Blog

  • ট্রাম্পকে পদত্যাগের আহ্বান পেন্টাগনের!

    ট্রাম্পকে পদত্যাগের আহ্বান পেন্টাগনের!

    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের একজন কর্মকর্তা টুইট করেছেন। দফতরের অফিসিয়াল টুইটার একাউন্ট ‘হ্যান্ডল’ ব্যবহার করেই টুইটটি করা হয়েছে।

    ‘প্রাউডরিজিস্টার’ নামে পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা টুইটটি করেছেন। পরে দফতরের সামাজিক গণমাধ্যমবিষয়ক এককর্মীও টুইটের কনটেন্টের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে তা পুনরায় পোস্ট করেন। দ্বিতীয় টুইট ভুলক্রমে ঘটেছে বলে পেন্টাগন জানালেও প্রথম টুইটের দায় নেয়নি তারা। দ্বিতীয় টুইটটি তাত্ক্ষণিকভাব সরিয়ে ফেলা হলেও প্রথম অর্থাৎ অরিজিনাল টুইটটি পেন্টাগনের টুইট একাউন্টে প্রদর্শিত হচ্ছে। টুইটে লেখা হয়, ‘সহজ সমাধান রয়েছে … রয় মুর (আলাবামার সিনেট আসনের বিশেষ নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী, যার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠেছে) : সিনেটের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। আল ফ্রাঙ্কেন (ডেমোক্রেট দলীয় সিনেটর যার বিরুদ্ধেও যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠেছে) : কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করুন। ডোনাল্ড ট্রাম্প : রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করুন। রিপাবলিকান পার্টি : যৌন নিপীড়নকে দলীয় ইস্যু করা বন্ধ করুন। আপনাদের সাধুর ভান করার মতো এটিও একটি অপরাধ। কর্নেল রব ম্যানিং নামে পেন্টাগনের এক কর্মকর্তার বরাতে পলিটিকো জানায়, পেন্টাগনের টুইটার একাউন্টের একজন বৈধ অপারেটর ভুলবশত কনটেন্ট রিটুইট করেছেন যা দফতর সমর্থন করে না। দফতরের মুখপাত্র ডানা হোয়াইটও টুইটারে এ বিষয়ে এক সতর্ক বিবৃতি দিয়েছে একে দুর্ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

    -রাশিয়া টুডে।

  • খুন হতে পারেন সানি লিওন!

    খুন হতে পারেন সানি লিওন!

    ভক্তের সংখ্যা তার অগুন্তি। তালিকায় প্রায় সকলেই পুরুষ।

    এ খবর শুনলে মুহূর্তে থমকে যাবে তার হৃদস্পন্দন। যে কোনও দিন খুন হতে পারেন অভিনেত্রী সানি লিওন। অভিনেত্রী নিজেই এ খবর জানিয়েছেন।

    ভারতীয় এক টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে সানি জানিয়েছেন, আপনি দেখলে অবাক হবেন, গত দুই দিনে অসংখ্যবার খুনের হুমকি দিয়ে তার মুঠোফোনে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

    গত ৬ বছর ধরেই এ রকম একাধিক খুনের হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন তিনি। কিন্তু তাতে ভয় না পেয়ে পুলিশকে জানিয়েছেন। তাতেও অবশ্য থামেনি হুমকি। উল্টে বেড়েছে ক্ষুদেবার্তার পরিমাণ। তাই আর পুলিশকে না জানিয়ে নিজেই সেগুলোর মোকাবেলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সানি।

     

    সে কারণে এখন আর এসব হুমকি ভরা ক্ষুদেবার্তা তার জীবনে কোনও প্রভাব ফেলে না। উল্টো খোশ মেজাজে নিজের কাজ করেন বলে জানান এই অভিনেত্রী। -আজকাল।

  • আশুলিয়ায় চুরির অপবাদে শিশুকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

    আশুলিয়ায় চুরির অপবাদে শিশুকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

    আশুলিয়ায় মাছ চুরির অপবাদে এক শিশুর হাত-পা ও চোখ বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    নির্যাতিত সেই শিশুর নাম মোঃ ফুয়াদ হাসান (১০)।

    শনিবার দুপুরে আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকায় এ শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। ফুয়াদ রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার বজ্রপুকুর গ্রামের মোঃ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। ফুয়াদ বাবা-মায়ের সাথে ঘোষবাগ এলাকার হক সাহেবের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় শেরে বাংলা মডেল হাইস্কুলের ২য় শ্রেনীর ছাত্র।

    ভুক্তভোগী শিশু ফুয়াদ জানায়, শনিবার দুপুরে সে বাড়ির পাশের তৈয়বপুর খালের ধারে খেলতে যায়। একপর্যায়ে কয়েকজন বন্ধু মিলে ওই খাল থেকে তিনটা কই মাছ ধরে। এসময় ওই খালের সাথে থাকা মাছের  হাসেন আলী ছেলে খামারের মালিক আনসার আলী ও রফিজ উদ্দিনের ছেলে জলিল মিয়ার মাছ চুরির অপবাদ দিয়ে তাকে আটক করে। পরে নাইলনের রশি দিয়ে তার হাত-পা বেধে কাচা কঞ্চি দিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য পিটাতে থাকে জলিল ও তার লোকজন। একপর্যায়ে তার হাত-পা বাধা অবস্থায় প্লাষ্টিকের বস্তা দিয়ে তার মাথাটিও ঢেকে দেয় নির্যাতনকারীরা।

    টানা তিন ঘন্টা মারধরের পর বিকেলের দিকে সে তার এক বন্ধুর সহায়তায় ব্লেড দিয়ে হাত-পায়ের বাঁধন কেটে পালিয়ে আসে।

    শিশুটির মা রোকেয়া ভানু বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমি পেটের দায়ে জিরাবো এলাকার ফাইভ এ্যাপারেলস কারখানায় চাকুরী করি এবং ওর বাবা রাজমিস্ত্রীর জোগালি কাজ করে। ছেলেটি সারাদিন বাসায় একা থাকে। রাতে বাসায় এসে জানতে পারি মাছ চুরির অপবাদে আমার ছেলেকে বেধরক পিটিয়ে আহত করেছে আনসার ও জলিল। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে নির্যাতনকারীরা ভয়ভিতি প্রদর্শনসহ বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, ক্ষমতার জোরে যারা আমার ছেলেকে মিথ্যা মাছ চুরির অপবাদে নির্যাতন করেছে আমি তার উপযুক্ত বিচার চাই।

    মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে মৎস খামারের অপর একজন মালিক আব্দুল  গনি মিয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ফুয়াদসহ কয়েকজন ছেলে মিলে প্রতিদিন খামারের মাছ চুরি করে। তারা রাতের আধারে কারেন্টজাল দিয়ে মাছ মেরে নিয়ে যায়। আজকে ওদের একজনকে ধরে সামান্য মারধর করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

    এব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল আউয়াল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, একটি শিশুকে নির্যাতনের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • শিবগঞ্জে নবান্নে মাছের মেলা

    শিবগঞ্জে নবান্নে মাছের মেলা

    এখন আর আগের মত বড় মাছ দেখা যায় না। কালেভদ্রে মেলা পার্বন ছাড়া বড় মাছ দেখতে পাওয়াটা এখন বিস্ময়।

    কালে কালে নানা পণ্যের হাট বাজার হলেও এখন বাজার বা মেলা বসছে শুধু মাছ নিয়ে। আর সে মাছ হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ের সাথে কে কত বড় মাছ নিয়ে এসেছেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে রীতিমত প্রতিযোগিতা।

    প্রতিযোগিতা জয়ী হয় বড় মাছের মহাজন আর ওই মাছের ক্রেতা। যত বড় মাছ তত নাম তার। যত দিন যাচ্ছে নবান্ন উপলক্ষ্যে আয়োজিত মাছের মেলাও তত বড় হচ্ছে। প্রায় দেড়শত বছর ধরে এই মাছের মেলা হয়ে আসছে।

    জানা যায়, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নবান্ন উৎসব উপলক্ষে মেলা বসে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রায় ১৫০ বছর আগে থেকে এই মেলা বসছে উপজেলার উথলী নামকে স্থানে। এই মেলায় শুধু সনাতন ধর্মের মানুষই না স্থানীয় অন্যান্য ধর্মের মানুষও কেনাকাটা করে।

     

    শুরুতে গ্রামীণ জনপদের জন্য প্রয়োজনীয় কেনাকাটা আর খাবার ছাড়া তেমন কিছু পাওয়া যেত না। কিন্তু কালক্রমে এই মেলায় জমে উঠেছে মাছের জন্য করে। মেলায় বিভিন্ন সাইজের মাছ উঠে থাকে। নদী ও পুকুরে চাষ করা বড় মাছ বিক্রি কেনার প্রতিযোগিতা লেগে থাকে এই মেলায়।

    শনিবার মেলায় এক কেজি থেকে শুরু করে ২০ কেজি ওজনের রুই, কাতলা, চিতল, সিলভার কাপ, ব্রিগেডসহ হরেক রকমের মাছ বিক্রি হয়। বিশালাকৃতির রুই-কাতলা ও চিতল মাছগুলো ছয়শ থেকে আটশ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও মাঝারি আকারের মাছ ৩০০ টাকা থেকে সাড়ে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া ২০০-৩৫০ টাকা দরে ব্রিগেড ও সিলভার কাপ মাছ বেচাকেনা হয়। প্রায় ১৫০ বছরের প্রাচীন উথলী মাছের মেলাকে কেন্দ্র করে আশেপাশের ২০ গ্রাম স্বজনদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পুঞ্জিকানুসারে শুনিবার সনাতন ধর্মাম্ববলীরা নবান্ন উৎসব পালন করেন। এই উৎসবকে কেন্দ্র করেই প্রতিবছর মাছের মেলা বসে উথলীতে। সনাতন ধর্মাম্বলীদের নবান্ন উৎসব হলেও উথলী, রথবাড়ি, ছোট ও বড় নারায়ণপুর, ধোন্দাকোলা, সাদুল্লাপুর, বেড়াবালা, আকনপাড়া, গরীবপুর, দেবিপুর, গুজিয়া, মেদনীপাড়া, বাকশন, গনেশপুর, রহবলসহ প্রায় ২০ গ্রামের মানুষের ঘরে ঘরে ছিল উৎসবের আয়োজন। প্রতিটি বাড়িতেই মেয়ে-জামাইসহ আত্মীয়-স্বজনদের আগে থেকেই নিমন্ত্রণ করা হয়। পরিবারের সবাইকে নিয়ে তারা নতুন ধানে নবান্ন করেন।

    নবান্ন উপলক্ষে সেখানে মাছের মেলা বসলেও জমি থেকে নতুন তোলা অন্যান্য শাক-সবজির পসরাও সাজানো হয় মেলা চত্বরে। শনিবার এই মেলায় নতুন আলু বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা কেজি দরে। এছাড়াও মিষ্টি আলু ও কেশর (ফল) প্রতি কেজি দেড়শ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে।

    http://bangla.earthtimes24.com

    বগুড়ার সোনাতলা থেকে লোহাগাড়া নদীর এলাকার মাছ ব্যবসায়ী অখিল চন্দ্র সরকার জানান, প্রতি বছরই তারা মেলায় মাছ বিক্রি করতে আসেন। গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি বেচাকেনাও আশানুরূপ হয়নি।

    জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট গ্রাম থেকে আসা মোসলেম উদ্দিন মিয়া জানান, মেলায় ছোট-বড় মিলে ২০০ মাছের দোকান বসেছে। প্রত্যেক বিক্রেতা অন্তত ৬ থেকে ১০ মণ করে মাছ বিক্রি করেছেন। মেলায় মাছ সরবরাহের জন্য ২০টি আড়ৎ খোলা হয়। সেসব আড়ৎ থেকে স্থানীয় বিক্রেতারা পাইকারি দরে মাছ কিনে মেলায় খুচরা বিক্রি করেন।

    মেলায় ২০ কেজি ওজনের একটি বিগ্রেড মাছের দাম চাওয়া হয় সাড়ে ৬০০ টাকা হিসেবে ১৩ হাজার টাকা। পরে মোকামতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোকলেছার রহমান সেই মাছটি কিনে নেন ১২ হাজার টাকায়।

    স্থানীয় উথলী গ্রামের বাসিন্দারা জানান, প্রায় দেড়শত বছর আগে থেকে এই মেলা বসছে। আগে মেলায় মাছের এত কদর না থাকলেও এখন মাছের কদর বেড়েছে। বড় মাছ মেলায় তোলার ও কেনার একটা প্রতিযোগিতাও দেখা যায়। মাছের পাশাপাশি মেলার দিন নতুন শাক-সবজিতেও ভরপুর থাকে। শুধু যে মাছ আর সবজিই নয়, মেলার আবহের জন্য সেখানে নাগরদোলা, শিশু-কিশোরদের খেলনার দোকান বসেছে। সেই সঙ্গে মিষ্টান্ন ও দইয়ের একটি বড় বাজারও বসেছে মেলা চত্বরে।

    শিবগঞ্জের বাসিন্দা ও মেলার ইজারদার ওমর ফারুক জানান, আগে মেলাটি ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা ব্যাপকতা লাভ করেছে। শুধু আশেপাশেরই নয় পুরো শিবগঞ্জ উপজেলার মানুষ এখানে নবান্নের বাজার করতে আসেন।

    মাছের মেলার খবর পেয়ে জেলা শহর থেকেও অনেকে সেখানে ছুটে যান মাছ কিনতে। মূলত সনাতন ধর্মের নবান্নকে কেন্দ্র করে এই মেলা শুরু হয়। কবে কখন থেকে এই মেলা শুরু হয়েছে তার সঠিক ইতিহাস না থাকলেও শত বছরের বেশি সময় ধরেই মেলা বসছে বলে জানান তিনি।

  • পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করতে দু’টি যুদ্ধক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে ভারত!

    পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করতে দু’টি যুদ্ধক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে ভারত!

    যেকোন মুহূর্তে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে যেতে যুদ্ধক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে ভারত। একটা নয়, দু’টি যুদ্ধক্ষেত্র প্রস্তুত করা হয়েছে।

    এমনটাই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন পাক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নাসের খান জানুজা। তাঁর মতে, এই নীতি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতাবস্থার পক্ষে ক্ষতিকর।

    সম্প্রতি আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের জন্য প্রেরিত জার্মান কূটনীতিকদের একটি দলের সঙ্গে কথা বলতে যান জানুজা। তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এমনটাই মন্তব্য করেন পাক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নাসের খান জানুজা। তাঁর দাবি, পাকিস্তান নাকি আফগানিস্তানে শান্তি চায়। কিন্তু ভারতই নাকি এই বিষয়টির মধ্যে ঢুকে অশান্তি বাঁধানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ। সেই সময়ে তিনি দাবি করেন, পাকিস্তানের সঙ্গে দুটি যুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করতে চায়। জানুজার দাবি, ভারতের তৈরি করা এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে অনুকূল নয়। বিশ্বের সব বড় শক্তিরই উচিত, এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতাবস্থা রক্ষার চেষ্টা করা।

  • বছরে ২০টি পরমাণু বোমা তৈরিতে সক্ষম উ. কোরিয়া!

    বছরে ২০টি পরমাণু বোমা তৈরিতে সক্ষম উ. কোরিয়া!

    উত্তর কোরিয়া বিশ্বকে আতঙ্কিত করে একের পর এক পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে।  হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষামূলক সফল বিস্ফোরণের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে মিসাইল ছোঁড়ার ঘটনায় রীতিমত ক্ষুব্ধ বিশ্ববাসী।

    তাছাড়া উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু অস্ত্রের ভাণ্ডার প্রস্তুত রেখেছে৷ প্রয়োজনে সেই সংখ্যা আরও বাড়িয়ে নিতে পারে দেশটি৷ আগামী তিন বছরের মধ্যে অন্তত ৬০টি পরমাণু বোমা তৈরির ক্ষমতা রাখে উ. কোরিয়া৷ এমনই চাঞ্চল্যকর গবেষণা রিপোর্ট দিয়েছে সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি৷ এই মার্কিন প্রতিষ্ঠানের রিপোর্ট পেয়েই নড়েচড়ে বসেছেন পেন্টাগনের সেনা কর্তারা৷

    কলকতা টুয়েন্টিফোর’র প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছে-  ১৯৯৯ সালের হিসেব অনুসারে মার্কিন প্রতিরক্ষা গবেষকরা ধারণা করতেন পিয়ংইয়ংয়ের হাতে মাত্র দু’টি পরমাণু বোমা রয়েছে।   সেটা বেড়ে  ২০২০ সালের মধ্যে ১০টি হতে পারে৷ সেই হিসেব উল্টে যাচ্ছে৷ বিভিন্ন সূত্র বিশ্লেষণ করে গবেষকরা দেখছেন, পরমাণু কর্মসূচিতে ব্যাপক অগ্রগতি ঘটিয়েছে উত্তর কোরিয়া৷ দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদ পরমাণু বোমা তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে৷ যেহেতু পিয়ংইয়ং আন্তর্জাতিক পরমাণু কর্মসূচি মেনে চলে না। তাই তারা পারমাণবিক শক্তি বাড়িয়েই যাচ্ছে৷

    উল্লেখ্য, গত কয়েক দফায় ধারাবাহিকভাবে ছোট-বড় মিলিয়ে একাধিক মিসাইলের পরীক্ষা করেছে উত্তর কোরিয়া। যার জেরে নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে।   কিন্তু কার্যত তা উড়িয়ে দিয়েই বারবার মিসাইলের পরীক্ষা করেছে উত্তর কোরিয়া। সম্প্রতি স্যাটেলাইট ইমেজে ধরা পড়েছে উত্তর কোরিয়ার কিছু অস্বাভাবিক চিত্র। যা দেখে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন করে ফের পরমাণু অস্ত্র ছুঁড়তে পারে উত্তর কোরিয়া।

  • বি এম কলেজের ঐতিহ্যবাহি সংগঠন উত্তরণের ২৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

    বি এম কলেজের ঐতিহ্যবাহি সংগঠন উত্তরণের ২৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

    হুজাইফা রহমান:

    “সাম্প্রদায়িক হামলার বিরুদ্ধে রুখে দাড়াও বাংলাদেশ” এই শ্লোগান কে সামনে রেখে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজের ঐতিহ্যবাহি সংগঠন উত্তরণ সাংস্কৃতিক সংগঠন এর ২৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ প্রফেসর স্বপন কুমার পাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিশিষ্ট সংস্কৃতিজন কাজল ঘোষ, উওরণ এর উপদেষ্টা প্রফেসর সঞ্জয় কুমার সাহা ও শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক প্রফেসর কাইয়ুম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি দিদারুল ইসলাম। এছাড়া অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সৈয়দ মেহেদী। এসময় বক্তারা উত্তরণের সাফল্য কামনা করেন এবং রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ঠাকুর পাড়া হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ী ঘরে হামলার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের কঠাের শাস্তির দাবি জানান।

  • আজ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী মনোরমা বসু মাসীমা’র ১২০ তম জন্মদিন

    আজ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী মনোরমা বসু মাসীমা’র ১২০ তম জন্মদিন

    হুজাইফা রহমান:

    মনোরমা বসু মাসীমার জন্ম ১৮৯৭ সালের ১৮ নভেম্বর বরিশাল জেলার বানারীপাড়ায় এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তাঁর জন্ম। আশৈশব দারিদ্র্য তাঁকে কঠোর সাধনায় সিদ্ধ হতে সাহায্য করেছে। তিনি নিজের জীবনে শিক্ষার তেমন সুযোগ পাননি, কিন্তু সন্তানদের শিক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর আগ্রহ ও চেষ্টার কোনো ত্রুটি ছিল না। জন্মস্থানের অনুকূল পরিবেশ মনোরমা বসুকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। তাই মাত্র এগারো বছর বয়সে ক্ষুদিরামের আত্মত্যাগে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হন। চৌদ্দ বছর বয়সে বরিশালের বাঁকাই গ্রামের জমিদার চিন্তাহরণ বসুর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয় এবং স্বামীর প্রত্যক্ষ সমর্থনে তিনি স্বদেশী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। জমিদার বাড়ির রক্ষণশীলতা ও বিধিনিষেধ অতিক্রম করে তিনি মুক্ত জীবনে প্রবেশ করেন। ছেলেমেয়েদের শিক্ষা ও সুষ্ঠু মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে তিনি জমিদার বাড়ি ছেড়ে বরিশালে স্থায়ী আবাস গড়ে তোলেন। বরিশালে অবস্থানকালে মনোরমা স্বদেশী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং নারী অধিকার রক্ষায় ‘সরোজনলিনী মহিলা সমিতি’র শাখা প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশে এটিই ছিল প্রথম মহিলা সংগঠন। এ সমিতির মাধ্যমেই তিনি নারী সমাজকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করেন।

    ১৯৩০ সালে তিনি কংগ্রেস মহিলা কর্মী হন এবং ১৯৩২ সালে কংগ্রেসের ডাকে আইন অমান্য আন্দোলনে যোগ দিয়ে কারাবরণ করেন। এ সময় বহরমপুর জেলে তিনি উর্মিলা দেবী (দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের বোন), জ্যোতির্ময়ী দেবী প্রমুখ প্রখ্যাত কংগ্রেস নেত্রীর সান্নিধ্য লাভ করেন।মনোরমা বসু ছিলেন একজন একনিষ্ঠ সমাজসেবক এবং স্বদেশী আন্দোলনের নেত্রী।। তিনি অনাথ ও দুঃস্থ মহিলাদের, বিশেষ করে বিধবা ও কুমারী মেয়েদের আশ্রয় দানের জন্য বরিশালের কাউনিয়ায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘মাতৃমন্দির আশ্রম’। আজীবন তিনি এটি পরিচালনা করেন। চল্লিশের দশকের প্রথম দিকে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন। তিনি ‘মহিলা আত্মরক্ষা সমিতি’র বরিশাল জেলা শাখার অন্যতম নেত্রী ছিলেন।

    ১৯৪৩-৪৪ সালে দুর্ভিক্ষ ও মহামারীর সময় লঙ্গরখানা, চিকিৎসালয় ও উদ্ধার আশ্রম স্থাপন এবং পুনর্বাসন কাজে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বরিশাল জেলার বিভিন্ন নারী আন্দোলন, সমাজসেবা ও রাজনৈতিক কাজের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বরিশাল জেলা শাখা’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি নারীমুক্তি আন্দোলনকে গতিশীল করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি এ পরিষদের সহসভানেত্রী ছিলেন। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর নতুন শাসকদের শাসন ও শোষণ জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালে বরিশালের খাদ্য-আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তিনি এক বছর সশ্রম কারাদন্ড ভোগ করেন এবং সে সঙ্গে জননিরাপত্তা আইনে আরও তিন বছর কারাভোগের পর ১৯৫২ সালের ২৫ এপ্রিল মুক্তি লাভ করেন। ১৯৫৪ সালের ১০ এপ্রিল স্বামীর মৃত্যুতে তিনি কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েন, কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই সে আঘাত কাটিয়ে উঠে তিনি পুনরায় স্বীয় কর্মকান্ড শুরু করেন।

    ১৯৫৪ সালে তদানীন্তন পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিলে মনোরমা বসু আত্মগোপন করেন এবং সে অবস্থা থেকে আত্মপ্রকাশের পর তিনি ‘মাতৃমন্দির আশ্রম’-এর কাজে ব্যস্ত থাকেন। একই সঙ্গে গড়ে তোলেন আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়, পল্লিকল্যাণ অমৃত পাঠাগার (শহীদ অমৃতলালের নামে), আর শিশুদের জন্য মুকুল মিলন খেলাঘর। তাঁর অবর্তমানে মাতৃমন্দিরের কার্যনির্বাহের জন্য নিজের সব সম্পত্তি মন্দিরের নামে দান করে যান।১৯৬২ ও ৬৪’র গণআন্দোলন এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে মহিলাদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও তাঁর অগ্রণী ভূমিকা ছিল। দেশপ্রেম, সমাজসেবা ও মানুষের প্রতি ভালবাসার কারণে দলমত-নির্বিশেষে সকলে তাঁকে ‘মাসীমা’ বলে ডাকত। বিরল ব্যক্তিত্বের অধিকারী, দৃঢ়চেতা, পরোপকারী এবং আদর্শনিষ্ঠ মনোরমা বসুর সমগ্র জীবন ছিল দেশপ্রেমে নিবেদিত। তিনি ছিলেন সাম্যবাদের মন্ত্রে দীক্ষিত এবং যেকোনো সামাজিক ও রাজনৈতিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চারকণ্ঠ। তাঁর জীবদ্দশাতেই সত্যেন সেনের মনোরমা মাসীমা গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ১৯৮৬ সালের ১৬ অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হয়

  • বান্ধবীর বাড়ির ছাদ থেকে লাফিয়ে কলেজছাত্রীর ‘আত্মহত্যা’”

    তানজিল ‍ শুভ

    বরিশালে বান্ধবীর বাড়ির ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে এ্যানিটা (১৭) নামে এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেল সাড়ে ৫টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ্যানিটার মৃত্যু হয়। বিষয়টি জানিয়েছেন হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডের ইউনিট-১ এর চিকিৎসক ডা. নাহিদ। আত্মহননকারী এ্যানিটা বরিশাল নগরের ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের বাসিন্দা মাইকেলের মেয়ে এবং সরকারি বরিশাল কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

    জানা যায়, দুপুর আড়াইটার দিকে নগরের বটতলা আদমআলী হাজী গলির চারতলা বিশিষ্ট আরআর ম্যানশনের ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে তিনি আত্মহননের চেষ্টা করেন। তাৎক্ষণিক তাকে মুমুর্ষু অবস্থায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

    কলেজছাত্রীর বান্ধবী আরআর ম্যানেশনের ভাড়াটিয়া স্বপনের মেয়ে শ্রেয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুপুরে এ্যানিটা তার বাসার সামনে এসে কল দেয়। বাথরুমে থাকায় ফোন ধরতে না পারায় এ্যানিটা ঘরে না ঢুকে সরাসরি চতুর্থ তলায় ছাদে চলে যায়।’ তিনি বলেন, ‘বাথরুম থেকে বের হয়ে ঘরে গিয়ে মোবাইলে এ্যানিটার একটি এসএমএস দেখে দেরি না করে দ্রুত দৌড়ে ছাদে চলে যাই। কিন্তু পৌঁছানোর আগেই এ্যানিটা ছাদ থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে যায়। তবে তার মোবাইলটি ছাদেই পড়ে ছিলো।

    এ বিষয়ে কোতয়ালি মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার (উপ-পরিদর্শক) সত্য রঞ্জন খাসকেল বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে অফিসারও পাঠানো হয়েছে। তবে এটি সত্যিই আত্মহত্যা, নাকি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে, তা তদন্তসাপেক্ষে বেরিয়ে আসবে।’””””!

  • অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এডিবি

    অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এডিবি

    টেকসই অবকাঠামো উন্নয়ন বিশেষ করে সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।
    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এক কর্মকর্তা আজ বৃহস্পতিবার এখানে বলেন, আগের মতোই এডিবি দীর্ঘমেয়াদী ঋণ প্রদান করবে এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিডে (আইডিসিওএল) মাধ্যমে বেসরকারি অংশীদারিত্বের খাতে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এ খাত টেকসই অবদান রেখে আসছে।
    এই ঋণদান বিষয়ে ১৯ নভেম্বর শেরেবাংলানগরে ইআরডি’র এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর হবে। ইআরডি সচিব কাজী শফিকুল আজম এবং বাংলাদেশ আবাসিক মিশনে ইআরডি কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন পারকাস নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।
    আগের পর্যায়ের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার পর ‘তৃতীয় পাবলিক প্রাইভেট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটি ট্র্যাচ-১’ নামে পিপিপি প্রকল্পগুলোতে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবে এডিবি। এতে সরকারি বাজেট থেকে সরাসরি অর্থায়নের চাপ কমবে।
    প্রকল্পের লক্ষ্য গ্রামীণ জনগোষ্ঠী এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সাশ্রয়ী মূল্যে গ্রিড সংযুক্ত করে অথবা অব গ্রিড বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি সুবিধার সহায়তা দেয়া। বাসস