Category: আন্তর্জাতিক

  • জঙ্গি থেকে সেনা হয়ে ওঠা নাজির আহমেদ পেলেন সাহসিকতার সর্বোচ্চ সম্মান

    জঙ্গি থেকে সেনা হয়ে ওঠা নাজির আহমেদ পেলেন সাহসিকতার সর্বোচ্চ সম্মান

    প্রজাতন্ত্র দিবসে সেনা সম্মান ‘অশোক চক্র’ তুলে দেওয়া হল শহিদ জওয়ান ল্যান্সনায়ক নাজির আহমেদের স্ত্রী’র হাতে। নিজে মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও দেশের জন্য জঙ্গিনিধন করেছিলেন তিনি। তাই তাঁকে দেওয়া হল সাহসিকতার জন্য দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার।

    একসময় জঙ্গিদের দলে ছিলেন আজকের এই নায়ক। পরবর্তীকালে সন্ত্রাসবাদ ছেড়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে বীরত্বের পরিচয় দেন তিনি। গত বছরের নভেম্বরে কাশ্মীরের শোপিয়ানে সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযানে গিয়ে শহিদ হন ল্যান্সনায়েক নাজির আহমেদ ওয়ানি। নাজিরের স্ত্রী মহাজীবনের হাতে এই সম্মান তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

    সেনাবাহিনীর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ২০০৪ সালে জম্মু ও কাশ্মীর লাইট ইনফ্যান্ট্রির ১৬২ ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়নে যোগ দেন নাজির। তাঁর বাড়ি জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগাম জেলার চেকি আশমুজিতে। শুরু থেকেই অসাধারণ বীরত্ব ও সাহসিকতার পরিচয় দিতে থাকেন নাজির। তিনি সবসময় জম্মু ও কাশ্মীরে শান্তি স্থাপনের চেষ্টা করতেন। সাহসিকতার জন্য ২০০৭ ও ২০১৮ সালে সেনা পদক পান তিনি।

    ২০০৪ সালেই জঙ্গি ডেরা থেকে পালিয়ে আসেন নাজির। আত্মসমর্পণ করে পুলিশকে নাজির জানিয়েছিলেন, দেশের জন্য তিনি কিছু করতে চান। নাজিরের কথা বিশ্বাস করেন এক সেনা আধিকারিক। শুরু হয় তাঁর সেনা প্রশিক্ষণ৷ প্রশিক্ষণ শেষে কাজে যোগ দেন নাজির৷ একের পর এক অভিযানে গিয়ে জঙ্গি দমন করেন৷ গত ২৩ নভেম্বর সোপিয়ানে এমনই এক জঙ্গি নিধন অভিযানে যান ৩৪ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের এই জওয়ান৷ ওই দিনই শহিদ হন৷ কিন্তু মারা যাওয়ার আগে জম্মু কাশ্মীরের সোপিয়ানে হিজবুল ও লস্কর জঙ্গিকে নিকেষ করেন৷

  • প্রণব মুখার্জিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    প্রণব মুখার্জিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি সে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ভারতরত্নে ভূষিত হওয়ায় তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বাসসকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতরত্ন পদক লাভ করায় ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    ভারতের প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিকে গতকাল শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ভারতরত্ন পদক ভূষিত করেন।

    আজ শনিবার ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে এই পদক প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সংগীতশিল্পী ভূপেন হাজারিকা ও সমাজকর্মী নানাজী দেশমুখকে মরণোত্তর এই পদক দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন কংগ্রেসের রাজনীতি করা প্রণব মুখার্জি ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সময়ে কংগ্রেস সরকারের আমলে ভারতের অর্থ, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

  • একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিলেন ১৯ বছরের রুবিনা

    একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিলেন ১৯ বছরের রুবিনা

    প্রথমবারই একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়ে ‘রেকর্ড’ করেছেন রুবিনা বেগম (১৯) নামের এক গৃহবধু। বিরল এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। আশ্চর্যের কথা হলো-কোনো সিজার লাগেনি, নর্মালভাবেই পাঁচ সন্তান জন্ম দিয়েছেন রুবিনা। সাধারণত এ সব ক্ষেত্রে প্রচুর রক্তপাতের আশঙ্কা থাকে। তবে রুবিনার তেমন রক্তপাত হয়নি। তিনি পুরোপুরি সুস্থ আছেন।

    এর আগে গর্ভাবস্থায় আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করতে গিয়ে ডাক্তার দেখেন,তার গর্ভে একসঙ্গে চারটি সন্তান রয়েছে। আগামী মার্চের শেষে বা এপ্রিলের গোড়ায় দিকে তার প্রসব হওয়ার কথা ছিলো।কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোর রাতেই তার প্রসব বেদনা ওঠে। তাকে সকাল সাড়ে ছ’টায় ভর্তি করানো হয় মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মা হন রুবিনা।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একসঙ্গে চারটি মেয়ে এবং একটি অপরিণত মাংসপিণ্ডের জন্ম দেন রুবিনা।এ সম্পর্কে রুবিনার চিকিৎসক মহকুমা হাসপাতালের স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞ অলোক সাঁতরা জানান, এমন ঘটনা ৮-১০ বছরে একটি ঘটে। আর জিনগত কারণেই এমনটা হয়ে থাকে।

    রুবিনার স্বামী মকসেদ মহম্মদ পেশায় একজন দিনমজুর। ডেলিভারির আগে তার ওজন ছিল মাত্র ৩৯ কেজি। এত কম ওজন আর এতগুলি বাচ্চা নিয়ে পূর্ণ গর্ভাবস্থা কাটানো কঠিন বলেই বিশেষজ্ঞদের মত।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জন্মের সময়ে চারটি কন্যার ওজন ছিল ৩৮৫ গ্রাম, ৫৮৫ গ্রাম, ৬৮২ গ্রাম, ৯০০ গ্রাম। বাকি অসম্পূর্ণ মৃত সন্তানটির দু’টো পা ও একটি হাত তৈরি হয়েছিল।

    প্রসবের পর মেখলিগঞ্জ থেকে রুবিনা ও তার সন্তানদের জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতালে নেয়ার পথে তার এক সন্তান মারা গেছে বলে একটি অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে। তবে বাকি তিন সন্তান ও রুবিনা ভাল আছে।

  • এই চারজনের হাত এক হলেই মোদির পতন: নিজেদের করা সমীক্ষা প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপ

    এই চারজনের হাত এক হলেই মোদির পতন: নিজেদের করা সমীক্ষা প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপ

    বিরোধীরা হাত মেলালেই মোদি সরকারের পতন নিশ্চিত। লোকসভার আগে প্রথম বড় সমীক্ষাতেই এমনই আভাষ পাওয়া গেছে।বৃহস্পতিবার নিজেদের করা সমীক্ষা প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপ। আর সেখানেই মিলেছে মোদি সরকারের পতনের ইঙ্গিত। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখনও দেশের মানুষের প্রথম পছন্দ নরেন্দ্র মোদিই। তবে, জনপ্রিয়তায় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে টক্কর দিচ্ছেন রাহুল গান্ধীও।ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপের সমীক্ষা অনুযায়ী, এখনই লোকসভা ভোট হলে গোটা দেশে ২৩৭টি আসন পাবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। গত বছরের তুলনায় যা ৯৯টি আসন কম।

    অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জিতবে ১৬৬টি আসন। যা গতবারের তুলনায় ১০৬টি আসন বেশি। ইউপিএ-র অধীনে রয়েছে কংগ্রেস, ডিএমকে, এনসিপি, আরজেডি এবং জেডিএস, জেএমএম-সহ কয়েকটি ছোট দল।অন্যদিকে, অন্যান্য দলগুলি পাবে ১৪০টি আসন। এই অন্যান্য দলগুলির মধ্যে রয়েছে উত্তরপ্রদেশের সপা-বসপা জোট। পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস, উড়িশ্যার বিজেডি, অন্ধ্রপ্রদেশের ওয়াইএসআর কংগ্রেস, তেলেঙ্গানার টিআরএস এবং বামফ্রন্টের মতো দলগুলি।

    অর্থাৎ ত্রিশঙ্কু হতে চলেছে আগামী লোকসভা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম আসন পেলেও ইউপিএ-র সরকার গড়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ, বিজেপি তথা এনডিএ-র সঙ্গে সহজে কোনও দল জোটে যেতে চাইবে না। আবার, এআইএডিএমকে, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, টিআরএস এবং বিজেডির মতো বিজেপির বন্ধু মনোভাবাপন্ন দলগুলি এনডিএ-তে যোগ দিলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছাতে পারছেন না মোদি। সেক্ষেত্রে তারা আটকে যাচ্ছেন ২৫৭ আসনে। অন্যদিকে, মায়াবতী-অখিলেশ এবং মমতা ইউপিএ শিবিরে যোগ দিলেই সরকার গড়ার মতো জায়গায় পৌঁছে যাবে বিরোধীরা। তাদের মোট আসন হবে ২৬৯। ম্যাজিক ফিগারের চেয়ে মাত্র তিনটি আসন কম। আপ বা বামেরা সঙ্গে যোগ দিলেই হয়ে যাবে ম্যাজিক ফিগার।

    এদিকে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসছে বিজেপি। তারা পেতে পারে ২০২টি আসন। অন্যদিকে, কংগ্রেস পাচ্ছে ৯৭টি আসন।তবে, এই সমীক্ষা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর রাজনীতিতে প্রবেশের আগের। তাই কংগ্রেস নেতারা দাবি করছেন, এই সংখ্যাটা অনেকটাই বাড়বে। তাছাড়া মোদি সরকারের জনপ্রিয়তা ক্রমশ নিম্নমুখী। ভোট যত এগিয়ে আসছে ঝড়ের গতিতে জনপ্রিয়তা কমছে মোদির। আর তাতেই আশাবাদী কংগ্রেস শিবির।সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

  • রহস্যময়ী ক্লিওপেট্রার অজানা কাহিনী

    রহস্যময়ী ক্লিওপেট্রার অজানা কাহিনী

    বিউটি কুইন ক্লিওপেট্রা। কিন্তু কয়েনে তার যে ছবিটি ছিল সেখানে মোটেও আকর্ষণীয় দেখাচ্ছিল না তাকে। বেশ সাদামাটা চেহারার পুরুষালি নারী মনে হয়েছে তাকে। তবে সৌন্দর্যের উপমা দিতে গিয়ে ‘ক্লিওপেট্রার মতো সুন্দর’ বলা হয় অনেক সময়। কারণ তার নাম শুনলেই মানুষের মনে ভেসে উঠে খাড়া নাক, টানা চোখের নারীর কাল্পনিক ছবি।

    মনে হতে পারে, একটি কয়েন দেখে তো আর চেহারা সম্পর্কে ধারণা করা যায় না। তবে, বিষয়টি একটি কয়েনে সীমাবদ্ধ না। এ পর্যন্ত যতগুলো কয়েনে ক্লিওপেট্রাকে পাওয়া গেছে, সবগুলোর সাদৃশ্য আছে। সবগুলোতেই ছুঁচালো নাক এবং থুঁতনি দেখা গেছে। খুব সাদামাটা চেহারায় পাওয়া গেছে তাকে, এলিজাবেথ টেইলরের মতো নয়। তাই হলিউডের ক্লিওপেট্রার যে চেহারা মানুষের কল্পনায় গেঁথে গেছে, বাস্তবের ক্লিওপেট্রা তার থেকে একেবারেই আলাদা বলে মনে করা হচ্ছে।

    কয়েন পোট্রেটগুলোকে ‘ভুল’ ভাবা যায় না কোনো মতেই। কারণ কয়েনগুলো সেই সময়কার। বিভিন্ন জায়গা থেকে কয়েনগুলো সংগ্রহ করা হলেও ধারণা করা হচ্ছে যে একটি অফিসিয়াল ছবি দেখে তৈরি করা হয়েছে সবগুলো। আর অফিশিয়াল সেই ছবি আঁকা হয়েছিল রানীকে সামনে বসিয়ে কোনো দক্ষ চিত্রকরের হাতে। তাই অনুমান করে আঁকার প্রশ্নই আসে না। ক্লিওপেট্রার বাবার যেসব ছবি কয়েনে দেখা গেছে, সেগুলোর সঙ্গেও কয়েনের ক্লিওপেট্রার চেহারার মিল আছে।

    ক্লিওপেট্রার প্রেমিকদের সঙ্গেও কিন্তু মডার্ন কনসেপ্ট এর মিল নেই। প্রেমিক বলতেই যেমন সুদর্শন তরুণ মনে হয়, ব্যাপারটা সে রকম ছিল না। মধ্যবয়সী সিজারের মুখে ছিল বলিরেখা। মাথায় টাক ছিল। সেই টাক ঢেকে রাখা হতো মুকুটে। অ্যান্থনির থুঁতনি ঝুলে পড়েছিল। নাক ছিল ভাঙা। অর্থাৎ তারা কেউই সুদর্শন ছিলেন না।

    কয়েনগুলোর বেশিরভাগই খ্রিষ্টপূর্ব ৩০ অব্দের মাঝামাঝি অথবা শেষের দিকে। তখন ক্লিওপেট্রার বয়স ছিল তিরিশের বেশী। হলিউড তাকে যতটা সৌন্দর্যপ্রেমী আবেদনময় নারী হিসেবে দেখিয়েছে, বাস্তবে তিনি এতটা ছিলেন না বলে ধারণা করা হয়। তবে তিনি অত্যন্ত ব্যক্তিত্ববান এবং শক্তিধর নারী ছিলেন। তাছাড়া খুব বুদ্ধিমান ছিলেন। প্রচণ্ড উচ্চাভিলাষ ছিল। খুব সহজেই সবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারতেন। নিজের মতে অটল থাকতেন এবং সবাইকে কীভাবে বশ করতে হয় সেটাও জানতেন। সম্মান করে তাকে অনেকে দেবীর সঙ্গেও তুলনা করেন।

    ক্লিওপেট্রা আগাগোড়াই রহস্যে ঘেরা ছিলেন। মাত্র ৩৯ বছর তিনি বেঁচে ছিলেন। কিন্তু এই অল্প সময়ে তিনই গড়েছেন তার দৈনন্দিন জীবন, প্রেম, মৃত্যু সবকিছুতেই ছিল রহস্য। এই রহস্যই তার প্রতি আকর্ষণ তৈরি করছে যুগে যুগে।

    অবশেষে কি খুঁজে পাওয়া গেল অ্যান্টনি-ক্লিওপেট্রার সমাধিস্থল? সেই সেনানায়ক মার্ক অ্যান্টনি, যিনি রোমের পূর্ব প্রান্তের রাজ্যগুলো দেখতেন আর মিসরের রানি ক্লিওপেট্রার সঙ্গে থাকতেন। দুই হাজার ৫০ বছর আগে মারা যান তাঁরা। বহু বছর ধরে প্রত্নতাত্ত্বিকরা খুঁজে চলেছেন তাদের সমাধি। অবশেষে নাকি সেই সমাধির খোঁজ পাওয়া গেল।

    প্রত্নতত্ত্ববিদ জাহি হাওয়াস বলেন, আলেকজান্দ্রিয়া থেকে ১৮ মাইল দূরে প্রাচীন শহর তাপোসিরিস মাগনা, সেখানেই দুই ঐতিহাসিক ব্যক্তি শায়িত আছেন। একই সমাধিতে দুজনকে সমাহিত করা হয়েছিল। ইতিহাসে অ্যান্টনি-ক্লিওপেট্রার প্রেমের কথাই ফিরে এসেছে।

  • অভিনব এক জাহাজের নকশা বানাল ১২ বছরের ‍কিশোর

    অভিনব এক জাহাজের নকশা বানাল ১২ বছরের ‍কিশোর

    আস্ত একটা জাহাজ। আর সেই জাহাজই সামুদ্রিক প্রাণীদের দূষণের হাত থেকে রক্ষা করবে। বাঁচাবে সমুদ্রকে, বাঁচাবে পরিবেশকেও। এরকমই একটা জাহাজের নকশা তৈরি করেছে ভারতের বারো বছরের হাজিক কাজি।

    ‘এরভিস’ নাম দিয়েছে সে জাহাজটির। সে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে জানিয়েছে, তার নকশা করা এ জাহাজটিই সামুদ্রিক বর্জ্য তুলে নেবে।

    হাজিক জানায়, আমি বেশ কিছু তথ্যচিত্র দেখেছি এ বিষয়ের ওপরে।

    সামু্দ্রিক প্রাণীদের রক্ষা করতেই হবে, বিপন্ন বন্যপ্রাণের জন্য কিছু একটা করতেই হবে এমনই একটা তাড়না থেকেই এ জাহাজের নকশা তৈরি করেছে সে।

    সমুদ্রে প্লাস্টিক খেয়ে ফেলছে মাছ। মাছ থেকে দূষণ এসে পড়ছে মানুষের শরীরেও। কারণ বেশ কিছু সামুদ্রিক মাছও মানুষ খায়। ফলে দূষণের পরিমাণ মাছ থেকে মানুষে স্থানান্তরিত হলে আরো বেড়ে যায়।

    জাহাজের যে নকশা তৈরি করেছে পুণের এ কিশোর, তাতে জলের সঙ্গে সামু্দ্রিক প্রাণীও যন্ত্রে ধরা পড়ছে তাকে সুস্থ অবস্থায় সমুদ্রে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। কারণ এতে দূষণকে পাঁচ ভাগে ভাগ করার বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে।

    জাহাজের মধ্যে একটা সেন্সর লাগানো থাকবে, সেই সেন্সর প্লাস্টিক বর্জ্যকে আলাদা করতে পারবে। অন্য সেন্সরগুলো সামুদ্রিক প্রাণী শনাক্ত করে ফিরিয়ে দেবে সমুদ্রেই। নয় বছর বয়স থেকে এই জাহাজের নকশা নিয়ে কাজ করছে কাজি।

  • যুক্তরাষ্ট্রে ৯বছর বয়সে কলেজে ভর্তি হয়ে বাংলাদেশী বালকের বিস্মময়কর চমক !

    যুক্তরাষ্ট্রে ৯বছর বয়সে কলেজে ভর্তি হয়ে বাংলাদেশী বালকের বিস্মময়কর চমক !

    নাম তার কায়রান। বয়স মাত্র নয় বছর। কায়রানকে বিস্ময়কর বালক বলাটা বাড়াবাড়ি হবে না মোটেই। যুক্তরাষ্ট্রের কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির গড় বয়স যেখানে ১৭ থেকে ১৯, খুব মেধাবী হলেও ১৫ বা ১৪ বছরের নিচে ভর্তির রেকর্ডও যৎসামান্য। সেখানে বাংলাদেশের কায়রান কলেজে ভর্তি হয়েছে মাত্র ৯ বছর বয়সে! তাও যেনতেন কোনো বিষয় নয়, রীতিমতো গণিত ও রসায়ন নিয়ে পড়ছে সে।

    ক্যালিফোর্নিয়ার লাস পজিটাস কলেজে ভর্তি হওয়া কায়রানের এমন অভাবিত প্রতিভাকে প্রথমে সবার সামনে তুলে ধরে হাফিংটন পোস্ট। জানা যায়, কায়রানের মা জু‌লিয়‌া চৌধুরী কাজী ও বাবা মোস্তা‌হিদ কাজী। তাদের পূর্বপুরুষ সিলেটের বাসিন্দা।

    হাফিংটন পোস্টে খবর প্রকাশের পরই আমেরিকায় কায়রানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় আমেরিকার জনপ্রিয় টিভি শো গুড মর্নিং আমেরিকাতেও। পরে ডেইলি মেইল,আইরিশ টাইমস ও অন্যান্য পশ্চিমা গণমাধ্যমও কায়রানকে নিয়ে ইতিমধ্যে কয়েকটি সংবাদ ছেপেছে।

    হাফিংটন পোস্টে নিজের সম্পর্কে কায়রান বলেছে, তৃতীয় গ্রেডে থাকা অবস্থায় ডাক্তাররা পরীক্ষা করে জানায়,আমার আইকিউ ৯৯.৯ শতাংশ। আমার ইকিউ বা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সও অনেক বেশি। অভিভাবকরাও আমার যত্ন নিতেন। ধরে নেওয়া হয়, আমার কাছে প্রকৃতি প্রদত্ত কিছু রয়েছে। আমি ভর্তি হলাম মিনেসা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে। অধিক বুদ্ধিসম্পন্ন শিশুদের সাহায্য করার ব্যাপারে আমার মা-বাবাও শিখছিলেন। আমি ডেভিডসন ইনস্টিটিউটের ইয়ং স্কলার নির্বাচিত হই। আমাকে ভর্তি করা হয় বিশেষায়িত স্কুলে। এখন আমি চতুর্থ গ্রেড ও কলেজ— দু’টোতেই পড়ছি।

    প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখা বিষয়ে কায়রানের বক্তব্য, কলেজে শিক্ষাজীবন শুরুর আগে আমার যেসব বিষয় ভালো লাগত, আমি সেসব বিষয়ে আগ্রহ দেখাতাম ও চেষ্টা করতাম। কলেজের প্রথম কোর্স হিসেবে তারা আমাকে অ্যালজেবরা-১ কোর্সটি নিতে বলে, যেন আমি কলেজের পড়ালেখায় অভ্যস্ত হই। কিন্তু আমি বিরক্ত হতাম ও ক্লাসে ভিডিও গেমস খেলতাম। তবে আমিই মা-বাবাকে পীড়াপীড়ি করি, যেন আমাকে আরও কঠিন কোর্স দেওয়া হয়। যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষায় দেখা গেল, আমি ক্যালকুলাস নিতে সক্ষম, যা আমার বর্তমান ধাপেরও চার ধাপ পরের কোর্স। তখন তারা বিশ্বাস করতে শুরু করল, আমি আসলে জানি আমার কী করা প্রয়োজন।

    কায়রান আরও বলে, কলেজে শিক্ষকরা আমাকে আর দশটা শিক্ষার্থীর মতোই দেখেন। আমি অন্যদের মতো একই নিয়ম মেনে চলি। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ক্ষেত্রেও আমার জন্য বিশেষ কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় না। এটাও বাকি সবার মতো করেই করা হয়।

    কায়রান জানায়, খুব মিশুক হওয়ায় কলেজে তার অনেক বন্ধু। এমনকি তারা কামরানের কাছে শিখতে চায়। যদিও ক্যাম্পাসে প্রথম প্রথম অন্যরা তার দিকে অদ্ভুতভাবে তাকাত ও আড়ালে ছবি তুলত।

    তারা আমাকে কিউট ও স্মার্ট বলে। আমি তাদের সঙ্গে পরিচিত হই ও বন্ধু হতে চাই,’— মন্তব্য কায়রানের।

    কায়রান বলে, সবাই জানতে চায় আমি অসাধারণ মেধাবী কি না। আমার মা-বাবা বিষয়টিকে দেখেন, মানুষের ওপর প্রভাব ফেলে— এমন বড় বড় সমস্যার সমাধান আমি করতে পারছি কি না, সেই হিসাবে। আমি ৯ বছর বয়সে বেশকিছু বিষয়ের ওপর ভালো দক্ষতা অর্জন করেছি। এদিকে আমার মা বলেন, তিনিই একমাত্র জিনিয়াস, কারণ ঘরের সবকিছু তিনিই সামলে রাখেন। মা আরও বলেন, আইকিউ বা বুদ্ধি সন্তানরা পায় মায়ের এক্স ক্রোমোজোম থেকে। বাবা তখন চোখ পাকায়। মা-বাবার এই খুনসুটিতে পরিবারের আমার সময়টা কাটে বেশ আনন্দেই।

    কম্পিউটার বিজ্ঞানে পারদর্শী কায়রান পাইথন ল্যাঙ্গুয়েজ ও মেশিন লার্নিংয়ে দক্ষতা অর্জন করে মাত্র সাত বছর বয়সে। রাজনীতি নিয়েও প্রবল আগ্রহ রয়েছে তার। কায়রান জানায়, মাত্র তিন বছর বয়স থেকে সে নিয়মিত টেলিভিশনে রাজনৈতিক বিতর্ক দেখত।

  • লালকেল্লায় সুভাষ চন্দ্র বোস মিউজিয়াম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    লালকেল্লায় সুভাষ চন্দ্র বোস মিউজিয়াম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের ১২৩তম জন্মদিবস উপলক্ষ্যে ২৩ জানুয়ারি বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লালকেল্লায় সুভাষ চন্দ্র বোস মিউজিয়ামের উদ্বোধন করেন ৷ এই সংগ্রহশালায় নেতাজি এবং তার আজাদ হিন্দ ফৌজের সঙ্গে যুক্ত জিনিসপত্র প্রদর্শনের জন্য রাখা রয়েছে৷

    এদিন মোদীর সঙ্গে সেখানে নেতাজির নাতি চন্দ্র বোসও উপস্থিত ছিলেন বলে সংবাদ সূত্রের খবর৷ এছাড়া প্রধানমন্ত্রী বুধবার ইয়াদ-এ-জলিয়াঁ সংগ্রহশালা এবং ১৮৫৭-র ওপর একটি সংগ্রহশালাতেও যান তিনি৷

    আজ তক-এ প্রকাসিত খবর থেকে জানা গিয়েছে, নেতাজিকে নিয়ে তৈরি ওই মিউজিয়ামে নেতাজির ব্যবহৃত কাঠর চেয়ার, তলোয়ার ছাড়াও আইএনএ-র পদক, ব্যাজ, পোশাক, এবং অন্যান্য জিনিসপত্র রয়েছে৷ প্রসঙ্গত, আইএনএ-র বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তার শুনানি লালকেল্লাতে হয়েছিল৷

    View image on TwitterView image on TwitterView image on Twitter
    এই মিউজিয়াম ফটো, পেন্টিং, সংবাদপত্রের ক্লিপিং, পুরনো রেকর্ড, অডিও-ভিডিও ক্লিপ, অ্যানিমেশন দিয়ে সাজানো হয়েছে যা সকলকে সমৃদ্ধ করবে৷

    উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হ্যাভলক দ্বীপকে স্বরাজ দ্বীপ, নীল দ্বীপের নাম শহিদ দ্বীপ এবং রস দ্বীপের নাম নেতাজি সুভাষ চন্দ্র দ্বীপের নামে পরিচিত হবে বলে ঘোষণা করেছিলেন৷

  • ৭ দিনের পুলিশি অভিযানে বিরিয়ানির দোকান থেকে উদ্ধার হল ১২টি বিড়াল

    ৭ দিনের পুলিশি অভিযানে বিরিয়ানির দোকান থেকে উদ্ধার হল ১২টি বিড়াল

    খাসি, মুর্গি নয়, বিরিয়ানি বানানো হচ্ছিল বিড়ালের মাংস দিয়ে। দাম তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় বিক্রিও হচ্ছিল রমরমা। ভারতের চেন্নাইয়ে সাতদিন ধরে পুলিশি অভিযানে বিরিয়ানির দোকানগুলো থেকে উদ্ধার করা হল ১২টি বিড়াল।

    আবাদি, পাল্লাভরম, তিরুমুল্লাইয়াভোরাম, পুম্পোজিল এবং কান্নিকাপুরমে অভিযান চালিয়ে বিড়ালগুলোকে উদ্ধার করা হয়। এসব ক’টি এলাকাই আদিবাসী অধ্যুষিত। প্রথমবার বিড়াল রহস্যজনকভাবে উধাও হওয়ার অভিযোগ আসে বালাজিনগর এলাকা থেকে। এক বাসিন্দার অভিযোগ ছিল, বিগত কয়েকদিন ধরে তার ও তার প্রতিবেশীদের পোষা বিড়াল উধাও হয়ে যাচ্ছে। ক্রমে বিড়াল উধাও হওয়ার ঘটনা বাড়তে থাকে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বিড়াল চুরি করছে আদিবাসীদের একাংশ।কয়েকজনকে জেরা করে জানা যায়, বিড়াল তারাই চুরি করছে। কোথায় বিক্রি করা হচ্ছে এ বিড়ালগুলোকে, সেই জেরায় ওঠে আসে বিরিয়ানির দোকানগুলোর নাম। এ অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কয়েকজন আদিবাসীকে। মানুষের কিছু অদ্ভুত খাবারঃ কথায় আছে ‘আপ রুচি খানা’। তবে রুচি তো সংস্কৃতি, খাদ্যাভাস, পরিবেশ সবটার ওপরেই নির্ভর করে। এলাকাভেদে খাদ্যাভাসে রয়েছে বিস্তর ফারাক। তেমনই এক জনের কাছে যা বিশেষ প্রিয় খাবার, অন্য জনের কাছে তা খাওয়া দুঃস্বপ্নের মতো। নতুন খাবার চেখে দেখতে যারা ভয় পান না, তারা ট্রাই করতেই পারেন এই ডিশগুলো। তবে শর্ত একটাই। ভয় পেলে চলবে না। অক্স টাঙ্গ : কানাডায় ষাঁড়ের জিভ দিয়ে তৈরি হয় এই ডিশ। হাই ফ্যাট থাকে এই খাবারে।

    ফ্রুট ব্যাট স্যুপ : পালাওয়ের জনপ্রিয় খাবার এই বাদুড়ের স্যুপ। বালুট : ফিলিপাইনের জনপ্রিয় ডিশ হাঁসের ভ্রূণ দিয়ে তৈরি এই বালুট। সেঞ্চুরি এগ : চীনে হাঁসের ডিম দীর্ঘদিন ধরে পচিয়ে তৈরি হয় এই বিশেষ রেসিপি।

    ফ্রায়েড ট্যারেন্টুলা : কম্বোডিয়ায় গেলে মিস করবেন না যেন। ভয়ঙ্কর ট্যারেন্টুলা ফ্রাই অবশ্যই চেখে দেখবেন। ক্রোকোডাইল পাও ডিশ : হংকং, সিঙ্গাপুর এবং চীনে গেলে কুমিরের পায়ের এই রেসিপি ট্রাই করতে পারেন। ব্লাড স্যুপ : এক্সপেরিমেন্টাল ডিশ ট্রাই করার আদর্শ জায়গা চীন। মুরগি, হাঁস বা শুকরের রক্তের স্যুপ খেতে চাইলেও যেতে হবে চীনে। স্নেক ওয়াইন : রাইস ওয়ান অথবা গ্রেইন অ্যালকোহলে আস্ত সাপ ডুবিয়ে রাখা হয়। কোরিয়াতে এই খাবার বেশ জনপ্রিয়। টুনা ফিস আইবল : চীন এবং জাপানে গেলে টুনা মাছের চোখ দিয়ে তৈরি এই খাবার চেখে দেখতে পারেন। স্মালাহোভ : নরওয়েতে গেলে চেখে দেখতেই পারেন ছাগলের আস্ত মাথা দিয়ে তৈরি এই অভিনব ডিশ। স্কর্পিয়ান ললিপপ : ললিপপ তো অনেক খেয়েছেন। কিন্তু মেক্সিকোর কাঁকড়াবিছের ললিপপ খেয়েছেন কী? সন্নকজি : জ্যান্ত অক্টোপাস কেটে তৈরি করা হয় কোরিয়ার ফেভারিট ডিশ সন্নকজি।

  • বিজেপিবিরোধী নেতাদের খাবার পরিবেশন করে চমক মমতার

    বিজেপিবিরোধী নেতাদের খাবার পরিবেশন করে চমক মমতার

    কলকাতার প্যারেড ময়দানে শনিবার সমাবেশের পর বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নেতাদের খাবার পরিবেশন করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে বিহারের আরজেডি-র নেতা তেজস্বী যাদবকে খাবার দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে বসেই  মধ্যাহ্নভোজ সারছিলেন অন্য  বিরোধী দলের নেতারা। ছিলেন কংগ্রেস থেকে শুরু করে সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি, ডিএমকে এবং আম আদমি পার্টির নেতারা। তেজস্বীকে খাবার দেওয়ার ছবিটি টুইটারে পোস্ট করেছেন সঞ্জয় যাদব নামে এক ব্যক্তি। তিনি  নিজেকে তেজস্বী যাদবের প্রাক্তন রাজনৈতিক পরামর্শদাতা বলে দাবি করেছেন।

    এনডিটিভির খবর, ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে পোস্ট করার পর অনেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সরলতা নিয়ে কথা বলেছেন। একই সঙ্গে আক্রমণও শানিয়েছেন কেউ কেউ।

    সেদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া, এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার, সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব, কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লা, আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ডিএমকে প্রধান এম কে স্ট্যালিন, কংগ্রেসের দুই সদস্য  মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং অভিষেক মনু সিংভির মতো নেতারা।

    লোকসভা নির্বাচনের সুর বাঁধা হল শুরু শনিবারের ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে। বিরোধী দলের নেতারা বললেন, তাঁরা চান ঐক্যবদ্ধভাবে লড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে। পাশাপাশি ইভিএমের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিরোধী নেতারা। পাল্টা তাঁদের নিশানা করেছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, হার নিশ্চিত জেনে এখন থেকেই ইভিএমের দিকে আঙুল তুলে রাখছে বিরোধীরা। তিনি আরও বলেন, মহাজোট একটা দুর্নীতিবাজ, নেতিবাচক এবং নড়বড়ে জোট-এরা মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে।