Blog

  • ভোটের পূর্ণ প্রস্তুতি পাঁচ সিটিতে

    ভোটের পূর্ণ প্রস্তুতি পাঁচ সিটিতে

    ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন আটকে যাওয়ার পর সময়মতো পাঁচ সিটির নির্বাচন অনুষ্ঠানে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই সঙ্গে পাঁচ সিটি নির্বাচনের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে মতামত চেয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল থেকে গাজীপুর সিটির নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে দুই ভাগে পাঁচ সিটিতে ভোট গ্রহণ করতে চায় নির্বাচন কমিশন। ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশনসহ রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট সিটির সীমানা, ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ, নির্বাচন, আদালতের আদেশ প্রতিপালন ও অন্যান্য বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে সর্বশেষ অবস্থাসহ মতামত জানানোর জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।’

    ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রধান উপকরণ ব্যালট পেপার। এ জন্য বিভিন্ন ধরনের কাগজের প্রয়োজন হয়, তা ভোটের আগেই সংগ্রহ না করলে সংকট দেখা দিতে পারে। আর নির্বাচন কমিশন কাগজ কেনার জন্য একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়ে থাকে। তারা বলেন, এপ্রিলের মধ্যে কেনা হবে পাঁচ সিটির ব্যালট পেপারের কাগজ। সূত্র জানিয়েছে, পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ৮৫২ রিম গোলাপি মুদ্রণ কাগজের প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ৩৩৩ রিম কাগজ মজুদ রয়েছে, বাকি ৫১৯ রিম সংগ্রহ করতে হবে। এক্ষেত্রে গাজীপুর, খুলনা, রাজশাহী,  সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য সময় ৮ মার্চ থেকে ২৩ অক্টোবর। এক্ষেত্রে এপ্রিল মাসের মধ্যে কাগজ সংগ্রহ করতে হবে বলে জানিয়েছে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদফতর। ইসির কর্মকর্তারা বলেছেন, গতকাল থেকে গাজীপুর সিটির নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়েছে। আর ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। খুলনা সিটি ৩০ মার্চ থেকে নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হবে। আর ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তাই এই দুই নির্বাচন আগামী ঈদের আগে মে মাসের প্রথম দিকে করতে চায় ইসি। এ ছাড়া এককভাবে শুধু গাজীপুর সিটিতেও ভোট করতে পারে ইসি।

    অন্যদিকে ঈদের পর চার সিটি তথা মে-জুনের মধ্যে রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট সিটিতে ভোটের প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। তবে গাজীপুরসহ পাঁচ সিটিতে একসঙ্গে ভোট করার কথাও ভাবছে কমিশন। ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন সংসদের আগে পাঁচ সিটিতে নির্বাচন করে রাজনৈতিক দল ও জনগণের আস্থা অর্জন করতে চায়। তারাও সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তারা। তবে তার আগে পাঁচ সিটি ও আটকে থাকা পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনও শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি। এক্ষেত্রে চলতি বছরের জুনের মধ্যে পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা নিয়ে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।  আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে লড়াই হবে পাঁচ সিটির ভোটের মাঠে। জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে নির্বাচনী মাঠে থাকবে প্রধান দল আওয়ামী লীগ-বিএনপি। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় সবার নজর থাকছে সিটির ভোটের দিকে।

    সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। অবশ্যই রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান আছে। আমরা সব সময় বলছি নিরপেক্ষ থাকব। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দল একই সুযোগ-সুবিধা পাবে।  জানা গেছে, দলভিত্তিক সিটি নির্বাচনে মে-জুন মাসের মধ্যে ভোট গ্রহণের লক্ষ্য ধরে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছেন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ভোটার তালিকার সিডি তৈরির কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে এসব নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

  • চরমোনাই মাহফিলগামী ট্রলারডুবির দু’দিন পর কীর্তনখোলায় ৬ মরদেহ

    চরমোনাই মাহফিলগামী ট্রলারডুবির দু’দিন পর কীর্তনখোলায় ৬ মরদেহ

    বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর চরমোনাই লঞ্চঘাট এলাকায় মুসল্লিবাহী ট্রলারডুবির দুই দিন পর সেখান থেকে ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    শুক্রবার (৯ মার্চ) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চরমোনাই ইউনিয়ন সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে এ ছয় মরদেহ পাওয়া যায়।

    এরা হলেন- মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ি উপজেলার পাচনখোলা এলাকার মৃত খায়েরুদ্দিন ঢালীর ছেলে বাদশা ঢালী (৬৫), গাজীপু‌র সদরের আবদুল মা‌লে‌কের ছে‌লে ইফ‌তেখার (৯),  আমানউল্লাহ দেওয়া‌নের ছে‌লে শাহ আলী (২৮), একই জেলার ভবানীপু‌রের জা‌কির‌ হো‌সেন দিলদার (৩০), ময়মন‌সিং‌হের মকবুল হো‌সে‌নের ছে‌লে দে‌লোয়ার হো‌সেন (২৮) ও লক্ষীপু‌রের হেদা‌য়েত হো‌সেন ছে‌লে আবদুল কুদ্দুস (২৪)।

    বরিশাল সদর নৌ-থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহাগ ফকির জানান, গত বুধবার (৭ মার্চ) যেখানে ট্রলার ডুবেছিলো, তার পাশ থেকেই ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    বরিশাল নৌ-থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেল্লাল হোসেন জানান, বুধবার দুপুরে ট্রলারটি বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়ার প্রান্ত থেকে কীতর্নখোলা পাড়ি দিয়ে চরমোনাই লঞ্চঘাট যায়। ঘাটে থাকা কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের পেছনে নোঙ্গর করে চরমোনাই মাহফিলগামী মুসল্লিদের নামাতে গেলে ট্রলারটি কাত হয়ে যায়। এসময় পেছনে থেকে অন্য একটি ট্রলার ধাক্কা দিলে সেটি ডুবেই যায়।

    খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশের সদস্যরা নদীতে বিভিন্নভাবে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নদীর তলদেশে ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া গেলেও নিখোঁজদের কোনো হদিস মেলেনি।

    থানা পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত খোঁজাখুঁজির পর আর কোনো মরদেহ না পাওয়ায় সন্ধ্যা নামতেই শুক্রবারের মতো উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়।

  • দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ: শিক্ষামন্ত্রী

    দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ: শিক্ষামন্ত্রী

    নিজেকে দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ বলে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সরকারের যে ক’জন মন্ত্রী রয়েছেন, তাদের মধ্যে আমি বুড়া মন্ত্রী। আমি দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ। আজ রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনিস্টিটিউশনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ‘৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ১৭ মিনিটের ভাষণটি একটি দলিল। যাতে সাধারণ মানুষের স্বাধীনতার সংগ্রামের ডাক দেওয়া হয়েছে। ডাক দেওয়া হয়েছে অর্থনৈতিক মুক্তির। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এই ভাষণটিকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতির জন্য ২০০৯ সালের ১২ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ২৩ মার্চ আমি এই প্রস্তাবে স্বাক্ষর করি। আর এই প্রস্তাবে ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছেন। এরপর দীর্ঘ ৯ বছর যাচাই-বাছাইয়ের পর ২০১৭ সালে প্যারিসের অধিবেশনে ঘোষণা দেওয়া হয়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ।

  • সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা

    সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা

    শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন  প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ পদমর্যাদা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি (শান্তিচুক্তি) বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণের জন্য গঠিত চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত এ পদে থাকাকালীন মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

    শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

    গত ১৮ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত কমিটি পুনর্গঠন করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসানাতকে প্রধান করা হয়।

    এর আগে ২০০৯ সালে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে মন্ত্রীর মর্যাদায় আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটি করা হয়।

  • খালেদা জিয়া জানতে চেয়েছেন, আমি জেলে কেন?

    খালেদা জিয়া জানতে চেয়েছেন, আমি জেলে কেন?

    বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তাঁর আইনজীবীদের কাছে জানতে চেয়েছেন, তিনি জেলে কেন?

    বৃহস্পতিবার বিকেলে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বের হয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তাঁর আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন।

    খোকন বলেন, ‘খালেদা জিয়া বারবার জানতে চেয়াছেন, তিনি জেলে কেন? আমি কোনো কাগজে স্বাক্ষর করিনি, কোনো অনুমোদন দিইনি, কোনো চেক সই করিনি। আমি জেলে কেন?’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসনের কথার ব্যাখ্যা আমরা দিয়েছি।’

    তিনি বলেন, তাঁরা (আইনজীবীরা) ১ ঘণ্টা ৫ মিনিট খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলাপ করেছেন।

    আরেক আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আমরা ম্যাডামের সঙ্গে আইনগত বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ–আলোচনা করেছি। গতকাল বুধবার রাজনৈতিক নেতারা আলোচনা করেছেন। আমরা দীর্ঘ এক মাস আইনজীবী হিসেবে তাঁর সঙ্গে কোনো আলাপ করতে পারিনি। আমরা অনুমতি নিয়ে দেখা করেছি। আপিল আবেদন থেকে শুরু করে, জামিনের বিষয়ে আলাপ–আলোচনা করেছি। ম্যাডাম জানতে চেয়েছেন যে জামিন আবেদনের কী হলো? সে বিষয়ে তাঁকে আমরা বলেছি।’

    ন্যায়বিচার পেতে উচ্চ আদালতের ওপর খালেদা জিয়া আস্থাশীল বলেও জানান এই আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, আগামী রোববার আদালত জামিনের আদেশ দেবেন। দেশের মানুষ নিম্ন আদালতের ওপর আস্থাশীল না হলেও উচ্চ আদালতের ওপর আস্থাশীল। তেমনি ম্যাডামও উচ্চ আদালতের ওপর আস্থাশীল।

    এর আগে আইনজীবীদের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কারাগারে প্রবেশ করেন। অন্য তিন আইনজীবী হলেন এ জে মোহাম্মদ আলী, আবদুর রেজাক খান ও সানাউল্লাহ মিয়া।

  • নারায়ণগঞ্জে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ এএসআই গ্রেফতার

    নারায়ণগঞ্জে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ এএসআই গ্রেফতার

    নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় কর্মরত এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) কাছ থেকে ৫০ হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। নিজের হেফাজতে থাকা ৫ হাজার ও বাসায় তল্লাশি করে ৪৫ হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    বুধবার রাতে পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে পুলিশের এএসআই সোহরাওয়ার্দী রুবেলের কাছ থেকে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    এদিকে অভিযোগ রয়েছে সম্প্রতি এএসআই সোহরাওয়ার্দী রুবেল একজন নারীকে আটকে রেখে প্রায় ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করেছিলেন। তার স্বজনরাও মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে। তিনি বিভিন্ন লোককে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করতেন বলে তথ্য বেরিয়ে আসছে।

    জানা যায়, পুলিশের এএসআই সোহরাওয়ার্দী রুবেল নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও এলাকার লোকজন জানার পরও কেউ ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। তিনি বন্দরের রূপালী আবাসিক এলাকার সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী কামরুল ইসলামের বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে থাকেন। বন্দর থানা থেকে বদলী হয়ে কিছুদিন আগে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় যোগদান করেন তিনি।

    রুবেল মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এমন অভিযোগে ডিবি পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তার বন্দরের ফ্ল্যাট থেকে ৪৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। পরে থানার ভেতর তার দেহ তল্লাশি করে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    এএসআই রুবেলের বন্দরের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার জিয়াউল জানান, প্রায় সময় এএসআই রুবেল বিভিন্ন ধরনের লোকজনকে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় আটক করে এনে ফ্ল্যাটে রাখতেন। ওনাকে জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলতেন না।

    নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, সদর থানায় তার ব্যাগ থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এমনকি তার বাসা থেকেও ৪৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সিনিয়ার অফিসারদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

  • কলেজ ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ভিডিও ফুটেজ হাতে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    কলেজ ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ভিডিও ফুটেজ হাতে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ঢাকায় সাতই মার্চের সমাবেশের মিছিলের মধ্যে বাংলামোটরে কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানির ভিডিও ফুটেজ হাতে পাওয়ার কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, অপরাধীরা কোনোভাবে ছাড় পাবে না।

    বুধবারের ঘটনা নিয়ে ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার মধ্যে বৃহস্পতিবার ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ব্র্যাক স্কুল অব পাবলিক হেলথ’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে একথা বলেন তিনি।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাতই মার্চ বাংলামোটরে শিক্ষার্থীকে হয়রানির ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ হাতে এসেছে। কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল যুবক বাংলামোটরে এক কলেজ শিক্ষার্থীকে হয়রানি করেছিল।

    “ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের আইডেনটিফাই করার চেষ্টা হচ্ছে, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনারাও জানতে পারেন, কারা কারা এতে জড়িত।”

     

    ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বুধবার বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের জনসভা ছিল। এই জনসভায় বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে যোগ দেন ক্ষমতাসীন দলটির বিভিন্ন ওয়ার্ড শাখা এবং ছাত্রলীগ, যুবলীগের মতো সহযোগী বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

    বাংলামোটরে এরকম একটি মিছিলের মধ্যে পড়ে একদল যুবকের হাতে যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ার কথা নিজের ফেইসবুকে এক তরুণী পোস্ট করলে তা ভাইরাল হয়ে যায় ফেইসবুকে।

    ঢাকার একটি কলেজের শিক্ষার্থী ওই তরুণী বিকালে পোস্টটি দেওয়ার পর তিন ঘণ্টায় তার শেয়ার ৫ হাজার ছাড়িয়ে যায়। অনেকেই সোচ্চার হন।

    ওই তরুণী ফেইসবুকে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে লিখলেও গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি নন বলে তার ঘনিষ্ঠ একজন জানান।

    এই কারণে তিনি প্রথমে পাবলিক স্ট্যাটাস দিলেও পরে তা ‘অনলি মি’ করে দেন বলে তা এখন আর সবাই দেখতে পারছেন না।

    বিষয়টি নিয়ে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউ এই ধরনের ঘটনার খবর ‘জানেন না’ বলে জানিয়েছেন।

    কলেজ থেকে ফেরার সময় এই জনসভার কারণে বাস না পেয়ে হাঁটতে হাঁটতে বাংলামোটরে আসার পর একটি মিছিলে থাকা একদল যুবক তাকে ঘিরে ফেলে যৌন নিপীড়ন করে বলে ওই তরুণীর অভিযোগ।

    তিনি ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন, ১৫-২০ জন যুবক তাকে যৌন নিপীড়ন শুরু করলে এক পুলিশ সদস্য তাকে উদ্ধার করে একটি বাসে তুলে দেয়। ক্ষোভের সঙ্গে ওই তরুণী লেখেন, এরপর তিনি বাংলাদেশেই থাকবেন না।

    তার এই পোস্ট ব্যাপক শেয়ার হতে শুরু করে, বিভিন্নজন মন্তব্যও করে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমালোচনাও আসে নানাজনের মন্তব্যে। পরে নিজের পোস্ট সরিয়ে দেন তিনি।

    পরে আরেক পোস্টে তিনি লেখেন- “পোস্টটা অনলি মি করেছি কারণ পোস্টটা রাজনৈতিক উস্কানিমূলকভাবে শেয়ার করা হচ্ছিল। আমি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোস্টটা দিইনি। প্লাস আমার কলেজকে জড়ানো হচ্ছিল এই ব্যাপারে। ব্যাপারটার সাথে আমার কলেজের কোনো সম্পর্ক নাই।”

    তরুণী অভিযোগ তোলার পর পুলিশের নানা পর্যায়ে যোগাযোগ করা হলেও কেউ সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি বুধবার রাতে।

    পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট (পিওএম) নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বরত পুলিশ পরিদর্শক বদিউজ্জামান বলেন, এই খবর শোনার পর সত্যতা জানতে বাংলামোটর ও আশে পাশে দায়িত্বরত প্রায় ৪০ জন পুলিশ সদস্যের সাথে কথা হয়েছে তার। “তারা এ ধরনের ঘটনার ব্যাপারে কিছুই জানে না বলে জানিয়েছে,” বলেছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

    ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেছিলেন, “আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি আমাদের পুলিশের কেউ এ বিষয়টি জানেন না বা কাউকে এ ধরনের সাহায্য করেনি। এছাড়া পুলিশের কাছে কেউ অভিযোগও করেনি।”

    তবে ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করতে পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানান তিনি। বাংলামোটরে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক সার্জেন্ট মোরশেদুল আলম বলেন, তাদের যে সব সদস্য এখানে দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের প্রায় প্রত্যেকের কাছে এই খবরের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন তিনি। “কিন্তু এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে পারছে না,” বলেছিলেন তিনি।

    এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেন, বুধবার রাতেই ওই তরুণীর বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলে আসেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

    বুধবার রাজধানীর পথে এই ধরনের বিরূপ অভিজ্ঞতার মুখে পড়ার কথা জানিয়ে আরও কয়েকজন নারী ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন।

    এই ধরনের ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের নজরে যেগুলো এসেছে, সেগুলোর বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর ঢাকার পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ‘টেলিফোনে সাক্ষাৎকার দেবেন না’ বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

    রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, তার কাছে কোনো ভিডিও ফুটেজ নেই। অন্য কোনো সংস্থার কাছে আছে কি না, তাও তার জানা নেই।

    র‌্যাবের মহাপরিচালক মুফতি মাহমুদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ভিডিও ফুটেজ বা এ ধরনের কোনো তথ্য আমার জানা নেই।”

  • চরমোনাই মাহফিলগামী ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ ২ মুসল্লির লাশ উদ্ধার

    চরমোনাই মাহফিলগামী ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ ২ মুসল্লির লাশ উদ্ধার

    শেখ মুমন :

    বরিশালের চরমোনাই লঞ্চঘাট এলাকায় মুসল্লিবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোজ দুই জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।  এ দুই মুসল্লির মরদেহ চরমোনাই মাহফিল প্রাঙ্গনে রাখা হয়েছে।বাদ জুমা ,তাদের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়।

    উল্লেখ্য গত বুধবার (৭ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের বরিশাল নদী স্টেশনের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। বরিশাল নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেল্লাল হোসেন স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, ট্রলারটি চরবাড়িয়ার প্রান্ত থেকে কীতর্নখোলা নদী পাড়ি দিয়ে চরমোনাই লঞ্চঘাটে দিকে আসে।

    এ সময় ঘাটে থাকা কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চের পেছনে নোঙর করে চরমোনাই মাহফিলগামী মুসল্লিদের তুলতে গিয়ে ট্রলারটি কাত হয়ে যায়। পেছনে থাকা অন্য একটি ট্রলার ধাক্কা দিলে সেটি ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা দুই মুসল্লি নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

  • রাশিয়ার ওপর হামলা হলে মানবসভ্যতার বিপর্যয় হবে

    রাশিয়ার ওপর হামলা হলে মানবসভ্যতার বিপর্যয় হবে

    নাম উল্লেখ না করে আমেরিকাকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার ওপর কেউ যদি হামলার চেষ্টা করে তাহলে এমন জবাব দেওয়া হবে, যা মানবসভ্যতায় বিপর্যয় নেমে আসবে।

    বুধবার এক সাক্ষাৎকারে পুতিন আরও বলেন, ‘কেউ যদি রাশিয়াকে ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তখন আমাদের পাল্টা হামলা চালানোর বৈধ অধিকার আছে। হামলা হলে বিশ্বব্যাপী মানবসভ্যতার জন্য বিপর্যয় নেমে আসবে। কিন্তু রাশিয়ার একজন নাগরিক হিসেবে ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি জানতে চাই- যদি রাশিয়া না থাকে তাহলে কী ধরনের বিশ্ব হবে?”

    পুতিন পরিষ্কার করে বলেন, রাশিয়া পরমাণু হামলার শিকার না হলে কখনোই অন্য কোনো দেশের ওপর মস্কো পরমাণু অস্ত্র দিয়ে হামলা চালাবে না।

    তিনি আরও বলেন, “পরমাণু হামলার সিদ্ধান্ত কেবল তখনই নেবো যখন আমাদের সতর্কীকরণ ব্যবস্থা শুধু শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করবে না। বরং যখন শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারবে এবং পরমাণু ওয়ারহেড রাশিয়ার ভূখণ্ডে পৌঁছাবে।”

    সপ্তাহখানিক আগে প্রেসিডেন্ট পুতিন তার বার্ষিক ‘ইউনিয়ন অব দ্যা স্টেট’ বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘কেউ যদি রাশিয়ার ওপর হামলা চালায়, তবে তারাও পাল্টা পরমাণু অস্ত্র দিয়ে জবাব দেবে।’

    তিনি আরও বলেছিলেন, ‘রাশিয়াকে যে সাইজ ও ক্ষমতাসম্পন্ন পরমাণু অস্ত্র দিয়ে হামলা করা হবে, মস্কোও সেই সাইজের ও তেমন ক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্র দিয়ে হামলা চালাবে।

  • ভারতে এবার ‘গান্ধীজি’র চশমা খুলে নিল দুর্বৃত্তরা

    ভারতে এবার ‘গান্ধীজি’র চশমা খুলে নিল দুর্বৃত্তরা

    ভারত জুড়ে মূর্তি ভাঙার ঘটনা চলছেই। এবার দেশটির জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ওপর হামলা চালাল দুর্বৃত্তরা। তাঁকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হল পাথর, খুলে নেওয়া হল তাঁর চোখের চশমা। ঘটনাটি ঘটেছে দেশটির কেরলের কান্নুর জেলার তালিপারাম্ব এলাকায়।

    বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টা নাগাদ তালিপারাম্ব তালুক কার্যালয় চত্তরে অবস্থিত গান্ধীর একটি মূর্তির ওপর হামলা চালায় বলে জানা গেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন এক অপরিচিত ব্যক্তি প্রথমে গান্ধীর চোখের চশমাটি খুলে নেয়। এরপর গান্ধীর গলা থেকে মালা খুলে নেওয়া হয়। শেষে মূর্তিকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়েন ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি।  এসময় পাশে থাকা অনেকেই ওই ঘটনার ছবি তাদের মোবাইলে ধারণ করেন।

    ঘটনার পরই তদন্তে নেমেছে স্থানীয় পুলিশ। মোবাইলের ছবি দেখে অভিযুক্তকে সনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

    অন্যদিকে বুধবার রাতে উত্তর চেন্নাই’এর তিরুভত্তিউর-এ  সংবিধানের রচয়িতা বি.আর.আম্বেদকরের মূর্তিতে কালি লেপে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
    উল্লেখ্য ভারতের ত্রিপুরায় রাজনৈতিক পালা বদলের পরই গত সোমবার রাতেই দক্ষিণ ত্রিপুরার বেলোনিয়া শহরে ভ্লাদিমির লেনিন মূর্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল শাসক দল বিজেপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এরপর থেকেই গত তিন দিন ধরে কলকাতা, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়–, কেরলে একের পর এক মূর্তি ভাঙার ঘটনা ঘটে চলেছে।

    দেশজুড়ে এই মূর্তি ভাঙার ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি প্রদানের কথাও বলেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং’এর সঙ্গে কথাও বলেছেন মোদি। এরপরই এই ঘটনা বন্ধ করতে রাজ্যগুলিকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু তার পরও মূর্তি ভাঙার রাজনীতি চলছেই।