Category: আন্তর্জাতিক

  • বিশ্বকাপ না জিতলেও তো জীবন চলে যাবে!

    বিশ্বকাপ না জিতলেও তো জীবন চলে যাবে!

    বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে আর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটারদের ওপর দারুণ এক মানসিক চাপ বাড়ছে না, এটা যেন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বিশ্বকাপ এলেই আলোচনার তুঙ্গে, দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রতিটি বিশ্বকাপেই দুর্দান্ত একটি দল নিয়ে আসবে তারা আর সবাইকে হতাশ করে দিয়ে বিদায় নেবে তারা সর্বোচ্চ সেমিফাইনাল থেকে। এখনও পর্যন্ত একটি বিশ্বকাপেরও ফাইনাল খেলা হয়নি প্রোটিয়াদের।

    এবারও অন্য যে কোনো দলের চেয়ে সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে ইংল্যান্ডে পা রেখেছে প্রোটিয়ারা। যেমন শক্তিশালী বোলিং, তেমন শক্তিশালী ব্যাটিং, মাঠে প্রোটিয়া ফিল্ডারদের ক্ষিপ্রতা- বিশ্বকাপ জয় করার জন্য হেন কোনো রসদ নেই, যা দক্ষিণ আফ্রিকার ঝুলিতে জমা নেই।

    তবুও তারা প্রচণ্ড চাপে। সেটা একটি কারণেই, ‘চোকার্স’। বিশ্বকাপ এলেই কেন যেন চোকার্স অপবাদটা মাথাছাড়া দিয়ে ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এবং সেই অপবাদ তাড়া করতে গিয়েই প্রোটিয়ারা শেষ পর্যন্ত খেই হারিয়ে ফেলে।

    ফ্যাফ ডু প্লেসির নেতৃত্বে শুরু হচ্ছে প্রোটিয়াদের বিশ্বকাপ অভিযান। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই স্বাগতিক ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তার আগে সেই পুরনো ইতিহাস উঠে এলো প্রোটিয়া অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসির সামনে। গত আড়াই দশকে যে প্রশ্নের সমাধান কোনো প্রোটিয়া অধিনায়ক করতে পারেননি, সে প্রসঙ্গটা আবারও তোলা হলো ডু প্লেসির কাছে।

    কেপলার ওয়েসেলস, হ্যান্সি ক্রোনিয়ে, শন পোলক, গ্রায়েম স্মিথ, এবি ডি ভিলিয়ার্সরা যেখানে ব্যর্থ হলেন সেখানে কি সফল হতে পারবেন ফ্যাফ ডু প্লেসি? যদিও শুধু দক্ষিণ আফ্রিকাই নয়, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারতও এবারের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার।

    ‘যেভাবেই হোক জিততে চাই’- টাইপের মানসিকতা দিয়ে এর আগে সব সময়ই ব্যর্থ ছিল প্রোটিয়ারা। অন্য যে কারো চেয়ে ডু প্লেসি সেটা আরও বেশি জানেন। সে কারণেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে প্রোটিয়া অধিনায়ক ডু প্লেসি বলেন, ‘ক্রিকেট আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। তবে এটাই জীবনের সব কিছু নয়। আমি অবশ্যই ক্রিকেট ম্যাচ কিংবা শিরোপা জিততে চাইবো। তবে, আমি চাইবো না সব কিছু সরিয়ে দিয়ে জিততে।’

    দলের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে ডু প্লেসি বলেন, ‘একটি দল হিসেবে আমরা অবশ্যই জিততে চাইবো। এটাই তো সবার চাওয়া। ৫ বছর আগেও এভাবে হয়তো কেউ আমাকে বলেনি। সুতরাং, আমরা চাপ নিতে চাই না। আশা করি এই চিন্তাটা দলের অন্যদের ওপরও চাপ তৈরি করে না। তাদেরকে অনেক রিল্যাক্স রাখে।’

    বিশ্বকাপ জিততে না পারলে যে সব কিছু শেষ হয়ে যাবে তা নয়। ডু প্লেসি জানিয়ে দিলেন, তারা বিশ্বকাপেই জিততে চাইবে। তবে, জিততে না পারলেও যে জীবন থমকে যাবে তা নয়। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই সবচেয়ে বাজে চিত্র দাঁড়াবে যে, আমরা হয়তো জিততে পারিনি, এই তো। জীবন তো আর থমকে থাকবে না। এগিয়ে যাবে।

    খেলোয়াড়দের ওপরও কোনো চাপ সৃষ্টি করতে চান না ডু প্লেসি। তিনি বলেন, ‘যদি খেলোয়াড়রা ফ্রি থাকে এবং নিজেদের সেরাটা নিয়ে হাজির হতে পারে মাঠে, তাহলে সেটাই হবে সেরা এবং আমরা এটার দিকেই তাকিয়ে আছি।’

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এক হাত দেখে নেয়ার জন্য অপারেটিং সিস্টেম ট্রেডমার্ক এর জন্য আবেদন করেছে হুয়াওয়ে

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এক হাত দেখে নেয়ার জন্য অপারেটিং সিস্টেম ট্রেডমার্ক এর জন্য আবেদন করেছে হুয়াওয়ে

    নিউজ ডেস্ক:

    কয়েক বছর ধরেই হুয়াওয়ের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কথা হচ্ছে। অ্যান্ড্রয়েডের বিকল্প হিসেবে ওই ওএস তৈরি করছে হুয়াওয়ে।

    গত ২৪মে তারিখে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন অফিস ফর ইনটেলেকচ্যুয়াল প্রোপার্টি (ইইউআইপিও) এর কাছে একাধিক ট্রেডমার্ক এর জন্য আবেদন করে হুয়াওয়ে ।

    এবং তারা জানিয়েছে খুব শীঘ্রই তাদের নতুন অপারেটিং সিস্টেম উন্মোচন করতে চলেছে । ইইউআইপিও এর কাছে যে সকল ট্রেডমার্ক এর জন্য আবেদন করেছে হুয়াওয়ে তার মধ্য রয়েছে ‘হুয়াওয়ে আর্ক ওএস,’ ‘হুয়াওয়ে আর্ক,’ ‘আর্ক,’ এবং ‘আর্ক ওএস’ এর নাম ।

    তবে হুয়াওয়ে এই নামটি কখনও ব্যবহার করবে কিনা তা নিশ্চিত নয় । হুয়াওয়ের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমে কি কি ফিচার থাকবে তা এখন সঠিক ভাবে জানা যায়নি।

    তবে জানা গেছে হুয়াওয়ের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমটি সব ধরনের ডিভাইসে কাজ করবে এবং অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলিকে সমর্থন করবে।

    প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হুয়াওয়ের নতুন ওএস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ও ওয়েব অ্যাপ সমর্থন করবে। হুয়াওয়ের ওএসে অ্যান্ড্রয়েড ওএস ৬০ শতাংশ বেশি দ্রুতগতিতে কাজ করবে।

  • ৪ প্রকল্পের জন্য ২৫০ কোটি ডলারের সহায়তা চুক্তি সই

    ৪ প্রকল্পের জন্য ২৫০ কোটি ডলারের সহায়তা চুক্তি সই

    বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তার (ওডিএ) আওতায় বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের ২৫০ কোটি ডলারের চুক্তি সই হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে।

    বুধবার (২৯ মে) জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে শিনজোর কার্যালয়ে তার ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এ চুক্তি সই হয়।

    চুক্তির আওতায় যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে, সেগুলো হলো- মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প-১, ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্প (লাইন-১), সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ উৎসাহিতকরণ প্রকল্প-২ ও জ্বালানি সক্ষমতা ও সংরক্ষণ উৎসাহিতকরণ অর্থায়ন প্রকল্প (ফেজ-২) ।

    এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক প্রমুখ।

    জাপানের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী আবে শিনজো ছাড়াও দেশটির নীতি-নির্ধারক ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    তারও আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান আবে শিনজো। এ সময় শেখ হাসিনাকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

    জাপান এককভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। ১৯৭২ সাল থেকে দেশটির কাছ থেকে বাংলাদেশ মোট ১ হাজার ১৩০ কোটি ডলারের সহায়তা পেয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় এই নতুন উন্নয়ন সহায়তা চুক্তি সই হলো।

  • হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও রেন ঝেংফেই বলেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আপস করতে আমরা কোনো আলোচনায় যাবো না

    হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও রেন ঝেংফেই বলেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আপস করতে আমরা কোনো আলোচনায় যাবো না

    নিউজ ডেস্ক:

    চীনের বাজারে অ্যাপল ক্ষতির মুখে পড়ুক তা চান না হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও রেন ঝেংফেই। মোট কথা আইফোন ত্যাগ করে প্রতিশোধ নেওয়ার বিপক্ষে তিনি। হুয়াওয়ের উপর ট্রাম্প নিষেধাজ্ঞা জারির পর চীনের অনেক নাগরিকই আইফোন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

    এ বিষয়ে রেনকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এরকম কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তিনি অবশ্যই এর বিরোধিতা করতেন। তিনি আরও বলেন, প্রতিশোধ নেওয়ার মতো কোনো কিছু ঘটবে না। আর যদি ঘটেও আমিই সবার আগে এর বিরোধিতা করবো।

    অ্যাপল আমার শিক্ষক স্বরূপ। আমাদের সামনেই অ্যাপল উন্নত থেকে উন্নততর হচ্ছে। শিক্ষার্থী হিসেবে কেনো আমি শিক্ষকের বিপক্ষে দাঁড়াবো?

    তিনি এটাও স্বীকার করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ব্যবসা করতে না পারার ফলে গত দুই বছরে অর্জিত হুয়াওয়ের সাফল্য হারিয়ে যাবে। তবে হুয়াওয়ে নিজস্ব চিপ ব্যবহার করে এবং বিকল্প পথ খুঁজে ঠিকই ঘুরে দাঁড়াবে।

    তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আপস করতে আমরা কোনো আলোচনায় যাবো না। যুক্তারাষ্ট্র কখনও আমাদের পণ্য কেনেনি। যদি ভবিষ্যতে তারা পণ্য কিনতেও চায় আমি হয়তো তাদের কাছে আর বেচবো না। তাই আলোচনার কোনো প্রশ্নই আসে না।

    মার্কিন সরকার চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ১৫ মে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা জারির পর এখন পর্যন্ত গুগল, ইন্টেল, কোয়ালকম, ব্রডকম ও এআরএম হুয়াওয়ের সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেন বাতিল করেছে।

  • হুয়াওয়ের সাথে না পেরেই হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র

    হুয়াওয়ের সাথে না পেরেই হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র

    নিউজ ডেস্ক:

    যুক্তরাষ্ট্রে হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করা, চাপ প্রয়োগ করে গুগলসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের পিছনে ফাইভজিতে আধিপত্য বিস্তারকে কারণ হিসেবে দেখছেন অনেক বিশ্লেষক।

    হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে তাদের স্মার্টফোন এবং অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নেবার মতো অভিযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘ দিন থেকেই এমন অভিযোগের পর গত ১৫ মে চীনা প্রযুক্তি জায়ান্টটিকে কালো তালিকাভুক্ত করেন যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর থেকেই শুরু হয় হুয়াওয়ের সঙ্গে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্য সম্পর্কচ্ছেদ। কিন্তু এর পিছনে বড় একটি কারণ রয়েছে বলে তুলে ধরছেন খাতটির বিশ্লেষকরা। তাদের দাবি, ফাইভজির দৌড়ে বিশ্বে এখন হুয়াওয়ের যে অবস্থান তাতে বাধ সাধতেই এমন পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৮ সালে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেই চীনা জায়ান্ট হুয়াওয়ে তাদের ফাইভজির জন্য যন্ত্রাংশ কিনেছে সাত হাজার কোটি ডলারের।

    কিন্তু সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় বাজার থেকে কিনেছে মাত্র ১১০০ কোটি ডলারের পণ্য। বাকিটা চীন থেকে আমদানি করেছে হুয়াওয়ে। যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের এমন কেনাকাটায় শুরু থেকেই বাধা দিয়ে আসছিল বলে জানান অনেক সংবাদমাধ্যম। স্থানীয় বাজার থেকে কেনাকাটা বাড়াতে হুয়াওয়েকে চাপ অব্যাহত রাখতেও কৌশল নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সাউথ চাইনা মর্নিং পোস্ট দাবি করে, হুয়াওয়ে ফাইভজির ক্ষেত্রে অনেক অগ্রগতি করেছে। এরা যেসব যন্ত্রাংশ দিয়ে ফাইভজি নেটওয়ার্ক গতে তুলছে সেটি যেমন শক্তিশালী, তেমনই আবার টেকসই। দামেও অনেকটাই নাগালের ভিতরে। ফলে বাজার দখলে এগিয়ে হুয়াওয়ে। বলা হচ্ছে, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেই যদি ফাইভজি নেটওয়ার্ক দেয়া যায় তবে সেটা দেশটিতে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের জিডিপি হয়ে দাঁড়াবে।

    আর কমপক্ষে আড়াই লাখ মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থান হবে ফাইভজিকে কেন্দ্র করে। এই পরিমাণ অর্থ এবং কর্মসংস্থান যদি যুক্তরাষ্ট্র ধরে রাখতে চায় তবে নিজের দেশের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফাইভজি দিতে হবে। সেখানেই কৌশলে হুয়াওয়েকে চাপে ফেলা হয়েছে বলে জানাচ্ছে সাউথ চাইনা মর্নিং পোস্ট। বিবিসির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে হুয়াওয়ের ফাইভজি নেটওয়ার্ক বিস্তারের গল্প। সেখানে যুক্তরাজ্যের এক নিরাপত্তা গবেষক জানান, অনেকেই এখন হুয়াওয়েকে ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে মনে করেন। তারা মনেই করেন যে, হুয়াওয়ে চীনা প্রতিষ্ঠান, তাই তারা অন্য দেশের ডেটা চুরি করবেই।

    কিন্তু ঘটনা তো তেমন নয়। বরং তারা বিশ্বস্ত। যুক্তরাজ্যে সবকিছু পরীক্ষা করার পরেই তার ফাইভজির কাজ করতে পারছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার অনেক আগে থেকেই হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে তাদের যন্ত্রাংশ ও ডিভাইস দিয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে। দেশটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুয়াওয়েকে হুমকী বিবেচনা করে। তারা মনে করে, হুয়াওয়ে চীন সরকারের কাছে তাদের ডেটা তুলে দেয়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি বারবার নাকোচ করে এসেছে হুয়াওয়ে।

    তারা বলেছেন, হুয়াওয়ে স্বতন্ত্র্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। এটি কখনো চীন সরকারের হয়ে কাজ করে না। আর গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগও নাকোচ করে এসেছে চীনা টেকনোলজি জায়ান্টটি।

  • ব্রিটেনের রানির অতিথি হচ্ছেন মাশরাফী

    ব্রিটেনের রানির অতিথি হচ্ছেন মাশরাফী

    শেষ হয়েছে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি পর্ব। আগামীকাল থেকেই শুরু হবে ক্রিকেটের মহারণ। তবে ঐতিহাসিক ভেন্যু দ্য ওভালে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ শুরু হবে আগামী ২রা জুন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে।

    বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ উপলক্ষে বাংলাদেশ দল অবস্থান করছে ওয়েলসের কার্ডিফে। আজ বিকেল ৪টায় প্রথম ম্যাচের ভেন্যু লন্ডনের উদ্দেশ্যে কার্ডিফ ছাড়বে বাংলাদেশ দল। বিসিবির মিডিয়া উইং ম্যানেজার রাবিদ ইমাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    এদিকে বাকিংহ্যাম প্যালেসে এক অনুষ্ঠানে ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অতিথি হতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। তবে শুধু মাশরাফী একই নন- বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া বাকি ৯ দলের অধিনায়করাও অংশ নেবেন এই অনুস্থানে। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় অনুষ্ঠানটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

    রাণীর রাজপ্রাসাদ থেকে এরপর মাশরাফী অংশ নেবেন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। লন্ডনের রাজকীয় রাস্তা ‘দ্য মল’এ আয়োজিত হবে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিটব্যাপী সেই ওপেনিং পার্টি।

  • মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না মমতা

    মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না মমতা

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান কাল বৃহস্পতিবার। সেই অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মমতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জানিয়েছিলেন, তিনি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন। বলেছিলেন, গণতান্ত্রিক আনুষ্ঠানিকতা ও সাংবিধানিক সৌজন্য রক্ষায় তিনি যোগ দেবেন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে।

    কিন্তু আজ বুধবার দুপুরে পাল্টে যায় পরিস্থিতি। মমতা নিজেই দুপুরে এক টুইট বার্তায় জানিয়ে দেন, তিনি যাচ্ছেন না মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। কেন যাচ্ছেন না এই প্রশ্নের উত্তরে জানা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে সেই পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত ৫৪ জন বিজেপি কর্মী নিহত হওয়ার দাবি তুলে ওই ৫৪ পরিবারকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আর এতেই ভীষণ খেপে যান মমতা। তিনি আজ দুপুরে এক টুইট বার্তায় বলেন, এসব মিথ্যে। ব্যক্তিগত বিবাদ, পারিবারিক কারণে মৃত ব্যক্তিদের আনা হয়েছে শহীদ পরিবার তালিকায়। এটা কোনোক্রমেই মেনে নেওয়া যায় না। সব মিথ্যে। তাই তিনি এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না।

  • নারী-পুরুষ একসঙ্গে নামাজ আদায়ের আহ্বান কাবা শরিফের সাবেক ইমামের

    নারী-পুরুষ একসঙ্গে নামাজ আদায়ের আহ্বান কাবা শরিফের সাবেক ইমামের

    নারী ও পুরুষদেরকে একসঙ্গে নামাজ আদায়ের আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি আরবের মক্কার পবিত্র কাবা শরিফের সাবেক ইমাম শেখ আদিল আল-কালবানি।

    তিনি সৌদি ব্রডকাস্টিং করপোরেশনকে (এসবিসি) দেয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে এই আহ্বান জানান বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদপত্র আরব নিউজ।

    আল-কালবানি নারী ও পুরুষদেরকে পার্টিশন ব্যবহার করে আলাদাভাবে নামাজ আদায় না করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর সময়ে এই পৃথকীকরণ ছিল না।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামি ঐতিহ্যে বর্তমানের এই পৃথকীকরণ চর্চার কোনও ভিত্তি নেই। নারীদের অহেতুক মস্তিষ্ক বিকৃতির ফলেই এমন হয়েছে।

    কাবা শরিফের এই সাবেক ইমাম বলেন, দুঃখজনকভাবে আজ নামাজের জায়গায় মসজিদে আমরা পৃথকীকরণ সৃষ্টি করেছি। তারা পুরুষদের থেকে সম্পূর্ণ পৃথক।

    তিনি বলেন, তারা পুরুষদেরকে দেখতে পারে না, মাইক্রোফোন বা স্পিকারের মাধ্যমে শুধু তাদের কথা শুনতে পারে। যদি যন্ত্রগুলো নষ্ট হয়ে যায়, তারা বুঝতেই পারবে না কী হচ্ছে?

    আল-কালবানি বলেন, মহানবীর সময়ে নারীরা ছিল সবচেয়ে সুরক্ষিত ও পরহেজগার। তখন পার্টিশন বা পর্দা ছাড়া মসজিদের সামনে পুরুষরা এবং পেছনে নারীরা দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতো।

    তিনি বলেন, আজ নারীদের জন্য আলাদা কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা মসজিদের মূল অংশ থেকে অনেক দূরবর্তী। আমি মনে করি এভাবে নারীদেরকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হচ্ছে।

    দেশটির সাম্প্রতিক সংস্কারগুলো সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে কাবা শরিফের এই সাবেক ইমাম বর্তমানে নারীদের সামাজিক-আর্থিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন।

    তিনি বলেন, আমরা শুনতে চাই যে কোনও নারী উপ-প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রদূত এবং অন্য উঁচু পদগুলোতে অধিষ্ঠিত হয়েছে।

  • আইসিসিকে পাত্তাই দিল না ভারত

    আইসিসিকে পাত্তাই দিল না ভারত

    ভক্ত-সমর্থক পর্যায়ে প্রায়ই শোনা যায় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসিতে ক্ষমতার জোর খাটায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, নিয়ে থাকে অবৈধ সব সুবিধা। আনুষ্ঠানিকভাবে এসব তথ্যের কোনো ভিত্তি না থাকলেও, ভারতের ক্রিকেট দলই মূলত বারবার উসকে দেয় এসব বিতর্ক।

    যার সবশেষ উদাহরণ মিলেছে রোববার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচের পর। আইসিসির নিয়মের তোয়াক্কা না করে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যে মিডিয়া সেশন, তাতে অংশ নেননি ভারতের যথাসংখ্যক খেলোয়াড়।

    মূলত কিউইদের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই স্রেফ উড়ে গিয়েছিল ভারত। আগে ব্যাট করে সেদিন তারা করেছিল মাত্র ১৭৯ রান। যা কিনা ৭৭ বল হাতে রেখেই টপকে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। এমন পরাজয়ের পর মানসিকভাবে ভালো অবস্থায় না থাকাই স্বাভাবিক।

    কিন্তু তাই বলে মিডিয়া সেশনই বয়কট করে ফেলা! এবারের বিশ্বকাপে নতুন মাত্রা দিতে প্রতি ম্যাচের পর প্রথাগত সংবাদ সম্মেলনের বাইরেও ‘মিডিয়া সেশন’ নামক আলাদা আড্ডামূলক এক আয়োজনের ব্যবস্থা করেছে আইসিসি।

    এর লক্ষ্য মূলত বেশি সংখ্যক ক্রিকেটারদের কথা বলতে দিয়ে খেলাটির বিশ্বায়ন আরও দ্রুত করা। তাই প্রেস কনফারেন্স রুমের মধ্যেই একটা আলাদা সেট তৈরি হয়েছে। যার নাম দেয়া হয়েছে মিক্সড জোন। ম্যাচের দুই দলের তিন-চারজন খেলোয়াড় এখানে এসে কিছুক্ষণ কথা বলার নিয়ম করেছে আইসিসি, যার নাম দেয়া হয়েছে মিডিয়া সেশন।

    নিয়ম মোতাবেক ভারতের বিপক্ষে জয়ের পর এসেছিলেন নিউজিল্যান্ডের তিন তারকা রস টেলর, ট্রেন্ট বোল্ট এবং কলিন মুনরো। কিন্তু বারবার অনুরোধ করেও সেখানে আনা যায়নি ভারতের কোনো খেলোয়াড়কে। কেবল প্রথাগত সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন রবিন্দ্র জাদেজা।

    অথচ ম্যাচের পর আইসিসির মুখপাত্র সংবাদকর্মীদের মিক্সড জোনে ডেকে এনেছিলেন ভারতের খেলোয়াড়রা আসার খবর দিয়ে। কিন্তু সংবাদকর্মীরা সেখানে গিয়ে দেখেন কেউ নেই। পরে আইসিসি মিডিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, ভারতের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়রা আসতে আপত্তি করছে। যা স্পষ্টত আইসিসির নিয়মের লঙ্গন।

    এমন কাণ্ড ঘটানোর পরেও ভারতের বিপক্ষে কোনো ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানায়নি আইসিসি। ভারতের কোচ রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ওপেন মিডিয়া সেশনের ব্যাপারে তার কোনো ধারণাই নেই। অথচ অন্য সব দলের খেলোয়াড়রা ঠিকই ছিলেন নিজেদের মিডিয়া সেশনে।

    ভারতীয়দের এমন কাণ্ডে ডালপালা মেলতে শুরু করেছে নানান গুঞ্জন। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বিরাট-রোহিতদের এমন আচরণ, আসরের সামনের দিনগুলোতে কোথায় গিয়ে ঠেকে সে বিষয়ে সন্দিহান প্রায় সবাই। তবু সকলে আশাবাদী আজ (মঙ্গলবার) বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের পর এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি করবে না ভারতীয়রা।

  • তৃণমূলের বিধায়কসহ বিজেপিতে যোগ দিলেন অর্ধশতাধিক নেতা

    তৃণমূলের বিধায়কসহ বিজেপিতে যোগ দিলেন অর্ধশতাধিক নেতা

    ভারতের এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রচারের সময় নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্তত চল্লিশ জন বিধায়ক তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। ফলাফল ঘোষণা হলে তারা দলবদল করবেন। মোদির সেই কথা এবার সত্যি হলো।

    কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাজ্যসভার তিন বিধায়ক এবং ৫০ জনেরও বেশি কাউন্সিলর মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দিয়েছেন। দলবদল করা এসব নেতার বেশির ভাগই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যারে দল তৃণমূল কংগ্রেসের।

    যে তিনজন বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তাদের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের দুজন। একজন বামপন্থী দলের। বিজেপির নেতা মুকুল রায়ের ছেলে সুভ্রাংশু রায়ের নেতৃত্বে এসব নেতা বিজেপিতে যোগ দেন। মুকুল রায় এর আগে ছিলেন মমতার দলে। সম্প্রতি তার ছেলেকেও দল থেকে বের করে দেন মমতা।

    দিল্লিতে বিজেপির প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে দলবদলের এই ঘোষণা দেয়া হয়। সেখানে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং মুকুল রায়সহ অন্য নেতারা। তারা সবাই মিলে দলে যোগ দেয়া নেতা-নেত্রীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন।

    ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভির এক অনলাইন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিজেপিতে যোগ দেয়া এসব নেতার মধ্যে তৃণমূলের ১৬ জন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। রাজ্যসভার বিধায়ক তিনজন হলেন তৃণমূলের সুভ্রাংশু রায় ও তুষারকান্তি ভট্টাচার্য্য এবং সিপিএম এর দেবেন্দ্র নাথ রায়।

    লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফায় ভোটের আগে মোদি পশ্চিমবঙ্গে এক জনসভায় মমতার উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, ‘রাজ্যের অন্তত ৪০ জন তৃণমূল বিধায়ক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং তারা বিজেপিতে যোগ দেয়ার জন্য পা বাড়িয়ে আছেন। নির্বাচনের পরই তা দেখতে পাবেন।