Category: লেখার কিছু

  • বরিশালে ৭ দিনব্যাপী আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা উদ্বোধন করেন, বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশালে ৭ দিনব্যাপী আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা উদ্বোধন করেন, বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    স্টাফ রিপোর্টার//শামীম ইসলাম:

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিক্রয় ও ক্রেতা-বিক্রেতার সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে বরিশালে শুরু হয়েছে সাত দিনব্যাপী আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা।

    Image may contain: 14 people, people smiling, people standing

    ছবি: সংগ্রহ।

    রোববার (০৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩ টায় নগরের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে ফিতা কেটে ও বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসময় তিনি সব ধরনের ব্যবসায়ীদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিক্রয় ও বাজার সম্প্রসারণ করার আহ্বান জানান।

    Image may contain: 3 people, people standing and flower

    ছবি: সংগ্রহ।

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশনের (এসএমই ফাউন্ডেশন) আয়োজনে এ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শহিদুল ইসলামের পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, বরিশাল মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা, এসএমই ফাউন্ডেশনের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. রাকিব উদ্দিন খান, বরিশাল চেম্বার্স অব কমার্স সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক, জেলা উইমেন বিজনেস ফোরামের সভাপতি ডা. বনলতা মুর্শিদা প্রমুখ।

    Image may contain: 16 people, people smiling, outdoor

    ছবি: সংগ্রহ।

    এদিকে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পূর্বে বরিশাল সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে র‌্যালিটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধু উদ্যান মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

    পণ্য মেলার ৫০টি স্টলে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। মেলা প্রতিদিন বিকেল ৩ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত চলবে।

  • একুশে গ্রন্থমেলায় এবার বই বিক্রি বেড়েছে

    একুশে গ্রন্থমেলায় এবার বই বিক্রি বেড়েছে

    শেষ হচ্ছে অমর একুশের গ্রন্থমেলা। অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে মেলার সমাপ্তি হলো। আজ রাত নয়টায় বইয়ের জগতের এই মিলন মেলার পর্দা নামবে।

    শেষ দিনে আজ ৬৩ টি নতুন বই প্রকাশ পায়। এ নিয়ে এবারের মেলায় ১ মাস ২দিনে সর্বমোট ৪ হাজার ৮৩৪ টি নতুন বই প্রকাশ পেলো। গত বছরের মেলায় মোট নতুন বই প্রকাশ পেয়েছিল ৪ হাজার ৫৯০টি। এ বছর নতুন বইয়ের সংখ্যা ২৪৪টি বৃদ্ধি পেয়েছে।

    অন্যদিকে মেলায় এবার ১ মাস দু’দিনে ৮০ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছে। গত বছরের মেলায় বই বিক্রি হয়েছিল ৭০ কোটি ৫০ লাখ টাকার। গত বছরের মেলার চেয়ে এবার সাড়ে ৭ কোটি টাকা বিক্রি বেড়েছে।

    অমর একুশে গ্রন্থমেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. জালাল আহমেদ আজ বিকেলে এ সব তথ্য জানান। তিনি বলেন, মেলা উপলক্ষে গঠিত নীতিমালা বাস্তবায়ন কমিটির সার্ভে টিম মেলার এইসব তথ্য সংগ্রহ করেছে।

    গত মাসের পয়লা ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন করেছিলেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পর থেকে পুরো ফেবুয়ারি মাসের আটাশ দিন মেলা চলে। তবে প্রকাশকদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলার সময় দু’দিন বৃদ্ধি করে ২ মার্চ পর্যন্ত বর্ধিত করেন। ফলে এক মাস দু’দিন এবারের মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    মেলায় প্রকাশিত নতুন বইয়ের ওপর এবার জরিপ করেছে মেলা কমিটির পক্ষ থেকে।কমিটির পক্ষ থেকে একাডেমির কাছে পেশ করা তথ্যে জানা যায়, এবার মেলায় ১১৫০টি মানসম্মত বই প্রকাশ পেয়েছে। যে বইগুলোকে জরিপকর্মীরা উন্নতমানের বলে অভিমত রেখেছেন।

    মেলা উপলক্ষে গঠিত টাস্কফোর্স মেলায় অভিযান পরিচালনা করে ২২টি প্রতিষ্ঠানকে নীতিামালা ভঙ্গের অভিযোগ এনে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান নোটিশের জবাব না দেওয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানের স্টলটি একদিন বন্ধ রাখার শাস্তি প্রদান করা হয়।

  • অমর একুশে বইমেলার সময় বাড়ল দুই দিন

    অমর একুশে বইমেলার সময় বাড়ল দুই দিন

    অমর একুশে বইমেলার সময় দুইদিন বাড়ানো হয়েছে। লেখক ও প্রকাশকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এই সময় বাড়ানো হয়েছে। ফলে ২ মার্চ পর্যন্ত মেলা চলবে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ফয়সল হাসান।

    মাসব্যাপী চলা প্রাণের এই মেলা আজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। গত ১ ফেব্রুয়ারি মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি।

    এবারের বইমেলায় ৫২৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। ১৮০টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫০টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৬২০টি ইউনিটসহ মোট ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭০টি ইউনিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া বাংলা একাডেমিসহ ২৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ২৪টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে ১৮০টি লিটলম্যাগকে ১৫৫টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ২৫টি স্টলে দুটি করে লিটল ম্যাগাজিনকে স্থান দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া স্টল পেয়েছে অন্য ১৩০টি প্রতিষ্ঠানও।

    প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকে। ছুটির দিনে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলে।

  • মুক্তিযুদ্ধের লেখক রবার্ট পেইন

    মুক্তিযুদ্ধের লেখক রবার্ট পেইন

    অর্থনৈতিক অসাম্য, সার্বিক অধিকারহীনতা, নির্বিচার গণহত্যা, পরিকল্পিত ধর্ষণ, লোলুপ লুণ্ঠন, নির্দয় ধ্বংসযজ্ঞের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। সংগ্রামের সেই পথ পুরোটাই ছিল রক্তে ভেজা। এর মধ্যে একাত্তরের নয় মাসজুড়ে চলা গণহত্যা ছিল বিশ শতকের অন্যতম পরিকল্পিত ও পদ্ধতিগত গণহত্যা।

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সারা বিশ্বের বিবেকবান মানুষকে তাড়িত করেছে। সাংবাদিক, লেখকদের করেছে গভীরভাবে আলোড়িত। তাঁদেরই একজন ছিলেন মার্কিন সাংবাদিক রবার্ট পেইন। প্রথিতযশা এই লেখক স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে এসেছিলেন। গণহত্যার তরতাজা তথ্য সংগ্রহ
    করেছেন সমাজের নানা স্তরের মানুষ, পেশাজীবী, কূটনীতিক, সামরিক-বেসামরিক ব্যক্তিদের কাছ থেকে। আর সেই সব তথ্য জীবন্ত হয়ে উঠেছে তাঁর লেখা ম্যাসাকার গ্রন্থে।রবার্ট পেইনরবার্ট পেইন

    লেনিন, স্তালিন, মাও সে-তুং, মহাত্মা গান্ধীসহ বিশ্বের নামজাদা অনেক ব্যক্তিত্বের জীবনী গ্রন্থাকার হিসেবে পরিচিত রবার্ট পেইন। মূলত ইতিহাস ও জীবনী লেখক হলেও বাংলাদেশের জন্মের অবর্ণনীয় বেদনা তাঁকে আবেগতাড়িত করেছে। শত গ্রন্থের এই লেখক দৃশ্যত সবার আগে বিদেশি পাঠকদের সামনে একাত্তরের বাংলাদেশকে তুলে ধরেছেন ম্যাসাকার বইয়ের মাধ্যমে। ১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশ পায় বইটি।

    ওই বইয়ে একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল ও জগন্নাথ হলের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের বর্ণনার একপর্যায়ে তিনি লিখেছেন, ‘মাত্র ১৫ মিনিটে হত্যা করা হলো প্রাণোচ্ছল ১০৯ ছাত্রকে। ইকবাল হলের ছাদে মরদেহগুলো যেন শকুনের অপেক্ষায় ফেলে রাখা হলো। হিন্দু ছাত্রদের দেহগুলো রাখা হয়েছিল জ্বালানি কাঠের মতো স্তূপ করে। রাতে মরদেহগুলো কবর দেওয়ার জন্য কয়েকজন ছাত্রকে দিয়ে গর্ত খোঁড়ানো হলো। গর্ত খোঁড়া শেষ হলে তাদের গুলি করে সেই গর্তে ফেলে দিল পাকিস্তানি সৈন্যরা।’

    আর টর্চার্ড অ্যান্ড দ্য ড্যামড (নির্যাতিত ও অভিশপ্ত) গ্রন্থে রবার্ট পেইন পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধুর বন্দিজীবনের অনবদ্য চিত্র এঁকেছেন। তাঁর লেখা এ দুটি বই বাংলাদেশের গণহত্যার গবেষণায় অন্যতম সহায়ক গ্রন্থ।

    পিয়েরে স্টিফেন রবার্ট পেইন ১৯১১ সালে যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন। স্পেনে তিনি যুদ্ধ প্রতিবেদক ছিলেন। জাপানের সিঙ্গাপুর আক্রমণের সময় তিনি ছিলেন সিঙ্গাপুর নৌবাহিনীর আর্মামেন্ট অফিসার। তিনি একাধারে নৌ-স্থাপত্যবিদ্যা ও ইংরেজির শিক্ষক ছিলেন। পড়ালেখা করেছেন ক্যাপটাউন, লাভারপুল, নিউনিখ ও সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৮৩ সালে তিনি বারমুডায় মারা যান।

  • জাপানী ভাষায় প্রকাশিত হল গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’

    জাপানী ভাষায় প্রকাশিত হল গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’

    সোমবার সন্ধ্যায় টোকিওর বাংলাদেশ দূতবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এর মোড়ক উম্মোচন করা হয়।

    বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ জাপানী ভাষায় অনুবাদ ও প্রকাশ করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)

    সিআরআই এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী আকিয়ে আবে। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তোশিকো আবে।

    গেস্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা ও বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

    স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মময় জীবনকে জাপানি শিশু-কিশোর ও জাপান প্রবাসী বাংলাদেশি সন্তানদের কাছে তুলে ধরার অভিপ্রায় নিয়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইংরেজি ছাড়া প্রথম অন্য কোনো বিদেশি ভাষা হিসাবে জাপানীতে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ অনুবাদ করা হল।

    প্রধান অতিথি আকিয়ে আবে বলেন, “বঙ্গবন্ধু ছিলেন এক মহান নেতা। যেহেতু গ্রাফিক নভেল জাপানীদের খুব প্রিয় তাই জাপানী ভাষায় অনূদিত গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ তার সম্পর্কে জাপানের শিশু-কিশোরদের অবহিত করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তোশিকো আবে বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আশা প্রকাশ করে বলেন, অনুদিত গ্রাফিক নভেল এই মহান নেতার জীবন সম্পর্কে জানতে সবাইকে সহায়তা করবে।

    বইটির প্রকাশক রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ জাপানী ভাষায় অনুবাদ সফল্ভাবে সমাপ্ত করার জন্য টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং দুই অনুবাদককে ধন্যবাদ জানান।

    পরে অতিথিরা বইটির মোড়ক উম্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জীবন-সংগ্রাম নিয়ে রচিত একটি ‘টাইম-লাইন’ ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

    এসময় বইটির দুইজন অনুবাদক অধ্যাপক মাসাকি ওহাসি এবং ইমরান শরিফকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

    জাপানী ভাষায় প্রকাশিত গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ টোকিওর সেক্রেড হার্ট স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের পাঠ করে শোনানো হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন শেখ রেহানা, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এবং বইটির দুই অনুবাদক, শিল্পী রাশাদ ইমাম তন্ময়, শিবু কুমার শীল।

    গ্রাফিক্স নভেল ‘মুজিব’ গ্রন্থটি পর্যায়ক্রমে জাপানের বিভিন্ন স্কুলে পাঠ্য করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসী বাঙ্গালীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

  • ডিজিটাল বাংলাদেশ হোক গুজব মুক্ত।

    ডিজিটাল বাংলাদেশ হোক গুজব মুক্ত।

    ডিজিটাল বাংলাদেশ হোক গুজব মুক্ত।

    মুক্তা আক্তার :

    সাধারণ জনগণের কাছে পৌছে যাবার জন্য গণমাধ্যমে প্রচারিত গুজব বর্তমান সময়ের এক বহুল আলোচিত বিষয়। বেশিরভাগ গুজব ছড়ানোর পেছনে কুচক্রীদের যে উদ্দেশ্য থাকে তার হাত থেকে রেহাই পাওয়া রীতিমত কঠিন হয়ে পড়েছে।অতি অল্প সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও নোংরা চিত্র তুলে ধরে কিছু অসুস্থ মানুষ তাদের সার্থ উদ্ধারে বদ্ধপরিকর।প্রায় বেশিরভাগ সময়ে আমরা ডিজিটাল গুজবে এত বেশি আসক্ত হয়ে যাই যে ভালো-মন্দ, সত্য- মিথ্যা,ন্যায়-অন্যায় কিংবা উচিত-অনুচিত বিচারের জ্ঞানটুকুও থাকেনা।গুজবের বিষাক্ত হাওয়া ছড়িয়ে একদল হীনমনের মানুষ ঠিকই আনন্দ খুঁজে নেয় তবে তাতে ভুক্তভোগীদের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। সোনার বাংলা গড়ার যে লক্ষ্য আর চেষ্টা নিয়ে বাংলাদেশের পথ এগিয়ে চলছে, সে পথের অন্যতম শত্রু এ দেশেরই কিছুসংখ্যক মিথ্যাচারী মানুষ।

    ভুল খবর, মিথ্যা কথা, সাজানো ঘটনা আর অশ্লীল চিন্তা ভাবনাকে সমাজে মহামারির মত ছড়িয়ে দিতে ডিজিটাল বাংলাদেশরই বিভিন্ন সুবিধাকে খারাপ অর্থে কাজে লাগানো হয়।প্রতিদিনই অনলাইন মাধ্যমগুলোতে কিছু ভিত্তিহীন কিন্তু আবেগধর্মী খবর উঠে আসে যা আসলে সত্যি নয়।কিছু আক্রমণাত্মক খবর ও ছবি আরো অন্যান্য বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যম ব্যবহার করে জনজীবন করে তুলছে দুর্বিষহ।গুজবে কান দেবেন কি দেবেন না বুঝে ওঠার আগেই তা ভাইরাল হয়ে যায় গণমাধ্যমগুলোতে। কখনো কখনো একদম নিরীহ ও নির্দোষ মানুষগুলোকে ঘিরে ছড়িয়ে যাওয়া গুজব ডেকে আনে অপূরণীয় ক্ষতি।কোটা আন্দোলনকে ঘিরে ডিজিটাল গুজবের যে ছড়াছড়ি তা যুক্তিসংগত দাবি এবং পাল্টা দাবিকে একরকম রাজনৈতিক সংঘর্ষে রূপ দেয়। বাংলাদেশে জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়ার যথা,তাদের ব্যক্তিগত জীবন এমন কি সদ্য জন্ম নেয়া শিশুকে নিয়ে ছড়ানো মিথ্যাচারগুলো শুধু নোংড়া মনেরই পরিচায়ক।

    কিছুদিন আগেই ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এক গুজবে উঠে আসে, ” হাসপাতালের বিল দিতে না পেরে মা ও নবজাতকের আত্মহত্যা।”অথচ পরবর্তীতে তদন্তে আসল ঘটনা উঠে এলো যে,আত্মহত্যাটা ছিল পারিবারিক ঝগড়া ও প্রবাসী স্বামীর উপর ক্ষোভের জের ধরে। রাজনৈতিক দলগুলোকে ঘিরে গুজব ছড়ানো একদল লোক তো নিজের পেশা হিসেবেই নিয়েছে।একদলকে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে উষ্কে দেয়া, মিথ্যা অভিযুক্ত করা কিংবা সত্যের সাথে মিথ্যা মিশিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করাই এদের মূল লক্ষ।

    আওয়ামী লীগ, বি.এন.পি,জামায়াত-শিবির,ইসলামী শাসনতন্ত্রসহ যে দলই হোক না কেন তাতে কিছু লোক থাকে যারা দলের ইচ্ছায় কিংবা ব্যক্তিগত উদ্যোগে হোক, এক দল অন্য দলের বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে নিজ ও নিজের দলের স্বার্থ হাসিল করতে চায়।কিন্তু সত্যিকার অর্থে গুজবে খারাপ ছাড়া ভালো কোন ফলাফল নেই। ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সুবিধাকে ভুলভাবে কাজে লাগিয়ে গুজব প্রচার একটি সামাজিক ব্যাধিতে রূপান্তর হতে চলেছে।

    উন্নয়নের সরকার ও এ সরকারের অর্জনগুলোর প্রতি সম্মান রেখে ডিজিটাল গুজব না ছড়ানো ও গুজব রটনাকারীদের শনাক্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ব্যক্তিগত, পারিবারিক, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রভাব বিস্তারকারী মিথ্যাচারগুলো যাতে না ছড়ায় সেই দিকে বিশেষ নজরদারী প্রয়োজন।নিজে গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থেকে ও মিথ্যা প্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে সাহায্য করুন। পাশাপাশি গুজবের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে হলে প্রয়োজন জনসচেতনতা।

     

     

    শিক্ষার্থী, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।

  • রাষ্ট্রপতির কাছে বি. চৌধুরীর চিঠি

    রাষ্ট্রপতির কাছে বি. চৌধুরীর চিঠি

    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আলোচনার জন্য সময় চেয়ে চিঠি দিয়েছেন যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। অন্যদিকে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে আলোচনার জন্য সময় চেয়ে চিঠি দিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান।

    রাষ্ট্রপতির কাছে লেখা চিঠিতে বি. চৌধুরী বলেন, ‘যুক্তফ্রন্টের নেতারা কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আপনার (রাষ্ট্রপতির) সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী।’ চিঠিতে তিনি বলেন, ‘সংবিধান অনুসারে নির্বাচনের মূল পরিচালক নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকালীন নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রপতির আধীনে ন্যস্ত। সে হিসাবে নির্বাচনপ্রক্রিয়া নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে আপনার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করতে চাই।

    চিঠিতে বি. চৌধুরী লিখেছেন, সময় সংক্ষিপ্ত। সে জন্য ৭ নভেম্বরের মধ্যে সময় নির্ধারণের জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি অনুরোধ করেছেন তিনি।

    চিঠিতে মেজর মান্নান একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে নির্বাচন ইস্যুতে সিইসির সঙ্গে আলোচনার জন্য ৯ নভেম্বরের মধ্যে সময় চেয়েছেন।

    রাষ্ট্রপতির কাছে বি. চৌধুরীর চিঠি গণভবনে সকাল ১০টায় এবং পরে সিইসির কাছে মেজর মান্নানের চিঠিটি নির্বাচন কমিশনে পৌঁছে দেন বিকল্পধারার সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক।

  • শফিক আমিনের কবিতা : অলীক স্বপ্ন

    শফিক আমিনের কবিতা : অলীক স্বপ্ন

    শফিক আমিন:

    প্রতিযোগিতায় নেমেছি

    প্রাণপনে মস্তিষ্ক তাড়াই,

    পিঁপড়া, হাতির বড় কিছু মনে হলো

    সু-বিশাল বৃক্ষ দুঃসাহসে তাকেও আঁকলাম !

    জিত হলো বৃক্ষের,

    সে আকাশ ছুঁতে আগ্রহী বাতাসে

    পরীক্ষা করে নেয় মূল ও কাণ্ড

    তার মাথায় নতুন দুটো পাতা প্রস্ফুটিত হলো

    এখনই সে উড়ে যাবে

    সদ্য ফোটা পাতায় ভর করে।

  • এবার প্রধানমন্ত্রীকে বি. চৌধুরীর চিঠি

    এবার প্রধানমন্ত্রীকে বি. চৌধুরীর চিঠি

    রাজনৈতিক দলসমূহের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সংলাপে বসার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিকল্পধারা বাংলাদেশ।

    মঙ্গলবার বিকেলে এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর (বি. চৌধুরী) সভাপতিত্বে বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম বৈঠকে গৃহীত এক সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে সংলাপে বসার আগ্রহ প্রকাশ করা হয় এবং এরই আলোকে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেন বি. চৌধুরী।

    প্রেসিডিয়াম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে চিঠি নিয়ে গেছেন বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রউফ মান্নান ও সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

    প্রেসিডিয়াম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মেজর আবদুল মান্নান, শমসের মবিন চৌধুরী, গোলাম সারোয়ার মিলন, আবদুর রউফ মান্নান, প্রেসিডেন্টের বিশেষ আমন্ত্রণে ইঞ্জিনিয়ার মুহম্মদ ইউসুফ, ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

    প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, আমরা খুশি হয়েছি আপনি নির্বাচন সম্পর্কীয় সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছেন। আমরা আপনাকে যুক্তফ্রন্ট ও বিকল্পধারা বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    বি. চৌধুরী চিঠিতে আরও লিখেছেন, আমরা লক্ষ্য করে অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি যে, আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি, রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই, সেই প্রস্তাবটি আপনি গ্রহণ করেছেন।

    চিঠিতে তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ, বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনার সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপে বসার জন্য আপনার সময় ও সুবিধা মতো আমাদের আমন্ত্রণ জানালে আমরা খুশি হবো।

    যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান বলেন, জাতির এই রাজনৈতিক ক্রান্তিলগ্নে আমাদের সবার শুভেচ্ছা ও সৌহার্দের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে বিশ্বাস করি।

  • নবনির্বাচিত বিসিসি মেয়রের কাছে খোলাচিঠি

    নবনির্বাচিত বিসিসি মেয়রের কাছে খোলাচিঠি

    হে বরিশালবাসীর জন্য নিবেদিত প্রান, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি। আজ নিরুপায় হইয়া কলম তুলে নিয়েছি। নির্বাচনের পূর্বে এক বৃদ্ধা মায়ের দড়জায় দ্বাড়িয়ে বৃষ্টি ভেজা আপনি আর বিপদে আপদে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি এবং নগরীর রিফুজী কলোনীর পুকুরে গোসল করতে থাকা বাচ্চাগুলার হাতে প্লাষ্টিকের বইয়ম থেকে চকলেট বিলী করে যে মহান ব্যক্তিত্ব আর বদন্যতা আপনি দেখিয়েছেন, সেটাই আমাকে এই লেখার উৎসাহ জুগিয়েছে  মাননীয় মেয়র মহোদয়,আজ আপনাকে লিখছি বড় বেদনা নিয়ে। এই বেদনা- টাকার অভাবে এক জন্মদাতা পিতার বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়া তার সন্তানের। হে জনবন্ধু, আমি বলছি সরকারী বি,এম কলেজের অবৈধ কর্মপরিষদের বিতর্কিত জি. এস, RAB-10 এর হাতে ধৃত অবৈধ অস্র মামলার আসামি, ব্লাকমেইলার নাহিদ সেরনিয়াবাতের কথা। যার নামে ঝালকাঠি, বাবুগঞ্জ, বাখেরগঞ্জ,রাজধানী ঢাকাসহ বরিশালের প্রত্যেকটা থানায় জমিদখল, মারামারি এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের একাধিক জি,ডি ও মামলা রয়েছে।

    রয়েছে ৩/৪ টা এন,আই,এ্যাক্টের মামলাও। হে যুবরত্ন, অত্যন্ত আবেগে আপ্লুত হইয়া জানাচ্ছি যে, আমি দীর্ঘ ৭ বছর প্রবাস জীবন কাটাইয়া আসিয়া অতিব সুনামের সহিত প্রথমে “আশা ড্রেজিং” এরপরে ব্যানার সাইনবোর্ডের প্রতিষ্ঠান প্যারারারোডের “JS মিডিয়া সাইন” এবং সবশেষে “দেশ ব্রিকস” নামক ইটের বাটা পরিচালনা করিয়া আসিতেছিলাম। গত ২০১৬ সালে আমার ইট বাটায় আসিয়া দাদনে এ্যাডভান্স ইট খরিদ করে তার ঠিকাদারী কাজের জন্য, সেখান থেকেই পরিচয়। আমি আমার ব্যবসায়ীক মুনাফার কথা চিন্তা করিয়া তার সম্পর্ক বজায় রাখি।

    কালক্রমে, আমার সামনে ল’কলেজের এক ছাত্রের নাহিদের বই কিনে দেওয়া, এক মহিলাকে কম্বল কিনে দেওয়া, নাহিদ তার পকেটের টাকা দিয়া এক ছেলেকে বি,এম কলেজে ভর্তি করে দেওয়া, ঝালকাঠি নেছারাবাদে খাশি দেওয়া দেখিয়া আমি আকৃষ্ট হই ও তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন হয়। তার এক স্ত্রী জনতা ব্যাংকে চাকুরী করে, তাকে দিয়া একটা লোন করানোর কথা বলিয়া আমার কাছ হইতে একখানা যৌথ মালিকানা চুক্তিপত্র চাহিলে এবং তা ১ সপ্তাহের মধ্যে লোন পাশ হইয়া যাওয়ার সাথে সাথে আমার চুক্তিপত্র আমাকে ফিরাইয়া দিবে বলিয়া প্রতিশ্রুতি দিলে আমি সরল মনে ঐ চুক্তিপত্র তাকে দেই। কিন্তুু প্রতারনা ও লোভের বশীভূত হইয়া ঐ চুক্তিপত্র তার কাছেই রেখে দেয় এবং একপর্যায়ে সে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়া আমার সাথে পৈশাচিক আচরন করিয়া আমার বাটা দখল করে, এবং গত ২ বছরে প্রায় ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে। (ঝালকাঠীতে আমি মামলা করিলেও তার পালিত সন্ত্রাসীদের কারনে হাজিরা না দিতে পারায় মামলা নিষ্পত্তি হইয়া যায়)।

    এছাড়াও তার অবৈধ অস্র মামলার জামিনের পরে তার হাতে কোন টাকাপয়শা না থাকার কারনে আমাকে মুনাফা দেওয়ার কথা বলিয়া নগদ টাকা নিয়া তার ঠিকাদারী কাজ পরিচালনা করে, প্রথম ২ দফা আমার বিনিয়োগকৃত টাকা এবং মুনাফা সাথে সাথে ব্যাংকে ডাকিয়া দিলেও পরবর্তিতে তার ৩টা ঠিকাদারী সাইডের জন্য নেওয়া ৬২৩৭,০০০/ বাষট্টি লাখ সাইত্রিশ হাজার টাকা তাহার নিজ নামীয় লাইসেন্স নাহিদ এন্টারপ্রাইজে বিল আসিলে উহা আত্মসাৎ করে এবং তার দেওয়া একাউন্টে চেক দিলে সেই এ্যাকাউন্টে কোন টাকা না থাকায় মামলা করিলে আজো সেই টাকারও কোন সমাধান করতে পারি নাই বিগত ২ বছর ধরে। ঝালকাঠি এবং বরিশালে তাহার ব্লাক মেইলের নিদর্শন স্বরুপ আমাকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলার পর মামলা করিয়া আর্থিক ক্ষতি করেছে প্রায় অর্ধকোটি।

    আমার মাথার উপর লক্ষ লক্ষ টাকা দেনা। আমি ইতিপূর্বে সংবাদ সম্মেলন এবং মানববন্ধন করিলে প্রসাশনের কাছ থেকেও কোন সহায়তা বা সমাধান পাই নাই-তাহার চাটুকর চতুরতার কারনে। যদিও প্রশাসন, মিডিয়া এবং সকল রাজনীতিবিদ এই বিষয়ে অবগত আছেন। তবুও মোটা অংকের উপঢৌকন পেয়ে সবাই নিরব। হে নগরপিতা, পিতৃহারা অবিভাবকহীন এক যুবকের আর্তনাদ নিশ্চয়ই আপনি নগরপিতার হৃদয়কে স্পর্শ করবে। আজ আমি সর্বোস্ব হারিয়ে নিঃস্ব। আশা রাখবো এই বিবেচনায় আমার ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। পরিসমাপ্তিতে এতটুকু কামনা করবো, “ছাত্রলীগ” হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালী জাতির জনক বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া শক্তিশালী সর্বোবৃহৎ সংগঠন।

    নাহিদ সেরনিয়াবাত এর মতন ছাত্রলীগ পরিচয়ধারীর জন্য তার ভাবমূর্ত বিনষ্ট না হয়।সেই সাথে আমি আমার ইট বাটা এবং সমূদয় পাওনা টাকা ফেরত পেতে পারি তাহার ব্যবস্থা করিতে আজ্ঞা হয়।

    শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়

    মোঃ জাহিদ হোসেন

    প্রোঃ দেশ ব্রিকস

    সাং ৫নং ওয়ার্ড, বিসিসি। বরিশাল।

    মোবাঃ ০১৭১২-৫২৬৫৩৪