Category: আন্তর্জাতিক

  • চীনের হুঁশিয়ারি, যুদ্ধ হলে ধ্বংস হবে গোটা বিশ্ব

    চীনের হুঁশিয়ারি, যুদ্ধ হলে ধ্বংস হবে গোটা বিশ্ব

    ক্রমশ তলানিতে ঠেকছে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক। এরই মধ্যে ট্রাম্পকে একপ্রকার হুমকিই দিয়ে রাখলেন চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী উই ফেং। ওয়াশিংটনকে সোজা নির্দেশ, তাইওয়ানের দিকে হাত বাড়িও না।

    রবিবার চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ানের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপোষ করবে না চীন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের যুদ্ধ গোটা বিশ্বের জন্য ধ্বংস ডেকে আনবে।

    সিঙ্গাপুরে সাংরি-লা বৈঠকে উই ফেং বলেন, কোনও রকম আগ্রাসন হলে শেষপর্যন্ত লড়াই করবে চীন। কেউ যদি চীনের সঙ্গে তাইওয়ানের সম্পর্ক খারাপ করতে চায় তবে প্রয়োজন হলে জোর করে তাইওয়ান দখল করবে চীন।

    তাইওয়ানকে পবিত্র ভূমি বলে মনে করে চীন। দেশটিকে চীনের সঙ্গে পৃথক করে রেখেছে তাইওয়ান উপসাগর। এই সুযোগে তাইওয়ানকে বিভিন্নভাবে সহায়তা দিয়ে তার মন জয় করতে চাইছে ট্রাম্প প্রশাসন। এতেই ক্ষুব্ধ চীন।

    এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা সম্মেলন সাংরি লা-তে এবার প্রথম যোগ দিল চীন। উই ফেং বলেন, এই মহাদেশে শান্তির জন্য পরিচালিত হয়ে থাকে চীনা সেনা বাহিনীর কর্মকাণ্ড। তবে দেশের প্রয়োজনে পাল্টা হামলা করতেও পিছপা হবে না চীন।

  • পবিত্র শবেকদর উপলক্ষে রাসূলুল্লাহ’র দাড়ি মোবারক উন্মুক্ত করলো তুরস্কে!

    পবিত্র শবেকদর উপলক্ষে রাসূলুল্লাহ’র দাড়ি মোবারক উন্মুক্ত করলো তুরস্কে!

    পুণ্যময়ী রজনী পবিত্র লাইলাতুলকদর উপলক্ষ্যে তুরস্কে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষ স্মৃতি তাঁর পবিত্র দাড়ি মুবারক জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

    ৩১ মে তুরস্কের স্থানীয় সময় অনুযায়ী পবিত্র লাইলাতুলকদর উপলক্ষ্যে রাজধানী আঙ্কারার সুলতান আলাউদ্দিন মসজিদে বাদ জুম্মা মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাড়ি মুবারক উন্মুক্ত করা হয়।

    সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের সংরক্ষিত এই স্মৃতি অবলোকন করার জন্য ভীড় জমায় হাজারো রসূলপ্রেমী উৎসুক জনতা।এজন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয় তাদের। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুরূদ পাঠ করতে করতে যখন অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়-তখন সে কি আনন্দের ছাপ চোখেমুখে।

    উল্লেখ্য, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র দাড়ি মুবারক প্রতিবছর মাত্র একদিন উন্মুক্ত করা হয়-এজন্য দর্শনার্থীদের আগ্রহ ও সমাগম থাকে চোখে পড়ার মতো। এসময় অনেককে বেশি বেশি দোয়া দরূদ পাঠ করতে দেখা যায়। আনন্দের আতিশয্যে কেউ কেউ দু’চার রাকাত শুকরিয়ার নামাজও আদায় করেন।

    ফিলিস্তিনি পবিত্র শহর বিক্রয়যোগ্য কোনো পণ্য নয় : ইরান

    জেরুজালেম আল-কুদসের (বায়তুল মুকাদ্দাস) ওপর দখলদারিত্ব পাকাপোক্ত করার কাজে ইহুদিবাদী ইসরাইলের পক্ষ অবলম্বন করায় আরব শাসকদের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ।

    তিনি বলেছেন, অধিকৃত এই পবিত্র ফিলিস্তিনি শহর বিক্রয়যোগ্য কোনো পণ্য নয়। তিনি শুক্রবার নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুসলমানদের প্রথম ক্বিবলা আল-আকসা মসজিদসমৃদ্ধ এই নগরীকে ইহুদিবাদীদের কাছে সমর্পণ করার অধিকার কারো নেই।

    টুইটার বার্তায় জারিফ বলেন, “কোনো কোনো আরব শাসক মনে করছেন তারা যদি (ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন) নেতানিয়াহুর তাবেদারি করেন তাহলে তারা তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারবেন।” ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক আরো বলেন, “ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী তার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম থাকা সত্ত্বেও (ফিলিস্তিনি সংগ্রামীদের রকেট হামলা থেকে) ইসরাইলকে রক্ষা করতে পারেননি।

    তাহলে তিনি কীভাবে আরব শাসকদের রক্ষা করবেন?” এর আগে বুধবার মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ আরেকটি টুইটার বার্তায় বলেছিলেন, জেরুজালেম আল-কুদস ফিলিস্তিনি জনগণের সম্পদ। এটি ইহুদিবাদী ইসরাইল বা আমেরিকার সম্পদ নয় যে তারা এ নগরীর ভবিষ্যত নির্ধারণ করবেন।

    তিনি বলেন, আল-কুদস যেমন আমেরিকার নয় তাই এটি ইসরাইলকে দিয়ে দেয়ার কোনো অধিকার তার নেই তেমনি এই নগরী ইসরাইলেরও সম্পদ নয় যে, সে জোর করে এর মালিকানা গ্রহণ করবে।

    ফিলিস্তিনের জেরুজালেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার আমেরিকার নেই!

    জেরুজালেম আল-কুদস ফিলিস্তিনি জাতির সম্পদ। কাজেই এ ব্যাপারে আমেরিকা বা ইহুদিবাদী ইসরায়েল সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না।ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ এ কথা বলেছেন। বুধবার নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি ।

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ জারিফ বলেন, আল-কুদস (জেরুজালেম) আমেরিকার কোনো বিষয় নয় যে সে দিয়ে দেবে এবং ইসরায়েলেরও কোনো বিষয় নয় যে, সে নিয়ে নেবে।

    অথবা এই নগরী কোনো পণ্য নয় যে কেউ তা বেচাকেনা করবে। এটি ফিলিস্তিনিদের উত্তরাধিকার এবং তাদেরই থাকবে। বুধবার সন্ধ্যায় তেহরানে নিযুক্ত মুসলিম দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের সম্মানে এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, আল-কুদস হচ্ছে মুসলমানদের প্রথম কেবলা এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

    মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ মুসলিম বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত বেদনাদায়ক’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর চেয়ে কষ্টদায়ক আর কিছু হতে পারে না যে, আমেরিকা ও ইসরায়েল মিলে আল-কুদসের ভবিষ্যত নির্ধারণের যে লজ্জাজনক পরিকল্পনা তৈরি করেছে তার প্রতি সমর্থন দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যেরই কিছু আরব দেশ।

    উল্লেখ্য, ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার চিরতরে নির্মূল করে দেয়ার লক্ষ্যে আমেরিকা কথিত ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ নামক পরিকল্পনা তৈরি করেছে। সৌদি আরবসহ কয়েকটি আরব দেশ এই পরিকল্পনার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। এই পরিকল্পনায় আল-কুদসকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের হাতে ন্যস্ত করার কথা বলা হয়েছে এবং ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের মাতৃভূমিতে ফিরে আসার অধিকার চিরতরে খর্ব করা হয়েছে।

    এই ন্যক্কারজনক পরিকল্পনায় আরো বলা হয়েছে, জর্দান নদীর পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকার যতটুকু অংশে এখন ফিলিস্তিনিরা ঘেরাও হয়ে রয়েছে ততটুকু অংশ নিয়ে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠিত হবে।

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আবার এক হাত দেখে নিল হুয়াওয়ে, ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, মাইক্রোএসডি এখন আবার হুয়াওয়ের পাশে

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আবার এক হাত দেখে নিল হুয়াওয়ে, ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, মাইক্রোএসডি এখন আবার হুয়াওয়ের পাশে

    নিউজ ডেস্কঃ

    যারা চীনা প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ের পাশ থেকে সরে গিয়েছিল, তারা আবারও ফিরে আসতে শুরু করেছে।

    হুয়াওয়ের ফোনে মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা ছিল, পাশ থেকে সরে যাওয়ায় ব্যবহার করতে পারতো না ব্লুটুথ ও ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক। কিন্তু অনেকটা নীরবেই ওয়াইফাই অ্যালায়েন্স, এসডি অ্যাসোসিয়েশন এবং ব্লুটুথ এসআইজি ফিরে আসায় সেই নিষেধাজ্ঞা আর রইলো না হুয়াওয়ের ক্ষেত্রে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করে।

    দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পর মার্কিন জায়ান্ট গুগল হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে যায়। ফলে কিছুটা বিপাকে পড়ে হুয়াওয়ে। এর পর একে একে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করতে থাকে। বিভিন্ন জোট বা অ্যালায়েন্স থেকে হুয়াওয়েক সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু গত বুধবার ওই তিন নেটওয়ার্ক তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে আবারও হুয়াওয়ের পাশে থাকার ঘোষণা দেয়।

    প্রতিষ্ঠানগুলো এখন চাইছে হুয়াওয়ের সঙ্গে তাদের চুক্তির মেয়াদ নবায়ন করবে। কারন, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন তৈরি করে এই প্রতিষ্ঠানটি। জনপ্রিয় প্রযুক্তি সাইট ফোনএরিনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুয়াওয়ে চাইলে এসব অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য না হয়েও সুবিধা নিতে পারে। তবে সেটাও জন্য কিছুটা কাঠখড় পোড়াতে হতে পারে বলে এক এক্সিকিউটিভ বলেন।

    তবে হুয়াওয়ে চাইলে নিজের মতো করেই মাইক্রোএসডির বিকল্প তৈরি করে ফেলতে পারে বলে জানানো হয়। কারণ, ইতোমধ্যে হুয়াওয়ে তাদের মেট ২০ এবং মেট ২০ প্রো ডিভাইসে ন্যানো এসডি কার্ডের প্রচলন করেছে। হুয়াওয়ের যেহেতু ইতোমধ্যেই তাদের অ্যান্ড্রয়েডের বিকল্প আর্ক বা হংমেং নামে অপারেটিং সিস্টেম আনার ঘোষণা দিয়েছে, সেহেতু তারা চাইলে মাইক্রোএসডির বিকল্প কিছু তৈরি করতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    চলতি বছরেই নতুন ওই অপারেটিং সিস্টেম বাজারে ছাড়তে পারে হুয়াওয়ে। সেই অপারেটিং সিস্টেমে অ্যান্ড্রয়েড ও ওয়াপ উভয় অ্যাপ সাপোর্ট করবে বলে দাবি করছে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম। গত বছরের শেষ দিক থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে একটি বাণিজ্য যুদ্ধাবস্থা শুরু হয়। যা চলতি বছরের মার্চ থেকে চূড়ান্ত আকার ধারণ করতে থাকে।

    দেশ দুটির এই বাণিজ্য যুদ্ধের বলি হয় চীনা ব্র্যান্ড হুয়াওয়ে। হুয়াওয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকী বিবেচনায় তাদের দেশটিতে গত ১৫ মে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়।

  • মানিকগঞ্জের রৌশনারা এখন যুক্তরাজ্যের মেয়র

    মানিকগঞ্জের রৌশনারা এখন যুক্তরাজ্যের মেয়র

    মানিকগঞ্জের সিংগাইরের মেয়ে রৌশনারা রহমান এখন যুক্তরাজ্যের রামসগেট শহরের মেয়র। তিনি সিংগাইর উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়নের ইরতা কাশিমপুর (কাঠাল বাগান) গ্রামের মেয়ে

    ১৯৬৭ সালে ১৩ বছর বয়সে তিনি প্রকৌশলী বাবা রজ্জব আলীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়েছিলেন। প্রবাসে জীবনযাপন করলেও নিজের জন্মভূমির টানে প্রায় প্রতিবছর ছুটে আসেন নিজের জন্মস্থানে।

    রৌওশনারা ছিলেন মেধাবী ছাত্রী। ইরতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তি পেয়েছিলেন তিনি। স্থানীয় তালেবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়ার পর প্রকৌশলী বাবা রজ্জব আলীর সঙ্গে চলে যান যুক্তরাজ্যে। সেই থেকে সপরিবারে বসবাস করছেন সেখানে।

    এরপর যুক্তরাজ্যেও মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি সেখানে ব্যারিস্টার ডিগ্রি লাভ করেন। স্বামী রেজাউর রহমানের সঙ্গে তিনি যুক্ত হন হোটেল ব্যবসায়। এরপর আসেন রাজনীতির ময়দানে। রৌশনারার স্বামীর বাড়ি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায়। তিন বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে রৌওশনারা সবার বড়।

    দুই মাস আগে রৌশনারার বাবা রজ্জব আলী খান মারা গেছেন। তিনি ছিলেন বুয়েটের প্রথম ব্যাচের ছাত্র। ১৯৬৭ সালে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তিনি। এলাকায় দানবীর হিসেবে তার খ্যাতি ছিল। তিনি নিজের জমিতে এলাকাবাসীর জন্য মসজিদ, ঈদগা, রাস্তা এবং বেশকিছু ঘরবাড়ি নির্মাণ করেন। সব সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

    বাবার মতোই রৌশনারাও এলাকায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। যুক্তরাজ্যের রামসগেট শহরের নামে নিজ গ্রামে রামস-বাংলা মহিলা উন্নয়ন সংস্থা নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। প্রবাসে থেকেও প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে তিনি নানাভাবে এলাকার মানুষকে সহায়তা করছেন।

    রামস-বাংলা মহিলা উন্নয়ন সংস্থার ম্যানেজার ও রৌশনারার চাচাতো ভাই আব্দুল মোতালেব হোসেন জানান, সংস্থার মাধ্যমে তিনি দেশে প্রতিবছর বন্যার সময় ত্রাণ, শীতার্তদের মাঝে কম্বল ও ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে গ্রামের মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেন। এছাড়া ব্যক্তিগত খরচে এলাকার অনেক মানুষের চোখের অপারেশন করিয়েছেন রৌশনারা।

    মোতালেব হোসেন জানান, রৌশনারা রহমানের পেশা ব্যবসা। রামসগেট শহরে ‘তন্দরি’ নামে একটি রেস্টুরেন্টের মালিক তিনি। যুক্তরাজ্যে সক্রিয় রাজনীতি ও ব্যবসার ব্যস্ততা থাকলেও, রৌওশনারা প্রতিবছরই দেশে আসেন। সময় কাটান নিজ গ্রামে। মানবিক কাজের কারণে এলাকার সবাই তাকে ভালোবাসেন।

    তিনি আরও বলেন, ২০১৭ সালে যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির এমপি প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করেছিলেন রৌশনারা রহমান। সামান্য ভোটে সেসময় পরাজিত হন তিনি। এর আগে লেবার পার্টি থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মে’র নির্বাচনে বিপুল ভোটে যুক্তরাজ্যের রামসগেট-এর মেয়র নির্বাচিত হন রৌশনারা।

    রৌশনারার এই জয়ে উৎফুল্ল জন্মস্থান মানিকগঞ্জের সিংগাইরের মানুষ। স্থানীয় তালেবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রমজান আলী জানান, আমাদের এলাকার গর্ব রৌশনারা যুক্তরাজ্যের রামসগেট শহরের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এজন্য আমরা খুবই গর্ববোধ করছি। এলাকার সব মানুষ খুবই উচ্ছ্বসিত।

    রৌশনারা রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, দীর্ঘদিন ধরে সমাজের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। লেবার পার্টি আমার প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস রেখেছিল। এজন্যই আমাকে মনোনয়ন দেয়। শহরের মেয়র নির্বাচিত হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। এটা খুবই সম্মানের। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে ভবিষ্যতে মানুষের জন্য আরও কাজ করে যেতে চাই।

    তিনি আরও বলেন, নিজের শেকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা প্রত্যেকটি মানুষের জন্য খুবই জরুরি। শত ব্যস্ততার মাঝেও আমি সবসময় আমার দেশ এবং জন্মস্থানকে স্মরণ করি। এজন্যই সুযোগ পেলেই দেশে ফিরে যাই। গ্রামের অসহায় মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে আমারও ভালো লাগে।

    রৌশনারা জানান, ভবিষ্যতে ইংল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক যেন আরও উন্নত করা যায় সে জন্য তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করবেন।

    উল্লেখ্য, দেশের ঐতিহ্য তুলে ধরতে রৌশনারা রহমান প্রায় এক যুগ আগে একটি রিক্সা নিয়ে গিয়েছিলেন লন্ডনে। সেসময় বিষয়টি বেশ সাড়া ফেলেছিল। বিটিভির একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে এটি প্রচারিত হয়েছিল।

  • মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন; তাও আবার ছেড়া পাঞ্জাবী পরে !

    মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন; তাও আবার ছেড়া পাঞ্জাবী পরে !

    নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় শপথ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

    তার পর মন্ত্রিসভার ৫৮ জন সদস্য শপথ গ্রহন করেন। তাদের মধ্যে ৫৬তম নামটি , শ্রী প্রতাপ চন্দ্র সারেঙ্গি। এমপি হিসাবে শপথ গ্রহনের পর যোগাযোগ গণমাধ্যমে বেশ আলোচনায় এসেছে তিনি।

    একটি ভাঙ্গা কুঁড়ে ঘর। আর একটি বাইসাইকেল। তাও আবার ২৫বছরের পুরোনো। ভারতের উড়িষ্যায় পরোপকারী এ মানুষটি লোকসভা নির্বাচনে জিতেছেন। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন। তাও আবার ছেড়া পাঞ্জাবী পরে।

    প্রতাপ চন্দ্র সারেঙ্গি (৬৪)। তিনি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, পশুপালন দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রতাপ চন্দ্র সারেঙ্গি উড়িষ্যার মোদি হিসেবেও খ্যাত।

    বৃহস্পতিবার ভারতের নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে। সবচেয়ে বেশি হাততালি পেয়েছেন সবচেয়ে অখ্যাত এই মানুষটি। এতদিন উড়িষ্যার বাইরে তিনি খুব একটা পরিচিতও ছিলেন না। অথচ এখন তিনি ভারতের অন্যতম আলোচিত ব্যক্তি।

    বাঁশ দিয়ে তৈরি কুড়েঘরে থাকেন তিনি। সাইকেলে চড়ে যাতায়াত করেন। লোকসভা নির্বাচনে অটোতে করে প্রচারণা চালিয়েছেন। লোকসভার সদস্য হওয়ার আগে প্রতাপ সারেঙ্গি উড়িষ্যার নীলগিরি আসন থেকে বিধায়ক হয়েছিলেন।

    ২০০৪ ও ২০০৯ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জেতেন তিনি। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যান এ বিজেপি নেতা।

    এবার লোকসভা নির্বাচনে উড়িষ্যার বালাসোর আসনে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। বিজু জনতা দলের প্রার্থী রবীন্দ্র কুমার জেনাকে হারিয়েছেন ১২ হাজার ৯৫৬ ভোটে।

    উড়িষ্যার নীলগিরির গোপীনাথপুর গ্রামে এক গরীব ঘরে জন্ম প্রতাপ সারেঙ্গির। স্থানীয় ফকির কলেজ থেকে স্নাতক পাস করেছেন।

    ইচ্ছা ছিল, সাধু হয়ে দেশ আর মানুষের সেবা করবেন। কিন্তু মঠের সন্ন্যাসীরা যখন জানলেন, তার বাবা মারা গেছেন, বাড়িতে মা একা, সঙ্গে সঙ্গে ফেরত পাঠিয়ে দেন মায়ের সেবা করার জন্য। মঠের সাধু না হতে পারলেও, তাদের মতো সাধারণ জীবনযাপনের অভ্যাস কখনো ছাড়েননি প্রতাপ। বিয়েও করেননি।

    নির্বিবাদ এ মানুষটি নির্বাচনে জেতায় স্থানীয়রা যেমন খুশি, খুশি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তার সঙ্গে প্রতাপের বেশ খাতির। মোদি উড়িষ্যায় গেলে সারেঙ্গির সঙ্গে অবশ্যই দেখা করেন।

    শুধু বিজেপির রাজনীতিই নয়, তাদের মধ্যে মিল আছে আরেক জায়গাতেও। দু’জনেই রামকৃষ্ণ মিশনের সাধু হতে গিয়েছিলেন, দু’জনকেই সন্ন্যাসীরা ফিরিয়ে দিয়েছেন। পাকাপোক্ত ভাবে গেরুয়া ধারণ না করলেও দু’জনেই এখন গেরুয়া শিবিরের সদস্য।

    শহুরে জীবনের বিলাসিতা, চাকচিক্য, সুবিধা থেকে অনেক দূরে তার বসবাস। বালাসোরের এক ঝুপড়ি ঘরেই তার স্থায়ী ঠিকানা।

    মঠের সাধু না হতে পারলেও, তাদের মতো সাধারণ জীবনযাপনের অভ্যাস কখনো ছাড়েননি প্রতাপ।

    লোকে বলে, তিনি জীবের সেবা করেন, জেনেশুনে কখনো কারো ক্ষতি করেননি। ময়ুরভঞ্জ ও বালাসোরের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় দুস্থ শিশুদের জন্য স্কুল করে দিয়েছেন। এলাকার যেখানেই কিছুটা উন্নয়ন হয়েছে, সেখানেই কোনো না কোনো ভাবে তার অবদান রয়েছে।

    নির্বিবাদ এ মানুষটি নির্বাচনে জেতায় স্থানীয়রা যেমন খুশি, খুশি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। তার সঙ্গে প্রতাপের বেশ খাতির। মোদী উড়িষ্যায় গেলে সারেঙ্গির সঙ্গে অবশ্যই দেখা করেন।

    শুধু বিজেপির রাজনীতিই নয়, তাদের মধ্যে মিল আছে আরেক জায়গাতেও। দু’জনেই রামকৃষ্ণ মিশনের সাধু হতে গিয়েছিলেন, দু’জনকেই সন্ন্যাসীরা ফিরিয়ে দিয়েছেন। পাকাপোক্ত ভাবে গেরুয়া ধারণ না করলেও দু’জনেই এখন গেরুয়া শিবিরের সদস্য।

  • কুঁড়েঘরের সেই মোদি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন

    কুঁড়েঘরের সেই মোদি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন

    ভারতের ১৭ তম লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার শপথ গ্রহণ করেছেন নরেন্দ্র মোদি। তার নতুন মন্ত্রিসভায় আরেকজন ‌‌‘মোদি’ আছেন যার আসল নাম প্রতাপ চন্দ্র সারেঙ্গি (৬৪)।

    তিনি মোদির মন্ত্রিসভায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, পশুপালন দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রতাপ চন্দ্র সারেঙ্গি উড়িষ্যার মোদি হিসেবেও খ্যাত।

    বৃহস্পতিবার ভারতের নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে। সবচেয়ে বেশি হাততালি পেয়েছেন সবচেয়ে অখ্যাত এই মানুষটি। এতদিন উড়িষ্যার বাইরে তিনি খুব একটা পরিচিতও ছিলেন না। অথচ এখন তিনি ভারতের অন্যতম আলোচিত ব্যক্তি।

    উড়িষ্যার নীলগিরির গোপীনাথপুর গ্রামে এক গরীব ঘরে জন্ম প্রতাপ সারেঙ্গির। স্থানীয় ফকির কলেজ থেকে স্নাতক পাস করেছেন।

    ইচ্ছা ছিল, সাধু হয়ে দেশ আর মানুষের সেবা করবেন। কিন্তু মঠের সন্ন্যাসীরা যখন জানলেন, তার বাবা মারা গেছেন, বাড়িতে মা একা, সঙ্গে সঙ্গে ফেরত পাঠিয়ে দেন মায়ের সেবা করার জন্য। মঠের সাধু না হতে পারলেও, তাদের মতো সাধারণ জীবনযাপনের অভ্যাস কখনো ছাড়েননি প্রতাপ। বিয়েও করেননি।

    বাঁশ দিয়ে তৈরি কুড়েঘরে থাকেন তিনি। সাইকেলে চড়ে যাতায়াত করেন। লোকসভা নির্বাচনে অটোতে করে প্রচারণা চালিয়েছেন। লোকসভার সদস্য হওয়ার আগে প্রতাপ সারেঙ্গি উড়িষ্যার নীলগিরি আসন থেকে বিধায়ক হয়েছিলেন।

    ২০০৪ ও ২০০৯ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জেতেন তিনি। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যান এ বিজেপি নেতা।

    নির্বিবাদ এ মানুষটি নির্বাচনে জেতায় স্থানীয়রা যেমন খুশি, খুশি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তার সঙ্গে প্রতাপের বেশ খাতির। মোদি উড়িষ্যায় গেলে সারেঙ্গির সঙ্গে অবশ্যই দেখা করেন। শুধু বিজেপির রাজনীতিই নয়, তাদের মধ্যে মিল আছে আরেক জায়গাতেও।

    দু’জনেই রামকৃষ্ণ মিশনের সাধু হতে গিয়েছিলেন, দু’জনকেই সন্ন্যাসীরা ফিরিয়ে দিয়েছেন। পাকাপোক্তভাবে গেরুয়া ধারণ না করলেও দু’জনেই এখন গেরুয়া শিবিরের সদস্য।

  • নাইজেরিয়ায় বিএমডাব্লিউ গাড়িতে বাবার কবর দিলেন ছেলে

    নাইজেরিয়ায় বিএমডাব্লিউ গাড়িতে বাবার কবর দিলেন ছেলে

    গাড়িতেই দেয়া হলো কবর! এমন খবর শুনে অনেকের চোখ কপালে উঠলেও সত্যি এমন ঘটনা ঘটেছে চীনের হেবেই প্রদেশে। দেশটির এক নাগরিকের ইচ্ছে পূরণ করতেই তাকে গাড়িতে কবর দেয়া হয়েছে। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

    গাড়িতেই কবর দেয়ার জন্য কিউ নামের এক চীনা নাগরিক মৃত্যুর সময় তার শেষ ইচ্ছার কথা বলে গেছেন তার কাছের মানুষদের। আর তার শেষ ইচ্ছেতেই কফিনের বদলে প্রিয় গাড়ির সঙ্গে নিজেকে কবর দেয়া হয়।

    বিষয়টি পুরনো হলেও নতুন খবর হচ্ছে এবার নাইজেরিয়ার এক ধনী সন্তান তার বাবাকে বিলসাবহুল নতুন বিএমডাব্লিউ গাড়িতে কবর দিয়েছেন। বাবাকে বিএমডাব্লিউ গাড়ি কিনে দেয়ার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে আজুবুকি নামের এ ব্যক্তি অদ্ভুত এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। খবর প্রেসটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস।

    ঘটনাটি এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে-৮৮ হাজার ডলার মূল্যের গাড়িতে করে মৃত লোকটিকে কবর দেয়া হয়।

    আজুবুকি তার বাবাকে দামি বিএমডাব্লিউ গাড়ি কিনে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সে প্রতিশ্রুতি বাবার জীবদ্দশায় পূরণ করতে পারেননি। সে কারণে বাবার মৃত্যুর পর তার আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য তিনি স্থানীয় কফিনের পরিবর্তে বিএমডাব্লিউ গড়িতে করে বাবাকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেন। ঘটনাটি স্থানীয় জনগণের কাছে ক্ষোভ ও দুঃখের কারণ হয়ে উঠেছে। অনেকে বলছেন, মারাত্মক দারিদ্র্যপীড়িত দেশে এটা নিতান্তই অর্থের অপচয়।

    এ নিয়ে একজন গ্রামবাসী বলেছেন, এ ধরনের কাজ আমাদের কৃষ্ণাঙ্গদেরকে গরীব করে রেখেছে। আরেকজন এ ঘটনাকে পাগলামি ও স্বার্থপরতা বলে উল্লেখ করেছেন। তবে কেউ কেউ ঘটনাটিকে সাজানো নাটক বলে মন্তব্য করেছেন।

  • পৃথিবীর সব নারীকে হিজাব পরা উচিৎ : অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্ট

    পৃথিবীর সব নারীকে হিজাব পরা উচিৎ : অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্ট

    পৃথিবীর সব নারীকেই বছরে অন্তত একদিন হিজাব পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভেন ডার ব্যালেন।

    তিনি বলেন, ‘মুসলিম নারীদের সহমর্মীতা জানাতে সব নারীকেই বছরে একদিন হিজাব পড়া উচিৎ।’

    অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, একজন নারী কিভাবে নিজেকে সজ্জিত করবে তা কেবল ওই নারীরই ব্যপার। আর এ ব্যপারে হস্তক্ষেপ করা মোটেও উচিৎ নয়।

    তিনি মুসলিম নারীদের হিজাব পড়াকে একান্তই নিজস্ব বলে মনে করেন। তিনি বলেন, এখানে নাক গলাবার অধিকার কারোরই নেই।

    গত ডিসেম্বরের নির্বাচনে অস্ট্রিয়ান নাগরিকেরা বামপন্থী আলেক্সান্ডার ভেন ডার বেলেন’কে তাদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে। দেশটিতে ডানপন্থী ফ্রিডমপার্টির উত্থান মোকাবিলার প্রচেষ্টা হিসেবে গত জানুয়ারীতে মুসলিম নারীদের সারা মুখ ঢেকে রাখে এমন হিজাব ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। তবে, অস্ট্রিয়া সহ পশ্চিমা দেশগুলোতে মুসলিমদের প্রতি যে ভীতি তৈরী হয়েছে তা আসলে অবান্তর মনে করেন আলেক্সান্ডার। মূলত একাত্মতা জানানোর মধ্য দিয়েই এই ভীতি দূর করা সম্ভব।

    এদিকে, রাজধানী ভিয়েনায় ইউরোপিয় ইউনিয়নের হাউসে বক্তব্য দেওয়ার সময় আলেক্সান্ডার বলেন, ‘এটা নারীদের অধিকার। নিজেকে কেমন করে তারা সাজাবে এটা একান্তই তাদের ব্যপার।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এমন দিন হয়তো আসবে যে, আমরা সব নারীকেই হিজাব পড়তে বলবো।’

  • সন্ধান মিললো পৃৃথিবীর সমান ১৮ টি গ্রহের

    সন্ধান মিললো পৃৃথিবীর সমান ১৮ টি গ্রহের

    আমাদের এই ছায়াপথে পৃথিবীর সমান আরো ১৮টি গ্রহ রয়েছে। শুধু তাই নয়, পৃথিবী থেকে খানিকটা ছোট গ্রহের সংখ্যা কয়েকশ পর্যন্ত হতে পারে বলে তাদের ধারণা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের।
    মহাকাশে বসবাসের উপযুক্ত গ্রহের অনুসন্ধানকারী দূরবীক্ষণ হিসেবে খ্যাত কেপলার মহাকাশযানটি ২০০৯ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত নাসাকে এসব তথ্য পাঠিয়েছে। তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে জানা যায়, এই গ্রহগুলো আমাদের পৃথিবীর মতোই। এগুলো সম্ভবত পাথরের তৈরি। আকারেও সমান এবং থাকতে পারে তরল পানিও।

    নাসার পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম বরুসকি বলেছেন, জ্যোতির্বিজ্ঞানকে নতুন দিগন্ত দিয়ে কেপলা। এটি দেখিয়ে দিয়েছে মহাবিশ্বে নক্ষত্রের চেয়ে গ্রহের সংখ্যা বেশি। তার মধ্যে অনেক গ্রহে পানি থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে। এর অর্থ সেই সব গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব মেলার সম্ভাবনা আছে।

    ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে অবস্থিত নাসার এক্সোপ্ল্যানেট সাইন্স প্রকল্পে কাজ করা বিজ্ঞানী জেসি ক্রিশ্চিয়ানসে বলেন, আমি এই তথ্যে মোটেও বিস্মিত নই, তবে বেশি উত্তেজিত। নতুন নতুন তথ্যের সমন্বয় ঘটার কারণে বিজ্ঞানীরা আগের থেকে বেশি সাফল্য দেখাতে পারছেন। আগে যেসব গ্রহ বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা ছিল সেগুলো সম্পর্কেও জানা যাচ্ছে।

  • কাকদ্বীপের শিল্পীর আঁকা ছবি স্থান পেল আন্তর্জাতিক চিত্র প্রদর্শনীতে

    কাকদ্বীপের শিল্পীর আঁকা ছবি স্থান পেল আন্তর্জাতিক চিত্র প্রদর্শনীতে

    :কলকাতার বিড়লা একাডেমি অফ আর্ট এন্ড কালচারে শুরু হলো আন্তর্জাতিক চিত্র প্রদর্শনী। ২৮শে মে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট তথা প্রখ্যাত শিল্পী সেবানন্দ পন্ডা প্রদীপ জ্বালিয়ে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। এদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শিল্পী দেবব্রত চক্রবর্তী, বিড়লা অ্যাকাডেমি অফ আর্ট এন্ড কালচারের তত্ত্বাবধায়ক শিখা রায়, শিল্পী অতনু পাল ও সিনিয়র ফটোগ্রাফার সুমন দত্ত। এদিন প্রদর্শনীর উদ্বোধন করে শিল্পী সেবানন্দ পন্ডা বলেন, “বাংলা সাহিত্য ক্রমশ ভুলতে বসেছে বাঙালি। পুরনো বাংলা গানও হারিয়ে যাচ্ছে। তবে এখন চিত্র শিল্পের অবস্থা অনেকটাই ক্লাসিকাল গানের মত। কখনও দর্শকদের বিপুল জমায়েত ঘটে, কখন বা ভাটা পড়ে।”এই প্রদর্শনী চলবে আগামী ২ জুন পর্যন্ত। প্রদর্শনীতে শিল্পীদের আঁকা প্রায় ১২৫টি ছবি স্থান পেয়েছে। এ বিষয়ে প্রদর্শনীর দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা জয়ন্ত খান জানান, “এই প্রদর্শনী ১৫ বছরে পা রাখল। দেশ ও বিদেশের প্রখ্যাত শিল্পীদের আঁকা ছবি এই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে।” বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পী নারগিস সোমা জাফর জানান, “বাংলাদেশ ও ভারতবর্ষের সীমান্তে কাঁটা তার থাকলেও, ওপার ও এপার বাংলার অনুভূতি একই। আর সেই কারণেই দুই দেশের মানুষের মন একই সুরে বাঁধা।”কলকাতার এই আন্তর্জাতিক চিত্র প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে কাকদ্বীপেরও বহু প্রখ্যাত শিল্পীর ছবি। এদিন বাংলার প্রখ্যাত শিল্পী তাপস নিয়োগী জানান, “তাঁর ছবির মধ্যে তিনি ফুটিয়ে তোলেন, মানুষের জীবনবোধ ও জীবন সংগ্রামের কথা। তাঁর সেই ছবিগুলিইও স্থান পেয়েছে ১৫তম আন্তর্জাতিক চিত্র প্রদর্শনীতে।