Category: আন্তর্জাতিক

  • পৃথিবীর যে স্থানগুলো গুগল ম্যাপে খুঁজে পাবেন না!

    পৃথিবীর যে স্থানগুলো গুগল ম্যাপে খুঁজে পাবেন না!

    প্রযুক্তির কল্যাণে গোটা বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। গুগল ম্যাপের সাহায্যে আপনি বিশ্বের যে কোনও জায়গা সহজেই খুঁজে বের করতে পারবেন। ঘরে বসে যে কেউ ঘুরে আসতে পারেন পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত।

    তবে বিশ্বে এমন জায়গাও আছে, যা আপনি চাইলেও গুগল ম্যাপে খুঁজে পাবেন না বা দেখতে পাবেন না। এমন সাতটি জায়গা নাকি আছে, যা ম্যাপে পাওয়া যায় না। ওই সাত জায়গা নিয়ে ইকোনমিক টাইমস একটি প্রতিবেদন করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ জায়গাগুলো জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, তাইওয়ান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।

    ১. ন্যাটোর বিমানঘাঁটি: সামরিক জোট ন্যাটোর একটি বিমানঘাঁটি আছে জার্মানিতে। গিয়েলেনকির্চেন নামের এ জায়গায়টি মাইক্রোসফটের বিংয়ে ব্লক করা নেই। তবে গুগল ম্যাপে ওই জায়গাটি পিক্সেল করে দেখানো হয়।
    ২. ন্যাশনাল সিকিউরিটি ব্যুরো: চীনের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যুরোর সদর দপ্তরটিও গুগল ম্যাপে চাইলেও আপনি বের করতে পারবেন না। তাইওয়ানে অবস্থিত এ জায়গায় চীনের কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার কার্যালয়ও আছে।
    ৩. রোজেজ: লোস ডোলোরেসের মতো স্পেনের আর একটি জায়গাও গুগল ম্যাপে পাওয়া যায় না। অনুমান করা হয়, এ জায়গা থেকে মার্কিন বিমানবাহিনীর ৮৭৫তম আধুনিক বিমানটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এখান থেকে ওই বিমানে বিভিন্ন সতর্কবার্তাও পাঠানো হয়। স্পেনের রোজেজ জায়গাটি গুগল ম্যাপে পাওয়া যায় না।

    ৪. ভলক্যাল বিমানঘাঁটি: নেদারল্যান্ডসের ভলক্যাল বিমানঘাঁটিটি খুঁজলেও নাকি গুগল ম্যাপে পাওয়া যায় না। মার্কিন বিভিন্ন গোপন নথি প্রকাশ করে হইচই ফেলে দেওয়া সাড়া জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকসের অভিযোগ, এই বিমানঘাঁটিতে স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ২২টি পারমাণবিক বোমা লুকিয়ে রেখেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    ৫. ইসরায়েল: আপনি চাইলেও পুরো ইসরায়েল গুগল ম্যাপে দেখতে পাবেন না। জুম করলে মনে হবে কিছু ভবন কিন্তু আসলে তা নয়।

    ৬. লোস ডোলোরেস: স্পেনের লোস ডোলোরেসের হ্যালিপোয়েরতো ডি কার্টাগেনা নামের জায়গাটিও চাইলেই আপনি গুগল ম্যাপে পাবেন না। এই জায়গা সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্যও খুব একটা জানা নেই কারও। গুগলের স্ট্রিট ভিউয়ে খুঁজলেও পাওয়া যায় না এর অবস্থান।

    ৭. হাডসপেথ কাউন্টি: টেক্সাসের একটি অংশ, যার নাম হাডসপেথ কাউন্টি সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সীমান্ত এলাকা আছে। এই সীমান্তের প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে মেক্সিকোর সিউদাদ জুয়ারেজ এলাকাটি গুগল ম্যাপে বিকৃত করে রাখা আছে।

  • পাল্টে গেল কিলোগ্রাম, এবার সেকেন্ডের পালা

    পাল্টে গেল কিলোগ্রাম, এবার সেকেন্ডের পালা

    এক কিলোগ্রাম মানে কতটা? আজ থেকে বদলে গেল তার সংজ্ঞা। এ বার নিশানা সেকেন্ড। আরও নিখুঁত ভাবে সময় মাপতে পাল্টে যাবে ঘড়িও!

    ভরের মূল একক কিলোগ্রামের বাটখারা তথা প্ল্যাটিনাম-ইরিডিয়ামের দণ্ড ‘ল্য গ্রঁদ কে’-কে প্যারিসে কাচের ঘেরাটোপে রাখা হলেও সযত্ন মোছামুছিতেও এটি থেকে কিছু পরমাণু ক্ষয়ে যাচ্ছিল। গত বছর নভেম্বরে প্যারিসের কাছে ভার্সেই শহরে ৫০টিরও বেশি দেশের ভোটে ‘ল্য গ্রঁদ কে’-কে বাতিল করে মাক্স প্লাঙ্কের ধ্রুবকের ভিত্তিতে এক কিলোগ্রাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কারণ মাক্স প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক অঙ্কের নিয়মে মাপা ও নিখুঁত। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৩০ বছর পর সোমবার থেকে গোটা বিশ্বে কিলোগ্রামের নতুন সংজ্ঞা চালু হয়ে গেল। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বদলটা ঘটল ‘ওয়র্ল্ড মেট্রলজি ডে’ তথা বিশ্ব পরিমাপ বিজ্ঞান দিবসে।

    এ বার পালা সময়ের একক সেকেন্ডের সংজ্ঞা বদলের। সহজ করে বলা যেতে পারে, আগের চেয়ে অনেক বেশি নিখুঁত করে সেকেন্ডকে মাপার ব্যবস্থা করতে চাইছেন বিজ্ঞানীরা। বর্তমানে সেকেন্ড মাপা হয় সিজিয়াম পরমাণু দিয়ে তৈরি ঘড়িতে। সিজিয়ামের পরমাণু নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের আলো শুষে নিয়ে নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেই শক্তি তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ আকারে ছেড়ে দেয়। ঠিক যেমন আদর্শ অবস্থায় একটি পেন্ডুলাম নির্দিষ্ট সময় অন্তর বিশেষ একটি স্থানে পৌঁছায়।

    সিজিয়ামের ঘড়িতে আলোর ৯১৯,২৬,৩১,৭৭০ বার স্পন্দন বা দোলনের কালকে এক সেকেন্ড ধরা হয়। কিন্তু পরবর্তী কালে তৈরি হওয়া ‘অপটিক্যাল অ্যাটমিক ক্লক’ অনেক বেশি নিখুঁত সময় দিচ্ছে।

    কলোরাডোর বোল্ডারের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি’-র পদার্থবিদ অ্যান্ড্রু লাডলোর কথায়, ‘‘এই ঘড়িতে কম্পাঙ্ক অনেক বেশি। ফলে ঘড়ির প্রতিটি ‘টিক’ অনেক কাছাকাছি। ফলে এই ঘড়িতে সিজিয়াম ঘড়ির চেয়ে ১০০ গুণ বেশি নিখুঁত ভাবে এক সেকেন্ডকে মাপা যাচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির সব ধাপ পেরিয়ে বদলটা হয়তো ঘটবে ২০২০ সালের শেষের।

    সংজ্ঞা বদলে গেলেও এক কেজিতে গত কাল যতটা চাল-ডাল মিলেছে, আগামী দিনেও ততটাই মিলবে। একই ভাবে, সেকেন্ডের মাপক বদলে গেলেও আমাদের রোজকার ঘড়িতে কোনও বদল আসছে না। তাই বদলাতে হবে না ট্রেন-বিমানের সময়সূচিও।

  • গোবর লেপে গরম থেকে বাঁচার চেষ্টা

    গোবর লেপে গরম থেকে বাঁচার চেষ্টা

    গরম বাড়ছে। গরম থেকে বাঁচতে নানা উপায়ের আশ্রয় নিচ্ছে মানুষ। কিন্তু ভারতের আহমেদাবাদের এক বাসিন্দা নিজেকে নয় তার গাড়িকে ঠান্ডা রাখতে অভিনব এক পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। তিনি পুরো গাড়ির ওপর গরুর গোবর লেপে দিয়েছেন, যাতে গাড়ি গরম না হয়।

    গরম থেকে গাড়িকে বাঁচাতে তার এই অভিনব পদ্ধতি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে মজা করে নানান মন্তব্য করেন। ফেসবুকে এখন সেই ‘গাড়ি ঠান্ডা রাখার পদ্ধতি’ ভাইরাল।

    রুপেশ গৌরাঙ্গ দাস নামের এক তরুণ ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি আমার জীবনে গোবরের এত ভালো ব্যবহার আর কখনো দেখিনি।’ আহমেদাবাদ থেকে ছবিটি তোলা বলে জানিয়েছেন তিনি।

    তিনি তার ফেসবুক পোস্টে আর লিখেছেন, বর্তমানে তাপমাত্র ৪৫ ডিগ্রির চেয়েও বেশি। আর এই ‘অসহনীয়’ গরম থেকে গাড়িকে রক্ষা করতে সেজাল নামের এক ব্যক্তি তার পুরো গাড়ি গোবর দিয়ে লেপে ঢেকে রেখেছেন।

    ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বাড়ির সামনে একটি গাড়ি রাখা। পুরো গাড়ি গোবর দিয়ে লেপে ঢেকে রাখা হয়েছে। শুধু খালি রাখা হয়েছে গাড়ির কাচ ও লাইটের অংশটুকু। সেই গোবর শুকিয়ে গাড়ির সঙ্গে লেগে আছে। দেখলে মনে হবে গাড়ির রঙটাই বুঝি ওরকম।

    ভারতের গ্রামগুলোতে গরুর গোবর শুকিয়ে তা বিভিন্ন কাজে তা ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে অনেক এলাকায় বাড়ির দেয়ালে গোবর লাগানো হয় যাতে করে গরমের সময় ঘর গরম না হয়। সেই পদ্ধতি থেকেই বোধহয় সেজাল নামের ওই ব্যক্তি তার গাড়িতে গোবর লাগিয়ে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করছেন।

  • বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত শেখ হাসিনা

    বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত শেখ হাসিনা

    অনলাইন ডেস্ক:: আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন গবেষণা সংস্থা দ্য স্ট্যাটিসটিক্স শেখ হাসিনাকে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছে। দ্য স্ট্যাটিসটিক্সের গবেষণায় এ মনোনয়ন দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    অার এ স্বীকৃতিকে সরকারের অর্জন হিসেবে মন্তব্য করে জনগণকে উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ আস্থা রেখেছে বলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে বাংলাদেশের এই অর্জন অনেক অগেই সম্ভব হতো বলে মনে করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট না এলে বাংলাদেশ আরো আগেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারত।

    এদিন জাতিসংঘের উন্নয়নের সব সূচকে বাংলাদেশ তার লক্ষ্য পূরণ করে এগিয়ে আছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    এদিকে উন্নয়নের সব সূচক পূরণ করে এখন উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ অর্জনে সোমবার অভিনন্দন প্রস্তাব গ্রহণ করে মন্ত্রিসভা। বলা হয়, এই ধারাবাহিকতা আরো ছ’বছর অব্যাহত থাকলে ২০২৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পাবে বাংলাদেশ।

  • নীতিমালা ছাড়াই আইপিটিভির অনুমোদন নিয়ে জটিলতা

    নীতিমালা ছাড়াই আইপিটিভির অনুমোদন নিয়ে জটিলতা

    ন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক টেলিভিশন (আইপিটিভি) সেবা প্রদানে ২৪ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তবে নীতিমালা ছাড়াই আইপিটিভির এ অনুমোদনে তৈরি হয়েছে জটিলতা। কারণ বিদ্যমান আইন ও নীতিমালায় সম্প্রচারসংক্রান্ত সব ধরনের অনুমোদন দেয় তথ্য মন্ত্রণালয়।

    বিটিআরসির অনুমোদন দেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে লিংক থ্রি টেকনোলজিস, আইসিসি কমিউনিকেশন, ডিজি-জাদু ব্রডব্যান্ড, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট কোম্পানি (বেক্সিমকো), কেএস নেটওয়ার্ক, এনরিচ নেট, প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক, চিটাগং অনলাইন, ওয়ান স্কাই, অন্তরঙ্গ ডটকম, ট্রায়াঙ্গল সার্ভিসেস, মাজেদা নেটওয়ার্কস, আম্বার আইটি, বিডিকম অনলাইন, এনএমএস টেকনোলজিস, বিজয় অনলাইন, ইরটেল সার্ভিসেস, ঢাকা ফাইবার নেট, নেক্সট অনলাইন, ভিশন টেকনোলজিস, ট্রাইক্যাচ টেকনোলজি, কসমোপলিটন কমিউনিকেশনস, উইঙ্ক কমিউনিকেশন ও আইটি বেজ।

    জানা গেছে, অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর এরই মধ্যে সেবাটি চালু করেছে বিডিকম অনলাইন। এছাড়া চালুর প্রক্রিয়ায় রয়েছে আরো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

    গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত ডোমেস্টিক নেটওয়ার্ক কো-অর্ডিনেশন কমিটির (ডিএনসিসি) বৈঠকে আইপিভিত্তিক সব ধরনের ডাটাসেবা ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ ডাটা সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে স্ট্রিমিং সার্ভিস, আইপিটিভি, ভিডিও অন ডিমান্ড ইত্যাদি। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ ধরনের সেবা প্রদান করবে আইএসপিগুলো।

    কমিশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে, ডিএনসিসির বৈঠকে আইপিটিভির অনুমোদনের ক্ষমতা বিটিআরসিকে দেয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আবেদন আহ্বানের পর বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দিয়েছে বিটিআরসি। আইপিটিভি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ডাউনলিঙ্কের অনুমতিপ্রাপ্ত দেশী-বিদেশী টিভি চ্যানেলের কনটেন্ট প্রচার করতে পারবে। তবে প্রতিটি চ্যানেল বা প্রোগ্রাম কিংবা কনটেন্ট প্রচারে প্রয়োজনীয় চুক্তি বা অনুমোদন অথবা ছাড়পত্র নিতে হবে। অনুমোদিত চ্যানেল ছাড়া অন্য কোনো চ্যানেল বা কনটেন্ট প্রচার করা যাবে না। টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী বিটিআরসি থেকে ট্যারিফ অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ব্যবহারকারীর আইপি লগ ন্যূনতম ৯০ দিন বা তিন মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করবে আইপিটিভি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। সব ধরনের স্ট্রিমিং সার্ভিস প্রয়োজনীয় মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

    তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বণিক বার্তাকে বলেন, বিটিআরসির কাছে জানতে চেয়েছি। তারা অস্বীকার করেছে। আইপিটিভির লাইসেন্স দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছে তারা। এখনো আইপিটিভি নিয়ে কোনো নীতি হয়নি, তাই এ মুহূর্তে লাইসেন্স দেয়া যাবে না।

    তবে ডিএনসিসির বৈঠকে সব ধরনের ডাটা কমিউনিকেশনস নেটওয়ার্ক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হলেও এজন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা সংশোধনসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আইন সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বিটিআরসি এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করতে বলা হয়।

    ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বণিক বার্তাকে বলেন, সেবাটি দেয়ার ক্ষেত্রে নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। এখনো এ ধরনের কোনো নীতিমালা নেই। সম্প্রচারের লাইসেন্স দেয়া হয় মূলত তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে।

    ২০১৬ সালের অক্টোবরে বিটিআরসি দেশে আইপিটিভি ও ভিডিও অন ডিমান্ড সেবা দুটি বন্ধ করে দেয়। গত বছর ডিসেম্বরে সেবা দুটি আবার উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

    উল্লেখ্য, ইন্টারনেটভিত্তিক এ ভিডিও সম্প্রচার প্রযুক্তি ওয়েব টিভি নামেও পরিচিত। বিশ্বে আইপিটিভি বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চালু হয় ১৯৯৯ সালে, কানাডায়।

  • বিপাকে পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করছে

    বিপাকে পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করছে

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য: বিশ্বের ২য় বৃহত্তর মোবাইল ফোন কোম্পানি হুয়াওয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা জাড়ি করছে যুক্তরাষ্ট্র। নিকট ভবিষ্যতে হুয়াওয়ের ফাইভ-জি এর ধারে কাছেও কেউ আসতে পারবে না। বীশ্বের ফাইভ-জি ব্যবসাকে নিয়ন্ত্রণ করছে হুয়াওয়ে বলে জানিয়েছেন হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা রেন ঝেংফি।

     

    তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের শক্তিকে খাটো করে দেখছে। চীন বীশ্ব বাজারে এপলের ৩য় বৃহওর বাজার। এদিকে চীন এপল পণ্য বয়কটের আহবান জানিয়েছে। ট্রাম্পের এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণায় সোমবার পৃথিবীর অনেক শেয়ারবাজারই দরপতন হয়েছে। ইউরোপ ও ওয়াল স্ট্রিট চিপ নির্মাতাদের শেয়ারবাজারের দাম পরে যায়। এপলের শেয়ারের দাম কমেছে ৩ দশমিক ১৩ শতাংশ, লুমেনটাম হোল্ডিংসের দাম কমেছে ৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ, আর ইতালির চিপ নির্মাতা এসটিএমআইক্রোইলকট্রনিক্সের কমেছে ৯ দশমিক ১৮ শতাংশ। আর যুক্তরাষ্ট্র পিএইচএলএক্স সেমিকন্ডাক্টর সূচক পড়েছে ৪ দশমিক ০২ শতাংশ।

     

    এই শেয়ারবাজার দরপতনের কারনে বিপাকে পরেছে যক্তরাষ্ট্র। আর তার ফলে নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করেছে। বিদ্যমান নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণ ও সফটওয়্যার হালনাগাদ দিতে হুয়াওয়ে মার্কিন কোম্পানির কাছ থেকে যন্ত্রাংশ কিনতে পারবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছে।

  • ছয় কোটি ৬০ লাখ বছর আগের ডাইনোসরের ডিম উদ্ধার

    ছয় কোটি ৬০ লাখ বছর আগের ডাইনোসরের ডিম উদ্ধার

    দক্ষিণ চীনের একটি গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিরল ডাইনোসরের ডিমের জীবাশ্ম। ১১ মে কলেজের ছাত্ররা প্রথমে সেগুলি দেখে স্থানীয় জাদুঘরে খবর দেয়। পরে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জীবাশ্মগুলি উদ্ধারের ব্যবস্থা করেন।

    ১১ মে চীনের জিয়াংসি প্রদেশের পিংক্সিয়াং শহরের কাছে লাল কাদা মাটির মধ্যে অদ্ভুত পাথরের মতো কিছু জিনিস দেখে চার কলেজ ছাত্র। দেখেই তারা বুঝতে পারে এগুলি সাধারণ কোনো পাথর নয়। পরীক্ষার জন্য তারা স্থানীয় জাদুঘরে খবর দেন।

    স্থানীয় জাদুঘর, চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সে খবর দিলে তারা সেগুলি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    অজানা এই পাথরগুলি ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগের ডাইনোসরের ডিমের জীবাশ্ম। এই ডিমগুলি ক্রিটাসিয়াস যুগের। যে যুগ আজ থেকে সাড়ে ১৪ কোটি বছর আগে শুরু হয়ে ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে শেষ হয়।

  • রেন ঝেংফি বলেন যুক্তরাষ্ট্র যতই নিষেধাজ্ঞা দিক না কেন, তাতে হুয়াওয়ের কিছুই আসে যায় না।

    রেন ঝেংফি বলেন যুক্তরাষ্ট্র যতই নিষেধাজ্ঞা দিক না কেন, তাতে হুয়াওয়ের কিছুই আসে যায় না।

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    চীনের সরকারি গনমাধ্যমের সংগে সাক্ষাৎকারে বিশ্বের ২য় বৃহত্তর মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা রেন ঝেংফি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যতই নিষেধাজ্ঞা দিক না কেন, তাতে হুয়াওয়ের কিছুই আসে যায় না। তিনি মনে করেন যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের শক্তি খাটো করে দেখছে। তিনি আরো বলেন, হুয়াওয়ের ওপর এই নিষেধাজ্ঞার তেমন প্রভাব পড়বে না। কারন হিসেবে তিনি বলেন, নিকট ভবিষ্যতে কেউ হুয়াওয়ের ফাইভ-জি প্রযুক্তির ধারেকাছেও আসতে পারবে না। বানিজ্যযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়েকে নানাভাবে থামানোর চেষ্টা করছে। এমনকি তার প্রধান অর্থ কর্মকর্তাকে কানাডায় গ্রেপ্তারও করিয়েছে তারা। অনেকে দেশকেই নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বলে ফাইভ-জি অবকাঠামোয় হুয়াওয়ের প্রযুক্তি ব্যবহার না করতে চাপ দিচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে হুয়াওয়েকে এনটিটি লিষ্টে ঢুকিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে হুয়াওয়ের কাছে যন্ত্রাংশ বিক্রি করতে সরকারের অনুমতি নিতে হবে। বিবিসি,সিএনএন ও দ্য গার্ডিয়ান সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে। এদিকে চীন এপল পণ্য বয়কটের আহবান জানিয়েছে। উল্লেখ্য, চীন এপেলের তৃতীয় বৃহওম বাজার।

  • ইফতারের জন্য পানি চাইলেন যাত্রী, ট্রে ভর্তি খাবার দিলেন বিমানবালা

    ইফতারের জন্য পানি চাইলেন যাত্রী, ট্রে ভর্তি খাবার দিলেন বিমানবালা

    রোজা রেখে বিমানে ভ্রমণ করছিলেন এক ব্যক্তি। পথেই ইফতারের সময় হলে বিমানবালার কাছে পানি চান। এর পর যা ঘটে তা দেখে অবাক হয়ে যান ওই ব্যক্তি।

    ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ঘটনাটি ভারতের। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে করে গোরক্ষপুর থেকে দিল্লি আসছিলেন রিফাত জায়েদ নামে এক যাত্রী।

    খবরে আরও বলা হয়, রোজাদার ওই যাত্রীর বিমানের মধ্যেই ইফতারের সময় হয়ে যায়। রোজা ভাঙতে বিমানবালার কাছে একটু পানি চান তিনি। সিট বেল্ট পরে থাকার নির্দেশনা থাকার পরেও আসন ছেড়ে এগিয়ে আসায় তাড়াতাড়ি তার দিকে এগিয়ে যান দায়িত্বে থাকা মঞ্জুলা নামের এক বিমানবালা। ওই বিমানসেবিকা তাকে আসনে বসতে বলে চলে যান।

    কয়েক মিনিট পর এক বোতল পানি নিয়ে ফিরে আসেন তিনি। সঙ্গে ট্রে-তে করে দুটি স্যান্ডউইচও আনেন তিনি। এ ছাড়া আরও খাবার ও পানি লাগলে জানানোর অনুরোধ করে যান মঞ্জ‌ুলা।

    বিমানবালার এমন ব্যবহারে মুগ্ধ হন রিফাদ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে তার অভিজ্ঞতার কথাও জানান।

  • বিশ্বখ্যাত ‘নেচার’ জার্নালে নৃবিজ্ঞানী ড. ফরিদের সাফল্য

    বিশ্বখ্যাত ‘নেচার’ জার্নালে নৃবিজ্ঞানী ড. ফরিদের সাফল্য

    ‘পরিণত বয়সের কোনো পুরুষের শারীরিক অবস্থা কিংবা অসুস্থতার ব্যাপারে পরিপূর্ণ চিত্র পেতে হলে তার শৈশবকালীন পরিবেশ  প্রতিবেশ সম্পর্কে জানা খুব জরুরি। যেখানে আগে মনে করা হতো এই পুরো বিষয়টিই পারিবারিকভাবে (বায়োলজিক্যাল) ঘটে।’

    এই যুগান্তকারী উদ্ভাবনটি তুলে এনেছেন চারজনের একদল গবেষক। বিশ্বের নামকরা জার্নাল ‘নেচার’ এ সম্প্রতি (২০১৮ সালের জুনে) ওই গবেষণা প্রবন্ধটি ছাপা হয়। ছাপা হওয়ার পর থেকেই প্রবন্ধের ফলাফল দ্রুত সারাবিশ্বের চিকিৎসা-দুনিয়ায় সাড়া ফেলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটার ছাড়াও দ্য টেলিগ্রাফ, দ্যা ডেইলি মেইলসহ ৬৫ টি আন্তর্জাতিক মিডিয়া আউটলেটে গুরুত্বের সঙ্গে প্রবন্ধের ফলাফল প্রকাশিত হয়। ন্যাচার ইকোলজি এন্ড ইভালুয়েশন জার্নালে সমসাময়িক প্রকাশিত প্রবন্ধগুলোর মধ্যে এটি বর্তমানে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।

    আর এই গবেষণাকর্মের অন্যতম ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানী ও বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ। অপর তিনজন হলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ক্যাসন মাগিড, যুক্তরাজ্যের ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিনিয়ান বেনটিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ-ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রবার্ট চেটারটন।

