Category: আন্তর্জাতিক

  • কাজ কম করুন, বেশি করে ঘুমান’, মোদিকে বলেছিলেন ওবামা

    কাজ কম করুন, বেশি করে ঘুমান’, মোদিকে বলেছিলেন ওবামা

    এপ্রিল ফুল নয়। বারাণসী বিজেপির ছাপানো প্যাডেই জানানো হয়েছিল, শুক্রবার মনোনয়ন দাখিল করেই সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। পাঁচ বছরে প্রথম বার।

    এরপর তোলপাড় সাংবাদিক মহলে। কিন্তু যত দ্রুত এই খবর ছড়াল, তার থেকেও দ্রুত গতিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঝাঁপিয়ে পড়লেন এটা জানাতে যে, মোদির এমন কোনও কর্মসূচি নেই। কাল দুপুরে মোদি রোড-শো করবেন, দশাশ্বমেধ ঘাটে গঙ্গা আরতি করে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মেলন। পরের দিন কর্মী বৈঠক, কালভৈরব মন্দিরে পূজো দিয়ে মনোনয়ন দাখিল করবেন।

    লোকসভা ভোটের তিন দফা হয়েছে। তিনশোর বেশি আসনে ভোট নেয়া হয়েছে। গোটা ভারতের কোথাও মোদির পক্ষে আগের মতো হাওয়া নেই। এখন তাই ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নব নব রূপে মেলে ধরতেই ব্যস্ত গোটা বিজেপি শিবির। যেমনটি হলো আজ। বলিউড তারকা অক্ষয় কুমারকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার নেওয়ানো হলো। বলা হল, গোটা সাক্ষাৎকারই ‘অরাজনৈতিক’। যদিও তার পরতে পরতে রাজনীতিই গুঁজে দিলেন ভারত প্রধানমন্ত্রী।

    যা দেখে খোদ রাহুল গাঁধী টুইট করলেন, বাস্তবের সামনে অভিনয় চলে না। জনতার সামনে চৌকিদারের ছলচাতুরি (মক্কারি) চলে না। চৌকিদার চোর হ্যায়।

    কিন্তু বিজেপি সূত্র অস্বীকার করছে না, অক্ষয়কে দেয়া মোদির ‘অরাজনৈতিক’ সাক্ষাৎকার আসলে ভোটের মধ্যগগনে। নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তিতে চমক আনার চেষ্টা। যেখানে ভারত প্রধানমন্ত্রী বলছেন, বাইরে তার ভাবমূর্তি যতই কঠোর হোক, আসলে তিনি কখনও রাগেন না। আবার আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপেও বিশ্বাস করেন না। মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টা ঘুমিয়ে মেহনত করেন, বাকিদেরও পরিশ্রম করাতে চান। বারাক ওবামা দেখা হলেই তার কম ঘুম নিয়ে উদ্বেগ জানান।

    সেই প্রসঙ্গে মোদি এমনও বলেন, যে ওবামার সঙ্গে তার সম্পর্কটা ‘তুই-তোকারির’। ‘দেখা হলেই বলে, তুই এমন কেন করিস। আসলে এটা তোর কাজের নেশা।…. এতে নিজেরই ক্ষতি করছিস।’’ সাজানো ‘অরাজনৈতিক’ সাক্ষাৎকারে অক্ষয়ের প্রশ্ন করার সুযোগ ছিল না, মোদিকে তুই-তোকারি কি ওবামা ইংরেজিতে করেন?

    ভাষণের গোড়ায় বলা নমস্তে, ধন্যবাদ, জয় হিন্দের মতো রপ্ত করে আসা শব্দের বাইরে ওবামা কি আদৌ হিন্দিতে কিছু বলতে পারেন? সূত্র: আনন্দবাজার

  • টস জিতে রাসেলদের ব্যাটিংয়ে পাঠাল রাজস্থান

    টস জিতে রাসেলদের ব্যাটিংয়ে পাঠাল রাজস্থান

    দুই দলের প্রথম সাক্ষাতে আগে ব্যাট করে পাত্তাই পায়নি রাজস্থান। সেদিন টস হেরে কলকাতার আমন্ত্রণে আগে ব্যাট করেছিল তারা, দাঁড় করিয়েছিল ১৩৯ রানের মামুলি সংগ্রহ। যা ৮ উইকেট ও ৩৭ বল হাতে রেখেই টপকে যায় কলকাতা।

    সে ম্যাচের প্রতিশোধ নিতেই দ্বিতীয় সাক্ষাতে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজস্থান অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। প্রতিপক্ষের আমন্ত্রণে ঘরের মাঠে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামবে কলকাতা।

    পয়েন্ট টেবিলে দুই দলের কেউই সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। দুই দলই খেলেছেন ১০টি করে ম্যাচ। আন্দ্রে রাসেলের কারিশমার পরেও মাত্র ৪ ম্যাচে জয় নিয়ে টেবিলের ৬ নম্বরে রয়েছে কলকাতা। অন্যদিকে মাত্র ২টি জয়ে তলানিতে অবস্থান রাজস্থানের।

    এ ম্যাচের জন্য নিজেদের একাদশে পরিবর্তন এনেছে দুই দলই। রাজস্থান একাদশে ঢুকেছেন দুই পেসার ওসানে থমাস এবং ভরুন অরুন। অন্যদিকে কলকাতায় সুযোগ পেয়েছেন প্রাসিদ কৃষ্ণা এবং কার্লোস ব্রাথওয়েট।

    রাজস্থান একাদশ: অজিঙ্কা রাহানে, সাঞ্জু স্যামসন, স্টিভেন স্মিথ, রিয়ান পরাগ, স্টুয়ার্ট বিনি, জোফ্রা আর্চার, শ্রেয়াস গোপাল, জয়দেব উনাদকাত, ওসানে থমাস এবং ভরুন অরুন।

    কলকাতা একাদশ: ক্রিস লিন, সুনিল নারিন, শুভমান গিল, নিতীশ রানা, দীনেশ কার্তিক, রিঙ্কু সিং, আন্দ্রে রাসেল, কার্লোস ব্রাথওয়েট, পিয়ুশ চাওলা, প্রাসিদ কৃষ্ণা এবং পৃথ্বি রাজ।

  • বাড়ি ঘরে হামলা করছে লঙ্কানরা, পালাচ্ছে শত শত মুসলিম

    বাড়ি ঘরে হামলা করছে লঙ্কানরা, পালাচ্ছে শত শত মুসলিম

    গীর্জা এবং হোটেলে ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলার পর শ্রীলঙ্কার বন্দর নগরী নেগোম্বো ছেড়ে পালাচ্ছেন দেশটির শত শত মুসলিম। ইস্টার সানডের দিনের ওই হামলার পর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আশঙ্কায় তারা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে আত্মগোপন করছেন বলে বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

    ইস্টার সানডের সকালে রোববার কলম্বোর তিনটি গীর্জা ও তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৩৫৯ জন নিহত ও আরো কমপক্ষে ৫০০ জন আহত হন। ১০ বছর আগে দেশটির হিন্দু এবং জাতিগত তামিলদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া যে গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটেছিল তারপর এবারই প্রথম শ্রীলঙ্কায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    lankan-muslim-1

    রাজধানী কলম্বো থেকে ঘণ্টা খানেক দূরের শহর নেগোম্বোর সেবাস্তিয়ান গীর্জায় রোববারের বিস্ফোরণে প্রায় ১০০ জন মারা যান। এ ঘটনার পর শহরটি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ৮০০ মুসলিম। তবে আশ্রিত এলাকার নাম প্রকাশ করেনি দ্য গার্ডিয়ান।

    তবে ওই এলাকায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি দেখা গেছে। আশ্রয় নেয়া মুসলিমদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রাদেশিক পরিষদের একজন সদস্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, ‘এসব মানুষকে অবশ্যই এখান থেকে সরিয়ে নিতে হবে। আমরা তাদের চাই না।

    আশ্রয় নেয়া মুসলিমদের ওই এলাকা থেকে সরিয়ে দেয়ার দাবিতে বিক্ষোভের পাশাপাশি পোস্টারও টানাতে দেখা গেছে। একটি পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘পাকিস্তানি শরণার্থীদের প্রয়োজন নেই।’ পুলিশ বলছে, নিরাপদে এই শরণার্থীদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার আগে পর্যন্ত আশ্রিত স্থানেই কয়েকদিন কাটাতে হবে।

    lankan-muslim-2

    শ্রীলঙ্কার ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ রয়েছে। এর মধ্যে সংখ্যালঘু খ্রিস্টান, মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ও আছে। কিন্তু দেশটিতে জাতিগত দাঙ্গার যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে; সেই শঙ্কা এড়িয়ে চলতে সক্ষম হয়েছেন খ্রিস্টানরা।

    সরকারি এক কর্মকর্তা বলেছেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত দেশের সব গীর্জা বন্ধ রাখার আদেশ দেয়া হয়েছে। ফরাসী বার্তাসংস্থা এএফপিকে দেশটির জ্যেষ্ঠ এক যাজক বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত গীর্জায় কোনো প্রার্থনা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে না।

    নেগোম্বো শহরের সেবাস্তিয়ান গীর্জায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় হতাহতের ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার মুসলিমদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে স্থানীয় বৌদ্ধরা। বুধবার কলম্বোর কাছের এই বন্দরনগরী ছেড়ে পালিয়েছেন কয়েকশ’ মুসলিম। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই মুসলিমদের প্রতিশোধ নেয়া হবে বলে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে তারা বাসে গাদাগাদি করে চড়ে এলাকা ছাড়ছেন।

    পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আদনান আলী নামের এক তরুণ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, বোমা হামলা ও বিস্ফোরণের পর শ্রীলঙ্কান জনগণ আমাদের ঘর-বাড়িতে হামলা করেছে। তিনিও বাড়ি-ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

  • ৩২ বছর বয়সে কোমায়, জেগে উঠলেন ২৭ বছর পর!

    ৩২ বছর বয়সে কোমায়, জেগে উঠলেন ২৭ বছর পর!

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে মুনিরা আবদুল্লাহ নামে এক নারী কোমায় থাকার ২৭ বছর পর জেগে উঠেন। জেগেই ওঠে ছেলে ওমরের নাম ধরে ডাকতে থাকেন।

    ৩২ বছর বয়সে সড়ক দুর্ঘটনায় পড়েন মুনিরা আবদুল্লাহ। মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত পান। তারপর চলে যান কোমায়। বছরের পর বছর অচেতন থেকে অবশেষে জেগে উঠেন।

    জানা যায়, মুনিরা আবদুল্লাহ ১৯৯১ সালে একদিন ছেলেকে স্কুল থেকে আনতে যান। সঙ্গে ছিলেন দেবর। ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে একটি বাসের সঙ্গে তার গাড়ির সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হন তিনি। ওই সময় ছেলে ওমর ওবাইরের বয়স ছিল ৪ বছর।

    এসময় একটি বাসের সঙ্গে তাদের গাড়ির সংঘর্ষ হয়। ছেলেকে জড়িয়ে ধরে কোনোমতে বাঁচাতে পেরেছিলেন মুনিরা।
    কিন্তু তিনি ব্রেইনে গুরুতর আঘাত পান। চলে যান কোমায়। অবশেষে গত বছর জার্মানির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জ্ঞান ফেরে মুনিরার।

    দেশটির সংবাদ মাধ্যম ‘দ্য ন্যাশনাল’কে  সোমবার ২৭ বছর আগের সেই ঘটনার কথা বলেছেন মুনিরার ছেলে ওমর।

    এসময় তিনি বলেন, কখনো আশা ছাড়িনি। সব সময় মনে হতো, একদিন না একদিন আমার মা জেগে উঠবেন। আমি মানুষের উদ্দেশে বলতে চাই, যাদের আপনারা ভালোবাসেন, তাদের ব্যাপারে কখনো আশা ছাড়বেন না।’

    এদিকে দুর্ঘটনার পর আরব আমিরাতের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় মুনিরা আবদুল্লাহকে। এরপর তাকে লন্ডনে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি কোনো সাড়া দিচ্ছিলেন না। কিন্তু ব্যথা অনুভব করতেন।

    অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় কয়েক বছর পর লন্ডন থেকে আবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল আইন হাসপাতালে নেওয়া হয় মুনিরাকে। এখানে তাকে টিউব দিয়ে খাওয়ানো হয়। আর চিকিৎসা চলতে থাকে।

    ২০১৭ সালে আবুধাবির যুবরাজ জার্মানিতে মুনিরা আবদুল্লাহার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সেখানে তার বেশ কয়েকটি অস্ত্রোপচার হয়। হাত-পা স্বাভাবিক করতে এই অস্ত্রোপচার করা হয়। একদিন ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঝগড়া চলছিল ওমরের। ঝগড়া শুনেই হঠাৎ জেগে ওঠেন তার মা।

    ওমর বলেন, ‘মায়ের রুমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার ঝগড়া হয়। অজ্ঞান অবস্থায় মায়ের মনে হয়েছিল আমি বিপদে আছি। এটি তার ভেতর আলোড়ন তৈরি করে। ওই সময় মা অদ্ভুত এক ধরনের আওয়াজ করছিলেন। তখন আমি চিকিৎসকদের বলছিলাম, মাকে পরীক্ষা করুন। তারা জানালেন, সব স্বাভাবিক আছে।’

    ওমর বলেন, ‘ওই ঘটনার তিন দিন পর আমার ঘুম ভাঙে। শুনতে পাই কেউ আমার নাম ধরে ডাকছে। আমি দেখতে পাই মা আমাকে ডাকছেন। তখন আমি খুশিতে উড়ছিলাম। বহু বছর ধরে আমি এই সময়ের জন্য অপেক্ষায় ছিলাম।’

    এর পরই জার্মানি থেকে মাকে নিয়ে দুবাই ফেরেন ওমর। দুবাইতেও তার চিকিৎসা চলে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, এমন ঘটনা খুবই কমই ঘটে।

    মুনিরা আবদুল্লাহর ঘটনার মতো এমন অলৌকিক ঘটনা কমই ঘটে। তবে মাঝেমধ্যে অনেকেই ফেরেন কোমা থেকে। গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে টেরি ওয়ালিস ১৯ বছর কোমায় ছিলেন। তারপর জেগে ওঠেন।

  • ইসরাইলি আক্রমণে ৭৫ ভাগ মসজিদ ধ্বংস

    ইসরাইলি আক্রমণে ৭৫ ভাগ মসজিদ ধ্বংস

    সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে একটি খবর ভেসে বেড়াচ্ছে যে, ফিলিস্তিনে অবস্থিত হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম মসজিদটি বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল। কিন্তু তার চেয়ে মারাত্মক ও দুর্ভাগ্যজনক সত্য হলো ফিলিস্তিনের গাজা’র প্রায় ৭৫ ভাগ মসজিদই ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরাইল। খবর মিডল ইস্ট মিরর।

    সংবাদ মাধ্যমটির তথ্য মতে জানা যায় যে, গত ৫১ দিনে ৭৩টি মসজিদ ধ্বংসের পাশাপাশি ২০৫টি মসজিদ আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ইসরাইল।

    পিইসিডিসি (ফিলিস্তিন ইকোনোমিক কাউন্সিল ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কন্সট্রাকশন) কর্তৃক গঠিত কমিটির তথ্য মতে ফিলিস্তিনের গাজায় ধ্বংসপ্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদ, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ও দাতব্য কার্যালয়সহ প্রায় ৪০.৪ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    ইসরাইলি হামলায় শুধু মসজিদই ধ্বংস হয়নি, দুটি গির্জাসহ ১০টি সমাধিস্থল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

    পিইসিডিসি কমিটির তথ্য মতে শুধু গাজাতেই ইসরাইলি আক্রমণে ৭৫ ভাগ মসজিদ ধ্বংস হয়েছে।

    এসব ধ্বংস প্রাপ্ত মসজিদের মধ্যে ফিলিস্তিনের বিখ্যাত মসজিদ আল-ওমরিও ধ্বংস করা হয়েছে। ২০০৮ ও ২০০৯ সালে দুই দফা আক্রমণে মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আর ২০১৯ সালে সেটি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়া হয়।

    হজরত আমর ইবনুল আসের সময়কার একটি প্রাচীন মসজিদ; যেটি ১৩৬৫ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল। সে মসজিদটিও ধ্বংস করা হয়েছে। যার নাম ছিল মসজিদ মানারাত আল-জাহের।

    মসজিদটি ৩ হাজার বর্গমিটার বিস্তৃত ছিল আর এতে এক সঙ্গে প্রায় ২০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারতো।

    উল্লেখ্য যে, ২০১৯ সালে ইসরাইলি আক্রমণ ছিল অনেক বেশি। যা ২০০৮ ও ২০০৯ সালের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ বেশি।

    ইসরাইলি আক্রমণে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদগুলো পুনঃর্নিমাণে সহায়তাকারী বিভিন্ন মুসলিম দেশ ও মানুষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের মসজদি কর্তৃপক্ষ।

  • শঙ্কামুক্ত নন শেখ সেলিমের জামাতা, ৭২ ঘণ্টার আগে কিছু বলা যাবে না

    শঙ্কামুক্ত নন শেখ সেলিমের জামাতা, ৭২ ঘণ্টার আগে কিছু বলা যাবে না

    শ্রীলংকায় বোমা হামলায় আহত আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের জামাতা মশিউল হক চৌধুরী এখনো শঙ্কামুক্ত নন। ৭২ ঘণ্টা না গেলে কিছুই বলতে পারছেন না তাঁর চিকিৎসকরা।

    আজ মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিলা) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন শেখ সেলিম। বোমা হামলায় নিহত নাতি জায়ান চৌধুরীর জানাজাস্থল বনানীর চেয়ারম্যানবাড়ি মাঠ দেখতে আসেন তিনি। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা হয় তাঁর।

    শ্রীলঙ্কার আনশ্রী সেন্ট্রাল হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন মশিউল।

    জামাতার শারীরিক অবস্থার বিবরণ দিতে গিয়ে শেখ সেলিম বলেন, মশিউলের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তাঁর শরীর থেকে তিন লিটার রক্ত বের হয়ে গেছে। লিভারে বোমার স্প্লিন্টার পাওয়া গেছে। পাকস্থলীও কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁকে এখন আইসিইউতে রাখা হয়েছে। ৭২ ঘণ্টা পার না হলে কিছু বলা যাবে না।

    এদিকে, আগামীকাল দেশে আসছে মশিউলের ছেলে জায়ান চৌধুরীর মরদেহ। শেখ সেলিমের ছোট ভাই শেখ ফজলুর রহমান মারুফ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বুধবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে শ্রীলঙ্কা  এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে জায়ানের মরদেহ দেশে পৌঁছাবে। বাদ আসর বনানী চেয়ারম্যানবাড়ি মাঠে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

    গত ১৮ এপ্রিল স্ত্রী শেখ সোনিয়া ও জায়ান চৌধুরীসহ দুই ছেলেকে নিয়ে ছোট শ্রীলঙ্কা ভ্রমণে যান মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্স। রবিবার সকালে সকালের নাশতা করতে একটি রেস্টুরেন্টে যান তাঁরা। সেখানেই বোমা হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারায় ছেলে জায়ান। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। তাঁর দুই পা-ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

  • শ্রীলঙ্কায় হামলার দায় স্বীকার আইএসের

    শ্রীলঙ্কায় হামলার দায় স্বীকার আইএসের

    শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বোমা হামলার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। আইএসের মুখপত্র আমাক নিউজ অ্যাজেন্সি বলছে, গত রবিবার শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বোমা হামলা চালিয়েছে তাদের যোদ্ধারা।

    আমাক নিউজ অ্যাজেন্সি আরো জানিয়েছে, খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে টার্গেট করেই হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে আইএসের যোদ্ধারা সেই হামলা উদযাপন করছে।

    হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনশ ২১ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো পাঁচশ ২১ জন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) নিজেদের সংবাদ সংস্থা ‘আমাক নিউজ এজেন্সি’তে জঙ্গি সংগঠনটি দাবি করে বলেছে, ‘শ্রীলঙ্কার এই কাজ ইসলামিক স্টেটের যোদ্ধাদের ছিল।’ তবে এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেনি সংগঠনটি।

  • শ্রীলঙ্কায় নিহত বেড়ে ৩২১; পরিচয়হীন ৪১ মরদেহ

    শ্রীলঙ্কায় নিহত বেড়ে ৩২১; পরিচয়হীন ৪১ মরদেহ

    শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২১ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ৫২১ জন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

    আহত ব্যক্তিদের যেসব হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে সেগুলোর নাম প্রকাশ করেছে শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

    হাসপাতালগুলো হলো : কলম্বো ন্যাশনাল হাসপাতাল, কলম্বো নর্থ টিচিং হাসপাতাল(রাগামা হাসপাতাল), কলম্বো সাউথ চিটিং হাসপাতাল(কালোবাউলি হাসপাতাল) এবং বাতিকালোয়া হাসপাতাল।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, হাসপাতালগুলোতে এখনো অজ্ঞাত-পরিচয় ৪১ জনের মরদেহ রয়েছে। তাদের বিষয়ে নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

    এদিকে, হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, কলম্বোর ন্যাশনাল হাসপাতালে ২০ বিদেশির মরদেহ রয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, ওই হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। আটকৃতদের মধ্যে একজন ভ্যানচালকও রয়েছেন। ইষ্টার সানডের বোমা হামলার ঘটনায় ভ্যানটি ব্যবহার করা হয়েছিল।

  • কলম্বোর সকল পুলিশ স্টেশনে ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি

    কলম্বোর সকল পুলিশ স্টেশনে ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি

    লরি, ক্যাভার্ড ভ্যান ও মোটরবাইকে করে বিস্ফোরক প্রবেশের আশঙ্কায় শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর সকল পুলিশ স্টেশনে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। খবর শ্রীলঙ্কার সানডে টাইমসের।

    খবরে আরও বলা হয়, গোয়েন্দাদের কাছে আসা প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অজ্ঞাত একটি কন্টেইনার ট্রাক ও একটি ভ্যান শক্তিশালী বিস্ফোরক বহন করছে। যা কলম্বো অভিমুখে আসছে।

    প্রসঙ্গত, গত রবিবার ইস্টার সানডে তে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোসহ দেশের বিভিন্ন গির্জা ও পাঁচ তারকা হোটেলে সিরিজ বোমার হামলায় এখন পর্যন্ত ৩২১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৫ শতাধিক। এ ঘটনার পর সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

  • পাবজি খেলার কারনে প্রেমিকের ল্যাপটপ ভেংগে ফেলল তার প্রেমিকা

    পাবজি খেলার কারনে প্রেমিকের ল্যাপটপ ভেংগে ফেলল তার প্রেমিকা

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    পাবজি খেলায় ব্যস্ত থাকার কারনে প্রেমিকার এস এম এস এর রিপ্লাই দেয়নি প্রেমিক,তাই প্রেমিকের ল্যাপটপ ভেংগে ফেলল তার প্রেমিকা।

    দুপুরবেলা প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে প্রেমালাপ চলছিল হোয়াটস অ্যাপে। কিন্তু হঠাৎ করেই প্রেমিকাকে রিপ্লাই করা বন্ধ করে দেন প্রেমিক। অনেকগুলো এসএমএস করেন প্রেমিকা। প্রেমিকের কাছ থেকে কোনো রিপ্লাই পাচ্ছিলেন না তাই খুব বিরক্ত হয়ে যান প্রেমিকা। মোবাইলে কলও করেন অনেকবার। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি ফোন কেটে দেন বার বার প্রেমিক।

    অবশেষে রাগের মাথায় প্রেমিকের বাড়ি চলে যান প্রেমিকা। গিয়ে দেখেন ল্যাপটপে পাবজি খেলায় মগ্ন তার প্রেমিক। এটা দেখে রাগে মাথা ঠিক রাখতে পারেননি প্রেমিকা, তাই আছাড় মেরে ভেঙে ফেলেন প্রেমিকের ল্যাপটপ।

    সম্প্রতি এই ঘটনা ঘটেছে প্রতিবেশি দেশ ভারতের বিহার প্রদেশের ভাগলপুরে। পাবজি গেমের নেশা দিন কে দিন বেড়েই চলছে। ছোট থেকে বড় সবাই মেতে আছে এই গেমে। এই গেমের ক্ষতিকারক প্রভাব নিয়ে অনেকবারই কথা উঠেছে নেটদুনিয়া। প্রস্তাব এসেছে গেমটি ব্যান করে দেয়ার। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।