Category: আন্তর্জাতিক

  • কার কাছে দাড়ি কামালেন শচীন?

    কার কাছে দাড়ি কামালেন শচীন?

    ভারতে ক্রিকেট যদি ধর্ম হয় তবে সেই ধর্মের গুরু হলেন শচীন টেন্ডুলকার। ভারতীয় হিবেবে কিংবদন্তী ক্রিকেটার সম্পর্কে যতই জানা যায় ততই তার ভক্ত হতে বাধ্য।

    সম্প্রতি আরো একটি আশ্চর্যজনক কাজ করে বসলেন তিনি। নারী নাপিতের কাছে দাড়ি কামালেন ক্রিকেটের মাস্টার ব্লাস্টার শচীন টেন্ডুলকর। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তার একটি ছবি দিয়ে তার অসংখ্য ভক্তদের বললেন এই জিনিসটা আমরা কখনই কল্পনা করতে পারি না।

    বিশ্ব ক্রিকেটের প্রায় সমস্ত রেকর্ডের অধিকারী শচীন ছবিটি স্টপো করে ক্যাপশন দিয়েছেন, যার বাংলা অর্থ ‘আমার কাছে এটাই প্রথম। আপনারা হয়তো জানেন না কিন্তু আমি এর আগে কখনও এমন ব্যক্তির কাছে শেভ করিনি। সেই রেকর্ডটা আজ ভেঙে চুড়মার হয়ে গেছে। সেলুনে নারী নাপিতের সাথে সাক্ষাত হওয়াটা সত্যিই সম্মানের।’

    ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে একটি বিউটি পার্লারে বসে নেহা নামে এক নারীর কাছে নিজের দাড়ি কামাচ্ছেন শচীন। পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন আরেক নারী-যার নাম জ্যোতি। আর এই ছবিটির মধ্যে দিয়েই তিনি হয়তো বোঝাতে চাইছেন যে এমন কোনো কাজ নেই যা নারীরা করতে পারেন না।

    শুক্রবার ছবিটি পোস্ট করার পরই শচীনকে শ্রদ্ধায় ভরিয়ে দিয়েছেন তার ভক্তরা।

    নেহা ও জ্যোতি-সম্পর্কে দুই বোন। উত্তরপ্রদেশের বনওয়ারি টোলা গ্রামে তাদের বাসিন্দা। তাদের বাবা অসুস্থ হয়ে পড়ায় ২০১৪ সালে এই সেলুনটির দায়িত্ব নেয় তারা। কিন্তু নারী হওয়ার কারণে অনেক পুরুষই সেখানে চুল বা দাড়ি কাটাতে দ্বিধাবোধ করতেন। ফলে একদিকে বাবার চিকিৎসা অন্যদিকে সংসার চালানো-এই দুইটি বিষয়কে মাথায় রেখে দুই জনেই পুরুষ পোশাক ও পুরুষ নাম রাখা শুরু করলেন। এরপরই শুরু হল নতুন পথ চলা। অল্পবয়সী দুই নারীর এই সংগ্রামকে সম্মান জানিয়ে এগিয়ে আসে জিলেট ইন্ডিয়া। তাদের সংগ্রামের কাহিনী নিয়ে একটি বিজ্ঞাপন চিত্রও প্রকাশ করে জিলেট ইন্ডিয়া। আর এরপরই নেতা-জ্যোতিকে অতি বড় নিন্দুকরাও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে।

    একমাত্র ইউটিউবেই ভিডিওটি দেখা হয়েছে ১.৬ কোটির বেশিবার। আর ওই ভিডিও দেখার পরই তাদের কাছে দাড়ি কাটার সিদ্ধান্ত নেন শচীন। আর শচীনের পোস্ট করা ছবিটিতে লাইক পড়েছে ৭ লাখ।

    নেহা ও জ্যোতির পড়াশোনার খরচ মেটানো ও তাদের জীবিকার যাবতীয় সরঞ্জাম কেনার জন্য জিলেট স্কলারশিপ তুলে দিলেন টেন্ডুলকার।

  • পাঞ্জাবের বিপক্ষে বোলিংয়ে কলকাতা, কি সমীকরণের সামনে দুই দল?

    পাঞ্জাবের বিপক্ষে বোলিংয়ে কলকাতা, কি সমীকরণের সামনে দুই দল?

    রাউন্ড রবিন লিগ প্রায় শেষের পথে। তবে একমাত্র রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু ছাড়া কোনো দলই ছিটকে পড়েনি প্লে-অফের লড়াই থেকে।

    প্লে-অফে নাম লেখাতে হলে সেরা চার দলের মধ্যে থাকতে হবে। কলকাতা নাইট রাইডার্স আর কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব দুই দলের সামনেই আজ সেই সুযোগ। যে দল জিতবে, তাদের সেরা চারে উঠার সম্ভাবনা থাকবে। এমন সমীকরণের ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।

    দুই দলই সমান ১২টি করে ম্যাচ খেলেছে। সমান ৫টি করে জয়ে ১০ পয়েন্ট উভয়েরই। যে দল এই ম্যাচে জিতবে, তাদের পয়েন্ট হবে ১২। আর এখন পয়েন্ট তালিকার চার নাম্বারে থাকা সানরাইজার্স হায়দরাবাদেরও ১২ পয়েন্ট।

    জেতার পরও অবশ্য সমান পয়েন্ট হওয়ায় রানরেটের হিসেব চলে আসবে, সে জায়গায় দুই দলের মধ্যে কিছুটা এগিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তাদের রানরেট ০.১, পাঞ্জাবের -০.২৯৬। আর হায়দরাবাদের রানরেট ০.৬৫৩।

    পাঞ্জাব একাদশ : ক্রিস গেইল, লোকেশ রাহুল, মায়াঙ্ক আগারওয়েল, নিকোলাস পুরান, মানদ্বীপ সিং, স্যাম কুরান, রবিচন্দ্রন অশ্বিন (অধিনায়ক), মুরুগান অশ্বিন, অ্যান্ড্রু টাই, মোহাম্মদ শামি, অর্শ্বদীপ সিং।

    কলকাতা একাদশ : ক্রিস লিন, শুভমান গিল, রবিন উথাপ্পা, নিতিশ রানা, দিনেশ কার্তিক (অধিনায়ক), আন্দ্রে রাসেল, রিঙ্কু সিং, সুনিল নারিন, পিযুশ চাওলা, হ্যারি গার্নে, সন্দ্বীপ ওয়ারিয়র।

  • ফণীর তাণ্ডবে ভবন পুড়ে ছাই

    ফণীর তাণ্ডবে ভবন পুড়ে ছাই

    ১৭৫ কিলোমিটারের বেশি গতির বাতাসের শক্তি নিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিকে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। ফণীর প্রাথমিক তাণ্ডবে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পশ্চিম মেদিনীপুর শহরের একাংশ তছনছ হয়ে পড়েছে। ২৪ পরগনায় তীব্র বাতাসের সময় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে একটি বাড়ি। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    তুমুল ঝড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে ওপর একটি বাড়ির ওপর। এতে সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায় বাড়িটিতে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় দ্বিতল এই বাড়ি। ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে ফসল বাঁচাতে ধান কেটে ঘরে তুলে রেখেছিলেন। আগুনে সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। আগুনে পুড়ে যায় ঘরে মজুত করা ধান। তবে ঘটনার সময়, বাড়িতে কেউ না থাকায়, কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

    বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, ঘূর্ণিঝড় ফনি ভারতের ওড়িশা উপকূল ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আকারে অবস্থান করছে। খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এলাকায় পৌঁছাতে পারে শুক্রবার মধ্যরাত নাগাদ। খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আজ সকাল থেকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণীর অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব শুরু হয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্রগ্রাম, নোয়াখালী, ললক্ষ্মীপুর, ফেনী,চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা,পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি,বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪ -৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস প্লাবিত হতে পারে।

  • ঝড়ের নাম ‘ফেনী না ফণী’ এই তর্কে দুই পক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত ৯

    ঝড়ের নাম ‘ফেনী না ফণী’ এই তর্কে দুই পক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত ৯

    ঝড়ের আতঙ্কে যখন মানুষ ভীত তখন অহেতুক বিষয় নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে একদল যুবক। তখন ভারতের মধ্য প্রদেশের রামপুরা শহরে এক চায়ের দোকানে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের নাম সঠিক কি? ফেনী? না ফণী? এই তর্ক করতে করতে দুই ভাগ হয়ে যায় চায়ের দোকানের লোকজন। তারপর তর্ক বাড়তে থাকে, এক পর্যায়ে বেধে যায় সংঘর্ষ। আর এতেই আহত হয়েছে নয়জন যুবক।

    এদিকে এই যুবকেরা যখন অহেতুক ব্যাপার নিয়ে সংঘর্ষ করছে, তখন ভারতে আঘাত হেনেছে ফণী। ঘূর্ণিঝরের নাম নিয়ে সংঘর্ষের খবরটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।

    ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে ভারতের ওডিশা রাজ্যে তিন ব্যক্তির নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আজ শুক্রবার এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

    ওডিশা রাজ্যের বিশেষ ত্রান কমিশনার বিষ্ণুপদ শেঠি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত দুই ব্যক্তির নিহত হওয়ার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারি।’

    ওডিশার এই ত্রাণ কর্মকর্তা জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণী চলাকালে এক বয়স্ক ব্যক্তি একটি আশ্রয়শিবিরে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আরেক ব্যক্তি সতর্কতা উপেক্ষা করে ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে বাইরে যান। তাঁর ওপর গাছ পড়লে তিনি নিহত হন।

    ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যে অনেক গাছপালা উপড়ে পড়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে। রাজ্যের অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ভারী বৃষ্টিতে কোনো কোনো এলাকা ডুবে গেছে।

    সকালে ওডিশা রাজ্যের উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ফণী। ফণীর প্রভাবে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়। একই সঙ্গে ভারী বৃষ্টি হয়।

  • ২০০ কি.মি. গতিতে উড়িষ্যা লণ্ডভণ্ড করল ‘ফণী’ (ভিডিও)

    ২০০ কি.মি. গতিতে উড়িষ্যা লণ্ডভণ্ড করল ‘ফণী’ (ভিডিও)

    প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে আজ শুক্রবার ভোরে আঘাত হেনেছে ভারতের উড়িষ্যার উপকূলে আঘাত হেনেছে। ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতের পর প্রবল ঝোড়ো হাওয়া বইছে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার।

    ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় উড়িষ্যার রাজ্য সরকার আগেই উপকূলবর্তী ১০ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে। এই মুহূর্তে ‘ফণী’ বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

    ফণির তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে উড়িষ্যা। কয়েক ঘণ্টা পুরো এলাকায় তাণ্ডব চালিয়ে গেছে এই ঝড়। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ভেঙে পড়েছে মোবাইল কম্পানি বিএসএনএলের টাওয়ার। উড়ে গেছে বাড়ির ছাদ। পানিতে ডুবে গেছে বহু জায়গা। অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়েছে রাস্তায়। ভেঙে পড়েছে ঘর-বাড়ি।

  • ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে উড়ে গেল স্কুলবাস (ভিডিও)

    ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে উড়ে গেল স্কুলবাস (ভিডিও)

    দাঁড় করানো গাড়ি ঠেলতে ঠেলতে রাস্তার পাশে নিয়ে গিয়ে উল্টে ফেলে দিচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। কোথাও ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে আবার ঘুড়ির মতো উড়ে যাচ্ছে ফাইবারের কাঠামো। এমনই সব ভয়ঙ্কর ছবি ধরা পড়েছে ভারতের ওড়িশার বিভিন্ন প্রান্তে। এ যেন হলিউডের ছবি ‘দ্য স্টর্ম’-এর বাস্তব রূপ।

    ফণীর তাণ্ডব ক্যামেরাবন্দি করতে হাতের স্মার্টফোনই হয়ে উঠেছে অস্ত্র। পেশাদার সাংবাদিক বা চিত্র সাংবাদিকদের থেকেও যেন ভয়ানক ছবি তুলে ধরেছেন আম জনতা। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই সাইক্লোন ফণীর চেয়েও দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়েছে সেই সব ভিডিও।

    স্কুলবাস উড়ে যাওয়ার ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

  • টস জিতে ওয়াংখেড়েতে ব্যাটিং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের

    টস জিতে ওয়াংখেড়েতে ব্যাটিং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের

    প্লে-অফের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ঘরের মাঠে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে আজ জিততে পারলেই নিশ্চিত হয়ে যাবে প্লে-অফে খেলা। হারলে, শেষ ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।

    অন্যদিকে, নিজেদের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে আজ জিততেই হবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। তারা জিতলে পয়েন্ট মুম্বাইর সমান ১৪ হয়ে যাবে। তখন, শেষ ম্যাচের জন্য কঠিন হিসেব নিকেশ তৈরি হয়ে যাবে মুম্বাই এবং সানরাইজার্স দু’দলের জন্যই।

    এমন কঠিন সমীকরণের ম্যাচে টস জিতে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রথম ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

    আগের ম্যাচ কলকাতা নাইটরাইডার্সের কাছে হেরে সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে মুম্বাই। আজ অবশ্য আগের দলই অপরিবর্তিত রেখেছে রোহিত শর্মার দল। আর সানরাইজার্স দলে এদিন দু’টি পরিবর্তন আনা হয়েছে। ডেভিড ওয়ার্নারের জায়গায় এসেছেন মার্টিন গাপ্টিল এবং সন্দীপ শর্মার পরিবর্তে দলে এসেছেন বাসিল থাম্পি।

    এই ম্যাচে অবশ্য দলের দুই ওপেনারকে পাচ্ছে না সানরাইজার্স। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে হায়দরাবাদের দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও জনি বেয়ারেস্টো দেশে ফিরে গেছেন। চলতি আইপিএলে স্বপ্নের ফর্মে ছিলেন ওয়ার্নার ও বেয়ারস্টো। এ দু’জনের ব্যাট থেকে এসেছে এক হাজারেরও বেশি রান।

    তাদের ওপেনিং জুটিতে এসেছে একাধিক সেঞ্চুরি। ১০ ম্যাচে চারটি সেঞ্চুরি পার্টনারিশিপ ছিল ওয়ার্নার-বেয়ারস্টোর। দেশে ফিরে যাওয়ায় শেষ দু’টি ম্যাচ খেলেননি বেয়ারস্টো। আর কিংস ইলেভেনের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ খেলে দেশের জার্সিতে খেলতে ফিরে গেছেন ওয়ার্নারও।

    মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স : কুইন্টন ডি’কক, রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), এভিন লুইস, সুর্যকুমার যাদব, কাইরন পোলার্ড, হার্দিক পান্ডিয়া, ক্রুনাল পান্ডিয়া, বারিন্দ্রার স্রান, রাহুল চাহার, লাসিথ মালিঙ্গা ও জসপ্রিত বুমরাহ।

    সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: মার্টিন গাপ্টিল, ঋদ্ধিমান সাহা, মানীশ পান্ডে, মোহাম্মদ নবি, কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), রশিদ খান, বিজয় শংকর, অভিষেক শর্মা, ভুবনেশ্বর কুমার, খলিল আহমেদ ও বাসিল থাম্পি

  • অন্ধ্রপ্রদেশে ফণীর আঘাত, উপড়ে পড়েছে গাছপালা বৈদ্যুতিক পোল

    অন্ধ্রপ্রদেশে ফণীর আঘাত, উপড়ে পড়েছে গাছপালা বৈদ্যুতিক পোল

    প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে অগ্রসর হতে থাকা ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে ভারতের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় ভারী বর্ষণ শুরু হয়েছে। ভারতীয় দৈনিকি ইন্ডিয়া ট্যুডে এক প্রতিবেদনে বলছে, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে তীব্র বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

    দেশটির অপর সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ বলছে, ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে তীব্র হাওয়া এবং বৃষ্টির জেরে অন্ধ্রপ্রদেশের রাস্তার ধারে বৈদ্যুতিক পোল ও গাছ-পালা উপড়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন ।

    ঝড় ও বৃষ্টির কারণে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রাণ বাঁচাতে নিরাপদ স্থানের সন্ধানে বাড়ি-ঘর ছাড়ছেন তারা। অন্ধ্রপ্রদেশের কাকদ্বীপের উপকূলীয় থানা এলাকায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় কাঁচা বাড়ির বাসিন্দাদের ইতোমধ্যে আশ্রয় শিবিরে সরিয়ে আনার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

    ইন্ডিয়া ট্যুডে বলছে, উপকূলীয় রাজ্য ওড়িশায় অত্যন্ত ভারী ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। বৃষ্টিপাত এলাকায় বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১৭০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার বেগে বইছে।

    এদিকে, ফণীর সম্ভাব্য তাণ্ডব মোকাবেলার প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জরুরি বৈঠকে বসেছেন। ভারতের মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও ভারতীয় আবহাওয়া অধিদফতর, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা বাহিনী (এনডিআরএফ) ও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বৈঠকে ফণীর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় নেয়া প্রস্তুতির ব্যাপারে নরেন্দ্র মোদিকে অবগত করেন।

    ঝুঁকিপ্রবণ রাজ্যের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করতে মোদি তার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সম্ভাব্য সব ধরনের প্রস্তুতি ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, বৃহস্পতিবার সকালে ঘূর্ণিঝড়টি ওড়িশার পুরী উপকূল থেকে মাত্র ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। বিকেলের দিকে পুরী শহরের দক্ষিণ উপকূলে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

    টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, ওড়িশা সরকার ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকা থেকে প্রায় ৩ লাখ ৩১ হাজার ৭৯৪ জনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে। এই রাজ্য থেকে মোট ১১ লাখ ৫৪ হাজার ৪৭৫ জনকে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ৪ হাজার ৮৫২টি ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

    এদিকে, ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ইতোমধ্যে আজকের মধ্যে সব পর্যটককে হোটেল ছেড়ে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ওড়িশা সরকার। বাঙালি পর্যটকদের জন্য পুরী-কলকাতা বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ। ১০৩টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

    পুরী, কেন্দ্রাপড়া, বালেশ্বর, ময়ূরভঞ্জ, গজপতি, কটক, জাজপুরের আট লাখেরও বেশি মানুষকে ওড়িশা উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ৮৭৯-য়েরও বেশি সাইক্লোন সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। উপকূলবর্তী অঞ্চলের মানুষদের এই সাইক্লোন সেন্টারেই আপাতত রাখা হয়েছে।

    নৌবাহিনী, উপকূলরক্ষা বাহিনী এবং বির্পযয় মোকাবিলা বাহিনীর ৭৮টি দল ইতিমধ্যে উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

    বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, ৩০০ কিলোমিটার ব্যাসের ঘূর্ণিঝড় ফণী শুক্রবার ভারতের ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করে সন্ধ্যার দিকে খুলনাসহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে পৌঁছাতে পারে। তবে ঝড়ের অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চলে দেখা দিতে পারে শুক্রবার সকাল থেকেই।

    ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

  • সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ বাংলাদেশি নিহত

    সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ বাংলাদেশি নিহত

    সৌদি আরবের সাকরা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন। বৃহস্পতিবার রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে নিহতদের নাম পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেননি। দূতাবাসের একটি টিম ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।

    জানা গেছে, রাজধানী রিয়াদ থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরের শহর সাকরাতে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনার ঘটনাটি ঘটে। সাকরা প্রবেশ পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি দুর্ঘটনা কবলিত হয়। এতে ঘটনাস্থলে ১০ জন নিহত হন।

    গাড়িতে ১৭ জন ছিলেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া আরও দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রিয়াদে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের লাশ সাকরা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

  • ধেয়ে আসছে প্রলয়ংকরী ‘ফনি, ৮ লাখ লোক সরিয়ে নিচ্ছে ভারত

    ধেয়ে আসছে প্রলয়ংকরী ‘ফনি, ৮ লাখ লোক সরিয়ে নিচ্ছে ভারত

    ভারতের পূর্ব উপকূল থেকে আট লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে বাস, নৌকা ও ট্রেন ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রলয়ংকরী শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ফনির তাণ্ডব থেকে প্রাণ ও সম্পদের ক্ষতি যথাসম্ভব কমিয়ে আনতে দেশটির সরকার এমন উদ্যোগ নিয়েছে।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আঘাত হানতে পারে অতিপ্রবল এই ঝড়টি।

    ভারতের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, উড়িষ্যার নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়ার জন্য ৮৭৯টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে সব মিলিয়ে আট লাখ মানুষকে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা হয়েছে।

    ইতিমধ্যে কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে পাঠানো হয়েছে।। উড়িষ্যা, অন্ধ্র প্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর ইউনিটগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    উড়িষ্যার বিশেষ ত্রাণ কর্মকর্তা ভিষুপাড়া সেঠি বলেন, এ সময়ে লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে যতটা সম্ভব চেষ্টা করে যাচ্ছি আমরা। এছাড়া পর্যটকদের উপকূলীয় শহর উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গা ছাড়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপকূলীয় এলাকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

    ভারতীয় কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালানোর জন্য জাহাজ ও হেলিকপ্টার মোতায়েন করেছে। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে সতর্ক করতে সর্বোচ্চ চেষ্টাটা করছি আমরা।

    মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের। জরুরি ত্রাণ সহায়তার জন্য অর্থও বরাদ্দ করা হয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড় ফনি সোয়া তিনশ কিলোমিটারের মধ্যে চলে আসায় ভারতের পারাদ্বীপ ও বিশাখাপত্তম বন্দরের কর্মকাণ্ড বুধবার মধ্যরাত থেকে বন্ধ করে দিতে বলা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে শতাধিক ট্রেনের সূচি।

    দেশটির জাতীয় নির্বাচনের এই মৌসুমে ঘূর্ণিঝড় ফনি হাজির হওয়া নিয়ে উড়িষ্যা রাজ্যের ১১টি উপকূলীয় জেলা থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    ভারতের আবহাওয়া অফিস পূর্বাভাস দিয়েছে, ফনির প্রভাবে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে। উড়িষ্যার উপকূলীয় অঞ্চলে কোথাও কোথাও বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০০ মিলিমিটার ছাড়াতে পারে।

    বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতরের খবরে বলা হয়েছে, বর্তমানে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফনি সামান্য উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

    এটি বৃহস্পাতিবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৬৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১০২৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯১৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯২৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

    এটি আরও ঘণীভূত ও উত্তর/উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে শুক্রবার বিকাল নাগাদ ভারতের উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করতে পারে এবং পরবর্তীতে উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে হয়ে শুক্রবার মে সন্ধ্যা নাগাদ খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এলাকায় পৌঁছাতে পারে।

    আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় শুক্রবার সকাল নাগাদ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফনি এর অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব শুরু হতে পারে।

    ‘ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিমির মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিমি, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।’

    তিনি বলেন, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    ‘উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ সাত নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

    আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ছয় নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতেহ ছয় নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

    কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড় ও অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

    ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৯০-১১০ কিমি বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।