Blog

  • বন্ধুত্ব নাকি প্রেম বড়?

    বন্ধুত্ব নাকি প্রেম বড়?

    প্রেমের চেয়ে বড় বন্ধুত্ব। তবে বন্ধুত্বের হাত ধরেই আসে প্রেম।

    তাই কাছের কোনো বন্ধুকে ভালো লাগলে আগে নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া করে তারপর এগিয়ে যাওয়া উচিত।

     

    শিরোনাম দেখে কেউ হয়তো বলবে, বন্ধু আগে! আবার কেউ কেউ বলে বসবে— না, প্রেমই আগে। তবে এ প্রজন্মের দশজনের মধ্যে নয়জনই বলছেন, কখনো না। প্রেম বা বিয়েটাই শেষ কথা নয়। বোকা বাক্সের এ যুগে একজন সত্যিকারের বন্ধু বা মন থেকে ভালো চায় এমন একজন ‘ওয়েল উইশার’ সবারই জরুরি। একটা সুন্দর সম্পর্কের দামও আকাশছোঁয়া। হোক সেটা বন্ধু কিংবা প্রেমিকের সঙ্গে। প্রেমের চেয়ে বন্ধুত্বের সম্পর্ককেই প্রাধান্য দেয় আজকালকার ছেলেমেয়েরা। কেননা, এ সম্পর্ক অনেকটা সচ্ছল।

    অনেক ছেলেমেয়ে মনে করে প্রেমের চেয়ে বন্ধুত্বের সম্পর্কের বাঁধনটাই বেশ জোরালো। যে কোনো ধরনের সমস্যা তার সঙ্গে শেয়ার করা যায় অনায়াসেই। এক কথায় জীবনের সব কিছু তাকে খোলাখুলি বলা যায়। তবে এ সম্পর্কটিকে প্রেমের সম্পর্কে নেওয়া যায়? বা কাছের বন্ধুটির সঙ্গে প্রেম করলে কেমন হতো! সেরা বন্ধুটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে না জড়ানো ভালো বলেও মনে করেন অনেকে। কারণ সম্পর্কের মধ্যে উত্থান-পতন থাকে। সম্পর্ক যদি ঠিকঠাক না চলে, তখন প্রেম তো হয়ই না, বন্ধুত্বও ছুটে যায়। তবে বন্ধুত্বের হাত ধরেই আসে প্রেম। সফল সম্পর্কের ভিত্তি হলো বন্ধুত্ব— এমনটি অনেকেই মনে করেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক বলছেন, ‘প্রেমের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের পরিচিতজনকে (বন্ধু) অন্যের চেয়ে বেশি আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। এই পরিচিতজনকে প্রেমের সঙ্গী হিসেবে বেছে নিলে সম্পর্ক ভালো হয়। ’ এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বন্ধুত্বের কারণে দুজন দুজনকে ভালোভাবে জানতে পারেন। পরস্পরের ভালো ও খারাপ দিকগুলো জানা হয়। গভীর বন্ধুত্বের মধ্যে লুকোচুরি কম থাকে। দুজনের পছন্দে ভিন্নতা থাকলেও বন্ধুত্বের সুবাদে ব্যবধান কমে আসে বা ঘুচে যায়। কিন্তু প্রেম নামক সম্পর্ক লুকাতে যে শব্দটা সব সময় সবার আগে এগিয়ে আসে, সেটাও বন্ধুত্ব। বন্ধুত্বকে উপায় হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। বন্ধুত্ব তখন নিছক খেলায় পরিণত হয়। এমনটি উচিত নয়। আবার বন্ধুকে ভালোভাবে না বুঝেই প্রপোজ করাটাও বোকামি। তাই কোনো বন্ধুকে ভালো লাগলে আগে নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া করা উচিত।   কেননা, সম্পর্কটা ঠিকঠাক মতো না চললে তখন বন্ধুত্বও ছুটে যায়।

  • রিয়ালের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছি না : রোনালদো

    রিয়ালের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছি না : রোনালদো

    চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি ও নেইমারের সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পারিশ্রমিকের ফারাক অনেক।   গুঞ্জন উঠেছে তিনি তার পারিশ্রমিক বাড়াতে চেষ্টা করছেন।

    তবে এসব সত্য নয় বলে দাবি করেছেন রিয়াল তারকা রোনালদো।   উল্টো জানিয়েছেন, তিনি ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আর বাড়াচ্ছেন না।

    ক্রিশ্চিয়ানো বলেন, আমি রিয়াল মাদ্রিদে ভালোই আছি। এখানে আমি আরও চার বছর আছি। তবে চুক্তির মেয়াদ আর বাড়াতে চাই না। আমি ভালো আছি।

    গত দুই মৌসুম দুর্দান্ত কেটেছে রিয়ালের।  সে হিসেবে চ্যাম্পিয়ন লিগে তুলনামূলকভাবে বেশ পিছিয়েই আছে রিয়াল।   চ্যাম্পিয়ন লিগে হেরেই চলেছে রিয়াল।

    রোনালদোও খুব একটা গোল পাননি।  এ নিয়ে রোনালদো বলেন, ‘আমরা পরপর হারছি যেটা খুবই খারাপ। আমরা জিততে অভ্যস্ত।   আমাদের পারফর্মেন্স ভালো হচ্ছে না।

  • ভারতের জয়ে ইতিহাস গড়ল পাকিস্তান

    ভারতের জয়ে ইতিহাস গড়ল পাকিস্তান

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয় পাওয়া পর ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম এই সংস্করণের র‌্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছিল সরফরাজ আহমেদের পাকিস্তান। এর ফলে নির্ধারণ হয়ে যায় ১ নভেম্বর শীর্ষ থাকা নিউজিল্যান্ডকে ভারত হারাতে পারলেই দুইয়ে নেমে যাবে কিউইরা।

    সেই অনুযায়ী গতকাল বুধবারের ম্যাচ ভারত জয় পাওয়ায় প্রথমবারের টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে উঠেছে পাকিস্তান।

    এদিকে, টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের পরই রয়েছে গেইল-স্যামুয়েলদের ওয়েস্ট ইন্ডিস। এছাড়া সেরা দশের বাকি ৭টি দেশ যথাক্রমে ইংল্যান্ড, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ।

    সূত্র : দ্য ডন

  • ভারতের শীর্ষ ধনীর স্ত্রী হয়েও ৮০০ টাকার বেতনে চাকরি!

    ভারতের শীর্ষ ধনীর স্ত্রী হয়েও ৮০০ টাকার বেতনে চাকরি!

    ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির স্ত্রী তিনি। তবে স্বামীর পরিচয়ের বাইরে গিয়ে ক্রিকেট, ফুটবল-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পা রেখে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করে ফেলেছেন নীতা আম্বানি।

    শুধু তাই নয়, ভারতের প্রথম নারী হয়ে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির সদস্য হয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার ছিল নীতা আম্বানির জন্মদিন। এ উপলক্ষে সম্প্রতি ভারতের একটি হিন্দি দৈনিকে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। সেখানে এমন কিছু তথ্য জানিয়েছেন যা শুনলে চোখ কপালে উঠার কথা সকলেরই।

    ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলার খবর, মুকেশ আম্বানির সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই শিশুদের পড়াতে ভালবাসতেন নীতা। একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াতেনও তিনি। স্কুলে শিক্ষকতার কাজ যে তিনি চালিয়ে যেতে চান, বিয়ের পরে সেকথা মুকেশকে জানান নীতা। আপত্তি করেননি মুকেশও। তবে ৮০০ টাকা মাসিক বেতনে চাকরি করাটাই অবাক করছে সকলকেই।

    আসলে শিক্ষকতা তিনি ভালোবাসতেন, তাই পেশা ছাড়তে চাননি।

    সাক্ষাৎকারে নীতা আম্বানিআরও জানান, স্কুলে পড়ানোর সময়ই নীতার এক ছাত্রের অভিভাবক ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপের দু’টি টিকিট তাঁকে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নীতা তা ফিরিয়ে দেন। সেই বিশ্বকাপের স্পনসর ছিল রিলায়েন্স গ্রুপ (প্রতিষ্ঠাতা নীতার স্বামী মুকেশ আম্বানি)। কিন্তু খেলার দিন ভিআইপি বক্সে নীতাকে দেখে অবাকই হয়ে যান সেই অভিভাবকরা। পরে তাঁরা নীতাকে প্রশ্ন করে জানতে পারেন নীতা মুকেশ আম্বানির স্ত্রী। যেটা শুনে তারা আবারও অবাক হয়ে যান।

  • দেশীয় উপায়ে পরমাণু কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সৌদি

    দেশীয় উপায়ে পরমাণু কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সৌদি

    এবার দেশীয় উপায়ে ইউরেনিয়াম নিষ্কাশন শুরু করতে যাচ্ছে সৌদি আরব। পরমাণু শক্তিতে নিজেদের এগিয়ে নিতে এমন পরিকল্পনার কথা ভাবছে দেশটি।

    ইতিমধ্যে ইরানের পরমাণু প্রযুক্তি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের এ ঘোষণা পশ্চিমা বিশ্বের জন্য একটি আঘাত হিসেবে দেখা দিতে পারে।

    তবে দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আনতে এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

    সৌদি আরবের কিং আব্দুল্লাহ সিটি ফর অ্যাটমিক অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি (কেএসিএআরই)-এর প্রধান হাশিম বিন আব্দুল্লাহ ইয়ামেনি জানিয়েছেন, পরমাণু জ্বালানির উদ্দেশে ইউরেনিয়াম নিষ্কাশন শুরু হবে। এটি হবে সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

    আবুধাবিতে পরমাণু শক্তি বিষয়ে এক কনফারেন্সে তিনি বলেন, সৌদি আরব ইউরেনিয়াম নিষ্কাশন প্রক্রিয়া শুরু করবে এবং এটি জ্বালানি খাতের সাফল্যের জন্য করা হবে। এর সঙ্গে সামরিক খাতের কোনো সম্পর্ক থাকবে না।

    তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী এ দেশটির পরমাণু জ্বালানির দিকে নজর দেয়াকে জ্বালানি খাতে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

    পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনের জন্য ইউরেনিয়ামকে অন্তত ৫ শতাংশ হারে নিষ্কাশন করতে হয়।

    কিন্তু এজন্য যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্র উৎপাদনের জন্য একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

  • উল্টোপথে পুলিশের গাড়ি চলবে না : আইজিপি

    উল্টোপথে পুলিশের গাড়ি চলবে না : আইজিপি

    পুলিশের গাড়ি উল্টোপথে না চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক। তিনি বলেছেন, যানজট নিরসন এবং সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বজায় রাখার লক্ষে উল্টোপথে সাধারণ যানবাহন চলাচল করতে না দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বাদ যাবে না পুলিশের যানবাহনও।

    সোমবার দিনব্যাপী পুলিশ সদর দফতরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কোয়াটারলি কনফারেন্স’ (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৭) এ সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    এসময় সকল পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ সুপার, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানরা এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় উল্টোপথে পুলিশের যানবাহন না চলা ও সারাদেশে যথাযথভাবে ট্রাফিক আইন প্রয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) সহেলী ফেরদৌস।

    তিনি জানান, নারী নির্যাতনের ন্যায় শিশু নির্যাতন মামলা অধিকতর গুরুত্বসহ তদন্তের স্বার্থে প্রতিটি থানায় শিশু অধিকার সেল গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক।

    আইজিপি বলেছেন, প্রত্যেক থানা ও জেলায় নারী ও শিশুবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য প্রত্যেক থানায় একটি আলাদা কক্ষ তৈরি করার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

    পুলিশ প্রধান বলেন, সমাজে মাদকের বিস্তার ও মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা এবং তাদের পুর্নবাসনের উদ্যোগ ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য নিয়মিত ধ্বংস করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

    আইজিপি বলেন, সামাজিক সমস্যা ও বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কমিউনিটি পুলিশিং একটি কার্যকর মাধ্যম। পুলিশের সঙ্গে জনগণের সুসর্ম্পক তৈরি হলে পুলিশ ভীতি কমে আসবে, সমাজে অপরাধ কমবে।

    bangla.earthtimes24.com

    সভায় পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আবু হাসান মুহম্মদ তারিক চলতি বছরের জুলাই আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি তুলে ধরেন। অপহরণ, খুন, ডাকাতি, ছিনতাই, অ্যাসিড নিক্ষেপ, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদকদ্রব্য, চোরাচালান দ্রব্য, অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার, সড়ক দুর্ঘটনা, গাড়ি চুরি, রাজনৈতিক সহিংসতা, অপমৃত্যু, পুলিশ আক্রান্ত মামলাসহ দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।

    পর্যালোচনায় দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে সারাদেশে ৫৬ হাজার ৪৭৪টি মামলা রুজু হয়েছে, যা গত এপ্রিল-জুন ২০১৭ সময়ের তুলনায় প্রায় ৩.১৮ ভাগ বেড়েছে। আলোচ্য সময়ে সারাদেশে মাদক দ্রব্য এবং চোরাচালান দ্রব্য উদ্ধারের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পূর্বের কোয়ার্টারের তুলনায় মামলার সংখ্যা বেড়েছে।
    তবে কমেছে ডাকাতি, অ্যাসিড নিক্ষেপ, সড়ক দুর্ঘটনা এবং পুলিশ আক্রান্ত মামলার সংখ্যা।

    অপরদিকে দস্যুতা, খুন, অপহরণ এবং নারী নির্যাতন মামলার সংখ্যা বেড়েছে। আলোচ্য কোয়ার্টারে গাড়ি চুরির মামলা হয়েছে ৪০৯টি। এর মধ্যে পুলিশ ২৯৭টি গাড়ি উদ্ধার করেছে। অনুষ্ঠানে আইজিপি বাংলাদেশ পুলিশ নিদের্শমালা সংক্রান্ত ১৬টি পুস্তিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।

    সভায় এসবির অতিরিক্ত আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর (অতিরিক্ত আইজিপি) মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান, পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপ্যাল মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশনস্) মো. মোখলেসুর রহমান, র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, অতিরিক্ত আইজিপি মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো. নওশের আলী, পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত আইজিপি বিনয় কৃষ্ণ বালা এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

    পরে আইজিপি এসবি, র্যাব, পিবিআই, নৌ পুলিশ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশসহ সকল মেট্রোপলিটন এবং রেঞ্জের প্রধানদের সঙ্গে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের কর্ম সম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর ও বিনিময় করেন।

  • নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ২০ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রকল্প

    নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ২০ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রকল্প

    রাজধানী ঢাকা নগরীর জমি ও ফ্ল্যাটের মূল্য গগনচুম্বী, যা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। এ অবস্থায় এসব মানুষের জন্য ২০ হাজার ১৬০টি ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।

    মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন। অনুমোদন পেলে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এ প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাবে।

    পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, ঢাকার ‘উত্তরা ১৮নং সেক্টরে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের জনসাধারণের জন্য অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্প অনুমোদনের জন্য একনেকে উপস্থাপন করা হচ্ছে। বহুতলবিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ফ্ল্যাট হস্তান্তর করাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।

    জানা গেছে, উত্তরা আদর্শ মডেল টাউনের (তৃতীয় ফেজ) ১৮নং সেক্টরে এজন্য ২১৪ দশমিক ৪৪ একর জমি অধিগ্রহণ করবে সরকার। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ভবনে একতলা বেজমেন্টসহ ১৬ তলাবিশিষ্ট ২৪০টি ভবন নির্মাণ করা হবে। এতে ২০ হাজার ১৬০টি ফ্ল্যাট থাকবে। পুনর্গঠিত প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৯০২ কোটি ২১ লাখ টাকা। রাজউকের নিজস্ব অর্থায়নে প্রবল্পটি ২০২০ সাল নাগাদ বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য জুয়েনা আজিজ কমিশনের মতামত দিতে গিয়ে বলেন, স্বল্প ও মধ্যম আয়ের লোকদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ফ্ল্যাট প্রদান, সম্প্রসারিত এলাকায় আবাসন সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে ঢাকা শহরের জনসংখ্যার আবাসিক চাপ হ্রাস করার জন্য প্রকল্পটি নেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া পরিকল্পিত নগরায়ণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বিদ্যমান প্রকট আবাসন সমস্যা নিরসন, মিরপুর ও টঙ্গীর মাঝখানে পর্যায়ক্রমে নগরায়ণের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি করা, নতুন নগরকেন্দ্র সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যতের আবাসন চাহিদা পূরণ করার জন্যই এ প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এ প্রকল্পটি সরকারের অগ্রাধীকার প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম বলে গৃহায়ণ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে। গুরুত্ব বিবেচনায় প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করার সুপারিশ করা হয়েছে। গণপূর্ত বিভাগ জানায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন বর্তমানে ব্যস্ততম এবং জনবহুল শহর। চাকরি, ব্যবসা এবং বহুবিধ কারণে লাখ লাখ লোক ঢাকা শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। এ বিপুলসংখ্যক লোকের জন্য প্রয়োজনের তুলনায় বসবাসযোগ্য জায়গা অপ্রতুল। ফলে দিনের পর দিন ঢাকা মহানগরী ঘণবসতিপূর্ণ, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা হয়ে পড়ছে, হারাচ্ছে সৌন্দর্য। এর সবকিছুই হচ্ছে পরিকল্পিত নগরায়ণের অভাবে। নগরীর চতুর্দিকে পরিকল্পিত স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করে ক্রমবর্ধমান আবাসন সংকটের চাপ কমানো যেতে পারে।

    জানা গেছে, ২০ একরের চেয়ে বেশি জমি ব্যবহারের সংশ্লিষ্টতা আছে বিধায় প্রকল্পটি রাজউকের নিজস্ব অর্থায়নে প্রস্তাব করা হলেও পরিকল্পনা কমিশনের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে।

    পরিকল্পনা কমিশন জানায়, সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ২০১১ এর নভেম্বর হতে ২০১৬ সালে জুন মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য ২০১১ সালের অক্টোবরে একনেকে অনুমোদিত হয়। অতঃপর রেট সিডিউল পরিবর্তন, প্রকল্পের অর্থে এসটিপি, স্কুল ও মানেজমেন্ট বিল্ডিং নির্মাণ, বিআইসিইকে ফ্ল্যাটের আকার পরিবর্তন, এলপি গ্যাসের সিলিন্পার ব্যাংক স্থাপন স্থাপন, কতিপয় নতুন অঙ্গ অন্তর্ভুক্তি ইত্যাদি কারণে প্রকল্পটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়। এর মানে হলো সংশোধিত পুনর্গঠিত প্রকল্পে মোট ব্যয় এক হাজার ৮৭১ দশমিক ৪৯ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অনুমোদিত প্রকল্পের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ বেশি। জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় ২১৪ দশমিক ৪৪ একর জমি অধিগ্রহণ, বিভিন্ন টাইপের ফ্ল্যাট নির্মাণ রয়েছে। এর মধ্যে ১৩১টি ভবনেেএক হাজার ২৫০ বর্গফুট আয়তনের ১১ হাজার চারটি এবং ৪৮টি ভবনে এক হাজার ৫০ বর্গফুট আয়তনের চার হাজার ৩২টি ফ্ল্যাট, পরামর্শক নিয়োগ, বিভিন্ন পদমর্যাদার ১৪০ জন জনবল নিয়োগ, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, ফুটপাত, সীমানা প্রাচীর, সেতু, কালভার্ট, সড়ক, স্কুল, কলেজ, কমিউনিটি সেন্টার, পানির ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, সোলার সিস্টেম, বিদ্যুতায়ন, পার্কিং স্থান নির্মাণ, ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য প্রচারাণা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শিশু পার্ক, পয়োনিষ্কাশন ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টসহ আনুষঙ্গিক নির্মাণ কাজ আছে।

  • মঙ্গলবার থেকে নতুন দলের নিবন্ধনের আবেদন

    মঙ্গলবার থেকে নতুন দলের নিবন্ধনের আবেদন

    আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের আবেদন নেবে নির্বাচন কমিশন। এজন্য আজ সোমবার বিকেলে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন দলের নিবন্ধন দেবে ইসি। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দলগুলোর আবেদন গ্রহণ করা হবে। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি যাচাই-বাছাই করে মার্চে নতুন দলের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

    এ বিষয়ে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘আমরা শুধু নতুন দলের নিবন্ধনের তথ্যই নেব না বর্তমানে যে ৪০ দল নিবন্ধিত আছে সেসব দলের কাছেও চিঠি পাঠানো হবে। এ কারণে মঙ্গলবার আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করবে ইসি। নিবন্ধিত যেসব দল আইন অনুযায়ী কার্যক্রম মানে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ইসি’।

    ইসি সূত্র জানায়, এর আগে ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো ৪০টি দলকে নিবন্ধন দেয় কমিশন। দশম সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী ও ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল করে ইসি। নিবন্ধিত ৪০টি দলের মধ্যে অনেক দল কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ের অফিস-কমিটি দিয়েছে। কিছু দলের কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা কমিটি বহাল রয়েছে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এসব দল শর্ত প্রতিপালন করছে কিনা তা তদারকি করবে ইসি।

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কমিশনের তিনটি শর্তের মধ্যে একটি পূরণ হলে একটি দল নিবন্ধনের যোগ্য বিবেচিত হয়।

    শর্তগুলো হলো :

    ১. দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেকোনো জাতীয় নির্বাচনের আগ্রহী দলটি যদি অন্তত একটি সংসদীয় আসন পায়।

    ২. যেকোনো একটি নির্বাচনে দলের প্রার্থী যদি সংশ্লিষ্ট আসনে পড়া মোট ভোটের ৫ শতাংশ পায়।

    ৩. দলটির যদি একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দেশের কমপক্ষে এক তৃতীয়াংশ (২১টি) প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর কমিটি এবং অন্তত ১০০টি উপজেলা/ মেট্রোপলিটন থানায় কমপক্ষে ২০০ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত দলিল থাকে।

  • গ্রামীণ বাজার উন্নয়নে বরাদ্দ পাচ্ছেন এমপিরা

    গ্রামীণ বাজার উন্নয়নে বরাদ্দ পাচ্ছেন এমপিরা

    নির্বাচনকে সামনে রেখে একের পর এক প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা পাচ্ছেন এমপিরা। এবার গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়নের নামে বরাদ্দ পাচ্ছেন তারা। নেয়া হচ্ছে এক হাজার ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প।

    নির্বাচনী এলাকায় নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি পূরণে এমপিদের দাবির প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এ প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায়। সব প্রক্রিয়া শেষ করে মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

    পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে চলতি বছর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত। দেশের ৪৯১টি উপজেলার প্রতি উপজেলায় কমপক্ষে ১টি করে তিনতলা চার হাজার থেকে ১০ হাজার বর্গফুট আয়তনবিশিষ্ট মোট ৫২০টি গ্রামীণ বাজার নির্মাণ করা হবে।

    জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পরে প্রথমবারের মতো এমপিদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে ২০১০ সালের মার্চে চার হাজার ৮৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্প অনুমোদন করে। ওই সময় প্রত্যেক এমপিকে ১৫ কোটি টাকা ব্যয় করার জন্য বরাদ্দ দিয়েছিল সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় গত দশম সংসদে নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে ছয় হাজার ১৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয় এমপিদের। ২০১৫ সালের মে মাসে তার অনুমোদন দেয় সরকার।

    এতে সিটি কর্পোরেশনের বাইরে এমপিরা বরাদ্দ পেয়েছেন ২০ কোটি টাকা করে, যা আগামী সংসদ নির্বাচনের আগেই শেষ হয়ে যাবে। তাই নির্বাচনের আগে দেশব্যাপী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে গত মাসে ৬৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ের জন্য আলাদা প্রকল্পের অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক এ প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা এমপিরা পছন্দমতো মসজিদ, ঈদগাহ, কবরস্থান, মন্দির, শ্মশান, গীর্জা, প্যাগোডা, গুরুদুয়ারা এবং খেলার মাঠ উন্নয়নে ব্যয় করতে পারবেন।

    স্থানীয় সরকার বিভাগ বলছে, গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণের জীবনযাত্রা ও অর্থনীতি কৃষির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। কৃষিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করতে হলে গ্রামীণ হাট/বাজার নির্মাণ জরুরি। গ্রামাঞ্চলে হাট/বাজারের পূর্ণ সুবিধা গ্রামীণ কৃষক ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা (ব্যবসায়ী) পান না।

    বর্তমান বাজারব্যবস্থায় কৃষক তার উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে স্বল্পমূল্যে উৎপাদন স্থলেই উৎপাদিত পণ্য বিক্রয় করতে বাধ্য হয়।

    অন্যদিকে স্থায়ী অবকাঠামো না থাকায় গ্রামীণ বাজারে মালামালের সরবরাহ অপ্রতুল থাকায় ভোক্তাদের বেশি দামে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে হয়। আলোচ্য প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামীণ বাজার চার হাজার থেকে ১০ হাজার বর্গফুট নির্মাণ করা হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভৌত অবকাঠামো সুবিধা প্রদান করা হলে কৃষি ও অকৃষি পণ্যের সহজ বাজারজাতকরণের মাধ্যমে কৃষক প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে তার পণ্য বিক্রি করতে পারবে। এক্ষেত্রে ভোক্তারাও প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সহজে ও ন্যায্য মূল্যে কেনার সুবিধা পাবে।

    প্রকল্পটি দেশের সব উপজেলায় বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পল্লী অঞ্চলের কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণ, কৃষিপণ্য ন্যায্য মূল্যে প্রাপ্তি, ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পরিবহন ব্যয় হ্রাস ও প্রকল্প এলাকায় উন্নত হাট/বাজার অবকাঠামো তৈরি হবে। এর মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে পল্লী এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য হ্রাস পাবে বলেও মনে করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

    এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌতঅবকাঠামো বিভাগের সদস্য জুয়েনা আজিজ কমিশনের মতামত দিতে গিয়ে বলেন, গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে এই প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। গুরুত্ব বিবেচনায় একনেকে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করার সুপারিশ করা হয়েছে।

  • বরিশালে আয়কর মেলা থেকে ৬কোটি টাকা রাজস্ব কর আদায়ের টার্গেট এনবিআরের

    বরিশালে আয়কর মেলা থেকে ৬কোটি টাকা রাজস্ব কর আদায়ের টার্গেট এনবিআরের

    শামীম আহমেদ বরিশাল॥

    “উদ্ভাবনে বাড়বে কর দেশ হবে স্বনির্ভর,সুখী স্বদেশ গড়তে ভাই আয়করের বিকল্প নাই এশ্লোগান নিয়ে বরিশাল অশ্বিনী কুমার টাউন হলে সপ্তাহ ব্যাপি আয়কর মেলা থেকে ৮হাজার রিটার্নকারী ও ১৫শত নতুন করদাতা সংগ্রহ সহ ৬কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করার টার্গেট নিয়ে মেলার আয়োজন করেছে বরিশাল কর অঞ্চল বিভাগ।এছাড়া ১লা নেভেম্বর থেকে ৩০ই নভেম্বর পর্যন্ত মাস ব্যাপি ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়ে আয়কর বিভাগ।

    জানা গেছে ৮ই নভেম্বর সেরা কর দাতাদের সম্মাননা দেয়ার আয়োজন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এরই ধারাবাহিকতায় ৮ই নভেম্বর বরিশাল সাউথ গেট বল রুম, হোটেল গ্র্যান্ড পার্কে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার সেরা করদাতাদের সম্মাননা প্রধান করেবেন বরিশাল কর অঞ্চল প্রদান।

    বরিশাল সহকারী কর কমিশনার মেহেদী মাসুদ ফয়সাল বলেন গতবারের ন্যায় এবারো টাউন হলের সপ্তাহ ব্যাপী আয়কর মেলায় সম্মানিত করদাতাদের জন্য রয়েছে নতুন করদাতাদের জন্য ১২টি ভিজিট টি.আই.এন রেজিস্ট্রেশনের ব্যাবস্থা সহ পুরাতন করদাতাগনের জন্য টি.আই.এন-রেজিস্ট্রেশন ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।
    আয়কর রিটার্ন ফরম এবং সিটিজেন চার্টার সরবরাহ,আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার ব্যাবস্থা

    এবং তাৎক্ষনিক প্রাপ্তিস্বীকার পত্র প্রদান।হেল্প ডেস্ক থেকে এর মাধ্যমে করদাতাদের সহায়তা প্রদান,অধিক্ষেত্র অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন জমা দানে সহায়তা প্রদান করা ।ই-পেমেন্টে এর মাধ্যমে আয়কর প্রদানের সুবিধা। অনলাইনের মাধ্যমে রিটান দাখিল করার সর্ম্পকিত প্রাথমিক ধারনা দেয়া ও পাসওয়ার্ড প্রদান,অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের ব্যাবস্থা

    ছাড়াও মেলা প্রাঙ্গনে আরো করদাতাদের সুবিদার জন্য রয়েছে সোনালী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের দুটি অস্থায়ী বুথ যাতে করে করদাতারা আয়করের টাকা পরিশোধ করতে পারেন।মেলা থেকে আয়কর বিভাগ এবার রিটার্নের লক্ষমাত্রা রয়েছে ৮হাজার,সে সাথে ৬কোটি টাকা রাজস্ব আয়কর আদায় করার টার্গেট রয়েছে সৃষ্ঠি করা হবে নতুন করে ১৫শত করদাতা।

    উল্লেখ্য গত আয়কর মেলায় প্রাপ্ত রিটার্ন সংক্ষা ছিল ৬হাজার ৫শত ১৯টি।আদায় কৃর্ত আয়করের রাজস্ব টাকা ছিল ৪কোটি ৭৬লক্ষ৮০হাজার ৪শত ২৯টাকা।নতুন করদাতা সৃষ্ঠি করা হয়েছিল ৯শত ২৬ জন।
    আগামী ১লা নভেম্বর অশ্বিনী কুমার টাউন হলে সকাল ১০টায় সপপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলার উদ্বোধন করবেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুজ্জামান,এসময় আরো উপস্থিত থাকবেন বরিশাল অতিরিক্ত পুলিম কমিশনার মোহাঃ আবুল কালাম আজাদ ও জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান।