Category: আন্তর্জাতিক

  • মসজিদে ঢুকে ৫ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরাইলি সেনারা

    মসজিদে ঢুকে ৫ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরাইলি সেনারা

    এবার ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের একটি মসজিদে ঢুকে পাঁচজনকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার পশ্চিম তীরের তুলকারেমে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায় ইসরাইল। যা বিগত কয়েক দিন ধরে চলা অভিযানের মধ্যে সবচেয়ে বড় হত্যাকাণ্ডের একটি। খবর রয়টার্সের।

    ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ভাষ্য, যে পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে তারা সবাই ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা। তার মসজিদটিতে লুকিয়ে ছিল এবং সেখানেই তাদের হত্যা করা হয়। তবে মসজিদে পাঁচজনকে হত্যা করা হলেও ইসরাইলি অভিযান এখনো শেষ হয়নি।

    বুধবার ভোররাতে কয়েক’শ ইসরাইলি সেনা হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং সাঁজোয়া যান নিয়ে পশ্চিম তীরের তুলকারেম, জেনিন ও জর্ডান উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। রয়টার্সের প্রত্যক্ষদর্শীর মতে, ইসরাইলের এ অভিযানের আগে গাজা ও পশ্চিম তীরের টেলিযোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত করা হয়।

    এদিকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযানে মোট ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গতকাল নিহত হন ১২ জন। পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে বড় ধরনের স্থল ও বিমান হামলা চালানোর ফলে এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

    ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী বলেছে, তারা জেনিন এবং তুলকারেমে ‘একটি সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ চালাচ্ছে। এটি একটি বড় ইসরাইলি অভিযান বলে মনে হচ্ছে। যেখানে একই সময়ে জেনিন, তুলকারেম, নাবলুস এবং তুবাসের মতো বড় চারটি ফিলিস্তিনি শহরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। দ্বিতীয় ইন্তিফাদার পর ফিলিস্তিনের কয়েকটি শহরে একসঙ্গে হামলার ঘটনা এই প্রথম।

    রেড ক্রিসেন্টের একজন মুখপাত্র বুধবার বলেছেন, অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরে কয়েকটি শহরে ইসরাইলি অভিযান ও হামলায় ১২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহমেদ জিব্রিল বলেন, জেনিন শহরে দুজন ফিলিস্তিনি, কাছাকাছি একটি গ্রামে চারজন এবং তুবাস শহরের কাছে একটি শরণার্থীশিবিরে আরও পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে অভিযান শুরু করেছে বলে গতকাল ভোরে ইসরাইলের একজন সামরিক মুখপাত্র জানান।

    ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদ্রেই ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের টেলিগ্রামে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, নিরাপত্তা বাহিনী এখন জেনিন ও তুলকারেমে সন্ত্রাসবাদকে ব্যর্থ করার জন্য অভিযান শুরু করেছে।

    ইসরাইল এর আগে পশ্চিম তীরে একটি বিমান হামলা চালিয়েছিল। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ পরে জানায়, ওই হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সেই হামলা ও প্রাণহানির ঘটনার দুই দিন পর ইসরাইলি বাহিনী এ অভিযান চালাল।

    ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে পশ্চিম তীর দখল করে নেয় ইসরাইল। আর গত বছরের শুরু থেকে পশ্চিম তীরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি আরও বেড়েছে।

  • পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযান নিয়ে যা বলল জাতিসংঘ ও ইইউ

    পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযান নিয়ে যা বলল জাতিসংঘ ও ইইউ

    ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

    এ অভিযান ইতোমধ্যেই ‘বিস্ফোরণে উন্মুখ পরিস্থিতিকে’ আরও উসকে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

    অন্যদিকে পশ্চিম তীরে অভিযানের মধ্য দিয়ে ইসরাইল আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপিয় ইউনিয়নের মানবিক সহায়তা বিষয়ক কমিশনার জনেজ লেনারসিক।

    দখলকৃত পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতি হচ্ছে বলে এক এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে মন্তব্য করেছেন লেনারসিক।

    পশ্চিম তীরে বুধবার রাত থেকে কথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ শুরু করে ইসরাইল। ২০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে পশ্চিম তীরে এদিন সবচেয়ে বড় আগ্রাসন চালায় ইসরাইলের বর্বর বাহিনী। এজন্য জেনিন, তুলকারেম এবং তুবাসে শত শত সেনা মোতায়েন করা হয়।

    ইসরাইলি এ আগ্রাসনে শিশুসহ অন্তত ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হন।

    গুতেরেস এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তেল আবিবের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    এদিকে বিবিসি সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, জেনিনসহ কয়েকটি শহরে এখনও অভিযান চলছে।

    জেনিনের টেলিযোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সেবা বন্ধ বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি টেলিযোগাযোগ সংস্থা জাওয়াল। সূত্র: আল-জাজিরা ও বিবিসি

  • ভারতবিরোধী পোস্টে ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট, ভারত ছাড়তে হলো বাংলাদেশি ছাত্রীকে

    ভারতবিরোধী পোস্টে ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট, ভারত ছাড়তে হলো বাংলাদেশি ছাত্রীকে

    ফেসবুকে ভারতবিরোধী পোস্টে ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট দেওয়ার ‘অপরাধে’ আসাম থেকে ফেরত পাঠানো হলো এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে। এমনই অভিযোগে শিরোনামে এসেছে আসামের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এনআইটি)।

    মেহজাবিন নামের ওই বাংলাদেশি তরুণী এনআইটি শিলচরে ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে করা একটি ভারতবিরোধী পোস্টে ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট দিয়ে সমর্থন জানান তিনি। এরপরই সোমবার তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায় কর্তৃপক্ষ।

    অবশ্য কাছাড় জেলা পুলিশের এসপি নুমাল মাহাট্টের দাবি, ওই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়নি, বরং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরই দেশে পাঠানো হয়েছে। এমনকি এটি নির্বাসনও নয়।

    পুলিশ জানায়, তিনি নিজেই দেশে ফেরার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। এরপর সোমবার সকালে ওই ছাত্রীকে করিমগঞ্জে ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি সকাল ১১টার দিকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে সীমান্ত অতিক্রম করেন।

    এসপি নুমাল মঙ্গলবার ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘ওই ছাত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কলেজেরই এক সাবেক ছাত্রর ভারতবিরোধী পোস্টে সমর্থন জানিয়েছিলেন। সাদাত হোসাইন আলফি নামের ওই ছাত্রও বাংলাদেশি। ছয় মাস আগে পড়াশোনার পাট চুকিয়ে ভারত ছাড়েন তিনি। ’

    এদিকে পোস্টদাতা ওই সাবেক ছাত্রের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নামের একটি সংগঠন। সংগঠনের মুখপাত্র শুভাশিস চৌধুরী জানিয়েছেন, ভারতবিরোধী পোস্টটিতে প্রতিষ্ঠানের এক ছাত্রীর লাভ রিঅ্যাক্ট তাদের নজরে আসে।

    পোস্টে ছাত্রীর সমর্থনের বিষয়টি চোখে পড়ার পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এনআইটির পরিস্থিতি। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

    এদিকে দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী তার বাকি পরীক্ষাগুলো দিতে আবার ভারতে ফিরবেন কি-না, এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। ওই ছাত্রী ফিরবেন কি না, সেটা তার সিদ্ধান্ত।

    সরকারি সূত্র বলছে, বর্তমানে এনআইটি শিলচরে পড়াশোনা করছেন ৭০ জন বাংলাদেশি। তাদের সঙ্গে পুলিশের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। ভারতবিরোধী কোনো রকম কর্মসূচিতে সমর্থন ও মতপ্রকাশ করতে নিষেধ করা হয়েছে তাদের। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • মালয়েশিয়ায় ট্রেলার ও লরির সংঘর্ষে বাংলাদেশিসহ নিহত ২

    মালয়েশিয়ায় ট্রেলার ও লরির সংঘর্ষে বাংলাদেশিসহ নিহত ২

    মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্যে ট্রেলার ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে বাংলাদেশিসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেমেরলোহ জেলা পুলিশপ্রধান সহকারী কমিশনার মাজলান হাসান।

    বুধবার হারিয়ান মেট্রোর এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় নিহত দুজনের মধ্যে একজন ৩৭ বছর বয়সি বাংলাদেশি এবং অন্যজন ৩৫ বছর বয়সি পাকিস্তানি। এছাড়াও এ ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

    আহত তিনজন হলেন- ২৮ বছর বয়সি লরিচালক, ৩০ বছর বয়সি বাংলাদেশি ট্রাকের হেলপার এবং ৩৮ বছর বয়সি ট্রেলারচালক। তারা সুলতান হাজী আহমদ শাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, রাজ্যের রউব জেলা থেকে লরিচালক কুয়ানতান যাচ্ছিলেন। পথে লরিচালক রাস্তার বাম দিকে মোড় নেন। বিপরীত লেনে প্রবেশের আগে মূল লেনে পুনরায় প্রবেশ করলে হঠাৎ ট্রেলারটি সামনে থেকে আসে। সঙ্গে সঙ্গে লরির সামনের অংশে ধাক্কা মারে এবং দুটি গাড়িই ২০ মিটার রাস্তার ডান দিকের একটি গিরিখাতে পড়ে যায়।

    পুলিশ জানায়, পাহাং রাজ্যের লানচ্যাংয়ের বুকিত দামারের প্রধান সড়ক থেকে লরিটি ছিটকে গিয়ে একটি ট্রেলারের সাথে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে দুটি গাড়ির আরোহী মাথায় আঘাত পান। সেখান থেকে উদ্ধার করে তাদের লানচ্যাং হেলথ ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনের মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

    মরদেহ দুটির ময়নাতদন্ত করা হবে এবং সড়ক পরিবহণ আইন (এপিজে) ১৯৮৭ এর ৪১ (১) ধারায় মামলাটি তদন্ত করা হবে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।

  • নারী চিকিৎসককে চুলের মুঠি ধরে মারল রোগী (ভিডিও)

    নারী চিকিৎসককে চুলের মুঠি ধরে মারল রোগী (ভিডিও)

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আরজি কর হাসপাতালে নারী চিকিৎসককে হত্যা ও ধর্ষণ নিয়ে দেশটিতে তোলপাড় চলছে। এরমধ্যেই নতুন করে সামনে এলো চিকিৎসককে হেনস্তার একটি ভিডিও। এতে দেখা যাচ্ছে, এক পুরুষ বয়স্ক রোগী নারী চিকিৎসকের চুলের মুঠি ধরে হাসপাতালের বেডের সঙ্গে মাথা ঠোকাচ্ছেন। খবর এনডিটিভির

    এরপর আশাপাশে যেসব চিকিৎসক ছিলেন তারা নারী চিকিৎসককে বাঁচাতে দ্রুত এগিয়ে আসেন এবং হামলাকারী রোগীকে নিবৃত করেন।

    ঘটনাটি ঘটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রী ভেঙটেশ্বর ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সাইন্সেস (এসভিআইএমএস) হাসপাতালে। হামলার শিকার নারী চিকিৎসক এক চিঠিতে হাসপাতালের পরিচালককে বলেছেন, শনিবার হাসপাতালের জরুরি মেডিসিন বিভাগে কাজ করছিলাম। তখন অপ্রত্যাশিতভাবে বাঙ্গারু রাজু নামের এক রোগীর হামলার শিকার হই। তিনি আমার পেছন থেকে আসেন। আমার চুল ধরে টান দেন এবং জোর করে হাসপাতালের বেডের লোহার রডের সঙ্গে আমার মাথা ঠোকরানো শুরু করেন। ওই সময় আমাকে সাহায্য করার জন্য কোনো নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন না।

    তিনি চিঠিতে আরও বলেছেন, এ ঘটনা হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যদি রোগীর হাতে ধারাল কোনো কিছু থাকত তাহলে ঘটনা অন্যদিকে গিয়ে ভয়ানক পরিণতি হতে পারত।

    নারী চিকিৎসকের উপর হামলার পর ওই হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক ও কর্মীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

    তবে হাসপাতালের রোগী কেন দৌড়ে এসে চিকিৎসকের উপর হামলা চালালেন এ ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো কিছু জানা যায়নি

  • নেপালে নিহত বেড়ে ৪১, বেশিরভাগই ভারতীয়

    নেপালে নিহত বেড়ে ৪১, বেশিরভাগই ভারতীয়

    নেপালে ভারতের উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা যাত্রীবাহী একটি বাস নদীতে পড়ে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নেপালের স্থানীয় সূত্র শুরুতে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল।

    গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা আরও অনেকের মৃত্যুতে নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। শুক্রবার রাতে সাংবাদিক বৈঠক করে ৪১ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী গিরিশ মহাজন৷ নিহতের মধ্যে বেশিরভাগই ভারতের।

    ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিতে মোট ৪৩ জন যাত্রী ছিলেন। শুক্রবার দুপুরের দিকে পোখরা থেকে কাঠমান্ডুর দিকে যাচ্ছিল বাসটি। নেপালের তানাহুন জেলার মারশিয়াংড়ি নদীতে আচমকা বাস উল্টে যায়।

    মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এই ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন ৷ নেপাল থেকে দ্রুত মরদেহ ভারতে ফিরিয়ে আনা নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলেছেন৷ শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

    সামাজিকমাধ্যম এক্সে ইউক্রেন সফররত মোদি লিখেছেন, ‘নেপালের তানাহুন জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখিত। শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক। ভারতীয় দূতাবাস ক্ষতিগ্রস্তদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে’।

    পোখারা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার বাস রুট ভারতীয় পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। সড়কে ভূমিধস এবং পার্বত্য অঞ্চলে সরু রাস্তার কারণে নেপালে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।

    উল্লেখ্য, গত মাসেও ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনার সাক্ষী হয় নেপাল। রাস্তায় ধস নেমে নদীতে পড়ে যায় দুটি যাত্রীবাহী বাস। এতে অন্তত ৬৫ জনের মৃত্যু হয়। নিহদের মধ্যে ছিলেন ৭ ভারতীয়ও। এবারের দুর্ঘটনায় আরও বেশি সংখ্যক ভারতীয়র মৃত্যু হল।

  • বাংলাদেশ এখন অনুপ্রেরণা, পাকিস্তানে বিক্রি হচ্ছে লাল-সবুজের পতাকা

    বাংলাদেশ এখন অনুপ্রেরণা, পাকিস্তানে বিক্রি হচ্ছে লাল-সবুজের পতাকা

    পাকিস্তানিদের কাছে বাংলাদেশ এখন এক অনুপ্রেরণার নাম। বাংলাদেশি ছাত্র-জনতা যেভাবে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে অস্ত্রের সামনে দাঁড়িয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত করেছে দোর্দণ্ড প্রতাপশালী সরকারকে; তা দেখেই অনুপ্রাণিত পাকিস্তানিরা। বিশেষ করে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সমর্থকরা সরকারবিরোধী আন্দোলনে বারবার বাংলাদেশের উদাহরণ টেনে আনছেন। এ অবস্থায় বাংলাদেশি পতাকা বিক্রির রীতিমতো ধুম পড়েছে দক্ষিণ এশীয় দেশটিতে।

    গত ১৪ আগস্ট ছিল পাকিস্তানের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস। এই দিনটি বেশ ধুমধামে উদযাপন করেন পাকিস্তানিরা। স্বাভাবিকভাবেই, প্রতি বছর এ উৎসব ঘিরে পাকিস্তানের পতাকা বিক্রি বেড়ে যায়। কিন্তু এবারের ঘটনা যেন কিছুটা ভিন্ন। কারণ, দেশটিতে এ বছর পাকিস্তানের পাশাপাশি দেদারছে বিক্রি হয়েছে বাংলাদেশের পতাকাও।

    এ নিয়ে গত ১৪ আগস্ট একটি ভিডিও প্রকাশ করেন মুহাম্মদ রেহান নামে একজন পাকিস্তানি ইউটিউবার। তিনি মূলত বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক এবং বাংলাদেশিদের বিষয়ে পাকিস্তানিদের মনোভাব নিয়েই ভিডিও তৈরি করেন। ১৪ আগস্টের ভিডিওতে পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন পতাকা বিক্রেতার সাক্ষাৎকার নেন রেহান।

    ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার পাশের দোকানগুলোতে পাকিস্তানের পাশাপাশি বাংলাদেশের পতাকাও বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশি পতাকার প্রচুর চাহিদা থাকায় তারা সেগুলো দোকানে রেখেছেন।

    একজন বিক্রেতা জানান, তিনি এ পর্যন্ত ১২-১৩শ বাংলাদেশি পতাকা বিক্রি করেছেন। আকারভেদে ৩৫০-৫০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে পতাকাগুলো।

    আরেক বিক্রেতাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি কেন দোকানে বাংলাদেশের পতাকা রেখেছেন? জবাবে তিনি বলেন, মানুষ পছন্দ করে, কিনতে আসে। এজন্যই বাংলাদেশের পতাকা রেখেছি।

    এসময় একজন ক্রেতার সঙ্গেও কথা বলেন রেহান, যিনি বাংলাদেশের পতাকা কিনতে এসেছিলেন। কারণ জানতে চাইলে সেই তরুণ জানান, বাংলাদেশে সম্প্রতি যে পরিবর্তন এসেছে, তিনি সেটি সমর্থন করেন। বাংলাদেশের এ ঘটনায় তিনি অনুপ্রাণিতবোধ করছেন। এ কারণে এবারের স্বাধীনতা দিবসে তিনি পাকিস্তানের পাশাপাশি বাংলাদেশের পতাকাও উড়াবেন।

    ভিডিওতে দেখা যায়, আরেক বিক্রেতা বলছেন, তার কাছেও বাংলাদেশের পতাকা ছিল। কিন্তু সবগুলোই দ্রুত বিক্রি হয়েছে।

    পাকিস্তানিরা কেন বাংলাদেশি পতাকা কিনছেন জানতে চাইলে তিনিও সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনের কথা বলেন। বিক্রেতা বলেন, যারা ঐক্যবদ্ধ হতে জানে, তারা ঐক্যবদ্ধ হয়। বাংলাদেশের ছাত্ররা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এ কারণেই তারা উন্নতির দিকে যাচ্ছে।

  • সিকিমে ভয়াবহ ভূমিধসে গুঁড়িয়ে গেল তিস্তা বাঁধ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র

    সিকিমে ভয়াবহ ভূমিধসে গুঁড়িয়ে গেল তিস্তা বাঁধ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র

    ভারতের সিকিমে ভয়াবহ ভূমিধসে ধসে পড়েছে তিস্তা বাঁধ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকালের দিকে ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার করপোরেশন (এনএইচপিসি) তিস্তা স্টেজ ৫ বাঁধের বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকায় এই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভারী বৃষ্টির কারণে এই ভূমিধস ঘটেছে। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। যদিও বাঁধের পার্শ্ববর্তী বেশকিছু বাড়িঘর ভূমিধসে ধ্বংস হয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ৫১০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি একটি পাহাড়ের পাশে অবস্থিত ছিল। ছোট ছোট ভূমিধসের কারণে গত কয়েকদিন ধরেই পাহাড়টি ধসে পড়ার ঝুঁকিতে ছিল।

    মঙ্গলবার সকালে পাহাড়ের বড় একটি অংশ ধসে পড়ে। আগে থেকেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সবাইকে সরিয়ে নেওয়ায় ভূমিধসে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

    ভূমিবিজ্ঞানীরা বলছেন, সিকিমের এই অঞ্চলে ভূমিক্ষয়ের সমস্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিকিমের লোনাক হিমবাহী হ্রদ ফেটে যায়। এরপর থেকেই তিস্তা বাঁধের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ ছিল।

  • পাকিস্তানে ইন্টারনেট ধীরগতি, ভিপিএনকে দায়ী করলেন মন্ত্রী

    পাকিস্তানে ইন্টারনেট ধীরগতি, ভিপিএনকে দায়ী করলেন মন্ত্রী

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে উত্তাল পাকিস্তান। দেশজুড়ে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। তবে চলমান এই আন্দোলনে সরকারের বিরুদ্ধে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের আন্দোলনের কার্যক্রমকে বাধা সৃষ্টি করতে এ ধরনের প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।Advertisement

    তবে ইন্টারনেটের এমন ধীরগতির জন্য সরকারের কোনো ভূমিকা নেই বলে দাবি করেছেন দেশটির তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ফাতিমা খাজা। 
    তিনি জানিয়েছেন, ভিপিএনের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণেই ইন্টারনেটের গতি কমেছে। গত ১৮ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এই বক্তব্য দেন।

    রোববার ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়নি বা ইচ্ছা করে গতিও কমিয়ে দেওয়া হয়নি। ভিপিএন ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণেই ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে।

    ফাতিমা খাজার দাবি, সরকার নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপ ব্লক করে দিলে মানুষজন ভিপিএন ব্যবহার করতে শুরু করে। এটি স্থানীয় ইন্টারনেট সার্ভিসগুলোকে বাইপাস করে এবং গতি ধীর করে দেয়। ভিপিএন ব্যবহার করলে মোবাইল ইন্টারনেটের গতিও কমে যায় বলে দাবি করেছেন তিনি।

    প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেন, এই সমস্যা সমাধান করতে এবং পাকিস্তানে ইন্টারনেট সেবা উন্নত করতে কাজ করছে সরকার।

    জিও নিউজের খবর অনুসারে, পাকিস্তান ইন্টারনেট সম্পর্কিত সমস্যাগুলো একটি ফায়ারওয়াল বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি ট্রাফিক নিরীক্ষণ ও ফিল্টার করার জন্য কোনো দেশের প্রধান ইন্টারনেট গেটওয়েতে ইনস্টল করা হয়।

    এই ফায়ারওয়াল ব্যবহার করে সরকার যেকোনো ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর বিষয়বস্তু (কন্টেন্ট) নিয়ন্ত্রণ বা ব্লক করতে পারে। কর্তৃপক্ষের দাবি, যেকোনো ধরনের আপত্তিকর বিষয়বস্তুর উৎস খুঁজে বের করারও ক্ষমতা রয়েছে এই প্রযুক্তির।

    উল্লেখ্য যে, পাকিস্তানের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (পিটিএ) দেশব্যাপী ভিপিএন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে একটি নতুন নীতি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

    চলতি বছর পাকিস্তানে ভিপিএনের ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণ। মূলত নির্বাচনের আগে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স ব্লক করা হলে দেশটিতে ভিপিএনের ব্যবহার বেড়ে যায়।টপ১০ভিপিএনের তথ্যমতে, এক্স ব্লক করার দুদিন পরে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে ভিপিএনের চাহিদা একলাফে ১৩১ শতাংশ বাড়তে দেখা গিয়েছিল।

  • শেখ হাসিনার ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

    শেখ হাসিনার ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

    প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে এখন ভারতের দিল্লিতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। পরবর্তীতে কোন দেশে যাবেন, তা এখনও জানা যায়নি। এরই মধ্যে শেখ হাসিনার যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন সরকার।

    মঙ্গলবার কূটনৈতিক বিশ্বস্ত সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে দূতাবাস জানায়, কোনো ব্যক্তির ভিসা নিয়ে মন্তব্য করবে না দূতাবাস।

    এর আগে দেশ ছেড়ে শেখ হাসিনার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়াকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার আহ্বান জানায়।

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান শেখ হাসিনার যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বাতিলের তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি লিখেছেন, মার্কিন সরকার বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিসা প্রত্যাহার করেছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘনিষ্ঠ সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে এক্সে জানিয়েছেন বার্গম্যান। তবে পদত্যাগের পর ভারতে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিসা বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারেনি।

    এই বিষয়ে জানতে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন ও ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র স্টিফেন ইবেলির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানান, ভিসা রেকর্ড মার্কিন আইনের অধীনে একটি গোপনীয় বিষয়। সেজন্য আমরা পৃথক ভিসা মামলার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি না। তবে মাসুদ বিন মোমেনের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ডেভিড বার্গম্যান লিখেছেন, শেখ হাসিনা সোমবার বিকালে বাংলাদেশ ছেড়েছেন এবং ভারতে বসেই তার পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা গেছে। তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ভার্জিনিয়ায় থাকেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হাসিনার ভ্রমণের কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না তা স্পষ্ট নয়।
    ব্রিটিশ এই সাংবাদিক লিখেছেন, হাসিনা যুক্তরাজ্যে আশ্রয় চাওয়ার কথা বিবেচনা করছেন, সেখানে তার বোন (শেখ রেহানা) এবং ভাগ্নি (এমপি টিউলিপ সিদ্দিক) থাকেন। হাসিনা যে পদ্ধতিতে ব্রিটেনের কাছে আশ্রয় চেয়েছেন, অভিবাসন আইন অনুযায়ী তা সম্ভব নয়।

    সোমবার ছাত্র-জনতার তোপের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতের উত্তরপ্রদেশে যান শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে তাকে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের হিন্দন বিমান ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

    শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে পারেন বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিতে ইচ্ছুক নয় যুক্তরাজ্য।

    সোমবার শেখ হাসিনার সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যান তার ছোট বোন শেখ রেহানাও। তবে রেহানার যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব রয়েছে।
    একটি সূত্র জানিয়েছে, রেহানা অল্প সময়ের মধ্যে যুক্তরাজ্যে যাবেন। তবে তার সঙ্গে হাসিনা যাবেন কি না সেটি নিশ্চিত নয়।

    এদিকে গতকাল ভারতে পৌঁছে প্রথমে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শক অজিত দোভাল এবং সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন শেখ হাসিনা। ওই বৈঠকে তাকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

    ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, শেখ হাসিনা তাদের কাছে ‘অল্প সময়ের মধ্যে’ জরুরিভিত্তিতে আশ্রয় চান। এ সময় হাসিনা আরও জানান, ভারতে অল্প সময়ের জন্য অবস্থান করবেন তিনি।

    জয়শঙ্কর বলেছেন, খুবই অল্প সময়ের নোটিশে, অল্প সময় অবস্থানের জন্য শেখ হাসিনা ভারতে আসার অনুমতি চান।

    ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটির সংসদে আরও বলেছেন, তারা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন। বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় হাইকমিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এমন আশাও ব্যক্ত করেন জয়শঙ্কর।

    তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যাশা যে বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় হাইকমিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

    জয়শঙ্কর বলেছেন, বাংলাদেশে ২০ হাজার ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৮ হাজার জন ফিরে এসেছেন। এছাড়া তাদের নজর সংখ্যালঘুদের ওপর থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।