Blog

  • কখনও আদর-যত্ন পায়নি সাকিব-তামিমরা

    কখনও আদর-যত্ন পায়নি সাকিব-তামিমরা

    আহা রে! কখনও গোসল বা ধোয়া-মোছা হয় না সাকিব তামিম মুশফিকদের শরীর। দাঁড় করিয়ে দেওয়ার পর থেকে কখনও একটু আদর-যত্ন পায়নি তারা। জাতীয় ক্রিকেটারদের শরীর পরিষ্কার করার প্রয়োজন মনে করেনি কোনো কর্তৃপক্ষ। দেখে মনে হচ্ছে দূষিত চাক্তাই খাল থেকে সদ্য ডুব দিয়ে এসেছেন জাতীয় ক্রিকেটাররা।

    বলছিলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্টেডিয়ামে যাওয়ার পথে বিশ্বরোডের মোড়ে নির্মিত বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেটারদের ভাস্কর্যের কথা। ধুলাবালিতে ভাস্কর্যগুলোর এমন অবস্থা, মনে হচ্ছে ক্রিকেটাররা কোনো ডোবা থেকে ডুব দিয়ে ওঠেছেন এই মাত্র। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে এমন হতেই পারে। তবে পরিষ্কার তো করা যায়। পরিষ্কার করতে কী সুন্দর দেখা যেত ভাস্কর্যগুলো। যারা এ গুলো নির্মাণ করেছেন, এ গুলোর সৌন্দর্য্য রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও তাদের থাকা উচিত। কিন্তু, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কেউ পালন করে বলে মনে হয় না। বলা যায় বেওয়ারিশ ভাস্কর্য।

    কিছুদিন আগে এই পথ দিয়েই ধূলা-বালিময় এই ভাস্কর্য দেখে দেখেই জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচ খেলতে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা দল ও টাইগার দল। তামিমেরা ধূলা-বালিময় নিজেদের এই ভাস্কর্য দেখে হেসেছে নাকি কেঁদেছে জানি না।

    টাইগারদের ভাস্কর্যের কাছেই আছে বাংলাদেশ বিমানের চমৎকার একটি ভাস্কর্য। সেটিরও একই অবস্থা।

    লেখক: প্রবাসী সাংবাদিক।

  • জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী এই সেই দুর্বৃত্ত

    জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী এই সেই দুর্বৃত্ত

    জনপ্রিয় লেখক এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই হামলাকারীর নাম পরিচয় জানা যায়নি।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) ফেস্টিভ্যালের সমাপনী অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে মঞ্চে বসে ছিলেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এসময় মোটর সাইকেলযোগে দুই ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হন। পরে মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা যুবক মঞ্চে বসে থাকা ড. জাফর ইকবালকে পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করে। এতে মাথার পেছনে গুরুতর জখম হলে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    এসময় হামলাকারীকে আটক করে শিক্ষার্থীরা বেধরক পেটাতে থাকে। পরে ওই হামলাকারীকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। তবে বেধড়ক পিটুনিতে ওই যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে, দ্রুত মোটরসাইকেলযোগে অপর ব্যক্তি ক্যাম্পাস ছেড়ে পালিয়ে যায়।

    এছাড়া এ ঘটনায় ইব্রাহিম নামে পুলিশের এক কনস্টেবলও ছুরিকাহত হন।

  • শাবিতে জাফর ইকবালকে ছুরিকাঘাত

    শাবিতে জাফর ইকবালকে ছুরিকাঘাত

    জনপ্রিয় লেখক ও শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

    শনিবার সন্ধ্যায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।

    জানা গেছে, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে মঞ্চে বসা ছিলেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এসময় পেছন দিক থেকে এক যুবক এসে তার ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করে।

  • চুপি চুপি ২০ লাখ মাকে মোবাইল ফোন কিনে দিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা

    চুপি চুপি ২০ লাখ মাকে মোবাইল ফোন কিনে দিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা

    চুপি চুপি ২০ লাখ মাকে মোবাইল ফোন কিনে দিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা !

    সত্যিই বিশ্বে বিরল দেশরত্ন শেখ হাসিনার মত এমন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা মায়েদের মোবাইল ফোনের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দিতে ২০ লাখ মোবাইল সেট কিনে দিতে হয়েছে সরকারকে। কারণ হতদরিদ্র্য এই মায়েদের ফোন কেনার সামর্থ্য ছিল না। তবে পুরো কাজটিই সরকার করেছে অনেকটাই গোপনে। না হলে সবাই বিনামূল্যে ফোন চাইতো বলে ধারণা ছিল সরকারের।

    সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২৬৫ জন শিক্ষার্থীকে প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা নিজে এ কথা জানান।

  • বরিশালে বিনিয়োগকারী ও উদ্যোগক্তা কনফারেন্স ২০১৮ উদ্বোধন

    বরিশালে বিনিয়োগকারী ও উদ্যোগক্তা কনফারেন্স ২০১৮ উদ্বোধন

    বরিশালে শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু বলেছেন বঙ্গবন্ধুর ই মার্চের ভাষনের মাধ্যমে এদেশের মানুষকে স্বাধীনতা সর্ম্পকে সকল ধারন দিয়ে গিয়েছিলেন। আজ সেই ঐতিহাসিক ভাষনকে ইউন্সেকো সহ সারা বিশ্ব পালন করছেন শুধু রাজাকার-আলবদর ছাড়া। তিনি আরো বলেন যে দেশের পুঁজিবাজার যত বেশি স্থিতিশীল সে দেশের অর্থনীতির ভিত্তি তত বেশি মজবুত।
    বিশ্বে এমন কোন দেশ নাই যেখানে পুজিবাজারে ধস নামেনি। শিল্পমন্ত্রী বিনিয়োগকারীদের উদ্যেশে বলেন রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন বাতিল করে সঠিক সিদ্বান্ত ও বুজে শুনে পুজিবাজারে কাজ করার জন্য এগিয়ে আসার আহবান জানান। এসময় তিনি বিনিয়োগকারীদের বলেন ক্ষুদ্ব বিনিয়োগকারীদের প্রতি সুযোগ-সুবিদা সৃষ্টি করার আহবান করেন।

    আজ শনিবার সকাল ১১টায় বরিশাল ক্লাব অভ্যন্তরে দেশব্যাপী বিনিয়োগ শিক্ষা কার্য়ক্রমের অংশ হিসাবে বাংলাদেশ সিকোরটিজ এ্যান্ড এক্্রচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত বিনিয়োগকারী ও উদ্যোগক্তা সম্মেলনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। এর পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিকোরটিজ এ্যান্ড এক্্রচেঞ্জ এর চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন।
    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন (বিএসইসি)’কমিশনার প্রফেসর মোঃ হেলাল উদ্দিন নিজামী,ড.স্বপন কুমার বালা,খন্দকার কামালুজ্জামান প্রমুখ।

    শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু আরো বলেন আমাদের সরকারের উদ্যেগের কারনে পুঁজিবাজার ক্রমেই সুসংহত এটি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি টেকসই ও স্থিতিশীল। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের পরিমান ও বিনিয়োগকারীর সংক্ষা বৃদ্বি বড় প্রমান। দেশে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত কোম্পানির সংক্ষা ছিল ৪শত ১০টি বর্তমানে এর পরিমান বেড়ে দাড়িয়েছে ৫শত ৬৭টি।

    প্রধান অতিথি শিল্পমন্ত্রী বরিশালের উদ্যোগক্তাদের বলেন পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নে সবচেয়ে সুবিদাজনক মাধ্যম।
    এখান থেকে কম খরচে সহজ শর্তে কম ঝুকিতে ব্যাবসা পরিচালনার জন্য পুঁজি সংগ্রহ করতে পারবেন। এই জন্য পুঁজিবাজারের সাথে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য এগিয়ে আসার কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু ১৯৫৭ সালে বাংলাদেশে শিল্প ইন্ডাস্ট্রিজ স্থাপন করেছিলেন বঙ্গবন্দুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের কাজ করে যাচ্ছেন তার সুযোগ্য কণ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পূর্বে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর হাতে ক্রেস্ট উপহার তুলে দেন (বিএসইসি)’র চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হেসেন।

  • তুমব্রু সীমান্ত থেকে ভারী অস্ত্র সরিয়েছে মিয়ানমার :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    তুমব্রু সীমান্ত থেকে ভারী অস্ত্র সরিয়েছে মিয়ানমার :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বান্দরবানের তুমব্রু সীমান্তে যেসব ভারী অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছিল মিয়ানমার সেগুলো সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

    আগের চুক্তি অনুযায়ী আগামী ২৭ মার্চ থেকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে যৌথ টহল দেবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)।

    শনিবার রাজধানী তেজগাঁওয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের একটি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

    বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা শিগগিরই দেশে ফিরে যেতে পারবেন বলে মনে করছি।

  • মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের মনে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করছে :বরিশালে শিল্পমন্ত্রী ।

    মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের মনে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করছে :বরিশালে শিল্পমন্ত্রী ।

    পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা যাতে নিজ দেশে আর ফিরে যেতে আগ্রহী না হয় সেজন্য তাদের মনে ভীতির সঞ্চার করে মিয়ানমার একটা অবস্থার সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

    শনিবার বেলা ১১টায় বরিশালে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা কনফারেন্সের উদ্ধোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

    আমির হোসেন আমু বলেন, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ভিটেমাটি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। এটা বুঝতে কারোরই অসুবিধা হওয়ার কথা নয় মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের সহজে ফেরত নিতে চাইবে না। আজকে আন্তর্জাতিক চাপ এবং বাংলাদেশের লবিংয়ের কারণে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাধ্য হচ্ছে। কিন্তু যাদেরকে ফেরত নেওয়া হবে, সেই রোহিঙ্গারা যাতে ফিরতে আগ্রহী না হয় সেজন্য মিয়ানমার সীমান্তে ভীতি প্রদর্শন করে রোহিঙ্গাদের মনে ভীতির সঞ্চার করে একটা অবস্থার সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

    এ সময় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনসহ অন্যান্যরা মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

  • বিদেশি উপদেশের দিকে আওয়ামী লীগ তাকিয়ে নেই: কাদের

    বিদেশি উপদেশের দিকে আওয়ামী লীগ তাকিয়ে নেই: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিদেশি কোনো উপদেশ খয়রাতের দিকে আওয়ামী লীগ তাকিয়ে নেই।

    ৭ মার্চ আওয়ামী লীগের জনসভা সফল করতে আজ শনিবার সকালে রাজধানীর নিউমার্কেট কাঁচাবাজার এলাকায় লিফলেট বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় একটি অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠেয় আগামী জাতীয় নির্বাচনে সব দলকে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

    এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একটি ঐতিহ্যবাহী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা জনগণের চাপকে গুরুত্ব দিই। আমাদের দেশের গণতন্ত্র আমরাই পরিচালনা করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, কেউ ধোয়া তুলসীপাতা নয়। যারা আমাদের উপদেশ দিচ্ছে, তাদের দেশের গণতন্ত্রের চেহারা, তাদের দেশের নির্বাচনের চেহারা, সেটা সারা দুনিয়া জানে, আমরাও জানি। কাজেই আমাদের উপদেশ দিতে হবে না।’

    সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা কারও উপদেশ-খয়রাতের দিকে তাকিয়ে নেই। আমাদের দেশের নিয়ম অনুযায়ী আমাদের দেশের গণতন্ত্র চলবে। আমাদের দেশের নিয়ম অনুযায়ী আমাদের নির্বাচন চলবে। কাজেই এ নিয়ে বাইরে থেকে কে চাপ দিল, সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়। আমরা আমাদের নিয়ম অনুযায়ী, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী একটা অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছি।’

    সরকারি অর্থ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী ভোট চাইছেন—এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের কাছে যাওয়ার অধিকার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর আছে। এখনো নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা হয়নি। এই প্রশ্নটি হতে পারে তখন, যখন নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করবে। এই মুহূর্তে দেশের প্রধানমন্ত্রী, তিনি যেসব উন্নয়ন করেছেন, সেসব নিয়ে জনগণকে অবহিত করার অধিকার তাঁর আছে।

    ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘যেহেতু আমাদের প্রধানমন্ত্রী শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী; আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে নৌকায় ভোট চাওয়ার অধিকার প্রধানমন্ত্রীর আছে। তাতে এখানে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।’ তিনি আরও বলেন, এবার ৭ মার্চে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ হবে। এ লক্ষ্যে তাঁরা কাজ করছেন।

    বিএনপির আন্দোলনের কৌশল মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের অবস্থান বিষয়ে কাদের বলেন, ‘তাদের কৌশল সেটা তাদের ব্যাপার। এটা নিয়ে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। তারা কী কৌশল প্রয়োগ করবে, সেটা তাদের ব্যাপার।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতি রাজনীতি দিয়ে মোকাবিলা করব, সহিংসতা মোকাবিলার জন্য আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আছে। তারা যখন যেটা দরকার সেটাই করবে।’

    ৭ মার্চের সমাবেশ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সমাবেশে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচন সামনে রেখে নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন এবং এ সময়ের ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের মুখে আমাদের করণীয়, দেশবাসীর করণীয়, নির্বাচন সামনে রেখে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানাবেন।’

  • দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার

    দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতির জনকের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বর্তমান সরকারও দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শনিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে খুলনার খালিশপুরের ঈদগাহ ময়দানে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশের (আইইবি) জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে জাতির পিতা এই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের মতো স্বল্প সময়ে পিছিয়ে থাকা একটি প্রদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্রে উন্নত করেছিলেন জাতির জনক। তখন তাকে বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহযোগিতা করেছিলেন প্রকৌশলীরা।

    কৃষক-মজদুর নয়, শিক্ষিত শ্রেণীই দুর্নীতি করে বলে এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর একটি মন্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির জনকের নির্দেশিত পথ মেনেই আমরা চলছি। আমাদের সরকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মানুষ যেন আইনের শাসনের সুযোগ-সুবিধা পায়, সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছি।

    বিশ্বসভায় উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে আইনের শাসনের অভাবে পাঁচ পাঁচবার সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশ। আজ দুর্নীতি উৎখাত করে দুই ধাপ এগিয়েছি আমরা।

    এর আগে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে খুলনায় পা রাখেন। বিকালে প্রধানমন্ত্রী খুলনা সার্কিট হাউজে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন।

  • বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং যাবে : খুলনায় প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং যাবে : খুলনায় প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আমাদের এই অগ্রযাত্রা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেটি হবে ক্ষুধা-দারিদ্র্য, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক, সমৃদ্ধ, নিরাপদ, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির বাংলাদেশ। এ কাজে আপনারাই হচ্ছেন অগ্র সৈনিক।

    শনিবার সকালে খুলনার খালিশপুরে আইইবির খুলনা কেন্দ্রে ৫৮তম কনভেনশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন ।

    তিনি বলেন, আমরা উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে চাই। এ উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আপনারা পেশাগত দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করুন।

    বিভিন্ন খাতে তার সরকারের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। গত বছরে আমাদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৭.২৮ শতাংশ। দারিদ্র্যের হার ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের উপরে। মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৬১০ মার্কিন ডলার। সকল ক্ষেত্রে আমরা ব্যাপক উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ মহান স্বাধীনতার মাসেই আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হচ্ছি।

    বিদ্যুৎ সেক্টরের উন্নয়ন প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, ভারতের সঙ্গে আন্তঃগ্রীড নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, ভুটান ও নেপালের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। যার মাধ্যমে আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা বলয় গড়ে উঠবে।

    তিনি বলেন, আমরা ভারত থেকে ৫০০মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছি। পর্যায়ক্রমে এ আমদানির পরিমাণ একহাজার মেগাওয়াট হবে। নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বিশ্ব একটি গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। এ বৈশ্বিক গ্রামে এককভাবে উন্নতি করা প্রায়ই দুঃসাধ্য। অর্থনৈতিকভাবে উন্নতি লাভ করতে হলে আন্তঃমহাদেশীয়, আন্তঃদেশীয় এবং আঞ্চলিক সংযোগ ও সহযোগীতা বাড়াতে হবে।

    উল্লেখ্য, সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় অংশ নিতে খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার বেলা পৌনে ১১টায় হেলিকপ্টারযোগে খুলনা মহানগরীর খালিশপুরে তিতুমীর নৌ-ঘাঁটির ভিভিআইপি হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা অভিনন্দন জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়েছে গোটা শিল্পনগরী। পুলিশ, র্যাব, গোয়েন্দারা সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছে জনসভাস্থলসহ আশপাশের এলাকায়। প্রধানমন্ত্রীর আগমনে পুরো খুলনা নগরীজুড়ে তৈরি করা হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনি। পাশাপাশি তৎপর রয়েছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

    দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটি খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর। এর আগে ২০১৫ সালে তিনি খুলনা শিপইয়ার্ডে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।