Category: আন্তর্জাতিক

  • হুয়াওয়ে ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর,অ্যান্ড্রয়েড কিউ প্রোগ্রামে ফিরে এল হুয়াওয়ে মেট ২০ প্রো

    হুয়াওয়ে ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর,অ্যান্ড্রয়েড কিউ প্রোগ্রামে ফিরে এল হুয়াওয়ে মেট ২০ প্রো

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে মে মাসের প্রথম দিকে গুগল আইও ২০১৯ অ্যান্ড্রয়েড কিউ বিটা প্রোগ্রামের লিস্ট ঘোষণা করে যেখানে মোট ২১টি হ্যান্ডসেটের নাম প্রকাশ করে।

    সেই লিস্টে হুয়াওয়ে এর মেট ২০ প্রো ছিল । মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং গুগলের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আংশিক স্থগিতের কারণে হুয়াওয়েয়ের পণ্যগুলি অ্যান্ড্রয়েড এন্টারপ্রাইজ প্রোগ্রাম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট টেকরাডার ।

    তবে অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে , হুয়াওয়ে মেট ২০ প্রো টি অ্যান্ড্রয়েড কিউ বিটা প্রোগ্রামের অংশ আবার আবির্ভূত হয়েছে । হুয়াওয়ে এবং গুগলের মধ্যে আলোচনায় কোন অগ্রগতি হয়েছে কিনা তা পরিস্কার না হলেও মেট ২০ প্রো ব্যবহারকারিদের জন্য সুসংবাদ ।

    Image result for মেট ২০ প্রো

    অ্যান্ড্রয়েড কিউ বিটা প্রোগ্রামের মোট ২১টি হ্যান্ডসেটের মধ্যে তালিকায় প্রথমেই আছে হুয়াওয়ে মেট ২০ প্রো।

    বাকি হ্যান্ডসেট গুলি হল আসুস জেনফোন ফাইভ যেড,এসেন্সিয়াল ফোন, এলজি জি এইট, নোকিয়া ৮.১, অয়ান প্লাস সিক্স টি, অপ্পো রেনো, রিয়াল মি থ্রি প্রো, সনি এক্সপেরিয়া এক্স জেড থ্রি, টেকনো স্পার্ক থ্রি প্রো, ভিভো এক্স ২৭, ভিভো নেক্স এস, ভিভো নেক্স এ, শাওমি এম আই ৯, শাওমি এম এই মিক্স থ্রি ফাইভ জি, গুগল পিক্সেল থ্রি, গুগল পিক্সেল থ্রি এক্স এল, গুগল পিক্সেল টু, গুগল পিক্সেল টু এক্স এল, গুগল পিক্সেল, গুগল পিক্সেল এক্স এল।

  • হামিদ-মোদী বৈঠক: রোহিঙ্গা সংকটের সুষ্ঠু সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভারত

    হামিদ-মোদী বৈঠক: রোহিঙ্গা সংকটের সুষ্ঠু সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভারত

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ প্রতিশ্রতি দেন বলে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদিন জানান। টানা দ্বিতীয় মেয়াদে নরেন্দ্র মোদীর শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ৩০ মে বৃহস্পতিবার দিল্লি যান রাষ্ট্রপতি হামিদ। গতকাল শুক্রবার দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউজে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে তাকে অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমককে আলোচনার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানান।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে দুই দেশ যৌথ উদ্যোগ নিলে তা আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্ব পাবে বলে মত প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নতির ক্ষেত্রেও তা ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন। আগামী বছর ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বছর পূর্ণ হবে। আর ঠিক পরের বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশ উদযাপন করবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী।

    প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার তরফ থেকেও নরেন্দ্র মোদীকে শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি। সেই সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি। প্রেস সচিব বলেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়টিও এদিন আলোচনায় আসে। ভারতে কংগ্রেস আমল থেকে আটকে থাকা ওই চুক্তির জট ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় যাওয়ার পরও খুলতে পারেননি মোদী। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে বিষয়টি ঝুলে আছে।

