Category: আন্তর্জাতিক

  • বুলেট হারিয়ে যাওয়ায় পুরো শহরে লকডাউন জারি কিমের

    বুলেট হারিয়ে যাওয়ায় পুরো শহরে লকডাউন জারি কিমের

    ঘটনাটি উত্তর কোরিয়ার শহর হায়েসানের। সেখানে ৬৫৩টি বুলেট হারানোর ঘটনায় পুরো শহরটিতে লকডাউন জারির তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ মার্চের মধ্যে এই শহর থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই সময়ে গুলিগুলো হারি যায়।

    এর আগে, হায়েসানে সেনা জারি করা হয়েছিল। পরে যখন সেখান থেকে সেনাবাহিনী সরানো হয়, তখন দেখা যায় ৬৫৩টি বুলেট কম রয়েছে তাদের কাছে। আর সেই কারণে সম্পূর্ণ শহরে লকডাউন জারি করেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। ওই শহরে ২ লাখেরও বেশি বাসিন্দা রয়েছে।

    প্রথমে সেনাকর্মীরা নিজেরাই গুলি খুঁজতে তল্লাশি শুরু করেন। সেনাকর্তারা যখন দেখেন, গুলি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তখন তারা সেই বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। এরপর পরেই শহরে লকডাউন করা হয়। তবে সমালোচকদের দাবি, জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে।

  • সৌদিতে দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ১৩

    সৌদিতে দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ১৩

    সৌদি আরবের আসির প্রদেশে বাস দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ বাংলাদেশি মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ঘটনায় ১৭ বাংলাদেশিকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

    নিহত ১৩ বাংলাদেশি হলেন-নোয়াখালীর সেনবাগের মো. শরিয়ত উল্লাহর ছেলে শহিদুল ইসলাম, কুমিল্লার মুরাদনগরের আব্দুল আওয়ালের ছেলে মামুন মিয়া, নোয়াখালীর মোহাম্মদ হেলাল, লক্ষ্মীপুরের সবুজ হোসাইন, কুমিল্লার মুরাদনগরের রাসেল মোল্লা, কক্সবাজারের মহেশখালীর মো. আসিফ, গাজীপুরের টঙ্গীর আব্দুল লতিফের ছেলে মো. ইমাম হোসাইন রনি, চাঁদপুরের কালু মিয়ার ছেলে রুক মিয়া, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিফাত উল্লাহ, কুমিল্লার দেবীদ্বারের গিয়াস হামিদ, যশোরের কাওসার মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল, যশোর ইস্কান্দারের ছেলে রনি ও কক্সবাজারের মোহাম্মদ হোসেন।

    এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন জানিয়েছেন, সৌদি আরবে যে বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেই বাসে ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন ৩৫ জন। বাস দুর্ঘটনায় ১৮ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৭ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এছাড়া বাসে ভিন্নদেশি ১২ জন যাত্রীদের মধ্যে ৫ জনকে মৃত এবং ৭ জনকে আহত অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সোমবার (২৭ মার্চ) সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আসির প্রদেশে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় ২২ ওমরাহ যাত্রী নিহত হয়েছেন। ওমরাহ যাত্রী বহনকারী বাসটি একটি সেতুতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। একপর্যায়ে বাসটি উল্টে আগুন ধরে যায়।

    নিহতরা ওমরাহ পালন করতে মক্কা যাচ্ছিলেন।

  • মাঝ আকাশে অসুস্থ পাইলট, বিমান অবতরণ করালেন যাত্রী!

    মাঝ আকাশে অসুস্থ পাইলট, বিমান অবতরণ করালেন যাত্রী!

    মাঝ আকাশে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বিমানের পাইলট। এ সময় ত্রাণকর্তা হিসেবে এগিয়ে আসেন যাত্রীর আসনে বসে থাকা অন্য বিমানের এক পাইলট।

    তারই সাহায্য নিয়ে সহকারী পাইলট বিমানটিকে নিরাপদে নামিয়ে আনেন। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার লাস ভেগাসে।

    সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের ৬৩০১ যাত্রীবাহী বিমানটি লাস ভেগাস থেকে ওহাইওর কলম্বাসে যাচ্ছিল। বিমানবন্দর থেকে ওড়ার কিছুক্ষণ পরেই পাইলট ককপিটে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

    বিমান চালানোর মতো অবস্থা ছিল না তার। জরুরি ভিত্তিতে বিমানটিকে লাস ভেগাসে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয় সহকারী পাইলট এবং বিমানকর্মীদের।

    পাইলটের অসুস্থতার খবর যাত্রীদের মধ্যে চাউর হতেই একটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই বিমানেই ছিলেন অন্য বিমানের এক পাইলট। তিনি তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

    এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রেখে সহকারী পাইলটকে বিমানটিকে নিরাপদে নামিয়ে আনতে সাহায্য করেন।

    সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র ক্রিস পেরি বলেন, ওই বিমানেই অন্য বিমান সংস্থার এক পাইলট ছিলেন। তিনি ফ্লাইট ডেকে ঢুকে সহকারী পাইলটকে সহযোগিতা করেছেন।

    লাস ভেগাস বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, পাইলটের পেটে যন্ত্রণা হচ্ছিল। তার পরই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। বিমানটিকে নিরাপদে নামিয়ে আনার জন্য সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

    বিমানটি আকাশে ১ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ছিল। তার পর লাস ভেগাসে নামিয়ে আনা হয়। পাইলট কীভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লেন তা নিয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে ফেডেরেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ)।

  • তিউনিসিয়া উপকূলে নৌকা ডুবে ৩৪ শরণার্থী নিখোঁজ

    তিউনিসিয়া উপকূলে নৌকা ডুবে ৩৪ শরণার্থী নিখোঁজ

    অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিয়ে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলে একটি নৌকা ডুবে শিশুসহ অন্তত ৩৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

    এ নিয়ে গত দুই দিনে তিউনিসিয়ার উপকূলে শরণার্থীদের বহনকারী একাধিক নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটল। নৌকাডুবির এসব ঘটনায় প্রাণ গেছে সাতজনের। এখনো নিখোঁজ অন্তত ৬৭ জন। খবর আল-জাজিরার।

    তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ড শনিবার জানিয়েছে, গত দুই দিনে দেশটির উপকূল থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিয়ে ইউরোপগামী ৫৬টি নৌকা আটকে দেওয়া হয়েছে। এসব নৌকা থেকে আটক করা হয়েছে ৩ হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে।

    সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে যেতে ইচ্ছুক অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী তিউনিসিয়া অন্যতম একটি কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

    জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ইতালিতে প্রবেশ করা অন্তত ১২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী তিউনিসিয়া থেকে এসেছেন। গত বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৩০০।

  • নাইজেরিয়ায় বাসে আগুন, নিহত ২৫

    নাইজেরিয়ায় বাসে আগুন, নিহত ২৫

    নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জনতার ভিড়ে ঢুকে পড়ার পর আগুন ধরে যায়। এতে ২৫ জন নিহত ও আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

    শুক্রবার দেশটির বাউচি অঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে সেখানকার পুলিশ। খবর এএফপির।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার ৩৫ যাত্রী বহনকারী ওই বাসের সামনের টায়ার ফেটে যাওয়ায় রাস্তা থেকে ছিটকে যায় এবং বাউচি রাজ্যের উডুবো গ্রামে গরম থেকে রেহাই পেতে একটি গাছের ছায়ায় আশ্রয় নেওয়া জনতার ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে এবং বাসটিতে আগুন ধরে যায়।

    পুলিশের মুখপাত্র আহমেদ মোহাম্মাদ ওয়াকিল এক বিবৃতিতে বলেন, গাড়িটিতে আগুন ধরে যাওয়ায় বিস্ফোরিত হয় এবং এতে ২১ যাত্রীর এমনভাবে পুড়ে মারা যায় যে, তাদের চেনা কঠিন হয়ে পড়ে।

    তিনি আরও জানান, এ দুর্ঘটনায় একজন পুলিশ সদস্যসহ ৯ জন পথচারী মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে এবং তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরে ওই পুলিশ সদস্য মারা যান।

    নাইজেরিয়ার দুর্বল সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা এবং ট্রাফিক আইন না মেনে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোয় প্রায় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

  • ভারতে সেনা মহড়া থেকে ভুলে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, অতঃপর..!

    ভারতে সেনা মহড়া থেকে ভুলে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, অতঃপর..!

    ভারতের রাজস্থানের জয়সলমেরে পোখরান ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে সেনাবাহিনীর মহড়ায় ভুলে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। এর মধ্যে দু’টি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা গেলেও তৃতীয়টির সন্ধান এখনো মেলেনি।

    শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে।

    সেনা সূত্রের বরাতে বলা হয়, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে তিনটি সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ভুলবশত নিক্ষেপ করা হয়। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
    নাচনার ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি) কৈলাশ বিষ্ণোই বলেন, আজাসার গ্রামের একটি ক্ষেতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়া গেছে। দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি পাওয়া গেছে অন্য একটি ক্ষেতে।

    ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণের কারণে ক্ষেত দুটিতে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে।
    সেনা সূত্রে খবরে বলা হয়, ভুলে নিক্ষেপ হওয়া দুইটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা গেলেও তৃতীয়টির সন্ধান পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও সেনাবাহিনী বর্তমানে তৃতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটির খোঁজ চালাচ্ছে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

  • রুশ ড্রোন হামলায় নিহত ৮; দাবি ইউক্রেনের

    রুশ ড্রোন হামলায় নিহত ৮; দাবি ইউক্রেনের

    রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের কিয়েভ অঞ্চলে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও সাতজন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাশিয়া এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি পরিষেবা।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় রুশ ড্রোন হামলায় আটজন মারা গেছেন, সাতজন আহত এবং একজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    এ ছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে চারজন আছে বলে ধারণা করা হয়েছে।
    রাষ্ট্রীয় জরুরি পরিষেবা সিএনএনকে জানিয়েছে, একটি রুশ ড্রোন কিয়েভের রাজধানী থেকে প্রায় ৫০ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত রিজিশচিভ শহরের একটি আবাসিক ভবনে আঘাত করেছিল।

    কিয়েভের পুলিশপ্রধান আন্দ্রি নেবিতোভ বলেন, একটি ড্রোন রিজিশচিভ শহরের একটি ছাত্রাবাস ভবনে আঘাত করেছিল। হামলার পর ২০০ জনেরও বেশি বাসিন্দাকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানান নেবিতোভ।

  • পাকিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৯

    পাকিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৯

    পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী আফগান অঞ্চল বাদাকসানের জুর্ম শহরে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার (২১ মার্চ) রাতের এই ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৮। এটি ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হয়। পিডিএমএ’র রিপোর্ট অনুযায়ী, ভূমিকম্পে পাকিস্তানের কেপি প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় নয়জনের প্রাণহানি হয়েছে।

    আহত হয়েছেন ৪৪ জন। খবর জিও টিভির।
    পাক সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ জানিয়েছে, ভূমিকম্প কবলিত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে। কেপির হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

    আফগানিস্তানে উৎপত্তি হওয়া এ ভূমিকম্পের শক্তিশালী কম্পন ভারত ও পাকিস্তানেও অনুভূত হয়। পাকিস্তানে ৯ জন ছাড়াও আফগানিস্তানে ২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
    মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ভূমিকম্পে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল-পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ ও লাহোরেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ও কাশ্মির থেকেও এ কম্পন অনুভূত হয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল আফগানিস্তানের শহর জুর্ম থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিকে পাকিস্তান ও তাজিকিস্তান সীমান্তের কাছাকাছি।
    পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেখানে ভূমিকম্পে ঘরের দেয়াল ধসে ১০ বছর বয়সী এক মেয়ে ও ২৪ বছর বয়সী এক তরুণ নিহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিক আফগানিস্তান ও ভারত থেকে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। খাইবার পাখতুনখাওয়ার উদ্ধারকারী সংস্থা রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র বিলাল ফাইজি বলেন, সেখানকার সোয়াত জেলায় ভূমিধ্বসের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ২০টির বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অনেক মানুষ আহত হয়েছেন।

  • ট্রেন দুর্ঘটনা: গ্রিসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

    ট্রেন দুর্ঘটনা: গ্রিসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

    গ্রিসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। রবিবার দেশটির সংসদের বাইরে এই সংঘর্ষ হয়। আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, হাজারো শিক্ষার্থী সংসদের বাইরে বিক্ষোভ করে। পুলিশের দিকে তারা পেট্রল বোমা ছুড়ে মারে।

    এছাড়া বিক্ষোভকারীরা ময়লার বিনে আগুন ধরিয়ে দেয়।
    জবাবে পুলিশ টিয়ার গ্যাস এবং স্টান গ্রেনেড ছোড়ে। কয়েক মিনিটের মধ্যে পুলিশ সিয়ানট্যাগমা স্কয়ার থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে সমর্থ হয়। এরপর বিক্ষোভকারীরা পার্শ্ববর্তী সড়কে ছড়িয়ে পড়েন।

    গ্রিসের পুলিশ জানিয়েছে, সংসদের বাইরে অন্তত ১২ হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়। তারা গত মঙ্গলবারের ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার ‘জবাবদিহিতা’ দাবি করেন। বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘এই অপরাধ আমরা ভুলে যাব না। ’ তারা আকাশে কালো বেলুনের প্লাকার্ড উৎক্ষেপণ করেন যাতে লেখা ছিল, ‘তাদের নীতি মানুষের মূল্য দেওয়ার কারণ।


    স্থানীয় সময় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে গ্রিসের লারিসা শহরের কাছে যাত্রীবাহী একটি ট্রেনের সঙ্গে মালবাহী একটি ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ৫৭ জন নিহত হন। আহত হন আরও অন্তত ৬৬ জন। লারিসা শহরের কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রীবাহী ট্রেনটি গ্রিসের রাজধানী এথেন্স থেকে উত্তরাঞ্চলীয় শহর থেসালোনিকি যাচ্ছিল। আর মালবাহী ট্রেনটি থেসালোনিকি থেকে লারিসা যাচ্ছিল।

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা এক বার্তায় গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি প্রত্যেকের কাছে দায়বদ্ধ। তবে বিশেষ করে যারা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন, তাদের স্বজনদের কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি। ’

  • ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৪৩, বিক্ষোভে উত্তাল গ্রিস

    ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৪৩, বিক্ষোভে উত্তাল গ্রিস

    ট্রেন দুর্ঘটনায় ৪৩ জনের মৃত্যুর পর বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে গ্রিস। বিক্ষোভকারীদের সাথে দেশটির প্রধান রেল কার্যালয়ের বাইরে পুলিশের সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।

    এছাড়াও থিসালোনিকি ও লারিসা শহরেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।

    এদিকে দুর্ঘটনার কারণ জানতে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে গ্রিস সরকার।

    ঘোষণা করা হয়েছে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক।
    মঙ্গলবার রাতে দুই ট্রেনের মুখোমুখী সংঘর্ষের ঘটনায় যাত্রীবাহী ট্রেনটির চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এরমধ্যে প্রথম দুটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশি। এসময় ট্রেনটিতে মোট ৩৫০ জন যাত্রী ছিল।

    এই দুর্ঘটনাকে মানবসৃষ্ট ভুল বলে আখ্যা দিয়েছেন গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী।