Blog

  • ফেসবুকে সমালোচনার তীরে ক্ষত-বিক্ষত ভাবনা

    ফেসবুকে সমালোচনার তীরে ক্ষত-বিক্ষত ভাবনা

    ‘দুই দিনের বৈরাগী ভাতকে বলে ফ্রাইড রাইস’, ‘ভাল করে আয়নায় নিজেকে দেখেন’, ‘মানসিকতা এতো নিচু হয় ক্যামনে’- ফেসবুকে এ রকম নানা তির্যক মন্তব্যে ক্ষত-বিক্ষত হচ্ছেন অভিনেত্রী ভাবনা।

    মূলত, তার একটি মন্তব্যকে ঘিরে এরকম কটু বাক্যে জর্জরিত হচ্ছে তার নাম। একটি শীর্ষ স্থানীয় অনলাইন পোর্টালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভাবনা বলেন, ‘বাংলাদেশের কোন ব্রান্ড আমি কিনিও না, পরিও না। বাংলাদেশে কি কোন ব্রান্ড আছে নাকি।’ এই মন্তব্যের প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে উঠেছেন নেটিজেনরা।

    তাদের মতে গর্ব করার মতো অনেক ব্রান্ড রয়েছে বাংলাদেশের অথচ ভাবনার মতো একজন অভিনেত্রী দেশকে এভাবে হেয় করেন কিভাবে।

    এছাড়া সাক্ষাৎকারে ভাবনা আরও বলেন- বাংলাদেশ নয়, দুবাই এবং সিঙ্গাপুর থেকেই তিনি শপিং করেন। ইতিমধ্যে তার এ বক্তব্য ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি ওই পোর্টালের প্রকাশিত নিউজের কমেন্ট বক্সেও নানারকম মন্তব্যে জর্জরিত হচ্ছেন ভাবনা।

    আরশাদ সোহেল নামে একজন লিখেছেন- ‘ দেশকে এতো হেয় করে সেই দেশে থাকাই উচিৎ না’

    ফারজানা সুলতানা নামে একজন ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন, কি আমার চেহারা,নাম হচ্ছে পেয়ারা। বিদেশি ব্রান্ডের নাম বললেই ফেমাস হওয়া যায়না। ফুটানি যত্তসব। বিদেশ চলে গেলেই পারে। এখানের কিছুই যখন পছন্দ না।’

    প্রিন্স সুজন নামে একজন মন্তব্য করেছেন- ‘এই মাকাল ফল কই থাইকা আসছে ? বাংলাদেশে কোন ব্র্যান্ড নাই ! এই মেয়েকে পাবনার মেন্টাল হাসপাতালে পাঠায় না কেন ?’

    এরকম তির্যক মন্তব্য বেগবান হচ্ছে সময়ের সাথে।

  • ফিরোজা থেকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন খালেদা জিয়া

    ফিরোজা থেকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন খালেদা জিয়া

    তাবলিগ জামাতের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপের আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

    গুলশানের নিজ বাসভবন ফিরোজাতে বসেই টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।

    রোববার বেলা ১১টায় চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারি অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি জানান, বিগত বছরের ন্যায় এবারও আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বাসভবন ফিরোজায় বসে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, আগে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে সরাসরি অংশ নিতেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তবে ২০১৪ সাল থেকে রাজনৈতিক পরিবেশ অনুকূলে না থাকায় আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে টঙ্গী যাচ্ছেন না তিনি।

  • গণভবন থেকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

    গণভবন থেকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

    তাবলিগ জামাতের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপের আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় বাসভবন গণভবন থেকে তিনি এ মোনাজাতে অংশ নেন।

    এ সময় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলীসহ পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোনাজাতে শরিক হন।

    এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, প্রেস সচিব এহসানুল করিম, বিশেষ সহকারি আব্দুস সোবহান গোলাপসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গণভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোনাজাতে অংশ নেন। সূত্র : বাসস

  • আখেরি মোনাজাতে ইজতেমার প্রথম পর্ব সমাপ্ত

    আখেরি মোনাজাতে ইজতেমার প্রথম পর্ব সমাপ্ত

    আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে তাবলিগ জামাতের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ। রোববার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে মোনাজাত শুরু হয়ে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে শেষ হয়। ৩৫ মিনিটের এ মোনাজাতের ১৪ মিনিট আরবিতে ২১ মিনিট বাংলায় পরিচালিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের। এবারই প্রথম বাংলায় মোনাজাত হয়েছে।

    এর আগে সকাল সোয়া ৮টা থেকে বাংলা ভাষায় হেদায়েতি বয়ান শুরু হয়। এবার কাকারাইলের মুরুব্বি মাওলানা আবদুল মতিন বাংলায় এ হেদায়েতি বয়ান করেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে তাবলিগ জামাতের গুরুত্বপূর্ণ এই কাজ ‘হেদায়েতি বয়ান ও আখেরি মোনাজাত’ বাংলাদেশের আলেমরা দুটি একত্রে কখনো করেননি বলে জানা যায়।

    সাধারণত শেষ দিনের হেদায়েতি বয়ান ও আখেরি মোনাজাত উভয়টি দিল্লি মারকাজ থেকে আসা মুরুব্বিরা করে থাকতেন এবং তা উর্দু ভাষায় হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

    কিন্তু এবার ইজতেমায় ভারতের দিল্লিরি নিজামুদ্দিন মারকাজের মুরুব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভী ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে না পারায় এই প্রথম বাংলাদেশি আলেমদের মাধ্যমে শেষ দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ দুটি আঞ্জাম দেয়া হচ্ছে।

    তাছাড়া ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী জেলার ধর্মপ্রাণ মানুষ মোনাজাতে অংশ নিতে ভোর রাত থেকে ইজতেমার ময়দানের দিকে রওনা হয়েছেন।

    পুলিশ বলছে, আখেরি মোনাজাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত টঙ্গী থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা, পূবাইলের মিরেরবাজার ও আশুলিয়ায়ার আবদুল্লাহপুরে যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে বিকল্প পথে চলতে পারবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা যাত্রীদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

    আজ শেষ হচ্ছে ২০১৮ সালের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ। দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে আগামী ১৯ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

  • বরিশালে পিআইবি কর্তৃক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে পিআইবি কর্তৃক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে পিআইবি কর্তৃক তিনদিনব্যাপী রিপোটিং প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বরিশালে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি),কর্তৃক তিনদিন ব্যাপি বরিশাল প্রেসক্লাবের সদস্যদের নিয়ে সাংবাদিকতার বুনিয়াদী বিষয়ের উপর প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গত ১১  জানুয়ারী থেকে বরিশাল প্রেসক্লাবের সার্বিক সহযোগীতায় ও প্রেস ইনস্টিটিউট এর আয়োজনে প্রেসক্লাবের মাইনুল হাসান মিলনায়তনে  এ প্রশিক্ষন কর্মশালা চলে।

    উল্লেখ্য ১৯৭৬ সালে পিআইবি প্রতিষ্ঠা হবার পর থেকে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৭২টি সাংবাদিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩৭ হাজার সংবাদ কর্মীদের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করেছে।
    অপরদিকে বর্তমানে সরকারের নিদ্যেশে পিআইবি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন যার সুফল সাংবাদিকরা দেখতে পাবেন।
    প্রশিক্ষন কর্মশালায় জাতীয়,স্থানীয় ও ইলেক্টনিক মিডিয়ার ৩৫ জন সদস্য অংশ গ্রহন করেন।

     

  • ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করতে বৈঠকে খালেদা জিয়া

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আজ শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় গুলশানে দলটির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি।

    জানা গেছে, বৈঠকে অংশ নিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    উল্লেখ্য, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই জামায়াতে ইসলামী মেয়র পদে ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিমউদ্দিনকে মনোনয়ন দিলে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে গত সপ্তাহে জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বেগম খালেদা জিয়া। সেখানেই একক প্রার্থী চূড়ান্ত করতে সব দায়িত্ব চেয়ারপারসনের ওপর অর্পণ করা হয়।

  • আমি তো বাংলাদেশের পতাকা বহন করছি : সাব্বির

    আমি তো বাংলাদেশের পতাকা বহন করছি : সাব্বির

    সব মিলিয়ে সময়টা ভাল কাটছে না। এক কিশোর দর্শকের গায়ে হাত তোলার অপরাধে বড় শাস্তির খড়গ ঝুলছে তার ওপর। মোটা অঙ্কের অর্থ জরিমানা। বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ আর ছয় মাস ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ। এতো গেল মাঠের বাইরের চিত্র।

    মাঠেও সাব্বির রহমান রুম্মনের অবস্থা কিন্তু তেমন ভালো না। শেষ ১০ মাস একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রান খরায় তিনি। শারীরিকভাবে খুব ফিট। ফিটনেস ট্রেনিং আর বিপ টেস্টে ভালো করেন সময়। সাহস আছে। ভয়-ডর কম। স্ট্রোক খেলার সামর্থ্যও বেশ।

    একদিনের সীমিত ওভারের ফরম্যাটে সাব্বির হতে পারেন বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের এক কার্যকর অস্ত্র; কিন্তু সময়ের প্রবাহমানতায় সেই তেজোদ্দীপ্ত উইলোবাজিও কেমন যেন ফ্যাকাশে। ২০১৭ সালের ২৫ মার্চ ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরির (৫৬ বলে ৫৪) পর শেষ ১২ ম্যাচে পঞ্চাশের ঘরে পা রেখেছেন মোটে একবার; ২৪মে ডাবলিনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফিফটিই (৮৩ বলে ৬৫) শেষ।

    তার আগে ও পরের ইনিংসগুলোয় রান খরায় ভুগছেন সাব্বির। টানা সেই সময়ের স্কোরগুলোর দিকে তাকালেই সে সত্যতা ফুটে উঠবে। গত বছর ২৫ মার্চ ডাম্বুলায় লঙ্কানদের সাথে হাফ সেঞ্চুরির পর থেকেই শুরু শনির দশা। শ্রীলঙ্কা (০), আয়ারল্যান্ড (০) ও নিউজিল্যান্ডের (১) সঙ্গে পরের তিন ম্যাচে করেছেন মোটে ১।

    পরের দুই ম্যাচে (৩৫+৬৫) মনে হচ্ছিল আবার নিজেকে ফিরে পেয়েছেন; কিন্তু এরপর আবার সেই তিমিরে পড়ে থাকা। শেষ সাত ইনিংসে কোন ফিফটি নেই। ২৪+৮+৮+১৯+১৯+১৭+৩৯ = মোট রান ১৩৮।

    এ রকম অবস্থায় দর্শকের গায়ে হাত তুলে সাধারণ ক্রিকেট অনুরাগী মহল ও ক্রিকেট বোর্ডের বিরাগভাজন হয়ে পড়েছেন তিনি। এক কথায় ‘খারাপ সময়’ সাব্বিরের। সব মিলিয়ে মানসিক চাপে বিপর্যন্ত এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

    গত কিছু ম্যাচে ব্যাটে রান নেই। এ বোধ আছে ভিতরে। সে কথা স্বীকারও করেছেন অকপটে। তারপরও সব চাপ সামলে ঘরের মাঠে তিনজাতি আসরে ভাল খেলতে মুখিয়ে সাব্বির। তার দাবি এ আসরের জন্য নিজেকে বেশ ভালভাবেই প্রস্তুত করেছেন তিনি।

    আসর শুরুর ৪৮ ঘন্টা আগে তাই তো মুখে এমন আত্মবিশ্বাসী সংলাপ, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি ভালোভাবে প্রস্তুত। যদিও গত কয়েকটা ম্যাচ আমার খারাপ গেছে।’ সেই খারাপ খেলার কারণ খুঁজে বের করে ঘাটতি পুরণের চেষ্টাও করেছেন।

    সাব্বির বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি, যেটা দুর্বল জায়গা আছে, তা শক্ত করার জন্য। সেসব নিয়ে কাজ করছি। এখন দেখা যাক, সামনে ম্যাচ আসছে। ভালো করার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ।’

    নিজের দুর্বলতার কথা মিডিয়ার সামনে প্রকাশ করতে চান না অনেকেই; কিন্তু সাব্বির সাহস নিয়েই বলে ফেলেছেন, ‘আসলে দুর্বল জায়গাটা কীভাবে বলবো বলুন! কিছু স্পিন নিয়ে কাজ করেছি। সামনের পায়ে খেলা নিয়েও কাজ করেছি। নেটে একা একা এগুলো নিয়ে সময় কাটিয়েছি। যে দুর্বলতা ছিল, তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছি। ম্যাচে রান পাওয়া আসলে কপালের ব্যাপার। রান না পেলেই টেকনিক ভালো না, করলে ভালো না; আমার মনে হয় না ব্যাপারটা তেমন।’

    তার বিপক্ষে সেট হয়ে আউট হয়ে যাওয়ার অনেক অভিযোগ আছে। এমন নজিরও আছে বেশ কিছু। উইকেট ও পরিবেশ-পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিয়েও শেষ পর্যন্ত উইকেট দিয়ে আসার অভ্যাস আছে। এটা কেন? টেম্পারামেন্টে ঘাটতি?

    সাব্বির তা মনে করেন না। তার মূল্যায়ন, ‘এটা টেম্পারেমেন্টের ব্যাপার না। আমার খেলাই আসলে এমন। আগে যখন তিন নম্বরে খেলতাম, তখন ব্যাপারটা অন্যরকম ছিলো। এখন ছয়-সাত বা পাঁচ-ছয়ে খেলবো। এটা টিম ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার। আমি যখন যেখানে খেলার সুযোগ পাবো, চেষ্টা করবো পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার। এখন আমি চিন্তা করছি, কখন কিভাবে খেলা উচিত তা নিয়ে। যদি উইকেটে থাকি, ম্যাচ ফিনিশ করবো ইনশা আল্লাহ।’

    মাঠের বাইরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও অনভিপ্রেত আচরণের জন্য একটা বড়সড় শাস্তি পেয়েছেন। সেটা অবশ্যই তাড়া করে বেড়াচ্ছে তাকে। তাতে কী সাব্বিরের পারফরমেন্সে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে? কেউ কেউ এমন ধারনা পোষণ করছেন।

    তবে সাব্বিরের কথা শুনে মনে হলো, তিনি শতভাগ পেশাদার মানসিকতা থেকেই দর্শক পেটানোর শাস্তির বিষয়গুলোকে মূল্যায়ন করছেন। তার চিন্তাটা একদম পেশাদার ক্রিকেটারের মতো। আজ বিকেলে শেরেবাংলায় জাতীয় দলের প্র্যাকটিসে ওই দর্শকের গায়ে হাত তোলার কারণে বোর্ডের বাৎসরিক কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে ছিটকে পড়া, অর্থ দণ্ড আর ঢাকার প্রিমিয়ার লিগসহ আগামী ছয় মাস ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হবার বিষয়টা ভিতরে ঠিকই কাজ করছে। তবে তিনি সেটাকে বড় মানসিক আঘাত হিসেবে দেখতে নারাজ।

    সাব্বির মানছেন, মানুষ হিসেবে ওই ঘটনাগুলো ভিতরে একরকম প্রভাব ফেলেছে; কিন্তু পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে তা নিয়ে না ভেবে মাঠে নিজের করণীয় কাজগুলো ঠিক মত করার কথাই ভাবছেন।

    তাইতো মুখে এমন সংলাপ, ‘মানুষ হিসেবে আমার ওপর এ ঘটনা অনেক প্রভাব ফেলেছে। তবে যদি পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে চিন্তা করি, তাহলে আর ওসব নিয়ে ভাবা ঠিক হবে না। আমি তা ভাবতেও চাই না। অতীত অতীতই! যা হওয়ার হয়ে গেছে। এটার কোনো নেতিবাচক প্রভাব যাতে খেলায় না পড়ে, সেটা নিয়ে চিন্তা করছি। চিন্তা করছি ন্যাশনাল টিমকে আমার জায়গা থেকে সেরাটা দিতে। কারণ আমি বাংলাদেশের পতাকা বহন করছি। চেষ্টা করছি ভালো কিছু করার জন্য।’

  • সাকিবকে দলে নিতে মরিয়া দিল্লি

    সাকিবকে দলে নিতে মরিয়া দিল্লি

    আইপিএলের আগামী আসরে প্রতিটি দলেই আসছে ব্যাপক পরিবর্তন। বেশিরভাগ তারকাকেই ছেড়ে দিয়েছে দলগুলো। দীর্ঘ সাত বছর পর কেকেআর এবার ছেড়ে দিয়েছে বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকেও। এবার এ অলরাউন্ডারকে দলে পেতে মরিয়া দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস।

    চলতি মাসের ২৭ আর ২৮ জানুয়ারি আইপিএলের নিলাম হবে ব্যাঙ্গালুরুতে। এর আগেই প্রতিদল কম্বিনেশন অনুযায়ী নিজেদের মতো করে খেলোয়াড় নির্ধারণ করে রাখছে। সেই হিসেবে দিল্লির নজরে আছে ডি কক, গৌতম গম্ভীর, সাকিব আল হাসান, কেন উইলিয়ামসন ও প্যাট কামিন্স।

    ডি কক

    দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান এ এর আগেও দিল্লির হয়ে আইপিএল মাতিয়েছেন। ইনিংসের শুরুতে ব্যাট হাতে রানের গতি বাড়াতে বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যানের জুড়ি নেই। তার অন্তর্ভুক্তি দলকে আরও যে শক্তিশালী করবে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    গৌতম গম্ভীর

    আইপিএলের সূচনাটা দিল্লি থেকেই শুরু করেছিলেন এলাকার ছেলে গম্ভীর। এরপরই যোগ দেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে। তবে এবার কলকাতা দলটির অধিনায়ককে ছেড়ে দিয়েছে। আর দিল্লিও চাচ্ছে তাকে দলে ভিরিয়ে তার অধিনায়কত্বকে কাজে লাগাতে।

    সাকিব আল হাসান

    ক্রিকেটের তিন ফরমেটের শীর্ষ অলরাউন্ডার। সাত বছর ছিলেন কলকাতায়। দুইবার ব্যাটে বলে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে দলের শিরোপা জয়ে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তবে এবার শীর্ষ এ অলরাউন্ডারকে ছেড়ে দিয়েছে নাইট রাইডার্স। এ সুযোগ ভালোভাবেই নিতে মরিয়া দিল্লি।

    কেন উইলিয়ামসন

    কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ব্যাট বেশ ধারাবাহিক। নিয়মিত রান পাচ্ছেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ তাকে ছেড়ে দেওয়ায় দিল্লির নজর তার দিকে। দলের তিন নম্বর পজিশনে ব্যাট করার সঙ্গে সঙ্গে তার নেতৃত্ব জ্ঞানকেও কাজে লাগাতে চায় দলটি।

    প্যাট কামিন্সঃ

    বল হাতে চলতি বছর খুবই ধারাবাহিক অসি পেসার। এর আগে দিল্লির হয়ে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে না পারলে যোগ দেন কলকাতায়। দল পরিবর্তন করে আবারও স্বরূপে ফেরেন এ তারকা। এরপরও এবার তাকে দলে রাখেনি কলকাতা। তাই দিল্লির আবার ঘরের ছেলেকে দলে ফেরানোর চিন্তা করছে।

  • গেট খুলতে দেরি হওয়ায় ছাত্রলীগ নেতার কাণ্ড

    গেট খুলতে দেরি হওয়ায় ছাত্রলীগ নেতার কাণ্ড

    লক্ষ্মীপুরে অক্সফোর্ড মডেল কলেজের পিয়ন মহসিন হোসেনকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুরে শহরের লিল্লাহ জামে মসজিদ সংলগ্ন ওই কলেজ গেটে এ ঘটনা ঘটে।

    তবে অভিযুক্ত সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করিমুল হক কনক ক্বারী বলেন, ছাত্রদের সামনে আমাকে অপমান করায় তাকে দুটি চড় দেয়া হয়েছে।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আহত মহসিন সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র জাহেদ আলম নির্বাচনীয় পরীক্ষা তিন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। এতে কলেজ কর্তৃপক্ষ তার ফরম পূরণে অনিহা প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে তাকে অভিভাবককে উপস্থিত করার জন্য বলা হয়। ঘটনার সময় জাহেদ ছাত্রলীগ নেতা কনক ক্বারীকে কলেজে নিয়ে আসেন। কনক গেট খুলতে বলতে পিয়ন অধ্যক্ষর অনুমতির জন্য যায়। এ সময় আসতে দেরি হওয়ায় তাকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষি দেয়া হয়। পরে শিক্ষকরা মহসিনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

    সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করিমুল হক কনক ক্বারী বলেন, ছাত্রদের সামনে মহসিন আমার শার্টের কলার চেপে ধরেছে। এজন্য তাকে দুটি চড় দেয়া হয়। অধ্যক্ষের সঙ্গে এক নেতাকে ফোনে কথা বলিয়ে দিতে আমি সেখানে যাই। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

    অক্সফোর্ড কলেজের উপধ্যক্ষ মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, এক ছাত্রের ফরম পূরণ না করার জের ধরে পিয়নকে বেধড়ক মারধর করা হয়। বিষয়টি থানা পুলিশ ও সিনিয়র নেতাদের জানানো হয়েছে।

    লক্ষ্মীপুর মডেল সদর থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সামাধানের চেষ্টা চলছে।

  • ৫ হাজার যাত্রী নিয়ে আটকা পড়ল ৪টি লঞ্চ

    ৫ হাজার যাত্রী নিয়ে আটকা পড়ল ৪টি লঞ্চ

    পটুয়াখালীর তেঁতুলিয়া নদীর ডুবোচরে আটকা পড়ছে ঢাকাগামী ৪টি লঞ্চ। শনিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর লোহালিয়ার একটি ডুবোচরে এসব লঞ্চ যাত্রী নিয়ে আটকা পড়ে। এ চারটি লঞ্চে অন্তত ৫ হাজার যাত্রী রয়েছেন।

    লঞ্চগুলো হচ্ছে- ঢাকাগামী এমভি সুন্দরবন-৯, এমভি সাত্তার খান, এমভি জামাল-৫ ও এমভি জামাল-৬। লঞ্চগুলো যাত্রী নিয়ে লোহালিয়ার ডুবোচরে আটকা পড়ে। শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন পটুয়াখালীর নৌবন্দরের এক কর্মকর্তা।

    তবে এ কর্মকর্তা বলেছেন, চারটি লঞ্চে অন্তত ৫ হাজার যাত্রী রয়েছে। যাত্রীদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। নদীতে জোয়ার আশার সঙ্গে সঙ্গে আটকা পড়া লঞ্চগুলো ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

    এ বিষয়ে আটকা পড়া এমভি সুন্দরবন-৯ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পটুয়াখালীর লোহালিয়ার ঝিলনা এলাকায় চারটি লঞ্চ আটকা পড়েছে। এর মধ্যে সুন্দরবন-৯ লঞ্চই ছাড়াও ঢাকাগামী সত্তর খান, জামাল-৫ ও জামাল-৬ লঞ্চ রয়েছে।

    জানতে চাইলে পটুয়াখালী নদী বন্দরের উপ-পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পটুয়াখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা সব লঞ্চের ইনচার্জের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, ভাটার কারণে চারটি লঞ্চ ডুবোচরে আটকা পড়েছে। কিছুক্ষণ পর জোয়ার শুরু হতে পারে। জোয়ার শুরু হলে লঞ্চগুলো ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। তবে লঞ্চের যাত্রীদের কোনো সমস্যা হয়নি। তারা সবাই নিরাপদে আছেন।