Blog

  • উড্ডয়নকালে চাকার বিয়ারিং ভাঙল স্পাইস জেটের

    উড্ডয়নকালে চাকার বিয়ারিং ভাঙল স্পাইস জেটের

    ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ট্যাক্সিওয়েতে কলকাতাগামী স্পাইস জেটের একটি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় পড়েছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

    শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, স্পাইস জেটের উড়োজাহাজটি বিমানবন্দরের ট্যাক্সিওয়ে দিয়ে রানওয়েতে যাওয়ার সময় পেছনের দিকে বাম পাশের একটা চাকার বিয়ারিং ভেঙে যায়।

    এ ব্যাপারে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এএপিবিএন) সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আশরাফুজ্জামান জানান ‘এ সময় কোনো আগুন না ধরলেও ধোঁয়া বের হয়। ট্যাক্সিওয়ের পাশে ছিল ফায়ার সার্ভিসের কার্যালয়। সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন। ’

    তিনি আরও বলেন, প্লেনটির ৭৮ জন আরোহীর সবাই নিরাপদে নামিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে টার্মিনালে অপেক্ষা করছেন তারা। নতুন চাকা লাগানো হলে যাত্রীদের নিয়ে উড়োজাহাজটি গন্তব্যে রওনা দেবে বলে জানান এএসপি আশরাফ।

    দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজটিকে হ্যাঙারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার

    ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার

    বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টুকে গ্রেফতার করেছে পল্টন থানা পুলিশ। আজ শুক্রবার বেলা ১২টার দিবে প্রেসক্লাব এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএনপির নির্বাহী কমিটির এক সদস্য বলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দিয়ে বের হয়ে আসলে আকরামুল হাসানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হক বলেন, মতিঝিল থানার একটি মামলায় তার নামে আদালত থেকে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট বের হয়। সে কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে মতিঝিল থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হবে।

  • কী হয়েছে অপু বিশ্বাসের?

    কী হয়েছে অপু বিশ্বাসের?

    শাকিবের সঙ্গে বিয়ে-সন্তানের বিষয়টি সবার সামনে আনার পর থেকেই আলোচনার শীর্ষে আছেন অপু বিশ্বাস। তবে, তাজা খবর হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল আবারও ডুব মেরেছেন অপু।

    কেউ কেউ বলছেন, আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছেন তিনি। আবার অনেকে বলছেন, গতকাল সন্ধ্যায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন অপু। পরদিনই অর্থাৎ আজ সকালেই কাউকে কিছু না বলেই ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।

    এদিকে, অপু বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে- গতকাল রাতে বাথরুমে পা পিছলে পড়ে যান অপু। সিজারের সময় করা সেলাই ফেঁটে ব্লিডিং হতে থাকে। পরে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। কিন্তু সেখানে সন্তুষ্ট না হওয়ায় শুক্রবার সকালে তিনি কলকাতায় যান। এরপর সেখানকার এ্যাপলো হসপিটালে ভর্তি হন তিনি। যতদূর জানা গেছে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

  • সানির প্রতিপক্ষ তিনি নিজেই

    সানির প্রতিপক্ষ তিনি নিজেই

    বড়দের চলচ্চিত্র দুনিয়ার নাম করা তারকা, সেখান থেকে বলিউডে এসে লড়াই করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সানি লিওন। তার যৌন আবেদনপূর্ণ গান দেখে হিল্লোল ওঠে আসমুদ্র হিমাচলে।

    সানির বলিউড আইটেম নাম্বার গুলি একে অপরের সঙ্গে দারুণভাবে পাল্লা দিতে তৈরি। তাকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার প্রতিপক্ষ তিনি নিজেই।

    লায়লা তেরি লে লেগি 
    সানির জীবনের একটা মাইলস্টোন এটা। কারণ শুট আউট অ্যাট ওয়াডলার এই আইটেম নাম্বারে অভিনয় করেছিলেন সানি লিওনি। বিদেশি ছাঁচ থেকে বেরিয়ে নিজেকে ঢেলে নিয়েছিলেন একেবারে ভারতীয় ছাঁচের ‘লায়লা’-য়। বিকিনি ব্লাউজ ও ঘাঘরায় একেবারে লাস্যের প্রতিমূর্তি।

    বেবি ডল 
    সানি লিওনিকে সিনেমায় ব্যবহার করুন বা না করুন একটা গানে রেখে নিন, তাহলে আপনার ছবির ওই গান চার্টব্লাস্টার হবেই। বেবি ডল সে রকমই একটা গান। রাগিনী এমএমএস টু ছবি চলুক বা না চলুক গান সুপারহিট।

    হালকা বিটে হট প্যান্টে সানির সৌন্দর্যের বর্ণনা করা নিষ্প্রয়োজন।

    চার বোতল ভদকা 
    বেবি ডলের পর সানির বলিউডে বড় হিট ‘চার বোতল ভদকা’। ইয়ো ইয়ো হানি সিংয়ের গানে চার চাঁদ লাগিয়ে দিয়েছিল সানি-র অ্যাপিয়ারেন্স। যে কোনও পার্টি জমে উঠে সানি-হানির এই জুটি-র এই গানে।

    পানিওয়ালা ডান্স 
    বিকিনি অবতারের সানি লিওনিকে কার্যত আগুন ধরাতে দেখা যায়। কুছ কুছ লোচা হ্যায় ছবি ভুলে গেলেও পানিওয়ালা ডান্সে সানির নাচ দেখে মুগ্ধ তার ফ্যানরা।

    লায়লা ম্যায় লায়লা 
    পুরানো লায়ালা ম্যায় লায়লা জিনত আমানকে ভুলিয়ে দিল সানির লাস্য। শাহরুখের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করে নিলেন বলিউডের বম্বশেল। নতুন লায়লায় মুগ্ধ আসমুদ্র হিমাচল।

  • বিবাহ বিচ্ছেদের দাবিতে মোবাইলের টাওয়ারে চড়লেন স্বামী!

    বিবাহ বিচ্ছেদের দাবিতে মোবাইলের টাওয়ারে চড়লেন স্বামী!

    টেলিফোনের টাওয়ারের ওপর উঠে স্ত্রীর কাছে বিবাহ বিচ্ছেদের দাবি জানালেন স্বামী। যিনি এই কাণ্ডটি ঘটিয়েছিলেন তার নাম অজয় কুমার।

    তিনি পেশায় একজন ডাক্তার। এমন ঘটনাই ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের তেলেঙ্গা রাজ্যে।

    বুধবার হঠাৎ স্থানীয় টেলিফোনের টাওয়ারে উঠে যান অজয় কুমার। সেখান থেকে একটি চিঠি নিচে ফেলে দেন তিনি। তাতে লেখা ছিল, স্ত্রীর থেকে বিচ্ছেদ চান তিনি। কিন্তু স্ত্রী ডিভোর্স পেপারে সই করছেন না। সই না করলে টাওয়ার থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করবেন তিনি।

    এই খবরে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় লোক জড়ো হয়ে যায়। খবর যায় পুলিশের কাছে।

    পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন অজয়ের স্ত্রীও। সকলে মিলে অজয়কে নেমে আসতে অনুরোধ করেন। কিন্তু কিছুতেই নেমে আসতে রাজি হননি চিকিৎসক। শেষে প্রায় চার ঘণ্টা বাদে ডিভোর্স পেপারে সই করতে রাজি হন তার স্ত্রী। তারপরই টাওয়ার থেকে নামতে রাজি হন অজয়।

    জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে বিবাহিত অজয় এবং তার স্ত্রী লাস্য। চার বছরের এক কন্যাও রয়েছে তাদের। প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝামেলা লেগে থাকত। কয়েকমাস আগে স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন লাস্য। পরে অবশ্য তা ফিরিয়ে নেন। এর জন্যই স্ত্রীর কাছ থেকে ডিভোর্স চেয়েছেন বলে জানান অজয়। তার এমন কীর্তিতে হতবাক তেলঙ্গানার বাসিন্দা।

  • বাউফলে ইভটিজিং এর দায়ে ৫০ বছরের ব্যক্তির কারাদণ্ড!

    বাউফলে ইভটিজিং এর দায়ে ৫০ বছরের ব্যক্তির কারাদণ্ড!

    পটুয়াখালী’র বাউফলে ৫০ বছর বয়সের এক ব্যক্তিকে ইভটিজিং’র দায়ে তিন (০৩) মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যার পরে বাউফলের কালাইয়া বন্দরের সদর রোডে মন্দিরের পূর্ব পার্শ্বে ইভটিজিংয়ের দায়ে আবদুর রহিম খাঁ(৫০) নামের একজনকে ৩ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন বাউফল উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহামুদ জামান।
    জানা যায়, সাজাপ্রাপ্ত আবদুর রহিম খাঁর বাড়ি কালাইয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে। সে দীর্ঘ দিন যাবৎ একই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গোরস্তান রোডের স্থায়ী বাসিন্দা বিধবা নারী মোসা: আকলিমা খাঁন আর্থিক লোভ- লালসা দেখিয়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিভিন্ন সময় চলার পথ অবরুদ্ধ করে ইভটিজিং করে থাকেন। জানা যায়, এব্যাপারে আকলিমা খাঁন আইনি সহয়তার জন্য থানা পুলিশের স্মরনাপ্ন হয়েছিলেন।
    বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, সাজাপ্রাপ্ত রহিম খাঁ বিধবা নারী আকলিমা খাঁনকে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ভাবে ব্লাকমেইল করে আসছিলেন। আজ সন্ধ্যায় তাকে ইভটিজিং করার দায়ে তিন (০৩) মাসের সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

  • স্বাধীনতা

    মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ

    স্বাধীনতা তুমি গ্রাম বাংলার মৃদু হাসির সুর,

    স্বাধীনতা তুমি মুক্তিসেনার স্বপ্ন বহুদুর।

    স্বাধীনতা তুমি গ্রাম বাংলার নব বধূর চলন,

    স্বাধীনতা তুমি লাল সবুজের নতুন একটি গড়ন।

    তোমার জন্য হাজারো প্রান, হাজারো মনের ডাক,

    তোমার স্মৃতিতে ক্লান্ত শিশুর আমার বাংলা’ নামের বাক।

    তোমার জন্য লক্ষ মানুষের দান কৃত সেই প্রান,

    তোমায় সেবিতে মাটি মানুষের জন্য বিলায়েছে যারা প্রান।

    তুমি সেই প্রানের স্বাধীনতা

    তুমি সেই অন্তরেরই কথা।

    যাহার জন্য আজো বাঙালি আজো স্বপ্ন দেখে,

    যাহার জন্য ঐ পথিকে জয় বাংলা আঁকে।

    তোমার জন্য মুজিবের কথা অমরত্ব পায়,

    ওসমানীর সেই প্যারেড স্বপ্ন একে যায়।

    শেখ মুজিবের ভাষনে আজো কম্পিত হয় সুর,

    স্বাধীনতা তোমায় নিয়ে যাব আমি বহুদূর।

  • চার লেনে উন্নিত মহাসড়কের ব্যাবহার হচ্ছে না এখনো

    চার লেনে উন্নিত মহাসড়কের ব্যাবহার হচ্ছে না এখনো

    সিফাত

    বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক প্রায় তিন বছর আগেই চার লেনে উন্নত করার কাজ সমাপ্ত হয়। এবং তারপর থেকেই তা যান চলাচলের উপযোগী হয়। কিন্তু প্রধান মহাসড়কের দুই পাশে তৈরিকৃত রাস্তা আজও ব্যাবহৃত হচ্ছে না। প্রাধন মহাসড়কেই চলছে ব্যাটারিচালিত অটো থেকে রিক্রা,ভ্যান,আলফার মতো মহাসড়কে চালাচলের জন্য অবৈধ সকল যানবাহন। কিন্তু মহাসড়কে দু পাশে, লেনের পরেই পড়ে আছে খালি রাস্তা। শুধুমাত্র দু-একজন পথচারী বাদে সেই পথ ব্যাবহারও করছে না কেউ। মাঝে মাঝে মহাসড়কের দুই পাশে নব নির্মিত রাস্তায় দু-একটি যানবাহন দেখা দিলেও তা আবার চলছে উল্টো পথে। মহাসড়কে এভাবে হালকা সকল অবৈধ যান চলাচল প্রতিরোধে প্রশাসনে পদক্ষেপ গুলোও খুব বেশি জোরদার ছিল না। যদিও প্রশাসন কয়েকবার মহাসড়কের পাশে তৈরিকৃত রাস্তা যাতে ব্যবহার হয় এবং প্রধান মহাসড়কে কোনো হালকা যানবাহন না চলে সেই জন্য নানা প্রকার পদক্ষেপ পূর্বে গ্রহন করেছে। কিন্তু তাদের কার্যক্রম অব্যাহত ভাবে চলেনি বলে আজও সড়ক তৈরির তিন বছর পরেও তা অব্যাবহৃত হয়ে পড়ে আছে। সড়কে কোনো যাননবাহন চলাচল না করায় ফয়দা লুটছে দখলদাররা, কেউ কেউ সড়কের অর্ধেক দখল করে চা-ফুচকার দোকান দিচ্ছে, আবার কেউ কউ সড়কের মধ্যেই রাখছে ইট,বালু,পাথর সহ নানা জিনিস। সেইজন্য কেউ চাইলেও সেই রাস্তায় বর্তমানে চলাচল করতে পারছে না। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাস,ট্রাক,কার্গোর সাথে ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে সাধারন সব পরিবহন। যার ফলে প্রায়সই ঘটছে নানা ছোট-বড় দুর্ঘটনা। তাই সাধারন জনগনের দাবি মহাসড়ক ছেরে যাতে পাশ্ববর্তি সড়ক গুলতে সাধারন যানবাহ চলাচলে যথাযত ব্যাবস্থা অতি শিগ্রই গ্রহন করা হয়।

  • কোচ নির্বাচন বিসিবির ব্যাপার

    কোচ নির্বাচন বিসিবির ব্যাপার

    পদত্যাগ করলেও সহসাই বাংলাদেশে আসছেন চন্ডিকা হাতুরাসিংহে। বাংলাদেশের কোচ হিসেবে তার বিদায়টা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি এখনো। তারপরও বাংলাদেশের কোচ বিষয়ে আলোচনা থেমে নেই। গতকাল ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছেন, ক্রিকেটারদের দায়িত্ব মাঠে খেলা। কোচ প্রসঙ্গে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিসিবির আলোচনার প্রয়োজন দেখেন না তিনি।
    হাতুরাসিংহে থাক বা নতুন কেউ দায়িত্ব নিক তাতে ক্রিকেটারদের একটাই দায়িত্ব দেখতে পাচ্ছেন মাশরাফি। তা হলো পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়া। এবং পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে নেয়া।
    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ বছর পার করে দিয়েছেন মাশরাফি। নিজের ক্যারিয়ারে কখনোই তিনি দেখেননি খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় দলের কোচ নির্বাচন করছে বিসিবি।
    গতকাল মাদক বিরোধী প্রচারণা সম্পর্কিত এক অনুষ্ঠানে বিসিবির সঙ্গে ক্রিকেটারদের আলোচনার বিষয়ে মাশরাফি বলেছেন, ‘আজ পর্যন্ত কোনো কোচ যখন নেওয়া হয়েছে গত ১৬-১৭ বছরে আমার অন্তত মনে পড়ে না আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হয়েছে। এখনো তাই বলব, মনে করছি না আমাদের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন আছে। আমাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা। যিনিই আসুন তার পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলা। কে আসবে সেটাও ব্যাপার নয়। যিনি আসবেন তার সাক্ষাতকার নেবে নিশ্চয়ই বিসিবি, তাকে চিন্তা করেই নেওয়া হবে।’
    হাতুরাসিংহে না থাকলে একটা পরিবর্তন আসবে। মাশরাফি মনে করেন, পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘যখন একটা পরিবর্তন আসে তখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেটা মেনে নিতে হবে। অবশ্যই গত তিন বছর হাথুরুর অধীনে খেলে তার পরিকল্পনা, দল কেমন হবে অনেকটাই মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। তিনি যদি না থাকেন নতুন কোচ যে আসবে তার সঙ্গে যত তাড়াতাড়ি মানিয়ে নেওয়া যায়।’
    দেড় বছর পরই ২০১৯ বিশ্বকাপ। তার আগে কোচের এ পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে দেখতে বলছেন মাশরাফি। ওয়ানডে অধিনায়ক বলেছেন, ‘২০১৯ বিশ্বকাপ বেশি দূরে নয়। ২০১৮ সালে বিদেশে অনেক দ্বিপক্ষীয় সিরিজ আছে। সেগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে বিশ্বকাপের জন্য। একটা পরিবর্তন তো হবেই। পরিবর্তনটা যে নেতিবাচক দিকে যাবে তা নয়। আমাদের চেষ্টা করতে হবে এটা ইতিবাচক দিকে নেওয়ার।’
    বিভিন্ন সময় বিদেশি কোচদের সঙ্গে কাজ করেছেন দেশীয় কোচরা। যদিও মাশরাফি বিসিবির সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন।
    বিপিএলে একাদশে পাঁচ বিদেশি ক্রিকেটার খেলায় পারফরম্যান্সের সুযোগ কমে আসছে স্থানীয় ক্রিকেটারদের। তারপরও জহুরুল ইসলাম অমি, আবু জায়েদ রাহী, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের প্রশংসা করেছেন নড়াইল এক্সপ্রেস।
    তিনি বলেন, ‘টপঅর্ডারে যারা ব্যাটিং করছে, প্রতিটি দলই বিদেশি ব্যাটসম্যানদের নামাতে চাচ্ছে। বিজয় দেখেন ওপরে ব্যাটিংয়েরই সুযোগ পাচ্ছে না। আরও অনেকে আছে। যখন সুযোগ পাচ্ছে তখন ইনিংস লম্বা করার পরিস্থিতি থাকছে না। গিয়েই শট খেলতে হচ্ছে। ক্রিকেটে এসব ছোটখাটো বিষয় অনেক গুরুত্ববহন করে। কাল জহুরুল যে ইনিংসটা খেলেছে, সেই ম্যাচের নায়ক। রিয়াদ কয়েকটা ছোট ছোট কার্যকারী ইনিংস খেলেছে। খুলনার জায়েদ রাহি খুব ভালো বোলিং করছে। একেবারে যে হচ্ছে না, তা নয়। তবে সুযোগ কমে যাচ্ছে। প্রতিটি দল বিদেশি খেলোয়াড়দের ব্যবহার করতে চাচ্ছে। আমাদের সুযোগ তাই কমে যাচ্ছে।’
  • গণভবনে বিমান নিয়ে হামলার ছক ছিল

    গণভবনে বিমান নিয়ে হামলার ছক ছিল

    ‘প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে কোনোভাবে বিমান ক্র্যাশ করানো যায় কিনা, সে বিষয়ে আব্দুল্লাহর সঙ্গে পরিকল্পনা হয়েছিল। এই পরিকল্পনার বিষয়টি বিমানের ফার্স্ট অফিসার শাহরান আলী, ক্যাপ্টেন (অব.) আতাউল কাইয়ুম ও ক্যাপ্টেন নওশাদের সঙ্গে কথাও হয়েছিল।’ এমনই ভয়ঙ্কর জবানবন্দি দিয়েছেন র্যাবের হাতে গ্রেফতার বিমানের ফার্স্ট অফিসার পাইলট সাব্বির এমাম।

    তিনি জবানবন্দিতে বলেন, বিমান দিয়ে কোনো স্থাপনায় আঘাত হানতে হলে তা অবতরণের সময় সম্ভব।  কোনোক্রমে টেক অফের সময় সম্ভব নয়। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে টেক অফ করে তাত্ক্ষণিকভাবে ঢাকার কোনো স্থাপনায় আক্রমণ করা সম্ভব নয়। চট্টগ্রাম, সিলেট বা রাজশাহী থেকে বিমান এনে ঢাকার কোনো স্থাপনায় অবতরণকালে আঘাত হানা সম্ভব। স্থাপনা উচ্চতা উপপাদ্য অনুযায়ী হিসাব করে স্থাপনায় আঘাত করা সম্ভব।

    গত ২৬ অক্টোবর মিরপুরের বর্ধনবাড়ির কমলপ্রভা বাড়ি থেকে পাইলট সাব্বির এমামকে র্যাব গ্রেফতার করে। এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর কমলপ্রভা বাড়িতে জঙ্গি বিরোধী অভিযানে আত্মঘাতি হামলায় জঙ্গি আব্দুল্লাহ, তার দুই স্ত্রী ফাতেমা ও নাসরিন, দুই সন্তান ওমর ও ওসামা এবং দুই সহযোগী নিহত হয়।

    গত ৮ নভেম্বর ঢাকার মহানগর হাকিম মো: সারাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে পাইলট সাব্বির এমাম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে পারিবারিক অশান্তির কারণে তিনি মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন বলে উল্লেখ করা হয়। সেখান থেকে পরিত্রাণ পেতে জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) আব্দুল্লাহর মাধ্যমে নব্য জেএমবি’র বায়াত গ্রহণ করেন।

    তিনি বলেন, ২০১২ সালে বিয়ে করার পর বাবা-মায়ের সাথে পারিবারিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ২০১৩ সালে বর্ধনবাড়ির কমলপ্রভা বাড়ি ছেড়ে বাবার কেনা কল্যাণপুরস্থ কেয়ারী বুরুজ অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে ওঠেন। বাবার সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি ওই ফ্ল্যাট ছেড়ে মোহাম্মদীয়া হাউজিংয়ের ফ্ল্যাট ভাড়া করেন। মানসিক হতাশাগ্রস্তের কারণে সেখানকার মসজিদে যাতায়াত করেন। পরে তাবলীগ নামাজে যুক্ত হন। ২০১৪ সালে কোরবানি ঈদের কয়েকদিন আগে বাবার কমলপ্রভা বাড়িতে যান। ওই বাড়ির তিন তলায় আব্দুল্লাহ সপরিবারে থাকতেন। বাড়ির নিচতলায় আব্দুল্লাহর মালিকানাধীন আইপিএস ও স্ট্যাবিলাইজার তৈরির কারখানা। দোতলায় কবুতর ফার্ম। আব্দুল্লাহ তার বাবা-মা ও তাকে জিহাদ সম্পর্কে হাদিসের বয়ান দিতেন। দেশের শাসন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা ও সংবিধান নিয়েও কথা বলতেন।

    জবানবন্দিতে সাব্বির বলেন, আব্দুল্লাহ দেশের সংবিধান আল্লাহর আইন ও শরীয়ত পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেন। এ জন্য এদেশের বিচার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিতে হবে। যারা ইসলাম বিরোধী কথা বলে, তাদের কোনো বিচার হয় না। রণবী, আব্দুল গাফফার চৌধুরী, মুহাম্মদ জাফর ইকবালসহ অনেকেই ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তি করেন। এদের কোনো বিচার হয় না বলে, ২/৩ জন বড় বিচারককে মেরে ফেলতে হবে। তাহলে বিচার করার সাহসিকতা বিচারকরা হারিয়ে ফেলবেন।

    পাইলট সাব্বির ইন্টারনেট থেকে ১০ খণ্ড বোখারী শরীফ ডাউনলোড করেন। ফাজায়েল আমল, হাদিস সংকলন ও লন্ডন থেকে বাংলায় অনূদিত কোরআন শরীফ তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে কেনেন। এসব পড়াশুনা করে তিনি বুঝতে পারেন, যেখানে ইসলাম অবনমিত হবে সেখানে ইসলামের পতাকা উত্তোলনের জন্য জিহাদ করতে হবে।

    জবানবন্দিতে বলা হয়, আব্দুল্লাহ তাকে বারবার সিরিয়ায় যাওয়ার কথা বলেছিলেন। তাতে সাব্বির রাজি না হলে, দেশে কিছু করা যায় কিনা সে ব্যাপারে পরিকল্পনা নিতে বলেন। তখন আব্দুল্লাহ বলে, আমি যে বিমানটি চালাই, সেটা নিয়েই সিরিয়া যেতে পারি। সাব্বির তাকে বলে, আমি যে বিমানটি চালাই, সেটি দুজনে মিলে চালাতে হয়, তাই একা কিছু করা সম্ভব নয়। তবে জরুরি হলে জীবনে একবার সম্ভব। আমি তাকে সিরিয়ার রুট প্ল্যান দিয়ে বলেছিলাম, তুরস্ক হয়ে সিরিয়া যাওয়া সম্ভব, সরাসরি সম্ভব নয়। আব্দুল্লাহ আমাকে বুদ্ধি দিয়েছিল যে, তাদের ২/৪ জন ছেলেকে ফ্লাইং শিখিয়ে বিচারলয়সহ সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ছোট ছোট বিমান দিয়ে আত্মঘাতি হামলা চালানো যায় কিনা।