Category: আন্তর্জাতিক

  • মোদির জয়ের দিনে জন্ম, ছেলের নাম নরেন্দ্র মোদি রাখলেন মুসলিম নারী

    মোদির জয়ের দিনে জন্ম, ছেলের নাম নরেন্দ্র মোদি রাখলেন মুসলিম নারী

    ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঝড়ে কুপোকাত দেশটির বিরোধী শিবির। সেই ঝড়ে ভেসে গেলেন উত্তরপ্রদেশের পারসাপুর এলাকার মহরাউর গ্রামের মুসলিম পরিবারের এক গৃহবধূ।

    ওই গৃহবধু গত ২৩ মে নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। মোদির জয়ের দিনে সন্তান জন্ম নেয়ায় ‘নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি’ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওই নারী।

    সন্তানের জন্ম দেয়া উত্তরপ্রদেশের ওই নারীর নাম মেহনাজ বেগম। ২৩ মে ছেলের নাম ঠিক করার দিন নির্ধারণ করা ছিল। সেদিনই মোদির নাম মাথায় আসে তার। সেই নামেই নিজের ছেলের নাম ঠিক করেন তিনি। আশপাশের সবাই তাকে মত বদলাতে বললেও, তিনি অনড় থাকেন বলে ভারতীয় একটি বার্তাসংস্থাকে জানিয়েছেন তার শ্বশুর।

    দুবাইতে কর্মরত ওই নারীর স্বামী মুস্তাক আহমেদকে খবর দেয়া হলে তিনিও চেষ্টা করেন স্ত্রীর মত বদলাতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্ত্রীর ইচ্ছাকে মেনে নেন তিনি।

    পরে ওই পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা শাসকের উদ্দেশে লেখা একটি হলফনামা জমা দেয়া হয় পঞ্চায়েতের সহ-উন্নয়ন কর্মকর্তা ঘনশ্যাম পাণ্ডের কাছে। শুক্রবার ওই হলফনামা পেয়ে ঘনশ্যাম পাণ্ডে বলেছেন, ‘আবেদনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সম্পাদকের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনিই জন্ম ও মৃত্যু নথিবদ্ধ করার বিষয়টি দেখেন।’

    হলফনামায় মেহনাজ বেগম মোদি এবং তার সরকারের উন্নয়নের প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে দরিদ্র মানুষদের জন্য বিনামূল্যে গ্যাসের সংযোগ ও শৌচাগার নির্মাণে আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর নামে নাতির নাম রাখার ব্যাপারে মেহনাজের শ্বশুর ইদ্রিশ বলেছেন, ‘শিশুর নাম রাখার বিষয়টি পরিবারের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই অন্যদের এতে নাক গলানো উচিত নয়।’

    মেহনাজ জানিয়েছেন, আমরা চাই নরেন্দ্র মোদির মতোই আমাদের সন্তান পরিশ্রমী হোক। তার মতোই সফল হোক। জিনিউজ, আনন্দবাজার।

  • বার্সেলোনায় স্বাধীনতা কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী

    বার্সেলোনায় স্বাধীনতা কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী

    স্পেনের বার্সেলোনায় স্বাধীনতা কাপ ক্রিকেট সিক্স সাইড টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

    শনিবার শহরের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় মধুর ক্যান্টিন রেস্টুরেন্টে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলকে পুরস্কৃত করা হয়। এ সময় সবার জন্য ইফতারের আয়োজন করা হয়।

    গত মার্চে বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত সিক্স সাইড ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলাদেশি বিভিন্ন ক্লাবের মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ফাইনাল খেলাটি পূবালী সংস্থা ক্রিকেট দল বনাম সান্তাকলমা ফ্রেন্ডস ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সান্তাকলমা ফ্রেন্ডস ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হয়।

    চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ কিংস ক্রিকেট ক্লাব কাতালোনীয়ার সভাপতি আশরাফ হোসেন মামুনের সভাপতিত্বে ও ক্রিকেট ক্লাবের সহ-সভাপতি এআর লিটুর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতালান পার্লামেন্টের ইআরসি দলের সাবেক এমপি রবার্ট মাসিহ নাহার।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বার্সেলোনায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কনস্যুলেটর সিনিয়র রামোন পেদ্রো। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাঙালি ক্রিকেট ক্লাব কাতালোনিয়ার সভাপতি নাদিম আশেক এ আরমান, বাদালোনা ক্রিকেট ক্লাবের সভাপতি তুহিন ভুঁইয়া, বাংলাদেশ কিংস ক্রিকেট ক্লাব কাতালোনিয়ার সাধারণ সম্পাদক ময়েজ উদ্দিন।

    Spain

    অনুষ্ঠানে বার্সেলোনায় বিভিন্ন ক্রিকেট ক্লাবের খেলোয়াড়সহ বাংলাদেশি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক নেতারা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথি রবার্ট মাসিহ বলেন, স্প্যানিশরা ও তার সরকার খেলাধুলার প্রতি যথাযথ মূল্যায়ন করে বলেই ফুটবলের দেশ হিসেবে স্পেন পৃথিবী বিখ্যাত। আশা করি ক্রিকেট খেলাকেউ এ দেশে জাতীয়ভাবে পরিচিত করে তুলতে পারবে।

    তিনি ক্রিকেট নিয়ে স্থানীয় ক্লাবগুলোর কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, কাতালান সরকার ক্রিকেটের উন্নয়ন ও সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশি ক্রিকেট ক্লাবগুলোকে সার্বিক সহযোগিতা করবে।

    বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন কাতালোনিয়ার নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। নেতারা আগামী সেপ্টেম্বরে ২০১৯ অনুষ্ঠিতব্য ত্রি-দেশীয় এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণের কথা ঘোষণা করেন এবং খেলায় বাংলাদেশি টিমকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য কমিউনিটির সবার প্রতি আহ্বান জানান।

    সভা শেষে অতিথিরা বিজয়ী দলের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন। পরে পরে ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

  • টসে হেরে ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা

    টসে হেরে ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা

    আগামি ৩০ মে থেকে ইংল্যান্ডে বসতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের দ্বাদশ আসর। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। তার আগে নিজেদের মধ্যে দুটি করে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে বিশ্বকাপে অংশ নেয়া দলগুলো।

    আজ নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মুখোমুখি হয়েছে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকার। ব্রিস্টলে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। এই ম্যাচে প্রোটিয়াদের নেতৃত্বে নিয়মিত অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসি খেলছেন না। তার পরিবর্তে দলের অধিনায়কত্ব করছেন অলরাউন্ডার জেপি ডুমিনি।

    নিজেদের দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে আগামি ২৮ তারিখ নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মূল টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে ৩১মে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ক্যারিবীয়রা। অন্যদিকে ৩০মে উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার পর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ২ই জুন বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা।

  • বরিশালে ৪২৩ হজ্জযাত্রীদের জেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ শুরু

    বরিশালে ৪২৩ হজ্জযাত্রীদের জেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ শুরু

    নিউজ ডেস্ক: পবিত্র হজে গমনেচ্ছুক সরকারি ও বেসরকারি সম্মানিত হজ্জযাত্রীদের জেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ-২০১৯ শুরু হয়েছে।

    শনিবার (২৫ মে) সকালে নগরের কাশিপুরস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় কার্যালয়ের মিলনায়তনে প্রশিক্ষন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক এস, এম অজিয়র রহমান।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচলাক মোঃ নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক মোঃ আলম হোসেন, ফিল্ড অফিসার রেজা মোঃ মহসিনসহ হজে গমনেচ্ছু হজ্জযাত্রীরা।

    ৪২৩ জন হজে গমনেচ্ছুক হাজী বরিশাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভাগীয় কার্যালয় থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে। যারমধ্যে আজহ থেকে প্রথম ব্যচে ২২৩ জন সরকারি বেসরকারি হজ্জযাত্রীদের দুই দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

  • এমপি হলেন দুই নায়িকা

    এমপি হলেন দুই নায়িকা

    ভারতের লোকসভা ভোটে বড় ব্যবধানে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি। তবে প্রতিবারের মতো এবারও এই নির্বাচনে গোটা ভারতবাসীর নজর পশ্চিমবঙ্গে।

    এবারের এই নির্বাচনে পিছিয়ে নেই মমতার তারকা প্রার্থীরাও। তাদের মধ্যে টালিগঞ্জের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী রয়েছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের যাদবপুর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

    আনন্দবাজার পত্রিকার খবর অনুযায়ী, ২ লাখ ৮২ হাজার ৩৩৭ ভোটের বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন মিমি। ফলে কার্যত যাদবপুরে মিমিই বিজয়ী।

    এদিকে পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাট থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নুসরাত জাহান।

    নির্বাচন কমিশনের দেয়া তথ্যমতে, নুসরাত বিজেপি প্রার্থী স্বায়ন্ত বসুর থেকে দুই লাখ ৮২ হাজার ৯৯ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

    ২৯ বছর বয়সী এই বাঙালি অভিনেত্রী বিজেপির স্বায়ন্ত বসু ও কংগ্রেসের কাজী আবদুর রহিমের বিরুদ্ধে লড়েছেন। গত কয়েক বছর ধরেই এ আসনটি তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

    কয়েকজন তৃণমূল সমর্থক গণমাধ্যমকে বলেন, নুসরাত জাহান জয়ী হবেন বলেই আমরা ধরে নিয়েছি। তার আসনে মুসলমান ভোটাররাই সংখ্যাগরিষ্ঠ।

    নুসরাতকে প্রার্থী ঘোষণার পরেই তাকে নিয়ে বিরোধী পক্ষ ব্যাপক অপপ্রচারে নামে। তাকে নিয়ে অশ্লীল ছবি বানিয়ে তা ইন্টারনেটে ট্রল করেন তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাজনীতিতে নতুন আসা এই অভিনেত্রী বিজয়ী হতে যাচ্ছেন।

  • আবারও ভেলকি দেখালেন দেব, প্রায় ৩ লাখ ভোটে পেলেন বিশাল বিজয়

    আবারও ভেলকি দেখালেন দেব, প্রায় ৩ লাখ ভোটে পেলেন বিশাল বিজয়

    সিনেমার রঙিন পর্দার মতো ভোটের মাঠেও আবার সফলতা দেখালেন টালিউড অভিনেতা দেব। এবারও লোকসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছেন তিনি।

    অধিকারী দীপক দেব তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে ঘাতাল আসন থেকে জয়লাভ করেন। যদিও তার বিপরীতে ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলেন বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ।

    এই আসনে দেব পেয়েছেন তিন লাখ ৩৭ হাজার ৯৮৮ ভোট। নিকটবর্তী বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন দুই লাখ ৯৮ হাজার ৯৩ ভোট।

    এদিকে এখন পর্যন্ত ভোট গণনায় বেশ এগিয়ে রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। এতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে মোদি সরকার।

    প্রায় তিন শতাধিক আসনে এগিয়ে রয়েছে এনডিপি। বিপরীতে শতাধিক আসনে জয়লাভের অপেক্ষায় রয়েছে কংগ্রেস।

    ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ৫৪২ আসনের ২৭২টি পেলেই একটি দল বা জোট সরকার গঠন করতে পারে।

    উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। এবারের লোকসভা নির্বাচন সাত দফায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বশেষ ধাপ গত ১৯ মে শেষ ধাপের ভোট সম্পন্ন হয়েছে।

  • ভারতীয় রাজনীতিতে গান্ধী যুগের অবসান

    ভারতীয় রাজনীতিতে গান্ধী যুগের অবসান

    ভারতের লোকসভা নির্বাচনে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশাল জয় ঘোষিত হচ্ছিল, তখন ভারতের অন্যতম প্রাচীন দল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী হয়ে পড়ছিলেন বিধ্বস্ত। নেহরু-গান্ধী পারিবারের সর্বশেষ উত্তরাধিকারী তিনি। তার প্র-পিতামহ জওহরলাল নেহরু ছিলেন ভারতের প্রথম আর সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী। তার দাদি ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, আর বাবা রাজীব গান্ধী ছিলেন ভারতের সবচেয়ে কমবয়সী প্রধানমন্ত্রী।

    ২০১৪ সালের নির্বাচনে ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ফল করে কংগ্রেস। আর বৃহস্পতিবার রাহুলের নেতৃত্বে দ্বিতীয়বারের মতো শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে দলটির। মোদির বিজেপি যেখানে তিন শতাধিক আসনে জয় পেয়েছে, সেখানে কংগ্রেস জিতেছে মাত্র ৫০টির মতো আসনে। এটাও যদি বড় ধরনের বিপর্যয় বলে না ধরা হয়, তাহলে পারিবারিক দুর্গখ্যাত উত্তর প্রদেশের আমেথিতে নিজের আসনে হেরে যাওয়াটা সন্দেহাতীতভাবে রাহুলের মহাবিপর্যয়। তবে কেরালার ওয়ানগাড়ের অন্য আসনে জয় পেয়েছেন তিনি। ফলে পার্লামেন্টে যাওয়ার সুযোগ ঘটবে তার।

    তবে আমেথি ছিল আসলে মর্যাদার লড়াই। এই আসন থেকে দাঁড়িয়ে জয় পেয়েছেন তার বাবা ও মা দুজনেই। গত ১৫ বছর ধরে তিনি নিজেও ছিলেন এই আসনের সংসদ সদস্য। নির্বাচনের আগে আমেথির প্রতিটি পরিবারকে ‘আমার আমেথি পরিবার’ সম্বোধন করে চিঠি পাঠিয়েও ভোট পাননি রাহুল। ব্যালট বাক্সে ভোট পড়েছে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসা বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানির ঘরে।

    ভারতের রাজনীতির কেন্দ্রভূমি পরিচিত সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত আমেথি। ভারতের ৫৪৫ আসনের লোকসভার ৮০টি আসনই উত্তর প্রদেশের। সাধারণত বিশ্বাস করা হয় উত্তর প্রদেশে যারাই জেতে তারাই সরকার গঠন করে। রাহুলের প্র-পিতামহ, দাদি, বাবাসহ ভারতের ১৪জন প্রধানমন্ত্রীর আটজনই ছিলেন উত্তর প্রদেশের। এমনকি নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের বাসিন্দা হয়েও ২০১৪ সালের উত্তর প্রদেশ থেকে এমপি নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রিত্বের সূচনা করেছিলেন।

    এ বছরের লোকসভা নির্বাচনে কেউ কংগ্রেসের বড় জয় আশা করেনি, তবে অনেকেই ভেবেছিলেন ২০১৪ সালের নির্বাচন থেকে ভালো করবে। সে কারণেই বৃহস্পতিবারের ফলে দলের ভেতরে বাইরের অনেকেই হতবাক হয়েছেন। কংগ্রেস হয়তো পার্লামেন্টে যাবে, তবে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন গান্ধী যুগের অবসান ঘটলো কি? নাকি এতেই দলটির অদৃষ্ট লেখা হয়ে গেলো।

    বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে মোদিকে অভিনন্দন জানান রাহুল গান্ধী। বলেন, জনগণ তাদের রায় দিয়েছে আর বিজেপিকে বেছে নিয়েছে। কংগ্রেসের পরাজয়ের দায় মেনে নেন তিনি। আমেথিতে তিন লাখ ভোট গণনা বাকি থাকতেই ওই আসনে স্মৃতি ইরানির কাছে পরাজয় মেনে নেন তিনি। বলেন, আমি তাকে অভিনন্দন জানাতে চাই। তিনি জিতেছেন। এটাই গণতন্ত্র আর আমি জনগণের রায়কে শ্রদ্ধা করি।

    কংগ্রেসের ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কিছু জানাতে অস্বীকার করে রাহুল গান্ধী বলেন, কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এসব নিয়ে আলোচনা হবে। ওয়ার্কিং কমিটি কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম। জয় পাওয়া ও না-পাওয়া সব কংগ্রেসকর্মীকেই আশা না হারানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভয় পাওয়ার দরকার নেই। আমরা কঠোর পরিশ্রম অব্যাহত রাখবো। অবশেষে আমরা জিতবো’।

    তবে রাহুলের দেখানো ভবিষ্যৎ স্বপ্নকে বহুদূরের বলে মনে করেছেন লক্ষ্ণৌর কংগ্রেসকর্মীরা। দলের কয়েক প্রবীণ নেতার পরাজয় দেখার পর স্থানীয় কর্মীরা টিভি সেটে আঠা লাগিয়ে দিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মী বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা খুবই কম। মানুষ আমাদের প্রতিশ্রুতির ওপর ভরসা রাখে না। আমরা যা বলছি তার ওপর ভরসা রাখছে না মানুষ। মোদি তার প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। তারপরও মানুষ তার কথায় ভরসা রেখেছে। এমনকি আমরাও বুঝতে পারছি না কেন!’

    কংগ্রেসের শোচনীয় এই ফলের কারণে গান্ধীর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেক বিশ্লেষকই এরইমধ্যে নেতৃত্ব পরিবর্তনের আহ্বান জানাচ্ছেন। তাদের দাবি, দলের সভাপতির পদ থেকে রাহুলের পদত্যাগ। তবে এই ধরনের আহ্বানের সবই এসেছে আগের মতো দলের বাইরে থেকে। আর ধারণা করা হচ্ছে এবারও সেইসব আহ্বান প্রত্যাখ্যাত হবে।

    দিল্লিতে গুজব ছড়িয়েছে রাহুল পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কংগ্রেস নেতা মনিশঙ্কর আইয়ার বিবিসি হিন্দিকে বলেছেন, কংগ্রেস তার নেতৃ্ত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে না। রাহুল পদত্যাগ করতে চাইলেও কংগ্রেস তার পদত্যাগ গ্রহণ করবে না’। দলের পরাজয়ের কারণ নেতৃত্ব নয় বলে জানান তিনি। মনিশঙ্কর বলেন, ‘পরাজয়ের অন্য কারণ রয়েছে। আমাদের তা নিয়ে কাজ করতে হবে’।

    লক্ষ্ণৌতে কংগ্রেসের মুখপাত্র ব্রিজেন্দ্র কুমার সিং সেই কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, গান্ধী পরিবারের দায়িত্ব থাকায় সমস্যা নেই। তার মতে, সমস্যা রয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও নির্বাচনি প্রচারণায় ভুল সিদ্ধান্তে। তিনি বলেন, ‘দলের কাঠামোতে দুর্বলতা রয়েছে। পদবি নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল রয়েছে। মাঠপর্যায়ে প্রচারণা শুরুতে দেরি হয়েছে। এছাড়া ব্যর্থ হলেও উত্তর প্রদেশ ও বিহারে আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে জোট গড়ার প্রচেষ্টাতেও ভুল ছিল’।

    কংগ্রেসের অনেক বিশ্লেষকই ব্যক্তিগত পর্যায়ের আলোচনায় স্বীকার করে বলেছেন, ‘ব্র্যান্ড মোদি’র সঙ্গে ব্যক্তিত্বের প্রতিযোগিতায় পরাজিত পক্ষেই থাকবেন রাহুল। ব্রিজেন্দ্র কুমার সিং বলেন, ‘গত নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি পুরণে মোদি ব্যর্থ হলেও তার সরকারের নীতি বিষয়ে মানুষকে আশ্বস্ত করতে পেরেছেন তিনি।’

    মোদির কাছে রাহুলের পরাজয় এবারই প্রথম নয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ ফল করে মাত্র ৪৪টি আসন লাভের পরও বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি হয়েছে। তারপরে কয়েকটি রাজ্যের নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাহুলের সভাপতি হওয়া নিয়ে সমালোচনা-বিদ্রূপ হয়েছে। নরেন্দ্র মোদির দুর্বল পারিবারিক ইতিহাস আর ঐতিহ্যগত পারিবারিক ইতিহাসের তুলনা করে রাহুলের সমালোচনা করেছেন অনেকে। অনেকেই মন্তব্য করেন, মেধার ভিত্তিতে নয়, পারিবারিক সংযোগের কারণে কংগ্রেসের শীর্ষ পদে আসীন হয়েছেন রাহুল।

    ব্যক্তিগত আলাপে দলীয় কর্মীরা রাহুলকে সাধারণ মানুষ হিসেবে অভিহিত করে থাকেন। তাদের মতে প্রতিদ্বিন্দ্বীদের তুলনায় তার ধূর্ততা ও ছল-চাতুরির অভাব রয়েছে। সুতরাং এটাকেই তার ব্যর্থতা নাকি গান্ধী ব্র্যান্ডের ব্যর্থতা হিসেবে দেখা যাবে প্রশ্ন থেকে যায় তা নিয়ে।

    বিগত কয়েক বছরে গান্ধী পরিবার বেশ খানিকটা প্রভাব হারিয়েছে। বিশেষ করে শহুরে তরুণ ভোটারদের কাছে। কারণ হিসেবে অনেকেই মনে করেন তাদের কাছে নেহুরু-ইন্দিরা আমলে নেওয়া নীতির প্রভাব খুব বেশি প্রভাব রাখতে পারছে না। বরং এসব ভোটারদের কাছে ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কংগ্রেস সরকারের আমলে দুর্নীতি আর বিতর্কই স্পষ্ট হয়ে আছে। বৃহস্পতিবারের ফলে দেখা গেছে, কংগ্রেসের ওপর ভোটারদের আস্থা এখনও কম। আর রাহুল তার লক্ষ্য দিয়ে ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

    তবে, পরাজয়ের জন্য কংগ্রেসের কাঠামো কখনোই রাহুল বা তার নামকে দায়ী করেনি। এক কংগ্রেসকর্মীর পরামর্শ, রাহুলের একজন ‘অমিত শাহ’ দরকার। তার ইঙ্গিত বিজেপি সভাপতি যেভাবে কলাকৌশল তৈরি করে মোদিকে প্রথমে গুজরাট আর পরে দিল্লি জয় করে দিয়েছেন সেদিকে। পরাজয়ের জন্য দলের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে হয়তো রাহুলকে দায়ী করবেন না। অতীতের মতোই তারা তাকে সমর্থন করে যাবেন।

    গত কয়েক বছরে রাহুলের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে উন্নতিই দেখা গেছে। কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে দলের প্রচারণায় নতুনত্ব এসেছে। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও নীতির সমালোচনা করেছেন নিয়মিত। ডিসেম্বরেই তার হাত ধরে রাজস্তান, ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস জয়ী হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী উত্তর প্রদেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর সবাই ভেবেছিল এবার হয়তো কংগ্রেসের কিছু হবে, লড়াইয়ে ফিরে আসতে পারে দলটি। ভারতের অনেকেই মনে করেন, প্রিয়াঙ্কাই পারবেন সত্যিকার অর্থে কংগ্রেসকে রক্ষা করতে। তবে শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস ব্যর্থ হয়েছে। এটাকে কংগ্রেসের দলীয় লক্ষ্যের ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হবে। মোদি জনগণকে যেভাবে বুঝতে পেরেছিলেন কংগ্রেস তা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    কংগ্রেসের এক রাজ্য নেতা ভিরেন্দ্র মদন বলেন, আমাদের ইশতেহার ছিল সবচেয়ে ভালো। যে নীতি ঘোষণা করা হয়েছে, আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তা ছিল একবারে সেরা। কিন্তু আমরা আশা করেছিলাম, ভোটাররা এটাকে সমর্থন দেবেন। কিন্তু তা ঘটেনি।

    কংগ্রেস নেতা জানান, কেন্দ্র ও রাজ্য পর্যায়ের নেতারা আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে বৈঠকে বসছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিজেদের মূল্যায়নের সময় এখন। ভুল কোথায় হয়েছে, তা বের করা দরকার।

    মদন জানান, নির্বাচনের ফল যাই হোক না কেন, নেতাদের প্রতি দলের আস্থা অবিচল থাকবে। তিনি বলেন, ‘শুধু রাহুল নন, আরও অনেকেই হেরেছেন। অনেক নেতাই জিততে পারেননি। নির্বাচন আসে ও যায়। আপনিও কোথাও জিততে পারেন আর কোথাও হারেন। মনে আছে ১৯৮৪ সালের কথা, যখন বিজেপি মাত্র দুটি আসন পেয়েছিল? তারা কি ফিরে আসেনি?’ তারাও একদিন ঘুরে দাঁড়াবেন বলেও তিনি দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • আফ্রিকার বৃহত্তম মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন: একসঙ্গে ১২ লাখ মুসল্লী নামায পড়তে পারবেন

    আফ্রিকার বৃহত্তম মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন: একসঙ্গে ১২ লাখ মুসল্লী নামায পড়তে পারবেন

    দীর্ঘ সাত বছর এবং ১০০ কোটি ডলারের ব্যয়ে অবশেষে সম্পন্ন হল আলজেরিয়ার নতুন মসজিদের নির্মাণ কাজ। এই মসজিদটি নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে। মসজিদটির নাম দেয়া হয়েছে ‘দ্য গ্রেট মস্ক অব আলজিয়ার্স’ বা, জামা আল-জাজাইর। মসজিদটির আয়তন ৪ লক্ষ বর্গমিটার, এটির মিনারের উচ্চতা ২৬৫ মিটার (৮৭০ ফুট), যেখানে একটি পর্যবেক্ষণ ডেক রাখা হয়েছে। আলজিয়ার্স উপকূলের কাছে অবস্থিত যৌগিক গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদে একসাথে ১২ লাখ মুসল্লি নামাজ পড়তে পারবেন। এর ভূগর্ভস্থ পার্কিংয়ে ৭,০০০ গাড়ি রাখার ব্যবস্থা আছে।

    মসজিদ কমপ্লেক্সে একটি কোরানিক স্কুল, ২১ হাজার ৮০০ বর্গমিটারের সুবিশাল ও সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, একটি রেস্টুরেন্ট, একটি অ্যাম্ফিথিয়েটার ও আলজেরিয়ার ইতিহাসের জন্য নিবেদিত একটি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।

    বর্তমানে এটি আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম মসজিদ। আর বিশ্বের মধ্যে ইরানের মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজা শ্রাইন (৬ লাখ বর্গমিটার) ও ওমানের মাসকাটে অবস্থিত সুলতান কাবুস গ্র্যান্ড মসজিদের (৪ লাখ ১৬ হাজার বর্গ মিটার) পরে এটি তৃতীয় সর্ববৃহৎ মসজিদ হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে। এটির মিনারও এখন আফ্রিকার মধ্যে উচ্চতম। এর আগে উচ্চতম মিনার ছিল মরোক্কোর কাসাব্লাংকায় অবস্থিত হাসান দ্বিতীয় মসজিদের, যার উচ্চতা ছিল ৬৭০ ফুট।

    আলজিয়ার্সের মসজিদটি তৈরি করেছে চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন (সিএসসিইসি)। এটি একটি বিশাল বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান যারা আফ্রিকা ও বিশ্বব্যাপী ভারী শিল্প ও অবকাঠামো নির্মাণে কাজ করে। ২০১১ সালে এই মসজিদ প্রকল্পের জন্য কোম্পানিটি যখন দায়িত্ব পায়, তখন এটিই ছিল তাদের বিদেশী প্রকল্পগুলোর মধ্যে সর্ব বৃহৎ প্রকল্প।

    গত বছরের শেষের দিকে এটি উদ্বোধনের কথা থাকলেও, বিশ্বব্যাপী তেলের দাম কমে যাওয়ায়, মসজিদটি বাজেট সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল যার ফলে এর নির্মাণ বিলম্বিত হয়।

    মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির জন্য আফ্রিকার বৃহত্তম মসজিদ নির্মাণ একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। দেশটিতে বহুবছর ধরেই মুসলমানরা বিদ্রোহ করে আসছে। ১৯৯২ সালের নির্বাচনে ইসলামপন্থীরা জয়ী হলেও, সরকার তখন সেই নির্বাচন বাতিল করে দেয়, যার ফলে বেসামরিক বিদ্রোহের সূচনা হয়। এতে প্রায় ২ লাখ মানুষ নিহত হয়েছিল।

  • ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্’র অভিনন্দন

    ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্’র অভিনন্দন

    ভারতের সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে জিতে টানা দ্বিতীয়বার সরকার গঠনেরসুযোগ পাওয়ায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেনবাংলাদেশেরপার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষন কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এমপি।

    এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, টানা দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গড়তে চলেছে ভারতের ক্ষমতাসীনদল বিজেপিএবং দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে চলেছেন নরেন্দ্রমোদি। এ বিজয়ের ফলে ভারত-বাংলাদেশ সুসম্পর্ক অব্যাহত থাকবে।

    অভিনন্দন বার্তায় তিনি নরেন্দ্র মোদির সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। একইসাথেতিনিভারতীয় জনগণের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

  • দেবের সঙ্গে এগিয়ে মিমি-নুসরাত

    দেবের সঙ্গে এগিয়ে মিমি-নুসরাত

    ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ভোটের প্রাথমিক ফলাফলে পশ্চিমবঙ্গে নিজ নিজ আসনে এগিয়ে রয়েছেন তিন তারকা প্রার্থী দেব, মিমি এবং নুসরাত।

    ঘাটাল থেকে তৃণমূলের প্রার্থী দেব। নায়কের প্রতিপক্ষ বিজেপির প্রার্থী তথা প্রাক্তন আইপিএস ভারতী ঘোষ।

    অন্যদিকে যাদবপুর আসনে প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী। এই আসনে দ্বিতীয় শক্ত প্রার্থী হচ্ছেন সিপিএম নেতা ও কলকাতা পৌর করপোরেশনের সাবেক মেয়র বিকাশ ভট্টাচার্য।

    অন্যদিকে নুসরাত লড়ছেন বসিরহাট থেকে। এই আসনে নুসরাতের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন বিজেপির সায়ান্ত বসু ও সিপিআইয়ের পল্লব সেনগুপ্ত।

    ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে গতবারের তুলনায় এবার তৃণমূলের আসন কমলেও এই তিনটি আসেন মমতার তিন প্রার্থী জয়ের পথে রয়েছেন।

    এনডিটিভির লোকসভা নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, সারা দেশের ৫৪২ আসনের মধ্যে ৩২৪টি পেতে যাচ্ছে এনডিএ জোট। একক দল হিসেবে বিজেপি পাচ্ছে ২৭৬টি। সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার ২৭২টি আসন।

    আনন্দবাজারের প্রাথমিক ফলাফলেও একই আভাস মিলছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩২৬টি আসন পাচ্ছে এনডিএ জোট। আর একক দল হিসেবে বিজেপি পাচ্ছে ২৭২টি আসন।