Author: banglarmukh official

  • জয়ের গন্ধ পাচ্ছেন ইমরান খান!

    জয়ের গন্ধ পাচ্ছেন ইমরান খান!

    পাকিস্তানে আগামী সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের পূর্বে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ।

    ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া এই নেতা বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ‘তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা হারবেন তাদের অতীত কৃতকর্মের জন্য’।

    এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে কিনা সে নিয়ে পাকিস্তানে যে উদ্বেগ রয়েছে তাও তিনি নাকচ করে দিয়েছেন।

    তিনি বলেছেন, অন্য দলগুলো বেশ হঠাৎই বলতে শুরু করেছে যে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে না। এর কারণ হল জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে- পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ এগিয়ে রয়েছে। তারা আসলে ইতিমধ্যেই, ভাগ্যের লিখন দেখতে পাচ্ছে।

    গত পাঁচ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা নওয়াজ শরীফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ দলটির সমর্থক ও দেশটির মানবাধিকার কর্মীরা অভিযোগ করছেন যে ইমরান খানের দলকে জেতাতে দেশটির সেনাবাহিনী নির্বাচনের ফল ‘সাজাচ্ছে’। পাকিস্তানে এবারের নির্বাচনকে মূলত এই দুটি দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা বলে মনে করা হচ্ছে।

    তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের উত্থান মাথায় রেখেই নির্বাচনের প্রচারণা চালিয়েছে তার দল।

    পাকিস্তানের নির্বাচনে ইমরান খান দেশটির দুর্নীতি দমনকে তার প্রধান নীতি হিসেবে ব্যবহার করছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নওয়াজ শরিফকে এমাসের শুরুতে দশ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির দুর্নীতি দমন আদালত।

    জুলাইয়ের ১৩ তারিখ যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেই গ্রেফতার হন নওয়াজ শরীফ ও তার মেয়ে। ওই দিনই তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। গত বছর দুর্নীতির অভিযোগে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন।

    ইমরান খান বেশ কিছুদিন ধরে যে অভিযোগে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা নওয়াজ শরীফের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি করছিলেন, সেই অভিযোগেই তার সাজা হল।

    ইমরান খান আরও বলেছেন, দুর্নীতির কারণে একটি দেশের ব্যয়ভার বহন করার অর্থ থাকে না, মানব উন্নয়নের জন্য অর্থ থাকে না। এ সম্পর্কে এই মামলাটি জনসচেতনতা তৈরি করেছে।

    তবে রাজনীতির বিশ্লেষকরা বলছেন, নওয়াজ শরিফের কারাদণ্ডের পেছনের কারণ আসলে তিনি ক্ষমতায় থাকাকালীন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি ও নিরাপত্তা ইস্যুতে সেনাবাহিনীর সাথে বিবাদে জড়িয়েছিলেন।

    পাকিস্তান রাষ্ট্র জন্মের অর্ধেকটা সময়ই দেশটির সবকিছুর নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করেছে সেখানকার সেনাবাহিনী।

    নওয়াজ শরীফ দাবি করেছেন, তার দল যাতে জয়ী না হয় তাই দেশটির সেনাবাহিনী ভোটের আগেই ‘ফল কারচুপির’ কার্যকলাপে নেমেছে।

    তার দলের বেশ কয়েকজন প্রার্থী অভিযোগ তুলেছেন যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের দল ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছে।

    সাংবাদিকরা দাবি করেছেন, নওয়াজ শরিফ সম্পর্কে কোন ধরনের সহানুভূতি দেখানো প্রতিবেদন না করতে তাদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    লাহোরে একটি সমাবেশে ইমরান খানের সমর্থকরা বলেছেন দুর্নীতির দায়ে যে নওয়াজ শরিফের সাজা হয়েছে, সেদিক থেকে জনগণের মনোযোগ সরিয়ে নিতে এসব গল্প ফাঁদছে তার দল।

    পাকিস্তানে রাজনীতির একটি সংস্কৃতি হল দলের নেতারা বংশগতভাবে এর সাথে জড়িত। ইমরান খানের সেই ইতিহাস নেই। তার দলের ক্ষমতায় থাকারও কোন অভিজ্ঞতা নেই।

    নিয়মিত দল পরিবর্তন করে এমন কিছু ধনী রাজনীতিবিদের সম্প্রতি দলে জায়গা দিয়ে বেশ সমালোচনার শিকার হয়েছেন ইমরান খান।

    কিন্তু এই নেতাদের একটা বিষয় হলো যে দলের হয়েই তারা লড়ুক না কেন তারা বিপুল পরিমাণে ভোটার আকর্ষণ করতে পারেন।

    ইমরান খান তার এই সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেছেন, এরা হলেন এমন নেতা যারা জানে কিভাবে নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করতে হয়।

    তারা দলের মতাদর্শকে কলুষিত করবেন না বলে ইমরান খান দাবি করছেন। তবে কোন দলই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না বলেই জনমত জরিপে ইঙ্গিত মিলছে।

    ইমরান খান স্বীকার করেছেন, যে সে ক্ষেত্রে তাকে জোট সরকার গঠন করতে হতে পারে।

    তবে জারদারি পরিবার পরিচালিত দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি অথবা নওয়াজ শরিফের দলের সাথে জোট গঠন করার সম্ভাবনা তিনি নাকচ করে দিয়েছেন।

    ইমরান খান বলেছেন, তাদের সাথে জোট তৈরি করলে, যে উদ্দেশ্য নিয়ে আপনি ক্ষমতায় যাচ্ছেন তা পরাজিত হবে।-বিবিসি

  • ১২০ নারীকে ধর্ষণের দায়ে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত গ্রেফতার

    ১২০ নারীকে ধর্ষণের দায়ে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত গ্রেফতার

    এ যেন আরেক বাবা রামরহিম। নিজের আশ্রমে একাধিক নারী ভক্তকে যৌন নির্যাতন করত স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভারতের হরিয়ানার রামরহিম। আপাতত জেলে বন্দি সে। কিন্তু সেই হরিয়ানায় খোঁজ মিলল একইরকম আরও এক পাষণ্ডের। একজন বা দু’‌জন নয়, ১২০ জন নারীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল হরিয়ানার ফতেহাবাদের বাবা বালকনাথ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত বাবা অমরপুরিকে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই পুরোহিতের কুকীর্তির ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই গতকাল শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ইতিমধ্যে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। জানা গেছে, প্রত্যেকটি ভিডিও পৃথক পৃথক মহিলার। ওই পুরোহিতের কড়া শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।

    ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘‌আমরা মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছি। আমরা ওই পুরোহিতের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কিছু আপত্তিকর জিনিসও উদ্ধার করেছি।’‌

    জানা গেছে, বাবা অমরপুরি নামে সেই পাষণ্ড অন্তত ১২০ জন নারীকে ধর্ষণ করেছে এবং সেগুলি ক্যামেরাবন্দি করে রাখে। এরপর মাঝেমধ্যেই ওই ভিডিওগুলির সাহায্যে সেই নারীদের ব্ল্যাকমেল করত সে। ইতিমধ্যে পুলিশ সেই ভিডিওগুলি উদ্ধার করেছে।

  • ‘মিস ইন্ডিয়া’ জেতার মতো গায়ের রং ছিল না প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার!

    ‘মিস ইন্ডিয়া’ জেতার মতো গায়ের রং ছিল না প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার!

    বিশ্ব সন্দুরী প্রতিযোগিতায় ২০০০ সাল ছিল ভারতের জন্য সব থেকে স্মরণীয় একটি বছর। কারণ, এই সময়ে আন্তর্জাতিক স্তরের তিনটি খেতাবই যে এসেছিল ভারতের ঘরে। ‘মিস ইউনিভার্স’ লারা দত্ত ও ‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক’দিয়া মির্জার পাশাপাশি ‘মিস ওয়ার্ল্ড’-এর শিরোপাও উঠেছিল ভারতীয় কন্যা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার মাথায়।

    কিন্তু, প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার এই জয়-পরাজয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল দেশের মাটিতেই। সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর খবর, ২০০০ সালের ‘মিস ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতার এক জুরি বোর্ডের সদস্য প্রিয়াঙ্কা সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন যে তাঁর গায়ের রং বেশ কালো। এবং এই কথা প্রকাশ করেছেন প্রদীপ গুহ নামে ওই প্রতিযোগিতার এক মেন্টর।

    সংবাদ প্রতিবেদনে প্রদীপ গুহ আরও বলেন, প্রতিযোগিতার প্রথম থেকে অনেকেই প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে ছিলেন। এবং জনৈক মেন্টর তাঁর গায়ের রং নিয়ে মন্তব্য করায় প্রতিবাদও করেছিলেন প্রদীপ গুহ।

    আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই অসীম ছাবড়ার লেখা ‘প্রিয়ঙ্কা চোপড়া: দ্য ইনক্রেডিবল স্টোরি অফ আ গ্লোবাল বলিউড স্টার’ নামে প্রিয়াঙ্কার একটি ‘আনঅফিসিয়াল বায়োগ্রাফি’ প্রকাশিত হবে। এই তথ্য সেই বই থেকেই সংগৃহীত। সূত্র: এবেলা

  • গণসংবর্ধনা মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

    গণসংবর্ধনা মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

    দেশের উন্নয়নে অনন্য অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এরইমধ্যে যোগ দিয়েছেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা ঘিরে দুপুর থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘিরে ঢল নামে নেতাকর্মীদের। বেলা ১২টা থেকে নেতাকর্মীদের প্রবেশের জন্য মূল সমাবেশস্থলের গেট খুলে দেয়া হয়।

    সংবর্ধনায় যোগ দিতে সকাল থেকেই রাজধানীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে জড়ো হয়েছেন বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে খন্ড খন্ড মিছিলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিভিন্ন ফটকের সামনে অবস্থান নেন তারা।

    সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় সংবর্ধনার আনুষ্ঠানিকতা। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণ, পদ্মা সেতুসহ দেশের উন্নয়নে অনন্য ভূমিকার জন্যই এই আয়োজন ক্ষমতাসীন দলের। কর্মসূচি ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

  • ভোট কারচুপি করা হলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে-নোমান

    ভোট কারচুপি করা হলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে-নোমান

    শেখ সুমন :

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ধানের শীষের মনোনিত প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ারের সমর্থনে নগরীর বিভিন্ন অলিগলিতে প্রচার-প্রচারনায় অংশ নিয়েছে কেন্দ্রীয় বিএনপি উচ্চ প্রর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    আজ শনিবার (২১ই) জুলাই সকাল ১১টায় নগরীর কাশীপুর বাজারের ধানে শীষের প্রচার কালে ইলেক্টনিক্স ও গনমাধ্যমেকে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ-আল-নোমান বলেন, বরিশাল সিটি নির্বাচনে কোন প্রকার ভোট কারচুপি করা হলে এখান থেকে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে।
    তিনি বলেন নির্বাচন কমিশন আমাদের সমান সুযোগ দিচ্ছে না।সরকারী দলের প্রার্থীর সমর্থকরা মিছিল সহ অতিরিক্ত সময় নষ্ঠ করে মিটিং করছে সেখানে কোন ধরনের বাধা নেই আমাদের নির্ধারিত সময়ের আগেই আমাদের সভা বন্ধ করে দিচ্ছে।
    ভাইস চেয়ারম্যান নোমান আরো বলেন খুলনা ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনে যে অনিয়ম হয়েছে নির্বাচন কমিশন তা স্বীকার করে নিয়েছে।আমরা চাই একটি সুষ্ঠ,সুন্দর নির্বাচন।
    নোমান আরো বলেন বরিশালে নির্বাচন কমিশন যেভাবে কথা বলেছে পুলিশ প্রশাসন সহ সরকারী কর্মকর্তারা সঠিকভাবে দায়ীত্ব পালন না তারা আমাদের কাজে বাধা প্রদান করার কাজে ব্যস্থতা দেখাচ্ছে।
    আমরা বলতে চাই নির্বাচন কমিশন মাহাবুব তালুকদার প্রার্থীদের উপস্থিতিতে যে কথা বলেছে তা যদি সঠিক ভাবে তার ওয়াদা পালন করে তাহলে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করবে।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান,কেন্দ্রীয় বিএনপি সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য মেজবা উদ্দিন ফরহাদ,মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম লাবু,সাধারন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন দিপেন,নুরুল আলম রাজু,আসাদুজ্জামান মুক্তা সহ হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জের বিএনপি ও দলীয় অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ধানের শীষ মার্কার সমর্থনে লিফলেট বিতরন ও গনসংযোগ করেন।
    এর পূর্বে আবদুল্লাহ আল নোমান ও সেলিমা রহমান কাশীপুর বাজারে আসার পূর্বে এয়ারপোর্ট থানার এস আই অরবিন্দ চার/পাঁচজন করে গনসংযোগ করার নির্দেশ দেন।
    পরে তারা কাশীপুর বাজার,সহ ফিসারীরোড, সহ ২৮ নংওয়ার্ড থেকে শুরু করে উক্ত এলাকার বাসাবাড়ি পথচারীদের কাছে ধানের শীষ মার্কায় ভোট প্রত্যাশা করেন।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচন : প্রার্থী ও সমর্থক পরস্পর বিরোধী বক্তব্য

    বরিশাল সিটি নির্বাচন : প্রার্থী ও সমর্থক পরস্পর বিরোধী বক্তব্য

    শেখ সুমন :

    আগামী ৩০ জুলাই বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনের প্রচারণার চালানেরা আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বলেছেন জনগণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। বরিশালে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    অন্যদিকে হাত পাখার সমর্থক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)দুর্নীতিগ্রস্ত ও অসাধুদের কবলে বলে মন্তব্য করেছেন।

    সাদিক আবদুল্লাহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে বলেছেন, ‘নৌকা প্রতীক নিয়ে জনগণের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে নৌকার বিজয় হবে ইনশাল্লাহ। এখন পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণার মাঠে সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করছে।’ এসময় তার সঙ্গে ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. সাইদুর রহমান রিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীরসহ নেতা-কর্মীরা ।

    সাদিক আবদুল্লাহ বলেন,‘বিরোধীরা মুখে মুখে অভিযোগ অনেক করলেও তারা লিখিত অভিযোগ দেন না। তারা লিখিত অভিযোগ দিলে নির্বাচন কমিশনসহ প্রশাসন বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখতে পারতো। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী হওয়ায় বিরোধী প্রার্থীদের ইঙ্গিত শুধু আমার ওপরেই আসে। এজন্য আমার নিজের ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ইভিএমের জন্য আবেদন করেছি। ‘

    অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) হাতপাখা প্রতীকের মেয়র প্রার্থীর এক পথসভায় বলেন,‘দুর্নীতিগ্রস্ত বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অসাধুদের কবলে। স্থানীয় উন্নয়নে ব্যাপক বরাদ্দ থাকলেও তা বাস্তবায়ন শূন্যের কোঠায়। প্রত্যেক নির্বাচনে অনেক টাকার বাজেট হয়, কিন্তু সরকারের সে টাকা দিয়ে সরকার দলীয় প্রার্থীদের প্রোটেকশন দেওয়া হয়, যা খুলনা-গাজীপুরের নির্বাচনে লক্ষণীয়।

    তিনি আরও বলেন,‘সরকার জনগণের নয়, দলীয় নেতাকর্মীদের কল্যাণে কাজ করে। ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী বিজয়ী হলে জনগণের টাকা কোনও নেতাকর্মীর পকেটে যাবে না, জনকল্যাণের জন্যই ব্যয় হবে, ইনশাআল্লাহ। সভায় হাতপাখা মার্কার মেয়র প্রার্থী ওবাইদুর রহমান মাহবুব ও রাজনীতিবিদ ডা. সিরাজুল ইসলাম সিরাজীসহ অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচন : অস্বস্তিতে সাদিক-সরোয়ার

    বরিশাল সিটি নির্বাচন : অস্বস্তিতে সাদিক-সরোয়ার

    শেখ সুমন :

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠতে পারেন তিন প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপির জন্য অস্বস্তি হতে পারেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুর রহমান। তিনি হাতপাখা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। আর আওয়ামী লীগকে অস্বস্তিতে ফেলতে পারেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন ও বাসদের প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী। ইকবালের প্রতীক লাঙ্গল এবং মনীষার প্রতীক মই।

    অবশ্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা তা মনে করেন না।

    বিএনপির শক্ত অবস্থান হিসেবে পরিচিত বরিশালে ইসলামী আন্দোলনও কম শক্তিশালী নয়। ২০০৮ সালে বরিশাল সদরে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির সৈয়দ ফায়জুল করীম প্রায় ২৮ হাজার ভোট পেয়েছিলেন। দলটির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত চরমোনাই পীর সৈয়দ ফজলুল করীমের বাড়ি বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাইয়ে। এ জন্য বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে ভোটের মাঠে দলটির ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

    ইসলামী আন্দোলনের নেতারা মনে করেন, গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়ে ইসলামী আন্দোলন তৃতীয় হয়েছে। বরিশালেও তাঁরা ভালো ভোট পাবেন বলে আশা করছেন।

    স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বলছে, ইসলামী আন্দোলন যে ভোট টানবে, তা মূলত যেত বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে। এ কারণে বরিশালে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারকে অস্বস্তিতে ফেলতে পারেন।

    ইসলামী আন্দোলনের বরিশাল নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া হামিদী এমন ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘আমরা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে কাজ করছি। আমাদের ৪০ হাজারের বেশি নিজস্ব ভোট আছে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—উভয় দলেই আমাদের পীর সাহেবের মুরিদ আছেন। নগরের আলেম-ওলামা, ইমাম-মুয়াজ্জিন সবাই এক হয়ে কাজ করছেন। সুষ্ঠু ভোট হলে আমাদের প্রার্থী জয়ী হবেন।’

    মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুল হক অবশ্য এমনটা মনে করেন না। তাঁর মতে, দেশের রাজনীতিতে এখন চরম ক্রান্তিকাল চলছে। এ জন্য ইসলামি ও জাতীয়তাবাদী মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষ এখন গণতন্ত্র, ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের চিন্তার জায়গা থেকে বিএনপির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ। তাই এই নির্বাচনে বিএনপির ভোট ভাগাভাগির কোনো সুযোগ নেই। এ নিয়ে তাঁদের কোনো অস্বস্তিও নেই। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা গেলে বিএনপির জয় নিশ্চিত।

    অস্বস্তি তৈরি করতে পারেন ইকবাল ও মনীষাও

    সরকারের অংশ হওয়ায় জাপার নেতা-কর্মীরা হয়রানির মধ্যে নেই। এটিকে সুবিধা হিসেবে নিচ্ছেন জাপার প্রার্থী ইকবাল। তরুণ এই প্রার্থী সরকারের বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়ম তুলে ধরে আধুনিক বরিশাল গড়ার প্রতিশ্রুতি জানিয়ে ভোট চাচ্ছেন। জাপার নেতারা মনে করছেন, তাঁদের প্রার্থী আওয়ামী লীগের প্রার্থীরই ভোট টানবেন। কারণ, জোট হিসেবে ভোট করলে এই ভোট আওয়ামী লীগের প্রার্থীই পেতেন। ফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেরনিবিয়াত সাদিক আবদুল্লাহর জন্য লাঙ্গল অস্বস্তির কারণ হয়ে ওঠার সুযোগ আছে।

    বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাংগঠনিক অবস্থা বরিশালে তেমন ভালো নয়। তবে এই দলের মনোনীত প্রার্থী চিকিৎসক মনীষা চক্রবর্তী সম্প্রতি বরিশালের বস্তি, শ্রমজীবী তথা প্রান্তিক দরিদ্র মানুষের মধ্যে বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন। দরিদ্র মানুষকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়ায় তিনি গরিবের ডাক্তার হিসেবেও খ্যাতি পেয়েছেন। দরিদ্র মানুষ মাটির ব্যাংকে সঞ্চিত অর্থ দিয়ে মনীষার নির্বাচনী ব্যয়ে অংশ নিয়েছেন। ভোটের রাজনীতিতে এর প্রতিফলন ঘটলে তিনি বেশ ভালো ভোট টানতে সক্ষম হবেন বলে বাসদের নেতারা মনে করছেন।

    দরিদ্র ও প্রান্তিক আয়ের মানুষের ভোটের বড় অংশই আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক হিসেবে এত দিন পরিচিত ছিল। ফলে মনীষাও আওয়ামী লীগের প্রার্থীর অস্বস্তির কারণ হতে পারেন।

    তবে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতারা বলছেন, জাপা প্রার্থী যে ভোট পাবেন, তা আওয়ামী লীগের নয়, বরং বিএনপির। আর মনীষা চক্রবর্তী ব্যক্তি হিসেবে সাম্প্রতিক কিছু বিষয়ে আলোচনায় এলেও সেটা ভোটের মাঠে তেমন প্রভাব ফেলবে না।

    বাসদের জেলা আহ্বায়ক ইমরান হাবিব এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘মূলত আমরা একটি পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ধারার মধ্যে থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। এখানে কার কী ক্ষতি হবে, সেটা বিবেচ্য নয়। কারণ, বাসদ একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক সংগঠন। আমরা বলতে পারি, সাধারণ মানুষের মধ্যে আমরা যে রকম আন্তরিক সাড়া পাচ্ছি, তাতে সুষ্ঠু ভোট হলে আমরা জয়ী হতে পারি। কারণ, এখানে প্রায় ৩১ হাজার তরুণ-মধ্যবিত্ত ভোটার। মনীষা চক্রবর্তী এই ভোটারদের আকৃষ্ট করতে পেরেছেন।’

    তবে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী বলেন, নগরের ভোটারদের মধ্যে এবার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে উন্নয়ন ইস্যু। আর এটা এখন পরিষ্কার যে উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। এই ধারণা ভোটারদের মধ্যে পোক্ত হয়ে গেছে। সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের ভোটে কারও ভাগ বসানোর সুযোগ নেই। তিনি বলেন, বরিশাল নগরে ভোটের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টির প্রভাব সীমিত। পাশাপাশি বাসদের প্রার্থী নানা কারণে কিছুটা পরিচিতি পেয়ে আলোচনায় আছেন। সেটা ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগের জন্য কোনো প্রভাব ফেলার মতো কিছু নয়।

  • ধর্ষকের বিচারের দাবীতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন জননী

    ধর্ষকের বিচারের দাবীতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন জননী

    বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাসের পর প্রেমিক বিয়ে করতে অস্বীকার করায় ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন দুই সন্তানের জননী। তিনি এখন ধর্ষকের বিচারের দাবীতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। প্রেমিকের প্রলোভনে স্বামীকে তালাক দিয়ে দু’কূলই হারিয়েছেন অসহায় ওই নারী। বর্তমানে ওই নারী তার প্রেমিক মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের চরকমিশনার এলাকার আঃ রশিদ ওরফে হিরা সরদারের পুত্র সাইফুল সরদারের পাশ্ববর্তী বাড়িতে অবস্থান করে বিভিন্ন মানুষের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন। কিন্তু কেহই ওই নারীর বিষয়ে সমাধান দিতে পারছে না।

    থানা পুলিশও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছে না বলে জানিয়ে দেওয়ায় ওই নারীর আদালতে শরনাপন্ন হওয়া ছাড়া কোনো উপায় দেখছে না কেউ। কিন্তু আদালতে সমাধান পাওয়া সময় সাপেক্ষ হওয়ায় ধর্ষিতা নারী স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছেন। কিন্তু ধর্ষক প্রেমিক প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। এছাড়া প্রেমিক দুই সন্তানের জননীকে অব্যহত হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়া করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    দুই সন্তানের জননী জানান প্রায় দের বছর আগে মুলাদী উপজেলার দক্ষিণ কাজিরচর গ্রামের হুমায়ুন সিকদারের মাধ্যমে চরকমিশনার গ্রামের আঃ রশিদ ওরফে হিরা সরদারের পুত্র সাইফুল সরদারের সাথে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সাইফুল বিয়ের আশ্বাসে ওই গৃহবধুকে দিয়ে তার স্বামীকে তালাক দেওয়ায়। পরে সাইফুল ওই নারীকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায়। তিন মাস ধরে সাইফুল বরিশাল সদরের কাউনিয়া এলাকায় বাসা ভাড়া করে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তাকে নিয়ে বসবাসও করে। গত এক সপ্তাহ ধরে সাইফুল বিয়ে নিয়ে তালবাহানা শুরু করে এবং মোবাইল ফোন বন্ধ করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

    সাইফুলের খোঁজে ওই গৃহবধু মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে কাজিরচর ইউনিয়নের চরকমিশনার গ্রামের আলহাজ্ব আবুল সরদারের বাড়িতে আসলে সে তাকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে নিয়ে আসে। ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মন্টু বিশ্বাস তাকে মুলাদী থানায় পাঠায়। থানা পুলিশ মামলা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে ওই গৃহবধু পুনঃরায় কাজিরচর এলাকায় গিয়ে প্রেমিক সাইফুল সরদারের সহযোগী হুমায়ুন সিকদারের বাড়িসহ বেশ কয়েকটি বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এরির্পোট লেখা পর্যন্ত ওই নারী চরকমিশনার এলাকায় অবস্থান করছিলো।

  • টস’ করে অপরাধীকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নিল পুলিশ! (ভিডিও)

    টস’ করে অপরাধীকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নিল পুলিশ! (ভিডিও)

    ইউরোপের একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র জর্জিয়া। আর সেই জর্জিয়ার ঘটল এই হাস্যকর ঘটনা৷ সেই ঘটনার জেরে দুই নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্তও করা হয়েছে৷

    ঘটনা হল, এক নারীকে আটকানো হয়েছিল গাড়ি দ্রুত চালানোর অপরাধে৷ সেই দুই নারী পুলিশ কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলেন না ২৪ বছরের এক নারীকে আদৌ গ্রেফতার করা হবে নাকি হবেনা৷ তাই সিদ্ধান্ত নিতে তারা ‘টস’ করেছিলেন।

    জানা গেছে, সেই ২৪ বছর বয়সী নারীকে দাঁড় করানো হয়েছিল গত এপ্রিল মাসে৷ তিনি সেসময় অফিস যাচ্ছিলেন এবং তিনি কর্মস্থলে পৌঁছানোর জন্য বের হতে দেরি করে ফেলেছিলেন৷ এরপর তিনি ১৩০ কিমি (৮০ মাইল) প্রতি ঘন্টার গতিবেগে যাচ্ছিলেন৷

    পুলিশ সূত্রে খবর, সেই গতিবেগে যাওয়ার ভিডিও ফুটেজ একটি স্থানীয় টিভি চ্যানেলেও দেখানো হয়৷ সেই দুই নারী পুলিশ কর্মকর্তা সেই সময় আলোচনা করেন গাড়ির ড্রাইভার সারাহ ওয়েবকে স্পিড টিকিট দিয়ে ছেড়ে দেওয়া উচিত নাকি বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অপরাধে গ্রেফতার করা উচিত৷

    সেই সময় তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধায় ভুগছিলেন৷ তাই তারা সিদ্ধান্ত নেন একটি পয়সা নিয়ে টস করা হোক৷ “হেড পড়লে গ্রেফতার আর টেল পড়লে ছেড়ে দেওয়া৷” অফিসার কুর্টনি ব্রাউন কয়েন বের করেন এবং হাওয়ায় ছুঁড়ে দেন টস করতে৷ পয়সা পড়ে তার মোবাইল ফোনের ওপর এবং ওয়েবের বিপক্ষে যায় টস৷

    এরপর ব্রাউন এবং আরেক পুলিশ অফিসার ক্রিস্টি উইলসন আলোচনা করে ভিডিও দেখে সারাহ ওয়েবের বিরুদ্ধে চার্জ লিখতে শুরু করেন৷ গত ৯ই জুলাই আদালতে শুনানির দিন তাঁর বিরুদ্ধে সব চার্জ তুলে নেওয়া হয়৷ তিনি মুক্তি পান৷ এরপর ওয়েব বলেন, “আমি আতঙ্কিত৷ কোনও ব্যক্তির গ্রেফতারের মত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা কি করে এত তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে৷”

    রসওয়েল পুলিশ বিভাগের চিফ রাসটি গ্রান্ট জানান এরপরই তদন্ত শুরু হয় এবং দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে৷

  • বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবার, সদস্য ৩৪৬!

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবার, সদস্য ৩৪৬!

    বৃদ্ধ পাভেল সিমিনইয়ুক। বসবাস করেন দক্ষিণ ইউক্রেনের দ্রোবোস্লাভে। তার পরিবারের সদস্য ৩৪৬! এতো বড় পরিবার পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন ৮৭ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধ।

    তিনি দাবি করেছেন, তার পরিবার পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরিবার। কারণ ৩৪৬ জন সদস্য নিয়ে তার বসবাস। তিনি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ পরিবারের জন্য আবেদনও করেছেন।

    ইউক্রেনের এ বাসিন্দার সন্তান ১৩ জন, নাতি-নাতনি ১২৭ জন, নাতি-নাতনির সন্তান ২০৩ জন এবং নাতি-নাতনির সন্তানের সন্তান ৩ জন। এ নিয়ে সর্বমোট ৩৪৬ জন সদস্য নিয়ে তার বসবাস।

    বিশাল এ পরিবারের কর্তা সাবেক নির্মাণ শ্রমিক। তিনি বলেন, এতো বড় পরিবার পেয়ে আমি ভাগ্যবান। কিন্তু মুশকিল হলো, পরিবারের প্রত্যেকের নাম মনে রাখা খুব কঠিন।

    পাবেল জানান, প্রত্যেক বছর তার পরিবারের কোনো সদস্য নতুন পরিবার গঠন করেন। তাই তার নির্মাণ ব্যবসায় লোকের অভাব হয় না।

    দেশটির জাতীয় নিবন্ধন সংস্থার প্রধান লানা ভেদরোভা বলেন, এরকম পরিবারের সংখ্যা পৃথিবীতে নেই বললেই চলে। এর আগে অবশ্য ১৯২ সদস্য নিয়ে ভারতের একটি পরিবার গিনেস বুকে রেকর্ড করে।-ডেইলি মেইল