Category: আন্তর্জাতিক

  • ওজিলের সঙ্গে এরদোগানের ইফতারের ছবি ভাইরাল

    ওজিলের সঙ্গে এরদোগানের ইফতারের ছবি ভাইরাল

    আর্সেনালের জার্মান মিডফিল্ডার মেসুত ওজিলের সঙ্গে ইফতার করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। গেল শনিবার ইস্তানবুলে ইফতার করেন তারা।

    এদিন অটোমান যুগের দলমাবাহাস রাজপ্রাসাদে রাজকীয় ইফতার পার্টি হয়। এতে এরদোগানের টেবিলের একপাশে বসেন ওজিল ও তার বাগদত্তা এমিনে গুলসে। এ সময় হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায় তাদের। ইতিমধ্যে সেই ছবি ভাইরাল হয়ে যায়।

    শিগগির বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন ওজিল। দীর্ঘদিনের বান্ধবী গুলসের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধছেন তিনি। বহুল প্রতীক্ষিত এ বিয়েতে অতিথি হিসেবেও দেখা যেতে পারে এরদোগানকে। ইতিমধ্যে তুর্কি প্রেসিডেন্টের হাতে বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র তুলে দিয়েছেন ওজিল ও গুলসে। সবাই তুরস্কে ব্যাপক জনপ্রিয়। সেই ছবি নিয়েও সমালোচনা হয়।

    ওজিল জার্মানির হয়ে খেললেও জাতিতে তুর্কি। তার হবু স্ত্রীও তুর্কি বংশোদ্ভূত। পেশায় মডেল ও অভিনেত্রী গুলসে অবশ্য সুইডেনের নাগরিক।

    গেল বছর বর্ণবৈষম্য ও অসম্মানের অভিযোগ এনে জার্মান জাতীয় ফুটবল দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ওজিল। এর নেপথ্যেও ছিলেন এরদোগান।

    রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে তুরস্ক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ওজিল। পরে এর একটি ভিডিও ক্লিপ নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন তিনি। তাতে দেখা যায়, এরদোগানকে আর্সেনালের জার্সি উপহার দিচ্ছেন এ মিডফিল্ডার।

    বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেননি জার্মানরা। ডানপন্থী রাজনীতির কারণে এরদোগানের ভাবমূর্তি নিয়ে পশ্চিমাবিশ্বে প্রশ্ন আছে। এমন একজনের সঙ্গে ছবি তোলায় জার্মানদের মূল্যবোধ নষ্টের অভিযোগ তোলা হয় ওজিলের বিরুদ্ধে। তবু তাকে বিশ্বকাপের দলে রাখেন কোচ জোয়াকিম লো।

    বিপত্তিটি বাধে প্রথম রাউন্ড থেকে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা বিদায় নিলে। ব্যর্থতার দায় এসে পড়ে ওজিলের কাঁধে। ফলে উগ্র সমর্থকদের কাছ থেকে ঘৃণিত বার্তা হতে শুরু করে মৃত্যুর হুমকিও পান তিনি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে জাতীয় দল থেকে অবসর নেন ২৯ বছরের মিডফিল্ডার।

  • শেখ হাসিনাকে বরণ করতে অপেক্ষা করছে জাপান: রাষ্ট্রদূত

    শেখ হাসিনাকে বরণ করতে অপেক্ষা করছে জাপান: রাষ্ট্রদূত

     

    বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপান সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত হিরোয়াসু ঝুমি।

    সোমবার (২০ মে) সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

    আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও এগিয়ে যাবে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন জাপান সফর প্রসঙ্গে  রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ করে নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শিনঝো আবে ও জাপানের জনগণ ভীষণ আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

    শেখ হাসিনার আসন্ন সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের আড়াই বিলিয়ন ডলারের উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বলে অবহিত করেন রাষ্ট্রদূত।

    কয়লাভিত্তিক ১২০০ মেগাওয়াট মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের অগ্রগতিরও প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত।

    মহান বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের অব্যাহত অবদানের বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।

    সাক্ষাৎকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান প্রমুখ।

    শিনঝো আবের আমন্ত্রণে ২৮ মে (মঙ্গলবার) জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সফরকালে আবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এছাড়া তিনি আগামী ৩০-৩১ মে টোকিওতে ফিউচার এশিয়া সম্মেলনে অংশ নেবেন।

  • চুক্তি করে ঘুষ যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি গাড়ি ব্যবসা

    চুক্তি করে ঘুষ যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি গাড়ি ব্যবসা

    আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কম্পানি লিমিটেডের (এপিএসসিএল) ৪৫০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে স্পেনের দুটি কম্পানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ বিভাগের দুই কর্মকর্তা ৬৪ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন। তাঁরা হলেন অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ার হোসেন ও এপিএসসিএলের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী নূরুল আলম। ঘুষের টাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় কেনা হয়েছে দুটি বাড়ি, একটি ফ্ল্যাট ও দামি গাড়ি। গড়ে তোলা হয়েছে দুটি কম্পানি। ঘুষের টাকা স্পেন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নিতে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী সাইফুল ইসলাম নামের ওই প্রবাসীকে দেওয়ার কথা ছিল মোট টাকার ৫ শতাংশ (প্রায় তিন কোটি ২০ লাখ টাকা)। তবে যুক্তরাষ্ট্রে টাকা নেওয়ার পর তাঁকে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি।

    তিন হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৫০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণকাজ চলছে। স্পেনের সেই দুই কম্পানিই নির্মাণকাজ করছে। তবে ঘুষ নেওয়া সেই দুই কর্মকর্তার বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। উল্টো তাঁদের মধ্যে একজনকে পদোন্নতি দিয়ে সরকারের সবচেয়ে অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প রূপপুর পরমাণুবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কালের কণ্ঠ’র অনুসন্ধানে এ তথ্য জানা গেছে।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিষ্ঠান এপিএসসিএল ২০১২ সালের জুলাইয়ে ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দরপত্র আহ্বান করে। যৌথভাবে তিন হাজার ৪০০ কোটি টাকার কাজটি পায় স্পেনের দুই কম্পানি টেকনিকাস রিইউনিডাস ও টিএসকে ইলেকট্রনিক। স্পেনের এই দুই কম্পানিকে যৌথভাবে কাজ দেওয়ার জন্য অনিয়মের আশ্রয় নেন বিদ্যুৎ বিভাগের তৎকালীন যুগ্ম সচিব ও এপিএসসিএলের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ও এপিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী নূরুল আলম। বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে টেকনিকাস রিইউনিডাস ও টিএসকের কাছ থেকে তাঁরা পেয়েছেন ৮০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৪ কোটি টাকা)। আইনি জটিলতা এড়াতে সেই টাকা তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরই অংশ হিসেবে প্রবাসী সাইফুল ইসলামের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়। চুক্তির একটি কপি কালের কণ্ঠ’র হাতে এসে পৌঁছেছে।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাওয়া দুই স্প্যানিশ কম্পানি ২০১৪ সালের মার্চে ঘুষের অর্থ স্পেনের মাদ্রিদ থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকো শহরের ওয়েলস ফার্গো ব্যাংকে পাঠানো শুরু করে। ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৯২৮ ডলারের প্রথম চালানটি সেখানে পৌঁছে ওই বছরের ১০ মার্চ। সানফ্রান্সিসকোতে ওয়েলস ফার্গো ব্যাংকের লাদেরা ল্যাঞ্চ শাখায় এপিএসসিএলের তৎকালীন এমডি নূরুল আলমের ছেলে মাহফুজ আলমের অ্যাকাউন্টে সেই টাকা পাঠানো হয়। মাহফুজ আলম সে সময় সেখানে পড়াশোনা করতেন। তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ৫২৮৩৩১৬৬৮৪, যার সুইফট কোড নম্বর ছিল ডঋইওটঝ৬ঝ। এ অ্যাকাউন্টে প্রায় ২০ লাখ ডলারের প্রথম চালানটি পাঠানো হয়েছে স্পেনের ভিলাও ভিজকা (ইরষধঁ ঠরুপধ) ব্যাংকের মাধ্যমে। লেনদেনের চেক নম্বরটি যুক্তরাষ্ট্র ব্যাংক চেক রাউটিং নম্বর হিসেবে পরিচিত, এর নম্বর ছিল ১২১০০০২৪৮। চালানটি আসে মাদ্রিদের ১৩-এরাপ্লিস, ২৮০১৫-এ ঠিকানা থেকে। ঠিকানাটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাওয়া স্পেনের প্রতিষ্ঠান টেকনিকাস রিইউনিডাসের প্রধান দপ্তরের। টিএসকের প্রধান দপ্তরও স্পেনের মাদ্রিদে। ওয়েলস ফার্গো ব্যাংকে মাহফুজ আলমের আরেকটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে।

    ঘুষ নেওয়া দুই কর্মকর্তার পক্ষে মাহফুজ আলম স্পেন ও বাংলাদেশ থেকে ৮০ লাখ ডলার যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর অ্যাকাউন্টে নেওয়ার জন্য ২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সাইফুল ইসলামের সঙ্গে ওই চুক্তি করেন। টাকা আনতে পারলে মোট অর্থের ৫ শতাংশ তাঁকে কমিশন হিসেবে দেওয়ার চুক্তি হয়। তবে স্পেন থেকে অর্থের প্রথম চালানটি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর থেকেই সাইফুলের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন মাহফুজ। এরপর সাইফুল অর্থ চেয়ে বারবার যোগাযোগ করেও মাহফুজের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাননি। পরে পাওনা প্রায় তিন কোটি ২০ লাখ টাকা চেয়ে গত বছরের ২৭ মে সাইফুল উকিল নোটিশ দিয়েছেন মাহফুজ আলম ও তাঁর বাবা নূরুল আলমকে। সেই নোটিশেরও কোনো জবাব আসেনি।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঘুষের টাকা লেনদেন করতে মাহফুজকে প্রধান করে ক্যালিফোর্নিয়ায় এমজেডএ নামে একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান খোলা হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে স্পেনের দুই কম্পানি আশুগঞ্জের বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেখিয়ে অর্থ পাঠিয়েছে। স্পেনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আদালত থেকে ঘুষ লেনদেনের অপরাধ থেকে রেহাই পেতে টেকনিকাস রিইউনিডাস ও টিএসকে এই কৌশল নেয়।

