Category: আন্তর্জাতিক

  • ১০ বছর যাবত কোমায় থাকা নারীর সন্তান প্রসব, তদন্তে পুলিশ

    ১০ বছর যাবত কোমায় থাকা নারীর সন্তান প্রসব, তদন্তে পুলিশ

    আমেরিকার ফিওনিক্সের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে গত প্রায় এক দশক ধরে কোমায় আছেন এক নারী।২৪ ঘন্টা ধরে তাকে নজরদারিরে রাখা হয়।এরমধ্যে ঘটে গেল সবাইকে অবাক করার মত ঘটনা। গত ২৫ ডিসেম্বরের পর ওই নারীর প্রসব ব্যাথা শুরু হয়।এরপর ২৯ ডিসেম্বর কোমায় থাকা অবস্থাতাতেই সন্তানের জন্ম দেন ওই নারী।

    এমন ঘটনায় পুলিশ খতিয়ে দেখছে,এই ঘটনার পেছনে যৌন নির্যাতন আছে কিনা। তবে অনেকে এমন ঘটনায় ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কেউ জড়িত বলে অভিযোগ করছেন।পুলিশ বিভাগের এক মুখপাত্র সংবাদ সংস্থা ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেছেন, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    কিন্তু তদন্তের অভিমুখ কোন দিকে তা তিনি জানাতে রাজি হননি। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তরফেও অভিযোগ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে। উত্তর দেওয়া হয়নি প্রায় ৯১১টি ফোনের।শেষমেশ ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তরফ থেকে দুইটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

    এবিসি নিউজের উদ্দেশে জারি করা একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এমন ঘটনার প্রকৃত সত্য যাতে উদঘাটন হয় তার জন্য যা যা করা দরকার সবটাই করা হবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পক্ষ থেকে।

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানালেন ওমানের সুলতান

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানালেন ওমানের সুলতান

    নির্বাচনে নিঙ্কুশ জয় লাভ করে আবারো প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় শেখ হাসিনাকে এবার অভিনন্দন জানিয়েছেন,ওমানের সুলতান কাবুস বিন সাইদ আল সাইদ।একের পর এক বিশ্বনেতারা শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছে।

    এর আগে আজ সুদানের প্রধানমন্ত্রী ও ডি-৮ মহাসচিবের অভিনন্দনের খবর আসে।

    যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে শুরু করে ভারত, চীন, কাতার ও সৌদি আরব, ইরান, কাতার, ভুটান সহ অসংখ্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাও এই তালিকায় রয়েছেন।

  • যে কারণে বিমানবন্দরে আটক হয়েছিলেন রুনি

    যে কারণে বিমানবন্দরে আটক হয়েছিলেন রুনি

    ইংলিশ তারকা ফুটবলার ওয়েন রুনিকে ১৬ ডিসেম্বর আটক করেছিল ওয়াশিংটন পুলিশ। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও এভারটনের সাবেক এই ফরোয়ার্ড ডুলস বিমান বন্দর থেকে আটক করা হয়েছিল।

    যদিও অর্থের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। বিবিসি জানাচ্ছে, সৌদি আরবে একটি প্রোমোশনাল ট্রিপ সেরে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছিলেন রুনি। বিমান বন্দরে নামার পর তিনি নাকি মদ্যপ অবস্থায় বিমানবন্দরে থাকা যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। এর পর টাকার বিনিময়ে তাকে ছাড়া হয়। বর্তমানে তিনি মেজর সকার লিগের (এমএলএস) দল ডিসি ইউনাইটেডের হয়ে খেলছেন।

    এর আগেও মদ্যপ অবস্থায় তিনি আটক হয়েছিলেন। যদিও সংবাদ মাধ্যমের কাছে রুনির মুখপাত্র দাবি করেছে, মদ্যপ ছিলেন না তিনি, ঘুমের ওষুধ খাওয়ায় এমন ঘটনা ঘটে।মুখপাত্র আরও বলেন, বিমানে ডাক্তারের দেয়া ঘুমের ওষুধ অ্যালকোহলের সঙ্গে খেয়েছিলেন রুনি। নামার পরও তার প্রভাব ছিল। আটক করার সময় পুলিশ তাকে সামান্য কিছু অভিযোগের কথাই বলেছিল।জরিমানা দিয়ে বিমান বন্দরেই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। বিষয়টি মিটে গিয়েছে।ওয়েন রুনিও পুলিশের ব্যবহারের প্রশংসা করেছেন ইউএস সংবাদ মাধ্যমে।

    রুনির ক্লাব ডিসি ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমরা বুঝতে পারছি সংবাদ মাধ্যমের আগ্রহের কারণ। কিন্তু এটা ওয়েনের ব্যাক্তিগত বিষয় এবং ক্লাব সেটা মিটিয়ে নেবে।২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ওয়েন রুনি। এর পর তাকে দুই বছরের জন্য নির্বাসিত করা হয় মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর উপর।গেল বছর জুলাইয়ে ডিসি ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছিলেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা। মেজর লিগ সকারে ভাল জায়গায় শেষ করতে পারেনি দল। ২০২০ পর্যন্ত ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে ইংল্যান্ডের সাবেক এই অধিনায়কের। এই মৌসুমের এমএলএস-এ রুনির দল প্রথম খেলতে নামবে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ৩ মার্চ।গেল নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে ‘গুড বাই’ বলেন রুনি।

  • স্ত্রীকে অশালীন মন্তব্য, থানায় ঢুকে যুবককে মারধর

    স্ত্রীকে অশালীন মন্তব্য, থানায় ঢুকে যুবককে মারধর

    স্ত্রীকে ফেসবুকে ‘অশালীন’ মন্তব্য করায় থানায় ঢুকে পুলিশের সামনেই এক যুবককে বেদম মারপিট করেছে ভারতের আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক নিখিল নির্মল। এ সময় তার স্ত্রী নন্দিনী কৃষ্ণণ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। ওই যুবককে বার বার ক্ষমা চাইতেও দেখা যায় কিন্তু তার পরেও চলতে থাকে মারধর। রবিবার ৫ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের এমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    মারধরের শিকার ওই যুবকের নাম বিনোদ। তিনি ওই জেলারই বাসিন্দা।

    জানা গেছে, জেলাশাসকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করেছিলেন বিনোদ। তার বিরুদ্ধে ফালাকাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন জেলাশাসক। তার পরই বিনোদকে আটক করে ফালাকাটা থানায় নিয়ে আসা হয়। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই থানায় স্ত্রীসহ হাজির হন নিখিল নির্মল। থানায় তখন আইসি সৌম্যজিত্ রায় ছিলেন। থানায় ঢুকেই বিনোদকে টেনে নিয়ে এসে মারধর শুরু করেন জেলাশাসক ও তার স্ত্রী। পর পর চড় মারা হয় বিনোদকে। সেই সঙ্গে তাকে শাসাতেও থাকেন নিখিল ও নন্দিনী।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, জেলাশাসক বিনোদকে বলছেন, ‘তোমায় যদি আধঘণ্টার মধ্যে থানায় ঢুকিয়ে দিতে না পারি, তা হলে তোমায় বাড়িতে গিয়ে মেরে ফেলতে পারি।’ এখানেই থামেননি তিনি। তাকে এটাও বলতে শোনা যায়, ‘আমার জেলায় আমার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলবে না।

    স্ত্রীকে অশালীন মন্তব্য, থানায় ঢুকে যুবককে মারধর

    জেলাশাসকের স্ত্রী নন্দিনীও রেহাই দেননি বিনোদকে। ওই যুবককে চড়, লাথি-গুঁতো মারেন নন্দিনী। পাশাপাশি হুমকি দিতে শোনা যায়, ‘কে বলেছে এই পোস্টটা দিতে? বলো। এত বড় কথা বলার সময় মনে ছিল না?’ বিনোদকে বার বার ক্ষমা চাইতেও দেখা যায়। কিন্তু তার পরেও মারধর করতে থাকেন নিখিল নির্মল ও নন্দিনী।

    পুলিশের কাছে বিনোদ জানিয়েছেন, জেলাশাসকের স্ত্রী তার ফেসবুক বন্ধু। কিন্তু তিনি যে জেলাশাসকের স্ত্রী সেটা জানতেন না। রবিবার রাতে ফেসবুকে জেলাশাসকের স্ত্রীর সঙ্গে চ্যাট করছিলেন বিনোদ। সেখানে একটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক হয়। তার পর নন্দিনী তাকে একটি গ্রুপে অ্যাড করেন। সেই গ্রুপে বিনোদকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন অনেকে।

    বিনোদের দাবি, তখনই তিনি জানতে পারেন, ‘নন্দিনী জেলাশাসকের স্ত্রী। বিনোদের আরো দাবি, ‘নন্দিনী জেলাশাসকের স্ত্রী জানার পর আমি লিখি আপনি তো জেলাশাসকের আলোয় আলোকিত। এরপরই অশালীন ভাষায় গালাগালি দেওয়া হয় আমায়। পাল্টা আমিও গালাগালি দিই।’

    জেলাশাসক ও তার স্ত্রীর এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরই তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। নানা রকম প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, থানায় ঢুকে ওই যুবককে মারধর করার এখতিয়ার কে দিল জেলাশাসককে?

    তবে ভিডিওটির প্রসঙ্গে জেলাশাসক কোনো মন্তব্য করতে চাননি। জেলাশাসক কোনো মন্তব্য না করলেও, তার স্ত্রী নন্দিনী কৃষ্ণণ ফেসবুকে এই ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

    স্ত্রীকে অশালীন মন্তব্য, থানায় ঢুকে যুবককে মারধর

    তিনি সেখানে লিখেছেন, ‘অনেক হয়েছে। সরানোর হলে সরিয়ে দিন। কিন্তু একজন ফ্যামিলি ম্যানকে এভাবে বিরক্ত করা বন্ধ করুন। কী জানেন আপনারা? আসল যে ঘটনাটা ঘটেছে সেটাই ভিডিওতে দেখানো হচ্ছে না!

  • বাঁজতে চলেছে যুদ্ধের দামামা! সেনাদের যুদ্ধপ্রস্তুতি নিতে বললেন চীনের প্রেসিডেন্ট!

    বাঁজতে চলেছে যুদ্ধের দামামা! সেনাদের যুদ্ধপ্রস্তুতি নিতে বললেন চীনের প্রেসিডেন্ট!

    চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। এমন হতচকিত করা সংবাদ প্রকাশ করে গণমাধ্যম রয়টার্স লিখেছে, শুক্রবার সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এমন নির্দেশ দেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

    অপরদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা শিনহুয়া জানায়, জিনপিং চীনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি এবং চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন এবং বলেন সেনাবাহিনীকে অবশ্যই দেশার নিরাপত্তা এবং উন্নয়নকে সমুন্নত রাখতে হবে। এ ছাড়া নতুন যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য সেনাবাহিনীকে নতুন কৌশল গ্রহণ করার পাশাপাশি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতেও নির্দেশ দেন।

    এ ছাড়া ওই বৈঠকে জিনপিং সেনাদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, যে সেনাদের জরুরী অবস্থার সময় খুব দ্রুত সাড়া দিতে হবে। এ ছাড়া তাদের যৌথ অপারেশন সক্ষমতাকে আরো বাড়াতে হবে এবং নতুন ধরণের যোদ্ধা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

    প্রসঙ্গত, দক্ষিণ চীন সাগর, তাইওয়ান এবং বাণিজ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধ চলছে চীনের। গত বুধবার একটি অনুষ্ঠানে শি জিনপিং বলেছিলেন যে তাইওয়ানকে কেউ চীন থেকে আলাদা করতে পারবেনা। এদিকে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাইওয়ান নিয়ে এশিয়া রিএসিউরেন্স ইনিশিয়েটিভ অ্যাক্ট আইনে স্বাক্ষর করেন, যেখানে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের নিরাপত্তার সুরক্ষা দিবে। এর একদিন পরই সেনাদের এমন পরামর্শ দিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট।

  • কুয়েতে খুলে দেয়া হচ্ছে বিশ্বের সর্বোচ্চ লম্বা ৪৮ কি.মি. সেতু

    কুয়েতে খুলে দেয়া হচ্ছে বিশ্বের সর্বোচ্চ লম্বা ৪৮ কি.মি. সেতু

    কুয়েত সিটি থেকে সুবাইয়া নামে দেশটির উপকূলীয় এক শহরের সঙ্গে যুক্ত হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ দীর্ঘ এ সেতুটি। আগামী এপ্রিলে এ সেতু খুলে দেয়া হবে এবং এটি নির্মাণে খরচ হচ্ছে ২.৬ বিলিয়ন ডলার।

    সেতুর দুই পাশে দুই বন্দর, প্রশাসন ভবন ও দর্শক কেন্দ্র সব মিলে ১৫ লাখ বর্গমিটার জমি লাগছে। আরব বিজনেস সেতুটির নাম দেয়া হয়েছে শেখ জাবের কসওয়ে। দক্ষিণ কোরিয়ার হুন্দাই ইঞ্জিনিয়ারি এন্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এটি নির্মাণ করছে।

    ৬ বছর লাগছে সেতুটি নির্মাণ করতে। সেতুটির মোট দৈর্ঘ হচ্ছে ৪৮.৫৩ কিলোমিটার যা চীনের কিনডাওয়ের হাইওয়ান সেতুর চেয়ে ৭ কিলোমিটার বেশি দীর্ঘ।

  • পাঁচতলা থেকে পড়েও বেঁচে গেল দুধের শিশু

    পাঁচতলা থেকে পড়েও বেঁচে গেল দুধের শিশু

    পাঁচতলা! সেটা কম উঁচু নয়। এই উঁচু থেকে পড়লে নির্ঘাত মৃত্যু। এটাই বাস্তবতা। কিন্তু কখনো কখনো কোনো ঘটনা বাস্তবতাকেও হার মানায়। যেমনটি ঘটেছে এক শিশুর ক্ষেত্রে।

    ঘটনা ভারতের মুম্বাইয়ে। এখানে বিএস দেবাশি রোডের ‘গোপী কৃষ্ণ আবাসন’-এর বাসিন্দা অজিত এবং জ্যোতি। তাদের রয়েছে ১৪ মাসের ছেলে অথর্ব। এই শিশুই পাঁচতলা থেকে জানলা দিয়ে নীচে পড়ে যায়। সবাই ভেবেছিল সে আর নেই। কিন্তু দেখা যায় শিশুটি বেঁচে আছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচতলার ফ্ল্যাটে ড্রয়িং রুমে বসে খেলছিল অথর্ব। পৌনে ৯টা নাগাদ ড্রয়িং রুমের দেওয়ালে বসানো ফরাসি ধাঁচের কাচের জানালা খুলে জামা-কাপড় মেলতে যান অজিতের মা। কিন্তু জানলা ঠিক করে বন্ধ করতে ভুলে যান তিনি।

    জানালার বাইরের লোহার গ্রিল বসানো না থাকায়, খেলতে খেলতে খোলা কাচের জানালা দিয়ে নীচে পড়ে যায় অথর্ব। চিৎকার শুনে সবাই ছুটে আসেন। দ্রুত পাঁচতলা থেকে নীচে নেমে আসেন শিশুটির মা-বাবা। এসে নিজেদের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তারা।

    দেখেন, চোট পেলেও জ্ঞান রয়েছে তাদের ছেলের। মাটিতে শুয়ে কাঁদছে সে। ঠোট ফেটে রক্ত পড়ছে তার। তড়িঘড়ি মুলুন্ডের বেসরকারি একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় অথর্বকে। এই মুহূর্তে আইসিইউতে ভর্তি রয়েছে সে।

    চিকিৎসকরা বলছেন, শিশুটির ঠোঁট ফেটে গিয়েছে। এছাড়া শরীরের কিছু জায়গায় আঘাত পেয়েছে। তবে লিভারে আঘাত লাগাতেই পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে। আঘাত তেমন গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    ভয়ঙ্কর এমন ঘটনায় শিশুটি কিভাবে বেঁচে গেল-সেই প্রশ্নই এখন দেখা দিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ভবনের পাশে একটি গাছ আছে। উচ্চতা পাঁচতলা ছাড়িয়ে গিয়েছে। গাছটির একটি ডাল আবার পাঁচতলায় শিশু অথর্বদের ফ্ল্যাটের জানলার নীচ পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। তাই খোলা জানলা দিয়ে সোজা ওই গাছের ডালের উপর এসে পড়ে অথর্ব। তার ভারে ডালটি নুয়ে পড়ে। সেখান থেকে মাটিতে পড়ে যায়। এ কারণে মনে হয় গুরুতর আঘাত পায়নি সে। তবে ভয়ে কান্না করে।

  • জাপানে ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

    জাপানে ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

    জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপের আশপাশে প্রথমবারের মতো ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালানোর পরিকল্পনা করছে মার্কিন বাহিনী। এ অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান নৌ-শক্তির মোকাবেলায় ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    সানকেই শিমবুন দৈনিক পত্রিকা বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী জাপানকে অবহিত করেছে যে তারা চলতি বছর কৌশলগত দ্বীপে ভূমি থেকে সমুদ্রে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করতে যাচ্ছে।

    পত্রিকাটি আরও বলেছে, চীনের পক্ষ থেকে ভূমি থেকে সমুদ্রে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবেলায় মার্কিন বাহিনী মহড়ায় রকেট লাঞ্চার মোতায়েন করবে।

    এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে চীন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে। মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এ অঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেও বেইজিং অভিযোগ করে আসছে।

    উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে ওকিনাওয়া দ্বীপের আশপাশে চীনের নৌবাহিনী যুদ্ধজাহাজের মাধ্যমে মহড়া চালিয়েছে। এ দ্বীপেই মোতায়েন রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার সৈন্য। এদিকে জাপানও এ অঞ্চলে চীনের সামরিক উপস্থিতিকে বড় ধরনের হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে আসছে।

  • ক্যালিফোর্নিয়া সুপ্রিম কোর্টে প্রথম মুসলিম বিচারপতি

    ক্যালিফোর্নিয়া সুপ্রিম কোর্টে প্রথম মুসলিম বিচারপতি

    যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হয়েছেন হালিম ধানিদিনা। যুক্তরাষ্ট্রে কোনো মুসলিম বিচারপতি হিসেবে তিনিই আইন বিভাগে সর্বোচ্চ এই পদ লাভ করলেন। সম্প্রতি আদালতের আপিল বিভাগের উচ্চ পদে তাকে এ পদোন্নতি দেয়া হয়। খবর পিবিএস নিউজের।

    তার এ নিয়োগ ক্যালিফোর্নিয়ার ঐতিহাসিক ঘটনা হিসাবে বিবেচনা করছেন স্থানীয়রা। আমেরিকাজুড়ে ইসলামফোবিয়ার এই দুঃসহ সময়ে হালিম ধানিদিনার এমন সাফল্য আমেরিকান মুসলিমদের মনে বেশ আশা ও উৎসাহ সঞ্চার করেছে।

    হালিমের জন্ম আমেরিকার শিকাগোতে। তবে তার মা বাবা দুইজনই ভারতীয়। বিয়ের পর তারা ভারতের গুজরাট থেকে প্রথমে পূর্ব আফ্রিকায় স্থনান্তরিত হন। এরপর সেখান থেকে আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

    হালিম বলেন, ক্যালিফোর্নিয়ার সুপ্রিম কোর্টে প্রথম মুসলিম হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার বিষয়ে আমি খুব বেশি চিন্তা করিনি এবং তা আশা কিংবা কল্পনাও করিনি। তার কৃতিত্বপূর্ণ পদোন্নতি ও নিয়োগের কারণে ক্যালিফোর্নিয়ার স্থানীয় মুসলমানরা বেশ খুশি হয়েছে। তার মাধ্যমে ক্যালিফোর্নিয়ান মুসলমানদের সঙ্গে লস এঞ্জেলেসের ইহুদিদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সুন্দর পরিবেশ তৈরি হবে বলে তাদের বিশ্বাস।

    মার্কিন আদালতের একমাত্র মুসলিম বিচারক হিসাবে কাজ করতে গিয়ে ধানিদিনাকে বৈষম্যমূলক ও লাঞ্ছনাকর বিভিন্ন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। ইসলামফোবিয়া ও ভিনদেশি হওয়ায় দেশীয় বিভিন্ন নিয়ম-নীতি মোকাবেলা করে আসতে হয়েছে তাকে। অনেকে তার গণতান্ত্রিক ভূমিকা নিয়ে সন্দেহও পোষণ করেছিল। কিন্তু হালিম অকাট্যভাবে বলে দিয়েছেন, আমি বিব্রতকর ও পরিণামদর্শী মন্তব্যগুলো মোকাবেলা করার কৌশল রপ্ত করে নিয়েছি। আর আমি এও বুঝতে শুরু করেছি যে, আমার মতো কোনো মুসলিম বিচারক না হলে, তাকে এত ধরনের ভীতিপূর্ণ মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হতো না।

    বিচারক অ্যান্ড্রু কিম তার সহকর্মী ধানিদিনা সম্পর্কে বলেন, বিচারব্যবস্থা বিষয়ে যখন আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি, তখন স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছি যে অভিজ্ঞতা-দক্ষতা এবং জুরির সঙ্গে মজবুত সম্পর্ক বজায় রাখার কারণে হালিমের জন্য অপূর্ব-সুন্দর ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।

    তার অন্যান্য সহকর্মীরা দৃঢ়তার সঙ্গে আশা করেছেন যে, তিনি রাষ্ট্রের বিভিন্ন ধরনের অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে বিচারমন্ত্রণালয়ে অনুসরণীয় নিয়ম-পদ্ধতি ও দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।

    বিচারবোর্ডের সভাপতি আন্দ্রেস রাসেল ধানিদিনা সম্পর্কে বলেন, গত চার বছর ধরে তাকে আমি চিনি। আমেরিকায় সে খুব কঠিন সময় পার করে এসেছে। অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি তার শ্রদ্ধাবোধ ও আন্তরিকতা অভূতপূর্ব। আমার বিশ্বাস আমরা একসঙ্গে চমৎকার ও সুচারুভাবে কাজ করতে পারবো।

  • মারধর খেয়েও ক্যামেরা থেকে দৃষ্টি সরাননি নারী সাংবাদিক

    মারধর খেয়েও ক্যামেরা থেকে দৃষ্টি সরাননি নারী সাংবাদিক

    কর্তব্যে অবিচল থাকা এবং সাহসিকতার নিদর্শন প্রকাশ পেল এক মুসলিম নারী সাংবাদিকের কাছ থেকে। মারধর খেয়ে ও হেনস্থার শিকার হয়েও তিনি নিজ দায়িত্ব থেকে পিছ পা হননি।

    ভারতে কেরালার কৈরালি টিভি চ্যানেলের চিত্র সাংবাদিক শাজিলা আব্দুর রহমান। এই কেরালায় শবরীমালা মন্দিরে নারী প্রবেশ নিয়ে চলছে ব্যাপক বিক্ষোভ। প্রতিবাদ-বিক্ষোভে উত্তাল গোটা রাজ্য। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো ১২ ঘণ্টার বন্ধের ডাক দিয়েছিল রাজ্যে। আর সেই ঘটনার ফুটেজ ও ছবি আনতে গিয়েছিলেন তিনি। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে, সংবাদমাধ্যমও বাদ যায়নি বিক্ষোভকারীদের তাণ্ডব থেকে। শাজিলা আব্দুল রহমানও এই তাণ্ডবের শিকার হন।

    এই নারী সাংবাদিক যখন ভিডিও করছিলেন তখন তার উপর হামলা করে বিক্ষোভকারী। তাকে কিল-ঘুসি, চড় মারা হয়। শুধু তাই নয়, হেনস্তাও করা হয়। নির্যাতনের কারণে তাকে কাঁদতে দেখা যায়। কিন্তু তিনি কাঁধ থেকে ক্যামেরা সরাননি।

    মারধর খেয়েও ক্যামেরা থেকে দৃষ্টি সরাননি নারী সাংবাদিক

    কাঁধে ক্যামেরা নিয়ে শাজিলা। মারধরের যন্ত্রণার চিত্র দেখা যাচ্ছে তার মুখে।

    শাজিলার সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরই তার প্রশংসা করেন অনেকে। তাকে নিয়ে চলছে আলোচনা, সাহসিকতার প্রশংসার ঝড় উঠেছে।

    এর আগে মহিলা সাংবাদিকরা শবরীমালায় ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের রোষের মুখে পড়ে পিছু হাঁটতে হয়েছিল তাদের।