Category: আন্তর্জাতিক

  • রিয়াল সতীর্থরা রোনালদোকে ভুলেই গেছেন!

    রিয়াল সতীর্থরা রোনালদোকে ভুলেই গেছেন!

    দুইবার করে স্প্যানিশ লিগ, কোপা দেল রে, স্প্যানিশ সুপার কাপ, উয়েফা সুপার কাপ, চারবার চ্যাম্পিয়নস লিগ, তিনবার ক্লাব বিশ্বকাপ—রিয়ালের হয়ে এত শত শিরোপা যে সতীর্থদের সঙ্গে জিতেছেন, তাদের জীবনেই এখন পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর কোনো মূল্য নেই। ড্রেসিংরুমে কেউ ভুলেও রিয়ালের সাবেক এই তারকাকে নিয়ে টুঁ শব্দও করে না। এমনটাই দাবি করেছেন রিয়ালের বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।

    রোনালদোর রিয়াল ছেড়ে জুভেন্টাসে যাওয়ার কিছুদিন পরই ইংলিশ ক্লাব চেলসি থেকে রিয়ালে নাম লিখিয়েছেন কোর্তোয়া। ফলে সরাসরি রোনালদোকে সতীর্থ হিসেবে পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি তাঁর। রোনালদো না থাকলেও, সতীর্থ হিসেবে রোনালদো কেমন, কী কী করতেন, এসব সম্পর্কে হয়তো কোর্তোয়ার জানার আগ্রহ ছিল। কিন্তু সে আগ্রহ থাকলেও সার্জিও রামোস, মার্সেলো, লুকা মদরিচ বা গ্যারেথ বেলরা আগ্রহ পূরণ করছেন কই? রিয়ালের বর্তমান কোনো খেলোয়াড়ই রোনালদোকে নিয়ে কোনো কথা বলে না, বেলজিয়ামের পত্রিকা হেট নিউজব্লেডকে এমনটাই জানিয়েছেন এই বেলজিয়ান গোলপ্রহরী, ‘রোনালদোকে নিয়ে লকার রুমে কেউই কথা বলে না। কারওরই ওকে নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই। মূলত সংবাদমাধ্যমগুলোই এ কাজটা করে (রোনালদোকে নিয়ে হাহাকার করা)। আর এটা তখনই হয় যখন আমরা কোনো ম্যাচ হেরে যাই, বা দশটা সুযোগ পেয়েও যেদিন গোল করতে পারি না, সে দিন বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ করা হয় যে আমরা হয়তো রোনালদোকে মিস করছি। ধরুন আমরা একদিন গোল করতে পারলাম না, কিন্তু ওদিকে রোনালদোর জোড়া গোলে জুভেন্টাস জিতে গেল—তখন রোনালদোকে নিয়ে হাহাকার করার কাজটা আরও সহজ হয়ে যায় সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য।’

    তবে কোর্তোয়া এটাও স্বীকার করেছেন রোনালদো না থাকার কারণে গোল করতে কষ্ট হচ্ছে তাদের, ‘রোনালদোর মতো স্ট্রাইকার না থাকার অর্থ মৌসুমে ৫০টা গোল কমে যাওয়া। রোনালদোর পর যেহেতু অন্য কোনো বিশ্বমানের স্ট্রাইকারকে আনা হয়নি, সেহেতু গোল করার ক্ষেত্রে একটু কষ্ট তো হচ্ছেই। এটা আমাদের জন্য কঠিন একটা মৌসুম, বেল-বেনজেমারা তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছে। হয়তো এটা আমাদের জন্য একটা পরিবর্তনের বছর।’

    রিয়াল যে রোনালদোকে আস্তে আস্তে মুছে দিতে চাচ্ছে এর নজির কিন্তু এটাই প্রথম নয়। পর্তুগিজ তারকাকে নিজেদের ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ধীরে ধীরে যেন মুছে দিচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। রিয়াল মাদ্রিদের ওয়েবসাইটের হোমপেজেই সেটির আঁচ আছে। কদিন আগে উয়েফার ঘোষিত ২০১৮ সালের বর্ষসেরা দলে রিয়ালের বর্তমান দলের চারজন খেলোয়াড় আছেন—রাফায়েল ভারান, সার্জিও রামোস, লুকা মদরিচ ও মার্সেলো। সেই চারজনকে নিয়ে উচ্ছ্বাস থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু দলে যে রোনালদোও আছেন, সেটি সামনেই আনছে না রিয়াল। এখন ‘পর’ হয়ে যাওয়া রোনালদোকে নিয়ে উচ্ছ্বাস না-ই থাকতে পারে, তাই বলে তাঁর নামটাও বর্ষসেরা দলের অন্য ক্লাবের খেলোয়াড়দের মতো সাদামাটাভাবে দিতে হবে! টের স্টেগেন, ফন ডাইক, কান্তে, হ্যাজার্ড, মেসি, এমবাপ্পে—সবার নামের পাশে ব্র্যাকেটে ক্লাবের নাম লেখা, সেভাবেই রোনালদোর পাশেও লেখা (জুভেন্টাস ও রিয়াল মাদ্রিদ।) আলাদা কদর সেখানে রোনালদো পাননি। রোনালদো জুভেন্টাসে যাওয়ার পরপরই ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে রোনালদোকে ‘আনফলো’ করে দেয় রিয়াল। রোনালদোও পরে ‘শোধ’ নিয়েছেন। অথচ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ‘প্রেম’ রোনালদোর এখনো ঠিকই আছে। রিয়ালের ওয়েবসাইটে ক্লাবের লেজেন্ড ও ক্লাবের ইতিহাস নামে দুটি ভাগে আলফ্রেডো ডি স্টেফানো ও জিনেদিন জিদান থাকলেও রোনালদো নেই। সর্বশেষ কয়েক বছরে রিয়ালের জেতা ট্রফিগুলোর ছবির বেশির ভাগেও রোনালদো সামনের সারিতে নেই, কয়েকটিতে একেবারেই নেই!

    রোনালদোকে সম্ভব সব জায়গা থেকে মুছে ফেলতে রিয়ালের এই চেষ্টা যে খুব ভেবেচিন্তেই করা হচ্ছে, সেটি ইংলিশ দৈনিক ডেইলি মেইলকে বলেছে রোনালদোর এক ঘনিষ্ঠ সূত্র। এভাবে মুছে দিলেও, এক রোনালদো জন্যই তারা যেসব শিরোপা জিতেছে, সেগুলোর কথা কি রামোসরা চাইলেও অস্বীকার করতে পারবেন?

  • ধোনি ফিরতেই বদলে গেল ভারত

    ধোনি ফিরতেই বদলে গেল ভারত

    বিরাট কোহলি ছিলেন না, ছিলেন না মহেন্দ্র সিং ধোনিও। চতুর্থ ওয়ানডেতে সেই ভারতকে যেন মনে হলো ক্রিকেটের নবীশ কোনো দল। বড় এই দুই তারকার বিশ্রামের সুযোগে সফরকারি দলকে রীতিমত লজ্জায় ডুবায় প্রথম তিন ম্যাচ হেরে সিরিজ খুয়ানো নিউজিল্যান্ড। বলের হিসেবে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হার দেখে ভারত।

    সেই ধাক্কা খেয়ে ওয়েলিংটনে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে ধোনিকে একাদশে ফিরিয়ে আনে ভারত। আর তাতেই যেন বদলে যায় দল। কোহলি বিশ্রামে ছিলেন এই ম্যাচেও। তবে ধোনির ফেরার ম্যাচে ৩৫ রানের জয় তুলে নিয়েছে দুইবারের বিশ্বকাপজয়ীরা। ৪-১ ব্যবধানে সিরিজের ট্রফিটাও হাতে তুলেছে তারা।

    ধোনি অবশ্য ব্যাট হাতে একদমই সফল ছিলেন না। মাত্র ১ রান করেন সাবেক এই অধিনায়ক। কিন্তু দলে কি তার দরকারটা শুধু ব্যাটিং কিংবা উইকেটকিপিংয়েই? ধোনি একাদশে থাকা মানে বাড়তি একজন অধিনায়ক নিয়ে খেলতে নামা। অতীতেও মাঠে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব রাখতে দেখা গেছে তাকে।

    টস জিতে ব্যাট করতে নেমে অবশ্য আরও একবার বড় বিপদে পড়েছিল ভারত। ১৮ রানের মধ্যে তারা খুইয়ে বসেছিল ৪ উইকেট। পঞ্চম উইকেটে বিজয় শঙ্করকে নিয়ে ৯৮ রানের বড় জুটিতে দলকে বিপদ থেকে বাঁচান আম্বাতি রাইডু।

    ৪৫ রানে রানআউটের কবলে পড়েন বিজয় শঙ্কর। এরপর কেদর যাদবকে নিয়ে ৭৪ রানের আরেকটি জুটি রাইডুর। সেঞ্চুরির খুব কাছে চলে এসেছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত রাইডুকে ফিরতে হয়েছে ১০ রানের আক্ষেপ নিয়ে। ১১৩ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ৪ ছক্কায় তার ব্যাট থেকে আসে ৯০ রান।

    পরে হার্দিক পান্ডিয়ার ঝড়ে ২৫২ রানের লড়াকু পুঁজি গড়তে পেরেছে ভারত। ২২ বলে ২ চার আর ৫ ছক্কায় এই অলরাউন্ডার করেন ৪৫। এছাড়া কেদর যাদবও করেন ৩৪ রান।

    নিউজিল্যান্ডের ম্যাট হেনরি ৩৫ রানে নেন ৪টি উইকেট। ৩টি উইকেট শিকার ট্রেন্ট বোল্টের।

    জবাব দিতে নেমে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ইনিংসের ৩৫ বল বাকি থাকতেই ২১৭ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। স্বাগতিক দলের কেউ হাফসেঞ্চুরিও করতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৪৪ রানের ইনিংস আসে জেমস নিশামের ব্যাট থেকে। কেন উইলিয়ামসন ৩৯ আর টম লাথাম করেন ৩৭ রান।

    ভারতের পক্ষে ৩টি উইকেট নেন ইয়ুজবেন্দ্র চাহাল। ২টি করে উইকেট পান মোহাম্মদ শামি আর হার্দিক পান্ডিয়া।

  • বাবা শাহরুখের ওপর মেয়ের নজরদারি!

    বাবা শাহরুখের ওপর মেয়ের নজরদারি!

    শাহরুখ খানের ‘জিরো’ বক্স অফিসে কার্যত ‘জিরো’ই পেয়েছে। মুক্তির আগে শোনা গিয়েছিল, ছবিটি বলিউড বাদশার কেরিয়ারের অন্যতম। তবে হলে গিয়ে হতাশই হয়েছেন বেশিরভাগ দর্শক। সোশ্যাল মিডিয়ায় দর্শকের একটা বড় অংশ তেমনই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।

    বক্স অফিসে ‘জিরো’ পেলেও শাহরুখের জীবনে ছবিটির মূল্য সত্যিই অপরিসীম। প্রথমবারের মতো বামনের চরিত্রে কিং খানকে দেখেছেন দর্শক। তবে সেটিই আসল কারণ নয়। ছবিটিতে প্রথমবারের মতো মেয়ে সুহানার সঙ্গে কাজ করেছেন কিং খান।

    মেয়ের সঙ্গে কাজ করতে গিয়েও পড়েছিলেন বিশেষ নজরে। সেটি আর কেউ নন, সয়ং মেয়েই তাকে নজরে রাখতেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে শাহরুখ খান নিজেই এমন তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি জানান, ‘জিরো’তে পরিচালক আনন্দ এল রাইয়ের সঙ্গে সহ-পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন সুহানা। তিনি বলেন, ‘জিরোর শুটিংয়ে আমি ক্যাটরিনা আর আনুশকার ওপর সুহানাকে নজর রাখতে বলেছিলাম। কারণ ওরা দু’জনে দু’টো আলাদা ঘরানার অভিনেতা। ক্যাটরিনা চার্মিং, আর আনুশকা নিজের মতো রিঅ্যাক্ট করে। কিন্তু, ওরা করল কী, সুহানাকে আমার ওপর নজর রাখতে বলল। যাতে আমি বাড়ি থেকে ঠিক সময়ে শুটিংয়ে পৌঁছাই। সুহানা বলত, বাবা শট রেডি।’

    ‘জিরো’ থেকে সুহানা যা কিছু শিখেছে, তাতে খুশি বাবা শাহরুখ। কিন্তু তিনি চান, মেয়ে আগে পড়াশোনা শেষ করুক। বলেন, ‘পড়াশোনাটা করতে হবে। সুহানা মঞ্চে কাজ করতে চায়। পথ-নাটক করতে চায়। অনেক সুযোগ আসবে। কিন্তু আগে পড়াশোনা শেষ করতে হবে।’

  • সানি লিওনের স্বামীর হাতে হাতকড়া

    সানি লিওনের স্বামীর হাতে হাতকড়া

    হঠাৎ কী করেছেন সানি লিওনের স্বামী ড্যানিয়েল? যার কারণে তাকে হাত কড়া পরতে হলো। সম্প্রতি স্যোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছেন সানি নিজেই তার স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারকে হাত কড়া পরিয়ে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন! নিজের ইন্সটাগ্রামে এমন ভিডিও নিজেই পোস্ট করেছেন সানি।

    কারণটাও বেশ মজার। ড্যানিয়েলকে হাতকড়া পরিয়ে জিমে নিয়ে গেলেন যাচ্ছেন সানি, সেখানে ব্যায়াম করাচ্ছেন তাকে।

    সানি লিওন ভিডিওটি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘জিমে হাতকড়া চ্যালেঞ্জ নিচ্ছি আমি। আপনারাও আমার সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। নিজেকে এমন কিছুর সঙ্গে বেঁধে নিন যাকে ছাড়া আপনি থাকতে পারবেন না।

    এদিকে সানি লিওন দক্ষিণি সিনেমায় পা রাখতে চলেছেন। মালয়লাম চলচ্চিত্রে অভিষেক হচ্ছে তার। এরই মধ্যে মালয়লাম চলচ্চিত্রের সুপারস্টার মাম্মুটির সঙ্গেে একটি বিশেষ গানে নাচও করছেন।

    জানা গেছে, সানি লিওন মাম্মুটির সঙ্গে ‘মধুরা রাজা’ সিনেমায় কাজ করবেন। এখানেই শেষ নয়, মালয়লাম চলচ্চিত্র ‘রঙ্গিলা’ তেও মুখ্য ভূমিকায় কাজ করবেন তিনি। পর্ণস্টার থেকে সিনেমায় ফিরে বলিউডেও বেশ কিছু সিনেমাও উপহার দিয়েছেন সানি।

  • টাকা পাচার করে লন্ডনে ফ্ল্যাট! আগাম জামিন পেলেন রবার্ট বঢরা

    টাকা পাচার করে লন্ডনে ফ্ল্যাট! আগাম জামিন পেলেন রবার্ট বঢরা

    আগাম জামিন পেয়ে গেলেন প্রিয়ঙ্কা গাঁধীর স্বামী  রবার্ট বঢরা।টাকা পাচার করে লন্ডনে সম্পত্তি কেনার মামলায় অভিযুক্ত রবার্টকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগাম জামিন দিল দিল্লির পাটিয়ালা হাউজ কোর্ট। শনিবার, তবে রবার্টের আইনজীবী কে টি এস তুলসী এ দিন আদালতে জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল নির্ধারিত সূচি মেনে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)-এর জেরায় হাজির হবেন। তদন্তে পুরোপুরি সহযোগিতা করবেন।

    অভিযোগ, লন্ডনের ব্রায়ানস্টন স্কোয়্যারে ১ কোটি ৯০ লক্ষ পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় ১৫ কোটি টাকারও বেশি) মূল্যের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যা আদতে রবার্টেরই। আর সেটি কিনতে গিয়ে অর্থ পাচার করেছেন রবার্ট। এর আগে এই মামলায় আর এক অভিযুক্ত, রবার্ট-ঘনিষ্ঠ মনোজ অরোরাকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগাম জামিন দিয়েছিল আদালত।

    গত ১৯ জানুয়ারির শুনানিতে ইডি-র তরফে আদালতে জানানো হয়েছিল, মনোজ তদন্তে সহযোগিতা করছেন। মনোজ অবশ্য এর আগে বলেছিলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিশোধ’ নিতেই এনডিএ সরকার তাঁকে এই মামলায় ফাঁসিয়েছে।

    বিতর্কের সূত্রপাত লন্ডনের ব্রায়ানস্টোনের একটি ফ্ল্যাট ঘিরে। আদালতে ইডি দাবি করে, সঞ্জয় ভাণ্ডারি নামে এক প্রতিরক্ষা সামগ্রীর ব্যবসায়ী ওই ফ্ল্যাটটি ১৯ লক্ষ ইউরো দিয়ে কেনেন। তার পর সংস্কারের জন্য খরচ করেন প্রায় ৬৫,৯০০ ইউরো। কিন্তু তার পরও সেটি ওই ১৯ লক্ষ ইউরোতেই বঢরার সংস্থাকে বিক্রি করে দেন।

    কিন্তু ইডির অভিযোগ, প্রথমে ভারত থেকে দুবাইয়ে টাকা পাচার করা হয়। সেই পাচার করা টাকা দিয়েই লন্ডনের ওই ফ্ল্যাটটি রবার্ট বঢরার সংস্থার নামে কেনা হয়। ফলে ফ্ল্যাটের প্রকৃত মালিক বঢরাই। আর এই লেনদেনে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন বঢরা ঘনিষ্ঠ মনোজ অরোরা। তাই মামলায় প্রধান সাক্ষীও এই মনোজই।

  • কিস বাত কা ডর লাগ রাহা হ্যায় রে? স্ব-ভঙ্গিতে মমতাকে বললেন মোদী

    কিস বাত কা ডর লাগ রাহা হ্যায় রে? স্ব-ভঙ্গিতে মমতাকে বললেন মোদী

    ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রথমবার রাজ্যে এসেছেন নরেন্দ্র মোদী। ফের একবার ক্ষমতায় ফিরতে তিনি যে তাঁর বক্তব্যে উত্তাপ বাড়াবেন, তেমনটাই আশা করা হয়েছিল। ঠাকুরনগরের সভায় বিশৃঙ্খলার কারণে সেই সুযোগ না পেলেও দুর্গাপুরে গিয়ে কার্যত সদ্ব্যবহার করলেন মোদী। দুর্নীতি আর সিবিআই নিয়ে মমতা সরকারকে একহাত নিলেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘আরে দিদি, আপনি যদি কোনও ভুল করেননি, তাহলে এত ভয় কীসের?’ বারবার নিজেকে দুর্ণীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা ‘চৌকিদার’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘আমাকে এত গালি দেওয়ার একটাই কারণ। আমি দুর্নীতি বন্ধ করতে চাইছি।

    রাজ্য প্রসঙ্গে নরেন্দ্র মোদী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে মোদী নিজের সুরেই বলেন, ‘আরে কিস বাত কা ডর লাগ রাহা হ্যায় রে?’

    তিনি মনে করিয়ে দেন, একসময় গুজরাতে তিনিও সিবিআই-এর জেরার মুখে পড়েছিলেন। তাঁকে দিয়ে যা খুশি তাই করানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি সংস্থাকে অপমান করেননি। গুজরাত থেকে কখনও সিবিআই-কে সরাতে চাননি বলে দাবি করেন তিনি। বুক বাজিয়ে বলেন, ‘হাম ইমানদার হ্যায়।’

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একটার পর একটা দুর্নীতির অভিযোগ এনে মোদী বলেন, ‘চিটফান্ড হোক, সারদা হোক, ছবি হোক, সব তার একটাই দরজার দিকে যাচ্ছে।’

    ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই দুর্নীতি বন্ধ করার বার্তা দিয়েছেন মোদী। এদিন শুধু ‘দিদি’ নয় মহাজোটের সব নেতাদের প্রসঙ্গই টেনে আনেন মোদী। বলেন, কারও ভাই, কারও ভাইপো, কারও ছেলের বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগ। সবাই ভয় পেয়ে একজোট হয়েছে বলে দাবি করেন মোদী।

  • দুর্নীতিতে নিমজ্জিত লঙ্কান ক্রিকেটে মহা বিপর্যয়ের আভাস!

    দুর্নীতিতে নিমজ্জিত লঙ্কান ক্রিকেটে মহা বিপর্যয়ের আভাস!

    শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে অস্থিরতার যেন শেষ হচ্ছে না। দিন যত গড়াচ্ছে ততই সমস্যার পাল্লা ভারী হচ্ছে। এর কোনো সমাধান আপাতদৃষ্টিতে দেখা যাচ্ছে না। তাই নিজ দেশের ক্রিকেটাঙ্গণে মহাবিপদের আগমন ধ্বনি শুনছেন বিশ্বকাপজয়ী সাবেক অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা। আসন্ন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা প্রথম রাউন্ড পার হতে পারবে কিনা সেটা নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

    শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে যে হারে দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা ছেয়ে গেছে, সেটা সেখানকার ক্রিকেটের চরম ক্ষতি করছে বলে মনে করেন রানাতুঙ্গা। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কাকে বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক বলেন, ‘বোর্ডে চরম দুর্নীতি। ক্রিকেটাররা খুবই হতাশ। নিজেদের মধ্যে মারামারি শুরু করে দিয়েছে ওরা। এভাবে চলতে থাকলে শীঘ্রই মহা বিপর্যয় নেমে আসবে দেশের ক্রিকেটে!’

    ক্রিকেট ছাড়ার পরে রাজনীতিতে এসে রানাতুঙ্গা এখন শ্রীলঙ্কার পরিবহন মন্ত্রী। সম্প্রতি তিনি শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। সেই রানাতুঙ্গা দেশের ক্রিকেটের দুর্দশার জন্য আঙুল তুলেছেন বোর্ড কর্মকর্তা ও কিছু সাবেক ক্রিকেটারের দিকে। নিউজিল্যান্ডে ৩টি ওয়ানডে এবং ১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হারের পাশাপাশি দুই টেস্টের সিরিজেও ১-০ হেরেছিল শ্রীলঙ্কা। তারপর অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে হেরেছে প্রথম টেস্ট। রানাতুঙ্গা এরপর আর বিশ্বকাপ নিয়ে কোনো আশাই দেখছেন না।

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীলঙ্কার তারকা পেসার লাসিথ মালিঙ্গা ও তারকা অল-রাউন্ডার থিসারা পেরেরার মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়ে যায়, যা নিয়ে ঝড় ওঠে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটাঙ্গনে। মালিঙ্গার স্ত্রী তানিয়া অভিযোগ করেন, থিসারা দলে জায়গা পাকা করার জন্য দেশের ক্রীড়ামন্ত্রীর সাহায্য নিচ্ছেন। যার জবাবে নিজের সাম্প্রতিক সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেছিলেন থিসারা। এই জবাবের পরেও আজও থিসারাকে আক্রমণ করেন মালিঙ্গার স্ত্রী।

    মালিঙ্গার বিরুদ্ধে বোর্ডে অভিযোগ করেন থিসারা। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড দুই ক্রিকেটারকে সতর্ক করে দেওয়া সত্ত্বেও তাদের ঝামেলা থামেনি। এই প্রসঙ্গে রানাতুঙ্গা বলছেন, ‘দলের ক্রিকেটারদের আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ করা প্রয়োজন। এসব বন্ধ হওয়া দরকার। কিছু ক্রিকেটার দেশের জন্য নয়, নিজেদের স্বার্থের জন্য খেলে। আমি ক্ষমতায় এলে ওদের দল থেকে বের করে দেব।’

    ৯ মাসের জন্য স্থগিত থাকার পরে এই মাসেই বোর্ডে নির্বাচন হতে পারে। সেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জয়ের আশা করছেন রানাতুঙ্গা।

  • দ্বিতীয়বারের মতো জুটি হতে যাচ্ছেন বরুণ ধাওয়ান ও শ্রদ্ধা কাপুর, এবার ‘থ্রি’

    দ্বিতীয়বারের মতো জুটি হতে যাচ্ছেন বরুণ ধাওয়ান ও শ্রদ্ধা কাপুর, এবার ‘থ্রি’

    বরুণ ধাওয়ান ও শ্রদ্ধা কাপুর তাদের এর আগে দেখা যায় ‘এবিসিডি টু’তে। ওই সিনেমার পরিচালক রেমো ডি সুজাই বানাচ্ছেন ‘থ্রি’।

    ইতিমধ্যে পাঞ্জাবে শুরু হয়েছে সিনেমাটির শুটিং। শ্রদ্ধা ও অন্য অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি ১০ ফেব্রুয়ারি ‘থ্রি’ টিমের সঙ্গে যোগ দেবেন লন্ডনে। চলতি বছরের মাঝামাঝিতে শেষ হবে ছবির দৃশ্যায়ন।

    এ সিনেমার সঙ্গে ‘এবিসিডি টু’র ধারাবাহিকতা থাকলেও শ্রদ্ধা ও বরুণকে দেখা যাবে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সদস্য হিসেবে। দুর্দান্ত কিছু ড্যান্স মুডে তারা পর্দা মাতাবেন, যা এ সিরিজের আগের দুই সিনেমার কোনোটিতে দেখা যায়নি।

    সিনেমাটির প্রযোজনা করবেন টি-সিরিজের ভূষণ কুমার। তিনি নিজেও নাচের ভক্ত। ভূষণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ‘থ্রি’তে যোগ করবেন পুরোনো ‍দুটি গান। অবশ্যই নতুন সংগীতায়োজনে। তিনি জানান, একটি হবে ১৯৯০ এর দশকের জনপ্রিয় গান। অন্যটি গুরু রানধাওয়ার গান।

    জানা গেছে, ‘থ্রি’ নির্মিত হবে বড় বাজেটে। বলিউডের সবচেয়ে বড় নাচের সিনেমা হতে যাচ্ছে এটি। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের একাধিক ড্যান্স ফর্মের সঙ্গে তাল মেলাবেন তারকারা।

    ২০১৫ সালে মুক্তি পায় ‘এবিসিডি টু’। ৬৫ কোটি রুপি বাজেটের সিনেমাটি আয় করে ১৬৫ কোটি রুপি।  এর দুই বছর আগে মুক্তি পাওয়া ‘এবিসিডি’ ২০ কোটি রুপি বাজেটের বিপরীতে আয় করে ৭৬ কোটি রুপি। তবে প্রথম সিনেমার সঙ্গে দ্বিতীয় কিস্তির গল্পের কোনো মিল নেই।

  • আমেরিকান গায়িকা মারিয়া ক্যারি সৌদি আরব মাতালেন

    আমেরিকান গায়িকা মারিয়া ক্যারি সৌদি আরব মাতালেন

    জনপ্রিয় আমেরিকান গায়িকা মারিয়া ক্যারি সৌদি আরব মাতালেন। বৃহস্পতিবার দেশটির প্রথম আন্তর্জাতিক গালফ টুর্নামেন্টের অংশ হিসেবে এ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। সমসাময়িক নারী শিল্পীদের মধ্যে মারিয়াই প্রথম যিনি দেশটিতে সংগীত পরিবেশন করলেন।

    আরব নিউজ জানায়, কিং আবদুল্লাহ ইকোনমিক সিটিতে এ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। মঞ্চে উঠে মারিয়া ক্যারি বলেন, এ রাতে আপনাদের সবাইকে পেয়ে আমি খুবই খুশি।

    এর মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হলো, বিনোদন প্রসঙ্গে আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে সৌদি আরব। সর্বশেষ কয়েক বছরে বিনোদন ও লৈঙ্গিক প্রশ্নে দেশটির নিয়ম-কানুনে কিছু সংস্কার আনা হয়।

    অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন কয়েকশ’ শ্রোতা। পুরোপুরি ফূর্তির মেজাজে তারা গান উপভোগ করেন। স্থানীয়দের পাশাপাশি কনসার্টে ছিলেন বিদেশিরাও।মারিয়া পরিবেশন করেন লাইক দ্যাট, শেইক ইট অফ, লাভ টেকস টাইম, ফ্যান্টাসি, অলওয়েজ বি মাই বেবি, ড্রিম লাভার, হানিসহ বেশ কিছু জনপ্রিয় গান।

    ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলমান গালফ টুর্নামেন্ট উপলক্ষে আরও পারফর্ম করবেন পর্তুগালের ডিজে টিয়েসটো, ইয়েমেন-আমিরাত বংশোদ্ভূত গায়ক বালকিস ফাথি ও জ্যামাইকার র‌্যাপার সিন পল।

    সৌদি আরবে সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের একাধিক লাইভ কনসার্ট হয়েছে। এর পেছনে রয়েছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা।

    ২০১৬ সালের অক্টোবরে নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক থিয়েটার গ্রুপ ইলুমিনেট রিয়াদে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে। দেশটিতে এ ধরনের প্রকাশ্য অনুষ্ঠান তখন ছিল একদমই বিরল।

    পরের বছর জানুয়ারিতে জেদ্দায় লাইভ পারফর্ম করেন সৌদি তারকা মোহাম্মদ আবদু। সঙ্গে ছিলেন দেশটির আরেক শিল্পী রেবাহ সাগের ও ইরানি-সৌদি গায়ক মাজিদ আল-মুহান্দিস। সাত বছরের মধ্যে এটি ছিল শহরের প্রথম প্রকাশ্য মিউজিক কনসার্ট।

    সর্বশেষ ডিসেম্বরে রিয়াদে তিনদিনের এক সংগীত অনুষ্ঠানে গান করে স্পেনিশ-আমেরিকান গান এনরিক ইগলেসিয়াস, ব্ল্যাক আইড পিয়াস ও ডেভিড গুয়েটা।

  • ভারতকে হারানো কঠিন, বলছে আইসিসিও

    ভারতকে হারানো কঠিন, বলছে আইসিসিও

    ২০ বছর পর ইংল্যান্ডে ফিরছে বিশ্বকাপ। গত দুই বছর ওয়ানডে ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে আছে ইংলিশরা। এর ওপর ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ। ফলে বহুদিন পর বিশ্বকাপের ফেবারিট হিসেবে ইংল্যান্ডের নাম তোলা হচ্ছে। কিন্তু অধরা বিশ্বকাপটা তাদের হাতে উঠবে কি না সন্দেহ থাকছেই। স্বয়ং আইসিসিই যে বলছে, ভারতকে টপকে অন্য কারও জেতা খু কঠিন হবে।

    দুর্দান্ত ফর্মে আছে বিরাট কোহলির দল। দক্ষিণ আফ্রিকায় ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর অস্ট্রেলিয়াতেও সাফল্য ধরে রেখেছে তারা। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সব সময় অসহায় হয়ে পড়া ভারত এবার সেখানেও জাত চেনাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডকে কোনো সুযোগ না দিয়ে প্রথম তিন ম্যাচেই সিরিজের মীমাংসা করে দিয়েছে। পরের দুই ম্যাচে তাই মূল দল না খেলানোর বিলাসিতাও দেখাতে পারছে এখন। এভাবে প্রতিপক্ষের মাটিতে ভারতের এমন দাপুটে খেলা দেখে সবাই মুগ্ধ হচ্ছেন।

    ১৯৯২ সালের ফরম্যাটে হবে এবারের বিশ্বকাপ। ফলে প্রত্যেক দল মুখোমুখি হবে একে অপরের। কোনো গ্রুপ নেই বলে পরিস্কার ফেবারিট বলা কঠিন। আর দলও মাত্র ১০টি খেলছে এবার। এমন ১০টি দল যারা নিজেদের দিনে যে কোনো প্রতিপক্ষকে হারাতে পারে। আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন তাই প্রথমে ফেবারিট হিসেবে কোনো দলকে চিহ্নিত করতে চাননি। কিন্তু পরে নিজেই স্বীকার করেছেন এবার ভারতকে হারানো কঠিন হবে, ‘কোন বিজয়ী ঠিক করা খুব কঠিন। ভারত অবশ্যই খুব ভালো খেলছে। ইংলিসগ অনেক বছর পর তাদের সেরা ওয়ানডে দল পেয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকাও ভালো পারফর্ম করছে। কিন্তু গত কয়েক বছরে ভারত যে উন্নতি করেচগে, তাতে ওদের হারানো খুবই কঠিন হবে।