Category: জাতীয়

  • অবশেষে জামিন পেলেন অভিনেত্রী নওশাবা

    অবশেষে জামিন পেলেন অভিনেত্রী নওশাবা

    তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ জামিন পেয়েছেন। পাঁচ হাজার টাকা মুচলেখা দিয়ে জামিন পেলেন এ অভিনেত্রী।

    মঙ্গলবার (২১ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাসের আদালতে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ হাজার টাকা মুচলেখায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।

    উত্তর পশ্চিম থানার আদালতের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা মকবুলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মমলাটি ধার্য তারিখ পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।

    এর আগে শুক্রবার (১০ আগস্ট) ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম আমিরুল হায়দার চৌধুরী। রোববার (৫ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হকের আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, শনিবার (৪ আগস্ট) কাজী নওশাবা নিজের ফেসবুক থেকে অত্যন্ত আবেগী কণ্ঠে লাইভ ভিডিও সম্প্রচার করে বলেন যে, ‘জিগাতলায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করিয়া একজনের চোখ উঠাইয়া ফেলেছে এবং চারজনকে মেরে ফেলেছে। আপনারা যে যেখানে আছেন কিছু একটা করেন।’

    তার এ আহ্বান মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়। এতে জনমনে আতঙ্ক ও বিদ্বেষ ছড়ে পড়ে। বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা তার এই মিথ্যা প্রপাগান্ডার উৎস জানতে ফোন করলে তিনি তার স্বপক্ষে সঠিক কোনো উত্তর দিতে পারেননি। ওই সময় জিগাতলায় এ ধরনের কোনো ঘটনাও ঘটেনি।

    এ ঘটনায় রোববার (৫ আগস্ট) র‌্যাব-১ এর ডিএপি আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ সালের ৫৭(২) ধারায় রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি করেন।

  • রক্তাক্ত ২১ আগস্ট, ভয়াল ২১ আগস্ট।

    রক্তাক্ত ২১ আগস্ট, ভয়াল ২১ আগস্ট।

    -কলঙ্কিত আরেক অধ্যায় ২১ আগস্ট

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার কলঙ্কিত অধ্যায়ের পর আরেকটি রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত
    অধ্যায় ২১ আগস্ট।

    ২০০৪ সালের এই দিনে ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ওপর গ্রেনেড হামালা চালানো হয়।

    বর্বরোচিত সেই হামলার প্রধান টার্গেট ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নারী নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন, সেই হামলায় শেখ হাসিনাসহ ৫ শতাধিক মানুষ আহত হন।

    দেশের বিভিন্ন স্থানে বোমা হামলা এবং তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশ ও শোভাযাত্রার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ।

    সেদিন বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ওই সমাবেশে খোলা ট্রাকের ওপর স্থাপিত উন্মুক্ত মঞ্চে বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে বক্তব্য শেষ করে শেখ হাসিনা সন্ত্রাসবিরোধী শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করবেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই অতর্কিতে গ্রেনেড বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে গোটা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ, গুলিস্তান, পুরানা পল্টন এলাকা ও এর আশপাশের এলাকা।

    চারদিক থেকে সভাস্থলে গ্রেনেড এসে পড়তে থাকে, মুহূর্তের মধ্যে সমাবেশ রক্তাক্ত হয়ে পড়ে, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ পরিণত হয় মৃত্যুর জনপদে।

    শত শত মানুষের আর্তচিৎকার, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকা ছিন্নভিন্ন দেহ, রক্ত আর বারুদের পোড়া গন্ধে বীভৎস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় গোটা পল্টন এলাকাজুড়ে। সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা আহতদের সাহায্য করার পরিবর্তে ভীত-সন্ত্রস্ত এবং আহত মানুষের ওপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।

    বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সেই গ্রেনেড হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের আঘাতে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি (দলের তৎকালীন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য) মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী ও আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন এই হত্যাযজ্ঞ থেকে রক্ষা পাননি। গ্রেনেড বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দে শেখ হাসিনার কানের শ্রবণশক্তি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘদিন তাকে শ্রবণজনিত সমস্যায় ভুগতে হয়।

    গ্রেনেড বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাকে রক্ষা করার জন্য ট্রাকের ওপর মানববর্ম রচনা করেছিলেন আওয়ামী লীগের নেতারা। সেই হত্যাযজ্ঞ থেকে দলের নেত্রীকে বাঁচাতে মরিয়া নেতাকর্মীরা মানববর্ম দিয়ে আড়াল করে তাকে দ্রুত গাড়িতে তুলে দেন।

    কিন্তু বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ থেকে বের হওয়ার পথেই শেখ হাসিনার বুলেট প্রুফ মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়িতেও ঘাতকরা অবিরাম গুলিবর্ষণ করে, গ্রেনেড হামলায় ২৩ জন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    গুরুতর আহত অবস্থায় আইভি রহমান সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে ২৪ আগস্ট শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    ২১ আগস্টের সেই গ্রেনেড হামলায় যারা নিহত হন- মোস্তাক আহমেদ সেন্টু, ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রশীদ, রফিকুল ইসলাম আদা চাচা, সুফিয়া বেগম, হাসিনা মমতাজ রীনা, লিটন মুন্সী ওরফে লিটু, রতন সিকদার, মো. হানিফ ওরফে মুক্তিযোদ্ধা হানিফ, মামুন মৃধা, বেলাল হোসেন, আমিনুল ইসলাম, আবদুল কুদ্দুস পাটোয়ারী, আতিক সরকার, নাসিরউদ্দিন সরদার, রেজিয়া বেগম, আবুল কাসেম, জাহেদ আলী, মমিন আলী, শামসুদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, ইছহাক মিয়া এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো দুজন।

    আহতের মধ্যে ছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি (দলের তৎকালীন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য) জিল্লুর রহমান, তৎকালীন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

    দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়ে আহতদের অনেকে সুস্থ হলেও অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করে বেঁচে আছেন।

  • সিদ্ধিরগঞ্জে ডিবির বরখাস্ত পলাতক এএসআই ইয়াবার চালানসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

    সিদ্ধিরগঞ্জে ডিবির বরখাস্ত পলাতক এএসআই ইয়াবার চালানসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

    নারায়ণগঞ্জ ইয়াবা ও মাদক বিক্রির টাকাসহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বরখাস্ত ও পলাতক এক সাবেক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জে মো. সালাউদ্দিনকে (৩৮)

    এক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১০ হাজার ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ২ লাখ ৮৩ হাজার ৩৫০ টাকা, ডিবি পুলিশের একটি জ্যাকেট, পুলিশের আইডি কার্ড এবং তাঁর ব্যবহৃত সাদা রঙের প্রাইভেট কার জব্দ করেছে। আজ মঙ্গলবার ভোর পৌনে চারটার দিকে মৌচাক এলাকা থেকে র‌্যাব তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

    আজ দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীনগর এলাকায় র‌্যাব–১১–এর সদর দপ্তরে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আশিক বিল্লাহ্ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান, মশিউর রহমান প্রমুখ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ডিবি পুলিশের বরখাস্ত এএসআই সালাউদ্দিন এবং তাঁর গাড়িচালক রনি (৩২)।

    সংবাদ সম্মেলনে মেজর আশিক বিল্লাহ জানান, টেকনাফ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান গ্রহণ করতে বরখাস্ত সালাউদ্দিন সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় অবস্থান করছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১–এর একটি দল ভোর পৌনে চারটার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ মৌচাক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাদা প্রাইভেট কারসহ পলাতক মাদক ব্যবসায়ী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বরখাস্ত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সালাউদ্দিন ও তাঁর গাড়ির চালক মো. রনিকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁর গাড়ি তল্লাশি চালিয়ে ১০ হাজার ইয়াবা বড়ি, মাদক বিক্রির নগদ ২ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা, একটি পুলিশের আইডি কার্ড ও চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

    প্রাথমিক অনুসন্ধানে গ্রেপ্তার আসামি এএসআই সালাউদ্দিন স্বীকার করেন, নারায়ণগঞ্জ ডিবিতে থাকা অবস্থায় তাঁর সঙ্গে টেকনাফের কিছু মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর টেকনাফ থেকে নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা আমদানি করে নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ ও বিক্রি করতেন এ ছাড়া এএসআই সালাউদ্দিন আরও জানান, তিনি বিভিন্ন এলাকায় ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নিতেন এবং সেই বাসা ব্যবহার করে তাঁর গাড়িচালক রনি ও অন্য সহযোগীদের মাধ্যমে ইয়াবা মজুত ও বিক্রি করতেন।

    এর আগে গত ২৩ জুলাই র‌্যাব-১১–এর একটি অভিযান দল সিদ্ধিরগঞ্জ থানার কদমতলী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে এএসআই সালাউদ্দিনের ভাড়া বাসা থেকে ৫ হাজার ৬০০ ইয়াবা বড়ি ও মাদক বিক্রির ৯ লাখ ৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে। এ সময় সালাউদ্দিনের সহযোগী সুমনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এ ব্যাপারে র‌্যাব বাদী হয়ে মামলা করে। ওই মামলার পর থেকে সালাউদ্দিন পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তার সুমনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, র‌্যাব ওই দিনই সিদ্ধিরগঞ্জ থানার কদমতলী এলাকায় ফ্রেন্ডস টাওয়ার ও সদর থানার নগরখানপুর এলাকায় ডিবির বরখাস্ত এএসআই সালাউদ্দিনের দুটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার ৬২০টি ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ৯ লাখ ৪০০ টাকা উদ্ধার করে। তাঁর বিরুদ্ধে আরও দুটি মাদকের মামলা রয়েছে। ডিবি পুলিশ থেকে বরখাস্ত হওয়ার পরও সালাউদ্দিন নিজেকে ডিবির এএসআই পরিচয় দিয়ে মাদক ব্যবসাসহ আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। তিনি জানান, এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

    এদিকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে প্রায় আট মাস আগে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) থেকে বরখাস্ত হন এএসআই সালাউদ্দিন। এরপর থেকে সালাউদ্দিন পলাতক। পলাতক হলেও তিনি নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়াতেন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে সালাউদ্দিন স্যার ও ডিবি স্যার হিসেবে চিনত।

  • নরসিংদীতে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে নিহত ১১

    নরসিংদীতে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে নিহত ১১

    নরসিংদীর বেলাবো উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও লেগুনার সংঘর্ষে ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন পাঁচজন। আজ সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার জঙ্গুয়ার এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    ১১ জন মানুষের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ভৈরব হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই আটজন, নরসিংদী জেলা হাসপাতালে একজন এবং স্থানীয় হাসপাতালে দুজন মারা গেছেন।

    নিহত ব্যক্তিরা হলেন সিলেটের আজমেরীগঞ্জের আবুল হোসেন (৫৫), আবদুল মিয়া (২৪) ও মোবারক হোসেন (২৮); সুনামগঞ্জ জেলার সুজন (৩০) ও তাঁর স্ত্রী (২৪) এবং লেগুনার চালক অলিউর রহমান। নিহত অন্য লোকজনের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    পুলিশ, স্থানীয় লোকজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভৈরব থেকে ছেড়ে আসা ঢাকার মহাখালীগামী ঢাকা বস পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা ভৈরবগামী যাত্রীবাহী একটি লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আটজন নিহত হন। আহত লোকজনকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    বেলাব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদ বলেন, বেলাব থানার পুলিশ, ভৈরব হাইওয়ে পুলিশ ও নরসিংদীর ফায়ার সার্ভিস হতাহত লোকজনকে উদ্ধারে কাজ করছে।

  • পিরোজপুরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    পিরোজপুরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাব-৮ এর অভিযানে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে মোঃ আবুল হোসেন(৩৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৪৪ পিচ ইয়াবাসহ আটক করেছে। গতকাল শুক্রবার রাত ১০টায় ভান্ডারিয়া-মঠবাড়িয়াগামী পাকা রাস্তার পশ্চিম পার্শ থেকে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাব-৮ এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    আটক আবুল হোসেন দক্ষিণ ভান্ডারিয়া এলাকার মৃত আলী আহম্মদের ছেলে। র‌্যাবের বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানাধীন কানুয়া সাকিনস্থ কাজী বাড়ি মসজিদের অনুমান ৩শ গজ উত্তরে ভান্ডারিয়া-মঠবাড়িয়াগামী পাকা রাস্তার পশ্চিম পার্শ্বে মাদক জাতীয় দ্রব্য ক্রয় বিক্রয় করছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের আভিযানিক দলটি ১৭ আগষ্ট ২০১৮ তারিখ আনুমানিক ২১.৫৫ ঘটিকায় কৌশলগতভাবে ঘটনাস্থলের সন্নিকটে পৌছলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা আবুল হোসেনকে আটক করে।

    এ সময় তার দেহ তল্লাশী করে ৪৪ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাব-৮ এর ডিএডি একেএম আবু হোসেন শাহরিয়ার বাদী হয়ে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানায় একটি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।

  • বরিশালে উপজেলা চেয়ারম্যনের ভাই যুবলীগ নেতা ইয়াবাসহ আটক

    বরিশালে উপজেলা চেয়ারম্যনের ভাই যুবলীগ নেতা ইয়াবাসহ আটক

    ইয়াবা বিক্রির সময় বরিশালের হিজলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপাতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ টিপুর ছোট ভাই যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসানকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তার সহযোগী মো. কালাম ওরফে কালু হাওলাদারকেও (৪০) গ্রেফতার করা হয়।

    মামলা দায়েরের পর সোমবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে রোববার রাতে হিজলা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রাম থেকে তাতে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের হাসান মাহমুদ সিকদারের ছেলে ও তার সহযোগী মো. কালাম ওরফে কালু একই গ্রামের জমশেদ হাওলাদারের ছেলে।

    হিজলা থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাকসুদুর রহমান জানান, নরসিংহপুর গ্রামে ইয়াবা কেনাবেচা হচ্ছে এমন সংবাদে পুলিশ সদস্যরা রোববার রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মেহেদী হাসান ও তার সহযোগী কালু হাওলাদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মেহেদী হাসানের শরীর তল্লাশী করে ৩৩০ পিস ইয়াবা এবং ইয়াবা বিক্রির নগদ ১৬ হাজার ৫৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়েরের পর সোমবার দুপুরে তাদের আদলতে সোপর্দ করা হয়।

  • তরুনদের বরিশাল নিয়ে ভাবনার সাথে একমত নব নির্বাচিত মেয়র সাদিক

    তরুনদের বরিশাল নিয়ে ভাবনার সাথে একমত নব নির্বাচিত মেয়র সাদিক

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকার উন্নয়ন নিয়ে ভাবছে তরুন প্রজন্ম। আর এই ভাবনার সাথে একমত প্রকাশ করছেন বরিশাল সিটির নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। গত রোববার রাতে মেয়রের বাস বভনে এক মত বিনিময়র সভার মাধ্যমে নগর উন্নয়নে তরুনদের ভাবনা সম্ভলিত একটি স্মারকলিপি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর হাতে তুলে দেয়া হয়। তরুনদের সংগঠন দি অডেশাস্ এর সভাপতি সাঈদ পান্থ এর সভাপতিত্বে তরুনরা পার্কিং এর স্থায়ী সমাধান চাই।

    বিশেষ করে নতুন ভবনের প্লানের অবশ্যই পার্কিং ব্যবস্থা থাকতে হবে। পাশাপাশি ব্যস্ততম পয়েন্টে আলাদা পার্কিং ব্যবস্থা করা। নগরীর বিবির পুকুর পাড়, জেলখানার মোড়, নতুন বাজার, চক বাজার, বাজার রোড, চৌমাথা, বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পাবলিক টয়লেট স্থাপন অথবা মোবাইল টয়লেট এর ব্যবস্থা করা। স্থায়ীভাবে ডাস্টবিন না থাকায় বাড়ি বাড়ি থেকে বর্জ্য অপসারন ও যেসব বর্জ্য রি-সাইকেল করার যোগ্য তার ব্যবস্থা করা। প্রতি ওয়ার্ডে বা প্রতি ৩ ওয়ার্ডে একটি করে পার্ক স্থাপন ও লাইব্রারী এবং খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা।

    পুরাকীর্তি সংরক্ষণ ও ঐতিহ্য সংস্কার করা দেশবাসীর মাঝে উপস্থাপন করা। বঙ্গবন্ধু ও ৭ বীরশ্রেষ্ঠসহ বরিশাল এর নাম উজ্জল করেছে এমন মহৎ ব্যক্তিদের স্মৃতি স্বরুপ ভাষ্কর্য স্থাপন করা। পাশাপাশি তাঁদের সংক্ষিপ্ত জীবনী স্থাপন করা। নগরীর সৌন্দর্য্যবর্ধনে নতুন চমকপ্রদ স্থাপনা নির্মাণকরন। নগরীর কয়েকটি পয়েন্টে ওভার ব্রীজ স্থাপন করা। ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দুর করা। সংকুচিত সদর রোডে যানজট নিরষণে ফ্লাই ওভার স্থাপন করা। খালগুলো খনন ও দখলদার মুক্ত করে নৌযান চলাচলের ব্যবস্থা করা। প্রতি বছর সাংস্কৃতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।

    এতে করে সাংস্কৃতিক চর্চায় নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে। বিভিন্ন পয়েন্টে ফ্রি ওয়াইফাই জোন স্থাপন করা। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ সভাপতি মোঃ রুম্মান, দুর্জয় সিংহ জয়, অনিরুদ্ধ খাসকেল হিমাদ্রী, হৃদয় সিংঘানিয়া, জয় গোপাল বিশ্বাস প্রমুখ।

  • টোল আদায়, ইজারাদারদের হয়রানির শিকার যাত্রীরা

    টোল আদায়, ইজারাদারদের হয়রানির শিকার যাত্রীরা

    বরিশালে নৌযান যাত্রীদের কাছ থেকে পণ্যের টোল আদায়ের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে ইজারাদাররা। এক্ষেত্রে যাত্রীরা প্রতিবাদ করলেই উল্টা বেড়ে যায় টোলের হার। হতে হয় মানসিক কিংবা শারীরিক হেনস্থার শিকার।

    সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বিআইডব্লিউটিসির রকেট ঘাটে গ্রিন লাইন ওয়াটার ওয়েজের নৌযানে আসা যাত্রীরা তাদের মালামাল নিয়ে নামতে শুরু করলেই তৎপরতা বেড়ে যায় ঘাট ইজারাদারের লোকজনের। তবে এটা শুধু এই ঘাটেই না, নৌ বন্দরের লঞ্চ ঘাটেও একই ভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ যাত্রীরা।

    গ্রিন লাইন-৩ এর যাত্রী মো. এমদাদুল (২৫) নৌযান থেকে নেমে মাথায় উপর কম্বল মোড়ানো কিছু নিয়ে টার্মিনাল পার হচ্ছিলেন। তখন তার গতিরোধ করে সামনে দাঁড়ালেন রাসেল নামে একজন টোল আদায়কারী। চাইলেন সাড়ে তিনশ টাকা। কিন্তু এমদাদুল ওই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে মারমুখী ভঙ্গিতে তর্ক জুড়ে দিলেন রাসেল। পরে আরেক টোল আদায়কারী হারুন এর মধ্যস্থতায় ২০০ টাকা দিয়ে পার পায় এমদাদুল।

    শুধু এমদাদুলই নয়, আশিক ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও অনেক যাত্রীর কাছ থেকে কম্পিউটার, টেলিভিশন এবং অন্যান্য ভারী পণ্য বহন করায় যথাক্রমে একশ টাকা ও তার অধিক টাকা টোল আদায় করে হারুন ও রাসেল। তবে অতিরিক্ত টোল আদায়ের সময় প্রায় যাত্রীর সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বাকবিতণ্ডা এবং ধাক্কা দেয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

    এই প্রতিবেদক টোল আদায়কারী হারুন ও রাসেল এর কাছে টোলের মূল্য তালিকার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা দোষ চাপিয়ে দেন ঘাটের ইজারাদার পরিমল চন্দ্র দাসের ওপর। শুধুমাত্র মজুরি ভিত্তিতে ইজারাদারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেন তারা ।

    তবে বরিশাল নৌ-বন্দরের ইজারাদার পরিমল চন্দ্র দাস বলছেন উল্টো কথা। তিনি  জানান, যাত্রীদের পরিবহনকৃত মালামালের উপর চাপ দিয়ে কোনো অর্থ আদায় করা হয় না। তবে কিছু নির্দিষ্ট মালামালের উপর টোল চাওয়ার বিপরীতে যাত্রীরা তাদের ইচ্ছে মতো টোল দিয়ে যায়। এক্ষেত্রে তার কোনো লোকজন যাত্রীদের হয়রানি করেনা।

    এদিকে এই বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর বরিশাল নৌ বন্দরের বন্দর ও পরিবহন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, যাত্রীদের পরিবহনকৃত মালামালের উপর নির্ধারিত মূল্য তালিকা রয়েছে। তালিকা অনুযায়ী টোল আদায়ের জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে বহুবার। কিন্তু ইজারাদার কর্ণপাত করছে না।

    তিনি আরও জানান, এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাদেরকে আবারো চিঠি দেয়া হবে। পাশাপাশি আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে যদি তারা মূল্য তালিকা স্থাপন এবং সে অনুযায়ী টোল আদায় না করে তাহলে ইজারাদারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    উল্লেখ্য, বিআইডব্লিউটিএর বন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীদের পরিবহনকৃত ১০, ২০, ৩০, ৪০, ৬০ কেজি ওজনের ব্যাগের বিপরীতে যথাক্রমে ১২, ২৩, ৩৫, ৩৫, ৫৮ টাকা পর্যন্ত টোল আদায় করতে পারবে। এছাড়াও আলমারির ক্ষেত্রে ১১৫ টাকা, কাপড়ের বড় বস্তার জন্য ৫৮ টাকা, খাট ১১৫ টাকা, টেবিল/ চেয়ার ২৩ টাকা, ফ্রিজ ও টেলিভিশন ৫৮ টাকা, সিলিং ফ্যান ২৩ টাকা এবং কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ৩৫ টাকা মূল্য চার্জ নির্ধারিত রয়েছে।

  • জাতি আজ আতঙ্কিত, মনে ঈদের আনন্দ নেই: রিজভী

    জাতি আজ আতঙ্কিত, মনে ঈদের আনন্দ নেই: রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশে যে ভয়াবহ দুঃশাসন ও স্বৈরশাসন চলছে, এর যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে গোটা জাতি আজ আতঙ্কিত। দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির কারণে মানুষ দিশেহারা। বাড়ি ভাড়া, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম দফায় দফায় বেড়েছে। দৈনন্দিন খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যবিত্ত-নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। এরই মাঝে যোগ হয়েছে মামলা হামলাসহ নানা আতঙ্ক। এ অবস্থায় ঈদের আনন্দ মলিন হয়ে যায়।

    আজ সকাল সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    এসময় রিজভী বলেন, শুধুমাত্র কিছু সংখ্যক আওয়ামী ভাবাপন্ন লোক হয়তো তাদের নিজেদের নিরাপদ মনে করতে পারে কিন্তু বিএনপিসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ, শিক্ষক, সাংবাদিক, পেশাজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা এখন এ অবৈধ সরকারের নানা বাহিনী দ্বারা আক্রান্ত-ক্ষতবিক্ষত।

    গত এক দশকের মধ্যে ঈদ বাজারে এমন মন্দাভাব আগে কখনও দেখা যায়নি দাবি করে রিজভী বলেন, ব্যবসায়ীরা দোকানে দোকানে ঈদের সামগ্রী তুলে বিপাকে পড়েছেন। বেচা-বিক্রি বন্ধ। রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার জন্য ঘরমুখো মানুষ প্রচণ্ড দুর্দশার মধ্যে পড়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, ড. মামুন আহমেদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ড. ওবায়েদুল ইসলাম, সহ দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন, সহ প্রচার সম্পাদক আসাদুল করীম শাহীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ।

  • ‘সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতার করতে অনুমতি লাগবে’

    ‘সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতার করতে অনুমতি লাগবে’

    সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    আইনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ খসড়া অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় কোনো সরকারি কর্মকর্তা এক বছরের সাজা পেলে বা মৃত্যুদণ্ড হলে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে। বাংলাদেশের কোনো সরকারি চাকরিজীবী যদি বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন, তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে। ফৌজদারি মামলায় কোনো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রের আগে গ্রেফতার করতে সরকারের অনুমতি নিতে হবে।

    আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

    পরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বৈঠকের আলোচ্য বিষয় সাংবাদিকদের জানান।