Category: আন্তর্জাতিক

  • সান্ত্বনার বার্তা দিলেও ভারতের পাশে নেই চীন

    সান্ত্বনার বার্তা দিলেও ভারতের পাশে নেই চীন

    সান্ত্বনার বার্তা দিলেও ভারতের পাশে রইল না চীন। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পর, এই ঘটনার ‘ব্যাকবোন’ জইশ-ই-মোহম্মদকে ‘আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন’ তকমা দেওয়ার যে জোরালো দাবি করেছে ভারত, তাতে সাড়া দিল না বেইজিং।

    চীনের বিদেশ মন্ত্রালয়ের তরফে জানানো হয়, সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের কড়া সমালোচনা করছে চীন। সন্ত্রাস দমনে প্রতিবেশী সব দেশকে পাশে থাকারও বার্তা রাখা হচ্ছে। তবে জঙ্গিসংগঠনের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, বেইজিংয়ের জবাব, এ বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১২৬৭ কমিটির স্পষ্ট কিছু শর্ত রয়েছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের তালিকায় নাম রয়েছে জইশের। অত্যন্ত সাবধানতা এবং দায়িত্বের সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি পদক্ষেপ করবে চিন।

    গতকাল শুক্রবার ক্যাবিনেটের নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেন, কূটনৈতিক স্তরে সব রকম ভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে নয়া দিল্লি। জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে চেষ্টার ত্রুটি রাখা হবে না। পাশাপাশি, পাকিস্তানকে দেওয়া ‘সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত দেশ’ তকমা তুলে নিচ্ছে ভারত। অর্থাৎ পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার চূড়ান্ত পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিল মোদি সরকার।

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ পুলওয়ামার অবন্তীপোরায় সিআরপিএফের সেনা কনভয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা। সেনা বাসে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৪ সেনা নিহতের খবর মিলেছে। আহত অন্তত ৩৯ সেনা। এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে ‘আন্তর্জাতিক জঙ্গি’ মাসুদ আজহারের ‘জইশ-ই-মোহম্মদ’ জঙ্গি সংগঠন। এই ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে আন্তর্জাতিক মহলেও।

  • সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বাংলাদেশের

    সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বাংলাদেশের

    সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। দেশটির রিয়াদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে বৃহস্পতিবার এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপ্যাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান এবং সৌদি আরবের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুতলাক বিন সালিম আল উজাইমিয়া।

    শুক্রবার রিয়াদ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কার্যকর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলো। স্বাক্ষরের সময় সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ, দূতাবাসের মিশন উপ-প্রধান ড. মো. নজরুল ইসলাম ও ডিফেন্স অ্যাট্যাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শাহ আলম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

    Defense-Mou-Signing

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উভয় দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে এবং পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে দু’ দেশের সহযোগিতা আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করবে মর্মে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। দুদেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা বিষয়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্নয়ন এবং শক্তিশালী করার লক্ষে এ স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

    এ সমঝোতা স্মারকের আওতায় সামরিক প্রশিক্ষণ, অনুশীলন ও শিক্ষা, সামরিক তথ্য ও গোয়েন্দা, প্রতিরক্ষা শিল্প, সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ, পরিদর্শন ও দক্ষতা বিনিময়, সামরিক চিকিৎসা ও গবেষণা, ক্রীড়া, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সামরিক সদস্যবৃন্দের বিনিময়, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও জলদস্যু রোধ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে সৌদি আরব ও বাংলাদেশ। প্রতিরক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য বাস্তবায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারবে সৌদি আরব ও বাংলাদেশ এবং এ সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

  • বলিউড অভিনেতা মহেশ আনন্দ আর নেই

    বলিউড অভিনেতা মহেশ আনন্দ আর নেই

    বলিউড অভিনেতা মহেশ আনন্দ মারা গেছেন।শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মুম্বইয়ের নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে মহেশ আনন্দের বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর।

    তবে ঠিক কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা জানা যায়নি। হার্ট অ্যাটাকে না কি অন্য কোনো কারণে মহেশ আনন্দ মারা গেছেন- তা জনতে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    গত শতকের নব্বইয়ের দশকে বিভিন্ন হিন্দি ছবিতে খল চরিত্রে দেখা গিয়েছিল মহেশ আনন্দকে। এ সময় বেশ জনপ্রিয়তাও অর্জন করেছিলেন তিনি।

    মহেশ আনন্দ অভিনীত অন্যতম সিনেমাগুলো হলো- শাহেনশাহ, মজবুর, স্বর্গ, থানাদার, বিশ্বত্মা, গুমরাহ, খুদদার, বেতাজ বাদশা, বিজেতা, কুরুক্ষেত্র ইত্যাদি।

  • মা হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

    মা হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

    বলিউডের জনপ্রিয় নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া মার্কিন গায়ক নিক জোনাসকে বিয়ে করেছেন গত ডিসেম্বরে। বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে প্রিয়াঙ্কা অন্তঃসত্ত্বা। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। সেই অনুষ্ঠান থেকে তোলা এই নায়িকার কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় তুলেছে।

    অনুষ্ঠানে নাকি এই অভিনেত্রীর বেবি বাম্প বোঝা যাচ্ছিল। প্রিয়াঙ্কা এখন মা হওয়ার প্রথম ধাপে রয়েছেন বলে মন্তব্য করছেন অনেকেই। এদিকে ইজন্ট ইট রোমান্টিক সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে এসে প্রিয়াঙ্কা বলেন,‘আমি ও নিক দুজনই জানি এক সময় আমরা মা-বাবা হবো। আমরা এ বিষয় নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত নই। আমি নিশ্চিত, এটি স্বাভাবিক নিয়মেই হবে।

    হলিউডে প্রিয়াঙ্কার তৃতীয় সিনেমা ইজন্ট ইট রোমান্টিক। এতে ইয়োগা অ্যাম্বাসেডরের ভূমিকায় হাজির হয়েছেন তিনি। এতে আরো অভিনয় করেছেন-রেবেল উইলসন, লিয়াম হেমসওয়ার্থ এবং অ্যাডাম ডেভিন।

    সিনেমাটিতে একজন আর্কিটেক্টের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রেবেল উইলসন। একজন সুদর্শন ক্লাইন্টের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন লিয়াম হেমসওয়ার্থ।সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন স্ট্রাউস-স্কুলসন।

  • পাকিস্তানকে পুরোপুরি একঘরে করবে ভারত

    পাকিস্তানকে পুরোপুরি একঘরে করবে ভারত

    ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় ৪৬ সেনার নিহত হওয়ার ঘটনায় পাকিস্তানকে পুরোপুরি একঘরে করবে ভারত। দিল্লির তরফ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এক বিবৃতিতে বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে পাকিস্তানকে একঘরে করতে সব ধরনের কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ভারত।

    বৃহস্পতিবার ভারতের তরফ থেকে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, কাশ্মিরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় মদদ রয়েছে পাকিস্তানের। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও পাকিস্তানের দিকে আঙুল তুলেছে নয়াদিল্লি।

    pakistan

    কয়েক দশকের মধ্যে এটাই ছিল কাশ্মিরে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনা। ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি থেকে সেনাবাহিনীর গাড়ি বহর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

    পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মুহাম্মদ ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে। ভারতের তরফ থেকে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, দীর্ঘদিন ধরে ওই জঙ্গি গোষ্ঠী পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

    পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদকে এবং এর প্রধান মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কাছে দাবি জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

    pakistan-2

    অরুন জেটলি বলেন, পুলওয়ামার ঘটনার সঙ্গে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত তারা কোনভাবেই রেহাই পাবে না। দোষীদের জন্য বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ অপেক্ষা করছে।

  • সর্বজনীন স্বাস্থ্য নিরাপত্তা অর্জনে প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ

    সর্বজনীন স্বাস্থ্য নিরাপত্তা অর্জনে প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ

    বিশ্বের সব নাগরিকের জন্য সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (ডব্লিউএইচও) আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ডব্লিউএইচও-এর স্বাস্থ্যবিষয়ক এসডিজি অর্জনে বিশ্বের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়া প্রয়োজন।

    প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় জার্মানির মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনের ৫৫তম সংস্করণে‘হেলথ ইন ক্রাইসিস-ডব্লিউএইচও কেয়ার্স’ বিষয়ক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তৃতায় এ জোরারোপ করেন।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সম্প্রসারণে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং এক বছরের কম বয়সী শিশু ও ৬৫ বছরের অধিক বয়সের লোকদের জন্য বিনা খরচে স্বাস্থ্য সেবার ব্যবস্থা করেছে।’

    প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য-৩ ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে একটি কার্যকর, ফলদায়ক আন্তর্জাতিক সমন্বয় ও সহযোগিতার আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, ‘ইবোলা, কলেরা ও যক্ষ্মার মতো সংক্রামক রোগ পুনরায় বিশ্বব্যাপী দেখা দিয়েছে, ফলে বর্তমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও পরিবর্তন প্রয়োজন’।

    শেখ হাসিনা উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর স্বাস্থ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমে ভবিষ্যৎ ও জরুরি অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    তিনি বলেন, ‘ডব্লিউএইচও সংকটের বিশালতা, পূঁজি সংকট ও সক্ষমতার অভাবের কারণে প্রায়শই ভুল পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু আমাদের প্রধান মানবিক সংস্থা হিসেবে ডব্লিউএইচও সঠিকভাবেই সবার স্বাস্থ্য ও সুখের নিশ্চয়তার জন্য সরকারগুলোর কাছ থেকে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য।’

    প্রধানমন্ত্রী গত মাসে চতুর্থ মেয়াদে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর গত বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো তার দুটি দেশ জার্মানি ও ইউএই সফরে তিনি গতকাল সেখানে পৌঁছান।

    শেখ হাসিনা তার বক্তৃতায় বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। এ কারণেই এটিতে আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক যে আমরা আমাদের জনগণের জন্য যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারছি না। অথচ এসডিজি-৩-তে স্বাস্থ্যের অধিকারকে মৌলিক অঙ্গীকার হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে।’

    স্বাস্থ্য খাতে তার সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা উন্নয়নে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

    তিনি বলেন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সেক্টরেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধন করেছে।

    স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের সাফল্যের বিবরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি লাখে মাতৃমৃত্যু ১৭২-এ কমে এসেছে। শিশুমৃত্যু প্রতি হাজারে ২৪-এ নেমে এসেছে এবং প্রতি হাজারে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যু ৩১-এ কমে এসেছে।

    তিনি বলেন,দেশে বর্তমানে ৮২ দশমিক ৩ শতাংশ টিকার আওতায় এসেছে এবং গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৮ বছরেরও বেশি। তিনি আরও বলেন, যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ দূরীকরণে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য লাভ করেছে।

    PM-2

    শেখ হাসিনা বলেন, এমডিআর-টিবি’র স্বল্পমেয়াদি চিকিৎসা রেজিমেন গবেষণা বাংলাদেশে সম্পন্ন হয়েছে এবং তা ‘বাংলাদেশ রেজিমেন’ হিসাবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘রেজিমেন চিকিৎসার ফলে এমডিআর-টিবি চিকিৎসার মেয়াদ লক্ষ্যণীয়ভাবে ২০ মাস থেকে কমিয়ে ৯ মাসে এনেছে এবং এ ক্ষেত্রে চিকিৎসায় সফলতার হার যথেষ্ট ভালো। বর্তমানে সারা বিশ্ব স্বল্পমেয়াদি এমডিআর-টিবি রেজিমেন গ্রহণ করছে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য সেবাখাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, গত তিন দশক যাবৎ বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনস্বাস্থ্য সেবাকে সব নাগরিকের কাছে সহজলভ্য ও প্রবেশগম্য করে গড়ে তোলা বিষয়টি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, এই পরিকল্পনার আওতায় সবার জন্য স্বাস্থ্য (এইচএফএ), প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা (পিএইচসি), এসেনসিয়াল সার্ভিস প্যাকেজ, প্রভৃতি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ এলাকাগুলোতে ১৮ হাজার পাঁচশ’টির বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো তৃণমূল জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্যসেবা সহ ৩০ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে প্রদান করছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার সারাদেশে, অন্ততপক্ষে প্রতিটি জেলায় একটি করে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মাধ্যমে ওষুধ ও স্বাস্থ্য পরিসেবা সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

    তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ‘এসডিজি’ লক্ষ্যমাত্রাগুলো উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের ‘রূপকল্প-২০২১’ এবং ‘রূপকল্প-২০৪১’-এ বাংলাদেশে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য বহুমাত্রিক, সীমাহীনভাবে বিস্তৃত হচ্ছে এবং এ জন্য প্রয়োজন উচ্চ পর্যায়ের প্রতিশ্রুতি ও ঘনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।

    তিনি বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন আমাদেরকে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, বিশেষত আমাদের সমাজের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের, বিষয়ে কাজ করার সুযোগ দেয়ায় আমাদের যৌথভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

    প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের কঠিন পথপরিক্রমায় সাথে থাকার জন্য, বিশেষত এমডিজি অর্জন, শিশু ও মার্তৃমৃত্যু হ্রাস তথা বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা এবং বহুবছর যাবৎ এইচআইভি, ম্যালেরিয়া, যক্ষা ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে ডব্লিউএইচও-কে ধন্যবাদ জানান।

    শেখ হাসিনা বাংলাদেশে মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের জন্য এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র,নাইজেরিয়া, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সিরিয়া, ইয়েমেন ও লিবিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে ডব্লিউএইচও’র জরুরি কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।

  • অপসংস্কৃতি ছড়ানোর অভিযোগে নিষিদ্ধ হচ্ছে ‘টিকটক’!

    অপসংস্কৃতি ছড়ানোর অভিযোগে নিষিদ্ধ হচ্ছে ‘টিকটক’!

    সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন টিকটক ব্যাপক জনপ্রিয় ভিডিও অ্যাপ। কিন্তু বেশ কিছু বিতর্কিত কাজের জন্য প্রতিবেশি দেশ ভারতে নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে অ্যাপটি।দেশটির কয়েকজন আইনজীবী এই অ্যাপের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদনও করেছেন। তাঁদের দাবি, এসব ভিডিও সমাজে অপসংস্কৃতি ছড়াচ্ছে। অল্প বয়সের ছেলে-মেয়েরা টিকটকে আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এবং সারাদিন মোবাইলের দিকে তাক করেই বসে রয়েছেন।

    আইনজীবীদের আবেদনে একমত হয়ে তামিলনাড়ুর তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী এম মণিকন্দন জানান, সে রাজ্যে টিকটক নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    এর আগে অ্যাপটি বন্ধ করা নিয়ে সরব হয়েছিলেন তামিলনাড়ুর বিধায়ক থামিমুন আনসারি। তিনি বলেন, এই অ্যাপ কোনও ভালো কাজে তো লাগেই না। উল্টো যুব প্রজন্মের ক্ষতিই করছে। টিকটক-এ এমন কিছু ভিডিও রয়েছে যা যৌন উদ্দীপনা তৈরি করছে। ফলে সমাজে ক্রমেই ছড়াচ্ছে অপসংস্কৃতি। তাঁর কথাতেই সুর মিলিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে কেন্দ্রের সঙ্গেও কথা বলবেন তিনি। এ দেশ (ভারত) থেকেই যাতে টিকটক-কে মুছে ফেলা যায়, সেই ব্যবস্থাই নিতে চাইছে তামিলনাড়ু সরকার।

    ঘটনা হল, শুধু বিনোদনের জন্যই যে মানুষ এই ভিডিও অ্যাপ ব্যবহার করছেন, এমন নয়। নানাভাবে এর অপব্যবহার করছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে কোথাও শিশুদের নিয়ে অশ্লীল ভিডিও তৈরি হচ্ছে। এমনকী, ভিডিওতে মশকরা সহ্য করতে না পেরে গত বছর এক ব্যক্তি আত্মঘাতীও হয়েছিলেন। যদিও টিকটক-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, যাতে এর কোনও অপব্যবহার না হয়, তার জন্য সদা সচেষ্ট থাকবে সংস্থাটি।

  • জানতাম ওরা আমাকে অপমান করবে: ডি মারিয়া

    জানতাম ওরা আমাকে অপমান করবে: ডি মারিয়া

    ২০১৪ সালে লুইস ফন গালের অধীনে ম্যানইউতে খেলেছিলেন আর্জেন্টাইন উইঙ্গার অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। তখন ফন গাল তার স্বাভাবিক খেলাটাই নষ্ট করে দিয়েছিলেন। ৩২ ম্যাচে মাত্র ৪ গোল করতে পেরেছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত কোচের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়ে ৬৩ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে তিনি পাড়ি জমান পিএসজিতে।

    ম্যানইউ থেকে ডি মারিয়ার চলে যাওয়াকে মেনে নিতে পারেনি ক্লাবটির সমর্থকরা। যে কারণে ডি মারিয়াকে এক প্রকার ঘৃণাই করতে শুরু করে ম্যানইউ সমর্থকরা। মঙ্গলবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ম্যানইউর মুখোমুখি হতে আসে যখন পিএসজি, তখন পুরনো ক্লাবের মাঠে আবারও ফিরে আসতে হয় ডি মারিয়াকে। শুধু ফিরে আসাই নয়, এখানে এসে যে অপমান আর অসম্মানের মুখোমুখি হবেন, সেটা আগে থেকেই ধরে নিয়েছিলেন তিনি।

    বাস্তবতার সঙ্গেও মিলে গেলো তার ধারণা। ম্যানচেস্টারে এসে টিম বাসে ওঠার সময় থেকেই দুয়ো ধ্বনি শুনতে হয়েছে ডি মারিয়াকে। সেটা অব্যাহত ছিল ম্যাচের সময় ৮১ মিনিট পর্যন্ত। ওই সময় কোচ থমাচ টুখেল ডি মারিয়াকে মাঠ থেকে তুলে নেন। তার আগে অবশ্য ম্যানইউর জালে দুই গোল দেয়ার পেছনে প্রত্যক্ষ অবদান ছিল ডি মারিয়ার।

    ম্যাচের ৫৩ মিনিটে প্রেসনেল কিম্বাপ্পেকে দিয়ে কর্ণার কিক থেকে করিয়েছেন প্রথম গোল। এর ৭ মিনিট পর কাইলিয়ান এমবাপেকে উদ্দেশ্য করে দুর্দান্ত এক ক্রস করেছিলেন ডি মারিয়া। যেখান থেকে গোল আদায় করে নেন পিএসজির বিশ্বকাপজয়ী তারকা।

    কিন্তু এরই মধ্যে মাঠেই চরম অসম্মানজনক কথা-বার্তা শুনতে হয়েছে ডি মারিয়াকে। তাকে উদ্দেশ্য করে দেয়া দুয়ো ধ্বনি সহ্য করেই খেলে যাচ্ছিলেন ডি মারিয়া। কিন্তু বিষয়টা যদি সেখানেই থেমে থাকতো, তাহলে সমস্যা ছিল না। ম্যানইউ সমর্থকরা ডি মারিয়ার উদ্দেশ্যে পানির বোতল এমনকি বিয়ারের বোতল পর্যন্ত ছুঁড়ে মারে।

    পিএসজির দ্বিতীয় গোলের ঠিক আগ মুহূর্তে কর্নার কিক করতে যাওয়ার সময় ডি মারিয়াকে উদ্দেশ্য করে পানির বোতল ছুঁড়ে মারা হয়। এর একটু পরই মারা হয় বিয়ারের বোতল। ডি মারিয়া আবার হেসে সেই বোতল কুড়িয়ে সেখান থেকে বিয়ার পান করে উল্টো জবাব দিয়ে দেন প্রতিপক্ষ সমর্থকদের।

    ডি মারিয়া জানিয়ে দেন, তিনি আগে থেকেই জানতেন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে গেলে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন। তিনি বলেন, ‘প্রথম মিনিট থেকেই আমার জন্য মাঠে নেমে খেলা ছিল কঠিন। কিন্তু আমি তো আগে থেকেই জানতাম, এমন কিছু ঘটতে পারে (এ কারণে আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম)।’

    তবে ডি মারিয়া মাঠের সেই স্মৃতি ভুলে যেতে চান। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘এগুলো এখন অতীত। আমি আবারও বলছি, এগুলো পার হয়ে এসেছি। আমি ক্লাব নিয়ে এবং তাদের সমর্থকদের নিয়ে কখনোই কোনো বাজে মন্তব্য করিনি। এই ক্লাবে আমার সঙ্গে কিছু ঘটনা ঘটেছিল এবং মানুষ সেগুলোকে বাজেভাবে নিয়েছে। অথচ, আমার সমস্যা ছিল কেবল কোচের (লুই ফন গাল) সঙ্গেই।’

    জানা গেছে, ডি মারিয়ার সঙ্গে মাঠে সমর্থকদের এমন বাজে আচরণের বিষয়ে তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করেছে ম্যানইউ। এ ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি দিতে চায় ক্লাবটি। অন্যদিকে উয়েফা ম্যানইউ এবং পিএসজি- উভয় ক্লাবকেই জরিমানা করেছে। ম্যানইউকে জরিমানা করা হয়েছে, দলটির সমর্থকদের মাঠে বোতল নিক্ষেপ করার অপরাধে। পিএসজিকে জরিমানা করা হয়েছে গ্যালারিতে আতশবাজি ফোটানো, বোতল নিক্ষেপ এবং দর্শকদের বিরক্তিকর আচরণের জন্য।

  • সীমান্তে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ রাখার প্রত্যাশা

    সীমান্তে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ রাখার প্রত্যাশা

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)’র এক প্রতিনিধি সম্মেলনে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সদস্যরা।

    বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে বিজিবির দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়নের সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন উভয় দেশের সীমান্ত প্রহরীরা।

    ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন সদর দফতরে চারদিনব্যাপী এই সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। প্রতি ছয় মাস অন্তর এ সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

    সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আমিরুল ইসলাম শিকদার বলেন, ভারত আমাদের বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আমাদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে কাজ করি। সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা, গুলিবর্ষণ রোধ করা, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান রুখতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া, নারী ও শিশু পাচার রোধ করা এবং সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে উন্নয়ন কার্যক্রমে সীমান্ত চুক্তি সঠিকভাবে অনুসরণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    ফেনী নদীর পানিবন্টন বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম শিকদার বলেন, ফেনী নদীর পানি বন্টনের বিষয়ে যৌথ নদী কমিশন কাজ করছে। তবে যেটুকু পানি নিয়ে যাওয়ার কথা তার চেয়ে বেশি নিয়ে যাচ্ছে ভারত। বিষয়টি আমরা তাদের জানিয়েছি।

    বিএসএফ মিজোরাম ও কাচার ফ্রন্টিয়ারের মহাপরিদর্শক ড. কানহু চরণ মাহালি বলেন, মাদক, অস্ত্রসহ সব ধরনের চোরাচালান ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে আমরা কঠোর অবস্থান নিয়েছি। ভারত সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ বন্ধে বিজিবি ও বিএসএফ যৌথভাবে কাজ করছে। উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আমরা সবসময় সদ্ভাব বজায় রেখে কাজ করি।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএসএম আনিসুল হক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজেদুর রহমান, বিএসএফ ত্রিপুরা’র মহাপরিদর্শক সলমন ইয়াশ কুমার, মেঘালয় এর মহাপরিদর্শক কুলদীপ সাইনি।

  • বিপিএলের মতো একই ‘সমস্যা’র মুখে আইপিএল

    বিপিএলের মতো একই ‘সমস্যা’র মুখে আইপিএল

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে বিপিএল থেকে হারিয়ে গেছে পুরো একটি বছর। ২০১৫, ২০১৬ এবং ২০১৭ সালের ধারাবাহিকতায় মাঠে গড়াতে পারেনি ২০১৮ সালের বিপিএল। ডিসেম্বরের নির্বাচনের কারণে ২০১৮ সালের ষষ্ঠ আসর গিয়ে শুরু হয় ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে।

    একটি দেশের সরকার ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। কিন্তু যদি শুধুই ক্রিকেটের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা হয় তবে এটি একটি সমস্যাই বটে। এবার সেই একই সমস্যার মুখে পড়েছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটও।

    তবে বিপিএলের মতো বছর পরিবর্তন হচ্ছে না আইপিএলে। ২০১৯ সালের দ্বাদশ আসরটি থাকবে ২০১৯ সালেই। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের কারণে সূচি নির্ধারণে বেশ ঝামেলায় পড়েছে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। সাধারণত এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়ে মে মাসের শেষ সপ্তাহে পর্দা নামে আইপিএলের।

    কিন্তু চলতি বছরের মে মাসের শেষদিকে ভারতে হবে লোকসভা নির্বাচন। এ নির্বাচনের অন্তত সাত দিন আগেই আইপিএল শেষ করে ফেলতে চায় আয়োজকরা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত নির্ধারিত হয়নি ঠিক কবে হবে লোকসভা নির্বাচন,যে কারণে আইপিএলের সূচিও নির্ধারণ করতে পারছেন না তারা।

    আইপিএল আয়োজক কমিটির এক মুখপাত্র স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে এ ব্যাপারে বলেন,আমরা এখনই আইপিএলের সূচি দিতে পারছি না কারণ আমাদের লোকসভা নির্বাচনের তারিখের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। যেহেতু নির্বাচনটা চলতি বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তাই আমাদেরকে এটিও মাথায় রাখতে হবে যাতে নির্বাচন এবং আইপিএল দুটোই ঠিকঠাক হয়। আমরা জানি নির্বাচনের জন্য কেমন প্রস্তুতি নিতে হয় এবং এটার গুরুত্বই সবচেয়ে বেশি।

    এর আগে ২০০৯ সালের দ্বিতীয় আসর এবং ২০১৪ সালের সপ্তম আসরেও আইপিএলের সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল লোকসভা নির্বাচন। যে কারণে ২০০৯ সালের পুরো আসর দক্ষিণ আফ্রিকায় এবং ২০১৪ সালের কিছু ম্যাচ আরব আমিরাতে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল।