Category: আন্তর্জাতিক

  • ভারতে নতুন নাগরিকত্ব আইনে বাংলাদেশি হিন্দুরা বাদ?

    ভারতে নতুন নাগরিকত্ব আইনে বাংলাদেশি হিন্দুরা বাদ?

    বিরোধীদের ক্ষোভ সামাল দিতে ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে বাংলাদেশি হিন্দুদের বাদ দেওয়া হতে পারে। যৌথ সংসদীয় কমিটি (জেপিসি) এমনই সুপারিশ করবে বলে অনুমান অসমিয়া গণমাধ্যমের।

    বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও শিখদের নাগরিকত্ব দিতে ভারতের পার্লামেন্টে একটি বিল আনে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। বিলটি বর্তমানে রাজেন্দ্র আগরওয়ালের নেতৃত্বাধীন জেপিসির বিবেচনাধীন।

    বিলটিকে ঘিরে আসামের রাজনীতি বেশ উত্তপ্ত। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পাশাপাশি চলছে উগ্রপন্থীদের হুংকার। এর মধ্যে পাঁচ বাঙালি হিন্দু খুনও হয়েছেন।

    এ অবস্থায় জেপিসির সদস্য ভুবনেশ্বর কলিতার সঙ্গে কথা বলে অসমিয়া সংবাদমাধ্যম টাইমএইট জানিয়েছে, বাংলাদেশিদের বাদ দিয়ে শুধু পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দুদেরই নাগরিকত্ব দেওয়ার সুপারিশ করা হতে পারে।

    ২০ নভেম্বর দিল্লিতে বসছে জেপিসির বৈঠক। জানা গেছে, বৈঠকের আগে সদস্যদের বক্তব্য লিখিতভাবে পেশ করতে বলা হয়েছে।

    নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে দিল্লিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে আসামের ৭০টি সংগঠন। এ মাসের শেষে তারা ‘হিন্দু বাংলাদেশি’দের বিরুদ্ধে দিল্লিতে ‘সত্যাগ্রহ’ করবে বলে জানিয়েছে।

    অহম ছাত্র সংস্থার (আটাসু) সভাপতি বসন্ত গগৈ গতকাল শনিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আসামে বাংলাদেশিদের কোনো স্থান নেই।

    আরেক ধাপ এগিয়ে কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতির নেতা অখিল গগৈ বলেছেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাসের চেষ্টা হলে আসামের বিজেপি সরকারকে ব্রহ্মপুত্রের পানিতে নিক্ষেপ করা হবে।

    অখিলের অভিযোগ, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলটি পাস হলে অন্তত ১ কোটি ৯০ লাখ বাংলাদেশি হিন্দু আসামে চলে আসবে। এ কারণে অসমিয়ারা হারাবেন নিজেদের ভিটেমাটি।

    অখিলের এই তথ্য মানতে নারাজ বিজেপির বিধায়ক শিলাদিত্য দেব। তিনি হিন্দুদের ভারতে আসাকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিরোধিতা করেছেন মুসলিম অনুপ্রবেশের।

    বিজেপির বাইরের প্রায় প্রতিটি দলই নাগরিকত্বে জাতপাতের রাজনীতিকে গুরুত্ব না দেওয়ার পক্ষে। তারা ২৪ মার্চ ১৯৭৪-কে নাগরিকত্বের ভিত্তি বছর হিসেবে বহালের পক্ষে।

  • এমপিরা কেড়ে নিলেন স্পিকারের চেয়ার, ছোঁড়া হল মরিচ গোলা পানি

    এমপিরা কেড়ে নিলেন স্পিকারের চেয়ার, ছোঁড়া হল মরিচ গোলা পানি

    রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এবার শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টে ঘটে গেল নজিরবিহীন ঘটনা। শুক্রবার তৃতীয় দিনের অধিবেশনে পার্লামেন্টে ব্যাপক হট্টগোল করেন প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ফ্রিডম অ্যালায়েন্স (ইউপিএফএ) জোটের আইনপ্রণেতারা। খবর আল-জাজিরার।

    প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতেই স্পিকারের চেয়ার দখল করে নেন তার দলের এমপিরা। শুধু তাই নয়, বরখাস্ত প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের দল ইউনাইটেড ন্যাশনাল অ্যালায়েন্সের এমপিদের ওপর ছুঁড়ে মারেন হয় মরিচের গুঁড়া মেশানো পানি। ছুঁড়ে মারেন পার্লামেন্টের চেয়ার-টেবিল, তাক ভেঙে ছুঁরে মারা হয় বই।

    এতে মাথা ফেটে যায় কয়েকজন এমপির। পার্লামেন্টের জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্রে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

    শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় অধিবেশন শুরু হয়। পার্লামেন্টে প্রবেশের সময় এমপিদের শরীর তল্লাশি করা হয়। কারণ আগের দিন বৃহস্পতিবার ছুরি নিয়ে প্রবেশ করেন বিক্রমাসিংহের ইউএনএফের দুই এমপি। এরপরই হট্টগোল শুরু করে সিরিসেনা ও রাজাপাকসের এমপিরা।

    আগের দিনও একইভাবে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন ‘দুই প্রধানমন্ত্রী’র এমপিরা। আগের দিনের মত দফায় দফায় মারামারি ও ঘুষাঘুষিও হয়। আহত এক এমপিকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

  • সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রদূত মনোনয়ন দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

    সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রদূত মনোনয়ন দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

    সৌদি আরবে প্রথম রাষ্ট্রদূত মনোনয়ন দিলেন ট্রাম্প। সেনাবাহিনীর সাবেক জেনারেল জন আবিজায়েদকে তিনি মনোনীত করেছেন। এখন তার চূড়ান্ত নিয়োগে সিনেটের অনুমোদন লাগবে। গত বছরের জানুয়ারি থেকে সৌদি আরবে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদ শূন্য রয়েছে।

    খবর আল জাজিরা’র জন আবিজায়েদ সাবেক চার তারকার জেনারেল। তিনি লেবানিজ বংশোদ্ভূত এবং খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। তিনি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার ছিলেন। এই কমান্ডের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য আছে। তিনি মধ্যপ্রাচ্য বিষয়েও বিশেষজ্ঞ। তিনি মার্কিন মিলিটারি একাডেমি থেকে গ্রাজুয়েট সম্পন্ন করেছেন। এরপর তিনি জর্ডানে আরবি বিষয়ে পড়ালেখা করেন।

    হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে মাস্টার্স করেন। ৬৭ বছর বয়সী জন আবিজায়েদকে এমন সময় মনোনয়ন দেওয়া হলো যখন সাংবাদিক খাশোগি হত্যা নিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে বিভিন্ন দেশের। সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কেমন হবে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

    চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের অনুমোদন নিতে হবে জন আবিজায়েদকে। ক্ষমতায় আসার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই প্রথম সৌদিতে রাষ্ট্রদূত মনোনয়ন দিলেন। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রদূত জোসেফ ওয়েস্টফালের মেয়াদ শেষ হয়।

  • ১০০ বছর পরও রেশ রয়ে গেছে

    ১০০ বছর পরও রেশ রয়ে গেছে

    অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান’ রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকারী আর্চ ডিউক ফ্রানজ ফার্দিনান্দ সারায়েভোর রাস্তায় সস্ত্রীক গুপ্তহত্যায় নিহত হয়েছিলেন। ওই ঘটনার সূত্র ধরে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল বটে; তবে ঐতিহাসিকেরা সব সময় বলেন, বিশ্বযুদ্ধের মূলে ছিল ইউরোপের জাতিগুলোর অতি জাতীয়তাবাদী লিপ্সা।

    আজ শত বছর পরে ইউরোপ তথা বিশ্বজুড়ে সেই জাতীয়তাবাদী লিপ্সা আর উগ্রতা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ১১ নভেম্বর প্যারিস শহরের কেন্দ্রস্থল অর্ক দ্য ট্রিউম বা বিজয় তোরণসংলগ্ন শঁজেলিজে সড়কের অনুষ্ঠানে প্রায় ৭০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা উপস্থিত হয়েছিলেন। সংঘাতের অবসানসংক্রান্ত চুক্তি যা ‘আর্মিস্টিস’ নামে পরিচিত সেই প্রথম মহাযুদ্ধের শত বছর স্মরণ করতেই এই আয়োজন। অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ পুনরায় পুরোনো জাতীয়তাবাদী শক্তি আবারও বিশ্বজুড়ে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা ডেকে আনছে বলে বিশ্বনেতাদের সতর্ক করেছেন।

    শত বছর বা তার একটু আগের ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের জনজীবন নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে চালিত হলেও মূলত তিনটি বিষয় প্রধান ছিল। প্রথমত, শিল্পবিপ্লব ও সাম্রাজ্যবাদ; দ্বিতীয়ত, ধনতন্ত্রবাদ ও সমাজতন্ত্রবাদ; তৃতীয়ত, উদারপন্থী ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলন।

    সেই সময় ইউরোপের কোনো জাতি বা রাষ্ট্র কে কার সঙ্গে যুদ্ধ-সংঘাতে লিপ্ত হয়নি, তা জানতে বিস্তর ইতিহাস পড়তে হবে। ওই সময় ইউরোপের জাতিতে-জাতিতে যুদ্ধ-সংঘাত হয়েছে উপনিবেশ দখলের স্বার্থে, নিজেদের জাতীয়তাবাদী শক্তিমত্তা ও সাম্রাজ্য বাড়ানোর প্রয়াসে। তবে সব যুদ্ধের ভিত্তিভূমি ছিল অতি জাতীয়তাবাদী চেতনা, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক স্বার্থ। ১৯১৪ সালের ১৪ জুন তৎকালীন সার্বিয়া, বর্তমানে বসনিয়া হার্জেগোভিনার রাজধানী সারায়েভোর রাস্তায়, অস্ট্রিয়ার সিংহাসনের উত্তরাধিকারী আর্চ ডিউক ফ্রানজ ফার্নিনান্দ বসনিয়ার স্বাধীনতাকামী গোপন বিপ্লবী দলের একজন সদস্যের হাতে সস্ত্রীক নিহত হন।

    এ ঘটনার পর ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির সেনাবাহিনী সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের দামামা বাজতে শুরু করে। অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির সাম্রাজ্যের বড় প্রতিবেশী জার্মানিও এ যুদ্ধের পক্ষ নেয়। আর অপরদিকে সার্বিয়ার পক্ষ নিয়েছিল রাশিয়া, ফ্রান্স ও ব্রিটেন। এরপর জার্মানি ১ আগস্ট রাশিয়ার বিরুদ্ধে এবং ৩ আগস্ট ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে সেদিনই জার্মানি বেলজিয়াম আক্রমণ করে। অন্যদিকে ব্রিটেন ৪ আগস্ট জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার বেশ কিছুদিন পর বুলগেরিয়া, তুরস্কের অটোমান সাম্রাজ্য, অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্য জার্মানির পক্ষে যোগ দিয়েছিল, তাদের বলা হতো সেন্ট্রাল পাওয়ারস। অন্যদিকে সার্বিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, জাপানসহ ১৮ রাষ্ট্র—তাদের বলা হতো অ্যালাইড পাওয়ারস।

    ইউরোপ মহাদেশ ছাড়িয়ে এই যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ছড়িয়ে পড়েছিল মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, পূর্ব এশিয়ার নানা দেশে। সব মিলিয়ে এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল ৪০টি রাষ্ট্র। যুদ্ধে নিহত হয় প্রায় দুই কোটি মানুষ। চার বছরব্যাপী এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষ হয়েছিল ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর। জার্মান ঐতিহাসিক অধ্যাপক আদ্রেয়াস রোড্ডার সম্প্রতি বলেছেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি ও তার মিত্রদের পরাজয়ের রেশ এখনো জার্মানি ও আঞ্চলিক দেশগুলোর রাজনীতিতে রয়েছে।

    শত বছর আগের যুদ্ধ ও সহিংসতা ভুলে সাবেক শত্রু আর মিত্ররা প্রায় ৭০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শত বছর স্মরণ অনুষ্ঠানে প্যারিসে ভবিষ্যতে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। শত বছর আগের সেই হিংসা-হানাহানির পরিস্থিতি যদিও এ মুহূর্তে ইউরোপে নেই; তবু তার কিছু আলামত-উপসর্গ ইদানীং দেখা যাচ্ছে।

    প্রথম মহাযুদ্ধের শত বছর স্মরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন, তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোসহ নানা দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা। সেই অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের জীবন দেওয়ার পরও পুরোনো জাতীয়তাবাদী ভূত আবার বিশ্বজুড়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এবং তা বিশ্বের শান্তির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেন, ‘অতি জাতীয়তাবাদী গৌরব ও সামরিক ঔদ্ধত্যই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ডেকে এনেছিল এবং দুটি বিশ্বযুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে হবে।’

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত লাখ লাখ অজ্ঞাতপরিচয় সেনার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন হলেও ইউরোপীয় নেতারা প্যারিসে বিশ্বশান্তি ও সাম্যের বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। তবে এ সময়ের বিশ্বরাজনীতিতে জাতীয়তাবাদকে সামনে আনার উদ্যোক্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে কিছুটা দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন। সব বিশ্বনেতা প্রথমে বাসে, পরে বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়ায় ছাতা মাথায় একসঙ্গে প্যারিসের শঁজেলিজে সড়ক থেকে বিজয় তোরণ পর্যন্ত হেঁটে মূল অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। ট্রাম্প প্যারিসে পৌঁছানোর আগেই ফ্রান্স ও জার্মানি প্রস্তাবিত ইউরোপীয় সেনাবাহিনী গড়ার পরিকল্পনার সমালোচনা করে ন্যাটো জোটকে অধিক আর্থিক সহযোগিতার আহ্বান জানান। তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউরোপীয় সেনাবাহিনী গড়ার বিষয়টি ভালো উদ্যোগ বলে মনে করছেন।

    ইউরোপ মহাদেশ দু-দুটি বিশ্বযুদ্ধ করেছে, দুটি যুদ্ধেই সহযোগী হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিগত সময়ে অনেক মহাদেশীয় বিষয়ে ইউরোপকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়েছে। তবে সময় বদলে যাচ্ছে। ইউরোপীয় নেতারা ক্রমেই অর্থনীতি, বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও বিশ্বশান্তির মতো বিষয়গুলোতে নিজেদের ভাবনাকে প্রাধান্য দিতে চাচ্ছেন।

    শত বছর আগে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মূলে যে জাতীয়তাবাদী উগ্রতার বীজ ছিল এবং তারই হাত ধরে আরও বলীয়ান হয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দরজা খুলে গিয়েছিল। আজ শত বছর পর আবার সেই আলামত প্রবল হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, ইতালি সর্বশেষ ব্রাজিল—সর্বত্র উগ্র জাতীয়তাবাদীদের আস্ফালন এখন প্রবল। তবু সৌভাগ্যের কথা, এঁদের রুখতে এমানুয়েল মাখোঁ ও আঙ্গেলা ম্যার্কেলের মতো নেতারাও এ বিশ্বে রয়েছেন।

  • সৌদি আরব থেকে ওমরাহ শেষে বিমানেই মারা গেল চার বছরের শিশু

    সৌদি আরব থেকে ওমরাহ শেষে বিমানেই মারা গেল চার বছরের শিশু

    সৌদি থেকে ওমানের রাজধানী মাসকট হয়ে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের কেরালা প্রদেশের কালিকুটের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করেছিল ওমান এয়ারওয়েজের ওই বিমান। এ ঘটনার পর বিমানটি আবু ধাবিতে জরুরি অবতরণ করে। সূত্র গালফ নিউজসৌদি আরব থেকে ওমরাহ করে পরিবারের সঙ্গে ফেরার পথে বিমানেই মারা গেছে চার বছর বয়সী এক ভারতীয় শিশু।

    সোমবার ওমান এয়ারওয়েজের একটি বিমানে এ ঘটনা ঘটে।সূত্র জানায়, ইয়াহিয়া পুথিয়াপুরাইল নামের ওই শিশু মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিল। বিমানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যায় সে।

    আমিরাতে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেন, শিশুটির মৃত্যুর খবর দূতাবাসে পৌঁছায় দুপুরের দিকে। শিশুটির মরদেহ দেশে ফেরার ব্যবস্থা ত্বরাণ্বিত করতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যার দিকে আমরা শিশুটির পাসপোর্ট বাতিল করে অনাপত্তিপত্র দিয়েছি। মঙ্গলবার সকালের দিকে অপর একটি ফ্লাইটে কেরালায় পৌঁছায় শিশুটির মরদেহ।

    শিশুটির আত্মীয় এমপি সিরাজ বলেন, ইয়াহিয়ার মরদেহ মঙ্গলবার সকালের দিকে কান্নুরে পৌঁছায়। পরে দুপুরের দিকে তাকে দাফন করা হয়। তার জন্ম থেকেই শারীরিক সমস্যা ছিল, কথা বলতে পারতো না; কিন্তু সবসময় হাসত

     

  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন কি নিরাপদ?

    রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন কি নিরাপদ?

    আজ ১৫ নভেম্বর থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুরুর কথা। পরিকল্পনা অনুযায়ী আজ থেকে প্রতিদিন ১৫০ জন করে প্রথম দফায় মোট ২ হাজার ২৬০ জন রোহিঙ্গা আরাকানে ফিরবে। তবে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রবল অনিশ্চয়তা ছিল, আদৌ পরিকল্পনামতো প্রত্যাবর্তন হবে কি না। জাতিসংঘ বাংলাদেশকে ইতিমধ্যে এই উদ্যোগের বিষয়ে সতর্ক করেছে। ফিরে যাওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে মিয়ানমারের কোনো অঙ্গীকার ছাড়া এইরূপ ‘প্রত্যাবর্তন উদ্যোগ’ ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছে জাতিসংঘ।

    যুক্তরাষ্ট্রও জাতিসংঘের এই অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। একই সুরে বিবৃতি দিয়েছে ৪২টি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সাহায্য সংস্থা, যারা উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদের নানানভাবে সহায়তা দিয়ে আসছে। তবে ভারত ও চীন চলতি প্রক্রিয়াকে সমর্থন দিয়েছে।

    রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আজকের উদ্যোগটি হলো একই লক্ষ্যে এই বছরের দ্বিতীয় আয়োজন। এর আগে গত জানুয়ারিতে অনুরূপ আরেক দফা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

    প্রত্যাবর্তনে ১৯ বছর লাগবে!
    প্রায় ১৫ মাস হলো রোহিঙ্গা শরণার্থীরা বাংলাদেশে। স্বাধীনতার পর এই সময়টাই ছিল বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সময়। সর্বশেষ সোয়া বছরের সালতামামি করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে তার সামনে সৃষ্ট কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বুদ্ধিদীপ্ত অবস্থান নিতে পারেনি। যদি আজ থেকে পরিকল্পনামতো দিনে ১৫০ জন করে রোহিঙ্গা কোনো ধরনের বাধাবিঘ্ন ছাড়া ফেরতও যায়, তাহলেও তালিকাভুক্ত শরণার্থী-রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পূর্ণ প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রায় ১৯ বছর সময় লাগবে। উপরন্তু, এর মাঝে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বসবাস নিরাপদ না করা গেলে প্রত্যাবর্তনের এই সময়পঞ্জিও ঠিকঠাক রাখা যাবে না।

    সুবিধাজনক অবস্থানে মিয়ানমার
    মিয়ানমারের জন্য চলতি পরিস্থিতি চরম সুবিধাজনক এক অবস্থার সৃষ্টি করেছে। আজ রোহিঙ্গারা ফেরত যাওয়া শুরু করলেও দেশটির শাসকেরা লাভবান, না গেলে অধিক লাভবান। প্রত্যাবর্তন শুরু হলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মিয়ানমারের নেতৃত্ব বলার সুযোগ পাবে যে সমস্যাটি এখন সমাধান অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। এতে করে প্রায় একঘরে অবস্থা থেকে দেশটি রেহাই পাবে। আর প্রত্যাবর্তন বন্ধ থাকলে যে তীব্র বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণায় নামবে মিয়ানমার। তার আলামতও মিলতে শুরু করেছে। ‘চুক্তি করেও শরণার্থীদের ফেরত না দেওয়া’র জন্য ঢাকাকে দায়ী করবে তখন নেপিডো সরকার। মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ীই ১৫ নভেম্বর থেকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন শুরুর কথা।

    জাতিসংঘ যে কারণে বিরোধিতায়
    জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল বাশেলে সর্বশেষ গত পরশু জেনেভা থেকে যে বিবৃতি দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের জন্য রীতিমতো হুমকিস্বরূপ। তিনি বলছেন, এ মুহূর্তে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার পাঠানো হবে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। তাঁর মতে, কক্সবাজার থেকে শরণার্থীরা বর্তমান বাস্তবতায় যেতে চাইছে না। আর শরণার্থীদের জোর করে ফেরত পাঠানো আন্তর্জাতিক আইন সমর্থন করে না।

    এই বক্তব্যের পরও বাংলাদেশ যদি শরণার্থীদের পাঠায়, সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন কূটনীতিক ঝুঁকি তৈরি হতে বাধ্য। ফিরে যাওয়া রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে কোনো বিপদে পড়লে তখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সহজেই বাংলাদেশকে দোষারোপ করার সুযোগ পাবে। অর্থাৎ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ এত দিন যে সহানুভূতি ভোগ করছে, তা এখন হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে। জাতিসংঘের এই বক্তব্য খুবই যৌক্তিক যে আরাকানে রাষ্ট্রীয় যেসব পদক্ষেপের কারণে রোহিঙ্গারা ভীতির মুখে পালাতে বাধ্য হয়েছে, তার অবসানে দেশটির সরকার এখনো কোনো উদ্যোগ নেয়নি। যার বড় প্রমাণ, এ বছরও অন্তত ১৪ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে।

    ঠিক এ কারণেই জাতিসংঘের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া রোহিঙ্গারা স্বদেশে ফিরতে অনিচ্ছুক। কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোর সর্বত্র একই মনোভাব দেখা গেছে। শরণার্থীরা মনে করে, যে পরিস্থিতির কারণে তাদের পূর্বপুরুষের ভিটা ছেড়ে আসতে হয়েছে, সেই একই পরিস্থিতি এখনো বহাল রয়েছে মিয়ানমারে।

    রোহিঙ্গারা উদ্বিগ্ন
    যেসব শরণার্থীর নাম চলতি প্রত্যাবর্তন তালিকায় রয়েছে, তারা বলছে, সম্মতি ও আলাপ-আলোচনা ছাড়াই তাদের নাম বাছাই করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকার বলছে, প্রত্যাবর্তনের জন্য তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায়ই নাম লিখিয়েছে। ব্রিটেনের গার্ডিয়ানসহ আন্তর্জাতিক কিছু প্রচারমাধ্যমে ইতিমধ্যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, প্রত্যাবর্তনের কথা শুনে মানসিক চাপে কয়েকজন রোহিঙ্গা আত্মহত্যারও চেষ্টা করেছে।

    উল্লেখ্য, নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বাংলাদেশে থাকা প্রায় ১০ লাখ ২৫ হাজার শরণার্থীর বাইরে আরাকানে বর্তমানে যে দেড় লাখ মতো রোহিঙ্গা রয়েছে, তারাও এখনো উদ্বাস্তু অবস্থায় বিভিন্ন ক্যাম্পে রয়েছে। এর বাইরে প্রায় পাঁচ হাজার রোহিঙ্গা রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন নো-ম্যানস-ল্যান্ডে। উপরিউক্ত দুই ধরনের রোহিঙ্গা অবস্থানেও মিয়ামনার সরকারের মনোভাবের কোনো মানবিক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না, যা কক্সবাজারের শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তন না করার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারে। এ ছাড়া আগেও রোহিঙ্গারা যেসব দ্বিপক্ষীয় আয়োজনে আরাকানে ফিরে গেছে, তাদের অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না। ফলে রোহিঙ্গাদের মধ্যে এরূপ মনোভাব এখন প্রবল যে আরাকানে আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ছাড়া তারা আর ফিরবে না।

    নাফের অপর পাড়ের সূত্র জানিয়েছে, যদি আজ প্রত্যাবর্তন শুরু হয়, তাহলে ফেরত যাওয়া রোহিঙ্গাদের হ্লা পোনে খং নামের একটি এলাকায় ট্রানজিট ক্যাম্পে রাখা হবে। এই ক্যাম্পে ৩০ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে সেখান থেকে কবে তারা নিজ নিজ বাড়িঘরে ফিরতে পারবে বা আদৌ সেটা তারা পারবে কি না, সে বিষয়ে বাংলাদেশ বা মিয়ানমার কোনো তরফ থেকেই কোনো বক্তব্য নেই। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, আরাকানের রোহিঙ্গাদের জন্য যে ট্রানজিট ক্যাম্প তৈরি হয়েছে, তাতে ভারত ও চীন সহায়তা দিচ্ছে মিয়ানমার সরকারকে। আরাকানের বিভিন্ন স্থানে এই দুই দেশ গত এক বছরে নেপিডো সরকারের সঙ্গে অনেকগুলো বৃহৎ বিনিয়োগ চুক্তিও করেছে।

    বাংলাদেশ কূটনৈতিক ঝুঁকিতে 
    রোহিঙ্গা বিষয়ে বাংলাদেশের সর্বশেষ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হলো মিয়ানমারের সঙ্গে ৩০ অক্টোবরের সমঝোতা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ ছাড়াই বাংলাদেশ-মিয়ানমার ওই সমঝোতার কথা জানায়। সর্বশেষ ওই ‘সমঝোতা’ ছিল বাংলাদেশের রোহিঙ্গাবিষয়ক ধারাবাহিক অবস্থানেরই অংশ। আরাকানে রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ সমকালীন বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম ট্র্যাজেডি হলেও বাংলাদেশ বরাবরই একে দ্বিপক্ষীয় পরিসরে সমাধানের বিষয় বিবেচনা করায় অনেক ভূরাজনৈতিক বিশেষজ্ঞই বিস্মিত।

    অক্টোবরে ঢাকায় দুই দেশের ‘জয়েন্ট ওয়াকিং কমিটি’র তৃতীয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত ছিল, ১৫ নভেম্বর থেকে শরণার্থীদের ফেরত যাওয়া শুরু হবে। ঢাকা ও নেপিডোর এই সিদ্ধান্তের প্রতি আন্তর্জাতিক পরিসরে তখন শীতল প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়। এর কারণ অবোধগম্য নয়। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক বহু পক্ষ ইতিমধ্যে যুক্ত। তাদের কূটনীতিক ও মানবিক সহায়তা এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শক্তির জায়গা। এরূপ পক্ষগুলোকে শরণার্থী প্রত্যাবর্তন-প্রক্রিয়ায় যুক্ত না করে শুধু মিয়ানমারের সঙ্গে প্রত্যাবর্তন বিষয়ে সমঝোতায় আসার ফল হয়েছে এই যে পুরো সংকট এখন জোর করে দ্বিপক্ষীয় রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিয়ানমারের জন্য সুবিধাজনক হয়েছে।আর বাংলাদেশের জন্য হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, এর ফলে বাংলাদেশ কূটনীতিক পরিসরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরও নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ার পরিস্থিতি তৈরি হলো।

  • প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) থেকে আদি পিতা আদম (আ.) পর্যন্ত পূর্বপুরুষগণের নামের তালিকা

    প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) থেকে আদি পিতা আদম (আ.) পর্যন্ত পূর্বপুরুষগণের নামের তালিকা

    প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) থেকে আদি পিতা আদম (আ.) পর্যন্ত পূর্বপুরুষগণের নামের তালিকা

    একনজরে দেখে নিন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) থেকে আমাদের আদি পিতা হজরত আদম (আ.) পর্যন্ত পূর্বপুরুষগণের নামের তালিকা

    ১. হযরত মুহম্মদ মুস্তাফা (স)
    ২. তাঁহার পিতা আব্দুল্লাহ
    ৩. তাঁহার পিতা আব্দুল মোত্তালিব
    ৪. তাঁহার পিতা হাসিম
    ৫. তাঁহার পিতা আব্দ মানাফ
    ৬. তাঁহার পিতা কুছাই
    ৭. তাঁহার পিতা কিলাব
    ৮. তাঁহার পিতা মুরাহ
    ৯. তাঁহার পিতা কা’ব
    ১০. তাঁহার পিতা লুই
    ১১. তাঁহার পিতা গালিব
    ১২. তাঁহার পিতা ফাহর
    ১৩. তাঁহার পিতা মালিক
    ১৪. তাঁহার পিতা আননাদর
    ১৫. তাঁহার পিতা কিনান

    ১৬. তাঁহার পিতা খুজাইমা
    ১৭. তাঁহার পিতা মুদরাইকা
    ১৮. তাঁহার পিতা ইলাস
    ১৯. তাঁহার পিতা মুদার
    ২০. তাঁহার পিতা নিজার
    ২১. তাঁহার পিতা মা’দ
    ২২. তাঁহার পিতা আদনান
    ২৩. তাঁহার পিতা আওয়াদ
    ২৪. তাঁহার পিতা হুমাইসা
    ২৫. তাঁহার পিতা সালামান
    ২৬. তাঁহার পিতা আওয
    ২৭. তাঁহার পিতা বুয
    ২৮. তাঁহার পিতা কামওয়াল

    ২৯. তাঁহার পিতা ওবাই
    ৩০. তাঁহার পিতা আওয়ান
    ৩১. তাঁহার পিতা নাসিদ
    ৩২. তাঁহার পিতা হিযা
    ৩৩. তাঁহার পিতা বালদাস
    ৩৪ . তাঁহার পিতা ইয়াদলাফ
    ৩৫. তাঁহার পিতা তাবিখ
    ৩৬. তাঁহার পিতা জাহিম
    ৩৭. তাঁহার পিতা নাহিস
    ৩৮. তাঁহার পিতা মাখি

    ৩৯. তাঁহার পিতা আ”য়েফ
    ৪০. তাঁহার পিতা আবকার
    ৪১. তাঁহার পিতা উবাইদ
    ৪২. তাঁহার পিতা আদ দাহা
    ৪৩. তাঁহার পিতা হামদান
    ৪৪. তাঁহার পিতা সানবার
    ৪৫. তাঁহার পিতা ইয়াসরিবি
    ৪৬. তাঁহার পিতা ইয়াহজিন
    ৪৭. তাঁহার পিতা ইয়ালহান
    ৪৮. তাঁহার পিতা ইরাওয়া
    ৪৯. তাঁহার পিতা আইযি

    ৫০. তাঁহার পিতা যিশান
    ৫১. তাঁহার পিতা আইছার
    ৫২. তাঁহার পিতা আফনাদ
    ৫৩. তাঁহার পিতা আইহাম
    ৫৪. তাঁহার পিতা মুকাসির
    ৫৫. তাঁহার পিতা নাহিস
    ৫৬. তাঁহার পিতা যারিহ
    ৫৭. তাঁহার পিতা সামি
    ৫৮. তাঁহার পিতা মায্যি
    ৫৯. তাঁহার পিতা ইওয়াদ
    ৬০. তাঁহার পিতা ইরাম

    ৬১. তাঁহার পিতা হিদার
    ৬২. তাঁহার পিতা হযরত ইসমাইল (আঃ)
    ৬৩. তাঁহার পিতা হযরত ইবরাহিম (আঃ)
    ৬৪. তাঁহার পিতা তারক
    ৬৫. তাঁহার পিতা নাহুর
    ৬৬. তাঁহার পিতা সারুয
    ৬৭. তাঁহার পিতা রা’উ
    ৬৮. তাঁহার পিতা ফাহিয
    ৬৯. তাঁহার পিতা আবীর

    ৭০. তাঁহার পিতা আফরাহশাদ
    ৭১. তাঁহার পিতা সা’ম
    ৭২. তাঁহার পিতা হযরত নূহ (আঃ)
    ৭৩. তাঁহার পিতা লামিক
    ৭৪. তাঁহার পিতা মাতু সালিখ
    ৭৫. তাঁহার পিতা হযরত ঈদ্রীস (আঃ)
    ৭৬. তাঁহার পিতা ইয়ারিদ
    ৭৭. তাঁহার পিতা মালহালিল
    ৭৮. তাঁহার পিতা কিনান
    ৭৯. তাঁহার পিতা আনস
    ৮০. তাঁহার পিতা হযরত শীস (আঃ)
    ৮১. তাঁহার পিতা হযরত আদম (আঃ)

  • শপথ নিলেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার

    শপথ নিলেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার

    বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য ওয়াশিংটনে সিনেটে শপথ গ্রহণ করেছেন নব নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার।

    সেখানে মঙ্গলবার এ শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে বুধবার ঢাকার দূতাবাস থেকে ঘোষণা করা হয়েছে।

    দূতাবাস জানিয়েছে, রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সদ্য সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট, তার আগের রাষ্ট্রদূত ড্যান মোজেনা ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্রের খবর, আগামী ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশে আসবেন আর্ল আর মিলার। বাংলাদেশে এসে তিনি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করার মাধ্যমে তার দ্বায়িত্ব পালন শুরু করবেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সদস্য মিলার এর আগে ২০১৪ সাল থেকে বতসোয়ানায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে কনসাল জেনারেল হিসেবেও (২০১১-১৪) দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি ভারতের নয়াদিল্লিতে (২০০৮-১১), ইরাকের বাগদাদে (২০০৭-০৮) এবং ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় (২০০৪-০৭) আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা (আরএসও) হিসেবে কাজ করেছেন। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে জ্যেষ্ঠ আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে (২০০০-০৩) দায়িত্ব পালন করেছেন মিলার।

  • কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতে পারমাণবিক হামলার হুমকি পাকিস্তানের!

    কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতে পারমাণবিক হামলার হুমকি পাকিস্তানের!

    কাশ্মীর ইস্যুতে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক। নতুন করে কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তেজনাকর বক্তব্য দিয়েছেন আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের (এজেকে) প্রেসিডেন্ট সর্দার মাসুদ খান৷ তিনি কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতে পারমাণবিক হামলার হুমকি দিয়েছেন।

    মঙ্গলবার পাকিস্তানের মুজাফফরাবাদে অনুষ্ঠিত নৌবাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে সর্দার মাসুদ খান কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতে পারমাণবিক হামলার হুমকি দিয়ে বলেন, ভারত একগুঁয়েমি করছে কাশ্মীর ইস্যুতে, যা দক্ষিণ এশিয়াতে পারমাণবিক যুদ্ধ উসকে দিতে পারে।

    এদিকে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০০৩ সালে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ বিরতি নিয়ে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা বারবারই লঙ্ঘন করে চলেছে পাকিস্তান। শুধুমাত্র চলতি বছরই এক হাজারেরও বেশি সময় সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে সীমান্তে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।  সম্প্রতি সংঘর্ষ বিরতি চেয়ে পাকিস্তানই বিএসএফের কাছে অনুরোধ করেছিল, কিন্তু তারপর নিজেরাই সেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে বারবার।

  • বিয়ে হয়ে গেল দীপিকা-রণবীরের

    বিয়ে হয়ে গেল দীপিকা-রণবীরের

    অবশেষে বিয়ে হয়ে গেল দীপিকা পাড়ুকোন-রণবীর সিংয়ের। মঙ্গলবার ইতালির লেক কোমার ভিলা দেল বালাবিয়ানে গাঁটছড়া বাঁধলেন এই তারকা জুটি। খবর এএনআইয়ের।

    তবে এখন পর্যন্ত বিয়ের কোনো ছবি বাইরে আসেনি। যদিও বিয়ের ছবি যাতে কোনওভাবেই বাইরে প্রকাশ না পায় সেই জন্য আসরে মোবাইল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি ছিল না। সূত্রের খবর, বিয়ের আসরে উপস্থিত ছিলেন দু’জনের পরিবারের কাছের আত্মীয় ও সদস্যরা।

    দুই পরিবারের ৩০ থেকে ৪০ জন আত্মীয়ের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় বিয়ে। সন্ধ্যায় সেখানে যাওয়ার কথা রয়েছে বলিউড বাদশা শাহরুখ খান ও পরিচালক সঞ্জয়লীলা বানশালির। আগামীকাল সিন্ধি মতে আবারও বিয়ে হবে তাঁদের। এরপর দেশে ফিরে মুম্বাইতে হবে বড় আকারে রিসেপশন।