Blog

  • জানেন তাড়াতাড়ি চুম্বনে কতটা ক্যালোরি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়?

    জানেন তাড়াতাড়ি চুম্বনে কতটা ক্যালোরি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়?

    উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলার প্রথম এবং প্রধান অবলম্বন চুম্বন। একটি গভীর চুম্বন দুটি মানুষের মধ্যে অনেক ধরনের অনুভূতির সৃষ্টি করে।

    অপার সুখ ও অপরিসীম তৃপ্তি দিতে পারে এই চুম্বন। কিন্তু প্রশ্নটা হল চুম্বন সম্পর্কিত নানারকম মজার তথ্য আমরা কয়জন জানি? চুম্বন করা কি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো, ফ্রান্সে কীভাবে চুম্বন করা হয়, কারা চুম্বনের পর নাক চেপে রাখেন, বিয়ের আগে কে কতবার চুম্বন করে- এসব নিয়েই কিছু মজার তথ্য রইল এই প্রতিবেদনে।

    ১) এক একবারের চুম্বনে মুখের ২৯টি পেশির সঞ্চালন হয়। ফলে নিয়মিত চুম্বনে মুখের চামড়া চট করে কুঁচকে যায় না।

    ২) ঘনিষ্ঠ চুম্বনের সময় থুথু বা স্যালাইভায় থাকে ফ্যাট, মিনারেল সল্ট ও প্রোটিন। আর এক দেহ থেকে অন্য দেহে যখন এগুলো চুম্বনের মাধ্যমে যায়, তখন অপর দেহে তৈরি হয় অ্যান্টিবডি। ফলে শরীরে অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ইমিউনিটি ক্ষমতাও দৃঢ় হয়ে ওঠে।

    ৩) ৬৬ শতাংশ লোক (নারী-পুরুষ নির্বিশেষে) চুম্বনের সময় নিজেদের চোখ বন্ধ রাখেন। বাকিরা তারিয়ে তারিয়ে পার্টনারের চোখেমুখের আবেগকে লক্ষ্য করেন।

    ৪) মার্কিনী পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, আমেরিকান নারীদের অধিকাংশই বিয়ের আগে প্রায় ৮০ জন পুরুষকে চুম্বন করে ফেলেন।

    ৫) চট করে রোমান্টিক চুম্বনে শরীরের ২-৩ ক্যালোরি খরচ হয়, কিন্তু স্মুচ বা ফ্রেঞ্চ কিসে যেখানে জিভের সঙ্গে জিভের যোগাযোগ থাকে, সেখানে প্রতি চুম্বন পিছু ৫ ক্যালোরি এনার্জি বের হয় শরীর থেকে। নট ব্যাড!

    ৬) সেক্স, রোমান্সে বা রোমাঞ্চকর মুহূর্তে ঠোঁট হাতের আঙুলের থেকে ২০০ শতাংশ বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।

    ৭) অফিসে বেরোনোর আগে যেসব পুরুষরা স্ত্রীকে চুম্বন করে যান তাদের আয়ু অনেকটাই বেশি হয়। আর উল্টোটা যারা করেন, তাদের ট্রাফিক অ্যাক্সিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    ৮) স্মুচিংয়ের সময় প্রায় ৯০ সেকেন্ড ধরে ব্লাড প্রেশার আর পাল্স রেট বেড়ে যায় উত্তেজনায়। এমনকী মিনিটখানেকের জন্য শরীরে কিছু কিছু হরমোনেরও আধিক্য ঘটে।

    ৯) ফ্রান্সে ফ্রেঞ্চ কিসকে জাংচার অফ সোল বলে। কারণ এতে শুধু ঠোঁটই জড়িয়ে থাকে না। চলে আসে জিভও। আর ফরাসীবাসীদের ধারণা এসবের সঙ্গে আত্মার যোগ রয়েছে।

    ১০) দীর্ঘ চুম্বনের পর এস্কিমোরা একটা লম্বা শ্বাস নেন। তারপর দুজন দুজনের নাক চিপে প্রায় মিনিট দুয়েক ধরে থাকে।

    ১১) পৃথিবীর দীর্ঘতম চুম্বনের রেকর্ডটি রয়েছে মার্কিনীদের দখলে৷রীচ ল্যাংলো এবং লুইসা আলমেডেভোর একসঙ্গে ৩০ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ধরে চুম্বন চালিয়েছিলেন একসঙ্গে। কোনোরকম বিরতি ছাড়াই।

    ১২) চুম্বনের ফলে দাঁতেও চট করে প্লাক জমতে পারে না, কারণ মুখগহ্বরে স্যালাইভার পরিমাণ বেড়ে যায়।

    ১৩) বাৎস্যায়নের কামসূত্রতে প্রায় ৩০ রকমের চুম্বনের কথা বলা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম আধুনিক ফ্রেঞ্চ কিসও।

    ১৪) দুই তৃতীয়াংশ লোকই চুম্বনের সময় তাদের মাথা ডানদিকে হেলিয়ে রাখেন।

    ১৫) চুম্বনের সময় হার্টবিট বেড়ে গিয়ে মস্তিষ্কেও বেশি পরিমাণে অক্সিজেন পৌঁছে।

  • বরিশালে জেলহত্যা দিবস পালিত

    বরিশালে জেলহত্যা দিবস পালিত

    বরিশালে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জেল হত্যা দিবস। দিবসটি পালন উপলক্ষে জেলা ও নগর আওয়ামী লীগ পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালন করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার (০৩ নভেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়।

    সকাল ৯টায় জেলা আওয়ামী লীগ তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের  নেতারা নগরীর সোহেল চত্বরে দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার  নেতার অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সময়ে মহানগর আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার ও প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন-  বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ কে এম জাহাঙ্গীর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

    পরে  জেলা ও মহানগর যুবলীগ,  সেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা শ্রদ্ধা জানান।

  • হেলপিং হ্যান্ডস এর উদ্যগে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পেইন

    হেলপিং হ্যান্ডস এর উদ্যগে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পেইন

    ২রা নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান দিবস উপলক্ষে শুক্রবার ৩রা নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন Helping Hands এর উদ্যোগে বি.আই.পি গেট,বান্দরোডে সকাল ১০:০০ টা হইতে ১২:০০টা পর্যন্ত এক সচেতনতামূলক স্বাস্থ্যসেবার ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত ক্যাম্পেইন এ প্রায় দুইশত লোকদের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপিং,প্রেশার,ওয়েট এবং ডায়াবেটিস নির্ণয় করে দেওয়া হয়। সকাল ১০:০০টায় স্থানীয় বিসিসির ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মজিবর রহমান ক্যাম্পেইনের উদ্ভোদন করেন।উক্ত অনুষ্ঠান টি  জেল হত্যা দিবসে শহীদ চার নেতাকে উৎসর্গ করা হয়।

  • মৌসুমী: বাংলা চলচ্চিত্রের দাপুটে অভিনেত্রীর নাম

    মৌসুমী: বাংলা চলচ্চিত্রের দাপুটে অভিনেত্রীর নাম

    ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ এর রেশমা চরিত্র দিয়ে অভিনয় শুরু, এরপর একাধারে কখনও তিনি প্রযোজক, কখনও পরিচালক, ব্যবসায়ী কিংবা ফ্যাশন ডিজাইনার। তিনি আমাদের সবার প্রিয় নায়িকা মৌসুমী। ৩ নভেম্বর তাঁর জন্মদিনে পাঠকদের জন্য থাকছে মৌসুমীকে নিয়ে জানা-অজানা কিছু তথ্য-

    মৌসুমীর পুরো নাম আরিফা পারভিন জামান মৌসুমী। ১৯৭৩ সালের ৩ নভেম্বর খুলনায় জন্ম নেন ঢালিউডের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

    অভিনয় জগতে প্রবেশের আগেই মৌসুমী বিজয়ী হন ‘আনন্দ বিচিত্রা ফটো বিউটি কনটেস্ট’ এ। এরপরই নজরে আসেন পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের। বলিউডের চলচ্চিত্র ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ এর অফিসিয়াল বাংলা পুনর্নির্মাণে আরেক নবাগত সালমান শাহ এর সাথে বাংলা চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় মৌসুমীর। সেটা ১৯৯৩ সালের কথা, বয়স তখন মাত্র বিশ বছর। প্রথম ছবিতেই বাজিমাত করেন মৌসুমী, সুপারহিট এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নিজের অভিনয় দক্ষতার সাথে সাথে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় সালমানের সাথে তাঁর জুটিও।

    http://bangla.earthtimes24.com
    মৌসুমী

    তবে শুধু সালমানের সাথেই নয়, একই বছর ওমর সানির সঙ্গে ‘দোলা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন মৌসুমী। প্রথম বছরেই তিনি চলে যান পরিচালকদের পছন্দের শীর্ষ তালিকায়। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয় নি নায়িকা মৌসুমীকে। বিভিন্ন সময় জনপ্রিয় সব নায়কের সাথে জুটি বেঁধে দর্শকদের উপহার দিয়ে গেছেন বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সেরা অনেকগুলো চলচ্চিত্র।

    মৌসুমীর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে আছে ‘অন্তরে অন্তরে, ‘বিশ্বপ্রেমিক’, ‘গরীবের রাণী’, ‘বীর সৈনিক’, ‘মোল্লা বাড়ির বউ’, ‘এক কাপ চা’, ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’, ‘আম্মাজান’, ‘মেঘলা আকাশ’, ‘খায়রুন সুন্দরী’সহ অসংখ্য চলচ্চিত্র।

    সহশিল্পী ওমর সানিকে বিয়ে করেন ১৯৯৬ সালে। ২১ বছরের সংসারে ফারদিন ও ফাইজা নামের দুই সন্তানের জননী মৌসুমী।

    http://bangla.earthtimes24.com
    মৌসুমী

    শুধু অভিনয় নয়, প্রযোজক হিসেবেও সফল নায়িকা মৌসুমী। ১৯৯৬ সালে ‘গরীবের রাণী’ দিয়ে প্রযোজনা শুরু। এছাড়াও ‘সুখের ঘরে দুখের আগুন’, ‘আমি এতিম হতে চাই’ এর মতো বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের প্রযোজক তিনি।

    পরিচালক হিসেবে মৌসুমীর অভিষেক হয় ২০০৩ সালে ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। ২০০৫ সালে পরিচালনা করেন দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘মেহের নিগার’।

    মৌসুমীর আরেকটি পরিচয় অনেক সময়ই ঢাকা পড়ে যায় তাঁর অভিনয়শিল্পী পরিচয়ের আড়ালে। মৌসুমী গান গাইতে ভালবাসেন; শুধু ভালবাসেন তা-ই নয়, তিনি বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠও দিয়েছেন। ২০০৪ সালে ‘মাতৃত্ব’ ছবিতে, ২০১৪ সালে ‘তারকাঁটা’ ছবির গানে কন্ঠ দেন মৌসুমী। ‘ছায়াছবি’ চলচ্চিত্রে ‘মন যা বলে বলুক’ নামক গানের গীতিকারও তিনি।

    http://bangla.earthtimes24.com
    মৌসুমী

    এখন পর্যন্ত প্রায় দুইশ চলচ্চিত্রে অভিনয় করা মৌসুমীর পুরস্কার প্রাপ্তির সংখ্যাও কম নয়। ২০০১ এ নার্গিস আক্তারের ‘মেঘলা আকাশ’, ২০১৩ তে চাষী নজরুল ইসলামের ‘দেবদাস’ ও ২০১৪ তে মোস্তফা কামাল রাজের ‘তারকাঁটা চলচ্চিত্রের জন্য তিনবার শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে জিতে নিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। পুরস্কারের ঝুলিতে আরও আছে তিনবারের মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ও বাচসাস পুরস্কারও।

    চলচ্চিত্র ছাড়াও ছোট পর্দার বিভিন্ন নাটক ও টেলিভিশনেও পাওয়া যায় মৌসুমীর উপস্থিতি।

    এ বছর ৪৪ বছরে পদার্পন করা মৌসুমী কোটি বাঙালি ভক্তের হৃদয়ে আজও বিশ বছরের রেশমি। চিরসবুজ এই নায়িকার জন্য নীলফামারীনিউজের পক্ষ থেকে থাকল জন্মদিনে অশেষ শুভেচ্ছা।

  • মেয়ে হয়ে জন্মানোর খেসারত, ট্রেন থেকে চার বোনকে ফেলে দিলেন বাবা!

    মেয়ে হয়ে জন্মানোর খেসারত, ট্রেন থেকে চার বোনকে ফেলে দিলেন বাবা!

    ভারতের উত্তরপ্রদেশে চলন্ত ট্রেন থেকে চার মেয়েকে ফেরে দিয়েছে এক বাবা। গত ২৩ অক্টোবর মধ্যরাতে কামাখ্যা-কাটারা এক্সপ্রেস থেকে ইদ্দু মিঞাঁ নামে এক ব্যক্তি তার পাঁচ মেয়ের মধ্যে চারজনকে ছুঁড়ে ফেলে দেন।

    কপালজোরে বেঁচে যাওয়া চারজনের একজন আলগুনকে পাশে নিয়ে হাসপাতালে কাঁদতে কাঁদতে নিহত শিশুদের মা ৩৬ বছরের আফরীনা খাতুন পুলিশকে জানিয়েছেন, ‘কন্যা-সন্তান জন্ম দেওয়ার মাসুল গুণলেন। ‘

    ওই নারী জানান, লখনউ থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার উত্তরে সীতাপুর দিয়ে ট্রেনটি যখন যাচ্ছিল, সেই সময় ৪২ বছরের ইদ্দু এক-এক করে চার ময়েকে চলন্ত ট্রেন থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়।

    আফরীন খাতুন বলেন, মুনিয়া (নিহত মেয়েদের একজন) আমার জন্য মারা গেল। তার দাবি, তিনি জানতেই পারেননি, কখন তার স্বামী শিশুদের ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল। বলেন, শেহজাদী নামে এক মেয়েকে নিয়ে তিনি ঘুমাচ্ছিলেন।

    আফরীন খাতুন আরও জানান, ঘুম ভাঙার পর, তিনি চারজনের খোঁজ করতে গিয়ে স্বামীকে প্রশ্ন করলে সে জবাব দেয়, ফেলে দিয়েছি। ইদ্দু যোগ করে, পাঁচ-পাঁচ মেয়েকে খাওয়াবে আর কে বিয়ে দেবে।

    আফরীনের অভিযোগ, কাউকে কিছু বললে সে আমাকে ও শেহজাদীকেও ছুঁড়ে ফেলার হুমকি দেয়। ভয়ে কাউকে কিছুই জানাননি আফরীন।

    তার দাবি, জম্মু পৌঁছে ইদ্দু তাদের দুজনকে ফেলে চলে যায়।

    এদিকে, চলন্ত ট্রেন থেকে ছুঁড়ে ফেলার পরও কপালজোরে কোনও ক্রমে বেঁচে যায় আলগুন। টুকরো হয়ে যাওয়া পা নিয়ে তাকে সীতাপুরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৫ তারিখ লখিমপুর খেরির মৈগালগঞ্জ স্টেশনের কাছে রেললাইনের ওপর থেকে উদ্ধার করা হয় আলগুন খাতুনকে।

    আফরীনা জানান, জম্মুতে কাজ করার জন্য বিহার স্ত্রী ও মেয়েদের ছাড়ে ইদ্দু। মেয়েদের নিয়ে আফরীন থেকে যান ঝাকরায়। তিনি বলেন, এবার জম্মু থেকে ফিরে স্ত্রী ও মেয়েদের নিয়ে যেতে চায় ইদ্দু।

    তার আফশোস, তিনি যদি একবার টের পেতেন, তার স্বামীর মনে কী মারাত্মক পরিকল্পনা চলছে, তাহলে কখনই ট্রেনে উঠতেন না।

  • ৩০ বছর পর ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ নামাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    ৩০ বছর পর ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ নামাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    আন্তর্জাতিক মহলকে উত্তপ্ত করে নিজেদের সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করতে ব্যস্ত বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলো। আর তারই জের ধরে ৩০ বছর পর ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

    চীনের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ও উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় ইউএসএস নিমিতজ-এর নেতৃত্বে রণতরী যাচ্ছে ভারত মহাসাগরে।

    এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যম এশিয়ান টাইমস এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী শনিবার তিনদিনের জন্য শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে নোঙর ফেলবে নৌবহরটি। মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৯৮০ সালের পর এই প্রথম কোনো নৌবহর পাঠাচ্ছে তারা।

    জানা গেছে, তিনদিনে মার্কিন নাবিকরা শ্রীলঙ্কা সফরের সুযোগ পাবেন। এখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন। এছাড়া মার্কিন সেনারা, স্কুল, হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রমসহ অন্যান্য জনসেবামূলক কাজে অংশ নেবে। মূলত, স্থানীয় হাসপাতালগুলিতেই যাবেন তাঁরা।

    এশিয়ান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, এর মাধ্যম উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে স্নায়ুযুদ্ধে শক্তিমত্তা প্রদর্শন করছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি সপ্তাহেই এশিয়া সফর করছেন ট্রাম্প।

    এছাড়া এটি শ্রীলঙ্কায় চীনের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ জানানোর প্রক্রিয়াও হতে পারে।

    অন্যদিকে, চীনকে ঠেকাতে প্রস্তুত ভারত। ভারত মহাসাগরের অন্তত ১০০টি যুদ্ধজাহাজ সাজিয়ে চীনের পথ আটকে দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন দেশটির নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল সুনীল লাংবা।

    অ্যাডমিরাল সুনীল লাংবা বলেন, চীন যেভাবে ভারত মহাসাগরের দিকে এগিয়ে আসছে, তা থামাতে ভারত কয়েকটি বন্ধু দেশের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ভারত মহাসাগর ঘিরে ফেলেছে। যেকোন সময় চীনের নৌসেনাকে আটকাতে প্রস্তুত ওইসব যুদ্ধজাহাজ।

  • ‘নাইট’ উপাধি পেলেন আখলাকুর রহমান চৌধুরী

    ‘নাইট’ উপাধি পেলেন আখলাকুর রহমান চৌধুরী

    যুক্তরাজ্যের রানির দেওয়া অন্যতম সর্বোচ্চ সম্মানজনক উপাধি ‘নাইট’ পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আখলাকুর রহমান চৌধুরী। দেশটির হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগের অংশ হিসেবে তাঁকে এ উপাধি দেওয়া হয়। এখন থেকে তিনি ‘স্যার আখলাকুর রহমান চৌধুরী’ হিসেবে পরিচিত হবেন।

    গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ রাজপ্রাসাদ ‘বাকিংহাম প্যালেসে’ রাজকীয় আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ আখলাকুর রহমানকে ‘নাইট’ উপাধি প্রদান করেন। এদিন দেশটির হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পাওয়া মোট ১১ জন বিচারককে এ উপাধি দেওয়া হয়।

    যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে আখলাকুর রহমান চৌধুরী প্রথম কোনো ব্যক্তি, যিনি এ উপাধি পেলেন। আর বাঙালিদের মধ্যে তিনি তৃতীয়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি হিসেবে ‘নাইট’ খেতাব পেয়েছিলেন। আর দ্বিতীয় বাঙালি এবং প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে এ গৌরবময় উপাধি অর্জন করেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ।

    বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম কোনো ব্যক্তি হিসেবে যুক্তরাজ্যের হাইকোর্টে বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান আখলাকুর রহমান চৌধুরী। গত ২ অক্টোবর থেকে তাঁর এই নিয়োগ কার্যকর হয়। আখলাকুর রহমান চৌধুরীর জন্ম যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পশায়ারে। বাবা প্রয়াত আজিজুর রহমান চৌধুরী এবং মা সুলতানা চৌধুরীর দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে তিনি বড়। স্ত্রী সফিনা ও তিন সন্তানকে নিয়ে আখলাক লন্ডনে বাস করেন। তাঁদের আদি বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে।

    আখলাকুর রহমান চৌধুরীর ভগ্নিপতি কাওসার চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, আখলাক স্ত্রী সফিনাকে নিয়ে নাইটহুড প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রানি তাঁর সঙ্গে হাত মেলান এবং কাজ সম্পর্কে জানতে চান। তিনি বলেন, গত ১৬ অক্টোবর লন্ডনের রয়্যাল কোর্ট অব জাস্টিসে আখলাকুর রহমান চৌধুরীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

    আখলাকুর রহমান চৌধুরীকে যুক্তরাজ্যের রানির দেওয়া নাইটহুড উপাধির পদক।

    যুক্তরাজ্যের বিচারকেরা সাধারণত গণমাধ্যমে কথা বলেন না। নিজেদের অর্জনের বিষয়েও কোনো প্রতিক্রিয়া দেখান না। প্রভাবমুক্ত থাকতেই এমন রীতি মানা হয় দেশটিতে।

    গ্লাসগো ইউনিভার্সিটি থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক আখলাকুর রহমান চৌধুরী। পরে তিনি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি নেন। ১৯৯২ সালে ‘বার অ্যাট ল’ সম্পন্ন করে শুরু করেন আইন পেশা। বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও তথ্য আইন বিশেষজ্ঞ আখলাকুর রহমান দীর্ঘদিন পররাষ্ট্র দপ্তর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, রাজস্ব বিভাগসহ যুক্তরাজ্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগে আইন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আদালত ‘কোর্ট অব আপিল’-এর দুজন বিচারকের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। ছিলেন ব্রিটিশ তথ্য কমিশনারের উপদেষ্টাও। আইন পেশায় অভিজ্ঞতা ও ব্যতিক্রমী অবদান রাখার জন্য তাঁকে ২০১৫ সালে কুইন্স কাউন্সেল বা কিউসি খেতাব দেওয়া হয়।

    ২০০৯ সালে আখলাক ‘রেকর্ডার’ হিসেবে নিয়োগ পান এবং ২০১৬ সালে তাঁকে ‘ডেপুটি হাইকোর্ট জজ’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সর্বশেষ নিয়োগ পেলেন হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে। তিনি হাইকোর্টের কুইন্স ডিভিশনে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিভাগ চুক্তি ও ব্যবসাসংক্রান্ত বিবাদের সুরাহা করে।

    গত ২০ জুলাইয়ের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী ব্রিটিশ হাইকোর্টে মোট ৯৬ জন বিচারক রয়েছেন। এর মধ্যে কুইন্স ডিভিশনের বিচারক ৬১ জন। হাইকোর্টের বিচারকেরা লাল-কালো রঙের গাউন পরেন বলে তাঁরা ‘রেড জাজেস’ নামেও পরিচিত।

  • শিগগিরই জাকির নায়েককে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানাবে ভারত

    শিগগিরই জাকির নায়েককে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানাবে ভারত

    অবশেষে মালয়েশিয়ায় স্থায়ী আশ্রয় পেয়েছে ভারতের বহুল আলোচিত ধর্ম প্রচারক জাকির নায়েক। মালয়েশিয়া সরকার তাকে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দিয়েছে।

    তবে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে জাকির নায়েককে হস্তান্তরের অনুরোধ জানাবে ভারত।

    ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রবীশ কুমার এমনই জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া শেষের পথে। সেটা সম্পূর্ণ হয়ে গেলে শিগগিরই সরকারিভাবে মালয়েশিয়া সরকারকে অনুরোধ জানানো হবে। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যেই আমাদের অনুরোধের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে।

    বক্তব্যের মাধ্যমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত ও ঘৃণার পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগে গত সপ্তাহেই জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে এনআইএ। এরপরেই জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় বহাল তবিয়তে আছেন জাকির। তাকে স্বাগত জানিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। সেদেশে বেশ জনপ্রিয় এই ধর্মপ্রচারক।

    তাই ভারতের অনুরোধ মেনে মালয়েশিয়া সরকার জাকিরকে প্রত্যর্পণ করবে কি না, সে বিষয়ে যথেষ্ট সংশয় আছে। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবদিক খতিয়ে দেখে জাকিরের প্রত্যর্পণের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

    এদিকে, গত মাসে মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ার এক মসজিদে ড. জাকির নায়েককে প্রকাশ্যে দেখা যায়। এছাড়া জাকির নায়েকের সঙ্গে বৈঠকের ছবি ফেসবুকে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক।

    তবে ড. জাকির নায়েককে মালয়েশিয়া আশ্রয় দেয়ায় অনেকেই অভিযোগ করেছেন ইসলামি মূল্যবোধ নিয়ে রাজনীতি করছে নাজিব সরকার।

    অন্যদিকে, মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমদ জাহিদ হামিদি পার্লামেন্টে বলেছেন, জাকির নায়েককে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পক্ষপাতমূলকভাবে দেওয়া হয়নি। তিনি এ দেশে বসবাসের সময় কোনো আইন ভঙ্গ করেননি। তাই তাকে গ্রেফতারেরও কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এছাড়া জাকির নায়েককে ফেরত দেয়ার বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো অনুরোধ পায়নি মালয়েশিয়া সরকার।

    গত বছরের ডিসেম্বরে জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে ভারতে একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়। তার প্রতিষ্ঠান ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনকে ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। তখন থেকেই ড. নায়েক ভারতের বাইরে পলাতক অবস্থায় আছেন।

    উল্লেখ্য, ঢাকায় হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালানোর পর তরুণরা সন্ত্রাসী কাজে অনুপ্রাণিত করতে পারে, এমন ধারণায় বাংলাদেশ সরকারও পিস টিভি চ্যানেল বন্ধ করেছে।

  • সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস আর নেই

    সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস আর নেই

    সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস (৯৩) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শুক্রবার রাত পৌনে নয়টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।

    আজ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁর বনানীর বাসভবন থেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    সাবেক এই রাষ্ট্রপতির ছেলে মাহমুদ হাসান বিশ্বাসের বরাত দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান প্রথম আলোকে এ কথা জানান।

    ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে ওই সংসদ আবদুর রহমান বিশ্বাসকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে।

    বরিশাল জেলার শায়েস্তাবাদে ১৯২৬ সালে ১ সেপ্টেম্বর আবদুর রহমান বিশ্বাসের জন্ম। বরিশাল শহরেই তিনি স্কুল ও কলেজজীবন শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে ইতিহাসে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৯৫০-এর দশকে আইন পেশায় যোগদান করেন। তিনি ১৯৬২ এবং ১৯৬৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন।
    সাবেক এই রাষ্ট্রপতি ১৯৬৫ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের সংসদীয় সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি পাকিস্তান প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের ২২তম অধিবেশনে যোগদান করেন। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি স্বাধীনতার বিরোধী ছিলেন। তাঁর আনুগত্য ছিল পাকিস্তান সরকারের প্রতি। তিনি ১৯৭৪ এবং ১৯৭৬ সালে দুবার বরিশাল বার সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন।

    ১৯৭৭ সালে তিনি বরিশাল পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বরিশাল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৯-৮০ সালে তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় পাটমন্ত্রী এবং ১৯৮১-৮২ সালে বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ৪ এপ্রিল ১৯৯১ তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৬ সালের ৮ অক্টোবর তাঁর মেয়াদ শেষ হয়।

  • কালুনগর-হাজারীবাগ খালে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

    কালুনগর-হাজারীবাগ খালে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

    রাজধানীর কালুনগর-হাজারীবাগ খালের অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

    বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী কামরাঙ্গীচর থানাধীন কোম্পানিঘাট এলাকায় অবস্থিত কালুনগর-হাজারীবাগ খালের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

    সেখানে প্রায় ৫০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলিয়াস মেহেদী ও তৌহিদ এলাহী।

    অভিযানকালে উচ্ছেদস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহহম্মাদ শাহিদুজ্জামান। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম চৌধুরী ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইলিয়াস মিয়া।

    ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলিয়াস মেহেদী জানান, ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য ও জলাবদ্ধতা দূর করার লক্ষ্যে এ উচ্ছেদ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ঢাকার সকল খাল হতে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করবে ঢাকা জেলা প্রশাসন। প্রতি সপ্তাহে একাধিক উচ্ছেদ পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক। উচ্ছেদকৃত খালগুলো ঢাকা ওয়াসা ও সিটি কর্পোরেশন প্রকল্পের মাধ্যমে সৌন্দর্যবর্ধন ও পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করবে।

    অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন লালবাগ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত দেবনাথ, কামরাঙ্গীচর থানার সাব ইন্সপেক্টর ইমাম আরেফিন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ২০ সদস্যের একটি দল, ঢাকা জেলা প্রশাসন ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারী।