক করলে অথবা দুইবার চাপলেও কাজটি হয়ে যাবে।
    আজকে আমরা এমএস এক্সেল এ Formula ব্যবহার করে কিভাবে Logical Function এর কাজ করা যায় তা শিখব।
    Logical Function:
    একটি পূর্ণাঙ্গ রেজাল্ট শীটের উপর আমরা আজকে Logical Function এর কাজ শিখব। একটি ছাত্র সকল বিষয়ে পাস করল, নাকি কোন একটি অথবা একাধিক বিষয়ে ফেল করল এবং ছাত্রটির প্রাপ্ত নম্বরের উপর সে কোন গ্রেডে পাস করল সবধরনের ফলাফলই আমরা আজকে তৈরী করব।
    # প্রথমে আমরা Result Sheet এর নিম্নরূপ একটি ছক তৈরী করি।
    MS Excel 12-1
    # এখন আমরা উক্ত রেজাল্ট শীটের ৫ জন ছাত্রের রেজাল্ট তৈরী করব। অর্থাৎ পাস/ফেল এবং কোন ছাত্র কোন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে তা তৈরী করব।
    # Result এর Row তে প্রথম ছাত্র Shofik সব বিষয়ে পাস করেছে নাকি কোন বিষয়ে ফেল করেছে তা Logical Function এর মাধ্যমে তৈরী করব। সেজন্য প্রথমে সেল পয়েন্টারটি G6 ঘরে রাখি।
    # ধরি কোন বিষয়ে পাস করতে হলে কমপক্ষে ৪০ নম্বর পেতে হবে। তাহলে G6 সেলে নিচের সূত্রটি লিখে Enter প্রেস করি। =IF (OR (B6<40, C6<40, D6<40), “Fail”, “Pass”) # Enter প্রেস করার সাথে সাথে ফলাফল চলে আসবে। এখন উক্ত সূত্রটি কপি করে অন্যান্য ছাত্রের নামের পাশে Result এর ঘরে পেস্ট করলে সকলের ফলাফল তৈরী হবে। # Result এর ঘরে Pass অথবা Fail চলে আসবে। সেখানে সূত্র দেখা যাবে না। তবে Formula Bar এর মধ্যে সূত্রটি দেখা যাবে।
    # এখন আমরা উক্ত ছাত্রদের প্রাপ্ত নাম্বার দিয়ে গ্রেড তৈরী করব। ধরে নেই গ্রেডিং পদ্ধতিটি হলো 80+=A+, 70+=A, 60+=B, 50+=C, 40+=D এবং 40-=F অর্থাৎ ফেল। তবে সূত্রের মধ্যে প্রথমে ছাত্রটি সব বিষয়ে পাস করল নাকি কোন বিষয়ে ফেল করল তা অন্তর্ভূক্ত করার জন্য Result রো এর ফলাফলটি সূত্রের আওতায় আনতে হবে। যদি ছাত্রটি ফেল করে তাহলে সে ‘F’ গ্রেড পাবে, অন্যথায় সে গ্রেডিং পদ্ধতির আওতায় আসবে।
    # H6 সেলে নিচের সূত্রটি লিখে Enter প্রেস করি
    =IF(G6=”Fail”,”F”,IF(F6>=80,”A+”,IF(F6>=70,”A”,IF(F6>=60, “B”,IF(F6>=50,”C”,IF(F6>=40,”D”,”F”))))))
    # Enter প্রেস করার সাথে সাথে গ্রেডিং রেজাল্ট চলে আসবে। এখন উক্ত সূত্রটি কপি করে অন্যান্য ছাত্রের নামের পাশে Grade এর ঘরে পেস্ট করলে সকলের গ্রেডিং রেজাল্ট তৈরী হবে।
    MS Excel 12-3
    # Grade এর ঘরে Result চলে আসবে। সেখানে কোন সূত্র দেখা যাবে না। তবে Formula Bar এর মধ্যে সূত্রটি দেখা যাবে।
  • করোনা পৃথিবীর সবার মধ্যে ছড়াবে!

    করোনা পৃথিবীর সবার মধ্যে ছড়াবে!

    করোনাভাইরাস দীর্ঘদিন এই পৃথিবীতে থাকতে পারে—এমনটিই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের ধারণা, কোভিড-১৯ সারা বিশ্বের আনাচকানাচে ছড়িয়ে পড়ার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

     

    ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লু মহামারিতে বিশ্বের জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ আক্রান্ত হয়েছিল। সেই সময় প্রথম ধাপে নিউইয়র্ক নগর এবং শিকাগোতে ফ্লুর আক্রমণে অসুস্থতা এবং মৃত্যুর পরিমাণ বেশি ছিল। কিন্তু বোস্টন, ডেট্রয়েট, মিনিয়াপোলিস এবং ফিলাডেলফিয়ার মতো অন্যান্য শহরে প্রথম ধাপে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু দ্বিতীয় ধাপে সে স্প্যানিশ ফ্লুর আক্রমণ দেশব্যাপী মারাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।

     

     

     

    করোনাভাইরাসের স্বভাব ঠিক ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লুর মতো মনে হচ্ছে বলে বিশেজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন।

     

     

    মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ গবেষণা ও নীতি কেন্দ্রের পরিচালক মাইকেল অস্টারহোম ইউএসএ টুডেকে বলেন, ‘নিউইয়র্ক নগরের মতো শহর যেখানে পাঁচজনের মধ্যে একজন আক্রান্ত হয়েছে, সেখানে প্রাথমিক প্রাদুর্ভাবে অসুস্থতা ও মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। এর চেয়েও কঠিন সময় আসছে।’

     

     

    অস্টারহোম বলেন, ‘এই ভয়ংকর ভাইরাসটি যতক্ষণ না সম্ভব সবাইকে সংক্রমিত করবে, ততক্ষণ এটি পৃথিবীতে টিকে থাকবে। পৃথিবীর মোট জনগোষ্ঠীর ৬০ থেকে ৭০ ভাগকে সংক্রমিত না করা পর্যন্ত এই ভাইরাস কিছুতেই ক্ষান্ত হবে না।’

     

     

    এদিকে মার্কিন সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) পরিচালক রবার্ট রেডফিল্ড দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, ‘আগামী শীত মৌসুমে আমাদের ওপর ভাইরাসটির আক্রমণ আরও বেশি কঠিন হয়ে ওঠার আশঙ্কা আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যখন আমি অন্যদের কাছে এ বিষয়টি বলেছি, তারা এটি একপ্রকার না বোঝার ভান করছে। তারা আমার কথার অর্থ কি বোঝে না?’

     

     

    অস্টারহোম কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে বলেন, এই ভ্যাকসিন শুধু ভাইরাসকে সংক্রমণ বা বিকাশ ধীর করতে সহায়তা করবে। এমনকি যদি কোনো ভ্যাকসিন কাজ করে, তবে কোভিড-১৯-এর বিকাশের জন্য দায়ী সার্স কোভিড-২ থেকে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা পাওয়া যাবে কি না, তা এখনো অজানা।

  • লজ্জায় পড়ে ত্রাণ বিতরণ করছে বরিশাল বিএনপি

    লজ্জায় পড়ে ত্রাণ বিতরণ করছে বরিশাল বিএনপি

    করোনার দুর্যোগে কোন হুশ ছিল না বরিশাল বিএনপির। অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে হবে, সেই ভয়ে লেজ গুটিয়ে ছিলেন তারা। দক্ষিণাঞ্চলের হেভিওয়েট থেকে স্থানীয় শীর্ষ; কোন নেতারই দেখা ছিল না। অনেকে আবার ঠুনকো অজুহাতে ছেড়েছেন বরিশাল নগরী। যে কারনে একসময়ে ক্ষমতায় থাকা দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা ওঠে। পত্রিকায় প্রকাশিত হয় সংবাদ। শেষে লোকলজ্জায় কিছু ত্রাণ বিতরণের আয়োজন করেছে বরিশাল বিএনপি।

     

    আজ শনিবার (০৯ মে) সকাল সাড়ে ১০ টায় নগরীর কাউনিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা চত্ত্বরে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার।

     

    এতো দেরি করে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে জিয়া উদ্দিন সিকদার দাবি করেন, তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং নেতা-কর্মীরা বরিশালের বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এই দুর্যোগ মোকাবেলায় কারো সাথে আলাপ না করে সরকার একাকী সবকিছু করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

     

    এসময় সমন্বিত ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত বলে অভিমত মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদকের। ত্রাণ বিতরণকালে জেলা বিএনপির দক্ষিনের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাহীন, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল মান্নান মৃধা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এরপর একই ওয়ার্ডের ব্রাঞ্চ রোডের শের ই বাংলা স্কুলেও ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

     

    জানাগেছে, প্রতিটি ওয়ার্ডে কমপক্ষে ৫ শত ব্যাগ ত্রাণ নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে। নগরীর ত্রিশটি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে ১৫ থেকে ২০ হাজার পরিবারকে ত্রাণ বিতরণের উদ্যেগ নিয়েছে মহানগর বিএনপি। প্রতি পরিবারকে চাল ৫ কেজি, ডাল ১ কেজি, আলু ১ কেজি এবং ১ টি করে সাবান দেয়া হচ্ছে।

  • করোনার উপসর্গ যাচাইয়ে মোবাইল অ্যাপ আনছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    করোনার উপসর্গ যাচাইয়ে মোবাইল অ্যাপ আনছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

     

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ যাচাইয়ে একটি মুঠোফোন অ্যাপ আনার পরিকল্পনা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চলতি মাসেই অ্যাপটি চালুর কথা রয়েছে।

     

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তথ্য কর্মকর্তা বার্নার্দো মারিয়ানো টেলিফোনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে গত শুক্রবার বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, মুঠোফোনে ইনস্টল করার পর অ্যাপটি ব্যবহারকারীর উপসর্গ সম্পর্কে জানতে চাইবে। এরপর তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অ্যাপটি বলে দেবে, ব্যবহারকারীর করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা আছে কি না।

  • শিরক থেকে বাঁচার ও মুক্ত হওয়ার সূরা ‘আল কাফিরুন’

    শিরক থেকে বাঁচার ও মুক্ত হওয়ার সূরা ‘আল কাফিরুন’

    মাহে রমজানে আমরা বেশি বেশি কোরআন পাঠ করব। চেষ্টা করব অর্থ বুঝে তবেই পাঠ করার। সব সময় কোরআনের সঙ্গে থাকব। কারণ এ মাসেই আল্লাহ মহা পবিত্র আল কোরআন নাজিল করেছেন। এই কোরআন মানবজাতির সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ ও মুক্তির দিশারি বা পথপ্রদর্শক।

    আজ আমরা পবিত্র কোরআন শরীফের ১০৯ নম্বর সূরা ‘সূরা কাফিরুন’ পাঠ করব। সেই সঙ্গে জেনেনিব এর ফজিলত সম্পর্কে।

    ১০৯. সূরা কাফিরুন

    পারা ৩০, আয়াত ৬, রুকু ১ (মাক্কী)

    বাংলা উচ্চারণ

    বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।

    কুল ইয়া আইউহাল কাফিরূন। লা আ’বুদু মাতাবুদুন। ওয়ালা আনতুম আবিদুনা মা আবুদ। ওয়া লা আনা আবিদুনা মা আবাদতুম। ওয়ালা আনতুম আবিদুনা মাআবুদ। লাকুম দীনুকুম ওয়ালীয়া দ্বীন।

    মর্মবাণী

    দয়াময় মেহেরবান আল্লাহর নামে

    (হে নবী! ওদের) বলো, হে সত্য অস্বীকারকারীরা! ২. আমি তার ইবাদত করি না, যার ইবাদত তোমরা করো। ৩. আর তোমরাও তাঁর ইবাদতকারী নও, যাঁর ইবাদত আমি করি। ৪. তোমরা যার ইবাদত করছ আমি তার ইবাদত করতে প্রস্তুত নই। ৫. আর তোমরাও তাঁর ইবাদত করতে প্রস্তুত নও, যাঁর ইবাদত আমি করি। ৬. অতএব তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্যে আর আমার ধর্ম আমার জন্যে।

    ফজিলত ও গুরুত্ব

    সূরা আল-কাফিরুন পবিত্র মক্কায় অবতীর্ণ হয়। এই সূরা পবিত্র কোরআন শরীফের ৩০ নম্বর পারায় আছে। সূরা আল-কাফিরুনের পূর্ববর্তী সূরা হচ্ছে সূরা আল কাওসার, আর পরবর্তী সূরা হচ্ছে সূরা নাসর।

    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদ তথা তাওহীদের বাণী প্রচার করেন। এই বাণী প্রচারের সময় এবং দাওয়াত দেয়ার সময়কালে মক্কার কুরাইশগণ বিভিন্নভাবে তার প্রচারে বাধা সৃষ্টি করে। বিভিন্ন প্রচেষ্টা, ছক করেও যখন তারা ব্যর্থ হয়, তখন তারা মহানবী (সা.)-কে একটি প্রস্তাব দেয় যা ছিল অনৈতিক।

    তারা নবীজিকে তাওহীদের দাওয়াত ও কুফরীর মধ্যে একটি আপোসের প্রস্তাব দিল। তারা প্রস্তাব দেয় যে, এক বছর তারা এবং সবাই তাদের মূর্তি পূজা করবে এবং আর এক বছর তারা এবং সবাই আল্লাহর ইবাদত করবে। (নাউজুবিল্লাহ) এই অনৈতিক ও হাস্যকর প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের কাছে পবিত্র এই সূরা নাজিল করেন এবং আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দেন তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম যেন তাদের প্রস্তাব আকিদা ও ধর্ম থেকে সম্পূর্ণভাবে নিজেকে মুক্ত ঘোষণা করেন। এ সূরাটি অবতীর্ণ হওয়ার পর মক্কার কিছু মুশরিক ইসলাম গ্রহণ করেছিল এবং তারা আল্লাহর একত্ববাদ সাদরে গ্রহণ করেছিলেন।

    মহান আল্লাহ তায়ালার কোনো শরিক নেই। মুসলমানদের জন্যে এককভাবে আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করা ওয়াজিব। আল্লাহ তায়ালা প্রতি ইবাদতে একাগ্রতা ও একনিষ্ঠতা থাকার জন্যে তাওহীদের প্রতি ঈমান তথা অবিচল বিশ্বাস প্রতিস্থাপন অতীব প্রয়োজনীয়।

    সূরা আল কাফিরুনে সেই একত্ববাদের ইবাদত স্পষ্ট হয়েছে। এই সূরায় শিরক থেকে বাঁচার ও মুক্ত হওয়ার কথা বলা আছে।

    সূরা আল কাফিরুন পাঠে বিশেষ ফজিলত রয়েছে। কাবা ঘর তাওয়াফের সময় এই সূরা পাঠে ফজিলত রয়েছে। জাবের (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সূরা কাফিরুন এবং সূরা ইখলাছ কাবা ঘরের তওয়াফ শেষের দু’রাকাআতে পাঠ করতেন। (মুসলিম)

    ঘুমানোর পূর্বে সূরা কাফিরুন পাঠে রাসূল সালাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেছেন। নবীজি বলেন, ‘যখন শয্যা গ্রহণ করবে তখন পাঠ করবে ‘ক্বুল ইয়া আইয়্যূহাল কাফেরূন’- শেষ পর্যন্ত তা পাঠ করবে। কেননা উহার মধ্যে শিরক থেকে মুক্ত হওয়ার ঘোষণা রয়েছে।’ (তবরাণী শরীফ)

    ফজর এবং মাগরিবের সালাতের সঙ্গে এই সূরা আদায় করাতে সাওয়াব রয়েছে। ফজরের দুই রাকায়াত সুন্নাতের প্রথম রাকায়াতে সূরা কাফিরুন এবং দ্বিতীয় রাকাআতে সূরা ইখলাছ পড়াতে ফজিলত রয়েছে। একইভাবে মাগরিবের দুই রাকাত সুন্নাত নামাজেও এই সূরা পড়ার ফজিলত রয়েছে।

    হাদিস শরীফে এসেছে হজরত ইবনু ওমর (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের পূর্বের দু’রাকাআতে এবং মাগরিবের পরের দু’রাকাআতে বিশের অধিকবার বা দশের অধিকবার পাঠ করেছেন- ‘ক্বুল ইয়া আইয়্যূহাল কাফেরূন’ এবং ‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ।’ (আহমাদ)

  • দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস

    দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস

    দেশের নয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া আজ দেশের প্রায় সব অঞ্চলেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    বুধবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    পূর্বাভাসে বলা হয়, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ- হুঁশিয়ারি সংকেত সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এ ছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। বিদ্যুৎ চমকানোর সাথে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। দক্ষিণ-পশ্চিম/ দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে, যা অস্থায়ীভাবে দমকা আকারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার অথবা তার চেয়ে বেশি বেগে প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

  • কারাগারে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে, বন্দীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ বন্ধ

    কারাগারে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে, বন্দীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ বন্ধ

     

    কারাগারে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ বাড়ছে। গত মাসে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীসহ ১২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন। গতকাল সোমবার পর্যন্ত সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২। এই পরিস্থিতিতে দুই সপ্তাহ আগে বন্দীদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ করে দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। আর আক্রান্ত ২২ বন্দী ও কারারক্ষী এখন তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

     

    গত মাসে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের এক বন্দী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হন। তাঁর পাহারায় থাকা ১১ কারারক্ষীর করোনা শনাক্ত হয়। পরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ১ জন বন্দী ও ৯ জন কারারক্ষী আক্রান্ত হন। তাঁরা মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মিরপুর মেটার্নিটি ও ঢাকার অদূরের কেরানীগঞ্জের জিনজিরার ২০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

     

    কারা অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও সহকারী মহাপরিদর্শক (আইজি-প্রিজন) মো. মনজুর হোসেন গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে দুই সপ্তাহ আগে দেশের ৬৮ কারাগারের বন্দীদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কারাগারের নির্ধারিত মুঠোফোন নম্বরে প্রত্যেক বন্দীকে স্বজনদের সঙ্গে পাঁচ মিনিট কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সব কারাগারে দর্শনার্থী সাক্ষাৎ বন্ধ রাখা হবে। তিনি জানান, করোনা পরিস্থিতিতে ইতিমধ্যে সব কারাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

  • দেশের এই ক্রান্তিকালে সবারই মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন : ডিআইজি শফিকুল ইসলাম

    দেশের এই ক্রান্তিকালে সবারই মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন : ডিআইজি শফিকুল ইসলাম

    করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সবাইকে মানবিক আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম-বিপিএম (বার), পিপিএম বলেছেন, করোনা রোগীকে ঘৃণা বা পরিত্যাগ না করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাকে সহযোগিতা করতে হবে। দেশের এই ক্রান্তিকালে নিজের এবং দেশের স্বার্থেই আমাদের বাড়িতে থাকতে হবে। জীবনের চেয়ে মুল্যবান কিছুই নেই৷ সরকারি সকল নির্দেশনা মেনে চলা আমাদের সবার দায়িত্ব।

     

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পৃথক দুটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি এ আহ্বান জানান।

     

    ফেসবুক স্ট্যাটাসে ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম লিখেছেন,, ‘আমরা সবাই জানি বাংলাদেশসহ পুরো পৃথিবী মহাসংকটকাল অতিক্রম করছে। এই ক্রান্তিকালে আমাদের সবারই মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। করোনা রোগীকে ঘৃণা বা পরিত্যাগ নয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাকে সহযোগিতা করতে হবে। যে কোন সময় আমি-আপনিও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারি। আর করোনার লক্ষণ দেখা দিলে তা গোপন না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ঘরে থাকা, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখাসহ সরকারি সকল নির্দেশনা মেনে চলা আমাদের সবার দায়িত্ব। সবার সুস্থতা কামনা করছি।’

     

    আরেকটি স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন,, ‘করোনা ভাইরাসের করাল থাবা থামেনি। বিশ্ববাসির ঘুম হারাম করে কোভিড-১৯ তার ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা কেন যেন একটু ঢিলেঢালা হয়ে যাচ্ছি। অপ্রয়োজনীয় মুভমেন্ট বাড়ছে। পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা হিমশিম খাচ্ছে এগুলো সামাল দিতে। চিকিৎসা, কৃষি উৎপাদন, জরুরি ক্রয়, সরকার অনুমোদিত অফিস ও সেবাকাজসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন ব্যতীত অবশ্যই আমাদের বাড়ির বাইরে যাওয়া উচিৎ নয়। জীবনের চেয়ে মুল্যবান কিছুই নেই৷ নিজের এবং দেশের স্বার্থেই আমাদের বাড়িতে থাকতে হবে। আর আমরা অন্যকে সহযোগিতা করতে সাধ্যমত চেষ্টা করবো।’