Category: আন্তর্জাতিক

  • প্রিয়াঙ্কার প্রথম বড়দিন

    প্রিয়াঙ্কার প্রথম বড়দিন

    বিয়ের পর প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার প্রথম বড়দিন আজ। ভক্তরা যদি ভুলে না যান, প্রথম দিন বিয়েটা খ্রিষ্টান রীতিতেই করেছিলেন বলিউড তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। পরদিন হিন্দু রীতিতে হয়েছিল তাঁর বিয়ে। বর মার্কিন গায়ক নিক জোনাস খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। স্বামী-স্ত্রী দুজনের ধর্মের প্রতি সম্মান রেখে দুই রীতি মেনে বিয়ে তো হলো। বিয়ের পর প্রথম উৎসবটি জুটল প্রিয়াঙ্কার ভাগে। গত রাত থেকে সপরিবার বড়দিনের উৎসব পালন করছেন তিনি। ছোট ভাই, মা ছাড়াও সঙ্গে আছেন স্বামী, ভাশুর জো জোনাস ও তাঁর হবু স্ত্রী সোফি টার্নার।

    কয়েক দিন আগেই হয়ে গেল প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাসের আরও একটি বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। এখন তাঁরা আছেন লন্ডন শহরে। সেখানেই প্রিয়াঙ্কা-নিক ও সোফি-জোকে একত্রে দেখা গেছে। যুক্তরাজ্যের বিনোদন কেন্দ্র কোভেন্ট গার্ডেনে নৈশভোজে গিয়েছিলেন তাঁরা। ছিলেন প্রিয়াঙ্কার মা মধু চোপড়া, ভাই সিদ্ধার্থ চোপড়া এবং নিকের ছোট ভাই ফ্রাঙ্কলিন জোনাস। সেখানে হাত ধরাধরি করে হাঁটছিলেন নিক ও প্রিয়াঙ্কা। প্রিয়াঙ্কার পরনে ছিল কালো ট্রাউজার ও কোট এবং হলুদ টপ। নিকও পরেছিলেন কালো পোশাক, গায়ে ছিল সোনালি রঙের জ্যাকেট। গত রোববার রাতেও একত্রে দেখা গেছে নিক ও প্রিয়াঙ্কাকে। সে সময় তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সোফি ও জো।

  • প্রথমবারের মত প্রকাশ্যে একসঙ্গে নাচলেন সৌদির তরুণ-তরুণীরা (ভিডিও ভাইরাল)

    প্রথমবারের মত প্রকাশ্যে একসঙ্গে নাচলেন সৌদির তরুণ-তরুণীরা (ভিডিও ভাইরাল)

    প্রথমবারের মত প্রকাশ্যে কোন কনসার্টে একসঙ্গে নাচলেন সৌদি আরবের তরুণ-তরুণীরা। যা দেশটিতে বিরল ঘটনা।

    সম্প্রতি সৌদি আরবে ফরাসি ডিস্কো জকি ডেভিড গুয়েত্তার এক কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে জমায়েত হয়েছিল সৌদির হাজারো তরুণ-তরুণীদের। আর সেখানেই ডেভিড গুয়েত্তার গানের সুরে একসঙ্গে নাচলেন তারা।

    ইতিমধ্যে সেই কনসার্টের তরুণ-তরুণীদের একসঙ্গে নাচার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অনেকে এর ব্যাপক প্রশংসা জানিয়েছেন।

    কেউ বলেছেন, সৌদি আরবকে স্বাগত নতুন এই জগতে প্রবেশ করার জন্য। তবে সেখানকার অনেক ধর্মীয় নেতারা এর কড়া সমালোচনা করেছেন।

    সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ক্ষমতায় আসার পর দেশটির সামাজিক পরিবর্তনের ডাক দেন। ইতিমধ্যে করেছেন অনেক পরিবর্তনও। ইতিমধ্যে সৌদির নারীরা গাড়ি চালানোর অনুমতি পেয়েছে এছাড়াও পেয়েছেন অনেক বিধিনিষেধ থেকে মুক্তি।

  • বাংলাদেশে ভোটাধিকার বাঁচাতে হবে

    বাংলাদেশে ভোটাধিকার বাঁচাতে হবে

    ৩০ ডিসেম্বর গত ১০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো পূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বাংলাদেশে। ২০১৪ সালের নির্বাচন ছিল বিতর্কিত এবং তাতে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অংশ নেয়নি।

    বাংলাদেশের জনগণ একটি মুক্ত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পাওয়ার অধিকার রাখে এবং যুক্তরাজ্য সরকার আন্তর্জাতিক অংশীজনদের পাশাপাশি এই অধিকারকে বাস্তবে রূপদান করার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই করবে।

    দুর্নীতি বাংলাদেশে এখনো একটি সমস্যা হিসেবে বিবেচিত। বিজয়ী দলের মধ্যে দুশ্চিন্তায় ফেলে দেওয়ার মতো একটি প্রবণতা দেখা যায়। আর সেটি হচ্ছে, পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোতে তাদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া। অস্পষ্টভাবে লেখা এবং ব্যাপক বিস্তৃত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, যাকে সম্প্রতি বিধিবদ্ধ করা হয়েছে, তা বাংলাদেশি সমাজকে পিছিয়ে দেওয়ার পথে একটি বড় পদক্ষেপ হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। এটি রাষ্ট্রকে কার্যকরভাবে মুক্তচিন্তা ও রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রকাশ দমন করার ক্ষমতা দেয়।

    এ ক্ষেত্রে ড. শহিদুল আলমের ঘটনাটা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন করে তোলার মতো। এই আইন বাংলাদেশের মুক্ত সমাজের জন্য কী বিপদ খাড়া করেছে—এ ঘটনা তা দেখিয়ে দিয়েছে। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত এই আলোকচিত্রী ও অ্যাকটিভিস্টকে রাজধানী ঢাকায় একটি আন্দোলন চলাকালে সরকারের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমের কাছে ‘মিথ্যে’ ও ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ডিসেম্বরের শেষে অনুষ্ঠিত হতে চলা নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করে তোলার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সমালোচনাকে অপরাধীকরণ তাৎপর্যপূর্ণ হুমকিস্বরূপ। যুক্তরাজ্য ও জাতিসংঘ সঠিকভাবেই এই আইনের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছে এবং এই অবস্থান ধরে রাখার ব্যাপারে আমাদের ভীত হওয়া উচিত নয়।

    ডিএফআইডির স্ট্রেংদেনিং পলিটিক্যাল পার্টিসিপেশন প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্য ২০১৪ থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক বোঝাপড়া উন্নততর করার জন্য মোট ১৬ মিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং প্রদান করেছে। আমাদের অবশ্যই এটা নিশ্চিত করতে হবে যে যুক্তরাজ্যের ট্যাক্সপেয়ারদের টাকা কার্যকরভাবে এবং এর ঘোষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যবহৃত হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন ও বলবৎকরণ এটা দেখিয়েছে যে, আমরা যেমনটা আশা করেছিলাম, এ এলাকায় আমাদের প্রদান করা অনুদান সম্ভবত সেভাবে কাজ করছে না।

    কিন্তু এটা দেশটির জন্য চরম আশাবাদের একটা মুহূর্ত। বাংলাদেশি রাজনীতির একজন কৌতূহলী পর্যবেক্ষক হিসেবে, রাজনৈতিক দলগুলোর মতপার্থক্য আমার আগ্রহের বিষয় নয়, আমার আগ্রহের বিষয় হচ্ছে দেশটিতে গণতন্ত্র অগ্রসর হচ্ছে কি না, সেটা দেখা। আশা করা যায়, যদি সেটা হয়, তাহলে তা জনগণের জন্য অধিকতর প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।

    নির্বাচনের দিন–তারিখ ধার্য করা নিয়ে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে তর্ক চলছে। শুরুতে ২৩ ডিসেম্বরকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিন হিসেবে ধার্য করা হয়েছিল। পরে সেটা সপ্তাপ্তখানেক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    এই বিলম্বিতকরণের পক্ষে একটি প্রধান যুক্তি হচ্ছে একটা অনুরোধ—নির্বাচনকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বহাল করার। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মতে, এটি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখবে।

    ক্রমান্বয়ে যে দিনই ধার্য হোক না কেন, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের ব্যাপক গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু বছরের এই সময়ে তা বাঞ্ছিত মাত্রায় হওয়ার নয়। সারা দুনিয়ার কূটনীতিকদের, যাঁদের মধ্যে আমাদের ঢাকার হাইকমিশনের লোকজনও রয়েছেন, বড়দিন আর ইংরেজি নববর্ষের কারণে কর্মচারী–কর্মকর্তাও থাকবেন অনেক কম। নির্বাচন কমিশনকে, তারা যেভাবে ভালো মনে করে, সেভাবে এই সমস্যাগুলো মোকাবিলা করতে হবে।

    গত এক দশকে দেশটির অনেক অগ্রগতি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জীবনমানের বিকাশ ঘটেছে এবং উল্লেখযোগ্য মাত্রায় অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও অবকাঠামোগত উন্নতি হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দেশটির এবং দেশটির জনগণের উন্নয়নে বিশাল ভূমিকা রেখেছে এবং তাতে আমাদের যে অবদান, তা নিয়ে যুক্তরাজ্যের গর্বিত হওয়া উচিত।

    দেশটির জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ হচ্ছে, একটি সত্যিকার অর্থে মুক্ত, সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন আয়োজন করা; যা জনগণকে ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহির আওতায় আনার ক্ষমতা প্রদান করবে এবং এই সময়, যখন বাংলাদেশ তাকিয়ে আছে ভবিষ্যতের দিকে, তখন তাদের প্রতিনিধিত্ব যথাযথভাবে করা হয়েছে—এমনটা অনুভব করবে।

    একটি শান্তিপূর্ণ ও প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্র অর্জন করার ক্ষেত্রে সহিংসতার ব্যবহার কোনো পন্থা হতে পারে না। এটা ছিল ২০১৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার একটা বিরাট ব্যর্থতা। এগিয়ে যাওয়ার স্বার্থেই, আমরা এই নির্বাচনকেই সেই বিভাজন আর প্রাণহানি দ্বারা চিহ্নিত হতে দিতে পারি না, যা গত নির্বাচনের ফসল ছিল।

    যুক্তরাজ্য সরকারকে অবশ্যই বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সহায়তা প্রদান করতে হবে, যা সহিংসতা এবং মতপ্রকাশে বাধাপ্রদান দ্বারা কলঙ্কিত হবে না।

    বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ হয়তো আগামী কয়েক সপ্তাহ ও মাসে নির্ধারিত হবে। দেশটির নাগরিকদের অবশ্যই এটা অনুভব করতে হবে যে, তাঁরা ঠিক সেই সব দৃষ্টিভঙ্গি আর মূল্যবোধ ধারণ করা রাজনীতিবিদদেরই নির্বাচিত করবেন, যেসব দৃষ্টিভঙ্গি আর মূল্যবোধ তাঁরা নিজেরা ধারণ করেন।

    অ্যান মেইন: ইংল্যান্ডের সেইন্ট অ্যালবানসের এমপি এবং বাংলাদেশবিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপের চেয়ারউইম্যান। কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট।

    ব্রিটেনের টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত উপসম্পাদকীয় ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করেছেন ইরফানুর রহমান। ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের দ্য টাইমস পত্রিকায় রচনাটি প্রকাশিত হয়।

  • ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ সুনামির আঘাত, নিহত ৬২, আহত ৬০০

    ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ সুনামির আঘাত, নিহত ৬২, আহত ৬০০

    ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ সুনামির আঘাতে অন্তত ৬২ জন নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে ৬ শতাধিক। দেশটির সান্দা স্ট্রেইট উপকূলে শনিবার ভয়াবহ এই সুনামি আঘাত হানে। খবর বিবিসির।

    দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, সুনামিতে দুইজন লোকের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া এতে শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছে।

    সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ভয়াবহ এই সুনামিতে ৪৩০টি বাড়ি ও ৯টি হোটেল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

    সুনামিতে পানদেগ্লাং, দক্ষিণ লামপাং ও সিরাং অঞ্চল থেকে নিহতের থবর পাওয়া গেছে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    ইন্দোনেশিয়ান আবহাওয়াবিজ্ঞান, ক্লিম্যাটোলজি এবং জিওফিজিক্যাল এজেন্সি (বিএমকেজি) জানায়, লামপাংয়ের মাউন্ট ক্রাকাতোয়া দ্বীপের আগ্নেয়গিরির প্রভাব থেকে সম্ভবত এ সুনামির উৎপত্তি হয়েছে।

    বিএমকেজি আরো জানায়, কোন ভূমিকম্পের ফলে এটির সৃষ্টি হয়নি।

    এর আগেও দেশটিতে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট সুনামিতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় সুলাওয়েসি দ্বীপ। এতে নিহত হয়েছিলেন প্রায় ২ হাজার মানুষ।

  • বাংলাদেশিরা ভিসা ছাড়া এখন যে ৪১ দেশে যেতে পারেন!

    বাংলাদেশিরা ভিসা ছাড়া এখন যে ৪১ দেশে যেতে পারেন!

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা দ্য হ্যানলি অ্যান্ড পার্টনার্স বিশ্বের ২০০টি দেশের ওপর গবেষণা জরিপ চালিয়ে একটি মূল্যায়ন সূচক তৈরি করেছে।

    যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান এবার ১০০–তে। ২০১৭ সালের প্রতিবেদন যা ছিল ৯৭তম। অর্থাৎ র্যাং কিং হিসাবে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশি পাসপোর্টের মূল্যায়ন ওজন কমেছে।

    ২০১৮ সালের বৈশ্বিক পাসপোর্ট র্যা ঙ্কিংয়ে তিন ধাপ পিছিয়ে গেছে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশিরা এখন আগের চেয়ে বেশি দেশে ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন।

    ভিসা ছাড়া শুধু পাসপোর্ট দিয়ে বিদেশ গমনের ওপর জরিপের ভিত্তিতে এ র্যাংরকিং করা হয়েছে।

    সংস্থাটির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ৪১টি দেশে ভ্রমণ সুবিধা পান। গত বছর যা ছিল ৩৮টি দেশে। সে হিসেবে ভিসা ছাড়া সুবিধা পাওয়া দেশের সংখ্যা ৩টি বেড়েছে।

    কোনো দেশের পাসপোর্ট কতটা শক্তিশালী, তা নির্ভর করে ওই পাসপোর্ট দিয়ে কতটি দেশে ভিসা ছাড়াই যাওয়া যায় তার ওপর। ভিসা ছাড়া যাওয়া বলতে বোঝায় ‘অন এরাইভাল ভিসা’। অর্থাৎ,

    অগ্রিম ভিসা না করে শুধু টিকিট কেটে অন্য দেশে চলে যাওয়া যায়। সেই দেশে ভিসার যাবতীয় কাজ সারা হয়।
    বাংলাদেশের সঙ্গে একই সূচকে আছে লেবানন, লিবিয়া ও দক্ষিণ সুদান।

    র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে আছে জাপান। জাপানের পাসপোর্ট দিয়ে ১৯০টি দেশে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করা যায়। দ্বিতীয় স্থানে আছে সিঙ্গাপুর। ভিসা ছাড়াই ১৮৯টি দেশে ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টে।

    বাংলাদেশিরা যেসব দেশে ভিসামুক্ত সুবিধা পান:
    এশিয়ার মধ্যে রয়েছে ভুটান, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও পূর্ব তিমুর।
    আফ্রিকার মধ্যে রয়েছে- কেপ ভার্দ, কমোরো দ্বীপপুঞ্জ, জিবুতি, গাম্বিয়া, গিনি বিসাউ, কেনিয়া, লেসোথো, মাদাগাস্কার, মরিশিয়া, মোজাম্বিক, সিসিলি, সেন্ট হেলেনা, টোগো, উগান্ডা, বেনিন ও রুয়ান্ডা।

    ক্যারিবীয় অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে- বাহামা, বার্বাডোজ, ডোমিনিকা, গ্রেনাডা, হাইতি, জামাইকা, মন্টসিরাত সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট, ত্রিনিদাদ ও ব্রিটিশ ভার্জিনিয়া আইল্যান্ড।

    আমেরিকার মধ্যে রয়েছে- বলিভিয়া। এছাড়া ওশেনিয়া অঞ্চলের মধ্যে কুক আইল্যান্ডস, ফিজি, মাইক্রোনেশিয়া, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিউই, সামাউ ও ভানুয়াতু।

  • বাংলাদেশে ভিসা পাচ্ছে না মার্কিন পর্যবেক্ষক দল; হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

    বাংলাদেশে ভিসা পাচ্ছে না মার্কিন পর্যবেক্ষক দল; হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

    একাদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে বাংলাদেশ সরকার সময়মতো ভিসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় সফর বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দল।

    এজন্য আনুষ্ঠানিক প্রেস বিবৃতিতে হতাশাও প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    ২১ ডিসেম্বর প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপ-মুখপাত্র রবার্ট পালাদিনো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গণতান্ত্রিক ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে মার্কিন সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত ‘এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল)’-এর একটি দলের বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসার কথা থাকলেও ভিসা জটিলতায় সেই সফর বাতিল করা হয়েছে।

    ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্য পর্যবেক্ষণ মিশন পরিচালনার উদ্দেশ্যে নির্বাচনের আগে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আনফ্রেলের অধিকাংশ আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষককে স্বীকৃতিপত্র ও ভিসা ইস্যু করতে বাংলাদেশ সরকারের ব্যর্থতায় আমরা হতাশ,’ বলেন তিনি।

    রবার্ট পালাদিনো বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা না থাকায় এখন বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। নির্বাচন নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন স্থানীয় এনজিও, বিশেষ করে ইউএসআইডি’র অর্থায়নে পরিচালিত বেশ কিছু সংস্থাকে এখন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করে দেয়াটা বাংলাদেশ সরকারের জন্য অনেক বেশি প্রয়োজন।

    বিবৃতিতে বলা হয়, যে কোনো গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য জনগণের শান্তিপূর্ণ মতপ্রকাশ, সবদলের শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ ও সংসদ গঠন, গণমাধ্যমকে নির্বাচনী অগ্রগতি কাভার করার স্বাধীনতা দেয়া, প্রার্থীদের তথ্য পাবার অধিকার নিশ্চিত করা এবং কোনো রকম হয়রানি, হুমকি বা সহিংসতা ছাড়াই সবাই নির্বাচনে অংশ নিতে পারা বাধ্যতামূলক।নির্বাচন-মার্কিন পর্যবেক্ষক দল-ভিসা

    ‘আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেন সরকার তার প্রতিশ্রুতি মতো সব বাংলাদেশিকে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ নিয়ে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ করে দিয়ে গণতন্ত্র নিশ্চিত করে।

    এর আগে ডিসেম্বরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছিল, বাংলাদেশের নির্বাচনে তারা পর্যবেক্ষক পাঠাবে এবং স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের সহায়তা করবে যেন ৩০ ডিসেম্বর একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্য ও সুইজার‌ল্যান্ডের সঙ্গে মিলে ১৫শ’ স্থানীয় পর্যবেক্ষককে অর্থায়নও করছে দেশটি।

  • সেরা মুখ্যমন্ত্রীর পুরস্কার পেলেন মমতা ব্যানার্জি

    সেরা মুখ্যমন্ত্রীর পুরস্কার পেলেন মমতা ব্যানার্জি

    ভারতে সেরা মুখ্যমন্ত্রী হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। রাজ্যের উন্নয়নের জন্য তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছে স্কচ গ্রুপ। তিনি ‘স্কচ চিফ মিনিস্টার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেয়েছেন।

    স্কচ গ্রুপের পক্ষ থেকে সমপ্রতি এক টুইটার বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়। অন্যান্য রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের প্রশাসন ভালভাবে চলেছে বলে গ্রুপটি জানিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৩১ টি স্কচ পুরস্কার পেয়েছে। স্কচ গ্রুপ ১৯৯৭ সাল থেকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছে। গ্রুপের যেমন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আছে, তেমনি মিডিয়া এবং স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। – ইকোনোমিক টাইমস

  • আজ বছরের দীর্ঘতম রাত, ক্ষুদ্রতম দিন কাল

    আজ বছরের দীর্ঘতম রাত, ক্ষুদ্রতম দিন কাল

    বাংলাদেশসহ উত্তর গোলার্ধের সব দেশের মানুষদের জন্য আজ (২১ ডিসেম্বর) বছরের সবচেয়ে দীর্ঘতম রাত। এছাড়া আগামীকাল শনিবার (২২ ডিসেম্বর) হবে বছরের ক্ষুদ্রতম দিন। উত্তর গোলার্ধে আজ দ্রুত সন্ধ্যা নামলেও বছরের সবচেয়ে বেশি সময় লাগবে রাত শেষ হতে।

    মূলত ২১ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থান করে এবং উত্তর মেরু সূর্য থেকে কিছুটা দূরে হেলে থাকার কারণেই রাত বড় হয় আর এর পরের দিনটি ছোট হয়। তবে বাংলাদেশে আজ বছরের দীর্ঘতম রাত হলেও পূর্ণিমার কারণে আকাশে থাকবে চাঁদের উজ্জ্বল আলো।

    এদিকে দক্ষিণ গোলার্ধের অবস্থা ঠিক বিপরীত। আজ (শুক্রবার) সেখানে বছরের দীর্ঘতম দিন, আর শনিবার হবে সবচেয়ে ছোট রাত।

  • বিয়ের চাপ, প্রেমিকার মাথা কেটে জঙ্গলে ফেলল প্রেমিক

    বিয়ের চাপ, প্রেমিকার মাথা কেটে জঙ্গলে ফেলল প্রেমিক

    প্রেমিকার বিয়ের চাপ সইতে না পেরে তাকে হত্যার পর তার মাথা কেটে আলাদা করে জঙ্গলে ফেলে দিল প্রেমিক।

    ভারতের কলকাতার ভূবনেশ্বরে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে।

    সইন নামের অভিযুক্ত ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার প্রেমিক সইন।

    খবরে প্রকাশ, সশমিতা বিসওয়াল নামের তরুণী সম্প্রতি সইনকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু সইন এখন বিয়ে করতে রাজি নয়। প্রেমিকার জোরাজুতে এক পর্যায়ে তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রেমিকাকে স্থানীয় মালিপাড়া এলাকায় ঘুরতে নিয়ে যায় সইন। সেখানে একটি বনের মধ্যে নিয়ে সশমিতা হত্যা করে সইন। হত্যার পর তার মাথা কেটে আলাদা করে জঙ্গলে ফেলে দেয়। ঘটনার তদন্তে নেমে সশমিতার কাটা মাথা ও দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

  • কোহলিকে ওর মত খেলতে দিন, শোয়েবের অনুরোধ

    কোহলিকে ওর মত খেলতে দিন, শোয়েবের অনুরোধ

    অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে বিসিসিআইয়ে বিরাট কোহলিকে একটু রয়েসয়ে চলতে বলেছিল। কিন্তু সে সতর্কবাণীতে কাজ হয়নি। অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে মাঠে বিবাদে জড়িয়েছেন। সদ্য শেষ হওয়া পার্থ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক টিম পেইনের সঙ্গে মাঠের মধ্যেই বচসায় লিপ্ত হয়েছিলেন। কোহলির এই আচরণে ক্ষুব্ধ হয়েছেন নাসিরউদ্দিন শাহ থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়ান পেসার মিচেল জনসহ অনেকে। কিন্তু চলমান এই বিতর্কে কোহলির পাশেই দাঁড়ালেন সাবেক পাকিস্তানি পেসার শোয়েব আখতার। কোহলিকে যাতে বারবার সমালোচনার মুখোমুখি না হতে হয়, এ জন্য সবার কাছে অনুরোধ করেছেন তিনি।

    নিজের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে কোহলিকে সমর্থন করে লিখেছেন, ‘আধুনিক ক্রিকেটের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় বিরাট কোহলি। খেলার মাঠে আগ্রাসী মনোভাব দেখানো ক্রিকেটেরই অংশ, বিশেষত আপনি যখন অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের মতো জায়গায় খেলতে যান, আর যতক্ষণ পর্যন্ত বিষয়টা সীমার মধ্যে থাকে। অনুগ্রহ করে এবার আপনারা ক্ষান্ত দিন (কোহলির সমালোচনা করা থেকে)!’
    পার্থ টেস্টের তৃতীয় দিনে ব্যাটিং করছিলেন টিম পেইন আর উসমান খাজা। ভালো একটা জুটিই গড়ে ফেলেছিলেন।

    কিন্তু প্রতিপক্ষের অধিনায়ক বিরাট কোহলি তা কীভাবে উপভোগ করেন? জুটি ভাঙার লক্ষ্যেই হয়তো একটু নরম-গরম শুরু করলেন। অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক টিম পেইনের দিকে এগিয়ে গিয়ে কিছু কথাও শুনিয়ে দিলেন। বললেন, ‘আমি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়, যেখানে তুমি শুধুমাত্র একজন কাজ চালানো অধিনায়ক!’ পেইনও ছেড়ে কথা বলবেন কেন? তিনিও দুকথা শুনিয়ে দেন ভারতীয় অধিনায়ককে। কোহলি-পেইনের বাদানুবাদ যথেষ্ট বিতর্কেরই জন্ম দিয়েছে।

    ২৬ তারিখে মেলবোর্নের বক্সিং ডে টেস্টে সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-অস্ট্রেলিয়া। সে টেস্টে কোহলি আবার নতুন কোন আলোচনার রসদ জোগান কি না, দেখে নেওয়া যাক!