    প্রেস সচিব বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির সমাধানের বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী, সে কথা রাষ্ট্রপতি বৈঠকে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তিস্তা বাংলাদেশের জনগণের লাইফ লাইন। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে এই সমস্যার সমাধান হবে। প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, তিস্তাসহ দুই দেশের অভিন্ন নদীগুলোর পানি বণ্টনের বিষয়টির সমাধান হওয়া উচিৎ বলে ভারত মনে করে। সেজন্য যৌথ নদী কমিশনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।”

    রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ সমস্যা শুধুমাত্র বাংলাদেশর একার নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য নিরাপত্তা হুমকি। এ সমস্যার সাধাধানে ভারতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে ভারত এ সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। নরেন্দ্র মোদী বলেন, ভারতও মনে করে এটা বাংলাদেশের একার সমস্যা না। একটি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য ভারত সব সময় আন্তর্জাতিক ফোরামে সোচ্চার থাকবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।

    আব্দুল হামিদ ও নরেন্দ্র মোদী উভয়েই দুই দেশের বাণিজ্য বিনোয়োগ সম্পর্ক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন বলে জয়নাল আবেদিন জানান।

  • সাইকেলে চেপে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছলেন মোদী সরকারের দুই মন্ত্রী

    সাইকেলে চেপে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছলেন মোদী সরকারের দুই মন্ত্রী

    বৃহস্পতিবার সন্ধেয় দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নরেন্দ্র মোদী। সঙ্গে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও। রাইসিনা হিলসে এদিন একের পর এ গাড়ি ঢুকতে দেখা যায়। নেতা-মন্ত্রীরা সিকিউরিটি নিয়ে নামেন রাষ্ট্রপতি ভবনে। কিন্তু এদিন দুই মন্ত্রী অনুষ্ঠানে পৌঁছলেন সাইকেলে চেপে।

    সাইকেলে চেপে শপথ নিতে গেলেন বিজেপির মনসুখ লাল মাণ্ডভ্য ও অর্জুন রাম মেঘওয়াল।

    মাণ্ডভ্যর সাইকেল ভ্রমণ অবশ্য নতুন নয়। গত পাঁচ বছর ধরেই তিনি পার্লামেন্টে আসেন সাইকেলে চেপে। তবে তাঁর কাছে সাইকেলে চেপে আসাট ফ্যাশন নয় বরং ‘প্যাসন।’

    সৌরাষ্ট্রের এক কৃষক পরিবারে জন্ম মাণ্ডভ্যর। মাত্র ২৮ বচর বয়সে তিনি বিধায়ক হন ২০০২ সালে। গুজরাতের বিধায়ক ছিলেন তিনি। বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ মাণ্ডভ্য এদিন দ্বিতীয়বারের জন্য মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন। প্রথম মোদী সরকারে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি।

    অর্জুন রাম মেঘওয়ালও মন্ত্রী হলেন দ্বিতীয়বার। রাজস্থানের বিকানেরের বাসিন্দা মেঘওয়াল ছিলেন অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী। ২০১৭-তে মন্ত্রিসভায় রদবদলের সময় মন্ত্রিত্ব পান তিনি। ২০০৯ থেকে সাংসদ তিনি। এবারও নিজের কেন্দ্রে তাঁর তুতো ভাই কংগ্রেসের প্রার্থীকে হারিয়েছেন মেঘওয়াল।

    তিনিও এদিন সাইকেলে চেপেই পৌঁছন রাষ্ট্রপতি ভবনে। শখেই সাইকেল চালান এই মন্ত্রী।

  • ‘টিকটকের’ স্মার্টফোন আসছে বাজারে!

    ‘টিকটকের’ স্মার্টফোন আসছে বাজারে!

    অনলাইন ডেস্ক: সংক্ষিপ্ত ভিডিও তৈরির অ্যাপ দিয়ে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার পর এবার স্মার্টফোন আনার ঘোষণা দিয়েছে ‘টিকটক’। প্রতিষ্ঠানটির মালিকানাধীন চীনা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বাইট ড্যান্স এ ঘোষণা দিয়েছে। খবর দ্য ভার্জ’র।

    যেখানে টিকটক অ্যাপটি প্রি-ইন্টসল থাকবে যা কিনা অ্যাপলের মিউজিক অ্যাপকে টেক্কা দিতে আসছে বলে টেক দুনিয়ায় গুঞ্জন উঠেছে।
    প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা বেশ কিছুদিন ধরে তাদের নিজস্ব স্মার্টফোন তৈরির কাজ করছে।

    আর একে বলা হচ্ছে ‘টিকটক ফোন’। এতে টিকটক অ্যাপ্লিকেশনটি ছাড়াও বাইট ড্যান্সের নিউজ প্লাটফর্ম ‘জিনরি টুটিয়াও’ অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিসটি থাকবে।

    দ্যা ভার্জ এর প্রতিবেদন অনুসারে, বাইটড্যান্স এই বছরের প্রথম দিকে ‘স্মার্টিসান’ নামের একটি মোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। বাইটড্যান্স বলছে এই চুক্তি তাদেরকে শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন সহায়তা করবে।

  • চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুবিধা কাজে লাগাতে সহায়তা করবে চীন

    চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুবিধা কাজে লাগাতে সহায়তা করবে চীন

     জ্ঞানভিত্তিক শিল্পায়নের জন্য চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুবিধা কাজে লাগাতে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন চীনা রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জুয়ো।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিল্পখাতে ডিজিটালাইজেশন, তথ্য-প্রযুক্তি, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন প্রযুক্তি স্থানান্তরে চীন সহায়তা করবে। ইতোমধ্যে তিন শতাধিক চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছে বলেও তিনি জানান।

    বৃহস্পতিবার (৩০ মে) শিল্প মন্ত্রণালয়ে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত।

    এ সময় শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব বেগম ইয়াসমিন সুলতানা, চীনা দূতাবাসের পলিটিক্যাল ডিভিশনের পরিচালক জেং তিয়াংজুসহ শিল্প মন্ত্রণালয় ও চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের শিল্পখাতে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি স্থানান্তর, চীনের স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ফর মার্কেটিং রেগুলেশনের সাথে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়।

    রাষ্ট্রদূত চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রজেক্ট’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সহায়তা কামনা করে বলেন, চীনের উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় শিল্পখাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। গতবছর শতাধিক চীনা উদ্যোক্তা বাংলাদেশ সফর করে চীনা পণ্য বাজারজাতকরণের বিষয়ে এ দেশের উদ্যোক্তাদের সাথে সংলাপে মিলিত হয়েছেন।

    পণ্য বিপণনের জন্য এ ধরনের সংলাপ আরও বেশি করে আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ঝ্যাং জুয়ো। তিনি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।

    সাক্ষাৎকালে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে অর্থবহ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সম্পর্কের সূচনা হয়। এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তির আধুনিকায়নসহ সম্ভাবনাময় অনেক খাতে চীনের সহায়তা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

    নূরুল মজিদ আরও বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিল্পখাতে সহায়তার ক্ষেত্র বাড়াতে চীনের আগ্রহের প্রেক্ষিতে শিল্প মন্ত্রণালয় একটি সমঝোতা চুক্তির রূপরেখা চূড়ান্ত করছে। এটি চূড়ান্ত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হবে। পরবর্তীতে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার মাধ্যমে এ চুক্তি স্বাক্ষর করা হবে। এর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের নতুন সুযোগ উন্মোচিত হবে।

  • এক দোকানেই ২০০ কোটি টাকা খরচ করলেন গৃহবধূ

    এক দোকানেই ২০০ কোটি টাকা খরচ করলেন গৃহবধূ

    এ ধরনের শপিং বিলের নজির বোধ হয় দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হতে পারে। সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট ঘেঁটে বিবিসি দেখেছে কীভাবে একজন কারাবন্দি ব্যাংকারের স্ত্রী লন্ডনে সবচেয়ে বিলাসবহুল দোকান হ্যারডসে কেনাকাটায় ১৬ মিলিয়ন পাউন্ড উড়িয়েছেন। প্রায় ১০ বছর ধরে তার এই কেনাকাটা নিয়ে কোনো ধরনের সন্দেহের উদ্রেক হয়নি।

    জামিরা হাজিয়েভা তার এই শপিংয়ের জন্য ৫৪টি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেছেন, যেগুলোর অনেকগুলোই তার স্বামীর ব্যাংকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

    তার সম্পদের উৎস নিয়ে ব্রিটেনে তদন্ত চলছে। হাইকোর্টে সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে না পারলে জামিরা হাজিয়েভা ইংল্যাণ্ডে বার্কশায়ার কাউন্টিতে তার গল্ফ কোর্সটিও হারাতে পারেন।

    তার স্বামী রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত একটি ব্যাংক থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আত্মসাতের অপরাধে আজারবাইজানে ১৫ বছরের সাজা খাটছেন।

    ব্যাংকে গচ্ছিত টাকার সুদ ছাড়া অন্য কোনো আয় না থাকলেও কীভাবে এত ধন-সম্পদের মালিক তিনি হলেন, লডনে হাইকোর্ট আজেরি এই নারীকে তার ব্যাখ্যা দেয়ার আদেশ দেন। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না দিতে পারলে সম্পদ হারানোর সম্ভাবনার কথা বলা হয়। সে সময় তার নাম যাতে প্রকাশ করা যায়, তার জন্য এক আইনি লড়াইতে জিতেছিল বিবিসি এবং আরও কিছু সহযোগী মিডিয়া।

    ব্রিটেনের অপরাধ তদন্ত বিভাগের নথিপত্র ঘেঁটে জামিরা হাজিয়েভার প্রতিদিনের খরচার যে বিবরণ পাওয়া গেছে, তা অবিশ্বাস্য।

    তিন সন্তানের মা এই নারীর ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি রয়েছে। তিনি থাকেন হ্যারডস থেকে বড়জোর পাঁচ মিনিটের দূরত্বে, যেটি লণ্ডনের একটি অত্যন্ত অভিজাত এলাকা। ওই দোকানেই তিনি কেনাকাটা করতেন। এমনকি দোকানের কারপার্কের দুটো বে’র মালিকানা তার।

    তার বিরুদ্ধে তদন্তে যেসব নথিপত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তার একটি হ্যারডসের লয়ালটি কার্ডের সূত্রে পাওয়া ৯৩-পাতার একটি বিবরণ। সেটি থেকেই বের হয়ে এসেছে জামিরা হাজিয়েভার শপিংয়ের চিত্র।

    ব্রিটেনে পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরুর পর থেকেই শুরু হয় তার খরচের বহর।

    খরচের প্রথম যে হিসাব পাওয়া গেছে, তাতে দেখা যায়, তিনি শিশুদের বই কিনতে খরচ করেছেন ৮৪২ পাউন্ড। সুগন্ধি কিনেছেন ১৪০ পাউন্ড দিয়ে। খুব বেশি কিছু নয়।

    কিন্তু বছর না ঘুরতেই তিনি হ্যারডসের কার্টিয়ার ব্র্যান্ডের জুয়েলারি বিক্রির জায়গার খোঁজ পেয়ে যান। সেখানে একটি টিলের রেকর্ডে দেখা যায়, তিনি ১৮১ পাউন্ডের জিনিস কিনেছেন। তালিকায় দেখা যায়, তারপর তিনি ১,৬০০ পাউন্ড দিয়ে মিউ মিউ ব্র্যান্ডের পোশাক কিনেছেন। ১,৫৩৯ পাউন্ড দিয়ে কিনেছেন ফেরাগামো জুতা।

    ২০০৭ সালের মার্চে মিসেস হাজিয়েভা আবারও মিউ মিউ ব্র্যান্ডের কাপড়ের পেছনে খরচ করেন ১০,৬১৬ পাউন্ড। দাম শোধ করেন তার ২৫টি আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ডের একটি দিয়ে।

    তারপর থেকেই তার খরচের বহর বাড়তে থাকে। একটি হিসাবে দেখা যায়, হ্যারডসে ৬৬,০০০ পাউন্ডর বিল দিয়েছেন। টম ডিক্সন ব্র্যান্ডের দোকান থেকে ১৭,০০০ পাউন্ডের জিনিস কিনেছেন।

    ১০ বছরে হ্যারডসে জামিরা হাজিয়েভার খরচের তালিকা

    বুশেরন ব্র্যান্ডের গহনা : ৩৫ লাখ পাউন্ড

    কার্টিয়ের গহনা : ১৪ লাখ পাউন্ড

    ডেনিস বাসো ডিজাইনার পোশাক : ৪,০২,০০০ পাউন্ড

    স্যান্ডউইচ : ৩,৩২,০০০ পাউন্ড (টম ডিক্সন ফার্নিচার এবং কফি শপের বিল এক সঙ্গে পরিশোধ করা হতে পারে)

    হ্যারডসের পারফিউম কাউন্টার : ১,৬০,০০০ পাউন্ড

    মোট ব্যয় : ১,৬৩,০৯,০৭৭ পাউন্ড (এক কোটি ৬৩ লাখ নয় হাজার ৭৭ পাউন্ড)

    সূত্র : হাই কোর্ট নথি

    ২০০৮ সালে ২০ জুনের দুপুরের পরপরই মিসেস হাজিয়েভা আন্ডারওয়ার এবং মোজার কাউন্টারে ৯২৫ পাউন্ডের বিল দেন।

    এক ঘণ্টা তিন মিনিট পর কার্টিয়ের গহনার কাউন্টারে বিল দেন ৪,৩৩,৩৫৮.৭৯ পাউন্ড। একই দিনে ছেলেদের একটি ডিজাইনার পণ্য কেনার জন্য খরচ করেন ৩৭৪ পাউন্ড।

    কয়েকদিন পরই তিনি ইসরায়েলি ডিজাইনার এলি তাহারির জিনিসের জন্য খরচ করেন ৮,৩৮৭ পাউন্ড। দুদিন পর ২৬ জুন ঘড়ির কাউন্টারে ১৭,০০০ পাউন্ড বিল দেন।

    ডিজনি কাউন্টারে কেন এত খরচ?

    হ্যারডসে ডিজনি পণ্যের যে কাউন্টার রয়েছে, সেখানে কেন তিনি ৯৯,০০০ পাউন্ড খরচ করেছিলেন তা বোধগম্য নয়। শপিংয়ের এই তালিকা দিনকে দিন শুধুই বেড়েছে। উপহার মোড়ার জন্যই তিনি একদিন খরচ করেছেন ১,৩৭১ পাউন্ড।

    হ্যারডসের খেলনার বিভাগে গিয়েই খরচ করেছেন ২,৫০,০০০ পাউন্ড।

    সর্বমোট বিল?

    ২০০৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ১৪ জুন পর্যন্ত জামিরা হাজিয়েভা হ্যারডস থেকে ১,৬৩,০৯,০৭৭.৮৭ (এক কোটি ৬৩ লাখ নয় হাজার ৭৭ পাউন্ডের) বিল দিয়েছেন। ব্যবহার করেছেন ৫৪টি ক্রেডিট কার্ড, যার মধ্যে ৩৫টি ক্রেডিট কার্ড আজারবাইজানের সেই ব্যাংক থেকে ইস্যু করা যেটি থেকে টাকা আত্মসাতের দায়ে তার স্বামী জেল খাটছেন।

    হ্যারডসে তিনি কত খরচ করলেন ব্রিটেনের জাতীয় অপরাধ এজেন্সির (এনসিএ) মূল নজর সেদিকে নয়। তারা দেখছেন, কীভাবে জামিরা হাজিয়েভা লন্ডনের বাড়ি এবং বার্কশায়ারে গল্ফ কোর্স কিনলেন। পয়সা কোথা থেকে পেলেন।

    জামিরা হাজিয়েভা অবশ্য বলেছেন, তিনি অবৈধ কিছু করেননি। এনসিএর তদন্তকে চ্যালেঞ্জ করছেন তিনি। তিনি বলছেন, তার স্বামী আজারবাইজানের কারাগারে। সুতরাং তার স্বামী যে একজন সফল ব্যবসায়ী সে প্রমাণ তিনি এখন দিতে পারছেন না।

  • বরকে ফেলে বিয়ের পুরোহিতকে নিয়ে পালাল কনে!

    বরকে ফেলে বিয়ের পুরোহিতকে নিয়ে পালাল কনে!

    ভারতের মধ্যপ্রদেশের সিরঞ্জ শহর লাগোয়া আসাত এলাকায় বরকে ফেলে বিয়ে পড়ানো পুরোহিতের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন এক নববধূ। গত ৭ মে ওই তরুণীর বিয়ে পড়িয়েছিলেন বিনোদ মহারাজ নামে এক পুরোহিত।

    বিনোদ মহারাজ আসাত গ্রামের মন্দিরের পুরোহিত। গ্রামের বাসিন্দারা শুভ কোনো অনুষ্ঠানের জন্য বিনোদেরই দ্বারস্থ হতেন। গত ৭ মে ওই তরুণীর বিয়ে দেন তিনি। বিয়ে করে শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার কয়েক দিন পর ওই নববধূ এসেছিলেন বাবার বাড়িতে।

    গত ২৩ মে ওই গ্রামের আরো একজনের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। সেই বিয়ে দেয়ার কথা ছিল বিনোদের। কিন্তু বিয়ের সময় এগিয়ে এলেও পুরোহিতের পাত্তা নেই। সারা গ্রাম হন্যে হয়ে খুঁজেও পাওয়া যায়নি তাকে। পাশাপাশি দুই সপ্তাহ আগে বিয়ে হওয়া ওই নববধূকেও দেখা যাচ্ছিল না। তখনই শুরু হয় খোঁজ। তারপর পুরোহিতের সঙ্গে সদ্য বিয়ে হওয়া ওই তরুণীর পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সামনে আসে।
    পরে ওই তরুণীর বাড়ির লোকজন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই তরুণীর সঙ্গে বিনোদের গত দু’বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে বেরিয়ে আসে তথ্য। ওই পুরোহিত বিবাহিত এবং তার দু’টি সন্তানও রয়েছে।

    এ ঘটনার পর থেকে পুরোহিতের বাড়ি তালা বন্ধ। ওই নববধূ বিয়ের গহনা ও ৩০ হাজার টাকা নগদ নিয়ে পালিয়েছেন বলেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

  • ইরানকে সর্বশক্তি দিয়ে মোকাবেলায় মুসলিম বিশ্বকে সৌদির আহ্বান

    ইরানকে সর্বশক্তি দিয়ে মোকাবেলায় মুসলিম বিশ্বকে সৌদির আহ্বান

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে তেল ট্যাঙ্কারে হামলায় ইরানকে দায়ী করে ‘সর্বশক্তি দিয়ে এবং দৃঢ়তার’ সঙ্গে মোকাবেলায় মুসলিম বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহীম আল-আসসাফ। বৃহস্পতিবার রিয়াদে অনুষ্ঠিত আরব দেশগুলোর জরুরি এক বৈঠকে এই আহ্বান জানান তিনি।

    রাজধানী রিয়াদে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) ৫৭ সদস্য রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন শুরুর আগে এক বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।

    আল-আসসাফ বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলে সৌদি আরবের তেল ট্যাঙ্কারে অন্তর্ঘাতী হামলা ও তেল পাইপলাইনে ইয়েমেন-ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলার ঘটনায় এই অঞ্চলে চরমপন্থীদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে মোকাবেলায় আরো জোরালো পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, সর্বশক্তি এবং দৃঢ়তার সঙ্গে এই সন্ত্রাসবাদকে আমাদের মোকাবেলা করা উচিত। তবে আমিরাতে সৌদি তেল ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। এ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের সঙ্গে ইরানের চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

    রিয়াদে আল-আসসাফ যখন তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান, তখন ইরানের এক সরকারি কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ সৌদির এই সম্মেলনে অংশ নেননি।

    চলতি মাসের শুরুর দিকে আমিরাতে সৌদি ট্যাঙ্কারে হামলায় ইরানকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে একটি রকেট হামলায়ও ইরানকে অভিযুক্ত করে ওয়াশিংটন। বুধবার মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন আবু ধাবিতে সাংবাদিকদের বলেন, সৌদি আরবের তেল বন্দর ইয়ানবুতে অজ্ঞাত হামলা চেষ্টার সঙ্গেও ইরান জড়িত।

  • বাংলাদেশে নতুন সম্ভাবনা খুঁজতে জাপানিদের বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশে নতুন সম্ভাবনা খুঁজতে জাপানিদের বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশে রফতানি-সংক্রান্ত নতুন নতুন খাত আবিষ্কারের জন্য জাপানের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বুধবার দেশটির রাজধানী টোকিওতে হোটেল ওতানিতে বাংলাদেশ ও জাপানের ব্যবসায়ীদের একটি ফোরামে দেয়া বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা ও বাণিজ্যের জন্য সম্ভাবনাময় খাত আবিষ্কারে আপনাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আমাদের দুই নেতৃত্বের মধ্যে বিদ্যমান বোঝাপড়া ও দু’দেশের জনগণের মধ্যে অসাধারণ সন্তুষ্টি বিদ্যমান থাকলে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উচ্চস্তরে নেয়া সম্ভব হবে।’

    জাপানের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বিশেষ অঞ্চলসহ বাংলাদেশ সরকার সারাদেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করছে।

    জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মাদ আজিজ খান বক্তব্য দেন।

    অপরদিকে জাপানের ব্যবসায়ীদের মধ্যে জাপান বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্সিয়াল অ্যান্ড কোঅপারেশনের (জেবিসিসিইসি) চেয়ারপারসন তেরুও আসাদা, জাইকা এক্সিকিউটিভ সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজুহিকো কোশিকাওয়া, জেইটিআরও প্রেসিডেন্ট ইয়াসুশি আকাহোশি, সুমিতোমো করপোরেশনের সভাপতি ও সিইও মাসায়াউকি হায়োডো, মিটসুই ও কো লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট শাইনসুইক ফুজি, সজিটজ কর্পোরেশনের সিনিয়র ম্যানেজিং এক্সিকিউটিভ অফিসার রিওতারো হিরায়, মিটসুবিশি মোটরসের ভাইস প্রেসিডেন্ট রিয়াউজিরো কোবাশি, হোন্ডা মোটর কো. লিমিটেডের ম্যানেজিং অফিসার নোরিয়াকি আবে ও মারুহিসা কোম্পাইন লিমিটেডের কিমিনোবু হিরায়শি বক্তব্য দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যয়, মানবসম্পদ, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার-বাণিজ্য সুবিধার দিক বিবেচনায় নিলে বাংলাদেশ দ্রুত উদীয়মান এবং বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক স্থান।’

    ‘গত বছরে জাপানের টোবাকোর ১ দশমিক ৪ মার্কিন ডলারের বিনিয়োগকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি। জাপানের কাছ থেকে এমন আরও বিনিয়োগের প্রত্যাশা করছি’, -যোগ করেন তিনি।

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সাফল্য বিশ্বব্যাপী পারিচিত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশ হিসেবে চীনের পরে তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।

    তিনি বলেন, জাপানে প্রথম রফতানি পণ্যই হলো পোশাক। আমরা আমাদের রফতানি পণ্যের বহুমুখিতা দেখতে চাই। তাই রফতানিযোগ্য পণ্যের জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন খাত আবিষ্কার করতে আপনাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

    গুণগতমান সম্পন্ন ওষুধের জন্য বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকাসহ পৃথিবীর ১০০টিরও বেশি দেশে এখন বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রফতানি হচ্ছে।

    আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইউরোপসহ ১৪টি দেশে কার্গো ও যাত্রিবাহী জাহাজ সরবরাহ করছে বাংলাদেশ।

    সফটওয়্যারকে বাংলাদেশের আরেকটি উদীয়মান খাত হিসেবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের ৮০০টি সফটওয়্যার ও আইটি কোম্পানির মধ্যে ১৫০টি বিশেষায়িত, যারা বিদেশি গ্রাহকদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

    ২০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি আইটি বিশেষজ্ঞ মাইক্রোসফট, ইন্টেল, আইবিএম, ওরাকল ও সিস্কোসহ সারা বিশ্বের বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি অবগত হয়েছি যে, জাপানের বাজারে আইটিইএস (আইটি সেবা) পণ্যের বড় বাজার রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক পণ্য, পাটজাত দ্রব্য, বাড়ির যন্ত্রপাতি, হালকা প্রকৌশল পণ্য, চামড়াজাত দ্রব্যাদি, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ইলেকট্রনিক গ্যাজেট বিশ্ব বাজারে একটি অবস্থান তৈরি করছে।

    ‘বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত উদ্বেগের কারণে, বাংলাদেশ থেকে পাট এবং বিকল্প পাটজাত পণ্যগুলোর বিপুল সম্ভাবনাগুলো তৈরি করবে’,- যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    শেখ হাসিনা বলেন, বেসরকারি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি এবং দেশটি দেশি ও বিদেশি উভয় দেশের উদ্যোক্তার উন্নয়ন ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেয়।

  • হোয়াইট হাউসের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা (ভিডিও)

    হোয়াইট হাউসের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা (ভিডিও)

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাসভবন হোয়াইট হাউসের সামনে গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক ব্যক্তি।

    বুধবার হোয়াইট হাউসের দক্ষিণের এলিপস পার্কে ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

    দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা সিক্রেট সার্ভিস এক টুইট বার্তায় বলেছে, বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ওই ব্যক্তি স্বেচ্ছায় তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিস এবং যুক্তরাষ্ট্র পার্ক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার শরীরের আগুন নিভিয়ে ফেলেন।

    পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পার্ক পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, বর্তমানে ওই ব্যক্তি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

    হোয়াইট হাউসের সামনে ওই ব্যক্তির গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এতে দেখা যায়, ওই ব্যক্তি নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়ার পর কিছুদূর হেঁটে যান। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সেখানে পৌঁছে আগুন নিভিয়ে ফেলেন।

    সিক্রেট সার্ভিসের এক মুখপাত্র বলেছেন, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কর্মকর্তারা ওই সময় হোয়াইট হাউসের আশপাশ থেকে লোকজনকে সরিয়ে দেন।

    দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা ওই ব্যক্তির পরিচয় কিংবা গায়ে আগুন দেয়ার ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।

    ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন