Category: আন্তর্জাতিক

  • পিএসজি এখন আর নেইমারের নয়, এমবাপের

    পিএসজি এখন আর নেইমারের নয়, এমবাপের

    নেইমারকে দিয়েই তাদের উচ্চস্তরে পথচলা শুরু। এরপর সেটা হয়ে গেলো নেইমার-কাভানি-এমবাপের দল। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে কাইলিয়ান এমবাপে যা দেখালেন, তাতে প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে (পিএসজি) আর অন্য কারো নয়, এমবাপের দল হিসেবেই পরিচিত হতে হবে। ফুটবল বোদ্ধারা অন্তত সেটাই বলে যাচ্ছেন এখন। মাদ্রিদ ভিত্তিক দৈনিক মার্কার এক রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনটা।

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম লেগে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে খেলতে এসেছিল পিএসজি। ইংলিশ জায়ান্টদের মাঠে খেলতে গিয়ে তাদেরকেই ২-০ গোলে হারিয়ে এসেছে পিএসজি। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এটা তাদের জন্য বিরল এক জয়।

    আর্জেন্টাইন উইঙ্গার অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার সহযোগিতায় গোলদুটি এলেও দুর্দান্ত খেলেছেন কাইলিয়ান এমবাপে। পুরো ম্যাচেই বলতে গেলে একা তিনি ম্যানইউর ডিফেন্সকে তটস্থ করে রেখেছিলেন। নিজে একটি গোলও করেছেন অসাধারণ ক্ষিপ্রতায়।

    বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলার ইতিমধ্যেই নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা হিসেবে প্রমাণ করে ফেলেছেন। এবার একে একে অন্যদের ছাড়িয়ে যাওয়ার পালা। নিজ ক্লাবের ব্রাজিলিয়ান সুপার স্টার নেইমারকে তো ইতিমধ্যেই নিজের ছায়ার মধ্যে ঢেকে ফেলেছেন তিনি। এবার প্রমাণ করে দিলেন পিএসজি শুধুই এমবাপের ক্লাব।

    ইনজুরির কারণে ম্যানইউর বিপক্ষে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি পিএসজির অন্যতম দুই সেরা তারকা নেইমার এবং এডিনসন কাভানি। দুই তারকার অনুপস্থিতিতে পিএসজি যে দুর্বল হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, তা নয়। তারা বরং, একা এক এমবাপের ওপর নির্ভর করেই জিতে এসেছে ম্যানইউর মত ক্লাবকে।

    পুরো ম্যাচে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া ছিলেন ম্যানইউ সমর্থকদের কেন্দ্রবিন্দুতে। তারা ডি মারিয়াকে দুয়ো ধ্বনি দিয়েছে, তাকে উদ্দেশ্য করে বাজিয়েছে হুইসেল। এমনকি বার বার তাকে অপমান করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ডি মারিয়া হাসিমুখে সব কিছুরই জবাব দিলেন। দুই গোলে অবদান রেখে হারিয়েছেন ম্যানইউকে। এমনকি তাকে লক্ষ্য করে ছুঁড়ে মারা বোতল থেকে পানি খেয়ে নীরব প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    ম্যাচের শেষের দিকে এসে অ্যাসলে ইয়ং হলুদ কার্ড দেখেছেন এবং দু’বার লাল কার্ড দেখে মাঠ থেকে বহিস্কার হয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী আরেক তারকা পল পগবা।

  • মালয়েশিয়ায় পুলিশের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত

    মালয়েশিয়ায় পুলিশের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত

    মালয়েশিয়ায় পুলিশের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, নিহতরা অপহরণকারী ছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে ১৩টি অভিযোগ ছিল। মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালায় পুলিশ।

    মালয়েশিয়ার জাতীয় দৈনিক স্টার অনলাইনে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, দেশটির তামান মুডুন, বাতু ৯ চেরাস এলাকার একটি বাড়ি থেকে অপহৃত এক বাংলাদেশিকে উদ্ধারের সময় পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুইজন বাংলাদেশি মারা যান। পুলিশের দাবি, তারা অপহরণকারী ছিলেন।

    কাজাং ওসিপিডির সহকারী কমিশনার আহমেদ জাফির ইউসুফ বলেন, ‘কুয়ালালামপুরের পুলিশ একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে ধরার জন্যে ওঁৎ পেতে ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে চেরাসের বাতু ৯ এবং তামান মুদুনের একটি ছোট স্থানে অবস্থান করছিলেন তারা। রাত ১টা ৩৫ মিনিটে পুলিশ বাড়িটিতে অভিযান চালায়। সেখানে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে রাখা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল। অভিযান চলাকালীন সময়ে বাড়িটি থেকে অপহরণকারীরা গুলি ছুড়তে শুরু করে। আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা গুলি ছোড়ে পুলিশ।

    জাফির ইউসুফ বলেন, ‘আমরা সফলভাবে অপহরণে আটক ব্যক্তিকে মুক্ত করি। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সেন্তুল থেকে তাকে অপহরণ করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি ৯এমএম পিস্তল এবং একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিহত ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনো ধরনের ডকুমেন্টও পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।’ ৩০৭ ধারায় পেনাল কোর্টে এই মামলাটির তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।

    পুলিশ বলছে, নিহত ২ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন দেশের শ্রমিকদের অপহরণ করে চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল। মুক্তিপণের দাবিতে এ পর্যন্ত তারা ২.৫ মিলিয়ন মালয় রিঙ্গিত অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।

    পুলিশের অভিযানের সময় ওই বাড়ি থেকে অপহৃত এক বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত বাংলাদেশির বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বছর। তবে পুলিশ নিহত এবং উদ্ধারকৃত বাংলাদেশির নাম এখনও প্রকাশ করেনি। পুলিশ বলছে, নিহত ২ বাংলাদেশির কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছিল না।

  • যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাসঘাতক, আলোচনা করে লাভ নেই : ইরান

    যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাসঘাতক, আলোচনা করে লাভ নেই : ইরান

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনি বলেছেন, ইরান কোনো সংঘাতেই প্রথমে কারো ওপর গুলি ছোড়েনি, এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও সাদ্দামের দিকেও না। সব ক্ষেত্রেই শত্রু হামলা করার পর ইরান নিজেকে রক্ষা করেছে। অবশ্য হামলার শিকার হওয়ার পর কঠোর জবাব দিয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা তিনি প্রসঙ্গে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে কোনো লাভ হবে না। ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশকে প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতক বলে মনে করে। এসব দেশকে ইরানিরা বিশ্বাস করে না। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করলে বৈষয়িক ও আধ্যাত্মিক ক্ষতিই কেবল আসবে।

    ইসলামি বিপ্লবের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘বিপ্লবের দ্বিতীয় ধাপ’ শীর্ষক এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেছেন।

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ইসরায়েলের সীমান্তে ইরানের সরব উপস্থিতি, পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার অবৈধ প্রভাব ক্ষুণ্ণ করার ক্ষেত্রে ইরানের ভূমিকা এবং ফিলিস্তিনি মুজাহিদদের সংগ্রাম ও হিজবুল্লাহসহ এই অঞ্চলের প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর প্রতি সমর্থন এখন আমেরিকার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, আধিপত্যকামী দেশগুলোর নেতারা ইরানকে নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে। তারা যেসব প্রস্তাব দিচ্ছে সেগুলো প্রত্যারণা ও মিথ্যাচারে ভরপুর।

    তিনি বলেন, ইরানি জাতি এখন ইউরোপের কয়েকটি দেশকেও প্রতারক বলে মনে করে। ইরানের সরকারকেও জোরালোভাবে এই সীমারেখা মেনে চলত হবে। ইসলামী ও জাতীয় মূল্যবোধ থেকে এক কদমও পিছুহটা যাবে না। তাদের হুমকির গুরুত্ব নেই, তাতে ভয় পাওয়া যাবে না।

    ইরানের সরকারকে পরামর্শ দিয়ে আরও বলেন, সব ক্ষেত্রে দেশ ও জাতির সম্মান ও মর্যাদার বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। ইসলামি বিপ্লবী অবস্থানে অটুট থেকে বিজ্ঞতার সঙ্গে সঠিক উপায়ে তাদের সঙ্গে সমাধানযোগ্য সমস্যাগুলো মিটিয়ে ফেলতে হবে।

  • কাবা শরিফ পরিদর্শন করলেন সৌদি যুবরাজ

    কাবা শরিফ পরিদর্শন করলেন সৌদি যুবরাজ

    পবিত্র কাবা শরিফ পরিদর্শন করলেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমান।

    মঙ্গলবার হঠাৎ করেই তিনি কাবা শরিফে আসনে।

    সিএনএন জানিয়েছে, পবিত্র কাবা শরিফের পুনঃসংস্কারের পর সম্প্রসারিত প্রকল্পগুলো দেখার জন্য বিন সালমান মক্কায় সফর করেন।তবে দিনের কোন সময় তিনি কাবা শরিফে আসেন সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি সিএনএন।

    কাবা শরিফ সফরকালে প্রিন্সকে স্বাগত জানান খতিব শায়েখ আব্দুর রহমান আস-সুদাইসসহ সরকারি কর্মকর্তারা।

    মঙ্গলবার সকালে মোহাম্মাদ বিন সালমানের ছবিগুলো টুইটারে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিগুলোর প্রতি মানুষ যথেষ্ট আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়।

  • দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ নিহত ১৭

    দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ নিহত ১৭

    ভারতের রাজধানী দিল্লির একটি বিলাসবহুল হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক শিশুসহ ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মঙ্গলবার সকালে হোটেল অর্পিত প্যালেসে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। দমকল বাহিনী এবং পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা ৯ জন থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ জন। আহত হয়েছে আরও চারজন।

    আগুন লাগার পর পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ২৬টি ইউনিট। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চালানো উদ্ধার তৎপরতায় দমকল কর্মীরা ৩৫ জনকে হোটেল থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের পর পুরো হোটেলে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছিল।

    কী কারণে ওই হোটেলটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এখনও পরিস্কার নয়। এ বিষয়ে তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ। ঘটনাস্থলের বেশ কিছু ছবিতে বহুতল হোটেলটির উপর তলায় আগুন ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।

    ভারতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছয়জনের মৃত্যু হয়। অপরদিকে ২০১৭ সালে মুম্বাইয়ে একটি জনপ্রিয় রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪ জন প্রাণ হারায়।

  • সুরা আর-রহমান বাজিয়ে অপারেশন, নিশ্চিত মৃত্যু হতে রক্ষা

    সুরা আর-রহমান বাজিয়ে অপারেশন, নিশ্চিত মৃত্যু হতে রক্ষা

    তীব্র বিষাক্ত পিল খেয়ে ফেলেছিলেন ২২ বছর বয়সী হাফিজ আব্বাস। তাকে নেয়া হয় লাহোরের সার্ভিসেস হাসপাতালের আইসিইউতে। অবস্থা দেখে ডাক্তার অপর ডাক্তারের কাছে মন্তব্য করলেন, ‘তেমন আশা নেই, বাঁচার সম্ভাবনা ১০ শতাংশেরও কম।

    পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ডন জানিয়েছে, এরপর মাত্র তিন দিনের মাথায়ই সুস্থ হয়ে হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন হাফিজ। অথচ আইসিইউতে ১৫০ বার হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো তার!

    কিভাবে বাঁচলেন হাফিজ? জানাচ্ছেন তার ডাক্তার মোহাম্মদ জাবেদ। তার ভাষায়, ‘৬ ঘণ্টার চেষ্টায় তার হার্ট সচল রাখতে ১৫০ বার ইলেকট্রিক শক দিতে হয়। বারবার তার কিডনি ও পাকস্থলি পরিষ্কার করা হয়। এবং অবশেষে তার চেতনা ফিরে আসে।

    তিনি বলেন, ‘আমি জীবনেও শুনিনি ১৫০ বার হৃদযন্ত্র বন্ধ হওয়া কোন রুগী বেঁচে ফিরেছে।

    সুরা আর-রহমান বাজিয়ে অপারেশন, নিশ্চিত মৃত্যু হতে রক্ষা

    ডাক্তার জাবেদ নিশ্চিত, আইসিইউতে হাফিজের বিছানার পাশে অনবরত কুরআন তেলাওয়াত বাজানোর কারণেই জীবন রক্ষা হয়েছে তার। কুরআনের আয়াতই অলৌকিকভাবে রক্ষা করেছে হাফিজকে।

    ডা. জাবেদ বলেন, ‘হাফিজের চিকিৎসা চলাকালে আমি অনবরত সুরা আর-রহমান বাজাতে থাকি। কোন ওষুধ বা চিকিৎসা নয়, মহিমাময় এই সুরাটির কারণেই রক্ষা পেয়েছে সে।

    এর তিনদিন পর হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়া পান হাফিজ। তার প্রেসক্রিপশনে সবার ওপরে ডাক্তার জাবেদ লেখেন, ‘সুরা আর-রহমান ১-১-১’, অর্থাৎ প্রতিদিন তিনবার সুরাটি তেলাওয়াত করতে হবে রোগীকে।

  • পুলিশের সেবায় সুস্থ, পুলিশের গাড়ি নিয়েই উধাও

    পুলিশের সেবায় সুস্থ, পুলিশের গাড়ি নিয়েই উধাও

    পুলিশের সেবায় সুস্থ হয়ে উঠে পুলিশের গাড়ি নিয়েই চম্পট দিল যুবক! ঘটনাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঞ্চলের।

    পুলিশ জানিয়েছে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মাত্রারিক্ত মাদক সেবন করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল বছর পঁচিশের জেরেমি ডেভিস। খবর পেয়ে ওহাইও অঞ্চলের বাসিন্দা সেই যুবককে বাঁচানোর চেষ্টা চালান। এরপর তিনি স্থানীয় পুলিশ বিভাগকে খবর দেন। ওই যুবকের নাকের মধ্যে একটি স্প্রে করে মাদকের প্রভাব কাটিয়ে প্রাথমিক বিপদ কাটানো হয়। তারপর ওই যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে স্থানীয় স্টেশনে নেওয়া হয়।

    এরপর তার উপর বিশেষভাবে নজর রাখা হয়। হঠাৎই ওই ব্যক্তি অ্যাম্বুলেন্স থেকে ঝাঁপ দিয়ে কাছেই দাঁড়িয়ে থাকা একটি পুলিশের গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। প্রবল বেগে গাড়ি চালিয়ে দু’মাইল যাওয়ার পরে রাস্তার পাশের একটি গাছে ধাক্কা মারে সেটি। যদিও তাতে খুব বেশি আহতও হয়নি সেই যুবক। তারপর রীতিমতো পায়ে হেঁটেই গা ঢাকা দেয় সে।

    ওই ব্যক্তিকে ধরার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে ওহাইও এলাকার পুলিশ। জেরেমির নামে আগে থেকেই কোনও গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

  • ধোনির ‘ট্রিপল সেঞ্চুরি’

    ধোনির ‘ট্রিপল সেঞ্চুরি’

    ট্রিপল সেঞ্চুরি’টা করেই ফেললেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। রোববার হ্যামিল্টনে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে এই কীর্তি গড়েছেন ভারতের উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান।

    টি-টোয়েন্টিতে ট্রিপল সেঞ্চুরি?এও কি সম্ভব। ধোনি আসলে ‘ট্রিপল সেঞ্চুরি’ করেছেন ম্যাচ খেলে। ভারতের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ৩০০টি টি-টোয়েন্টি খেলার কীর্তি এখন তার। আর টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে তিনি এই ক্লাবের ত্রয়োদশতম খেলোয়াড়।

    ধোনির সঙ্গে ৩০০ টি-টোয়েন্টি খেলার কীর্তি গড়াদের মধ্যে আছেন কাইরন পোলার্ড, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, ক্রিস গেইল, শোয়েব মালিক, ডোয়াইন ব্রাভো, সুনিল নারিনের মতো ক্রিকেটাররা। এর মধ্যে পোলার্ড (৪৪৬) আর ব্রাভো (৪২৯) তো খেলেছেন চারশরও বেশি টি-টোয়েন্টি।

    এখন পর্যন্ত দেশ ভারতের হয়ে ৯৫টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ধোনি। বাকিগুলো খেলেছেন আইপিএলের দল চেন্নাই সুপার কিংস এবং রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্ট, বন্ধ হয়ে যাওয়া চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টি এবং ঘরোয়া লিগে ঝাড়খন্ডের হয়ে।

    ২০০৭ সালে অধিনায়ক হিসেবে ভারতকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও জিতিয়েছেন ধোনি। চেন্নাই সুপার কিংসকে শিরোপা জিতিয়েছেন তিনবার, দুইবার জিতেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টি।

    টি-টোয়েন্টিতে ৬১৩৬ রান করেছেন ধোনি। ২৬৯ ইনিংসের মধ্যে অপরাজিত ছিলেন ১৮৯ বারই। তবে এখন পর্যন্ত এই ফরমেটে সেঞ্চুরির দেখা পাননি ভারতের সাবেক অধিনায়ক। করেছেন ২৪টি ফিফটি। সঙ্গে উইকেটকিপিংয়ের গ্লাভস হাতে আছে ১৫৮টি ক্যাচ ও ৭৮টি স্ট্যাম্পিং।

  • সালাকে শ্রদ্ধা জানাতে নঁতের ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে

    সালাকে শ্রদ্ধা জানাতে নঁতের ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে

    এমিলিয়ানো সালাবিমান দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া এমিলিয়ানো সালার শোকে স্তব্দ ফরাসি ক্লাব নঁতে। এই ক্লাবের জার্সিতেই শেষবার খেলছেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। ক্লাবটি গভীরভাবে স্মরণ করছে সালাকে। তার পরা ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে পাঠিয়ে বিশেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে নঁতে।

    ফরাসি ক্লাবটি ছেড়ে ব্রিটিশ ক্লাব কার্ডিফে যোগ দিয়েছিলেন সালা। সেখানেই যাওয়ার সময় বিমান দুর্ঘটনায় মারা গেছেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। গোটা বিশ্বের শোকবার্তার সঙ্গে সাবেক ক্লাব নঁতে গভীর শ্রদ্ধা জানিায়েছে তাকে। নঁতে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে পাঠিয়ে দিয়েছে, যে জার্সি পরে চার বছর খেলেছেন সালা।

    ২০১৫ সালে বোর্দে থেকে নঁতেতে যোগ দিয়েছিলেন সালা। ক্লাবটির খেলা তিন মৌসুমে তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। নঁতে ছেড়ে অন্য ক্লাবে নাম লেখালেও সালা ছিলেন তাদের সমর্থকদের মনে। ক্লাবও গভীরভাবে স্মরণ করছে আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারকে। এক বিবৃতিতে নঁতে জানিয়েছে, এমিলিয়ানো সালার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে এফসি নঁতে। এমিলিয়ানো সবসময়ই অন্যতম কিংবদন্তি হয়ে থাকবেন, যিনি নঁতের জার্সিতে লিখেছেন ইতিহাস।

    ওই বিবৃতির পরের অংশে যোগ করা হয়েছে ক্লাব সভাপতি ওলদেমার কিতার বক্তব্য। তিনিই ঘোষণা করেছেন ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে যাওয়ার। নঁতে সভাপতির বক্তব্য, “আমার কোনও ভাষা নেই। এটা মর্মান্তিক এক ঘটনা। এমিলিয়ানো তার চিহ্ন এঁকে গেছেন। যে কারণে অনেক ভক্তদের মতো, আমিও তাকে সম্মান জানাচ্ছি ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে পাঠিয়ে।

  • আলিয়ার ওপর চটেছেন কঙ্গনা

    আলিয়ার ওপর চটেছেন কঙ্গনা

    ‘মনিকর্নিকা’ ছবির পক্ষে দাঁড়াননি বলে আলিয়া ভাটের ওপর চটেছেন বলিউড তারকা কঙ্গনা রনৌত। নারীর ক্ষমতায়ন ও জাতীয়তাবাদকে তুলে ধরতে তিনি ছবি বানিয়েছেন, সেটার পক্ষে যে নারী ও শিল্পী দাঁড়ায় না,সে কেমন শিল্পী? এ রকমই মনে করেন কঙ্গনা।অন্যদিকে কঙ্গনার মনে কোনো কষ্ট দিয়ে থাকলে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন আলিয়া ভাট।

    এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা বলেছেন, মুক্তির পর ‘দঙ্গল’, ‘সিক্রেট সুপারস্টার’, ‘রাজি’ ছবিগুলো দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আমির খান ও আলিয়া ভাট তাঁর ছবি দেখতে আসেনি। যদিও আলিয়া মনে করেন, অন্য কোনো কারণে কঙ্গনা তাঁর ওপর খেপে আছেন। সে জন্য তিনি গত বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আশা করি তিনি আমাকে অপছন্দ করেন না এবং আমি নিশ্চিত তিনি তা করেন না। আমি জানি না তিনি আমার কোনো আচরণে কষ্ট পেয়েছিলেন কি না। যদি পেয়ে থাকেন, তাহলে আমি তাঁর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

    আলিয়া ভাটের এই বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আনলে কঙ্গনা বলেন, ‘আমার মনে হয় সাফল্যের প্রকৃত অর্থ ও দায়িত্ববোধ কী জিনিস, সেটা আলিয়া জানে। আত্মীয় তোষণকারীরা কারও পক্ষে দাঁড়ায় না, কেবল নিজেদের পরিচিত লোকদের সঙ্গেই থাকে। আমার মনে হয় সে এটা থেকে বের হয়ে আসবে।’

    আগেও এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা দাবি করেছিলেন, ভারতের চলচ্চিত্র অঙ্গন তাঁর বিরুদ্ধে জোট বেঁধেছে। তিনি এসব নির্মম আত্মীয়কে মোটেই ভয় করেন না। ২০১৬ সালে ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানের এক পর্বে করণ জোহরকে ‘নেপোটিজমের পথপ্রদর্শক’ বলেন কঙ্গনা রনৌত। এরপর তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। আলিয়া ভাটকে নিয়ে এবার কঙ্গনা রনৌত বলেছেন, ‘মেরুদণ্ড শক্ত করে নারীর ক্ষমতায়ন এবং জাতীয়তাবাদী কোনো দৃঢ় চরিত্রে অভিনয় করের দেখান তিনি। করণ জোহরের হাতের পুতুল হওয়া ছাড়া তাঁর আলাদা অস্তিত্ব আছে বলে আমি মনে করি না।