Blog

  • সামিট গ্রুপের ১৯১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

    সামিট গ্রুপের ১৯১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

    গোপালগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ফারুক খানের ভাই সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান, পরিবার এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ১৯১ হিসাবের ৪১ কোটি ৭৪ লাখ ৭৬০ টাকার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    রোববার দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

    দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, দুদকের পক্ষ থেকে সামিট গ্রুপ এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ১৯১ হিসাবের ৪১ কোটি ৭৪ লাখ ৭৬০ টাকার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করা হয়। আদালত তা মঞ্জুর করেন।

    দুদকের উপপরিচালক আলমগীর হোসেন এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধে চেয়ে আবেদন করেছিলেন।

    আবেদনে বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সামিট গ্রুপ এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগসহ ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে তাদের নামে সঞ্চয়ী, এফডিআর ও অন্যান্য হিসাবসমূহের তথ্য পাওয়া যায়। এসব হিসাবসমূহে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা রয়েছে।

    এসব হিসাবসমূহে বিপুল পরিমাণ অর্থ থাকার বিষয়টি অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক। যেকোনো সময় এসব অর্থ উত্তোলনপূর্বক বিদেশে পাচার/গোপন করার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে মর্মে অনুসন্ধানকালে প্রতীয়মান হয়।

    সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে ১৯১ টি ব্যাংক হিসাবে জমা ৪১ কোটি ৭৪ লাখ ৭৬০ টাকা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ১৪ ধারা অনুযায়ী অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

  • গর্ভবতী নারীর রোজার মাসয়ালা

    গর্ভবতী নারীর রোজার মাসয়ালা

    গর্ভবতী নারীদের মধ্যে রোজা নিয়ে অনেক ধরনের প্রশ্ন থাকে। কেউ বলে রোজা রাখা যাবে, আবার কেউ বলে যাবে না। প্রকৃতপক্ষে রোজা রাখা যাবে কি না তা নির্ভর করে গর্ভবতীর স্বাস্থ্য ও গর্ভের সন্তানের স্বাস্থ্যের ওপর।

    রোজা রাখার কারণে গর্ভবতী নারী নিজের বা তার সন্তানের প্রাণহানী বা মারাত্মক স্বাস্থ্যহানীর প্রবল আশঙ্কা হলে তার জন্য রোজা না রাখা বা ভাঙা জায়েয। তবে পরে কাজা করে নিতে হবে।

    হাদিস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, আল্লাহ তাআলা মুসাফিরের জন্য রোজার হুকুম শিথিল করেছেন এবং আংশিক নামাজ কমিয়ে দিয়েছেন। আর গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারিনীর জন্যও রোজার হুকুম শিথিল করেছেন। (জামে তিরমিযী- ৭১৫)

    হজরত আনাস ইবন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে গর্ভবর্তী নারী নিজের জীবনের আশংকা করে এবং যে স্তন্যদানকারী নারী নিজের সন্তানের জীবনের উপর আশংকা করে, রাসূলুল্লাহ (সা.) এদের উভয়ের জন্য সাওম ছেড়ে দেওয়ার অবকাশ দিয়েছেন। (সুনানে ইবনে মাজা, হাদিস নং: ১৬৬৮)

    দুগ্ধপানকারিনী ও গর্ভবতী মায়ের দুইটি অবস্থা হতে পারে:

    ১. রোজা রাখার দ্বারা তার স্বাস্থ্যের উপর কোন প্রভাব না পড়বে না। অর্থাৎ তার জন্য রোজা রাখাটা কষ্টকর না হওয়া এবং তার সন্তানের জন্যেও আশংকাজনক না হওয়া। এমন নারীর উপর রোজা রাখা ফরজ; তার জন্য রোজা ভাঙা নাজায়েজ।

    ২. রোজা রাখলে তার নিজের স্বাস্থ্য অথবা সন্তানের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হওয়ার আশংকা করা এবং তার জন্যে রোজা রাখাটা কষ্টকর হওয়া। এমন নারীর জন্য রোজা না-রাখা জায়েয আছে; তিনি এ রোজাগুলো পরবর্তীতে কাজা পালন করবেন। বরং এ অবস্থায় নারীর জন্য রোজা না-রাখাই উত্তম; রোজা রাখা মাকরূহ।

    কোন কোন আলেম উল্লেখ করেছেন যদি তার সন্তানের স্বাস্থ্যের ক্ষতির আশংকা হয় তাহলে তার উপর রোজা ছেড়ে দেওয়া ফরজ; রোজা রাখা হারাম।

    আল-মুরদাউয়ি ‘আল-ইনসাফ’ নামক গ্রন্থে (৭/৩৮২) বলেন: এমতাবস্থায় এ নারীর জন্য রোজা রাখা মাকরূহ…। ইবনে আকীল উল্লেখ করেছেন যে, গর্ভবতী ও দুগ্ধপানকারিনী নারী যদি নিজের গর্ভস্থিত ভ্রূণ ও সন্তানের ক্ষতির আশংকা করেন তাহলে রোজা রাখা জায়েজ হবে না; আর যদি ক্ষতির আশংকা না করেন তাহলে রোজা ছেড়ে দেয়া জায়েয হবে না।

    শাইখ উছাইমীনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল গর্ভবতী নারী যদি নিজের স্বাস্থ্যহানি বা সন্তানের স্বাস্থ্যহানির আশংকায় রোজা না রাখে এর কী হুকুম?

    উ্ত্তরে তিনি বলেন: আমাদের জবাব হচ্ছে- গর্ভবতী নারীর দুইটি অবস্থার কোন একটি হতে পারে:

    ১. শারীরিকভাবে শক্তিশালী ও কর্মোদ্যমী হওয়া, রোজা রাখতে কষ্ট না হওয়া, গর্ভস্থিত সন্তানের উপর কোন প্রভাব না পড়া- এ নারীর উপর রোজা রাখা ফরজ। যেহেতু রোজা ছেড়ে দেয়ারজন্য তার কোন ওজর নেই।

    ২. গর্ভবতী নারী রোজা রাখতে সক্ষম না হওয়া: গর্ভ ধারণের কাঠিন্যের কারণে অথবা তার শারীরিক দুর্বলতার কারণে অথবা অন্য যে কোন কারণে। এ অবস্থায় এ নারী রোজা রাখবে না।

    বিশেষতঃ যদি তার গর্ভস্থিত সন্তানের ক্ষতির আশংকা করে সেক্ষেত্রে রোজা ছেড়ে দেয়া তার উপর ফরজ। যদি সে রোজা ছেড়ে দেয় তাহলে অন্য ওজরগ্রস্ত ব্যক্তিদের যে হুকুম তার ক্ষেত্রেও একই হুকুম হবে তথা পরবর্তীতে এ রোজাগুলো কাজাপালন করা তার উপর ফরজ।

    অর্থাৎ সন্তান প্রসব ও নিফাস থেকে পবিত্র হওয়ার পর এ রোজাগুলো কাজাপালন করা তার উপর ফরজ। তবে কখনো হতে পারে গর্ভধারণের ওজর থেকে সে মুক্ত হয়েছে ঠিক; কিন্তু নতুন একটি ওজরগ্রস্ত হয়ে পড়েছে, অর্থাৎ দুগ্ধপান করানোর ওজর। দুগ্ধপানকারিনী নারী পানাহার করার মুখাপেক্ষী হয়ে পড়তে পারে; বিশেষতঃ গ্রীষ্মের দীর্ঘতর ও উত্তপ্ত দিনগুলোতে। এ দিনগুলোতে এমন নারী তার সন্তানকে বুকের দুধ পান করানোর জন্য রোজা ছেড়ে দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এমতাবস্থায় আমরা সে নারীকে বলব: আপনি রোজা ছেড়ে দিন। এ ওজর দূর হওয়ার পর আপনি এ রোজাগুলো কাজাপালন করবেন।(ফাতাওয়াস সিয়াম পৃষ্ঠা-১৬২)

    যেসব কারণে গর্ভবতী মায়েদের রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে—

    এক. ধারাবাহিক বমি। কেননা বমি হওয়ার পর ১৫ ঘন্টার চেয়ে বেশি সময় ধরে কোনো তরল পদার্থ গ্রহণ না করলে শুষ্কতার সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে গর্ভবতী মা প্রচণ্ডভাবে ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েন।

    দুই. শরীরে লবণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া।

    তিন. বাচ্চার ওজনের ঘাটতি দেখা যাওয়া।

    চার. রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া।

    এ ছাড়া আরও বিভিন্ন কারণে সমস্যা হতে পারে।

  • মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটির সব ছবি অপসারণের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটির সব ছবি অপসারণের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটির সকল ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

    রোববার (৯ মার্চ) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর দৈত বেঞ্চ স্ব-প্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেন।

    আদেশে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরিসি) কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলে হাইকোর্ট।

    এদিকে শিশু ধর্ষণের ঘটনার তিনদিন পর চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সদর থানায় শিশুটির মা মামলাটি দায়ের করেন।

    আসামিরা হলেন- শিশুর বোনের স্বামী সজিব (১৮), রাতুল শেখ (২০), সজিবের মা জাহেদা বেগম ও বাবা হিটু শেখ। আগেই এই চারজনকে আটক করা হয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী চরপড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে শিশুটি তার বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে শিশুটিকে একা পেয়ে বোনের শ্বশুর হিটু মিয়া তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। এতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    এদিকে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় আনা হয়। বর্তমানে শিশুটি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন রয়েছে।

  • বাল্যবিয়েতে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

    বাল্যবিয়েতে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

    বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বাল্যবিয়ে হয়েছে এমন তালিকায় অষ্টম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। আর এশিয়ার মধ্যে শীর্ষে। দেশটিতে ১৮ বছরের আগে বিয়ে হয়েছে ৫১ শতাংশ মেয়ের।

    শনিবার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত ইউনিসেফ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল ও ইউএন উইমেনের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    ‘গার্লস গোলস: হোয়াট হ্যাজ চেঞ্জড ফর গার্লস? অ্যাডোলেসেন্ট গার্লস রাইটস ওভার ৩০ ইয়ার্স’ শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে কিশোরী মেয়েদের ক্ষমতায়নে বিনিয়োগ ও নীতি পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২০-২৪ বছর বয়সি নারীদের মধ্যে ৫১ দশমিক ৪ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর হওয়ার আগে। ২৪ শতাংশ নারী ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই সন্তান জন্ম দেয়।

    এছাড়া ১৫-১৯ বছর বয়সি কিশোরী-তরুণী মেয়েদের ২৮ শতাংশ আগের ১২ মাসের মধ্যে তাদের সঙ্গীর দ্বারা শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। মাত্র ৪৭ শতাংশ জেনেবুঝে প্রজনন স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বের যে সাতটি দেশে কিশোরী মেয়ে ও তরুণ নারীদের ডিজিটাল দক্ষতার হার ২ শতাংশ বা তারও কম তার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।

  • নারীদের হয়রানি ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

    নারীদের হয়রানি ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

    মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে দেখতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গিয়ে নারী হয়রানি ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    রোববার (৯ মার্চ) সকালে শিশুটিকে দেখতে তিনি সিএমএইচ এ যান।

    ঘটনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মাগুরায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় মাগুরা সদর থানায় চার জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    তিনি বলেন, দোষীরা যেন কোনোভাবেই ছাড় না পায় -এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোচ্চার রয়েছে।

    উপদেষ্টা বলেন, আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নারী হয়রানি ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। এ যাবত নারীর প্রতি যত সহিংসতা হয়েছে সেগুলোর তালিকা করে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দিয়েছি।

    তিনি বলেন, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ধর্ষণের ঘটনাগুলোর সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।

    তিনি আরও বলেন, নারীরা নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে ঘরে-বাইরে দায়িত্ব পালন করবে। এতে যারা তাদের বাধা দিতে আসবে, সহিংসতা করতে আসবে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

    উপদেষ্টা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন ও সোচ্চার থাকতে হবে। পারিবারিক, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ লালন করতে হবে।

  • মাগুরায় শিশু ধর্ষণ: ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাগুরায় শিশু ধর্ষণ: ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাগুরায় আট বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের মামলার বিচার ১৮০ দিনের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে এই নির্দেশনা বাস্তাবায়ন করতে বলা হয়েছে।

    রোববার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

    এদিকে শনিবার সকালে এ ঘটনায় মামলা করেছেন শিশুটির মা। এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, মেয়ের স্বামীর অর্থাৎ জামাইয়ের সহায়তায় তার বাবা (মেয়ের শ্বশুর) শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি মেয়ের শাশুড়ি ও ভাসুর জানতেন। পরে ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিশুটিকে হত্যাচেষ্টা চালান তারা। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (৪)–এর ক/৩০ ধারায় ধর্ষণ ও ধর্ষণের মাধ্যমে আহত করার অভিযোগ করা হয়। মামলায় শিশুটির বোনের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাসুরকে আসামি করা হয়েছে। তারা আগে থেকেই পুলিশের হেফাজতে ছিলেন।

    এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চার মাস আগে মাগুরা পৌর এলাকার এক তরুণের সঙ্গে শিশুটির বড় বোনের বিয়ে হয়। ওই বাড়িতে বোনের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাসুর থাকতেন। বিয়ের পর থেকে বড় মেয়েকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন তার শ্বশুর। বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যরা জানতেন। এ নিয়ে ঝগড়াও হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ১ মার্চ বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায় আট বছরের শিশুটি।

    এজাহারে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বাদী উল্লেখ করেন, গত বুধবার (৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে খাবার খেয়ে বড় বোন ও তার স্বামীর সঙ্গে একই কক্ষে ঘুমায় শিশুটি। দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বড় বোন ঘুম থেকে জেগে দেখেন, ছোট বোন পাশে নেই, মেঝেতে পড়ে আছে। তখন শিশুটি বড় বোনকে জানায়, তার জ্বালাপোড়া হচ্ছে। কিন্তু বড় বোন মনে করে, শিশুটি ঘুমের মধ্যে আবোল-তাবোল বকছে। এরপর সকাল ছয়টার দিকে শিশুটি আবার বোনকে জ্বালাপোড়ার কথা বলে। কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে বোনকে জানায়, রাতে দুলাভাই (বোনের স্বামী) দরজা খুলে দিলে তার বাবা (শ্বশুর) তার মুখ চেপে ধরে তার কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। সে চিৎকার করতে গেলে তার গলা চেপে ধরা হয়। পরে তাকে আবার বোনের কক্ষের মেঝেতে ফেলে রেখে যায়।

    ঘটনা জানার পর শিশুটির বড় বোন তার মাকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানাতে গেলে তার স্বামী ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে মারধর করেন। এ কথা কাউকে বললে শিশুটিকে হত্যার হুমকি দেন এবং তাদের দুই বোনকে আলাদা দুটি কক্ষে আটকে রাখেন। সকালে এক নারী প্রতিবেশী বাড়িতে এলে বোনের ভাসুর দরজা খুলে দেন। তখন শিশুটির মাথায় পানি দিয়ে সুস্থ করানোর চেষ্টা করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটি আরও অসুস্থ হয়ে পড়লে বোনের শাশুড়ি অন্য প্রতিবেশীদের সহায়তায় মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে জিনে ধরেছে বলে চিকিৎসকদের জানান। তবে চিকিৎসক ও অন্যরা বিষয়টি টের পেলে শাশুড়ি হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। পরে বাদী হাসপাতালে যান।

  • আত্মহত্যা করেছেন জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেত্রী পামেলা

    আত্মহত্যা করেছেন জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেত্রী পামেলা

    জনপ্রিয় মার্কিন টেলিভিশন সিরিজ ‘বেওয়াচ’ ও ‘নাইট রাইডার’র অভিনেত্রী পামেলা বাখ আত্মহত্যা করেছেন। স্থানীয় সময় বুধবার (৫ মার্চ) হলিউড হিলসের বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

    লস অ্যাঞ্জেলেসের মেডিকেল এক্সামিনার অফিস বলছে, ‘আত্মহত্যার’ পর গত বুধবার ৬২ বছর বয়সি পামেলা বাখের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তার হলিউড হিলসের বাড়ি থেকে।

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘বেওয়াচের অভিনেতা ডেভিড হ্যাসেলহফের সাবেক স্ত্রী ছিলেন বাখ। সাবেক স্ত্রীর মৃত্যুর খবর জানিয়ে এক বিবৃতিকে অভিনেতা হ্যাসেলহফ বলেছেন, ‘পামেলার মৃত্যুতে আমাদের পরিবার শোকাহত। ’

    হ্যাসেলহফ বলেছেন, ‘শোকের এই সময় পাড়ি দেওয়া তাদের জন্য কঠিন। বিষয়টি নিয়ে নীরবতা পালনের জন্য আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। ’

    ১৯৬২ সালে ওকলাহোমার টুলসায় জন্ম নেওয়া বাখের অভিনয় জীবন শুরু ১৯৭০ সালে শিশু শিল্পী হিসেবে। বিশ্বজুড়ে সাড়া জাগানো আশির দশকের আরেকটি টেলিভিশন সিরিজ ‘নাইট রাইডারে’ অভিনয়ের সময় পামেলা ও হ্যাসেলহফের পরিচয় হয়। ১৯৮৯ সালে দুজনে বিয়ে করেন। ২০০৬ সালে এই দম্পতির বিচ্ছেদের আগে তারা একসাথে ‘বেওয়াচেও’ কাজ করেছেন। তাদের দুই কন্যা সন্তান আছেন।

    বাখের মনে রাখা কাজগুলোর মধ্যে আরও আছে, ‘সোপ অপেরা দ্য ইয় অ্যান্ড দ্য রেস্টলেস’, ‘চিয়ার্স’, ‘দ্য ফল গাই’, ‘টিজে হুকার’, ‘সুপারবয়’ এবং ‘ভাইপার’।

    সোশাল মিডিয়াতেও বাখের সক্রিয়তা সর্বশেষ দেখা গেছে চলতি বছর শুরুর আগে। ইনস্টাগ্রামে ২০২৫ সালকে স্বাগত জানিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন তিনি ওই সময়ে।

  • বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার শিশু, ভগ্নিপতি ও শ্বশুর আটক

    বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার শিশু, ভগ্নিপতি ও শ্বশুর আটক

    মাগুরায় বড় বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে আট বছর বয়সি এক মেয়ে শিশু। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী চরপড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিশুটির বড় বোনের স্বামী ভগ্নিপতি সজিব হোসেন (১৮) ও শ্বশুর হিটু শেখকে (৫০) আটক করেছে পুলিশ।

    জানা গেছে, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার জারিয়া গ্রামের ৩য় শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে শিশুটি রমজান ও ঈদের ছুটিতে স্কুল বন্ধ থাকায় কয়েক দিন আগে আপন বোনের বাড়ি মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালি মাঠপাড়া গ্রামে বেড়াতে আসে।

    বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশে তার রক্তাক্ত অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যরা তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    এদিকে, ধর্ষকের বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের কর্মীরা।

    শিশুটির ছোট চাচা ইব্রাহিম শেখ বলেন, চার-পাঁচ মাস আগে বড় ভাতিজিকে বিয়ে দেওয়া হয়। সুযোগ পেলে তার শ্বশুর হিটু শেখ তাকেও বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করতেন বলে শুনেছি। যার কারণে বড় ভাতিজি বাপের বাড়িতে চলে এসেছিল। পরে তাকে বুঝিয়ে আবার শ্বশুর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    শিশুটির ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে বড় বোনের শ্বশুর জড়িত বলে দাবি করছে শিশুটির পরিবার। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে হিটু শেখকে আটক করেছে।

    মাগুরা সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি ওয়ার্ডের ডা. শিরিন সুলতানা বলেন, শিশুটির অবস্থা ভালো নয়। তার শরীরে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে।

    এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানার ওসি মো. আইয়ুব আলী বলেন, ইতোমধ্যে সদর থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে গিয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেছে। অভিযুক্ত হিটু শেখকে আটক করা হয়েছে।

  • মালয়েশিয়ায় বিনোদন কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশিসহ আটক ৮০

    মালয়েশিয়ায় বিনোদন কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশিসহ আটক ৮০

    মালয়েশিয়ায় বিনোদন কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশিসহ ৮০ অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

    বুধবার (৫ মার্চ) রাতে সেলাঙ্গরের সেরি কেম্বাঙ্গানের একটি বিনোদন কেন্দ্র থেকে আটক করা হয় তাদের। সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন পরিচালক খাইরুল আমিনুস কামারুদ্দিন এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেছেন, আটকদের মধ্যে ৫ পুরুষ এবং ৭৫ নারী ছিলেন। যাদের বয়স ১৭ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এবং তারা বাংলাদেশ, লাওস, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের নাগরিক।

    খাইরুল বলেন, অভিবাসীরা বিনোদন কেন্দ্রে ওয়েটার হিসাবে কাজ করতো বলে মনে করা হচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময়, কেউ কেউ বিনোদন কেন্দ্রে স্থানীয় দর্শনার্থীদের কাছে বান্ধবী হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করেছিল।

    পরিচালক বলেন, এলাকায় অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতি সম্পর্কে জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে দুই সপ্তাহে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের পর রাত সাড়ে ১০ টায় অভিযানটি পরিচালিত হয়।

    তিনি বলেন, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৬(১) (সি) এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এর রেগুলেশন ৩৯(বি) অনুসারে আরও তদন্তের জন্য সেমেনিহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটকদের রাখা হয়েছে।

  • বোরকা নিয়ে সানা-সম্ভাবনার বিতণ্ডা

    বোরকা নিয়ে সানা-সম্ভাবনার বিতণ্ডা

    রূপটানে ব্যস্ত ভোজপুরি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সম্ভাবনা শেঠ। পরনে তার কুর্তি ও পাজামা। সানা খান পরেছেন বোরকা। বান্ধবীর গায়ে ওড়না নেই দেখেই চটে গেলেন সানা।

    সম্প্রতি তাদের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ভিডিওটি সাজঘরের। বান্ধবীর গায়ে ওড়না নেই দেখে চটে সানা বলেন, একটা ভালো সালোয়ার-কামিজ নেই, গায়ে ওড়না চাপা দাও। পারলে ওর জন্য বোরকা আনো। এর উত্তরে সম্ভাবনা জানিয়েছিলেন, তার ওজন বেড়ে যাওয়ায় কোনো পোশাকই গায়ে হচ্ছে না। তবে বিতর্কের সূত্রপাত সানার মন্তব্য ঘিরে।

    প্রশ্ন উঠছে— কেন সম্ভাবনাকে বোরকা পরতে বলা হবে? এই প্রসঙ্গে সম্ভাবনা জানিয়েছেন, সানার সঙ্গে সেই ভিডিও একেবারেই মজার ছলে করা হয়েছে। তিনি একজন ‘গর্বিত হিন্দু’। সামাজিক মাধ্যমে সম্ভাবনা লিখেছেন—সানা ও আমার মধ্যে একেবারেই রসিকতা চলছিল। আমরা বহু বছর ধরে বন্ধু ছিলাম। রমজান উপলক্ষে ওর একটা পডকাস্টে আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। আমি কীভাবে এত ওজন বাড়িয়ে ফেললাম এ নিয়ে কথা হচ্ছিল। তখনই ও মজা করে আমার জন্য একটা ওড়না আনতে বলে।

    সম্ভাবনা আরও বলেন, আমার নিজস্ব মতামত রয়েছে। কেউ জোর করে আমাকে বোরকা পরাতে পারে না। আমি সব ধর্মকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু আমি একজন গর্বিত হিন্দু, আমি বোরকা পরব না।