Blog

  • কাদেরের কললিস্টে নায়িকা-নেত্রীদের তালিকা ভাইরাল

    কাদেরের কললিস্টে নায়িকা-নেত্রীদের তালিকা ভাইরাল

    গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। সেই সঙ্গে পালিয়ে গেছেন দলটির প্রধান ও সরকারপ্রধান শেখ হাসিনাসহ অধিকাংশ বড় নেতারা। হাসিনার পর পলাতকের তালিকায় অন্যতম হলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    ক্ষমতায় থাকাকালীন ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বিভিন্ন নায়িকা ও মডেলের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ছিল নিয়মিত ঘটনা। যাতে প্রকাশ পেত অনেক নায়িকার সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্কের রসায়ন। এসব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত আলোচনা-সমালোচনা হতো নেটিজেনদের মুখে। কিন্তু প্রকাশ্যে সেগুলো নিয়ে কেউ কথা বলতে সাহস করতো না।

    পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে কাদেরকে নিয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে।

    সর্বশেষ গেল ৫ আগস্টও ওবায়দুল কাদেরের ব্যক্তিগত ফোন নম্বরটি দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে ফোন ট্র্যাক লোকেশন ছিল মোহাম্মদপুর।

    এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত হলো তার একটি কললিস্ট।

    ওই কললিস্ট অনুযায়ী ৫ আগস্টের আগে-পরে দুই মাসে অসংখ্য নম্বরে কথা বলেছেন কাদের। যেখানে অনেক নায়িকা, মডেল, অভিনেত্রী ও নেত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়টি উঠে এসেছে।

    ওই কললিস্ট অনুযায়ী নায়িকা কেয়া, মিস বাংলাদেশ ফারজানা, অ্যানজেনা এলিনসহ মডেল নায়িকারা যেমন আছেন। তেমনি ফোন দিয়েছেন ময়মনসিংহের নেত্রী কবিতাকেও।

    আরেক বেসরকারি টেলিভিশনের তথ্যনুযায়ী জানা যায়, ৫ আগস্ট ওবায়দুল কাদের নায়িকা সোহানা সাবাসহ প্রয়াত নায়িকা মেঘলার সঙ্গেও একাধিকবার যোগাযোগ করেন।

    ওবায়দুল কাদেরের ৫ আগস্টসহ আগের এবং পরবর্তী সময়ের কললিস্টের সিডিআর কপির আংশিক প্রকাশ করে প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর। এই সিডিআর কপি বের হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ওবায়দুল কাদেরের কললিস্ট।

    এরআগে দেশের বিভিন্ন লোকেশনে ওবায়দুল কাদের আছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিকবার খবর ছড়িয়ে পড়ে।

    কোথাও কোথাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযানও চালিয়েছে। তবে কোথাও মেলেনি তার খোঁজ। গুঞ্জন আছে, অন্যান্য নেতাদের মতো দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন ওবায়দুল কাদেরও। তিনিও ভারতে আছেন।

    তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওবায়দুল কাদেরের ব্যবহৃত সিমের লোকেশন ও কললিস্ট ভাইরাল হয়েছে। তবে ওই কল লিস্টের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। ভাইরাল ওই তালিকায় দেখা যায়, সর্বশেষ ৫ আগস্টের দিন দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে তার ফোন ট্র্যাক লোকেশন ছিল মোহাম্মদপুর।

  • এমবিবিএস-বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ নামের আগে ডাক্তার লিখতে পারবে না

    এমবিবিএস-বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ নামের আগে ডাক্তার লিখতে পারবে না

    এমবিবিএস-বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া কেউ নামের আগে ডাক্তার পদবি লিখতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট।

    বুধবার (১২ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি সাথীকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

    রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া আজ পর্যন্ত যারা ডাক্তার পদবি ব্যবহার করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) থেকে আইন ভঙ্গ করে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে ডিএমএফ ডিগ্রিধারী সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারদের (স্যাকমো) কয়েকজন বিএমডিসি আইনকে চ্যালেঞ্জ করে নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করার জন্য আদালতে একটি রিট দায়ের করেন। ওই বছরের ৩০ এপ্রিল এই রিটের প্রথম শুনানি হয়, তারপর থেকে রিটটি আদালতে ৬৭ বার কজ লিস্টে আসে। তবে ব্যাখ্যাহীন কারণের ওপর শুনানি হয়নি। এরপর বহুবার রিটের শুনানি পেছানো হয়।

    সর্বশেষ গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ডাক্তার পদবি ব্যবহার সংক্রান্ত ২৭৩০/২০১৩ এবং ডাক্তার পদবি সংক্রান্ত ‘বিএমডিসি অ্যাক্ট ২০১০ এর ধারা ২৯’কে চ্যালেঞ্জ করে ১৩০৪৬/২০২৪—এই দুটি রিটের শুনানি হয়। ওই দিন রিটটির ৯১তম শুনানি ছিল। আদালত উভয় রিটের রায় ঘোষণার জন্য আজ বুধবার দিন ধার্য করেন।

    এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পাঁচ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মহা সমাবেশে যোগ দিয়েছেন চিকিৎস এবং মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে সকাল সাড়ে ১১টা থেকে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সকল চিকিৎস এবং মেডিকেল শিক্ষার্থীরা যোগ দিয়েছেন। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার হতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রা করবেন তারা।

    কর্মসূচির আওতায় সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন সারা দেশের মেডিকেল এবং ডেন্টাল শিক্ষার্থীরা।

    এছাড়া সরকারি বেসরকারি সব হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোর সেবা বন্ধ রয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, বৈকালিক সেবায়ও বন্ধ রাখবেন চিকিৎসকরা। তবে হাসপাতালের জরুরি সেবা বিশেষ করে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ), ক্যাজুয়ালটি বিভাগ, এডমিশন ইউনিট, লেবার ওয়ার্ড চালু থাকবে।

    চিকিৎসকরা বলেন, জনসাধারণকে অপচিকিৎসার হাত থেকে রক্ষা করে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং চিকিৎসা পেশায় মর্যাদা রক্ষায় চিকিৎসক সমাজ পাঁচ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চলমান আমলাতান্ত্রিত কূটকৌশলের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ডাক দেওয়া হয়েছে।

  • দেশজুড়ে ধর্মঘটে চিকিৎসকরা, ভোগান্তিতে রোগীরা

    দেশজুড়ে ধর্মঘটে চিকিৎসকরা, ভোগান্তিতে রোগীরা

    পাঁচ দফা দাবি আদায়ে এবার সারা দেশের সরকারি হাসপাতালে কর্মবিরতিতে নেমেছেন চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা।

    মঙ্গলবার ‘সর্বস্তরের চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের’ ব্যানারে দিনভর কর্মসূচি পালনের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংবাদ সম্মেলনে কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়। পাঁচ দাবিতে নতুন এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক নাদিম হোসাইন।

    লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বুধবার সারা দেশের মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালন করবে। সরকারি, বেসরকারি সব হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোর সেবা এবং বৈকালিক চেম্বার বন্ধ থাকবে। মানবিক বিবেচনায় আইসিইউ, সিসিইউ, ক্যাজুয়ালটি, লেবার রুমের কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    বুধবার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হল। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সব শিক্ষার্থীরা বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সমবেত হবেন। সেখান থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চ করবেন তারা।

    তবে এই কর্মসূচিতে হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও অন্তবিভাগের সেবা কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হলেও, ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান, ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল এবং শিশু হাসপাতালসহ আরও কয়েকটিতে দেরিতে হলেও কোনো কোনো বিভাগের বহির্বিভাগে রোগী দেখা শুরু হয়েছে।

    এদিকে আবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে বহির্বিভাগ পুরোপুরি বন্ধ আছে। চিকিৎসকদের কর্মসূচির কথা জানা না থাকায় সেখানে সকাল থেকে রোগীদের ভিড় দেখা গেছে। অনেকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চলে যাচ্ছেন, অনেকে আবার সেখানেই ঘোরাঘুরি করছেন। তবে আইসিইউ, সিসিইউসহ জরুরি চিকিৎসা বিভাগ চালু আছে।

    ঢাকার ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে সকাল ৯টা থেকে বহির্বিভাগে রোগী দেখা শুরু করার কথা ছিল। সেখানে চিকিৎসকরা রোগী দেখতে শুরু করেছেন পৌনে ১০টা থেকে। ফলে বহির্বিভাগের সামনে রোগীদের ভিড় তৈরি হয়।

    বহির্বিভাগের একটি কক্ষের সামনে দায়িত্বরত একজন কর্মচারী বলেন, ‘সকালে স্যারেরা এসেছেন কিন্তু রোগী দেখেননি। পরে সবাই পরিচালক স্যারের রুমে যান, এরপর আউটডোরে রোগী দেখা শুরু হয়েছে।’

    জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান নিটোরে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানেও বহির্বিভাগে রোগী দেখছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের একজন চিকিৎসক বলেন, আমাদের এখানে কার্যক্রম চলছে। আউটডোর খোলা। আসলে আমি আজকের কর্মসূচি সম্পর্কে জানি না।

    বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের বহির্বিভাগে রোগী দেখছেন চিকিৎসকরা। আবার রোগী দেখা বন্ধ আছে শহিদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে বহির্বিভাগে। সেখানে রোগীদের জটলা তৈরি হয়েছে সকাল থেকেই, চিকিৎসা সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেকে।

  • সাগর-রুনি হত্যা মামলায় ফারজানা রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

    সাগর-রুনি হত্যা মামলায় ফারজানা রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ মামলার রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেছেন।

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজিজুল হক গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদলতে আবেদন করেন। ৪ মার্চ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মঞ্জুর করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি প্রদান করেন।

    মঙ্গলবার ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    এতে বলা হয়েছে, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার ঘটনার সময়ে ফারজানা রুপা এটিএন বাংলা টেলিভিশনে রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার রুনির সঙ্গে তার ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠতা ও যাতায়াত ছিল। হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে তিনি টেলিভিশনে রিপোর্ট করেন মর্মে জানা যায়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া করা বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

    গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    বহুল আলোচিত সাগর রুনি হত্যা মামলার তদন্ত চেয়ে আনা রিটের আদেশ মডিফিকেশন চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে এ আদেশ দেন উচ্চ আদালত। বিষয়টি নিয়ে শুনানিতে হাইকোর্ট বলেন, ‘আশা করি এবার ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে এবং তদন্তের জন্য দেওয়া এবারের ছয় মাস মানে ছয় মাস।’

  • পাকিস্তানে যাত্রীবাহী ট্রেন হাইজ্যাক, জিম্মি শতাধিক

    পাকিস্তানে যাত্রীবাহী ট্রেন হাইজ্যাক, জিম্মি শতাধিক

    পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে গুলিবর্ষণের পর একটি যাত্রীবাহী ট্রেন হাইজ্যাক করা হয়েছে। এ সময় হামলায় ট্রেনচালকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যসহ অন্তত শতাধিক যাত্রীকে জিম্মি করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার বেলুচিস্তানের কোয়েটা থেকে খাইবার পাখতুনখোয়ার পেশোয়ারগামী ‘জাফর এক্সপ্রেস’ ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। ট্রেনটিতে সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি পুলিশ এবং আইএসআইয়ের সদস্যরাও ছিলেন। খবর ডনের।

    বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি এ হামলার দায় স্বীকার করে জানিয়েছে, তারা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ বেশ কয়েকজনকে জিম্মি করেছে।

  • রোজা রেখে আতর-পারফিউম ব্যবহার করা যাবে?

    রোজা রেখে আতর-পারফিউম ব্যবহার করা যাবে?

    প্রশ্ন: রোজা রেখে আতর কিংবা সেন্ট ব্যবহার করা যাবে কি? যদি ভুলে করে ব্যবহার করে ফেলে সে ক্ষেত্রে করণীয় কী?

    উত্তর: রোজা ভঙ্গের কারণ হচ্ছে স্বাভাবিক প্রবেশপথ দিয়ে পেটে বা মস্তিষ্কে কোনও জিনিস প্রবেশ করা। আতর বা পারফিউমের ঘ্রাণ নেওয়ার কারণে সরাসরি তা শরীরে প্রবেশ করে না। তাই রোজা রেখে আতর, সুগন্ধি ও পারফিউম ব্যবহার করলে রোজা ভাঙবে না।

    সাধারণ সময়ের মতো রমজান মাসেও আতর, পারফিউম ব্যবহার করা যাবে, এতে কোনো বাধা নেই। তবে খেয়াল রাখতে হবে আতর ও পারফিউমে ধোঁয়ার মত কিছু না থাকে অর্থাৎ পেটে প্রবেশ করার কোনো সুযোগ থাকা যাবে না!

    ফাতাওয়া লাজনাতিদ্দায়িমা (আরব বিশ্বের সর্বোচ্চ ফতোয়া কমিটির ফতওয়াসমগ্র)-তে এসেছে, যে ব্যক্তি রমজানের দিনের বেলায় রোজা অবস্থায় কোনো প্রকারের সুগন্ধি ব্যবহার করেছে তার রোজা নষ্ট হয়নি। তবে উদ্ভিদজাতীয় বস্তু থেকে ঘ্রাণ শোঁকা ও গুঁড়ো সুগন্ধি যেমন গুঁড়ো মিশক থেকে ঘ্রাণ নেবে না। (কেননা এগুলো পেটে ঢুকে যাওয়ার আশংকা থাকে।) (ফাতাওয়া লাজনাতিদ্দায়িমা ১০/২৭১)

    বর্তমান অধিকাংশ পারফিউম ও স্প্রেতে অ্যালকোহল থাকে। তবে অ্যাকোহলমুক্ত পারফিউমও পাওয়া যায়। তাই পারফিউম বা স্প্রে ব্যবহার করতে চাইলে অ্যাকোহলমুক্তগুলোই খরিদ করবেন।

    অ্যাকোহলযুক্ত স্প্রে ব্যবহার করা অনুত্তম। নাজায়েজ বা নাপাক নয়। তাই কাপড় বা শরীরে স্প্রে লাগিয়ে নামাজ পড়লে নামাজ সহিহ হয়ে যাবে।

    মাবসূতে সারাখসী ২৪/৯; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/২৩০; তাকমিলাতু ফাতহুল মুলহিম ১/৫৫১, ৩/৬০০; মাজমুআতুল ফাতাওয়া শারইয়্যাহ ১/১৮৪, ৪/৪৫

  • আইসিইউ থেকে পালালেন ‘কোমা’য় থাকা রোগী, হাসপাতালের ভয়ঙ্কর জালিয়াতি ফাঁস

    আইসিইউ থেকে পালালেন ‘কোমা’য় থাকা রোগী, হাসপাতালের ভয়ঙ্কর জালিয়াতি ফাঁস

    নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ‘কোমায় থাকা রোগী’ হেঁটে এসে ফাঁস করলেন হাসপাতালের জালিয়াতির কথা। মধ্যপ্রদেশের রতলামের এক বেসরকারি হাসপাতালের সামনের এমন একটি ঘটনা সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে বন্দি থাকা এক রোগী পালিয়ে রাস্তায় দৌঁড়ে বেরিয়ে কেলেঙ্কারির বিষয়টি প্রকাশ করে দিয়েছেন। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেই ঘটনার ভিডিও।

    ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে দেখা যায়, খালি গায়ে নাকে নল লাগানো অবস্থায় এক তরুণ হাসপাতালের বাইরে বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ জানিয়ে কিছু বলছেন। পাশে দাঁড়িয়ে স্ত্রী ও সন্তান। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ভিডিওতে দেখা যায় তরুণকে স্থানীয় গীতা দেবী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ, হাসপাতালের কর্মীরা টাকা নেওয়ার জন্য তরুণের স্ত্রীকে তার স্বামীর স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে ভুল তথ্য দেন। স্ত্রীকে বলা হয়, তার স্বামীর অবস্থা গুরুতর এবং চিকিৎসার জন্য তাকে অর্থের ব্যবস্থা করতে হবে। তরুণী প্রথমে ৫০ হাজার রুপি জোগাড় করে হাসপাতালে জমা দিয়ে দেন।

    পরে হাসপাতালের কর্মীরা বলেন, ওই তরুণের অবস্থার আরও অবনতি ঘটেছে ও তিনি কোমায় চলে গেছেন। আইসিইউতে চিকিৎসার জন্য আরও এক লাখ রুপির প্রয়োজন। স্ত্রী ১ লাখ রুপি নিয়ে হাসপাতালে ফিরে আসার পরই সেখানে তৈরি হয় এক নাটকীয় দৃশ্য। আইসিইউতে থাকা তরুণ কোনো ভাবে নিজেকে মুক্ত করে রাস্তায় বেরিয়ে এসে পুরো ঘটনাটি বর্ণনা করেন স্ত্রীকে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমাজিকমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। ভিডিওটি ‘ঘর কা কলেশ’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করা হয়েছে।

    তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • বিয়ের পর ফের সুখবর পেলেন মেহজাবীন

    বিয়ের পর ফের সুখবর পেলেন মেহজাবীন

    একের পর এক সাফল্য ধরা দিচ্ছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। মাকসুদ হোসেন পরিচালিত ছবি ‘সাবা’ তে-ই প্রথম অভিনয় তার। ছবিটি যে রীতিমতো অভিনেত্রীর কপাল খুলে দিয়েছে, তা আর বলার বাকি রাখে না।

    দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগেই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসব দাপিয়েছে মেহজাবীনের এই ছবিটি। প্রথমে টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, এরপর বুসান উৎসব। ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরবের রেড সি উৎসব- এমন কোনো জায়গা বাকি নেই যেখানে ‘সাবা’র সাফল্য উঠে আসেনি।

    কিন্তু এখানেই থেমে যায়নি ‘সাবা’র সাফল্য।

    সম্প্রতি ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে এক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হয়। আর সেখানেই মেহজাবীনের ‘সাবা’র জয়জয়কার! অর্থাৎ, সেই উৎসবে এশিয়ান সিনেমা কম্পিটিশনে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশি এই ছবিটি।

    সামাজিকমাধ্যমে এই সুসংবাদটি ভাগ করে নেন মেহজাবীন নিজেই। এর আগে ব্যাঙ্গালুরু ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিসিয়াল পেজে প্রকাশ করা হয় এসব তথ্য। আর সেটি শেয়ার করেই আনন্দ প্রকাশ করেন মেহজাবীন চৌধুরী।

    মেহজাবীন লেখেন, আজকের সকালটা কত সুন্দর! ব্যাঙ্গালুরু ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের এশিয়ান সিনেমা কম্পিটিশনে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে ফিচার ফিল্ম সাবা। টিমের সকলকে অভিনন্দন।

    ‘সাবা’র মাধ্যমে ১৪ বছরের টিভি অভিনয়জীবন পেরিয়ে বড় পর্দায় নাম লিখিয়েছেন মেহজাবীন। এতে আরও অভিনয় করেছেন রোকেয়া প্রাচী ও মোস্তফা মনওয়ার। সিনেমাটির গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন ত্রিলোরা খান ও মাকসুদ হোসেন।

  • বগুড়ায় স্কুলছাত্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যা

    বগুড়ায় স্কুলছাত্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যা

    বগুড়ার গাবতলীতে সিফাত হোসেন (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির স্কুলছাত্রকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে দুবৃত্তরা। শনিবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    রোববার (৯ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের কোনো কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন গাবতলী থানার ওসি আশিক ইকবাল।

    নিহত সিফাত উপজেলার উনচুরকি উত্তরপাড়া গ্রামের হাফিজার রহমান মোল্লার ছেলে এবং গাবতলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রোজাদার সিফাত শনিবার গ্রামের মসজিদে ইফতার করার পর বাড়িতে আসে। এরপর বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। রাত ৯টার দিকে স্থানীয়রা বাড়ির কাছে উনচুরকি উত্তরপাড়া ঈদগাহ মাঠের পাশে পুকুরপাড়ে সিফাতের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    চিকিৎসক জানান, সিফাতের গলায় হাতের আঙুলের দাগ ছিল; সম্ভবত তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

    ছেলের হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান নিহত সিফাতের মা রুলি বেগম।

    গাবতলী থানার ওসি আশিক ইকবাল জানান, সিফাতের মরদেহ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব কোনো বিরোধের জেরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এরপরও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    তিনি আরও জানান, হত্যায় জড়িত সন্দেহে হাসপাতাল থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত ও জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

  • গাজা দখলের যে কোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে: তুরস্ক

    গাজা দখলের যে কোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে: তুরস্ক

    তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান শুক্রবার জোর দিয়ে বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি এবং তাদের ভূমি দখলের পরিকল্পনা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

    সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি) এর বিশেষ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সভায় ফিদান বলেন, যারা ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে গাজা দখল করতে চায়, তাদের মনে রাখা উচিত—আজকের এই সংকটের মূল কারণই হলো ইসরাইলের দখলদারিত্ব।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের অবশ্যই পশ্চিম তীর সংযুক্ত করার জন্য ইসরাইলি চরমপন্থিদের প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে। একইভাবে, আমরা আল-হারাম আল-শরিফের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের কোনো প্রচেষ্টাকে মেনে নিতে পারি না। তুরস্কের পক্ষ থেকে, আমরা কায়রোতে গৃহীত পরিকল্পনাকে সমর্থন করি।

    ফিদান জোর দিয়ে বলেন, মুসলমানরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে এবং ফিলিস্তিনিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইতিহাস আমাদের কাজের ভিত্তিতে বিচার করবে। আমাদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের প্রতি আরও বেশি সহায়তা প্রদান করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনের ফিলিস্তিনি ও মুসলিম পরিচয় সংরক্ষণে কোনো বিকল্প নেই। আমাদের স্পষ্ট বার্তা দিতে হবে যে গাজা ফিলিস্তিনের ভূমি এবং সেটি চিরকাল ফিলিস্তিনেরই থাকবে।

    এছাড়াও, তিনি সিরিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং বলেন, সিরিয়ার জনগণের তাদের ভাগ্য নির্ধারণের সুযোগ এসেছে।

    ফিদান জোর দিয়ে বলেন, সিরিয়ায় স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন গুরুত্বপূর্ণ, যা কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং ভৌগোলিক অখণ্ডতার ভিত্তিতে হতে হবে। তিনি আরও বলেন, সিরিয়া যাতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার যথাযথ অবস্থান ফিরে পায়, সে জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানো দরকার।

    তিনি সিরিয়াকে পুনরায় ওআইসি’র সদস্যপদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

    ওআইসি সদস্যরা ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ইসরাইলের আগ্রাসন এবং তাদের উচ্ছেদের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে বিশেষ বৈঠকে মিলিত হয়।

    ওআইসি সম্মেলনের ফাঁকে ফিদান মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাদর আবদেলাত্তি এবং কাজাখস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুরাত নুরতলেউর সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়া, তিনি ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ মুস্তাফার সঙ্গেও বৈঠক করেন।

    এ ছাড়াও, ফিদান পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    ওআইসির এই জরুরি অধিবেশন ইসরাইলি সামরিক অভিযানের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সদস্যরা ঐক্যবদ্ধভাবে সংকট মোকাবেলার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।