    গবেষণাকর্মটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইকোনমিক এ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ কাউন্সিল (ইএসআরসি)’, ‘দ্যা রয়্যাল সোসাইট এ্যান্ড প্রোস্টেট ক্যান্সার ইউকে’এবং গবেষকদের নিজস্ব অর্থায়নে সম্পাদিত হয়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানে ও নৃতাত্ত্বিক গবেষণায় এই ফলাফল ‘এক নতুন সংযোজন’।

    গবেষণা প্রবন্ধে উঠে আসে যেসব পুরুষ বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত স্বচ্ছল পরিবার এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগমুক্ত শৈশব কাটিয়ে বেড়ে উঠে তাদের টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বেশি হয়। এরা দ্রুত বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছায় এবং দ্রুত দীর্ঘ দৈহিক গড়নের অধিকারী হয়। তবে পরিণত বয়সে তারা প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

    অন্যদিকে যেসব পুরুষ ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে নানা ধরনের সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে হতে শৈশব পার করে পরিণত বয়সে আসে, তাদের টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণ কম হয়। এই কম টেস্টোস্টেরন উৎপাদন মানবশরীরের দীর্ঘস্থায়ী (ক্রোনিক) অসুস্থতার জন্য দায়ী।এভাবেই শৈশবের পরিবেশ ও প্রতিবেশ পুরুষের টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে।

    নৃ-বিজ্ঞানী ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ বাংলানিউজকে বলেন  ‘জার্নালটি ছাপা হওয়ার পর থেকেই তা দ্রুত বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তোলে। একজন পুরুষ মানুষের হরমোন নিঃসরণের পরিপূর্ণ মাত্রা তার বংশ-পরম্পরা কিংবা পরিণত বয়সে, সে যেখানে বসবাস করে এর উপর নির্ভর করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা নির্ভর করে তার শৈশবকালীন পরিবেশ ও প্রতিবেশের ওপর। এটাই এ গবেষণার অন্যতম বড় একটি প্রাপ্তি।’

    তিনি জানান, বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ৩৫৯ জন ছেলেশিশু ও পরিণত বয়সী পুরুষের উচ্চতা, ওজন, বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছার বয়স, টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণের মাত্রা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যগত তথ্য নিয়ে ওই গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। মোট চারটি ভাগে গবেষণা-নমুনাকে ভাগ করা হয়: এক. সেইসব পুরুষ যারা বাংলাদেশের সিলেটের স্থায়ী বাসিন্দা; দুই. যারা বয়স ৮ হওয়ার আগেই লন্ডনে গেছে এবং সেখানেই বেড়ে উঠেছে; তিন. যারা পরিণত বয়সে সিলেট ছেড়ে লন্ডনে গেছে এবং চার. বাংলাদেশে থেকে লন্ডনে অভিগমনকারী মা-বাবার সন্তান।

    গবেষণায় দেখা গেছে যারা বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত পরিবার ও পরিবেশে বেড়ে উঠেছে তাদের তুলনায় যারা বাংলাদেশ থেকে গিয়ে যুক্তরাজ্যের পরিবেশ ও প্রতিবেশে বেড়ে উঠেছে তাদের টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বেশি।

    ড. ফরিদ বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে পুরুষদেহের শক্তি খরচের মাত্রা নির্ভর করে এর পরিবেশের ওপরও। যে পরিবেশে অসুস্থতা ও রোগসংক্রমণ বেশি এবং যারা খাবার থেকে কম পুষ্টি পায় সেই পরিবেশে দেহকে টিকে থাকার জন্য বেশি শক্তি খরচ করতে হয়।  এ কারণে তখন শরীর কম টেস্টোস্টেরন উৎপাদন করে। শরীরে কম টেস্টোস্টেরন উৎপাদনের হার আবার মানবশরীরের দীর্ঘস্থায়ী (ক্রোনিক) অসুস্থতার জন্য দায়ী।

    অন্যদিকে যারা বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত পরিবার এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগমুক্ত শৈশব কাটিয়ে বেড়ে উঠেছে তাদের টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বেশি থাকে। একইসঙ্গে সুস্থ থাকার জন্য তাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয় না বলে তাদের শরীরে বেশি টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসৃত হয় যা তাদের দ্রুত দীর্ঘ দৈহিক গড়নের অধিকারী করে তোলে। তবে ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে যাদের এই টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বেশি থাকে পরিণত বয়সে তাদের প্রোস্টেট ক্যান্সার ও অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে।