Category: অন্যান্য

  • আগামীকাল থেকে মসজিদে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার অনুমতি

    আগামীকাল থেকে মসজিদে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার অনুমতি

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৭ মে) জোহরের নামাজের পর থেকে রাজধানীসহ সারাদেশে মসজিদগুলোতে জামাতে নামাজ পড়া যাবে। তবে নামাজ পড়ার জন্য স্বাস্থ্যবিধিসহ কিছু নির্দেশাবলী বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে।

     

    বুধবার (৬ মে) দুপুরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

     

    শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল জোহর থেকে দেশের সব মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ৫ ওয়াক্ত ও তারাবিহ নামাজ পড়া যাবে।

     

    ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি রমজান মাসে দেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন। দেশের শীর্ষ আলেম-উলামারা মুসল্লিদের মসজিদে নামাজ পড়ার সুযোগ করে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানান। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিজেদের বাঁচাতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি ও নির্দেশনা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ধর্ম মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।’

     

    তিনি বলেন, ‘আগামীকাল জোহরের নামাজের পর থেকে সারাদেশের মসজিদে মুসল্লিরা নামাজ পড়ার সুযোগ পাবেন। তবে মসজিদে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদফতর নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু শর্তাবলী থাকবে। এসব শর্তাবলির কথা সারাদেশের মসজিদ পরিচালনা কমিটিকে জানিয়ে দেয়া হবে।’

     

    এর আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সম্প্রতি ওয়াক্তের নামাজে সর্বোচ্চ পাঁচজন এবং তারাবির নামাজে সর্বোচ্চ ১০জন নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে সম্প্রতি নির্দেশনা জারি করে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

     

    জানা গেছে, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে আগামী ১০ মে থেকে শপিংমল ও দোকানপাট খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তের পরপরই মসজিদগুলোতে নামাজ পড়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য সারাদেশের মুসল্লিদের দাবি ওঠে। এজন্য দেশের শীর্ষ আলেম ওলামারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানান। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ধর্ম মন্ত্রণালয় বিশেষ শর্তসাপেক্ষে আগামীকাল থেকে মুসল্লিদের মসজিদে নামাজ আদায়ের অনুমতি প্রদান করতে যাচ্ছে।

  • চার দিনে মারা গেছেন করোনা সন্দেহে ভর্তি হওয়া ২৮ জন

    চার দিনে মারা গেছেন করোনা সন্দেহে ভর্তি হওয়া ২৮ জন

    গত চার দিনে ঢাকা মেডিকেল ক6লেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি হওয়া ২৮ জন মারা গেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, মারা যাওয়া ২৮ জনের মধ্যে ৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন, সেটা নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকিদের কেউ কেউ করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন।

     

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের হাসপাতাল কিন্তু অন্য হাসপাতালের মতো নয়। অন্য হাসপাতালগুলো শুধু যাঁরা করোনা পজিটিভ, তাঁদের ভর্তি করছে। কিন্তু আমরা করোনা সন্দেহে এবং করোনায় আক্রান্ত সব রোগীকে আমাদের হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করছি। এ পর্যন্ত চার দিনে চারজন রোগী মারা গেছেন, যাঁরা করোনা পজিটিভ। বাকি যে ২৪ জন মারা গেছেন, তাঁদের নানা রোগ ছিল। কেউ কেউ করোনার সন্দেহভাজনও আছেন। কারও স্যাম্পল নেওয়া হয়েছে, কারও কারও স্যাম্পল নেওয়ার সুযোগ হয়নি। যে ২৮ জন মারা গেছেন, তাঁদের করোনা সন্দেহেই ভর্তি করে নেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের যে সংখ্যা ঘোষণা করা হয়, সেই হিসাবে ঢাকা মেডিকেলে করোনা পজিটিভ হিসেবে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের তথ্যও সেখানে রয়েছে। আমরা কিন্তু প্রতিদিন অনলাইনে আমাদের প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দিই।’

  • মা হলেন কোয়েল

    মা হলেন কোয়েল

     

    গত ১ ফেব্রুয়ারি সকালে নিজেই সুখবর জানিয়েছিলেন তিনি। ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সপ্তম বিবাহবার্ষিকীতে স্বামী নেসপাল সিং রানের সঙ্গে কোয়েল মল্লিক নিজের একটি ছবি দিয়ে তৈরি পোস্টকার্ডের মাধ্যমেই জানালেন অন্তঃসত্ত্বা তিনি। কোয়েল লিখেছেন, ‘আমার মধ্যে এক নতুন জীবনের হৃৎস্পন্দন শুনতে পাচ্ছি। আমাদের সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছি। এই গ্রীষ্মেই সে আসতে চলেছে।’

     

    আজ ৫ মে (মঙ্গলবার) সকালে মল্লিক পরিবারে এল খুশির খবর। আজ ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। চিকিত্‍সকেরা জানিয়েছেন, মা ও সন্তান দুজনেই সুস্থ আছে। কলকাতা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম খবরটি নিশ্চিত করেছে। কোয়েলের স্বামী নেসপাল সিং ইনস্টাগ্রামে নবজাতকের সঙ্গে কোয়েলের একটি ছবি প্রকাশ করেছেন।

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কলেজে অনলাইন ক্লাস চালুর নির্দেশ

    করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন সব কলেজকে অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস নিতে আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রায় ২২৬০ টি কলেজ/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে বেশ কিছু নির্দেশনা প্রদান করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ।

     

    নির্দেশনাসমূহের মধ্যে রয়েছে-যে সব কলেজের অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে তারা জরুরি ভিত্তিতে অনলাইন ক্লাস চালু করবে। যেসব কলেজ/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনলাইন ক্লাস সুবিধা নেই, তাদেরকেও দ্রুত এই সুবিধার আওতায় আসতে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরী করা মোবাইল এ্যাপস কিংবা জুম সফটওয়্যার ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে রাজশাহী কলেজসহ বেশ কয়েকটি কলেজ/প্রফেশনাল প্রতিষ্ঠান অনলাইন ক্লাস আরম্ভ করে দিয়েছে।

     

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফয়জুল করিম রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান।

  • ইসলামের যাকাত ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো দারিদ্য বিমোচন করা

    ইসলামের যাকাত ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো দারিদ্য বিমোচন করা

    স্টাফ রিপোর্টার// জুবায়ের হোসাইন: যাকাতের মাধ্যমে দুভাবে দরিদ্রদেরকে সাহায্য করতে হবে। প্রথমত তাদের তাৎক্ষণিক চাহিদা মেটানো এবং দ্বিতীয়ত তাদের দারিদ্রের স্থায়ী সমাধান করা। এজন্য ইসলামে যাকাতকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় প্রদান করা হয়েছে। ইসলামের নির্দেশ হলো রাষ্ট্র নাগরিকদের নিকট থেকে যাকাত গ্রহণ করবে এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় তা বণ্টন করবে। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার অনুপস্থিতিতে মুমিন অবশ্যই নিজের ফরয ইবাদত নিজেই আদায় করবেন। যদিও ব্যক্তিগতভাবে যাকাত আদায়ের কারণে দারিদ্র বিমোচনে যাকাত পূর্ণ অবদান রাখতে পারছে না। কারণ দরিদ্র ব্যক্তি নগদ টাকা খরচ করে ফেলেন এবং তা উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ করতে পারেন না। এতদসত্ত্বেও আমাদের চেষ্টা করতে হবে ব্যক্তিগতভাবে বা কয়েকজন মিলে একত্রিতভাবে প্রতি বৎসর যাকাতের কিছু টাকা দারিদ্য বিমোচনে ব্যয় করার। যাকাতের টাকা দিয়ে দরিদ্রদেরকে রিকশা, গরু, সেলাই মেশিন বা কুটিরশিল্প জাতীয় কিছু কিনে দেওয়া যায়। যেন গ্রহিতা এগুলি বিক্রয় না করতে পারে সেজন্য তত্ত্বাবধান প্রয়োজন।

     

    যাকাতের সম্পদ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধান মূলনীতি হলো তা ব্যক্তিকে প্রদান করতে হবে এবং প্রদান নি:শর্ত হবে। যাকাত গ্রহণকারী ব্যক্তিকে পরিপূর্ণ স্বত্ব, মালিকানা ও ব্যয়ের ক্ষমতা দিয়ে তা প্রদান করতে হবে। এজন্য যাকাতের অর্থ কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে, মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তাঘাট ইত্যাদি কাজে ব্যয় করা যাবে না। অনুরূপভাবে মৃত ব্যক্তির দাফন কাফন বা ঋণ পরিশোধের জন্যও ব্যয় করা যাবে না। কারণ এখানে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে যাকাত সম্পদের মালিকানা প্রদান করা হচ্ছে না। কোনো নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান যদি সঠিক খাতে ব্যয় করার জন্য যাকাত সংগ্রহ করে তাহলে তাদেরকে যাকাত প্রদান করা যাবে। উক্ত প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা যাকাত প্রদানকারী মুসলিমের পক্ষ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এটর্নি হিসাবে বিবেচিত হবেন। তাদের দায়িত্ব হলো সংগৃহীত যাকাত সঠিক খাতের মুসলিমগণকে সঠিকভাবে প্রদান বা বণ্টন করা।

  • দোকানপাট-শপিংমল খোলার অনুমতি ৪টা পর্যন্ত

    দোকানপাট-শপিংমল খোলার অনুমতি ৪টা পর্যন্ত

     

    ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সীমিত পরিসরে ব্যবসা-বাণিজ্য চালু রাখার স্বার্থে দোকানপাট ও শপিংমল প্রথমে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিলেও পরবর্তীতে কমিয়ে ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

     

    সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পৃথক আদেশ জারি করে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

     

    এতে বলা হয়, কেনাবেচার সময় সামাজিক (পারস্পরিক) দূরত্ব বজায় রাখাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে হবে। বড় বড় শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে। আর দোকান বন্ধ করতে হবে বিকেল ৪টার মধ্যে।

     

    এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখা) মো. মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘আগের আদেশে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা রাখার কথা বলা হলেও সেটা বিকেল ৪টা পর্যন্ত করা হয়েছে।’

     

    আদেশে আরও বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটিতে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। ওই সময়ে আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে।

     

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, সাধারণ ছুটির সময় এক জেলা থেকে আরেক জেলা এবং এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় জন সাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই নিয়ন্ত্রণ সতর্কভাবে বাস্তবায়ন করবে।

     

    জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে আদেশে।

     

    এছাড়া করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী ৭ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এসময় জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা কিংবা সীমিত করা যেতে পারে।

     

    এর মধ‌্যে ৬ মে বৌদ্ধ পূর্ণিমার সরকারি ছুটি, ৮ ও ৯ মে এবং ১৫ ও ১৬ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলো সরকারের ঘোষিত এই ছুটি ও নিষেধাজ্ঞার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

  • আজ থেকে সারা দেশে বাড়ছে এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম

    আজ থেকে সারা দেশে বাড়ছে এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম

     

    করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে এবার বাড়ছে এলপিজি গ্যাসের দাম। বাসা-বাড়িতে নিত্য ব্যবহার্য এলপিজি গ্যাসের দাম গতকাল রোববার থেকে সিলিন্ডার প্রতি অন্তত ৬০ টাকা করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে এলপিজি বাজারজাতকারী সকল কোম্পানীগুলোর সিদ্ধান্তানুযায়ী রোববার থেকে একযোগে বর্ধিত মূল্য কার্যকর হবে। তবে খুচরা বাজারে শনিবার থেকেই এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

    বরিশাল নগরীর একাধিক খুচরা বিক্রেতা জানান, রোববার থেকে সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়বে বলে সংশ্লষ্ট পরিবেশকরা তাদের শনিবার জানিয়ে দেয়। দাম বাড়বে বলে খুচরা বিক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি সিলিন্ডার দেয়া হয়নি শনিবার।

     

    এলপিজি গ্যাস কোম্পানীগুলোর একাধিক ডিলার জানান, এলপিজি কোম্পানীগুলোর মালিক সংগঠন গত শুক্রবার ঢাকায় বৈঠক করে একযোগে দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত শনিবার সকালে কোম্পানীগুলোর কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে জেলা পর্যায়ের নিজ নিজ পরিবেশকদের ফোন করে দাম বৃদ্ধির বিষয়টি জানানো হয়। রোববার থেকে সারাদেশে একযোগে দাম বৃদ্ধি করা হবে বলে স্থানীয় পরিবেশকরা জানান। তবে শনিবার থেকেই বরিশালে কয়েকজন পরিবেশক খুচরা বিক্রেতাদের বর্ধিত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করেছে বলে অভিযোগ খুচরা ব্যবসায়ীদের।

     

    এলপিজি কোম্পানীগুলোর পরিবেশকরা জানায়, গতকাল রোববার থেকে কোম্পানী ভেদে প্রতিটি সিলিন্ডারের পাইকারী দাম হবে ৮৬০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত। খুচরা বিক্রেতা পর্যায়ে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করবেন আরও ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেশী দামে। সে হিসেবে রোববার থেকে ভোক্তাকে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে হবে ৯২০ থেকে ৯৪০ টাকায়।

     

    পরিবেশকরা জানিয়েছেন, শনিবার পর্যন্ত এলপিজি সিল্ডিারের পাইকারী মূল্য ছিল কোম্পানী ভেদে ৭৮০ থেকে ৮১০ টাকা। যা খুচরা বাজারে বিক্রি হতো সর্বোচ্চ ৮৫০ টাকায়।

     

    পেট্রো গ্যাস কোম্পানীর বরিশালের পরিবেশক মো. শাহিন, ওমেরা গ্যাস কোম্পানীর মীর মাহফুজ ও নাভানা গ্যাস কোম্পানীর মো. কুদরতই খোদা জানান, শনিবার সকালে তাদের নিজ নিজ কোম্পানীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তরা ফোন করে তাদের রবিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধির কথা জানিয়েছেন। তবে এর সঠিক কোন কারণ কোম্পানী থেকে জানানো হয়নি।

     

    বরিশালের বাজারে বসুন্ধরা, যমুনা, ক্লীনহিট, টোটাল, অরিয়ন, পেট্রোম্যাক্স, লাফার্স, জি-গ্যাস, ডেলটা ও নাভানাসহ অন্তত ১০টি কোম্পানীর সিলিন্ডার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে।

  • বাড়িতে সাত করোনা রোগী, আতঙ্কে কাটছে তিন্নির দিন

    বাড়িতে সাত করোনা রোগী, আতঙ্কে কাটছে তিন্নির দিন

     

    এইম ইন লাইফ’ নাটকের তিন্নির কথা মনে আছে? তিনি এখন কানাডায়। মন্ট্রিয়েলের লাসাল শহরে মেয়ে ওয়ারিশাকে নিয়ে থাকেন। দেড় মাস ঘরে আটকে আছেন। যে বাড়িটায় থাকছেন, সেখানে সাতজন করোনা রোগী পাওয়া গেছে। আতঙ্কে কাটছে তাঁর দিন-রাত।

     

    বাড়িটায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে জানার পর ভেবেছিলেন, সেখান থেকে চলে যাবেন। পরে মনে হলো দরকার নেই। বাসায় মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, স্যানিটাইজার ছিল না। সেখান থেকে একটু দূরে বন্ধু মনিকার বাড়ি। সে এসেই এসব দিয়ে গেলেন। আপাতত নিরাপদ তিন্নি। আত্মীয়স্বজনদের কী অবস্থা? তিন্নি বলেন, ‘আমার তিন ফুপু আছেন কানাডায়। বাবা–মা বাংলাদেশে। প্রতিদিনই ফোনে কথা হয়। কিন্তু বাবা-মার জন্য চিন্তা হচ্ছে। দাদাবাড়ি নেত্রকোনার কাজিনরা, ঢাকায় বাবা-মা, কানাডার ফুপুরা মিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটা চ্যাটগ্রুপ খুলেছি। সেখানে সবাই একসঙ্গে যোগযোগ করছি।’

  • পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যান বসানো হবে আজ সোমবার, ৪ মে। মাওয়া প্রান্তের সেতুর ১৯ ও ২০তম পিলারের ওপর বসবে ‘৪-এ’ নম্বর স্প্যানটি। স্প্যানটিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ার কাছে কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ১৯ ও ২০ নং পিলারের কাছে। আজ সোমবার সকাল থেকে স্প্যানটিকে পিলারের ওপর বসানোর কাজ শুরু হয়। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের বলেন, সেতুর এই স্প্যান ১৫০ মিটার দীর্ঘ। ৪১টি স্প্যানের ২৮টি পিলারের ওপর স্থাপন হয়ে গেছে। এতে সেতুর ৪.২০ কিলোমিটার এখন দৃশ্যমান হয়েছে। ২৯তম স্প্যান বসে গেলে দৃশ্যমান হবে ৪৩৫০ মিটার বা ৪.৩৫কিলোমিটার। তিনি বলেন, ২৯তম স্প্যানটি বসে গেলে বাকি থাকবে মাত্র ১২টি স্প্যান। সংশোধিত সিডিউল অনুযায়ী আগামী নভেম্বরের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাওয়ার কথা আছে। তবে দায়িত্বশীল প্রকৌশলীরা মনে করছেন নির্ধারিত সময়ের আগেই আগস্টের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাবে। দ্বিতল সেতুর ওপরে থাকবে সড়ক পথ আর নিচে থাকবে রেলপথ। যা এখন ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। পুরো প্রকল্পটিই আইসোলেটেট। তাই এখানকার দেশি-বিদেশি কর্মীরা অনেকটাই নিরাপদ। এখানে নিরাপদ দূরত্ব বজায়ে রেখে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে না। বাইরের কাউকেই এখানে এখন প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভেতরে করোনার স্বাস্থ্যবিধি সবই মেনে চলা হচ্ছে।

    পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যান বসানো হবে আজ সোমবার, ৪ মে। মাওয়া প্রান্তের সেতুর ১৯ ও ২০তম পিলারের ওপর বসবে ‘৪-এ’ নম্বর স্প্যানটি। স্প্যানটিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ার কাছে কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ১৯ ও ২০ নং পিলারের কাছে। আজ সোমবার সকাল থেকে স্প্যানটিকে পিলারের ওপর বসানোর কাজ শুরু হয়। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের বলেন, সেতুর এই স্প্যান ১৫০ মিটার দীর্ঘ। ৪১টি স্প্যানের ২৮টি পিলারের ওপর স্থাপন হয়ে গেছে। এতে সেতুর ৪.২০ কিলোমিটার এখন দৃশ্যমান হয়েছে। ২৯তম স্প্যান বসে গেলে দৃশ্যমান হবে ৪৩৫০ মিটার বা ৪.৩৫কিলোমিটার। তিনি বলেন, ২৯তম স্প্যানটি বসে গেলে বাকি থাকবে মাত্র ১২টি স্প্যান। সংশোধিত সিডিউল অনুযায়ী আগামী নভেম্বরের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাওয়ার কথা আছে। তবে দায়িত্বশীল প্রকৌশলীরা মনে করছেন নির্ধারিত সময়ের আগেই আগস্টের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাবে। দ্বিতল সেতুর ওপরে থাকবে সড়ক পথ আর নিচে থাকবে রেলপথ। যা এখন ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। পুরো প্রকল্পটিই আইসোলেটেট। তাই এখানকার দেশি-বিদেশি কর্মীরা অনেকটাই নিরাপদ। এখানে নিরাপদ দূরত্ব বজায়ে রেখে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে না। বাইরের কাউকেই এখানে এখন প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভেতরে করোনার স্বাস্থ্যবিধি সবই মেনে চলা হচ্ছে।

    পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যান বসানো হবে আজ সোমবার, ৪ মে। মাওয়া প্রান্তের সেতুর ১৯ ও ২০তম পিলারের ওপর বসবে ‘৪-এ’ নম্বর স্প্যানটি। স্প্যানটিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ার কাছে কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ১৯ ও ২০ নং পিলারের কাছে।

    আজ সোমবার সকাল থেকে স্প্যানটিকে পিলারের ওপর বসানোর কাজ শুরু হয়।

    পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের বলেন, সেতুর এই স্প্যান ১৫০ মিটার দীর্ঘ। ৪১টি স্প্যানের ২৮টি পিলারের ওপর স্থাপন হয়ে গেছে। এতে সেতুর ৪.২০ কিলোমিটার এখন দৃশ্যমান হয়েছে। ২৯তম স্প্যান বসে গেলে দৃশ্যমান হবে ৪৩৫০ মিটার বা ৪.৩৫কিলোমিটার।

    তিনি বলেন, ২৯তম স্প্যানটি বসে গেলে বাকি থাকবে মাত্র ১২টি স্প্যান। সংশোধিত সিডিউল অনুযায়ী আগামী নভেম্বরের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাওয়ার কথা আছে।

    তবে দায়িত্বশীল প্রকৌশলীরা মনে করছেন নির্ধারিত সময়ের আগেই আগস্টের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাবে। দ্বিতল সেতুর ওপরে থাকবে সড়ক পথ আর নিচে থাকবে রেলপথ। যা এখন ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে।

    পুরো প্রকল্পটিই আইসোলেটেট। তাই এখানকার দেশি-বিদেশি কর্মীরা অনেকটাই নিরাপদ। এখানে নিরাপদ দূরত্ব বজায়ে রেখে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে না। বাইরের কাউকেই এখানে এখন প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভেতরে করোনার স্বাস্থ্যবিধি সবই মেনে চলা হচ্ছে।

  • বুধবার ভোরে পৃথিবী ঘেঁষে যাবে ‘২.৫ মাইল চওড়া’ গ্রহাণু

    বুধবার ভোরে পৃথিবী ঘেঁষে যাবে ‘২.৫ মাইল চওড়া’ গ্রহাণু

    বিশাল আকৃতির একটি গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২.৫ মাইল চওড়া গ্রহাণুটি ঘণ্টায় ১৯,৪৬১ মাইল বেগে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে।

    ২৯ এপ্রিল, বুধবার ভোর ৫.৫৬ মিনিটের দিকে পৃথিবীর গা ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে গ্রহাণু ১৯৯৮ ওআর২ (1998 OR2)।

    নাসা সূত্রের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘এই সময়’এর খবরে বলা হয়, গ্রহাণুটির সাইজ প্রায় মাউন্ট এভারেস্টের সমান। আকারে বৃহৎ এই গ্রহাণুর সামনের অংশে উঁচু রেখার মতো রয়েছে, যা দূর থেকে ‘মাস্কের মতো’ দেখতে লাগছে।

    নাসা জানিয়েছে, গ্রহাণুটির কোড নাম ৫২৭৬৮ এবং এটি শেষবার ১৯৯৮ সালে দেখা গিয়েছিল। পৃথিবী ঘেঁষে উড়ে যাওয়ার সময় পৃথিবী থেকে গ্রহাণুর দূরত্ব হবে ৩৯ লাখ কিলোমিটার। পৃথিবীর সঙ্গে ওআর২-এর সংঘর্ষের আশঙ্কা নেই।

    নাসা’র মহাকাশবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, পৃথিবী স্পর্শ করবে না এই উল্কাপিণ্ড। তবে নিজেদের NEAT (Near-Earth Asteroid Tracking) সিস্টেমের মাধ্যমে উল্কাপিণ্ডের গতিবিধির উপর নজর রাখছে NASA।

    NEAT-এর প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর এলেনর হেলিন জানিয়েছেন, ‘বিপজ্জনক হতে পারে, এমন সব গ্রহাণু ও উল্কা সম্পর্কে তথ্য নিতে আমরা NEAT ব্যবহার করে থাকি।