    তবে বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ‘নূরুল আলম যেহেতু এপিএসসিএলের এমডি, সে কারণে তাঁর প্রতিষ্ঠানের কোনো উন্নয়নকাজের পরামর্শক তাঁর ছেলের হওয়ার সুযোগ নেই। এটি বেআইনি।’

    যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম মোবাইল ফোনে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মাহফুজ কানসালট্যান্সি বাবদ ৮০ লাখ ডলার আমেরিকায় আনার জন্য আমার সাহায্য চায়। সে বারবার আমাকে নিশ্চিত করেছে যে এই অর্থের মধ্যে বেআইনি কিছু নেই। এ কারণে আমি তাকে আমেরিকায় অর্থ আনার ব্যাপারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে শুরু করে সব কিছু করে দিয়েছি। সে তখন আমার সঙ্গে লিখিত চুক্তি করেছিল যে আমেরিকায় টাকা এনে দিলে সে আমাকে আট মিলিয়নের ৫ শতাংশ বা প্রায় চার লাখ ডলার দেবে। কিন্তু অর্থ আনার পর সে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আট মিলিয়ন ডলারই যুক্তরাষ্ট্রে এনেছে সে।’

    সাইফুল বলেন, “আট মিলিয়নের পুরোটাই যে ঘুষের টাকা তা আমি জানতে পারি ২০১৫ সালের ২৫ মে। সেদিন কালের কণ্ঠে ‘সরকারি কর্মকর্তার ছেলের যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাকাউন্টে গেছে ১৬ কোটি, বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাইয়ে দিতে ৪৮ কোটি টাকা ঘুষ’ শিরোনোমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেটি পড়ার পর পুরো বিষয়টি আমার কাছে পরিষ্কার হয়। এরপর আমি তাদের উকিল নোটিশ দিয়ে জানিয়েছি যে আমার কাছে তথ্য গোপন করে ঘুষের টাকার জন্য কেন আমাকে তারা ব্যবহার করল। আমার কাছে তাদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য রয়েছে। প্রয়োজনে আমি যুক্তরাষ্ট্রের সব পর্যায়ের গোয়েন্দা সংস্থাকে বিষয়টি জানাব।”

    প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে কালের কণ্ঠ দীর্ঘদিন অনুসন্ধান চালিয়েছে। এর সূত্র ধরেই ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছিল।

    অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, সাইফুলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে মাহফুজ ক্যালিফোর্নিয়ার আরেক প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ করিমের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। করিমের বাড়ি রাজশাহী। ঘুষের টাকায় মাহফুজ দুটি কম্পানি খুলেছেন ক্যালিফোর্নিয়ায়। একটির নাম এমজেডএ কনসালটিং, আরেকটি এমজেডএটিআরকে হোল্ডিং এলএলসি। এ ছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ায় দুটি বাড়ি, একটি ফ্ল্যাট ও দামি ব্র্যান্ডের গাড়িও কিনেছেন তিনি।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মাহফুজ ক্যালিফোর্নিয়ার ৭৪৯ ডাব্লিউ উডক্রেস্ট এভিনিউয়ে এক হাজার ১০৯ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন তিন লাখ ৮৮ হাজার ৫০০ ডলার (প্রায় তিন কোটি ১০ লাখ টাকা) দিয়ে। ১২৬২৪ ট্যানফ্লিড ড.-এ ঠিকানায় একটি বাড়ি কিনেছেন তিন লাখ ৭২ হাজার ডলারে (প্রায় দুই কোটি ৯৭ লাখ টাকা)। বুয়েনা পার্কের ৮৩২০ ডাল স্ট্রিটে একটি বাড়ি কিনেছেন তিন লাখ ৯৫ হাজার ডলারে (প্রায় তিন কোটি ১৬ লাখ টাকা)। নতুন নতুন মডেলের দামি গাড়িও কিনছেন। এর মধ্যে গত ডিসেম্বরে কিনেছেন মার্সিডিজ বেঞ্জের সিএলএ ক্লাস মডেলের একটি গাড়ি।

    আনোয়ার হোসেন বর্তমানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব। ঘুষের টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে সম্প্রতি তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অনেক দিন আগের কথা, মুখস্থ বলা কঠিন। দেখলে বলতে পারব কী অবস্থা।’ তবে গত বছর কালের কণ্ঠ’র প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় তিনি বলেছিলেন, ‘এ রকম কোনো লেনদেনের কথা আমার জানা নেই। এ অভিযোগ ঠিক না।’ আর নূরুল আলম অবসরে গেছেন। তাঁর বর্তমান অবস্থান জানা যায়নি। ঘুষের অভিযোগ সম্পর্কে এর আগে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেছিলেন, ‘আমি এর সঙ্গে যুক্ত নই। সারা জীবনে একবার গেছি যুক্তরাষ্ট্রে। আমার ছেলে সেখানে পড়াশোনা করে। আর আপনি যদি আমাকে ব্যাংকের কাগজটি দেখাতে পারতেন, তাহলে বুঝতে পারতাম যার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সে আসলে কে।’

    যেভাবে প্রকল্পটি পাশ হলো : এপিএসসিএলের ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ২০১২ সালের জুলাই মাসে দরপত্র আহ্বান করা হয়। কাজ করতে দুই হাজার ২২৬ কোটি টাকার কথা উল্লেখ করে টেকনিকাস রিইউনিডাস ও টিএসকে ইলেকট্রনিক। কিন্তু শুরু থেকেই দরপত্রে প্রয়োজনীয় অনেক কাগজ ও তথ্য দেয়নি বলে অভিযোগ ওঠে ওই দুটি কম্পানির বিরুদ্ধে। অন্যদিকে ১২ কোটি টাকা বেশি দামে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব দেয় চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চীন ন্যাশনাল টেকনিক্যাল ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন (সিএনটিআইসি)। এদের দর ছিল দুই হাজার ২৩৮ কোটি টাকা। সিএনটিআইসির দেওয়া দরপত্রে কোনো ত্রুটি না থাকলেও ১২ কোটি টাকা কম দরদাতা দেখিয়ে টেকনিকাস রিইউনিডাস ও টিএসকে ইলেকট্রনিকসকে কাজ দেওয়া হয়। এর কারণ হিসেবে জানা যায়, চীনের সরকারি কম্পানির কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার সুযোগ নেই। অন্যদিকে স্পেনের দুই কম্পানি বেসরকারি হওয়ায় তাদের কাছ থেকে ৬৪ কোটি টাকা ঘুষ সহজেই আদায় করে নিতে পারেন মো. আনোয়ার হোসেন ও নূরুল আলম। এ কাজে তখন তাঁদের সহায়তা করেছিলেন প্রকল্প পরিচালক ক্ষিতীশ কর্মকার।

    জানা গেছে, আশুগঞ্জে ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ দুই হাজার ২২৬ কোটি টাকায় দেওয়া হলেও পরে তা বাড়িয়ে তিন হাজার ৪০০ কোটি টাকা দেখানো হয়। অথচ বাংলাদেশের পিপিআর (পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট) অনুযায়ী, চূড়ান্ত দর অনুমোদনের পর আপসরফার কোনো সুযোগ নেই। এ অনিয়মের ফলে বাংলাদেশের এক হাজার ২০০ কোটি টাকা ক্ষতি হলেও মাঝখান থেকে দুই কর্মকর্তার পকেটে গেছে ঘুষের ৬৪ কোটি টাকা।

    অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, আশুগঞ্জ ৪৫০ মেগাওয়াটের এ বিদ্যুৎকেন্দ্রে নির্মাণ প্রকল্পটি ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগে পাঠানো হলে ২০১৩ সালের নভেম্বরে প্রয়োজনীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না থাকার বিষয়টি নজরে আসে। ভেটিংয়ে না দেওয়া প্রয়োজনীয় তথ্যের মধ্যে রয়েছে—কেন্দ্রের ড্রয়িং, দরপত্র ফরম, টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন পেপারস। এ ছাড়া কেন্দ্র নির্মাণে কোনো সমস্যা দেখা দিলে আরবিট্রেশন বা সালিসি কী প্রক্রিয়ায় হবে সে ব্যাপারটিও অস্পষ্ট রয়েছে। এ ছাড়া ভেটিংয়ে পাঠানো কাগজপত্রে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ও প্রতিমন্ত্রী কারোরই কোনো সই ছিল না। উভয় স্থানে স্বাক্ষর করেছেন বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আনোয়ার হোসেন। স্বাক্ষর না থাকার কারণ হিসেবে সেখানে লেখা রয়েছে, সচিব ও প্রতিমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকায় তাঁদের স্বাক্ষর পরে নেওয়া হবে। কিন্তু পরে তাঁদের স্বাক্ষর আর নেওয়া হয়নি। প্রকল্প পাস হয়ে কেন্দ্র নির্মাণের কাজ এখন শেষের দিকে। এখনো সচিব ও প্রতিমন্ত্রীর স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি।

    জানা গেছে, মন্ত্রণালয় প্রভাব খাটিয়ে তৎকালীন অতিরিক্ত সচিব ও এপিএসসিএলের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন প্রকল্পটি যথাযথ কাগজপত্র ছাড়াই পাস করিয়ে নেন। এ ছাড়া দরপত্রে অংশ নেওয়া অন্যান্য কম্পানির কাগজপত্রও মূল ফাইল থেকে গায়েব করা হয়েছে।

    এ নিয়ে ২০১৫ সালের ২৫ মে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাইয়ে দিতে ঘুষ লেনদেন বিষয়ে কালের কণ্ঠে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওই দিন বিকেলেই উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। তবে ৩০ দিনের মধ্যে কমিটির প্রতিবেদন দেওয়ার কথা থাকলেও সাত মাস পেরিয়ে গেলেও এ বিষয়ে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই। ইতিমধ্যে কমিটির প্রধান পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য আরাস্তু খান অবসরে গেছেন। বাকিরাও আর কোনো বৈঠক করছেন না। যুক্তরাষ্ট্র থেকে টাকা ফেরানো তো দূরের কথা, অভিযুক্তদের এখনো কমিটির মুখোমুখি করতে ব্যর্থ হয়েছেন কমিটির সদস্যরা। এমনকি প্রকল্প পরিচালক ক্ষীতিশ কর্মকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

    জানা গেছে, কালের কণ্ঠে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তড়িঘড়ি করে নূরুল আলমকে পেনশনের অর্থ তুলে দিতে সহায়তা করেন আনোয়ার হোসেন ও এপিএসসিএলের ভারপ্রাপ্ত এমডি সাজ্জাদুর রহমান।

    তদন্ত কমিটির কার্যক্রমে স্থবিরতার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে কমিটির সদস্য এনার্জি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আহমেদ কায়কাউস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তদন্ত কমিটির প্রধান আরাস্তু খান অবসরে যাওয়ায় কিছু সমস্যা হয়েছে। নূরুল আলম পলাতক থাকায় তাঁকেও পাওয়া যাচ্ছে না। তবে পুলিশের কাছে বিষয়টি জানানোর পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের জানানো হয়েছে, পুলিশের বিশেষ শাখা খতিয়ে দেখছে নূরুল আলম দেশে আছেন না দেশের বাইরে।’

    এ বিষয়ে কথা বলতে নূরুল আলমের ছেলে মাহফুজ আলমের ফেসবুক ঠিকানায় ইনবক্স মেসেজ দেওয়া হয়। তিনি তাঁর উত্তর না দিয়ে বরং এ প্রতিবেদককে ব্লক করে দেন।

  • বাংলাদেশসহ দেশ-বিদেশে ৩৫০টি বিয়ে করেছেন তিনি!

    বাংলাদেশসহ দেশ-বিদেশে ৩৫০টি বিয়ে করেছেন তিনি!

    গুনে গুনে সাড়ে তিনশ নারীর সঙ্গে প্রেম করছেন। প্রেমিক হিসেবে তিনি পাক্কা। প্রেম করেই ক্ষান্ত দেননি, সবাইকে বিয়ের ফাঁদেও ফেলেছেন। নাম তার কে ভেঙ্কট রত্না রেড্ডি। বাড়ি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে।

    পুলিশের বরাত দিয়ে রেড্ডি নামের সেই ব্যক্তির তিন শতাধিক বিয়ের খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডেইলি হান্ট। রেড্ডি নামের ওই ভারতীয় পুরুষের ‘স্ত্রীরা’ বিভিন্ন দেশের। কেউ ভারতীয়, কেউবা বাংলাদেশি, কেউ আমেরিকান অথবা অন্য কোনো দেশের।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেড্ডি নামের ওই পুরুষ মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে আলাপ জমাতেন নারীদের সঙ্গে। ফলে খুব অল্পদিনের মধ্যেই নারীরা তার প্রেমে পড়ে যেতো। তার ইংরেজি দক্ষতা এত ভালো যে মেয়ে এবং মেয়ের পরিবার অভিভূত হয়ে যেত।

    তবে প্রেম করেই তার এই ছলনার গল্প শেষ হতো না। প্রেমে পড়া নারীকে বিয়ে করতেন তিনি। এভাবে ভারতেই তিনি শতাধিক বিয়ে করেন। শেষে বিজনেস ভিসা যোগাড় করে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।

    ডেইলি হান্ট তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতে বেশকিছু তরুণীকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করার পর যুক্তরাষ্ট্রের পাড়ি দেন স্নাতক পাস না করেও ইংরেজিতে কথা বলতে পারদর্শী এই ভারতীয়। সেখানে শুরু হয় তার বিয়ে ‘উদযাপন’।

    নানান কৌশল করে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর দেশটির একটি বিখ্যাত ম্যাট্রিমনিয়াল সাইটে (বিয়ে সংক্রান্ত ওয়েবসাইট) ভেঙ্কট তার প্রোফাইল আপডেট করেন। তারপর থেকেই তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব আসতে থাকে।

    যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর দেশটিতে বসবাসরত একজন ভারতীয় প্রবাসী নারীকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখান। তাকে বিয়েও করেন কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মাথায় ‘স্ত্রীর’ কাছ থেকে ২০ লাখ রুপি হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান। এভাবে সেখানেও অনেক মেয়েকে ফাঁদে ফেলেন ভেঙ্কট।

    তবে দীর্ঘদিন ধরে এসব করলেও তিনি ছিলেনে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েন এই ভারতীয়। তাকে গ্রেফতারের পর পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে যে, তার স্ত্রীর সংখ্যা ৩৫০। গোটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তার ‘স্ত্রী’ আছে।

  • বিবাহিত ক্যাথলিকরা এখন ধর্মযাজক হতে পারবেন: পোপ ফ্রান্সিস

    বিবাহিত ক্যাথলিকরা এখন ধর্মযাজক হতে পারবেন: পোপ ফ্রান্সিস

    রোমান ক্যাথলিক চার্চে যাজকদের স্বল্পতার কারণে বিবাহিত ক্যাথলিকরা এখন থেকে ধর্মযাজক হতে পারবেন, এমন সিদ্ধান্তের ইশারা দিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস। পোপ ফ্রান্সিস জার্মান এক সংবাদ পত্রিকার কাছে দেওয়া একান্ত সাক্ষাতকারে একথা জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন।

    পোপ ফ্রান্সিস বলেন, ক্যাথলিক ধর্মযাজকের অভাব রোমান ক্যাথলিক চার্চের জন্য বড় রকমের সমস্যা।এ জন্য প্রচলিত নিয়মের পরিবর্তন আসতে পারে।

    তিনি বলেন, আমাদের বিবেচনা করতে হবে ‘ভিরি প্রবাতি’(ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ অবিশ্বাস্য রকমের বিশ্বাসী এবং বিবাহিত মহৎ মানুষ) সম্ভব কিনা, যদি সম্ভব হয় তাহলে প্রত্যন্ত এলাকার জন্য তাদের দায়িত্ব কী হওয়া দরকার তা নির্ধারণ করতে হবে।

    পোপ বলেন, এই সুযোগে যারা এরইমধ্যে বিয়ে করেছেন, তারা ধর্মযাজক হতে পারবে। কিন্তু অবিবাহিত ধর্মযাজক আর বিয়ে করতে পারবে না।স্বেচ্ছায় কৌমার্য পালন কোন সমাধান হতে পারে না বলে দাবি করেন পোপ।

    ক্যাথলিক চার্চ এরইমধ্যে কয়েকজন বিবাহিত ধর্মযাজককে চার্চে নিয়োগ করেছেন। স্ত্রীর অনুমতিক্রমে একজন  প্রটেস্টান বিবাহিত যাজক চাইলেই পরিবর্তীত হয়ে বিবাহিত অবস্থায় রোমান ক্যাথলিক যাজক হতে পারবেন।পূর্বদেশীয় ক্যাথলিক চার্চগুলো রোমান ক্যাথলিক চার্চের সাথে আলোচনা করে বিবাহিত পাদ্রি নিয়োগের ধারা অব্যাহত রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন পোপ ।

    বাইবেলের উপর নির্ভর করে রোমান ক্যাথলিকরা বিশ্বাস করে, পাদ্রিদের বিয়ে করা উচিত না। তারা বিশ্বাস করে যীশু খ্রিস্টের মত তাদেরও কৌমার্য পালন করতে হবে।

  • গ্রুপ উধাও হওয়ার নেপথ্যের কারণ জানাল ফেসবুক

    গ্রুপ উধাও হওয়ার নেপথ্যের কারণ জানাল ফেসবুক

    হুট করেই গত ১৩ মে থেকে ফেসবুকের বড় বড় কিছু গ্রুপ উধাও হতে শুরু করে। কিন্তু ঠিক সেসময় কেন এই গ্রুপগুলো তখন কেন চলে গিয়েছিল, তার সঠিক ব্যাখ্যা তখন কেউ দিতে পারেনি। তবে এই ঘটনা যে শুধু বাংলাদেশে ঘটেছিল, এমনটি নয়; একই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ধরনের গ্রুপও উধাও হয়ে যায়। গ্রুপগুলো কেন এভাবে উধাও হয়ে যাচ্ছে, তার কারণ জানতে অনেকেই ফেসবুকের কাছে ইমেইল করেন। কিন্তু ফেসবুক তখন কিছুই জানায়নি। এতদিন পর অবশেষে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ গ্রুপগুলো উধাও হওয়ার কারণ জানিয়েছে ।

    প্রযুক্তি সাইট ভার্জের কাছে মাধ্যমটির এক মুখপাত্র জানিয়েছে, গ্রুপগুলো ‘সাবোটাজ’ হয়েছিল। তবে এই ঘটনার পিছনে কারা জড়িত, সে সম্পর্কে কিছুই জানায়নি। কর্তৃপক্ষ বলছে, হঠাৎ করেই তারা দেখতে পায় বিভিন্ন গ্রুপ ফেসবুকের নীতিমালা ভঙ্গ করে এমন কনটেন্ট প্রকাশ করার অভিযোগ তাদের কাছে আসে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে ফেসবুক দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রুপগুলো বন্ধ করে দেয়। একইসঙ্গে তারা গ্রুপের অ্যাডমিনদের অ্যাকাউন্টও নিষ্ক্রিয় করে দেয়। পরে ফেসবুক জানতে পারে, এই কাজটি গ্রুপ সংশ্লিষ্ট কেউ করেনি বরং কোনো দুর্বৃত্তরা করেছে। তাই ফেসবুক একে ‘সাবোটাজ’ বলছে । এরপর নিজেরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে।

    ইতোমধ্যে তারা বেশিরভাগ গ্রুপ এবং অ্যাডমিনদের অ্যাকাউন্টও ফেরত দিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে যেন কোনো গ্রুপ সাবোটাজের শিকার না হয়, সেজন্য ফেসবুক কড়া ব্যবস্থাও নেবে।

    দ্য ভার্জ বলছে, জনপ্রিয় মিম অ্যাকাউন্ট ক্রসওভার্স নো বডি আস্কড ফর (সিএনএএফ) বন্ধ হওয়ার পর সাবোটাজের বিষয়টি প্রথম ফেসবুকের নজরে আসে। এর পেছনে ইন্দোনেশিয়ান রিপোর্টিং কমিশন (আইআরইসি) নামের একটি গ্রুপের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। আইআরইসি আপত্তিকর কনটেন্ট পোস্ট করার পর একযোগে অনেকে অভিযোগ দিয়ে জনপ্রিয় গ্রুপটি বন্ধ করে দেয় । এ ঘটনার পর অনেকেই ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেন। তারা এ সময় ফেসবুকের মডারেশন প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এর বেশ কিছুদিন ১৩ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে পুরো বাংলাদেশ থেকেও জনপ্রিয় অনেক ফেসবুক গ্রুপ বন্ধ হয়ে যায়। একইসঙ্গে তখন তাদের অ্যাডমিনদের অ্যাকাউন্টও নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।

    যেসকল গ্রুপ তখন বন্ধ হয়ে যায় তার মধ্যে রয়েছে- আপওয়ার্ক বাংলাদেশ, সার্চ ইংলিশ, উই আর বাংলাদেশ, এভারগ্রিন বাংলাদেশ, ভয়েজ অব রাইটস, উই আর বাংলাদেশ, ডিয়ার এক্স, গেমভার্সি, ক্রিকেটখোর, ফুটবল মানিয়া, ফুটবল কর্নার, মজা লস?, জবস বাংলাদেশ, আমরা সিলেটি, ভাইরাল স্ক্রিনশট, ব্রাজিল ফ্যান্স অফিসিয়াল গ্রুপ অব বাংলাদেশ টিএম, কোটা সংস্কার চাই (বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ), ইসলামিক অনলাইন একাডেমি, সাকিব খানের অফিসিয়াল গ্রুপ, হিমু পরিবারসহ অন্যান্য।

  • নির্বাচনে নেমে ফেঁসে যাচ্ছেন সানি দেওল

    নির্বাচনে নেমে ফেঁসে যাচ্ছেন সানি দেওল

    বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই তিনি নতুন করে শিরোনামে আসেন। অভিনেতা থেকে রাজনীতির যাত্রাটা যে মোটেই সহজ হবে না পদে পদে টের পাচ্ছেন সানি দেওল। গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পরই বিরোধীদের আক্রমণের শিকার হন তিনি। তবে সবকিছুতে কর্ণপাত না করে নির্বাচনী প্রচারে লেগে পড়েছেন অভিনেতা সানি দেওল। পঞ্জাবের গুরুদাসপুর থেকে লড়তে চলেছেন তিনি। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তিনি নাকি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।

    গত শুক্রবার রাতে পাঠানকোটে তিনি একটি জনসভা করেন। মাইক বাজিয়ে জনসভা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হঠাৎ রাতে কেন তিনি জনসভার করলেন তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। ওই জনসভায় ২০০-র বেশি মানুষের জমায়েত হয়েছিল। তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।

    নির্বাচন কমিশন ৪৮ ঘন্টা আগেই নির্বাচনী প্রচার বন্ধ করে দিয়েছিল। বন্ধ করে দেওয়ার পরও কি করে তিনি জনসভা করেন? এমন প্রশ্ন উঠেছে বিরধী শিবির থেকে। এ ঘটনায় অভিনেতা ফেঁসে যেতে পারেন বলে ধারণা করছেন দেশটির আম জনতা।

  • আমার জীবনে প্রত্যেকটা অধ্যায় খুব কৌতুহলের- সালমান খান

    আমার জীবনে প্রত্যেকটা অধ্যায় খুব কৌতুহলের- সালমান খান

    বলিউডের তিনি ভাইজান। কিন্তু তার জীবনেই এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে যেগুলো তিনি কখনও মুছেতে চান না। কারণ এই ঘটনাগুলিই নাকি তাকে আজকের সুলতান বানিয়েছেন। সম্প্রতি সালমান খান জানিয়েছেন, ‘আমার জীবনে প্রত্যেকটা অধ্যায় খুব কৌতুহলের। এটাও ঠিক ওই অধ্যায়গুলির মধ্যে বেশকিছু ঘটনা যদি না ঘটত আমার জীবনে তাহলে হয়তো আজকে আমি এই জায়গায় পৌছাতে পারতাম না। আমার জীবনে যা ঘটেছে সেটাই আমাকে এই জায়গাতে টেনে এনেছে।’

    ‘ভারত’ তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন সিনেমা বলেও জানিয়েছেন সুলতান। তিনি জানিয়েছেন, ‘এই সিনেমাটি খুব কঠিন ছিল আমার জন্য। ‘সুলতান’র থেকেও কঠিন। কারণ কখনও ওজন বাড়াতে হয়েছে আবার কখনও কমাতে হয়েছে। কখনও বুড়ো হয়েছি আবার কখনওবা যুবক হয়েছি। চুল কাঁচা হয়েছে আবার পাকা করতেও হয়েছে।’

    ‘ভারত’-এ সালমানকে ৭০ বছরের বৃদ্ধের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। এ বিষয়ে সুপারস্টারের কোনো অভিযোগ ছিল? এমন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তিনি নিজেই।

    ‘না, এই চরিত্রটিতে আমি অন্য মেজাজে অভিনয় করেছি। পাকা চুল, দাড়ি রেখেছি। বয়সটা ৭০ বছর হতেই পারে কিন্তু দেখে মনে হবে ৪০ বছরের যুবক। তার নিজস্ব স্টাইল আছে, নেশা আছে চিন্তাভাবনা আছে পুরোটাই যুবকদের মতো। সিনেমাটিতে আমরা সবকিছু দিয়েছি। এটা আমরা দর্শকদের জন্য বানিয়েছে সমালোচকদের জন্য নয়। অনেক লড়াই, সংগ্রাম ও মজার ঘটনা আছে এই সিনেমাতে। একজন সাধারণ ঘরের মানুষের লড়াইয়ের ঘটনা উঠে আসবে এতে।’-জানিয়েছেন সালমান খান।

  • এবার টুইটারেও নিষিদ্ধ মিয়ানমার সেনাপ্রধান

    এবার টুইটারেও নিষিদ্ধ মিয়ানমার সেনাপ্রধান

    মিয়ানমার সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের টুইটার একাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এর আগে তার ফেসবুক একাউন্ট ব্যান করে দিয়েছিল ফেসবুক। ইন্টারনেটে ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগ তুলে এবার তার টুইটার একাউন্টও ব্যান করা হল। এ খবর দিয়েছে আরএফএ।

    মিন অং হ্লাইং কে বলা হয়ে থাকে ২০১৭ সালে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরিচালনা করা গণহত্যার প্রধান পরিকল্পনাকারী। ওই ঘটনার পরই প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। টুইটারে থাকা তার @sgminaunghlaing নামের একাউন্টটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এর ৯ মাস আগে আরেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান ফেসবুকও মিন অং কে ব্যান করেছিল। তার বিরুদ্ধে ফেসবুক মিয়ানমারের ক্ষুদ্র জাতিগুলোর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগ এনেছিল।

    এর আগে বার্মিজ রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় টুইটারের পরিচালকদের কাছে মিন অং এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তাতে সংগঠনটি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঘৃণাবাচক কথা বলার অভিযোগ আনেন। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই মিন অং এর টুইটার ব্যান করা হয়। বার্মিজ রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশন এর প্রধান তুন খিন দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ফেসবুকের মত টুইটারও মিন অং হ্লাইং এর একাউন্ট নিষিদ্ধ করেছে। এটি রোহিঙ্গাদের জন্য বিশাল জয়। রোহিঙ্গা গণহত্যার প্রধান পরিকল্পনাকারী এই মিন অং হ্লাইং। এ বিষয়ে টুইটারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের মুখপাত্র জানায়, নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে আমরা কোনো নির্দিষ্ট ব্যাক্তির বিষয়ে কথা বলতে পারি না।

  • কাল খুলে দেওয়া হবে কুয়েতে দৃষ্টিনন্দন বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু

    কাল খুলে দেওয়া হবে কুয়েতে দৃষ্টিনন্দন বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু

    কাল বুধবার খুলে দেওয়া হবে কুয়েতে দৃষ্টিনন্দন বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু শেখ জাবের কসওয়ে।

    কুয়েত সিটি থেকে সুবাইয়া ও বুবাইয়ান নামে দেশটির উপকূলীয় শহরের সঙ্গে যুক্ত হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ দীর্ঘ এ সেতুটি।

    আগামীকাল বুধবার (১ মে) সকাল ১০ টায় দেশটির আমীর শেখ সাবাহ আহমদ জাবের আল সাবাহ এ সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন ঘোষণা করিবেন।

    বিশ্বের দীর্ঘতম এই সেতু নির্মাণে খরচ হচ্ছে ২.৬ বিলিয়ন ডলার।

    সেতুর দুই পাশে দুই বন্দর, প্রশাসন ভবন ও দর্শক কেন্দ্র সব মিলে ১৫ লাখ বর্গমিটার জমির উপর এটি নির্মিত ।

    সেতুটির নাম দেয়া হয়েছে শেখ জাবের কসওয়ে। দক্ষিণ কোরিয়ার হুন্দাই ইঞ্জিনিয়ারি এন্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এটি নির্মাণ করছে। ৬ বছর লাগছে সেতুটি নির্মাণ করতে। সেতুটির মোট দৈর্ঘ হচ্ছে ৪৮.৫৩ কিলোমিটার যা চীনের কিনডাওয়ের হাইওয়ান সেতুর চেয়ে ৭ কিলোমিটার বেশি দীর্ঘ।

    আশাকরা হচ্ছে সেতুটি কুয়েতের অর্থননৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখিবে।