Blog

  • রাজধানীতে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

    রাজধানীতে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

    রাজধানীর মালিবাগের মৌচাক এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছেন মাহবুবুল হক (৪৫) নামে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এক পরিদর্শক। এ সময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে তিনি আহত হয়েছেন।

    আজ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মৌচাকের সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত মাহবুবুল ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ডিবির পশ্চিম বিভাগে কর্মরত।

     

    জানা যায়, রাতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান শেষে ভোরে মিন্টু রোডের অফিস থেকে রিকশা করে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মৌচাক সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে পৌঁছালে দুই ছিনতাইকারী তার রিকশার গতিরোধ করে। ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে তার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

    এ সময় ছিনতাইকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাত ফেরাতে গিয়ে তার ডান হাতের আঙ্গুল কেটে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ফুয়াদ আহমেদ।

  • গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ৫০ নারীকে ধর্ষণ!

    গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ৫০ নারীকে ধর্ষণ!

    ধর্ষণকে রীতিমতো পেশায় পরিণত করেছে ভারতের চেন্নাইয়ের এক যুবক।   আর ধর্ষণ করতে তার প্রধান অস্ত্র ছুরি।

    নিরীহ নারীদের টার্গেট করে প্রথমে ডাকাতি। তারপর গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ধর্ষণ। এই পন্থায় এ পর্যন্ত ৫০ জন নারীকে সে ধর্ষণ করেছে।  এই অভিযোগে ২৮ বছরের ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে চেন্নাই পুলিশ।

    স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম মাধন অরিভালাগন। সে রাজ্যের কৃষ্ণাগিরির মথুরের বাসিন্দা। অভিযোগ, বাড়িতে একা থাকেন এমন নারীকদেরই টার্গেট করত সে। তারপর সেইসব নারীকেদের জিনিসপত্র লুঠের পর ধর্ষণ করত। এমনকি, ধর্ষণের ভিডিও করে রাখত নিজের মোবাইলে।

    সেই ভিডিও দেখিয়ে ফের ধর্ষণের হুমকিও দিত অভিযুক্ত যুবক।

    ধৃত মাধনের ফোন থেকে উদ্ধার হয়েছে এরকম বহু ভিডিও। জেরায় মাধন পুলিশকে জানিয়েছে, বেঙ্গালুরুতে একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে কাজ করত সে। ২০১৫-তে চাকরির জন্য চেন্নাইতে আসে। কিন্তু সেখানে সুবিধা না হওয়ার পরই অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে এ যুবক। টাকার জন্য প্রথমবার ডাকাতি করে সে। ডাকাতির পর নারীকেকে ধর্ষণও করে। তারপর থেকে নারীকেদের টার্গেট করে করে একাজ করতেই থাকে মাধন।

  • দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির

    দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির

    দলীয় সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলের নির্বাহী কমিটির সর্বোচ্চ পদে থাকা ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    শনিবার রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়। বৈঠকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়া, বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েনের দাবির পক্ষে সবাই একমত প্রকাশ করেন। বৈঠকে খালেদা জিয়ার বিভাগ ও জেলা সফর নিয়ে আলোচনা হয়।

    কোন্দল মিটিয়ে দলকে শক্তিশালী করতে সিনিয়র নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলে যাতে কোনো দুর্বলতা না থাকে সেজন্য এখন থেকে সবাইকে গুরুত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

    সংগঠনের ভিত মজবুত করতে বিশৃঙ্খলাকারীদের হুশিয়ার করে দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। দ্রুত ঝুলে থাকা জেলা, থানা ও অঙ্গসংগঠনের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন তিনি। সবাইকে এলাকায় গিয়ে সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরার পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক ইসু্যতে জনমত তৈরির নির্দেশ দেন খালেদা জিয়া।

    সংগঠন দ্রুত গোছানোর তাগিদ দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, তরুণদের জায়গা করে দিতে হবে। যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায় তাদের ছাড় দেয়া যাবে না।

    খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে এই বৈঠকে ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে ২৫ জন উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন- এম মোরশেদ খান, হারুন আল রশিদ, আবদুল্লাহ আল নোমান, অধ্যাপক আবদুল মান্নান, আবদুল মান্নান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, শাহজাহান ওমর, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, সেলিমা রহমান, আলতাফ হোসেন চেৌধুরী, বরকতউল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, মীর মো. নাসিরউদ্দিন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, মাহমুদুল হাসান, ইনাম আহমেদ চেৌধুরী, আমিনুল হক, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, আহমেদ আজম খান, জয়নাল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও শওকত মাহমুদ। এ ছাড়াও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

  • যৌন নির্যাতন প্রতিটি বাড়িতেই হয়: রাধিকা আপ্তে

    যৌন নির্যাতন প্রতিটি বাড়িতেই হয়: রাধিকা আপ্তে

    যৌন নির্যাতন যে শুধুমাত্র সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে হয় এমন নয় এটি সবখানেই ঘটে থাকে। এমনকি প্রতিটি বাড়িতেই কমবেশি যৌন নির্যাতন হয়ে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে।

    সম্প্রতি স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাধিকা জানান, প্রতিটি বাড়িতে কমবেশি যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে থাকে। শুধুমাত্র ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এটি সীমাবদ্ধ নয়। পৃথিবীর সর্বত্র শিশুনিগ্রহ বা ওই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে থাকে। ভারতেও হয়। যৌন নির্যাতনের শিকার শুধুমাত্র নারীরা হয়ে থাকেন, তা মনে করেন না রাধিকা। তাঁর কথায়, পুরুষ মানুষও যৌন নিগ্রহের শিকার হয়। বাদ যায় না বাচ্চা ছেলেরাও। যেখানে যে ক্ষমতাবান সেখানে সে তার বলপ্রয়োগ করে থাকে।

    তিনি আরও বলেন, যৌন নিগ্রহের ঘটনা ইন্ডাস্ট্রিতে কারোর সঙ্গে ঘটলে চুপ করে থাকা উচিত নয়।

    দরকার প্রতিবাদ করার। সরব হওয়ার।   তাঁর মতে, পরিশ্রম আর নিজের প্রতিভার প্রতি আস্থা রেখে এগিয়ে যেতে হবে। মুখ খুললে নিজের ক্ষতি হবে বা ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে হবে, এসব ভাবলে চলবে না। তাহলেই এই ধরনের ঘটনা কম ঘটবে।

  • মাথা ন্যাড়ার শর্তে এসএসসির ফরম পূরণ!

    মাথা ন্যাড়ার শর্তে এসএসসির ফরম পূরণ!

    মাথা ন্যাড়া করার শর্তে টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এসএসসির ফরম পূরণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

    চাঁদপুর আল আমিন একাডেমি স্কুলে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পুনরায় পরীক্ষা নিলেও ফল ঘোষণা না করে মাথা ন্যাড়া করার শর্তে ২০১৮ সালে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করা হচ্ছে। ন্যাড়া করার ব্যাপারে মুখ খুললে শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেয়া হয়েছে।
    অভিযুক্ত শিক্ষক পি এম এম জামাল হোসেন এমন নির্দেশের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা নিজেরাই চুল কেটেছে।
    চাঁদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে আল আমিন একাডেমীতে ২০১৮ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক প্রায় চারশ শিক্ষার্থীর মধ্যে টেস্ট পরীক্ষায় ৯১ জন কৃতকার্য হয়। বাকি প্রায় তিনশ শিক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। পরে তাদের অকৃতকার্য বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষা নিলেও ফলাফল ঘোষণা করেনি কর্তৃপক্ষ। ফলাফল ঘোষণা না করে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে ফরম পূরণ করা হচ্ছে এমনটাই অভিযোগ আবুল বাসার নামের এক অভিভাবকের। এমন প্রচুর অভিযোগ রয়েছে প্রাইভেট না পড়াতে অনেক শিক্ষার্থীকে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। এমনকি ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কৌশলও বলছেন কেউ কেউ।
    অপরদিকে ইংরেজি শিক্ষক জামাল স্যারের নির্দেশে ১৯ জন শিক্ষার্থী মাথা ন্যাড়া করতে বাধ্য হয়েছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এমন শর্ত দেয়ায় প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কিন্তু তিনি এ সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত ও কার্যকর করার নির্দেশ দেন। শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয় তাদের মাথা ন্যাড়া করতে। এমন ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
    সূত্র : মানবজমিন

  • যুবরত্ন সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহর শুভ জন্মদিন আজ

    যুবরত্ন সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহর শুভ জন্মদিন আজ

    শেখ সুমন:

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল বাসীর প্রানের মানুষ ,যুবরত্ন সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহর আজ জন্মদিন ।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের এই নবীন নেতা, পার্বত্য শান্তি চুক্তির রূপকার জনাব সেরনিয়াবাদ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পুত্র ।দাদা ও বাবার মত সাধারণ গণ মানুষের সেবা করার জন্য রাজনীতিতে আসেন সাদিক আব্দুল্লাহ।অতি অল্প সময়ে সাধারণ মানুষের প্রাণের মানুষ হয়ে যান সাদিক আব্দুল্লাহ।

    রাজনীতিতে এসে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের হাল ধরেন এই তরুন রাজনীতিবিদ ।ইতিমধ্যেই বরিশাল মহানগরীর ত্রিশটি ওয়ার্ডের সকল মানুষের কাছে পরিচিত মুখ সাদিক আব্দুল্লাহ।যুব সমাজের জন্য কাজ করায় বরিশালবাসি তাকে যুবরত্ন হিসেবে উপাধি দিয়েছেন ।যানাগেছে আজকের এই দিনটি সাধারণ মানুষের সাথে কাটাবেন সাদিক আব্দুল্লাহ।

    আজকের এই দিনে বাংলার মুখ 24 .কম পত্রিকার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

  • ‘পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা আর যেন ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ না পায়’-শেখ হাসিনা

    ‘পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা আর যেন ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ না পায়’-শেখ হাসিনা

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আর যেন পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা, পদলেহনকারীরা ইতিহাস বিকৃতি করার সুযোগ না পায় সে জন্য সবাইকে জাগ্রত থাকতে হবে। এতদিন আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। আজ নতুন সূর্য দেখা দিয়েছে, নতুন প্রত্যয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে- এটা আমাদের প্রতিজ্ঞা।

    শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সমাজ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ডকুমেন্ট স্বীকৃতি প্রদান উপলক্ষে নাগরিক সমাজ এ সমাবেশের আয়োজন করে। নাগরিক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এমিরেটাস অধ্যাপক অানিসুজ্জামান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রামেন্দু মজুমদার ও নুজহাত আলীম।

    সমাবেশ শুরুর আগে মঞ্চের মাইক থেকে দেশাত্মবোধক, নজরুল গীতি, রবীন্দ্র সঙ্গীত ও লালনগীতি পরিবেশন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ২টা ৪০ মিনিটে সমাবেশ স্থলে পৌঁছান। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সব শহীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক থেকে পাঠ করা হয়।

    এর পরই সমবেতভাবে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়। সমাবেশ চলাকালে নির্মলেন্দু গুণ ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর কবিতা পাঠ করেন। এছাড়া সমাবেশে বক্তব্যের মাঝে মাঝে রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুলগীতি ও লালনগীতি, ভাওইয়া পরিবেশন করা হয়। শিল্পী মমতাজ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত গান পরিবেশন করেন। সমাবেশে প্রস্তাব পাঠ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। একই সঙ্গে তিনি ইউনেস্কোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রস্তাবটি ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টরের হাতে হস্তান্তর করেন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ জাফর ইকবাল, ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টর বি‌য়ে‌ট্রিস খলদুন, বিশিষ্ট সাংবাদিক সমকাল পত্রিকার সম্পাদক গোলাম সারওয়ার ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা আর যেন ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করতে না পারে সেজন্য সকলকে জাগ্রত থাকতে হবে। ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোতে স্থান পেয়েছে, রাষ্ট্রভাষা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্থান পেয়েছে। এ জন্য আমরা গর্বিত জাতি। এ উচ্চ শির যেন আর নত না হয়। যারা এক সময় ৭ মার্চের ভাষণকে নিষিদ্ধ করেছিল, আজ যখন এ ভাষণ ইউনেস্কোতে স্থান পেল তখন কি তাদের লজ্জা হয় না। এ ভাষণের জন্য কত মানুষকে হত্য করা হয়েছে। কত মানুষকে নির্যাতন করা হয়েছে। তার পরও মানুষ থেমে থাকেনি। এ ভাষণ যতই বন্ধ করতে চেয়েছে ততই তা বেশি প্রচারিত হয়েছে। এ ভাষণ এতবার এতদিন এতঘণ্টা প্রচারিত হয়েছে যে পৃথিবীর কোনো ভাষণ এত প্রচার হয়নি।

    তিনি বলেন, যারা পাকিস্তানি নাগরিক তারা এ ভাষণ নিষিদ্ধ করতে পারেনি অথচ বাংলাদেশি পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা এ ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিল। ইতিহাস থেকে তারা জাতির পিতার নাম মুছে ফেলতে চেয়েছিল। কিন্তু তা পারেনি। প্রকৃত ইতিহাস কখনও মুছে ফেলা যায় না। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো।

    শেখ হা‌সিনা ব‌লেন, ৯ মা‌সের মু‌ক্তিযুদ্ধের মাধ্য‌মে এ স্বাধীনতা। বাঙালি জা‌তি‌কে এক‌টি দেশ উপহার দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু বছ‌রের পর বছর জেল খে‌টে‌ছেন। বাঙালি জা‌তি‌কে শোষণ-বঞ্চনার হাত থে‌কে রক্ষা কর‌তেই ছিল বঙ্গবন্ধুর এ সংগ্রামী জীবন।

  • বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জিতলেন ভারতের মানুসী

    বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জিতলেন ভারতের মানুসী

    ২০১৭ সালের বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জিতলেন ভারতের মেডিকেল শিক্ষার্থী মানুসী চিল্লার। ষষ্ঠ ভারতীয় হিসেবে তিনি এই খেতাব জিতলেন। প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ হয়েছেন যথাক্রমে মিস ইংল্যান্ড স্টেফানি হিল ও মিস মেক্সিকো আন্দ্রেয়া মেজা।
    এবারের বিশ্বসুন্দরীর প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল চীনের আরেনা শহরে। চূড়ান্ত তালিকায় পৌঁছেছিলেন ১২১টি দেশের সুন্দরীরা। সেখান থেকে এক এক করে সেরা পাঁচের তালিকায় উঠে আসেন মানুসী। তারপর থেকেই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে ভারত। এরপরেই শনিবার আসে সুখবর। ২০১৬ সালে মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় শিরোপা জিতেছিলেন তিনি। আর এবারে পেলেন বিশ্বের সেরা সম্মান।
    http://bangla.earthtimes24.com
    মানুসী চিল্লার
    ১৯৯৭ সালের ১৪ মে দিল্লিতে এক চিকিৎসক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মানুসী। দিল্লির সেন্ট থমাস স্কুলের ছাত্রী মানুসীর বাবা ও মা দুজনেই পেশায় চিকিৎসক। মানুসী নিজেও মেডিকেলের ছাত্রী।
    ১৯৬৬ সালে প্রথম ভারতীয় হিসেবে মিস ওয়াল্র্ড মুকুট জয় করেন রেইতা ফারিয়া। এরপর ১৯৯৪ সালে মিস ওয়াল্ড বিজয়ী হন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। ১৯৯৭ সালে ডায়ানা হেইডেন, ১৯৯৯ যুক্তামুখী ও সর্বশেষ ২০০০ প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এই খেতাব জয় করেন।
  • খুন হতে পারেন সানি লিওন!

    খুন হতে পারেন সানি লিওন!

    ভক্তের সংখ্যা তার অগুন্তি। তালিকায় প্রায় সকলেই পুরুষ।

    এ খবর শুনলে মুহূর্তে থমকে যাবে তার হৃদস্পন্দন। যে কোনও দিন খুন হতে পারেন অভিনেত্রী সানি লিওন। অভিনেত্রী নিজেই এ খবর জানিয়েছেন।

    ভারতীয় এক টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে সানি জানিয়েছেন, আপনি দেখলে অবাক হবেন, গত দুই দিনে অসংখ্যবার খুনের হুমকি দিয়ে তার মুঠোফোনে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

    গত ৬ বছর ধরেই এ রকম একাধিক খুনের হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন তিনি। কিন্তু তাতে ভয় না পেয়ে পুলিশকে জানিয়েছেন। তাতেও অবশ্য থামেনি হুমকি। উল্টে বেড়েছে ক্ষুদেবার্তার পরিমাণ। তাই আর পুলিশকে না জানিয়ে নিজেই সেগুলোর মোকাবেলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সানি।

     

    সে কারণে এখন আর এসব হুমকি ভরা ক্ষুদেবার্তা তার জীবনে কোনও প্রভাব ফেলে না। উল্টো খোশ মেজাজে নিজের কাজ করেন বলে জানান এই অভিনেত্রী।

  • জাতির মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    জাতির মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্বের অমূল্য দলিল হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে ইতিহাসকে কখনো মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করলেও তা মুছে ফেলা যায় না।

    মুছে ফেলতে পারে নাই কেউ। আজকে সেটাই প্রমাণিত হয়েছে। তিনি জাতির মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে সকলকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান।

    তিনি আজ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইউনেস্কো কতৃর্ক জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণকে ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি রেজিষ্টারে অন্তর্ভুক্ত করা উপলক্ষ্যে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।

    প্রায় ৪৬ বছর আগে এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দাঁড়িয়েই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সমগ্র বাঙালি জাতিকে বাঙালি জাতিস্বত্তার মূলমন্ত্রে আবদ্ধ করার এবং স্বাধীনতার আহ্বান হিসেবে স্বীকৃত তাঁর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি শুধু স্বীকৃতিই নয়, প্রতিশোধও বটে। ইতিহাসও প্রতিশোধ নেয়, ইতিহাসও সত্যকে তুলে ধরে। যতই তা মুছতে চেষ্টা করা হোক ইতিহাস তার সত্যিকারের অবস্থানটা অবশ্যই তুলে ধরবে। আজকে সেই স্বীকৃতিই বাংলাদেশ পেয়েছে।

    তিনি বলেন, এই স্বীকৃতির মধ্যদিয়ে শুধু এই ভাষণ নয়, সমগ্র বাংলাদেশ, বাঙালি জাতি, সকল শহীদ, সকল মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি সকলেই আজকে বিশ্বদরবারে সন্মানিত হয়েছে।

    সরকার প্রধান বলেন, আমার মাঝে মাঝে মনে হয় যারা একদিন এই ভাষণ বাজাতে বাধা প্রদান করেছে, যারা জাতির পিতার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে, আজকে যখন ইউনেস্কো এই ভাষণকে তাঁর ঐতিহাসিক দলিলে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাদের কি এখন লজ্জা হয় না। তাদের কি এখন এতটুকুও দ্বিধা হয় না।

    ‘ওয়াল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কোর এই সন্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে আয়োজিত নাগরিক সন্মাণনায় দেশ বরেন্য ব্যাক্তিবর্গসহ লাখো জনতার উপস্থিতিতে এদিনের অনুষ্ঠানস্থল ও তাঁর চারপাশ পূর্ণ হয়ে ওঠে।

    উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭মার্চের ভাষণকে তাদের ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি রেজিষ্টারে অন্তভ’ক্ত করে।

    এমিরেটাস অধ্যাপক আসিনুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, বিজ্ঞানী ও লেখক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ও প্রধান বিয়েট্রিস খলদুন।

    বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে জাসদ সভাপতি এবং তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম, এবং ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা, বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং নের্তৃস্থানীয় শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ নাগরিক সমাবেশে অংশ নেন।

    বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে সমাবেশের স্বতস্ফুর্ত জনসমুদ্রের দিকে ইঙ্গিত করে সূর্যালোকিত আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতদিন মেঘে ছেয়ে ছিল আজকে আবার সূর্য নতুনভাবে দেখা দিয়েছে, কাজে এই সূর্যই এগিয়ে নিয়ে যাবে বাংলাদেশকে।